মুস্তাফা জব্বারকে নিয়ে সাম্প্রতিক আলোচনার শুরুতে ব্লগার রনি রাজশাহী'র পোস্টে আমি একটি কমেন্ট করেছিলাম। গত কয়েকদিনে এ বিষয়টি নিয়ে যে গরম আলোচনা চলছে, তার বিপরীতে আমার বক্তব্যটুকু আবার সবার সাথে শেয়ার করতে ঐ কমেন্টটি এখানে তুলে দিলাম-
অনেক আগে (১৯৯৬-৯৭ মনে হয়) থেকে বাংলায় টাইপ করি। তখন বিজয়ই ছিল একমাত্র ভরসা। তারপর প্রশিকাশব্দ সফটওয়্যার ব্যবহার শুরু করি ৯৯-২০০০ এর দিকে, কারণ প্রশিকা ফন্টগুলো বিজয় ফন্টের চেয়ে অনেক সুন্দর ও বৈচিত্র্যময় ছিল। প্রশিকাশব্দে মুনীর কিবোর্ড লেআউট-ও ছিল। কিন্তু বিজয় কীবোর্ড ব্যবহারের সেই স্বাচ্ছন্দ্য পেতাম না। এখনও বিজয় কীবোর্ড লেআউট ব্যবহার করে বাংলায় লিখি, ব্লগিং করি। আসলে পুরনো একটা অভ্যাস হঠাৎ বদলের প্রয়োজন মনে করছি না।
আমার মত অনেকেই হয়ত এখনও বিজয় কীবোর্ড ব্যবহার করছেন। কম্পিউটারে আমাদের মাতৃভাষা বাংলায় লেখার বিষয়টি রাতারাতি আজকের পর্যায়ে পৌঁছায়নি এটা সবাই স্বীকার করবেন। এই পথ পরিক্রমায় মুস্তাফা জব্বারের 'বিজয়' সফটওয়্যারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা অস্বীকার করার উপায় নেই। আজকের মুস্তাফা জব্বার সাহেব একজন চতুর ব্যবসায়ী হতে পারেন যিনি শুধু নিজের ব্যবসা বোঝেন। তাই বলে তার বাংলা লেখাকে কম্পিউটার উপযোগী করার পিছনে অবদানটুকু খাটো করে দেখার পক্ষপাতী নই।
ব্লগে দেখেছি একবার কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে পচানো শুরু হলে আমরা হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। রাস্তায় পকেটমার ধরা পড়লে যেমন চারদিক থেকে আমজনতা এসে মনের সুখ মিটিয়ে পেটায় সে রকম। এটা খারাপ লাগে।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



