ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল সংবিধান অসমর্থিত নয়
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫০
বাংলাদেশ সংবিধানে "ফ্রীডম অব রিলিজিয়ন" বা "ধর্মের স্বাধীনতা" নামে একটি অনুচ্ছেদ রয়েছে (৪১)। ৪১ (১)-এ যা লেখা আছে তা হলো:
"Freedom of religion.
(1) Subject to law, public order and morality-
a) every citizen has the right to profess, practice or propagate any religion;
b) every religious community or denomination has the right to establish, maintain and manage its religious institutions. "
a) প্রত্যেকটি নাগরিকের যে কোন ধর্মকে গ্রহন, চর্চা এবং প্রচার করার অধিকার আছে।
b) প্রত্যেকটি ধর্মীয় গোষ্ঠীর বা উপগোষ্ঠীর তাদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান স্থাপন, চালনা এবং নিয়ন্ত্রন করার অধিকার আছে।
উল্লেখযোগ্য ধর্মগুলো (যেমন ইসলাম, খ্রীষ্টানিটি) অনুসারে রাষ্ট্রীয় নিয়মকানুন তৈরি হবে তাদের ধর্মের দেওয়া কোড অনুসারে। কোন ধর্মই ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় বরং ধর্ম রাষ্ট্র ক্ষমতা গ্রহনের মাধ্যমে সমাজ থেকে সমস্ত অপকর্ম দুর করতে চায়।
সুতরাং ধর্ম প্রচার যেমন সংবিধান অসম্মত নয়, আবার ধর্ম প্রচার শুধু ব্যক্তির উপর নির্ভর করে না বরং তা ব্যক্তিসমষ্টির উপর বর্তায় এবং যৌক্তিকভাবে তা ক্রমবর্ধমানতায় রুপ নেয়। রাষ্ট্র ক্ষমতা না নিলে ধর্ম তার আসল উদ্দেশ্য কখনই হাসিল করতে পারে না। আর এই জন্যেই ধর্ম তার নিয়মভিত্তিক পরিচালিত দলকে সমর্থন দেয়।
অন্যদিকে বাংলাদেশ সংবিধান অনুসারে "যে কোন ধর্মকে গ্রহন, চর্চা এবং প্রচার করা যাবে"।
আবার সংবিধান এটাও বলে যে রাষ্টধর্ম ইসলাম।
কাজেই, ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল সংবিধান অসমর্থিত নয়। তবে সমর্থিত এটাও প্রত্যক্ষভাবে বলা নেই। বস্তত যে সংবিধানে এই সব ধর্ম কথাগুলো টেনে নিয়ে আসে সে সংবিধান আসলে কি ধর্মনিরপেক্ষ নাকি ধর্মকে কাজে লাগিয়ে ধর্মভিরু কিছু মানুষের সাথে ধোকাবাজি করছে?
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সংবিধান ও ধর্ম, সংবিধান ও ধর্ম ;
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ১:৫৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। ধন্যবাদ।
অন্যরকম বলেছেন:
হুমম..... সংবিধান সংশোধন হয়ে ৭২ এর টাতে ফিরে গেলে কি এই অনুচ্ছেদও বাতিল হয়ে যাবে?
লেখক বলেছেন: ৭২ এর সংবিধানেও এই অনুচ্ছেদটি এরকমই আছে। (শিওর না)।
তার মানে ঠিক জানি না।
শুভ৭৭ বলেছেন:
বাংলাদেশ সংবিধান অনুসারে "যে কোন ধর্মকে গ্রহন, চর্চা এবং প্রচার করা যাবে"। .................রাজনীতিতে 'ইসলামের চর্চা' এর মধ্যে পড়ে কিনা?
@লোডশেডিং- ৭৫ এ একদলীয় বাকশালী শাসন প্রবর্তন সংবিধান সম্মত ছিল কিনা?
@ লেখক- আমাদের রাজনীতিবিদেরা তাদের মত ব্যাখ্যা করে আমাদেরকে সংবিধান শেখান। তাই সংবিধানে কী আছে সেটা মূখ্য নয়, রাজনীতিবিদেরা তাদের সময়ের প্রয়োজনে সংবিধানের কী ব্যাখা দাঁড় করায় সেটাই আসল
লেখক বলেছেন: রাজনীতিতে 'ইসলামের চর্চা' এর মধ্যে পড়ে কিনা?
