আমার প্রিয় পোস্ট
- যেসব ছবি হৃদয় ছুঁয়ে গিয়েছিল - অপরিচিত_আবির
- শুদ্ধ বাংলা লেখা শেখার কয়েকটি বইয়ের তালিকা - লেখাজোকা শামীম
- Rain Sound By Clapping - মে ঘ দূ ত
- বার্লিন দেয়াল, ইস্ট সাইড গ্যালারি ও ঐক্যের আকাঙ্ক্ষা... - |জনারন্যে নিসংঙগ পথিক|
- গান: কতোখানি জল ভুলিয়ে দেয় একটি মদের বোতল - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- কিভাবে পোষ্টে কিংবা কমেন্টে বিভিন্ন ছবি, ইউটিউবের ভিডিও এবং ইমোটিকন দিতে হয়?? (একটি সাহায্যমূলক ছোটখাট টেকি পোষ্ট) - নির্ভয় নির্ঝর
- ২৫শ ডিসেম্বর--এক বিস্ময় - সামছা আকিদা জাহান
- তৃতীয় বাংলার আধুনিক কবি ও কবিতা - গেওর্গে আব্বাস
- "আপনার লিখা"র কপি করা মানুষদের খুঁজে বের করার সহজ উপায় - সিউল রায়হান
- জয়নুল আবেদিনের কিছু ছবি... - নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা...
- পদ্য: স্বপ্নান্ধ চোখ যে আমার রাত্রিদেবীর চুলে - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- ছবিব্লগ :: মজার কিছু ছবি দেখুন


- অমাবশ্যার চাঁদ
- চেরোকিদের সেই কান্নাভেজা পথ এবং বিস্ময়কর সেই শ্বেতগোলাপের উপাখ্যান ... - ইমন জুবায়ের
- মাচো পিচু - ইমন জুবায়ের
- বাংলা বই এর সাইট - মাহবুব জামান আশরাফী
- Online - এ বাংলা বই - মশিউর রহমান মেহেদী
- বন্ধু দিবসের সূচনা - দীপান্বিতা
- উত্তর আমেরিকার নাভাজো ইন্ডিয়ান: অতি সংক্ষিপ্ত ইতিবৃত্ত - ইমন জুবায়ের
- এস্কিমো না-বলুন ইনুইট ... - ইমন জুবায়ের
- টোলটেক সভ্যতা - ইমন জুবায়ের
- কিছু মজার দৃশ্য - দীপান্বিতা
- ব্লগ পরিবারে একটি বছর - অপ্সরা
- ওলমেক সভ্যতা - ইমন জুবায়ের
- মায়া সভ্যতা - ইমন জুবায়ের
- এইদিনে ভিনসেন্ট দুটিডানা পেলেন এবং মহানশূন্যতার কাছে উড়ে চলে গেলেন - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- আবুল হাসানের কবিতা : নির্জনের আরাধ্য বাতিদান / এমরান হাসান - ফকির ইলিয়াস
- ইনকা সভ্যতা, পাথর নগর, স্প্যানিশ বর্বরতা ও মাচু পিকচুর সেই সূর্যদেবতার থান ... - ইমন জুবায়ের
- সত্যজিৎ রায় - ১ - মে ঘ দূ ত
- প্রাচীন ফিনিসিয় জাতি। - ইমন জুবায়ের
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: পটভূমি ও অন্যান্য বিষয় ... - ইমন জুবায়ের
- তেমুজিন কিংবা চেঙ্গিস খানের উপাখ্যান! - ইমন জুবায়ের
- লেখক ও লেখার কন্টাডিকশান, প্রেক্ষিত : জর্জ ওরয়্যাল থেকে হুমায়ুন আজাদ - মাজুল হাসান
- ক্লিয়পেট্রা --- তুমি আলো না আধাঁর। - সামছা আকিদা জাহান
- অপ্রকাশিত চিঠি ৩.............. - সুলতানা শিরীন সাজি
- তোমাদের জন্য - অপ্সরা
- শার্ল বোদলেয়ার: অশুভ পুষ্পের উপাসক - ইমন জুবায়ের
- গান ও বয়ান: লালনসংগীত ... এক অজানা মানুষ ফিরছে দেশে - ইমন জুবায়ের
