আমার প্রিয় পোস্ট
- ব্লগীয় কবিতা সমগ্র - সবুজ অঙ্গন
- ব্লগীয় কবিতা সমগ্র - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- ছড়াপ্রস্তুত কারখানা : দলে দলে যোগ দিন - সবুজ অঙ্গন
- যেমন আছে সৌদি প্রবাসী রহিম,বাবুলরা। উৎসর্গঃ ........ - আমি ছাড়া সবাই ভাল
- ছড়ার খেলা; ইচ্ছে হলেই এখানে একটা ছড়া লিখে ফেলুন


- সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- কম খরচে Movie Projector তৈরি - মুনতাসির বিল্লাহ মুন্না
- আসুন শিখি থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স (ফ্রি টিউটোরিয়াল!) পর্ব-১ - তানভীর চৌধুরী পিয়েল
- "আপনার লিখা"র কপি করা মানুষদের খুঁজে বের করার সহজ উপায় - সিউল রায়হান
- Ø Ø ডাউনলোড করুন ১০,০০০ এর উপরে ফ্রি ফন্ট Ø Ø - বিডি আইডল
- অতঃপর ক্লাব নিয়ে সাতকাহন ( একটি ছবি + লেখাব্লগ) - ধীবর
- অন্ধ হতে চলেছি... - লাবণ্য লাকি
- বিশ্বাস! - লাবণ্য লাকি
- অগ্নি পরীক্ষায় ওবামার ‘চেঞ্জ’ - শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন
ছড়াপ্রস্তুত কারখানা : দলে দলে যোগ দিন
২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:৫১
যখন আমি তোমার মতো ছোট্ট ছিলাম নিজে
সকালবেলা বিছনাখানি থাকতো রোজই ভিজে
ছোট্ট হলেও বলতে পারি কাজের ছিল ধুম
যেমন ধরো, নাওয়া-খাওয়া-খেলনা এবং ঘুম
তখন আমার বই ছিল না, দাদুর গলা ধরে
সন্ধ্যাবেলা কাটতো চাঁদের ছড়া পড়ে পড়ে
চলমান......
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
রাজসোহান বলেছেন:
পিলাচ পুত্তুম
লেখক বলেছেন:
তোমরা কি কেউ কাগজ দিয়ে নাও বানাতে পারো?
উড়োজাহাজ? ঘুড়ি-ঢাউস? কত্তো কিছু আরো?
অ নু বলেছেন:
বাঃ সুনদর তো। এমন ছড়া হলে তো দলে দলে যেতেই হয়।
লেখক বলেছেন:
গাছের ডালে, কিংবা ধরো ঘরের পাটাতনে
দোল খেয়েছো দোলনা বেঁধে, পড়ে কি তা মনে?
লেখক বলেছেন:
আমার ছিল ঘরের পাশে ছোট্ট চিকন খাল
তার পানিতে ভেসে গেছে আমার বাল্যকাল
লেখক বলেছেন:
পূবের ধারে ছোট্ট পুকুর, ঠাণ্ডা ছিল জল
বর্ষাতে তায় লগ্গি ফেলে খুঁজতে হতো তল
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন:
সুন্দর..
লেখক বলেছেন:
এসব কথা শুনে তোমার ইচ্ছে হতে পারে
সেই যে ছিল সোনার জীবন- কোথায় পাবো তারে?
লেখক বলেছেন:
আমার ছিল উদোম গায়ে নাচনতোলা দিন
ধানের ক্ষেতে সবুজ দুপুর পাগলা হাওয়ার ঋণ
কালপুরুষ বলেছেন:
কিছু যোগ করলাম--তখন আমার বই ছিল না, দাদুর গলা ধরে
সন্ধ্যাবেলা কাটিয়ে দিতাম চাঁদের ছড়া পড়ে।
এখন আমি অনেক বড় নইতো ছোট খোকা
বউয়ের কাছে তবুও আমি হয়ে গেছি বোকা।
অতি চালাকের গলায় দড়ি যখন ডেকে বলি
ঝাঁঝ দেখিয়ে বলে আমায় বাপের বাড়ি চলি।
মান অভিমান মিটিয়ে যখন পাশাপাশি বসি,
দুজন মিলে এই জীবনের হিসেব শুধুই কষি।
আরকি ফিরে পাবো সেই হারিয়ে যাওয়া দিন,
মনটা ছিল প্রজাপতি আর ভাবনাগুলো রঙিন।
লেখক বলেছেন:
আমার এখন মন টেকে না ইটপাথরের ঘরে
মন ছুটে যায় কিশোরবেলার ধু-ধু তেপান্তরে
তোমরা কি কেউ সঙ্গে যাবে? জলদি বলো নাম
বেরিয়ে পড়ো, বেরিয়ে পড়ো, ঐ দেখা যায় গ্রাম
লেখক বলেছেন:
তোমরা ভাবো- আমিও আবার গ্রাম দেখেছি নাকি?
