আমার প্রিয় পোস্ট
- কম্পিউটার, ইলেক্ট্রনিক্স এবং গ্রাফিক্স ডিজাইনের এক গাদা বাংলা রিসোর্স - ইমতিয়াজ মাহমুদ সজিব
- “ঢাকার মজার কিছু খাবার দোকান এবং ঠিকানা” - নাফিজ মুনতাসির
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান - স্বাধীনতার_অপেক্ষায়
- আপনি কি ফেসবুক ব্যবহার করেন? তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্যেই ( না পড়লে পস্তাবেন টাইপ টেকি পোস্ট) - মোঃ আরিফ রায়হান মাহি
- চোখের সমস্যার কারনে কম্পিউটার চালাতে ভয় পান? এবার কম্পিউটার নিজেই আপনার চোখ নিরাপদ রাখবে!!! - হাসান জোবায়ের
- বলিউড নায়িকার ভীড়ে!! মোটকী ময়ূরী কি করে?? হালকা ১৮+) - পাহাড়ের কান্না
- ডাউনলোড করুন ৬০টি সেরা "ইংলিশ ইন্সট্রুমেন্টাল সেড মিউজিক"
- না বি ল
- সুদুর রোমানিয়া'তে বাংলা জনপ্রিয় গান 'ভ্রোমর কইয়ো গিয়া'র সুর নকল হলো। - প্রজন্ম৮৬
- একাত্তরে পাক হানাদাররা বাংলাদেশে কোন নারীকে ধর্ষণ করেনি কিংবা কাউকে হত্যা করেনি - অনিকেত মাহমুদ
- শেয়ার করার মত কিছু চমৎকার ছবি :: সব পর্ব একসাথে , পোষ্টটি নিয়মিত আপডেট হবে :: - কুঁড়ের বাদশা
- ওয়েবে বিজ্ঞাপন দিন এবং টাকা আয় করুন (স্পট কিংবা এডব্রাইট) - সকাল
- ফেইসবুকের ভিডিও যেভাবে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে যুক্ত (Embed) করবেন..... - তারেকবিডি
- ব্লগ লিখে আয় করুন। - মাহমুদুল হাসান কায়রো
- ছবির কৌতুক (কিঞ্চিৎ ১৮+) পর্ব৩








- ৃৃৃশান্ত
- ভাবলাম পিসির বুকমার্কগুলো ব্লগে শেয়ার করি (১ম পর্ব)
- নাফিস ইফতেখার
- আমার সেরা ৩৬ ফায়ারফক্স অ্যাড-অন (ডাউনলোড+রিভিউ+আপডেট) - মেটাফর
- বাংলাদেশী ওয়েবসাইটের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা - সাইদ বীন হাবীব
- বাংলাব্লগের লিংক খুঁজছেন?? এই নিন বাংলা ব্লগের লিংক; আর মজা করে ব্লগিং করুন। - আজাদ আল্-আমীন
- ২২ বিশ্ববিদ্যালয়কে লাল সংকেত - িক
- ফ্রীতে নিজের একটা ওয়েবসাইট তৈরি করুন !!

- ইসানুর
“নিজেই যখন হ্যাকার (পর্ব ২)”
৩১ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১২
আজকের পর্বে আমরা মূলত উইন্ডোজ হ্যাকিং নিয়ে আলোচনা করব। এটা তুলনামূলকভাবে কঠিন এবং বিরক্তিকর। তবে একবার শিখে ফেললে অনেক মজা পাবেন আবার অনেক কাজও করতে পারবেন। আশা করি এটি আপনাদের ভালো লাগবে। তো এবার শুরু করা যাক। উইন্ডোজ হ্যাকিংয়ের জন্য প্রথমেই আপনাদের জানতে হবে উইন্ডোজ সম্পর্কে। আর সেই প্রথমেই আমাদের প্রয়োজন হবে উইন্ডোজের অ্যাডমিন অ্যাকাউন্টটি যার কম্পিউটারটি আপনি হ্যাক করতে চান। সেক্ষেত্রে সবচেয়ে সুন্দর উপায় হল লিমিটেড অ্যাকাউন্টে ঢুকে নিচের পদ্ধতি ব্যবহার করে নিজের ইচ্ছামত পাসওয়ার্ড সেট করে দিয়ে আসা।
প্রথম ধাপঃ Start→Run এ যান।
দ্বিতীয় ধাপঃ এবার এখানে lusrmgr.msc লিখে করুন।
তৃতীয় ধাপঃ এখানে Users এবং Groups এই দুইটি ফোল্ডার পাবেন।
চতুর্থ ধাপঃ এবার Users ফোল্ডারে এর উপর রাইট ক্লিক করুন।
পঞ্ছম ধাপঃ এখানে Set New Password অপশনে নতুন পাসওয়ার্ড দিয়ে এবার ok করুন।
এবার কম্পিউটারটি মোটামুটি আপনার নিয়ন্ত্রনে চলে এল। আপনার এবার করণীয় হবে এমন কিছু ফাইল বা ফোল্ডার তৈরী করা যা আপনি ছাড়া কেউ ডিলিট বা রিনেইম করতে পারবে না। এক্ষেত্রে আপনার নিচের মত করে কাজ করতে হবে।