- বিষ্ণু দে'র কবিসত্তা : দ্বন্দ্ব ও উত্তরণের সমগ্রতায় / রফিকউল্লাহ খান - ফকির ইলিয়াস
- আবারও ইতালী - এবারের শহর ফ্লোরেন্স এবং পিসা। কিছু ছবি ১৮+ - সীমন্ত ইসলাম
- জার্মান কবি হাইনরীশ্ হাইনের একটি কবিতার বিস্ময়কর শেষ লাইন ... - ইমন জুবায়ের
- লোরকার গান ও আর্তনাদ ... - ইমন জুবায়ের
- ১০০০০০ ই-বইয়ের ভুবনে স্বাগতম
- ইন্ঞ্জিনিয়ার
- কিছু লালন ও গিন্সবার্গের লালনপ্রীতি - আকাশ অম্বর
- কালিদাস এবং ... - শেষ পর্ব - মে ঘ দূ ত
- পম্পেই থেকে ভিসুভিয়াস - কিছু ছবি, কিছু স্মৃতি - সীমন্ত ইসলাম
- লালন ফকিরঃ সহজ মানুষের সাধক - নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা
- ঠাকুর ও আইনস্টায়িন কথোপকথন - আকাশ অম্বর
- প্রমিত বাংলা বানান রীতিঃ সচরাচর সমস্যা করে এমন শব্দের একটি সম্ভার! - ম্যাভেরিক
- রাত আর গিটারের টুংটাং - রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত
- শামীম কবীরের কবিতা - ফকির ইলিয়াস
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-৩৬ ( যেতে পারি কিন্তু কেন যাবো -শক্তি চট্টোপাধ্যায়)] - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- আমার প্রিয় রবীন্দ্রসঙ্গীতের অ আ ক খ - অপ্সরা
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-৩৫ (আমি কোনো আগন্তুক নই --আহসান হাবীব)] - আবদুর রাজ্জাক শিপন
আমি কোনো আগন্তুক নই। এই খর রৌদ্র জলজ বাতাস মেঘ ক্লান্ত বিকেলের পাখিরা আমাকে চেনে

মা
১৬ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৪:৫৭
সেলফের বইগুলোতে নিঃসঙ্গ কিছু ধূলো জমে আছে। বহুব্যবহৃত বইয়ের পাতাগুলো এখন মৃত্যুসম নৈঃশব্দে নির্জন। অথচ বেশ কিছুদিন আগেও প্রাণাবেগে চঞ্চল রক্তমাংসের হাত বইয়ের পাতাগুলোতে ভালবাসায় আঙ্গুল বুলোত। এবাড়িতে এখন আর তাদের অস্তিত্ব নেই। ঘরে ঢুকে সেলফের দিকে তাকিয়ে মা ভাবছিলেন সে কথাই। আজকাল তাঁর ভুল হচ্ছে, খুব বেশীই ভুল হচ্ছে। প্রায়ই খাবার টেবিলে তিনটে প্লেটের বদলে পাঁচটি প্লেটে ভাত বাড়তে গিয়ে ভুল ভাঙছে তাঁর। মনে পড়ে যাচ্ছে বাকী দুজন তো এবাড়িতে নেই। বাড়িতে থাকা একমাত্র সন্তান আর স্বামীর সঙ্গে খেতে বসে তাঁর চোখ ঝাপসা হয়ে আসে। বাকী দুটো চেয়ারের শুন্যতা তাকে মনে করিয়ে দেয় হাস্যোজ্জ্বল পুরনো দিনগুলোর কখা। বড় মেয়েটি বসতো বাবার মুখোমুখি - টেবিলের অপর প্রান্তে। আর মেজ-ছোট দুজন টেবিলের আরেক পাশে, তাঁর উল্টোদিকে। তিন বোনের হাসি-গল্প-খুনসুঁটিতে মা বাবার স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণ মাতিয়ে তুলতো খাবার টেবিল। আজ বড় ফাঁকা ফাঁকা লাগে তাঁর, দুটো চেয়ার খালি পড়ে আছে। তিন বোন মিলে এখন আর দুপুরগুলোতে আড্ডা বসে না, বিকেলে বসেনা চায়ের আসর, হুট বলতেই ছোটা হয়না তাদের বেইলি রোডের ফুচকার দোকানে অথবা ঝুম বৃষ্টির দিনগুলোতে মায়ের আঁচল ধরে আর