মিথ্যে না তা- মনের ভেতর গ্রামেই পড়ে থাকি
শৈল্পিক ভাবনা বলেছেন:
কবিতা তুমি কোথায়?
লেখক বলেছেন:
তখন আমার অল্প বয়স, কতোই বা আর হবে
মা-চাচি আর খালা-ফুপুর কোল ছেড়েছি সবে
তখন আমি ঘুরে বেড়াই বাবার কাঁধে চড়ে
ওসব এখন বলতে গেলে জল আসে চোখ ভরে
রাগ ইমন বলেছেন:
আমার এখন মন টেকে না ইটপাথরের ঘরেমন ছুটে যায় কিশোরবেলার ধু-ধু তেপান্তরে
তোমরা কি কেউ সঙ্গে যাবে? জলদি বলো নাম
বেরিয়ে পড়ো, বেরিয়ে পড়ো, ঐ দেখা যায় গ্রাম
গাঁয়ের পাশে ছোট্ট নদী, নদীর পাশে বন
এক পা এগোই, দুই পা পিছোই , মনের উচাটন!
বুক ভরেছে নদীর জলে, চোখ ভরেছে মেঘে
আমার অতীত ডাকছে আমায় , ধুম মায়া আবেগে
ইট পাথরের শেকড় আমার উপড়ে গেলো আজি
খুব বুঝেছি কবি, সবি তোমারই কারসাজি
কেমন তুমি ছন্দ টানে চললে নিয়ে আমায়
ভাসলে আমি , ডুবলে আমি , এখন কে আর থামায়?
যাই চলো যাই, এবার না হয়, হলেম গ্রামান্তরী
এই পাথুরে নগর জুড়ে ইচ্ছে পালের তরী!
লেখক বলেছেন:
খুব বুঝেছি কবি, সবি তোমারই কারসাজি
তাই যদি হয়, দোস্তি মানো, দোস্তিতে হও রাজি
অবাক মধুর ছন্দদোলায় চলতে থাকো তবে
তোমার-আমার এক ঠিকানায় পুনর্মিলন হবে
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
দারুন!
লেখক বলেছেন:
কেমন তোমার দিন কেটেছে? কোন্ গাঁয়ে? কোন্ দেশে?
কোথায় তোমার সোনার জীবন ঘর বেঁধেছে শেষে?
সিরিয়াস বলেছেন:
ইচ্ছে পালের তরী ভাসুক ইচ্ছে নদীর জলেএকটা ঘুঘু উঠুক ডেকে নগর কোলাহলে,
দূর সময়ে ওপারে এক একলা কিশোর ডাকে
জোনাক জ্বলা রাতের ঘ্রানে কেবল বিভোর থাকে
আমাকে নাও আমলকি গাছ, আমাকে নাও ঘুরি
শালিক পাখির ডানা হয়ে রৌদ্র মেখে উড়ি।
লেখক বলেছেন:
একদিন এক বকের বাসা হঠাৎ দিয়ে হানা
পেয়েছিলাম চোখ-না-ফোটা একটি ছোট ছানা
ডোবার ধারে ডাহুকপাখির বিষম আনাগোনা
ধানের শিষে ফাঁদ পেতেছি, কিংবা মাছের পোনা
তোমার কি ভাই লাটিম ছিল? আর কী ছিল, বলো?
বড়শিতে কি মাছ ধরেছো? ঝাঁকি জাল, বা পলো?
বাবুল হোসেইন বলেছেন:
মনের ভিতর ধুকপুকানি যাচ্ছে ক্রমেই বেড়েপাশের বাড়ীর বাগান থেকে ফুল এনেছি ছিড়ে
বিলের ধারে শাপলার ফুল মনটা উচাটন
একটা ফুল কি দিবে আমায় পড়শী স্বজন।
লেখক বলেছেন: দারুণ।
শায়মা বলেছেন:
ফুল কুড়ানো ভোরের বেলা আম কুড়ানোর দিন
যাচ্ছে পড়ে আমার মনে
বাজছে স্মৃতির বীণ।
ঝড় উঠছে আকাশ জুড়ে
মনটা উচাটন
তোমারও কি টানেনা মন
ছেলেবেলার ক্ষণ?
