অতি সাধারণ একজন, স্বপ্ন দেখি সোনালী দিনের।

জাগারণ নামক ব্লগার এর জামাত বিরোধীতার আড়ালে সাহাবাদের চরিত্র হননের চক্রান্ত।
১২ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৪৬
জাগারণ নামে এক ব্লগার মিথ্যা তথ্যের বেশাতি দিয়ে ক্রমাগত সাহাবাদের চরিত্র হনন করে যাচ্ছে। তার ইমেইল এড্রেস : । তার লেখা ও ইমেইল এড্রেস থেকে ষ্পস্ট যে সে একজন শিয়া মতবাদে বিশ্বাসী লোক। এটা আমার চিন্তার কোন বিষয় নয়, বিষয় হলো এই শয়তানের অনুসারী রাসুল (সঃ) এর মহান সাহাবীদের নিয়ে মিথ্যা গল্পের বেসাতী সাজিয়ে প্রকৃত মুসলমানদের বিভ্রান্ত করছে। কিন্তু কতৃপক্ষ উদার, কোন ব্যবস্থা নিতে দেখলাম না।
খুলাফায়ে রাশেদীনদের মধ্যে শুধু আলী (রাঃ) কে আপনারা মানেন। পারলে তাকে কিছু কিছু ক্ষেত্রে রাসুল (সঃ) এর চেয়েও উপরে উঠিয়ে দেন। আপনি যে গ্রন্থের উদ্বৃতি দিয়ে মহান সাহাবীদের চরিত্র হনন করছেন, সেটি কি কোরাআনের চেয়েও বড় রেফারেন্ষ। আপনাদের শিয়া মতবাদ কি রাসুলের সময় ছিলো? এই মতবাদ সৃষ্টি করা হয়েছিলো মুনাফিকদের সহযোগিতায় মুসলমানদের বিজয় রথ থামানোর জন্য। রাসুল (সঃ) এর জীবদ্দশায় তিনি নিজেই হাদিস লিপিবদ্ধ করতে সাহাবায়েকরাম্দের নিষেধ করেছিলেন, ক্কোরআনের বাণীর সাথে মিশে যেতে পারে এই আশংকায়। এর ধারাবাহিকতা রাসুলের ওফাতের পরেও অনেকদিন বজায় ছিলো।
ভন্ড নবীর বিরুদ্ধে জিহাদের অনেক হাফিজে ক্কোরআন শহিদ হয়ে যাওয়াতে ক্কোরআনের বাণীকে হারিয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে লিখিত কপির প্রয়োজনী্য়তা অনুভব করেন খলীফা। তিনি তৎকালীন বিখ্যাত সাহাবী সাবিত (রাঃ) সহ অন্যান্যদের সহযোগীতায় চামড়া ও পাথরে লিখিত আয়াত সংগ্রহ করেন। এসব বাণী একত্রিত করে হাফেজদের মোকাবিলায় ক্কোরআনের একটি কপি সংকলন করা হয়। তখনও প্রচুর সংখ্যক সাহাবা জীবিত ছিলেন যাদের প্রচুর সংখ্যক হাদিস মুখস্থ ছিলো। যারা হাদিস শিখতে আসতেন, তাদেরকে এসব মাশায়খগণ হাদিস শিক্ষা দিতেন, কিন্তু কোন লিখিত কপি রাখতেন না, যেহেতু রাসুল (সঃ) জীবদ্দশায় এটা নিষেধ করেছেন।
পরবর্তীতে ইসলাম বিশ্বের বিভিন্ন রাজ্যে বিজয় লাভ করাতে ইসলামী আকিদা নওমুসলিমদের শিক্ষা দেয়ার জন্য লিখিত হাদিসের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। তখন সাহাবাগণ হাদিস সংকলনের দিকে মনযোগ দেন। এক্ষেত্রে হাদিসের বিশুদ্ধতা যাচাইয়ের ব্যাপারে মুহাদ্দিসগন অনেক বেশি সতর্ক ছিলেন, যে কারণে কোন হাদিসের সনদ ও মতন নিয়ে সন্দেহ দেখা দিলে তা বাতিল করেছেন। বুখারী (রঃ) পরবর্তীতে কঠোর পরিশ্রম ও প্রখর স্মৃতি শক্তি কাজে লাগিয়ে বুখারী শরীফ সংকলন করেন, যা সকল আলেমগনের কাছে সন্দেহাতীত ভাবে স্বীকৃত, শুধু আপনার মত স্বস্বীকৃত শিয়া/ কাদেয়ানী/মুশরিক/মুনাফিক
ব্যতিত।
আপনি অনেকগুলো মিথ্যা কথা লিখেছেন, সাহাবাদের চরিত্র হনন করার অপচেষ্টা করছেন, যা ইহুদী ও মুশরিকরা সেই হাজার বছর আগে থেকে চেষ্টা করে আসছে। যদি আপনি হেদায়তের যোগ্য হয়ে থাকেন, তাহলে আল্লাহ আপনাকে সঠিক পথ দেখান, আমাদেরকেও সঠিক পথ দেখান। আর, যদি পাপের কারণে তার যোগ্য না হয়ে থাকেন, তাহলে আপনার সেই হাত-জিহ্বা আল্লাহ ধ্বংস করে দিন, যা আপনি আল্লাহর রাসুল (সঃ) ও তার সাহাবাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছেন- আমীন।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
রিভার্স খেলতেসো!!!