বায়না করেনা কেউ খিচুরী ইলিশের জন্য। এখন তাঁর জীবন বড় বেশী নিস্তরঙ্গ, বড় বেশীই অবসরের। মোবাইল ফোন আর ইয়াহু ম্যাসেঞ্জারেই পেতে হয় ওদের কণ্ঠস্বরের উষ্ণতা। যদিও মাঝে মাঝেই মায়ের কানে বাজে ওদের ভেজা স্বরের অনুরণন, তবু জিগেশ করলে মুহূর্তে তা যান্ত্রিক ত্রুটি বলে চালিয়ে দেয় সন্তানেরা। মা কিন্তু সব বোঝেন। লুকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলেন, আঁচল চাপা দেন চোখে। হায়রে যান্ত্রিক জীবন! আবেগী সম্পর্কের সবটুকু আনন্দ-বেদনা-স্বপ্ন কেড়ে নিয়েছে সে কৌশলে।
একটু বড় হবার পর যে মাকে ছেড়ে অন্য বিছানায় শোবার সময় প্রতিরাতে কেঁদে বুক ভাসাতো সন্তানেরা, সেই মা এখন বড় একা। নিঃসঙ্গ ছায়া নিয়ে নির্জন দুপুরে ঘুরে বেড়ান এঘর ওঘর। পাতা উল্টান পুরোনো অ্যালবামের। চোখে তাঁর চাতক প্রতীক্ষা-কবে আবার তাঁর ঘর ভরে উঠবে, সন্তানদের পদচারণায় কবে তাঁর ঘরের আঙিনা মুখরিত হবে, কবে সন্তানদের শরীরের চেনা ঘ্রাণে মুখ গুঁজে একটু শান্তিতে ঘুমোবেন তিনি। কবে? কবে?
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): মা ;
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৫:৫১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ইচ্ছে হয় মায়ের বুকে ফিরি, কিন্তু বাস্তবতা বড় কঠিন। লেখাটা লিখতে গিয়ে আমার চোখেও জল।
লেখা এখনো প্রথম পাতায় যাচ্ছেনা। কি আর করা।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
আমি আমার মাকে এখন খুব কম সময় দেই। আপনার লেখাটা পড়ে অপরাধী মনে হচ্ছে নিজেকে। স্নেহ নিম্নগামী কথাটা বোধহয় সঠিক।
লেখক বলেছেন: আসলেই স্নেহ নিম্নগামী। আমাদের মা এখন যে বয়স পার করছেন সে বয়সটাতে এলে আমরাও হয়তো তাঁর মত করে অনুভব করবো।
নিজেকে আসলেই মাঝে মাঝে অপরাধী মনে হয়।
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন:
আসলেই। বাস্তবতা বড্ড কঠিন।অদ্ভুত লাগছে তো এখনও প্রথম পাতায় যাচ্ছেনা কেন। লিখতে থাকুন সোহানা আপু। আমরা পড়ছি, পড়ব সবসময়। তাই কীবোর্ড এ টাইপিং চলুক। ভালো থাকবেন। শুভকামনা রেখে গেলাম।
লেখক বলেছেন: আপনাদের অনুপ্রেরণাতেই এখনো হাল ছাড়িনি বন্ধু। শুভ কামনার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: নারে,এখনও না।কথা হয়নি এখনও।
লেখক বলেছেন: সন্তান দূরে থাকলে মায়েরাই সবচে বেশি একা হয়ে যায়।![]()
লেখক বলেছেন: আসলেই কওয়ার কিসু নাই। ![]()
কষ্টের নদী বলেছেন:
ভাই কি পোস্ট দিলেন এটা...আমার সাথে তো মিলে গেলো।আমার দু-জন বাড়ির বাইরে...আর একজন বড়িতে আব্বা- আম্মা'র সাথে...
আমার বই গুলা তো আম্মা'র রুমেই সেলফে সাজানো আছে....আর পারছিনা লিখতে কান্না আসতেছে....
অফিস এ আছি, এইভাবে কান্না করানোর মানে হয়...
লেখক বলেছেন: সব মা আর সন্তানদের একই গল্প যে,মিলেই যায় রে ভাই!