এমন দিনে বাদল সূরে
স্মৃতিরা গান গায়
আয় ছেলেরা আয় মেয়েরা
ফুল তুলিতে যাই।
লেখক বলেছেন:
আয় ছেলেরা আয় মেয়েরা
আমার ঘরে আয়
খেজুর রসের খির রেঁধেছে
সোনামণি মায়
আরও আছে পাটিসাপটা
ভিজনে পিঠে, খই
নারিকেলের মোয়া আছে
গোয়ালাদের দই
মা যে আমার বসে আছে
পিঠে পাকলা বেড়ে
আয়রে আমার বন্ধু সুজন
সব ভুলে, সব ছেড়ে
শায়মা বলেছেন:
ছেলেরা আর খায়না পিঠা
খির চিড়ে আর দই
সব হয়েছে বদলে বুড়ো
সেই ছেলেরা কই?
যেছেলেরা গাইতো সেদিন
মধুর ছড়াগান
তারাই এখন ক্লোজআপ শিশু
গায় প্রেমেরই গান।
কচিমুখে পাকনা কথা
বড় বড় বুলি
ভোট চেয়ে গান গায় সকলে
মুখে ফেনা তুলি।
শুনে সেসব ইচ্ছে করে
থাপড়ে করি শেষ
কানটা ছিড়ে দেই তাদেরি
(যারা )শিখিয়েছেন বেশ।
ছেলেবেলা যদি না হয়
ছেলেবেলার মত
বুড়োবেলাই হোক না তবে
বুড়োবেলার মত।
লেখক বলেছেন:
বাবুমিয়ার ভাল্লাগে না
দেশের কোনো কিচ্ছু
ইংরেজিতে কাঁদেন তিনি
কামড়ে দিলে বিচ্ছু
সামান্থা ও ম্যাডোনাদের
গানের তিনি ভক্ত
সাবিনাদের একটি কলি
বলা যে তার শক্ত
ছবিঘরে যান না তিনি
ভিসিপিতেই কারবার
দেশের নামে থুথু ফেলেন
বিদেশীটা বারবার
লুংগি চাঁদর ভাল্লাগে না
পরেন সদাই প্যান্ট-শার্ট
ঐ পোশাকে টয়লেটে যান
এতোই তিনি ইসমার্ট
বাবুমিয়ার ভাল্লাগে না
এ দেশমাটির গন্ধ
বিদেশ যাবেন, পকেট খালি
তাই কী বিষম দ্বন্দ্ব !!
![]()
![]()
![]()
![]()
সবাক বলেছেন:
খেলতে এসে ছড়া
ধমক খেলাম কড়া
উপরের সব ছড়ার রাজা
ছড়া লেখেন কড়া ভাজা
পড়তে গিয়ে তালে তালে
নেচে উঠি ভোলে ভালে
আয় হায়! নাচ থামে না, তাল থামে না
ধুর শালা! আর খেলুম না
লেখক বলেছেন:
কেমন তুমি ছড়ার রাজা
খাও কলা আর ছোলা ভাজা
আমার প্রিয় রয়না মাছ
ভরদুপুরের কদম গাছ![]()
![]()
শায়মা বলেছেন:
সবাক তুমি অবাক হলেছড়ার খেলা দেখে !
এমন করেই সব শিশুরা
ছড়ার খেলা শেখে।
খেলুম না তা বলেও
তুমি পাবেনা মাফ আর
জয় পরাজয় নেই এখানে
নেই এখানে হার।
তালে তালে নাচো যতই
খেলবে তালের মাথা ততই
ছন্দ লয়ের মন্ত্রলয়ে
ছড়ায় পাবে পার।
লেখক বলেছেন:
সবাক বলে, শায়মা
পুতুল খেলি, আয় না![]()
![]()
শায়মা বলে সময় নাই
ডাকছে ঘরে নাত-জামাই![]()
![]()
শিরীষ বলেছেন:
দিন কাটতো, রাত কাটতো ভাসিয়ে খেয়াল ভেলা
মন কাগজে এঁকে নিলাম আজকে ছেলেবেলা
সবুজ প্রহর পদ্য লিখি হারিয়ে ফেলে তাকে
ঘুম না এলে স্মৃতির আদর ঘুম পারিয়ে রাখে
লেখক বলেছেন: অতি চমৎকার লিখেছেন।
সুরঞ্জনা বলেছেন:
মেঘে মেঘে হলো বেলাচলছে সুজ্জি ডুবোর খেলা।
তবু কেনো মন যে কাঁদে
সেই সকালের তরে
যে সকাল আর আসবেনাকো
আমার ছোট্ট ঘরে।
অসাধারন লাগলো। এমনি করেই সবার মনে