আনডিলিটেবল ফোল্ডারটি তৈরী করতে গেলে আপনার নিচের নামগুলো ব্যবহার করতে হবে।
1. lpt1 থেকে lpt9 পর্যন্ত যেকোন নাম
2. CON
3. AUX
আমাদের ফোল্ডারটির নাম এখানে ধরলাম lpt1
প্রথম ধাপঃ Start→Run→ এ যান।
দ্বিতীয় ধাপঃ এবার cd.. লিখে ENTER করুন।
তৃতীয় ধাপঃ আবার cd.. লিখে ENTER করুন।
চতুর্থ ধাপঃ এবার যে ড্রাইভের ফোল্ডার আছে সেখানে যান। উদাহরনঃ ধরুন আপনি D ড্রাইভে যাবেন। তাহলে D: লিখে ENTER করুন।
পঞ্ছম ধাপঃ এবার md \lpt1\\ টাইপ করে করুন।
ষষ্ঠ ধাপঃ এবার D ড্রাইভে গিয়ে চেষ্টা করে দেখুন। একে এবার ডিলিট, রিনেইম কিছুই করা যাবে না।
এখন কথা হচ্ছে তাহলে আমি কিভাবে এগুলো ডিলিট করব। এখন আমাকে নিচের কাজগুলো করতে হবে।
প্রথম ধাপঃ Start→Run→ এ যান।
দ্বিতীয় ধাপঃ এবার cd.. লিখে ENTER করুন।
তৃতীয় ধাপঃ আবার cd.. লিখে ENTER করুন।
চতুর্থ ধাপঃ এবার যে ড্রাইভের ফোল্ডার আছে সেখানে যান।
পঞ্ছম ধাপঃ এবার rd \lpt1\\ টাইপ করে করুন।
ষষ্ঠ ধাপঃ এবার ফোল্ডারটিকে আবার ডিলিট করা যাবে।
[তবে আনডিলিটেবল ফোল্ডার আপনি নিজের ব্যক্তিগত ফাইল সংরক্ষণের কাজেও ব্যবহার করতে পারেন।]
এই ফোল্ডারগুলোর লোকেশন আমাদের ভাইরাসের অটোরান ফাইলে দিয়ে দিলে সেটা অটোমেটিক আনডিলিটেবল হয়ে যাবে। এবার ভাইরাসগুলোকে যত খুশি কম্পিউটারে ঢুকাতে থাকুন। আর আপনি যদি দূরের কারো কম্পিউটারের বারটা বাজাতে চান সেক্ষেত্রে আপনি ইনভিজিব্যাল অটোরান ফাইল মেইল করে পাঠাতে পারেন। এটা খুব সহজ একটা কাজ কিন্তু এ ব্যপারে আমি আপনাদের কোনো সাহায্য করব না।
এবার যেটা কথা সেটা হচ্ছে আপনি তো অনেক ভাইরাস তৈরী করে ফেললেন। কিন্তু আপনার কম্পিউটারের ভাইরাসগুলোর কি করবেন। এজন্য সবচেয়ে ভাল হচ্ছে কোনো ভাল অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করা। তাছাড়া আপনি Trojan টাইপের ভাইরাসকে ম্যানুয়েলি ও কিল করতে পারেন। তবে আমি যে পদ্ধতির কথা এখন বলব সেটার জন্য আপনার অভিজ্ঞতা অনেক বড় একটা ফ্যাক্ট। কারণ এখানে অনেক ফাইলের মধ্য থেকে ভাইরাস খুজে আপনাকে কিল করতে হবে। এটা খুবই কঠিন একটা কাজ। যাহোক পদ্ধতিটি এবার বলি।
প্রথম ধাপঃ প্রথম ধাপঃ Start→Run এ যান।
দ্বিতীয় ধাপঃ এবার services.msc লিখে ENTER করুন।
তৃতীয় ধাপঃ এবার এখানে যে সার্ভিসগুলোর নাম দেখতে পাবেন সেখানে কিছুক্ষন খুজুন। দেখবেন সেখানে বেশিরভাগই আপনার ইনস্টল করা ফাইল বা উইন্ডোজের নিজস্ব ফাইল। এর বাইরে কোনো সন্দেহজনক ফাইল পেলে সেটা ডিলিট করে দিন।
[আগেই বলেছি এটা একটু আলাদা। তাই ভালো করে উইন্ডোজের ফাইল সম্পর্কে জানা না থাকলে এ পদ্ধতি ব্যবহার করবেন না।]
এখন আমি কিছু অ্যাপ্লিকেশনের নাম লিখব যেগুলো সাধারণত আপনার কম্পিউটারের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এগুলোর উপস্থিতি যদি টের পান চেষ্টা করবেন সরিয়ে দিতে। এজন্য টাস্ক ম্যানেজারে গিয়ে Processes অপশনে গিয়ে এদের খুজুন এবং পেলে এদের সিলেক্ট করে End Process করে দিন।
লিস্টঃ
adaware.exe, alevir.exe, arr.exe, ascv.exe, backWeb.exe bargains.exe, blss.exe, bootconf.exe, bpc.exe, brasil.exe, bundle.exe, bvt.exe, cfd.exe
