জামাতি বুদ্ধিজীবির ছাঁচে গড়া সুশীল কারিগর
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৪২
এক সময়ের প্রখ্যাত ব্লগার ধানসিঁড়ির কথা মনে পড়ে। নিজের নিকে অনেকদিন হলো তিনি আর আসেন না। খুবই অমায়িক লোক ছিলেন, সবার সাথে সৌহার্দপূর্ণ আচরণে তার জুড়ি মেলা ভার। বাংলাদেশের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে তিনি সবসময়ই তার ব্যস্ততা এবং সচেতনতনা দেখিয়েছেন। এইডস এর মত ব্যধির বিরুদ্ধে তার প্রচারণা কিংবদন্তিতুল্য। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তিনি অত্যন্ত গভীরভাবে ভেবেছেন এবং আমাদের এখন যে অতীত নিয়ে মেতে না থেকে ভবিষ্যতে এগিয়ে যেতে হবে এ তত্ত্বের তিনিই বোধহয় সামহোয়্যারইন ব্লগের প্রবর্তক। তার ভাষায়,
"কে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা, কে রাজাকার, কে সত্যের সৈনিক, কে অসুরের দোসর তা সঠিক ভাবে নিরুপনের সময় আমার মনে হয় আমরা পার করে এসেছি। এখন আমরা এ নিয়ে যতই গবেষণা করিনা কেন সুফল পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। একজন মানুষ কেবল মাত্র মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বলেই সকল সুযোগ -সুবিধা পাবে, ধরাছোঁয়ার উর্ধে থাকবে, আর একজন মানুষ রাজাকারের সন্তান হওয়ার পরও সে যদি এদেশের প্রতি অনুগত হয়, এদেশকে তার নিজের দেশ মনে করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করে তবুও তাকে দূরে ঠেলে দেব, তা আমার কাছে সামপ্রদায়িকতা বলেই মনে হয়।"
সম্ভবত রাজাকার শব্দটির ওপরেও তিনি খুব ঘৃণা পোষণ করতেন। নব্য রাজাকার রুখতে তাই তার অমোঘ বাণী,
"বাংলার সন্তানেরা, এক হও, রুখে দাড়াও শত্রুর বিরুদ্ধে, দেশের বেইমানদের বিরুদ্ধে। রুখে দাড়াও নব্য রাজাকারদের বিরুদ্ধে। "
কয়েকমাস পরেই অবশ্য তিনি 'আলোকিত নেতা' মওদুদীকে নিয়ে ধারাবাহিকভাবে পোস্টান, আমরাও জানি এইডসের প্রচারণা জামাতি এনজিওর প্রচারণা মাত্র এবং লোকমুখে শোনা যায়, তিনি জামাতের একজন ভালো লেভেলের নেতা। এভাবেই আমরা সাধারণ ব্লগাররা একজন জামাতি বুদ্ধিজীবির কার্যপ্রণালী সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করি।
সময় এগিয়ে যায়, ব্লগে তবুও সেই একই টেমপ্লেটে জামাতি রাজনীতি চলতে থাকে। অধুনা একজন পিএইচডি সুশীলের আগমন ঘটেছে, যিনি স্বাধীনতা নিয়ে পোস্টান আর চিহ্নিত জামাতি পেইড ব্লগাররা তাকে সানন্দে ৫ দিয়ে যায়। তিনি খুবই আশাবাদী মানুষ। স্বাধীনতাবিরোধিদেরকে বুঝিয়েশুনিয়ে তিনি স্বাধীনতার সপক্ষে আনতে পারবেন বলে তার দৃঢ় বিশ্বাস। তিনি সুশীল মানুষ, গালিগালাজ একদমই সহ্য করতে পারেন না। তাই যেসব মানুষের কাছে ৭১ এখনও ৩৬ বছরের পুরানো ইতিহাস নয়, স্বাধীনতা বিরোধীদের হত্যা-ধর্ষণ-লুণ্ঠনের স্মৃতি যাদের কাছে এখনও জ্বলজ্বলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে স্বাধীনতাবিরোধী প্রচারককে কটু কথা বললে জনাব পিএইচডি হায় হায় করে ওঠেন। ওহে তোমরা করছোটা কি! এভাবে গালি দিলে চলবে। ওদেরকে আদর করে বুঝিয়ে বলো!