আমার কথা খুব পরিষ্কার, হালুয়া মার্কা কথা বার্তা সংবিধানে থাকলে তা দূর করতে হবে। আমাদের জনগন যদি সেকুলারিজম চায় তাহলে ঐ সব ধর্ম রিলেটেড কথা বার্তা ১০০% পরিহার করতে হবে। ধর্মের ইনসাইট না বুঝে তাকে পালন করার অনুমতি যদি সংবিধান দেয় তাহলে সেই ধর্মের আলোকে রাষ্ট্র পরিচালনাও প্রয়োজন হয়ে পড়ে। আবার ধর্ম ও রাষ্ট্র কোনটিই অনিয়মতান্ত্রিকভাবে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করতে চায় না। সুতরাং ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল একটি আল্টিমেট কনসিকুয়েন্স।
এখন রাজনীতিতে 'ইসলামের চর্চা আসে কিনা সেটার উত্তর আপনি নিজেই দিয়ে দিয়েছেন "সংবিধানে কী আছে সেটা মূখ্য নয়, রাজনীতিবিদেরা তাদের সময়ের প্রয়োজনে সংবিধানের কী ব্যাখা দাঁড় করায় সেটাই আসল"
অনেক ধন্যবাদ শুভ ভাই।
প্রচ্ছদ বলেছেন:
আপনার ব্যাখ্যাটি সঠিক নয়। এখানে বুঝতে হবে ব্যাক্তি, গোষ্ঠী, রাষ্ট্র, এ তিনটি ভিন্ন ভিন্ন টার্ম। a) প্রত্যেকটি নাগরিকের যে কোন ধর্মকে গ্রহন, চর্চা এবং প্রচার করার অধিকার আছে।
এটি ব্যক্তির ধর্ম পালন গ্রহন বর্জনের স্বাধীনতা সম্পর্কিত।
b) প্রত্যেকটি ধর্মীয় গোষ্ঠীর বা উপগোষ্ঠীর তাদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান স্থাপন, চালনা এবং নিয়ন্ত্রন করার অধিকার আছে।
এখানে বোল্ড করা অংশটি লক্ষ্য করেন। তাদরে নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রন সংক্রান্ত ব্যাপর এটি।
আর রাজনৈতিক দল যেহেতু সুস্পষ্টভাবে রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কিত এবঙ রাষ্ট্র কিন্তু কোন নির্দিষ্ট ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর নিজস্ব প্রতিষ্ঠান নয়, সেহেতু এ দুটি অনুচ্ছেদ কোনভাবেই ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল গঠন করা যাবে এরকম বলে না।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: টু দা পয়েন্টে কমেন্ট করেছেন। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
আপনি ঠিক যেভাবে চিন্তা করেছেন আমি ঐ একই ভাবে চিন্তা করেছি বলে মনে হলো।
a) প্রত্যেকটি নাগরিকের যে কোন ধর্মকে গ্রহন, চর্চা এবং প্রচার করার অধিকার আছে।
এটি ব্যক্তির ধর্ম পালন গ্রহন বর্জনের স্বাধীনতা সম্পর্কিত। এটাতেও একমত।
আমার পয়েন্ট হলো:
কিন্ত, ধর্ম ব্যক্তি চর্চাতে সীমাবদ্ধ নয়। তাহলে ব্যাপারটি কিছুটা হলেও কমপ্লেক্স।
আবারো ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন।
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন:
ব্যাখ্যা সরলীকৃত হয়ে গেছে। আপনি এখানে যে কন্ট্রাডিকশনের কথা বোঝাতে চাইলেন, তা হল---ধর্ম চর্চার অধিকার আছে, আর ধর্মের মধ্যেই রাষ্ট্রকে বদলানোর কথা আছে, সো সংবিধান নিজেই নিজেকে পাল্টানোর অনুমতি দিচ্ছে, অনেকটা এইরকম তো?এই ধরনের কন্ট্রাডিকশন আপনি খুজলেই অনেক পাবেন---১টা খুব সাধারণ এক্সামপল----গণতন্ত্রে সবার কথা বলার অধিকার আছে, কিন্তু যে লোকটা গণতন্ত্রকেই মেরে ফেলতে হবে বলে চিল্লায়, তাকে কি আপনি কথা বলতে দেবেন না দেবেন না?