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন:
আই এই বিষয়ে ওনার পোস্টেই কমেন্ট করেছি। এদের প্রধানতম কাজ হচ্ছে ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলোকে বিতর্কিত করা। আর এদের প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে দুর্বল বা জাল হাদীস। এরা এমন কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলবে যা স্বাধারণ মুসলমানদের বিস্তারিত জানা নাই - এমন সব আরবী বইএর রেফারেন্স দেবে যা দেখলে স্বাধারণ মুসলমানরা ভক্তিভরে বিশ্বাস করবে। খৃস্টান মিশনারীরা ইসলামী আবরনে আরবী উদ্ধৃতিসহ কিছু বই প্রকাশ করে - হয়ত দেখে থাকবেন - এ'গুলো ফ্রি বিতরন করা হয়- দেখল মনে হবে ইসলামী গবেষনামুলক বই কিন্তু ভিতরে থাকে খৃস্টবাদের কথা। এ'দের ব্যাপারে সাবধান হওয়া জরুরী।
নেমেসিস বলেছেন:
শুরু হৈলো
মামু বলেছেন:
ছহমত।@কাঙ্গাল মুরশিদ।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
ছাহাবাগুলার চরিত্র আসলে কোনদিন আছিলো? সবতো গনিমতের মালের লোভে যুদ্ধে গেছিলো... যুদ্ধে জয় পাইলে তাগো তর সইতো না, লগে লগে শহরে ঢুইকা সদ্য বিধবা নারীগোরে ধর্ষন করতো... পরে আবার এইটারে লিগালাইজ করনের লাইগা মু'তা (টেম্পোরারী) বিয়া চালু কর্ছিলো.. এরা।
আবার আইছে চরিত্র নিয়া কতা কৈতে... হালার হিপোক্রেট কতগুলা!!
তগো এতো লাগে কেন?
জামাত শিবির্ হইলো বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রস্টিটিউট...
যখন যার লগে দরকার এই দল হুইয়া পরে, কয় দিন এই বিএনপি র বিসনায়, তো কয়দিন আলীগের হারেমে...
এগো চামচাগো মুখে এতো আলাপ তো শোভা পায় না রে...!!
জামাত/শিবির থাকবো বোরকার আড়ালে.. নো আওয়াজ.. খালি ঐটা মারা খাইয়া যাইবো নীরবে..!!
লেখক বলেছেন: অশোভন উক্তির জন্য আপনাকে ব্লক করা হলো। সাহাবাগণ যে ত্যাগের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা ইতিহাসের বিরল। আপনি যে উক্তি করেছেন, তা মোনাফিক এবং কতিপয় দূর্বল ঈমানের নওমুসলিমদের প্রযোজ্য। এদের সংখ্যাছিলো খুবই নগণ্য। সবাই গণিমতের লোভে জিহাদ করলে ইসলাম এত দ্রুত বিজয় লাভ করতে পারতো না। জামাত বিরোধিতা আর ইসলাম বিরোধিতা এক নয়।
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন:
আরিফ ভাই,আপনি যে সবসময় ইসলামফোবিয়ায় ভোগেন এটা কি বুঝতে পারেন?