ছেলেবেলা, গ্রাম জীবন্ত হয়ে থাকুক।
++++++++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন:
দিন গুলি মোর সোনার খাঁচায় রইলো না
খুবই সুন্দর লিখেছেন, ম্যাডাম সুরঞ্জনা![]()
![]()
লেখক বলেছেন:
মেঘ বলেছে যাবো যাবো
মাথলা মাথায় ধান শুকাবো
বোশেখ মাসে এসো, তোমায়
মেঘ নামানোর গান শুনাবো
লেখক বলেছেন:
দাদুর ছড়ি লম্বা ছড়ি
আমার ছড়ি বাট্টু![]()
![]()
তোমার ছড়ি ভাঙ্গা ছড়ি
মাঝখানেতে গিট্টু![]()
![]()
এটা রবীন্দ্রনাথের একটা ছড়ার অনুরূপ![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
শায়মা বলেছেন:
ছেলেবেলার মতন মধুর হয়তো কিছুই নাই
এখনতো আর ভরে না মন যত্ত কিছুই পাই।
গ্রামের পথে দেখেছি এক হাওয়াই মেঠাই ওয়ালা
সেই ছবিটাই আর কখনও হয়নি আমার ভোলা।
বাঁশীওয়ালা তুলেছে সূর ছোট্ট মনের ঘরে
সেই বাঁশিটার জন্য আমার মন যে কেমন করে।
সাপুড়েদের সাপের খেলা ঘোর লাগানো বীণ
সাপের মাথার মনির তরে মন করে চিনচিন।
দেখেছিলাম একদিন এক ছোট্ট পুতুল মেয়ে
আঁকাবাঁকা গায়ের পথে যাচ্ছিলো সে ধেয়ে
লাল হলুদে মিশেল দেওয়া চিকন পাড়ের শাড়ী
জানতে ভীষন ইচ্ছে ছিলো কোথায় মেয়ের বাড়ি?
আজো হতে ইচ্ছে করে সেই মেয়েটির মত
অবাধ স্বাধীন চঞ্চলবীণ নেই ভাবনা শত।
যদি থাকে পরজনম, আবার আসি ফিরে
সেই মেয়েটি হবো আমি অচীন নদীর তীরে।
লেখক বলেছেন:
সেই মেয়েটির খোঁপার ভাঁজে
জীবন নামে রোজ
পর জীবনে একটুখানি
আমার নিও খোঁজ
সবাক বলেছেন:
আয় তোরা জোড়া জোড়া
চলছে ছুটে ছড়ার ঘোড়া
শায়মা ভাইয়ে খোঁচা দিলো মোরে
এবার তবে পড়বে ধরা
ঝেড়েছি সব বাধার জরা
শায়মা ভাইয়া ওই পালাচ্ছেন দৌড়ে
কি করি ভাই কলিকালে
ছন্দপতন এই আকালে
মন মজে রয় ছন্দছাড়ার ঘোরে
তবু আমি দিলাম সাড়া
ছড়ার বুলি সামনে বাড়া
খেলা চলছে, চলুক আরো জোরে
লেখক বলেছেন:
আমার নাম যমুনা
তোমার নাম কী?
আমার নাম কমু না
নাম দিয়ে কাম কী?
আমার আছে পুষি বিড়াল
তোমার আছে কি?
ওসব কথা বলতে যাবো
তোমার কাছে কি?
আমার নাম যমুনা
বিড়াল পুষি না
সবাই আমায় ভুল বোঝে, তাই
কাউকে দুষি না
ছড়াটি সংগৃহীত। ১৯৮০ সনে দৈনিক ইত্তেফাকের সাহিত্যের পাতায় এটি পড়েছিলাম। কবির নাম জানি না। ছড়াটি আজও ভুলি নি![]()
সবাক বলেছেন:
আজও সেই বৃন্দাবনে তুলসী পাতা রঙয়ে
মনের পটে আঁকি ছবি স্মৃতি খোঁড়ার ঢঙয়ে
পাখির বাসায় ঘাপটি মেরে পাখি চুরি করা
তার জন্যই আধার আনতে বৃন্দাবনে ঘোরা।।
মা বলতেন, ওরে খোকা যাসনে ওখানে
পরীরা সব লুকিয়ে থাকে ঐ যে বৃন্দাবনে
তুই না আমার লক্ষী ছেলে মায়ের কথা শুনিছ!
আর যাসনে ওখানে বাপ মায়ের আচল ধরিস।।
শুনেছতো কি বলেছে মা?
ওখানেতে পরী আছে, আর আমি যাব না?
