মাঝে মাঝে সমস্ত পৃথিবীটাকেই কবিতার মত মনে হয় ,
এই সুন্দর আকাশ , নদী, নারী, এমন কি রাস্তার ঐ -
বেওয়ারিশ কুকুরটাকেও ।
ক্ষণে ক্ষণে জীবনটাকেই যেন কবিতার মত লাগে ।
জীবনের যত সুখ -দুঃখ, বেদনা, হাসি- কান্না, চলা -ফেরা-
সব কিছুই কেন যেন খুব উপভোগ্য মনে হয়;
তখন আর খবর নিতে যাই না-
ঐ পথ ভুল করা পথিকের ; না পাওয়ার বেদনায় অশান্ত ঐ ভিক্ষুকের;
কিংবা ঐ শহরের ইট কোঠরের চিপাতে বাসরত হাড্ডিসার প্রাণগুলোর ।
তখন আমি আমাকে খুঁজে পাই -
কোন এক রঙ্গশালায়, অথবা শুরি খানার জাম্পেশ কোন আড্ডায় ।
নয় তো বা কোন অন্ধ গলির মধ্যে উপভোগের -
মাতলামিতে নিমগ্ন এক মাতালের মধ্যে ।
সময় সময়ে আমার এ বেঁচে থাকাকে বড় বেশী
নাটকীয় মনে হয় !
আমি তখন আমাকে হারাই বাঁচার সংগ্রামেরত কোন এক শিশু শ্রমিক
অথবা বয়োবৃদ্ধ দিন মুজুরের কাছে-
না হয় কোন সংগ্রামী এক নারীর কোমড়ে -
শক্ত বাঁধা আঁচলে !
থেকে থেকে আমার এ অস্তিত্ত্বকেই বড় বেশী ট্রাজেডি মনে হয়,
এই বাঁচার তাগিদে এখানে ওখানে ছুটে চলা -
এক পথ ছেড়ে অন্য পথের খোঁজ করা-
যেন সর্বদা ছুটন্ত অশান্ত থাকা ।
যখন বাদক তার লয় হারায়, যখন কবি (তার ) কবিতার ছন্দ হারায়,
জীবন যখন তার স্বাভাবিকতা হারায়,
কবিতার মত জীবনের কী তখন ছন্দ পতন ঘটে না ?
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