এটা একটা রোগ।
এই রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তিরা ইসলামের মধ্যে কোন কিছুই ভালা দেখতে পায় না। জামাত বিরোধিতার মাধ্যমে এরা ইসলাম বিরোধিতাকেও জায়েজ করে ফেলতে চায়। অবশ্ব্য এরাই সবসময় বলে জামাত ইসলামী দল না - কি চরম বৈপরিত্ব।
জামাতের ভন্ডামী আর ৭১ এর ভুমিকার বিরোধীতা আমিও করি - কিন্তু আপনার মত ইসলামফোবিয়ায় ভুগে সেই সব সাহাবীদের অপমান করি না যারা তাদের ইমানের বলে বিশ্বের চেহারা পাল্টে দিয়েছিল। তাদের ইমান নিয়ে প্রশ্ন তোলার আগে আপনার নিজের চেহারাটা একবার আয়নায় দেখে নেয়া দরকার। আপনাকে একটা প্রশ্ন করেছিলাম আপনাই এক ব্লগে - আপনি যে বড় গলায় নাস্তিকতার কথা বলেন সেটা কি? আপনিই বলেছেন সেটা বিশ্বাস না, আপনিই বলেছেন সেটা বৈজ্ঞানিক সত্যও না। তাহলে সেটা কি? আসলে আপনিও জানেন না আসলে আপনি কি? নিজের পরিচয় যে সঠিক ভাবে জানে না তার কি অন্যের ব্যাপারে কথা বলা সাজে?
জেঠামশাই বলেছেন:
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: আরিফ ভাই,আপনি যে সবসময় ইসলামফোবিয়ায় ভোগেন এটা কি বুঝতে পারেন?
আরিফুর রহমান বলেছেন:
হমম. কাঙ্গাল, ওস্টেলিয়া থাইকা তোমাগে এই '....ফোবিয়া' শিখায়া না দিলে তোমরা কি করতা কও তো!!!'কাঙ্গাল' নামের স্বার্থকতা এইখানেই... হাহাহাহা!! (নিজের মাতা পুরা খালি, চলে ধার করা বিদ্যা নিয়া!)
(আর শোনো, 'ফোবিয়া' মানে হইলো ভীতি। ইসলাম আসলেই একটা টেরোরাইজিং সিস্টেম.. সারা দুনিয়ার মানুষ তোমাগোরে ভয় পায় কেন জানো...? আমার টেরোরিস্ট নিয়া পোস্ট দেখ... তাইলেই বুজবা... )
বেক্কল কুনহানকার!!
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন:
আরিফ ভাই,আমি তো কঙ্গাল - দুনিয়ার কিছুই জানি না - এটা জানি বলেই কঙ্গাল নিক নিয়েছি। তবে আপনার সবজান্তা ভাব দেখে করুনা হয়। বিশ্বজগতের কত সামান্য জ্ঞান-বুদ্ধি-ক্ষমতা নিয়েই না মানুষ গর্ব করে - স্রস্টাকে পর্যন্ত অস্বীকার করে!
আপনি তো অনেক কিছু জানেন - অনেক জেনেশুনেই নাস্তিক হয়েছেন - তা আমার ছোট্ট প্রশ্নটার উত্তর আজও এড়িয়ে গেলেন কেন? না কি বলতে লজ্জা পাচ্ছেন যে আপনি জানেন না আপনার আদর্শটা আসলে কি।
আর ইসলামে যখন এই এলার্জি তখন নামের সাথে আল্লার একটা নাম 'রহমান' রেখে দিয়েছেন কেন? কোরআনের ঘোষনা অনুযায়ী মোনাফেকের স্থান কিন্তু কাফেরের চেয়েও নিচে হবে। সুতরাং হয় ইসলামের দিকে ফিরে আসুন অথবা ইসলামের সব চিহ্ন মুছেফেলুন - আশা করা যায় পরকালে কিছুটা হলেও ভাল থাকতে পারবেন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়াত দিন - আমীন।
জাগারণ বলেছেন:
এখানে কাঙ্গাল মুরশিদ ভাই-ই অধিক লিখেছেন্ বাকী রা আর কি মত দিবেন। আিম কখনো রাসুলের (স.)-এর সাহাবীদের চিরত্র হনন করিনি ; প্রমান দেন আবেগে ভুগবেন না। আর আমি যে শিয়া একথা আপনারে কইলো কে ? কেন অপবাদ দিচ্ছেন ?! কোন যুক্তি থাকলে তুলে ধরেন । সাহাবী-এর সংজ্ঞা কি? একেক করে আসেন ভাইজান।মুসলমানের মুখ দিয়ে এমন গালি-গালাজ বের হয় তা আমি আগে জানতাম না !