বড় বিলাই বলেছেন:
কিন্তু এটাই মেনে নিতে হয়। একদিন তাঁরাও তাঁদের মা-বাবাকে ছেড়ে নিজের জীবন শুরু করেছিলেন। +++++++++++++++
লেখক বলেছেন: চক্রাকারে এভাবেই জীবনচাকা ঘুরছে, ঘুরবে। অনেক ধন্যবাদ।
পাথুরে বলেছেন:
মা-কে নিয়ে এইমাত্র পোস্ট দিলাম একটা। আমরা ৩ বোন, ১ ভাই। আমি সবার ছোট। সারাদিন যে যেখানেই থাক বিকালে পরিবারের সবাই একসাথে চা খেতাম। ঘন্টাখানিক আড্ডা।
৩ বোন আজ যে-যার সংসারে, আমি আমার কর্মস্থলে---------মা-বাবা?? আবার নিঃসংগ। চক্র, দুর্ভেদ্য চক্র।
লেখক বলেছেন: পড়ে দেখছি।
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন:
একটু বড় হবার পর যে মাকে ছেড়ে অন্য বিছানায় শোবার সময় প্রতিরাতে কেঁদে বুক ভাসাতো সন্তানেরা, সেই মা এখন বড় একা। নিঃসঙ্গ ছায়া নিয়ে নির্জন দুপুরে ঘুরে বেড়ান এঘর ওঘর। পাতা উল্টান পুরোনো অ্যালবামের। চোখে তাঁর চাতক প্রতীক্ষা-কবে আবার তাঁর ঘর ভরে উঠবে, সন্তানদের পদচারণায় কবে তাঁর ঘরের আঙিনা মুখরিত হবে, কবে সন্তানদের শরীরের চেনা ঘ্রাণে মুখ গুঁজে একটু শান্তিতে ঘুমোবেন তিনি। কবে? কবে?---------------------------------------------------------------------
এই লাইনগুলো আমাকে আমার মার কথা মনে করিয়ে দিলো।
আম্মু কর্মজীবী মহিলা ছিলেন। এক সময় অফিস যাওয়ার সময় আমি কাঁদতাম। সারাদিন মাকে কাছে পেতাম না। এই শূণ্যতা অনেকদিন অনুভব করেছি। এমনকি বড় হয়েও যখন খুব কষ্টে থাকতাম তখনও পাইনি।
আম্মু রিটায়ারমেন্টে গেছেন তিন বছর হলো। এখন আমরা সবাই ব্যস্ত। অথচ ওনাকে সময় দেবার মতো সময় আমাদের হাতে নেই। এক সময় আমরা ঘুমে থাকতা আর সকালে আম্মু অফিসে চলে যেতো। আর এখন আম্মু ঘুমে থাকে আর আমি ক্লাসে চলে যাই।
এই হলো সময়ের পরিবর্তন।
আমি ফেরার সময় প্রতিদিন দেখি আমার মা বারান্দায় দাঁড়িয়ে আমার জন্য অপেক্ষা করছে। ছেলে ঘরে ফিরবে। ছেলের যাওয়াটা হোক অন্তত ফেরাটা তো দেখতে হবে।
---------------------------------------------------------
অনেকগুলো ব্যক্তিগত কথা লিখে ফেললাম। বিরক্ত হলে দুঃখিত।
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: আমাদের জন্যও এমন সময় অপেক্ষা করে আছে।সবটাই চক্র।দুর্ভেদ্য এক চক্র।
লেখক বলেছেন: "আমার মা আমার পৃথিবী।"খুব সত্য।
আকাশ অম্বর বলেছেন:
মা, একবার দাঁড়া গো হেরি চদ্রানন।
আঁধার ক’রে কোথায় যাবি শূন্যভবন।
মধুর মুখ হাসি-হাসি অমিয়া রাশি-রাশি, মা—
ও হাসি কোথায় নিয়ে যাস রে।
আমরা কী নিয়ে জুড়াব জীবন।
লেখক বলেছেন: মধুর আমার মায়ের হাসি.......
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
আগেও পড়েছি-আবার পড়লাম। কি বলবো খুঁজে পাইনি।
লেখক বলেছেন: বলার কিছু নেই আসলে।শুধু নিজেকে খুব বেশী অপরাধী মনে হয়।যেটুকু সময় বাবা মাকে দেয়া উচিৎ আমরা কি তা দিতে পারি?
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















মাগো আমার, আমি আসছি তোমার আঁচলে মুখ মুছবার জন্যে।
আমার মায়ের কথা মনে পড়ে গেল সোহানা আপু এই পরবাসে একা বসে। অস্পষ্ট দেখছি এখন সব। আপনাকে মাইনাস, মাইনাস, মাইনাস।
লেখা কি এখনও প্রথম পাতায় যাচ্ছেনা?