cmd32.exe, cmesys.exe, datemanager.exe, dcomx.exe, divx.exe, dllreg.exe, dpps2.exe, dssagent.exe, emsw.exe, explore.exe, fsg_4104.exe, gator.exe, gmt.exe, hbinst.exe, hbsrv.exe, hxdl.exe, hxiul.exe, iedll.exe,iedriver.exe, iexplorer.exe, image.dll, infus.exe, infwin.exe, intdel.exe, isass.exe, istsvc.exe, jdbgmgr.exe, kazza.exe, keenvalue.exe, kernel32.exe, launcher.exe, loader.exe, mapisvc32.exe
mfin32.exe, mmod.exe, mostat.exe, msapp.exe, msbb.exe, msblast.exe, mscache.exe, msccn32.exe, mscman.exe, msdm.exe, msiexec16.exe
mslagent.exe, mslaugh.exe, msmgt.exe, msmsgri32.exe, msrexe.exe, mssys.exe, msvxd.exe, netd32.exe, nssys32.exe, nstask32.exe
nsupdate.exe, onsrvr.exe, optimize.exe, patch.exe, pgmonitr.exe
powerscan.exe, prizesurfer.exe, prmt.exe, prmvr.exe, ray.exe, rb32.exe
rcsync.exe, run32dll.exe, rundll.exe, rundll16.exe, ruxdll32.exe, sahagent.exe, save.exe, savenow.exe, sc.exe, scam32.exe, scrsvr.exe,, scvhost.exe, service.exe, showbehind.exe, skynetave.exe, soap.exe
spoler.exe, srng.exe, start.exe, stcloader.exe, support.exe, svc.exe, svchosts.exe, svshost.exe, system.exe, system32.exe, teekids.exe
trickler.exe, tsadbot.exe, tvmd.exe, tvtmd.exe, webdav.exe, win32.exe, win32us.exe, winactive.exe, win-bugsfix.exe, windows.exe, wininetd.exe, wininit.exe, winlogin.exe, winmain.exe, winnet.exe, winppr32.exe, winservn.exe, winssk32.exe, winstart.exe, winstart001.exe, wintsk32.exe
winupdate.exe, wnad.exe, wuamgrd.exe, wupdt.exe
এবার বলি ভাইরাসগুলোকে কিভাবে বানাবেন। ধরুন আপনি এমন একটা ভাইরাস বানাবেন যেটা কারও কম্পিউটারে ঢুকে সেটাকে বারবার রিস্টার্ট নেওয়াবে। আগের পর্বে এরকম ভাইরাস কোডিং দেখিয়েছি। ঐ কোড দিয়ে ভাইরাস বানিয়ে একটা আনডিলিটেবল ফোল্ডারে রেখে দিন। ফোল্ডারটা এবার হাইড করে রাখুন। আপনার কেউ যদি ইনভিজিব্যাল ফোল্ডার তৈরী করতে পারেন তাহলে তাই তৈরী করুন। আর না পারলে বলবেন। পরের কোনো পোস্টে লিখে দিব। এবার পুরো ফোল্ডারটিকে অটোরান করে দিন। অটোরান প্রোগ্রামিং আমি শিখাব না এটা আগেই বলেছি। আপনার ব্যক্তিগতভাবে শিখে নিবেন। এখন এই ফোল্ডারটি যেখানেই যাবে সেখানেই খবর করে দিবে। এরকম আরো নতুন আইডিয়া আপনারা ও চিন্তা করে সেটা করতে পারেন। আর কোনো সমস্যা হলে তো আমি আছিই। আজ এ পর্যন্তই। আশা করি আপনারা ভালো থাকবেন।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
রেজওয়ান করিম বলেছেন:
ভাই আপনেতো ডেন্জারাস মাল
আহ্সান হাবীব আকন্দ বলেছেন:
নতুন কিছুতে আগ্রহটা অনেক আগের......... আমার কাছে নতুন কিছু যোগান দেয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ............
নূর-ই-আল-মামুন বলেছেন:
কি সব লিকছেন এইসব ????
মুখোশধারী ভদ্রলোক বলেছেন:
পেলাস উইথ প্রিয়তে।ফারজানা মাহবুবা কে ব্লগাররা কেন ঘৃনা করে......................তার কিছু প্রমান।
হুমাযুন কবির সবুজ বলেছেন:
++++++++++++++++=
হুমাযুন কবির সবুজ বলেছেন:
++++++++++++++++=
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