তারপরে বৃন্দাবনে করে নিলাম বাসা
দু'টা না হোক একটা পরী, মনের কোনে আশা।।
এমন কতো সকাল, দুপুর রাত্রি গেল ভাই
মাস যে গেল, বছর গেল পরী আসে নাই
মাটির খাতায় ভরা পাতায় কতো পরীর ছবি
পরীর নাম যপে যেতাম, রাগ করে যদি।।
সেই খোকা আজ বড় হলো, সেতো মস্ত বড়
মাথার ভেতর ব্লগবাজি আর চিন্তা গড়গড়
মা এখনো আগের মতো ভয়ে ভয়ে থাকে
তার ছেলে যায় না যেন, পরীর বাড়ির বাঁকে।।
লেখক বলেছেন:
মা কি জানেন, তাঁর ছেলেটা এমনি করে করে
একদিন এক পরীর ফাঁদে গেছে ধরা পড়ে![]()
![]()
![]()
শায়মা বলেছেন:
হাহ হাহ হা হা হা হা আর হো হো হো হো এইতো তুমি পারছো, মাথা নয়কো মোটেই ভো ভো
বুদ্ধি তোমার সরেস আছে , বাড়ছে ছড়ার খেলা।
তাই তো বলি হাল ছেড়োনা, আর করোনা হেলা।
পরী জরী বুটির ভয়ে মায়েরা সব ভ্রমে
তাই বলে কি সবাক তুমি যাবেই আবার দমে?
মোট্টেও না মোট্টেও না ভয় করোনা ভারী
তোমায় আমি চিনিয়ে দেবো পরীর দেশের বাড়ি।
উড়তে গিয়ে ফের ভেঙ্গনা পাখনা যেনো ভাই
পারবোনা কো ধরতে আমি , তখন আমি নাই।
লেখক বলেছেন:
পঙ্খিরাজের পাখায় করে ভর
একদিন এক যাবো পরীর দেশে
চাও কি হতে আমার সহচর
মেঘের দেশে যেতে ভেসে ভেসে?
সবাক বলেছেন:
@ ১৫ নং মন্তব্য
মেয়েরা আর পায়ে দেয় না আলতা
শিখছে খেতে, খাবে শুধু তেতুল বড়ই চালতা
যে মেয়েরা জানতো শুধু কানামাছি, ধাপপা
তারাই এখন মিসকল খেলে, ভার্চুয়ালী শেরপা
রঙ বলিতে লঙ বলিতো, লবনরে যে নমন
সেই মেয়েরা ছেলে পেলেই দিচ্ছে ছুঁড়ে সমন
এসব দেখে ইচ্ছে করে কান ধরায়ে রাখি
না, তা করি না,
একটু আধটু মায়া দয়া আর কি!!
শায়মা বলেছেন:
কান ধরাবে?নিজের নাকি ?
বেশ বলেছো খোকা।
তাহলে তো আর খাবেনা
মেয়ে গুলোন ধোকা।
মায়া দয়া বলো আবার ?
আহা মরি মরি!
দয়ার সাগর
এবার তোমায় দয়া মায়া করি।
চালতা দেবো আলতা দেবো
টাকা দেবো কাড়ি ( মানে যৌতুক)
তারপরেতে দেখাবো সেই
লাল দালানের বাড়ি।
(ফান ছড়া পরে যেন আবার রাগ করোনা নিজের গায়ে টেনে
তাইলে কিন্তু সত্যি আমি দেবোই কান টেনে।
যৌতুক বিরোধী ছড়া
সবাক বলেছেন:
কইরে শিরীষ, একটু ধরিস
ছন্দ কোথাও নাই
একা একা সাহস হয় না
ছন্দ কোথায় পাই?
যাবো ঘরে, রান্না করে
খেতে হবে রাতে
শায়মা আপা, সময় মাপা
দেরী না হয় যাতে
আর যদি না ছড়া আসে
ভাঙবো মাথায় আন্ডা
গরম মাথা, খবর যা তা
ছড়া এলেই ঠান্ডা
শায়মা বলেছেন:
আহারে ভাইটা আমার রাঁধার এত ভয়?নেই জানা নেই তোমার মোটেই রান্না কেমন হয়?
ঠান্ডা মাথা ভেবেই না হয় আন্ডা ভাঙ্গো তাতে
দেখবে কেমন সিদ্ধ হবে ,খাও মেখে খাও পাতে।
তার আগেতে একটু চালে ভিজিয়ে নিয়ে পানি
দাও বসিয়ে গরম মাথায়, দুটো মরিচ আনি।
মরিচ পেয়াজ সিদ্ধ ডিমে খানা হবেই খাসা
তারপরে নয় মিটবে মনের ছড়া লেখার আশা।
সবাক বলেছেন:
নাম একখান, শায়মা
বলে কিরে হুই.... মা
এমনিতেইতো ভালো জানি
কি দরকার আর দালানের
কততো টাকা, হোক সে কালো
যাবেতো আপনার বাজানের ............ (বাবার)
যৌতুক কি ভাই বাঙলা কথা
বুঝলাম না তো এর মানে
খাবো নাকি গায়ে দেবা
কি জানি ভাই, কে জানে?