জনাব সুশীল অবশ্য স্বাধীনতার দলিল হিসেবে যা দেন, তা প্রায় সবই কাস্টুপেস্টু, নিজের তেমন কোনো বক্তব্য নেই। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, স্বাধীনতা বিরোধীদের সম্পর্কে তার বক্তব্য একেবারেই ধোঁয়াশা। তার মহান মতবাদ অনুসারে,
"জামাত-শিবিরের মতাদর্শধারী আর যুদ্ধাপরাধী কিন্ত এক জিনিস নয়। "
মহান সার্টিফিকেটধারী পিএইচডি সুশীলটির অবশ্য না জানার কথা নয় যে, জামাত ব্যক্তিহিসেবে নয়, দল হিসেবেই স্বাধীনতার বিরোধী পক্ষে ছিলো। এ বিষয়ে রেফারেন্স চাওয়ার মত নির্বোধ তিনি নন, তবে নির্বোধের ভূমিকায় অভিনয় করাটাও এক ধরনের পারদর্শিতার ব্যাপার, যা তার আছে বলেই জানি। অতএব, জামাতিদের মহান নেতা গোলাম আযমের 'যে পাতে খাই, সেই পাতে হাগি'টাইপ আত্মজীবনীতে দেখি তিনি কি বলেন,
"আমরা সবদিক বিবেচনা করে যে সিদ্ধান্তে পৌঁছতে বাধ্য হলাম, তা হলো: এ দেশ আমাদের জন্মভূমি। আল্লাহই আমাদেরকে এদেশে পয়দা করেছেন। আমরা দেশ ছেড়ে কোথায় যাবো? আমাদেরকে এখানেই বাঁচতে হবে, এখানেই মরতে হবে। ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ ও সমাজতন্ত্র কায়েমের আন্দোলনে শরীক হতে আমাদের ঈমান আমাদেরকে অনুমতি দেয় না।"
বাংলার মানুষকে যখন পাকিসৈন্যরা পাখির মত গুলি করে মারে, তখন জামাতি নেতারা রেডিওতে 'ভারতের' ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে অখন্ড পাকিস্তান রক্ষার ঈমানী ডাক দেন। পাকি সামরিক জান্তার সঙ্গে বৈঠক করেন, দলীয় কর্মপরিষদে পাকিস্তান সফর করেন। যে দলের আদর্শই বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে সেদলের মতাদর্শ আর যুদ্ধাপরাধী নাকি এক জিনিস নয়। আমরা মূর্খ মানুষ! জনাব পিএইচডি সুশীল স্বাধীনতার চেতনার মানুষের কাছ থেকে আমাদেরকে শিখতে হয়!
জনাব পিএইচডি আল-বদর চিনেন না, এমনটা হবার কথা নয়। তার আরও জানার কথা ৭১এ আল-বদরের ভূমিকা। তারপরেও আরেকবার স্মরণ করিয়ে দেই, দৈনিক সংগ্রামে মুজাহিদের বিবৃতি, "The youths of the Razakars and al-Badar forces and all other voluntary organizations have been working for the national to protect it from the collaborators and agents of India."