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন:
জাগারণ ভাই,আমার এই ব্লগের কমেন্ট গুলির অধিকাংশ আরিফ ভাইএর সাথে কথোপকথন। আপনার লেখার ব্যাপারে আমি সেখানেই কমেন্ট করেছি। আমি আপনাকে শিয়া বলিনি বা কোন গালিও দেইনি। আমি যেটা বলতে চেয়েছি তাহল কিছু বই প্রকাশ করাহয় এমনভাবে যা দেখতে ইসলামী বইএরমত কিন্তু তার আসল উদ্যেশ্ব থাকে ইসলামকে হেয় করা। আপনি আপনার লেখায় সাহাবাদের যেসব বৈশিস্ট এবং কর্মকান্ড উল্লেখ করেছেন এবং যেসব বইয়ের রেফারেন্স দিয়েছেন তার কোনটাই গ্রহনযোগ্য নয়। এ'জন্য আপনাকে এবং অন্যদেরকেও সাবধান হতে বলেছি - ইহুদী বা খৃস্টান মিশনারীদের প্রচারনায় বিভ্রান্ত না হবার জন্য। আশা করি ভুল বুঝবেন না।
সুজনবাঙালী বলেছেন:
আরিফুর রহমান বলেছেন: ছাহাবাগুলার চরিত্র আসলে কোনদিন আছিলো? সবতো গনিমতের মালের লোভে যুদ্ধে গেছিলো... যুদ্ধে জয় পাইলে তাগো তর সইতো না, লগে লগে শহরে ঢুইকা সদ্য বিধবা নারীগোরে ধর্ষন করতো... পরে আবার এইটারে লিগালাইজ করনের লাইগা মু'তা (টেম্পোরারী) বিয়া চালু কর্ছিলো.. এরা।
আবার আইছে চরিত্র নিয়া কতা কৈতে... হালার হিপোক্রেট কতগুলা!!
-----------------------------------------------------------------------------
ইটস অ্যাবসার্ড!
মুসাফির! হোয়াই হি ইজ নট ব্লকড?
লেখক বলেছেন: তাকে ব্লক করা হলো।
ত্রিভুজ বলেছেন:
পোস্টের জন্য ধন্যবাদ আঁধার রাতের মুসাফির।
লেখক বলেছেন: জনাব ত্রিভুজ, আপনার লেখা আমার খুব ভালো লাগে। ব্যস্ততার ফাঁকে সময় বের করে লেখার অনুরোধ রইল।
জাগারণ বলেছেন:
এই আরেক মিথ্যা কথা ! কথাগুলো আমাকে বলা হয়নি তাহলে কার নাম নিয়ে এটা লেখা হয়েছে ? ই-মেইল-ও তুলে ধরেছেন। আবার বলেছেন আমাকে বলেননি । সবাইকে কি বোকা পাইছেন ?! কুরআন বোঝেন ?! কুরআনের আয়াত গুলো -ও বানানো বিষয় ? নাউযুবিল্লাহ্কথার উত্তর প্রশ্নের উত্তর দেয়া হচ্ছে না-কেন ?! এখানে বিবেকবান কেউ নাই কী তাহলে এই লোকের কােছ জিজ্ঞাসা করা হোক সাহাবী কথার সংজ্ঞা কী?