যাকগে আফা, ভাব কইরেন না
হবে নাতো সন্ধি
হারার ভয়ে লোভ দেখানো
ভালোই করেন সন্ধি
সবাক বলেছেন:
নাম একখান, শায়মা
বলে কিরে হুই.... মা
এমনিতেইতো ভালো জানি
কি দরকার আর দালানের
কততো টাকা, হোক সে কালো
যাবেতো আপনার বাজানের ............ (বাবার)
যৌতুক কি ভাই বাঙলা কথা
বুঝলাম না তো এর মানে
খাবো নাকি গায়ে দেবা
কি জানি ভাই, কে জানে?
যাকগে আফা, ভাব কইরেন না
হবে নাতো সন্ধি
হারার ভয়ে লোভ দেখানো
ভালোই করেন ফন্ধি
(আগেরটা মুছে দিয়েন)
মুকুট বিহীন সম্রাট বলেছেন:
এদের কবিতা নিয়ে স্পর্দা দেখে রাগে গা ছম ছম করছে,
এমন করে কিভাবে তারা
কবিতায় নিজ মেধা বুনছে।
এরা মানুষ নাকি মনুষ্যের
ছায়া কায়া মাত্র,
সম্রাট বলে হুকুমে তাদের
দেব একশ ঘা বেত্র।
খামোশ তোমরা বন্ধ করো কবিতার
রং তামাশা,
কঠোর আমি এমনি থাকবো করনা
মোরে কাব্য প্রেমে হতাশা।
ইদানিং দেখি শায়মা মেয়েটার বেড়েছে
খুব বারটা,
এমন করে লিখিয়া শেষে কাটিবে সে
উঁচু মোর এই নাকটা।
দেখ ভাই আমি কবিতায় পাগল
কিন্তু আসেনা কোন ছন্দ,
এমন করে লিখে গিয়ে মোরে
করেছ জ্ঞানহীন দম বন্ধ।
সবাক বলেছেন:
এবার একটি নোয়াখাইল্যা ছড়া
য্যাতার বউগা লম্বা
হ্যাতার ভাইগ্য অইলো চংগা
গাছেরতুন বড়ই হাইড়তে লগ্গা টোগান লাগে না
আল্লায় যারে কলম মারে হেই, কলম আর ফেরে না
য্যাতার বউগা বাট্টি
হ্যাতার ভাইগ্য হইলো খাঁটি
ঘর কুয়াইতে হ্যাতারে আর হিছা টোগান লাগে না
আল্লায় যারে কলম মারে, হেই কলম আর ফেরে না
তর্জমা :
যার বউ লম্বা, তার ভাগ্য খুব ভালো। গাছের বড়ই পাড়তে তাকে আর লগি (লম্বা লাঠি বিশেষ) খুঁজতে হয় না।
আর যার বউ খাটো, তারও মন খারাপ করার দরকার নেই। ঘর ঝাড়ু দিতে তাকে আর ঝাড়ু খুঁজতে হবে না।
শব্দার্থ :
য্যাতার = যার, বউগা = বউটা, হ্যাতার = তার, চংগা = মই, গাছেরতুন = গাছ থেকে, হাইড়তে=পেড়ে নিতে, লগ্গা = লম্বা লাঠি বিশেষ, টোগান = খোঁজ, বাট্টি = খাটো, কুয়াইতে = ঝাড়ু দিতে, হিছা = ঝাড়ু।
=================
আফাগো, বোইনগো.... মাফ কইরা দিয়েন.... কেউ মাইন্ড খাইয়েন না। জাস্ট ফান করা।
এতো পরিশ্রমের জন্য আপনারা আমাকে ধন্যবাদ দিতে বাধ্য।
শায়মা বলেছেন:
হাসতে হাসতে যাচ্ছি মারা রাজার রাগ দেখে ।
কবিতা ছড়ার সাধ্য কি আর
রাজার বুলি শেখে?
এসব কথা সাধারনের
মনের সুতোয় বোনা
রাজা কাটায় খাজা খেয়ে
তার কাজ দিন গোনা।
এবার শোনো সবাক বাবু
মিথ্যে দোহাই দিয়ে
রান্না ঘরে পালাও কেনো
থরথরে জান নিয়ে?