জনাব পড়ুয়া সুশীল আরও অবশ্যই জানেন, কামরুজ্জামান ছিলো আল-বদরের সংগঠক। জনাব কামরুজ্জামানের ছেলেমেয়েরা সামহোয়্যারিনে ব্লগায়। জনাব সুশীল তাদেরকে না চেনার কথা নয়। তারা জনাব পিএইচডির স্বাধীনতার দলিলের পোস্টে ৫ দিয়ে যায়, জনাব সুশীল আনন্দে গদগদ হয়ে জামাত থেকে'যুদ্ধাপরাধী' দূর করার মৃদু পরামর্শসহ ধন্যবাদ দেন। জনাব সুশীল কি জানেন না কাকে কি বলছেন? জানেন, খুব ভালো করেই জানার কথা তার! তাই তো বাবার আদর্শধারী যুদ্ধাপরাধীর ছেলেকেই যুদ্ধাপরাধী ছাঁকনির সুমহান দায়িত্ব দেন।
যুদ্ধাপরাধী প্রসঙ্গে জনাব সুশীলের উপসংহার হয় গুল্লি বক্তব্য দিয়ে, ""আলজেরিয়া, সুদান, রুয়ান্ডা বা ইথিওপিয়াতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়নি। যদিও এসব দেশে ঘৃণ্যতম যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত হয়েছে। বিচার হয়েছে ইউরোপে।" এখন আমাদের ঠিক করতে হবে আমরা কাদেরকে উদাহরন হিসাবে বেছে নবো "
বাংলাদেশ তো ইউরোপ নয়, আলজেরিয়া সুদানের মত বা আরো অনুন্নত। অতএব, ইউরোপ হওয়ার আগ পর্যন্ত আমরা যুদ্ধাপরাধী নিয়ে মাথা ঘামাই কেন!
জনাব পিএইচডি আবার খুব ইসলামিক মানুষ। তার ধর্মানুভূতিও সেইরকম সেন্সিটিভ! অবশ্য একজন সার্টিফিকেটধারী পড়ুয়ার জানার কথা, কি করলে ইসলামের অবমাননা হয় আর কি করলে নয়। উহু, ও কথা তাকে বলতে যাবেন না। ইসলাম যতোই বলুক, নাস্তিকদের কথায় কিছু আসে যায় না, কেউ ভন্ড হাদিস শুনালেই তার ধর্মানুভূতি ব্যথায় জরোজরো হয়ে যায়!
ধর্মীয় রাজনীতি নিয়ে তিনি একজন সুশীল নিরপেক্ষ মানুষ। যেমন ধরেন, জামাতের ধর্মীয় রাজনীতি নিয়ে তার কোনো মতামত নেই, জনগণের ওপরই ছেড়ে দিয়েছেন, জনগণ জামাতকে গ্রহণ করলে করুক, বর্জন করলে করুক! এতে অবশ্য তার স্বাধীনতার চেতনায় কিছু যায় আসে না। তিনি তো আগেই বলেছেন, জামাত আর যুদ্ধাপরাধী এক জিনিস নয়, যতোই জামাত দলগতভাবেই স্বাধীনতার বিপক্ষে কাজ করুক না কেন!
আমরা দেখে যাই। জামাতি বুদ্ধিজীবি খেলারামেরা খেলে যান। অবশ্য টেমপ্লেট তেমন একটা পালটাতে পারেন না। আমরা প্রান্তিক জনগণ। মহান নেতা আলী-আহসান মুজাহিদের জীবনী নিয়ে তিনি তার কোন নিকে কবে পোস্টাবেন, শুধু সেই অপেক্ষায়ই থাকি।
বামনী তুলাগাছ বলেছেন:
+
স্নোবল বলেছেন:
তেবর পেরতিবাদ। তেবর পেরতিবাদ। দুধে ভাতে নরম মানুষটিকে নিয়ে পুস্টানোর জন্য তেব্র পেরতিবাদ।
মোহাম্মদ আলী মাখন বলেছেন:
আগ্গুন পোস্ট
কোবরা বলেছেন:
সংস্থাপক এই ভাবে দিনে দুপুরে পিএইচডি সশীলের লুঙ্গি খুইলা দিও না,আমরা পিএইচডি সশীলের মওদুদী পোষ্টের অপেক্ষায় আছি..!
সুশীল সমাজ বলেছেন:
সুশীলদের মুখোশ খুলে দাও ।
কানা বাবা বলেছেন:
লেখকের লগে পুরাপুরি এ্যাকমত হইতে পাল্লাম না।
কিসে ইসলামের অবমাননা অয় হেইটা বুঝতে সার্টিফিকেটধারী ইসলামিক স্কলার অওনের দর্কার আছে বৈলা মুনে করিনা। যাগোর জুব্বার পকেটে সার্টিফিকেট থাকে না তাগোর বেবাকই কিন্তুক ইসলাম সন্মন্ধে এক্কেবারে আন্ধারে থাহে না। বরঞ্চ তাগোর কেউ কেউ (এমনকি অনেক অমুসলিমও) তথাকথিত সার্টিফিকেটঅলা মুনশীর চায়া বহুৎ ভালা ইসলামী জ্ঞান রাখে বৈলা আমি ব্যক্তিগতভাবে মুনে করি...