লেখক বলেছেন: আপনাকে আমি উদ্দেশ্য করে পোস্ট দিয়েছে, মুরশিদ্ ভাই দেননি। আপনার মাথায় কি গন্ডগোল দেখা দিয়েছে? মস্তিস্কে শয়তান বাসা বাঁধলে এমনি হয়।
ইবনে সালাম বলেছেন:
জাগরণ ব্লগার নিজে কিছু লিখে বলে মনে হয় না। তার বেশীর ভাগ লেখাই বিভিন্ন সাইট থেকে কপি-পেস্ট করা। তবে সে সূত্র উল্লেখ করে না বলে লোকজন মনে করে যে ওগুলো তারই লেখা। গোস্বামী নিকটা সহ তার আরো কিছু নিক আছে।
জাগারণ বলেছেন:
ইবনে জালামের ছাপাই গাওয়ার প্রয়োজন নেই। গোস্বামী যে আমার নিক এটা আপনার কোন পীরে কয়ে দিল? জানেন তো পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে অন্যের প্রতি খারাপ ধারণা থেকে বিরত থাক্। কেননা অনেক সময এটা গুনাহ।আপনাদের মতো মুসলিম নিক নিয়ে এভাবে মন্তব্য করা কি উচিত?!
আমার প্রশ্নের উত্ত দেন?
জাগারণ কিম্বা আরিফুর রহমানের মত অনেক অপগন্ড সকল ধর্মের লোকজনের মধ্যেই আছে। খৃস্টানদের মধ্যে এমন অনেক অপগন্ড আছে যারা বলে থাকে যে, যীশু খৃস্ট ছিলেন একটা 'বাস্টার্ড' বা জারজ সন্তান যিনি তার জারজত্বকে পজিটিভলি কাজে লাগিয়েছিলেন। তারা মাতা মেরীর ব্যাপারে মনে করে যে, মাতা মেরী গোপনে তার বন্ধ্যা স্বামী ব্যাতীত গোপনে কোনো পুরুয়ের সাথে মিলিত হয়েছিলেন।
সে হিসেবে জাগারণ কিম্বা আরিফুর যা বলেছেন তাতে অবাক হইনি কারণ সবদেশের অপগন্ডরা এরকমই বলে থাকে।।
লেখক বলেছেন: ধণ্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
জাগারণ বলেছেন:
পবিত্র কুরআনের আলোকে সাহাবা চরিত ১৩ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:২১
যুক্তিভিত্তিক নীতি বলেঃ
আমরা হাদিসের কথা বাদ দিলেও পবিত্র কুরআন তো সবার কাছে একটি বিশস্তগ্রন্থ যে গ্রন্থে কোন সন্দেহ নাই। যদি কেউ এই মহান গ্রন্থে সন্দেহ করেন তাহলে তার ইমান থাকবে না। পবিত্র কুরআনে কোন কোন সময় কাউকে কাউকে প্রসংশা করেছেন আবার অনেককে কঠোরভাবে তিরস্কার করেছে। তাই পবিত্র কুরআনের স্পষ্ট ভাষ্য বিরোধী সকল হাদীসই জাল হাদীস অগ্রহনযোগ্য। কিন্তু কেমন মুসলমান পবিত্র কুরআনের স্পষ্ট ভাষ্যকে আপনাদের মনগোড়া ভ্রান্ত বিশ্বাসের উপর প্রাধান্য দিচ্ছেন এবং
প্রতিপক্ষকে তিপক্ষকে ইহুদী, মুশরিকদের সারিতে স্থান দিচ্ছেন ?! এভাবে প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে যুক্তির হাত থেকে পালিয়ে গাজী হওয়া মানসিকতা লালন করে কোন লাভ নেই।
সাহাবীগণও আমাদের মত মানুষ তাই তাদের মধ্যে যেমন ভালমানুষ ছিলেন তেমনী নোংড়া ও মুনাফিক মানুষও ছিল। আর এজন্য উচিত ভালো সাহাবাদের প্রসংশা করা মুনাফিকদের থেকে দুরে থাকা। এটা একটি সাধারণ যুক্তি যা অ-মুসলিমও গ্রহণ করতে প্রস্তুত।
পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ ভালো সাহাবাদের প্রশংসা করেছেন এমন একটি নমুনা বাইয়াতে শাজারা সম্পর্কে বলা হয়ঃ " মহান আল্লাহ মুমিনদের উপর সন্তুষ্ট হলেন যখন তারা বৃক্ষতলে তোমার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করলো, তাদের অন্তরে যা ছিল তা তিনি অবগত ছিলেন; তাদেরকে তিনি দান করলেন প্রশান্তিএবং তাদেরকে পুরষ্কার দিলেন আসন্ন বিজয়।" (সূরা ফাতহ্-১৮)
এ আয়াতে প্রমাণিত হয় যেসকল সাহাবী বাইয়াতে শাজারায় উপস্থিন ছিলেন ঐ উপস্থিতি এবং বাইয়াতের জন্য প্রসংশিত হয়েছেন।
একইভাবে যারা পবিত্র কুরআনে বিশ্বাস করেন তাদেরকে লক্ষ্য করে মহান আল্লাহ মুনাফিক সাহাবাদের তিরস্কার করে বলেন :
" মরুবাসীদের মধ্যে যারা তোমাদের আশেপাশে আছে তাদের কেউ কেউ মুনাফিক এবং মদিনাবাসীদের মধ্যেও কেউ কেউ, তারা কপটতায় অনঢ়। তুমি তাদেরকে জাননা কিন্তু আমি তাদেরকে চিনি। আমি তাদেরকে দ্বিতীয়বার শাস্তি দিব, অতঃপর তারা প্রত্যাবর্তিত হবে মহাশাস্তির দিকে। " (সূরা তওবা_১০১)
মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে মহানবীর আশ-পাশে এবং মদীনায় যে মুনাফিকরা ছিল তা স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন। এর পর্ও কি কাঙ্গাল মুরশিদ আপনি পবিত্র কুরআনকে ত্যাগ করবেন আপনার ভ্রান্ত নীতিতে অটল থাকতে ?!
অদ্ভুত সাহাবী ছিলেন মহানবীর (স.)-এর যারা জুম্মার দিন মসজিদে নাবাবীতে খুতবা রত অবস্থায় মানবীকে ছেড়ে মসজিদ থেকে বের হয়ে যায় কেনা-কাটা ও ক্রীড়া-কৌতুকের জন্য। আমার তো মনে হয় না আমাদের সমাজের সাধারণ মুসলমানগণ জুম্মার দিনে মসজিদে যেয়ে খুতবা রত অবস্থায় ইমামকে রেখে কেনা-কাটার জন্য বাইলে চলে যাবেন। এপ্রসঙ্গে পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ বলেছেনঃ
যখন তারা ব্যবসা কিংবা ক্রীড়া কোতুক দেখলো তখন তারা তোমাকে (খুতবায়) দাঁড়ানো অবস্থায় রেখে সে দিকে ছুটে গেল। ( সূরা জুমু'আ : ১১)
এই মুনাফিকরা মহানবীকে এই কষ্ট দিয়েছে ক্ষতি করেছে ফলে মহান আল্লাহ তাদের সম্পর্কে মুমিনদের অবগত করার জন্য সুরা মুনাফিকুন নাযিল করেছেন। শুধু তাই নয় তাদের প্রতি হুমকীও দেয়া হয়েছে।
আল্লাহ অঙ্গিকার করেছেনঃ , মুনাফেক পুরুষ ও মুনাফেক নারীদের এবং কাফেরদের দোযখের আগুনে ফেলে রাখবে আজীবন। সেটাই তাদের জন্যে যথেষ্ট। আর আল্লাহ্ তাদের প্রতি অভিসমপাত করেছেন এবং তাদের জন্যে রয়েছে স্থায়ী আযাব। [সুরা তওবাহ্ : ৬৮]
হে নবী, কাফেরদের ও মুনাফেকদের সাথে যুদ্ধ করুন এবং তাদের সাথে কঠোরতা অবলম্বন করুন। তাদের ঠিকানা হল দোযখ এবং তাহল নিকৃষ্ট ঠিকানা । [সুরা তওবাহ্ : ৭৩]
কাঙ্গাল মুরশিদ ভাই পবিত্র কুরআনের এতগুলো আয়াতকে আপনি কি লক্ষ্য করেছেন ? এগুলোকেও কোন যুক্তিতে আপনি প্রত্যাখান করবেন ?!