আইনের ছাত্র নই, তবে এইটুকু বুঝি যে এই ধরনের সোজা-সাপ্টা কন্ট্রাডিকশনগুলি তেমন কোন প্রবলেম না।
আজকে যদি আমি "বোঙ্গা বোঙ্গা" নামক একটা ধর্ম প্রচার করতে আসি, যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে ব্লগের সব ঢাবি শিক্ষকদের শূলে চড়ানো, আপনার কি মনেহয়, সরকার আপনার ব্যাখ্যা শুনে আমাকে ধর্ম পালন করতে দেবে?
লেখক বলেছেন: ঠিক।
আমি কন্ট্রাডিকশনের কথা বোঝাতে চেয়েছি।
"এই ধরনের সোজা-সাপ্টা কন্ট্রাডিকশনগুলি তেমন কোন প্রবলেম না।"
হয়তো তাই।
মনে করুন এই অনুচ্ছেদটি সংবিধানে নাই। এখন আমি (ব্যক্তি) যদি ধর্মীয় কিছু নিয়ম-কানুন মেনে চলি যা কিনা বাংলাদেশের আইনের বিরুধ্যে নয় তাহলে আমাকে নিশ্চয় রাষ্ট্র আমাকে দোষী সাবস্ত্য করবে না। তাহলে এই ধরণের অনুচ্ছেদ রাখার কারণ কি? নাকি ইচ্ছে করে এরকম করে রাখা হয়েছে।
"আজকে যদি আমি "বোঙ্গা বোঙ্গা" নামক একটা ধর্ম প্রচার করতে আসি, যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে ব্লগের সব ঢাবি শিক্ষকদের শূলে চড়ানো, আপনার কি মনেহয়, সরকার আপনার ব্যাখ্যা শুনে আমাকে ধর্ম পালন করতে দেবে? "
এই অংশটা পড়ে বেশ মজা পেলাম
। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আমিও কিন্ত আইনের ছাত্র নয়। পোষ্ট দেওয়া হয়তো তাহলে ভুলই হয়েছে।
প্রচ্ছদ বলেছেন:
কিন্ত, ধর্ম ব্যক্তি চর্চাতে সীমাবদ্ধ নয়। তাহলে ব্যাপারটি কিছুটা হলেও কমপ্লেক্স
আর আপনার বক্তব্যের বোল্ডকৃত অংশটি কিন্তু সাংবিধানিক ভাবে সিদ্ধ নয়। অর্থাৎ, সংবিধান এটি স্বীকার করে কিনা, এটা ভাবতে হবে। যেহেতু আপনি আলোচনাটি তুলেছেন সংবিধান সমর্থনের বিষয় নিয়ে।
লেখক বলেছেন: বোল্ডকৃত অংশটি কিন্তু সাংবিধানিক ভাবে সিদ্ধ নয়। একমত।
৬ নং কমেন্টের উত্তরে হয়তো এই ব্যাপারটিই এসেছে।
শয়তান বলেছেন:
অনুসিদ্ধান্তটা হাস্যকর হৈসে ।
লেখক বলেছেন:
কোর আই সেভেন বলেছেন:
ধর্মকে গ্রহন, চর্চা এবং প্রচার করারা সাথে রাজনৈতিক দলের কি সম্পর্ক বুঝলাম না! রাজনৈতিক দল বলতে কি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বুঝায়?
লেখক বলেছেন: ধর্ম কখনও ব্যক্তি নির্ভর বা তার মধ্যে সীমাবদ্ধ হতে পারে না। ধর্মের নিয়ম-কানুন ব্যক্তি থেকে শুরু করে সমাজের প্রতিটি স্তরে প্রয়োগ হয়।
সংবিধানের আরো একটি অনুচ্ছেদ ২(ক)-এ বলা হয়েছে বাংলাদেশের রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম।
বস্তত এই সব অনুচ্ছেদ কন্ট্রডিকটরি বৈকি।
রাজনৈতিক দল বলতে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বুঝায় না। তবে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লীষ্ঠ ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের মধ্য সম্পর্ক থাকাটাই স্বাভাবিক।
চাষী বলেছেন:
আপনি সুন্দর ব্যখ্যা দিয়ে প্রমান করেছেন ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি বৈধ । এমনি ভারত ও পশ্চিমা দেশ গুলিতেও ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি বৈধ।
লেখক বলেছেন:
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
ধর্মকে প্রচার করা আর ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করা দুটো একি কথা হল?