মনিটর বলেছেন:
ওরে ভাই/মারাত্বক লেখা হৈছে।সুশীলের জোব্বা পুরা খুলে গেছে, অন্তর্বাসসহ। খিকজ ।
ধানসিঁড়িরে মিস করি, শালীরে এইডসের ক্লাশ করাইতে গিয়া কৈ যে গেল
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
সেইরম পোস্ট হইসে।
সুশীলগো মুখোশ খোলা হোক।
হ্যারা নব্যরাজাকারদের থেকেও বেশি ভয়ংকর।
লাল মিয়া বলেছেন:
ওরে সাবাস! এই পিএইচডি লাগানো ট্রান্স সেক্সুয়াল গুলাই রাজাকারগো জাগা কইরা দিতাছে।
ফেলুদা বলেছেন:
গোয়েন্দাগিরি ছেড়ে দেবো ভাবছি
রাশেদ বলেছেন:
অসংখ ধন্যবাদ সুন্দর বিশ্লেষোনের জন্য। লোক চিন্তে কত ভুল হয় আমাদের! হালার সুশীল বল্গার!
রাশেদ বলেছেন:
স্টিকি করা উচিত পোস্টটা। সবার যেন চোখে পড়ে।
মুকুল বলেছেন:
হু ম ম
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
২২০বার পঠিত আপনি একবার রেটিং দিয়েছেন
পোস্টটি ২৫ জনের ভাল লেগেছে, ৬ জনের গোয়া জ্বলেচে
ধ্রূপদী বলেছেন:
পিএইজডি ভাই তাইলে মগবাজারের লোক? কেমনে কি!
ফেলুদা বলেছেন:
সংস্থাপক ফেলুদাকে বেকার বানানোর নিন্দা জানাই।
মেন্টাল বলেছেন:
ন্যাংটা সুশীল
পালর্ামেন্ট বলেছেন:
কি মিয়া, মিরাজকে ব্লক করে আপনি নাকি তার নামে মিথ্যা প্রপাগান্ডা চালাচ্ছেন? "জামাত-শিবিরের মতাদর্শধারী আর যুদ্ধাপরাধী কিন্ত এক জিনিস নয়। " মিরাজ নাকি তা কখনোই সরাসরি বলে নি?
মনিটর বলেছেন:
জামায়াতের পোলাপাইনের + রেটিং পেয়ে অনেক হাবিজাবি কথা বলে , মিরাজ এখন জামায়াতি বুদ্ধিজীবিদের প্রতিমুর্তি।।
এম.এ.হামিদ বলেছেন:
আপনার এসব ষড়যন্ত্র করে মিরাজের অগ্রযাত্রা রুখতে পারবেন না
এস্কিমো বলেছেন:
আপনার এসব ষড়যন্ত্র করে মিরাজের অগ্রযাত্রা রুখতে পারবেন না- আমরা আরেকটা আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরীকে দেখতে চাই।
আমিন।
এস্কিমো বলেছেন:
শুরুর দিকে মিরাজের সাথে বিতর্ক হয়েছিলো এক পোস্টে।তার উপসংহারে মিরাজ বলেছিলো:
মিরাজ বলেছেন: সবাইকে আলোচনায় অংশ নেয়ার জন্য ধন্যবাদ। সবশেষে একটি কথার পুনরাবৃত্তি করতে চাই
"আলজেরিয়া, সুদান, রুয়ান্ডা বা ইথিওপিয়াতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়নি। যদিও এসব দেশে ঘৃণ্যতম যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত হয়েছে। বিচার হয়েছে ইউরোপে।"
এখন আমাদের ঠিক করতে হবে আমরা কাদেরকে উদাহরন হিসাবে বেছে নবো এবং আমাদের ঠিক করতে হবে আমরা কোনটা চাই বিচার না বিচার নিয়ে রাজনীতি।