আপনার পাশে বাংলা কুআন থাকলে মিলিয়ে দেখুন তবে গোড়ামী ছেড়ে দেন। কেননা গোড়ামী মানুষকে সত্য উপলব্ধি থেকে বিরত রাখে।
তাই মহানবীর পাশে বা সাথে যারা ছিলেন তারাই সাহাবী নয়
আর যদি এই নীতিকে মেনে নেয়া হয় যে মহানবীর সাহাচার্যের কারনেই তারা ঐ বিশেষ গৌরবের অধিকারী হবেন। তাহলে নিঃসন্দেহে রাসূলের সংস্পর্শ ও গৌরব রাসুলের (সাঃ) সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার গৌরবের চেয়ে বেশী নয়। কারণ, রাসূলের (সাঃ) স্ত্রীদের সাথে তাঁর সাহাচার্য ও সংস্পর্শ ছিলো সর্বোচ্চ মাত্রার। তথাপি, মহান আল্লাহ তাদের উদ্দেশ্যে বলেনঃ
হে নবী-পতি্নগণ! যে কাজ স্পষ্ট অশ্ল্লীল, তোমাদের মধ্যে কেউ তা করলে, তাকে দ্বিগুণ শাস্তি দেয়া হবে এবং এটা আল্ল্লাহর জন্য সহজ। তোমাদের মধ্যে যে কেউ আল্ল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের প্রতি অনুগত হবে ও সৎকার্য করবে তাকে আমি পুরস্কার দিব দু'বার এবং তার জন্য আমি প্রস্তুত রেখেছি সম্মানজনক রিয্ক। হে নবী পতি্নগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও, যদি আল্ল্লাহকে ভয় কর। (সূরা আহযাবঃ ৩০-৩২)
মহান আল্লাহ মহানবীর দু'জন স্ত্রী সম্পর্কে বলেছেনঃ
যদি তোমরা উভয়ে অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন কর (তবে ভাল), কারণ, তোমাদের হৃদয় (সত্য থেকে) বিচু্যত হয়ে পড়েছে। কিন্তু তোমরা যদি তাঁর (নবীর) বিরুদ্ধে পরস্পর সম্মিলিত হও, তবে (জেনে রাখ)নিশ্চতভাবে আল্লাহই তাঁর বন্ধু এবং জিবরাইল ও সৎকর্মপরায়ণ মু'মিনগণও, তাছাড়া অন্যান্য ফেরেশতা ও তাঁর সাহায্যকারী। (সূরা তাহরীম-৪)
অতএব নবীপতি্ন হলেও কেই ছাড় পাবে না। উক্ত কুরআনের আয়াত এটাই প্রমান করে। একথার স্পষ্ট যুক্তি স্বরূপ মহান আল্লাহ হযরত লুত ও হযরত নুহ (আ.)-এর স্ত্রীদ্বয়ের কথা স্মরণ করেছেন। আবার ফিরাউনের স্ত্রী আসিয়ার কথা উল্লেখ করেছেন। তাই ব্যক্তি সত্যের মানদন্ড নয় বরং সত্যই ব্যক্তি যাচাইয়ের মানদন্ড।
মহান আল্লাহ বলেনঃ আল্লাহ কাফেরদের জন্য নূহের স্ত্রী ও লূতের স্ত্রীর দৃষ্টান্ত দিচ্ছেন, তারা ছিল আমার বান্দাদের মধ্যে দুই সৎকর্মপরায়ণ বান্দার অধীন। কিন্তু তারা তাদের প্রতি বিশ্বাস ঘাতকতা করেছিল। ফলে ঐ দু'জন সঙ্গী কোন কিছুতেই মহান আল্লাহর মুখাপেক্ষীতা থেকে তাদেরকে মুক্ত করেনি। এবং তাদেরকে বলা হলঃ তোমরা উভয়ে দোযখে প্রবেশকারীদের সাথে দোযখে প্রবেশ কর।'
আল্লাহ মুমিনদের জন্য দিচ্ছেন ফিরাউনের পত্নীর দৃষ্টান্ত, প্রার্থনা করেছিলঃ হে আমার প্রতিপালক ! তোমার সনি্নধানে জান্নাতে আমার জন্য একটি গৃহ নির্মাণ করো এবং আমাকে উদ্ধার কর ফিরাউনের ও তার দুষ্কৃতি হতে এবং আমাকে উদ্ধার কর যালিম সমপ্রদায় হতে আরও দৃষ্টান্ত দিচ্ছেন 'ইমরান তনয়া মারইয়ামের........।(সূরা তাহরীমঃ১০-১২)