লেখক বলেছেন: ধর্ম নিয়ে রাজনীতি আর ধর্মের রাজনীতি ভিন্ন জিনিষ।
নির্বাসন বলেছেন:
বাংলাদেশের সংবিধান যদি জামাতের মত দলকে সমর্থন দেয় তবে তা পালটে ফেলা উচিত...সর্বতোভাবে জামাত প্রতিরোধ একান্ত কাম্য।
লেখক বলেছেন: ভাইয়া, পোষ্টের মোটিভ কিন্ত জামাতের রাজনীতি বৈধ সেটা বলা না, এবং মোটেও না।
শুধু জামাত কেন, জনগন ও দেশ বিরোধী কার্যক্রমের সাথে সংশ্লীষ্ঠ যে কোন দলই ত্যাগ করা উচিৎ।
বাংলাদেশের জনগনের যে ধর্মভিরুতা রয়েছে সেটা কাজে লাগানোর জন্যেই বিভিন্ন সময়ে সংবিধানে ধর্ম রিলেটেড কথা-বার্তা টেনে আনা হয়েছে। যেগুলো বিতর্কের তৈরি করে বৈকি।
রকি সপ্নচারী বলেছেন:
এ তো বর্তমান সংবিধানের কথা কিন্তু ৭২ এর সংবিধান অনুসারে এটা অন্যায় ।
লেখক বলেছেন: সংবিধান বলতে তো বর্তমান সংবিধান-ই বুঝতে হবে, তাই নয় কি?
এসব সংবিধান সংবিধান করে আমাদের কি লাভ-ই বা আছে বলুন মিস রকি, কত শত বার সংবিধানকে আমরা বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে চলেছি.............তারপর ব্লগের পাতায় হটাৎ ২/১ টা বাক্য লিখে ফেলা।
ভালো থাকুন।
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
অনেক আগে থেকেই সংবিধান নিয়া এত ভিন্ন ধরনের ব্যাখ্যা আসছে যে সংবিধান নতুন করে লিখা দরকার, যেখানে বৈধ রাজনৈতিক দল ও নীতি নির্ধারক হিসেবে একমাত্র বাকশাল আর আইন নিয়ন্ত্রনকারী সংস্থা হিসেবে রক্ষীবাহিনীর কথা উল্লেখ থাকা উচিৎ। নির্বাচনী বৈধতার জন্য একমাত্র বাকশালই শুধু নতুন রাজনৈতিক দলকে বৈধতা দিতে পারবে। এতে করে বামদের বৈধতা পাওয়ার সুযোগ হবে। আর সংবিধানের ব্যাখ্যা নিয়া সমস্যার অনেকটাই সমাধান হবে, দেশও স্বর্ণযুগে ফিরে যেতে পারবে।
লেখক বলেছেন: ভালো একটা দিক তুলে ধরেছেন।
বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবময় অধ্যায় হলো "আমাদের স্বাধীনতা"।
আর সবচেয়ে কলংজনক অধ্যায় হলো "বাকশাল"।
যে সংবিধান একটি দেশের অধিকাংশ মানুষের চাওয়া/পাওয়া/প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ সেটা কোন সংবিধান-ই না। গুটিকয়েক মানুষ যদি নিজেদের গায়ের জোরে একদলীয় সংবিধান প্রবর্তন করতে চায় তাহলে সেটার ফল কখনও ভালো হয় না। দেশ ও বিশ্ব ইতিহাসও সেটায় বলে।
ভালো থাকুন।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















সংবিধানের যেগুলোকে আপনি পয়েন্ট বলছেন, সেগুলো পয়েন্ট নয়..বলতে হবে অনুচ্ছেদ বা আর্টিকেল। ধন্যবাদ।