লোভের দেখা দেখেছো কি
হারতে তোমায় হবেই
ছলে বলে কৌশলেতে
প্রাণটি তোমার যাবেই।
শোননি কি রমণীদের
আছে আঠারোকলা
একটি কলাই দেখলে
জীবন হবে ঝালাপালা।
( ফিরে এসে গরম ভাতের হাড়ি আমার মাথায় ছুড়ে মেরোনা যেনো।)
শায়মা বলেছেন:
চংগা মংগা টংগা ছড়া থাকুক তোমার পিছা ভাত রান্ধো তাড়াতাড়ি নইলে মারবো (হিছা = ঝাড়ু। ) আমার দোষ নাই তুমি শিখাইছো।
(ভাইগো, ভাইজান গো .... আপনেও মাফ কইরা দিয়েন.... কেউ মাইন্ড খাইয়েন না। জাস্ট ফান করা।
এতো পরিশ্রমের জন্য আপনারা আমাকে ধন্যবাদ দিতে বাধ্য।
সবাক বলেছেন:
কি লিখলো শায়মা আপু
পড়ে খেলাম টাসকি
ছড়ার পরী হবে চুরি
এটাই তুই(আপনি
জানি তুমি করবে ছল
ফোন দিবে কোন ফকিরে
জেনে রাখো, লাভ হবে না
তাবিজ, তুমার, জিকিরে
এভাবে কি পারবে তুমি
সবাক সাহেবকে
কে বলেছে, বোকা মেয়ে
ছড়া খেলে মরতে
সেই যে কখন রুয়ে দিলাম
কয়েক হালি ছড়ার গাছ
ফুল দিয়েছে অনেক আগে
তাড়াতাড়ি দৌড়ে বাঁচ
লেখক বলেছেন:
আপনাদেরকে বোকা ভেবে নিজে করতাম গর্ব
এখন দেখি ভুল সবই ভুল, সেই দুঃখেই মরবো![]()
![]()
শায়মা বলেছেন:
হা হা হা তোমার জ্বালায় নিজেই খাবো হিছাএবার আমি বেশ বুঝি এ জীবনটা মিছা।
উঠতে যে যাই কাজ জমেছে মেলা কাজের ভীড়ে
অমনি নতূন ছড়া তুমি হাজির করো ফিরে।
ওঠা আমার হয়না আবার ফের যে বসি লিখি
যেন তোমার জন্য ভাষা( নোয়াখাইল্লা) নতুন করে শিখি?
তবু শোনো একটা কথা পূর্ণ দিয়ে মন
পীর ফকিরে ধার ধারিনা ডর ডরিনা বন।
একাই আমি একশো জেনো সকল কাজের কাজী
ভাবছো আমি ছাড়বো তোমায় হতচ্ছাড়া পাজী।
অবাক এবার করলে আমায় সবাক সাহেব ভাই
তোমার মত পুরুষ সে বীর বাবুর ঘরেও নাই।
তোমার রুয়া ছড়ার গাছে ফুল ধরেছে বটে
ফলের বদল এবার মুড়োয় ও গাছ তোমার নটে।
আমার গল্পটি ফুরোলো
নটে গাছটি মুড়োলো
ও গাছ তুই মুড়োলি কেন?
সবাক কেনো পঁচা ছড়া লিখে?
সবুজ অঙ্গন বলেছেন:
মাইষ্যে দেহি ছড়া নেইক্যা
বলগ বইরা দিছে
আমার ছড়া অহনতুরি
রসুই গরের পিছে
রসুই গরে কেডা?
মোল্লা বাড়ির বেডা?
গরে তুমার নতুন বউ
পানতি তার নাম
তুমার বউয়ের নানীর দেশে
আমার নানার গ্রাম
লেখক বলেছেন: কথ্য ভাষায় লেখা আমার নীতিবিরুদ্ধ, এবং প্রচণ্ড অপছন্দ করি (চরিত্রের মুখের ভাষা না কিন্তু)। তবু ঝোঁকের মাথায় লিখে ফেললাম ক্ষুদ্র একটা, যা এই ব্লগ ছাড়া আর কোথাও জায়গা পাবে না বলে ধরে নিচ্ছি। এটির একটা শুদ্ধরূপ দেবার চেষ্টা করলাম নিচে![]()
![]()
সবাই দেখি ছড়া লিখে
ব্লগ ফেলেছে ভরে
আমার ছড়া ডিম পেড়েছে
পূবের পাকঘরে
পাকের ঘরে কেটা?
মোল্লা বাড়ির বেটা?
ঘরে তোমার নতুন বউ
পানতি তার নাম
তোমার বউয়ের নানীর দেশে
আমার নানার গ্রাম
পানতি (পানোতি)> যে পান খায়; এটা একটা আঞ্চলিক শব্দ ![]()
![]()
![]()
পানতি (পান্তি)> পানবিক্রেতা
করবি বলেছেন:
হব আমি হবই ঐ
দূর আকাশের চাঁদটা
মায়ের কোলে বসে খোকা
দেখবে আমার মুখটা।
মা বলবে, ঘুমো এখন
রেখে দস্যিপনা যত
চাঁদটাও দুষ্ট ভারি
ঠিক তোরই মত।
বলবে খোকা, আগে মা
দূরের ঐ চাঁদটার মত
খুব যতনে একটা চুমো
মোর কপালে এঁকে যা।
লেখক বলেছেন:
ছড়া দিয়ে বড়া খাও? এ কী কথা বলো?
