ফাইল ছবি
যোগাযোগ মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন বলেছেন ১ নভেম্বর থেকে রাজধানীর ফুটপাথ সমূহ থেকে হকার উচ্ছেদ করা হবে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে দক্ষিন কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান ইডিসিএফ’র অপারেশন বিভাগের পরিচালক তায়ে সু কিম এর সংগে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন এ কথা জানান।
( পিটিবি নিউ ডটকম)
মন্ত্রীমহাদয় উচ্ছেদ হওয়ার লোকগুলোর কাজের কোন ব্যবস্থা আপনার সরকার নিচ্ছে? রাস্তায় বিক্রি করা কারণে ওই লোকগুলোকে বড় বড় সপিংমলের ভাড়া দিতে হয় না বলে কম দামে বিক্রি করতো। কম আয়ের মানুষেগুলো মোটামুটি সাধ্যের মধ্যেকার দামে কিনতে পারতো। এই পণ্য বড় বড় মার্কেটে দ্বিগুন দাম দিয়ে কিনতে হয়। এই কম দামের পণ্য পাওয়ার কোন বিকল্প ব্যবস্থা করছেন তো?
রাস্তা দখল শুধু হকারই করে না, বিল্ডিং মেকাররা তাদের বাড়ি বানানোর রড় সিমেন্ট রাস্তার পাশে রেখে রাস্তা দখল করে। তাদের কাছে থেকেও দখরমুক্ত করবেন তো?
অফিস পাড়ায় প্রাইভেট কার মালিকরাও রাস্তায় গাড়ি পার্কিং করে, তাদেরও সরানোর ব্যবস্থা করবেন তো?
না এ গুলো সমাজের বড় বড় লোক, রাজনীতিক, ঘুষখোর, দুর্নীতিবাজ-মহাশক্তিধর বলে তাদের কিছু বলা হবে না?
আপনার দলের মুখপাত্র সম্প্রতি বলেছেন আওয়ামীলীগ বাকশালের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছেন। ভাল কথা, বাকশালের কর্মসূচির লক্ষ্য ছিল গরীব-মেহনতি-শ্রমজীবি তথা নিচুতলার মানুষের নেতৃত্ব সৃষ্টির জন্য সকল রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালিত করা। ওই সব মানুষের জীবন জীবিকা নিশ্চিত করার লক্ষে কর্মসূচি হাতে নেয়া।
আপনি যে হকার উচ্ছেদ করতে যাচ্ছেন তার মাধ্যমে কি হবে ভেবে দেখেছেন?
১.কিছু শ্রম-জীবি মানুষ কর্মহারা হবে।
২.কিছু গরীব মানুষের কম দামে পণ্য কেনার সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে। একই পণ্য কোন বাড়ি কোম্পানির তৈরি করা মার্কেটে কিনতে যাবে তখন তার দ্বিগুন দামে কিনতে হবে। আর এতে লাভবান হবে ওই যারা মার্কেট ভাড়া দিয়ে টাকা ব্যাংকে রাখে তারা।
মানোনীয় মন্ত্রী আগে ওদের কাজের ব্যবস্থা করুন। গরীব মানুষের নাগালের মধ্যে পণ্য সামগ্রীর দাম রাখুন। তারপর এই সব চিন্তা করুন। এটা আপনার দলেরই নীতি।
তারপরও যদি হকার উচ্ছেদ করতে হয়-দয়া করে ১৯৭২এ খসড়া সংবিধান উপস্থাপনের সময় বঙ্গবন্ধু যে বক্তব্য রেখেছিলেন-সেটি পড়ে দেখুন।
প্লিজ---

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