আল্লাহর রাসূল (সাঃ) কিয়ামত দিবসে কোন কোন সাহাবার অবস্থা সম্পর্কে বলেনঃ কিয়ামত দিবসে আমার উম্মতের মধ্যে একদল লোককে আনা হবে এবং জাহান্নমের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে! আমি বলবোঃ হে আমার প্রভু! এরা আমার সাহাবী! বলা হবেঃ তুমি জান না যে তোমার পর কী বিদআত তারা করেছে! আমিও তাদেরকে বলবো যে, আল্লাহর সৎকর্মপরায়ণ বান্দা (ঈসা ইবনে মারিয়াম (আঃ)) বলেছিলেনঃ অত:পর যখন আপনি আমাকে লোকান্তরিত করলেন, তখন থেকে আপনিই তাদের সমপর্কে অবগত রয়েছেন। আপনি সর্ববিষয়ে পূর্ণ পরিজ্ঞাত।, (সূরা মায়েদা -১১৭)
অতএব, বলা হবে এ দলটি যখন তুমি তাদের থেকে পৃথক হয়েছিলে অনতিবিলম্বে দ্বীন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলে এবং তাদের অতীতে ফিরে গিয়েছিল। [সহি বোখারী সূরা মায়েদার তাফসীর, অধ্যায়ঃ ইয়া আয়ূ্যহার রাসূল বালি্লগ মা উনযিলা ইলাইক" ও সূরা আম্বিয়ার তাফসীর। সহি তিরমিযী কিয়ামতের বৈশিষ্ট্য অধ্যায়সমূহ হাশর সম্পর্কে রেওয়ায়েত সমূহ, সূরা তা'হা-এর তাফসীর।]
অপর এক রেওয়ায়েতে এসেছেঃ 'আমার সাহাবীদের মধ্যে একদল লোককে হাউজে কাওসারে আমার নিকট আনা হবে এবং আমি তাদেরকে চিনতে পারব। তাদেরকে আমার নিকট থেকে নিয়ে যাওয়া হবে। তখন আমি বলবো তারা আমার সাহাবী ! বলবেঃ আপনি জানেন না যে আপনার যাওয়ার পর এরা কী বিদআত প্রতিষ্ঠা করেছিল। [সহি বোখারী, কিতাবে দাওয়াত, বাবু ফিল হাউজ। 'ইবনে মাজা' কিতাবে মানাসিক, হাদীস নং ৫৮৩০, মুসনাদে আহমাদ খঃ১ পৃঃ৪৫৩,খঃ৩ পৃঃ২৮ খঃ৫ পৃঃ৪৮]
সহি মুসলিমে এরূপ বর্ণিত হয়েছেঃ আমার সাহাবীদের মধ্য থেকে একদল লোককে হাউজে কাওসারে আমার নিকট আনা হবে। আমি তাদেরকে আমার নিকট আসতে দেখব। তখন তাদেরকে আমার থেকে দুরে সারিয়ে নেয়া হবে। তখন আমি বলবো এরা আমার সাহাবী! তখন আমাকে বলা হবে! তুমি জাননা যে, তোমার যাওয়ার পর এরা কী বিদআত করেছিলো । [সহি মুসলিম , কিতাবে ফাযায়েল, বাবে এসবাতে হাউজে নাবিয়্যিনা, হাদীস৪০।]
সাইফ সামির বলেছেন:
জাগারণ ইসলামের লেবাস নিয়ে সুঁই হয়ে ঢুকে ফোঁড় হয়ে বের হতে চাচ্ছে। সাহাবীদের সম্পর্কে তার মন্তব্যে তার ঈমান নিয়ে সন্দেহ জাগছে। খালেদ বিন ওয়ালিদের নামে তিনি জঘণ্য প্রচারণা চালিয়েছেন। ওনাকে নিয়ে তিনি যা লিখেছেন তা কোন নির্ভরযোগ্য ইতিহাসে নেই। স্রেফ মিথ্যার ডুগডুগি বাজিয়েছেন তিনি। কারণ তার উদ্দেশ্যটাই ভিন্ন। ইহুদী-শিয়াদের রটনাকেই পুনঃপ্রচার করছেন। তার মনে রাখা উচিত জামাত বিরোধিতা আর ইসলাম বিরোধিতা কখনই এক নয়। অবশ্য জামাত বিরোধিতা তার ঢাল মাত্র!

