শুনে দেখো চোখদুটো ছানাবড়া হলো![]()
![]()
এমন মজার কান্ড ছেড়ে অন্য দিকে কে যায়?
তাইতো আপু তাইতো ভাইয়া
কাজ কর্ম সব ফালাইয়া
আমাকেও দেখছি এখন ছড়ার জলে ভেজায়
..........................
গ্রামের নিবীড় শান্তির কোন থেকে
যে ছড়াটা শুরু হল কেমনে গেল বেঁকে?
শুরু হল তর্জ্জা লড়াই কবির
দেখেতে যতই চটুল লাগে ভেতরটা বেশ গভীর
............................
তবে
ঘুড়ি কিংবা ছিপ ছাড়াও গ্রামীন বৈভবে
আরো একটা বিষয় বুঝি আসল না তো ঝেঁপে
লাজুক রাঙা কিশোরী মুখ শান্ত পদক্ষেপে
হাটছে যখন ধূলো মাটির পথে
ওঠেনি ঢেউ উথাল পাথাল কারো বুকের শ্রোতে?
সেসব স্মৃতি আসলো নাতো কই?
বিকেল মাঠের খেলার পাতা দূরন্ত হই চই?
শান্তু একটা মুখের তেজে ঝড় বয়ে যায় দেশে
বসল যখন দেখতে এলোকেশে
সেসব স্মৃতি আর পাবেনা খুজলে কোন গাঁয়ে
তারছাড়া সব মনের সুতো কেমনে নিখুঁত বাঁধে
এখন তুমি দেখবে শুধু মুঠোফোনের ঘায়ে
উড়ছে কেমন উনমনা মন সুতো ছেঁড়ার ছাতে
আসুক সেসব নষ্টালজিক স্মৃতি
আসুক তোমার হারিয়ে যাওয়া নীরব সংস্কৃতি..
লেখক বলেছেন:
এমন মজার কান্ড ছেড়ে অন্য দিকে কে যায়?
চমৎকার লিখেছেন, সবগুলোই।
রোকসানা লেইস বলেছেন:
মনে পড়ে ছেলে বেলার কথাফেলে আসা সেই দিন গুলো
হৈ চৈ কোলাহল ছোট ছোট স্বর
এখন যে কে কোথায় নেইকো জানা
ঝগড়া মারামারি হয়ে যেত আড়ি
ভালোবাসা হতো ফের খুব তাড়াতাড়ি
আঁধার না কাটতে ফুল তুলে ফেরা
দিগন্ত ছুঁতে চেয়ে সেই ছুটে চলা
ইস্কুলে সুর করে নামতা গোনা
বর্ষায় কাথামুড়ি গল্প শোনা
থৈ থৈ পানিতে রাজহাঁন মোরা
পৌষ পার্বণ দিন স্মৃতিতে গাঁথা।
ভালোলাগল তাই অনেক পরে হলেও আমিও কিছু জুড়ে দিলাম
হ্যাপী নিউ ইয়ার
anisa বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো...........ছড়ার ছড়া ছড়ি................তাই নিজেও একটু জুড়ে দিলাম যদিও কিছুই পারিনা.............
সন্ধ্যেটা কাটত জবর মায়ের কোলে কোলে
বয়ে যেত সময় কখন রুপকথারেই ছলে
রাখালছেলে,রাজকুমার আর রাক্ষস এর ভয়ে
ঘুমিয়ে পরতাম কখন টের পেতনা কেহ
আজ খুঁজে ফিরছি সেই সব সময়............
লেবুতলায় ,ঝি ঝির ডাকে
পাব কি আর তাকে
কবি আফতাব হোসেন বলেছেন:
কবিতা কবিতা ডাক পাড়ি
কবিতা ফাকি দিয়া মোরে গেছে, শ্বশুর বাড়ি
আয়রে কবিতা ফিরা আয়
যৌবন তোর এখনো তো যায় নাই ।
===
চোখ থেকে ঝরে পড়ে অশ্রু বৃষ্টি
মিয়া মানুষ খোদাতায়ালার অপুরুপ সৃষ্টি ।
===
কোথায় গেলে পাবে দেখা
প্রিয়া বিবির মন
এসব ভেবেই আজকে আমার
মনটা উচাটন ।
==
বেলী ফুলের খোপা আর লাল পাড় শাড়ি
ফুল দিয়ে সাজানো করোলা গাড়ি
পড়নে তাহার সোনা ভরি ভরি
হাতে তার রেশমী চুড়ি
কইন্যা যাবে শ্বশুরবাড়ি
ভাষিছে কন্যা, কান্নার বন্যা
শ্বশুরবাড়ি যাইবে সে, করিতে ঘরকন্না ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





















