সামহোয়ার ইনে দীর্ঘ দুই বছর টুকটাক লেখালেখির সুবাদে কিছু ব্লগারের সাথে আত্মিক সম্পর্ক গড়ে উঠে। দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এমন কিছু স্বপ্নবাজ ব্লগার বাংলা ভাষা, বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদ এবং আত্মমর্যাদাবোধকে সমুন্নত করার লক্ষ্যে নতুন একটি ব্লগ চালুর প্রস্তাব করেন। শুরু থেকে তাঁদের উৎসাহিত করে যাচ্ছি- কেননা যত বেশি বাংলা ব্লগ অনলাইনে আসবে, তত বেশি ফোরামে বাংলাভাষার চর্চা হবে, বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে তুলে ধরার তত বেশি সুযোগ সৃষ্টি হবে।
যাহোক, ঐ তরুণদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় 'আমার বর্ণমালা' নামে একটি ব্লগ গত বছর ঠিক এই সময়ে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়। নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে, অনেক সংস্কার, পরীক্ষানিরীক্ষার পর ব্লগের উদ্যোক্তারা ১ মে ২০১১ ব্লগটি পূর্ণাঙ্গরূপে শুরু করার ঘোষণা দেন।
উদ্যোক্তাদের অনেকেই বিভিন্ন দেশে থাকেন। ফলে এই ব্লগটির উদ্বোধন একই সাথে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যেমন, জাপান, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, আমেরিকাতে এবং অবশ্যই বাংলাদেশের ঢাকা ও চট্টগ্রামে হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিশেষ কারণে মালয়েশিয়া ও আমেরিকাতে অনুষ্ঠানের আয়োজন পিছিয়ে দেয়া হয়।
ঢাকার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় মীরপুরের শেওড়াপাড়াস্থ লা-বনী চাইনিজ রেস্টুরেন্টে। আয়োজকদের অনুরোধে ও অফিস ছুটির দিন থাকায় আজ সন্ধ্যায় উক্ত অনুষ্ঠানে হাজির হই।
পৌঁছে দেখি, বেশ কয়েকজন ব্লগার ইতোমধ্যেই হাজির হয়েছেন। অল্প সময়ের মধ্যে আরও কয়েকজন পরিচিত ও অপরিচিত ব্লগারের সাক্ষাৎ পেলাম। শুরু হল জমজমাট আড্ডা।
তারপর হল কেক কাটার তোড়জোড়!
এরই ফাঁকে ব্লগার বান্না চমৎকার গলায় গেয়ে ওঠেন-
আমি বাংলার গান গাই....
আরেক ব্লগার তানিম সুলোলিত কন্ঠে একটি কবিতা আবৃত্তি করেন-
এরই মধ্যে খাবার পরিবেশন করা হয়। খাওয়ার ফাঁকে ফাঁকে চলতে থাকে মজার আলোচনা, ব্লগ নিয়ে পারস্পরিক অভিজ্ঞতার বিনিময়।
মুখরোচক খাওয়াদাওয়ার পর ব্লগার বান্না আবারও একটি গান শোনালেন। আড্ডা, আলোচনা যেন কেবল শুরু হল! গল্প ফুরোয় না, কিন্তু ঘড়ির কাঁটা বলে আজ উঠতেই হবে। অনেকেই দূরদূরান্ত থেকে এসেছেন।
তাই না চাইলেও সবাই পরস্পরের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করে বিদায় নেয়া শুরু করলেন। বাংলা ব্লগকে আরও প্রাণবন্ত, তাৎপর্যপূর্ণ ও সুপরিচিত করে তোলার প্রত্যয় জানিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্ত ঘোষণা করা হল।
আমার বর্ণমালা ব্লগের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করে বিদায় নিলাম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