- মিরাজ কখনোই যুদ্ধাপরাদীদের বিচারের বিষয়ে ওর অবস্থান পরিষ্কার করেনি। যখন রাজাকার ইস্যুতে ব্লগে কলম বিরতি চলছে - তখন উনি সুশীল ব্লগার হয়ে ক্রমাগত অবস্থান পরিবর্তন করেছে। গালিবাজদের বিরুদ্ধে কথা বলেছে - কিন্তু নিজে গালিবাজদের সাথে নিয়ে গ্রুপ করছে।
এক কথায় এরা হলো সুবিধাবাদী মধ্যবিত্ত শ্রেনী। জীবনের ভোগটাই এদের কাছে গুরুত্বপূর্ন।
তাই মুক্তিযুদ্ধের কথা বলে জামাতিদের সাথে হাত মিলাতে ওদের বিবেকে বাধে না।
এই মুখোশধারী সুশীলকে চিনানোর জন্যে আপনাকে ধন্যবাদ।
যথারীতি প্রথমেই অস্বীকার গেছে, জামাতি মতাদর্শ আর যুদ্ধাপরাধীর কথাটি সে বলে নি।
'এরপর আসল টপিকগুলোর দিকে সে যায়ই নি। জামাত দলগতভাবে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষশক্তি' এটাকে সে ফোকাসই করেনি।
কিছু মন্তব্যও পড়লাম। পার্লামেন্ট ভাইয়ের জন্য কষ্ট লেগেছে। বেচারা! জানে না, জামাতিরা সোজা প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেয় না!
পারসোনালি আমি মিরাজের প্রতি খুব সহানুভূতিশীল। পিএইচডি ডিগ্রি পেতে তাকে নিশ্চয়ই অনেক গবেষণা করতে হয়েছে। কিন্তু মৌলিক গবেষণা সে কিছুই শিখেনি বলে মনে হয়। জামাতি ছাঁচের বাইরে একটা সিঙ্গেল ওয়ার্ড, একটা সিঙ্গেল আচরণও সে করতে পারে নি।
আরেকটা কথা, তাকে ব্লক করেছি বলেছে, এটাও মিথ্যাচার। এই পোস্ট দেয়ার সময়ও সে আমার ব্লগে আনব্লকড ছিলো, এখনও আছে। বেচারা!
রাশেদ বলেছেন:
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। সে মেলা পোস্ট দিয়া গেছে, আমরাও বাহবা দিয়া গেছি। কখনো বুঝতে পারি নাই সে কোন দিকে কাইত হয়ে আছে। আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে।
লাল মিয়া বলেছেন:
এই পোস্টটা স্টিকি করা হোক
রাশেদ বলেছেন:
এই লোক এখন কোথায় আছে জানেন নাকি কিছু।
ফেলুদা বলেছেন:
জামাতিগুলা ঘাসই খায়। আমার ব্লগে একটি কবিতা দিয়েছি, পড়ার আমন্ত্রন রইলো।
ফেলুদা বলেছেন:
রাশেদ বলেছেন:
বিগব্যাং বলেছেন:
মিরাজ বুকে হাত দিয়ে বলুন যে আপনি ঢাবি তে শিবিরের সঙ্গঠন সেবা-র কোনো পদে কখনো ছিলেন না...দুনিয়াটা খুব ছোটো আর আজকের দিনে কোনো তথ্যকে কোনভাবে গোপন রাখা যায় না...
মিরাজ বুকে হাত দিয়ে বলুন যে আপনি জামাতের চৌধুরী মাহামুদ হাসান ডীন থাকা অবস্থায় শিক্ষক হননি...অন্য সময়ে হয়াছেন...
গু খাবা ভাল কথা...তা বলে দুনিয়ার লোকরে বুঝাবা দই খাচ্ছি...পাব্লিকরে কি বুকাচুদা পাইছ...বেশি চালাকচুদা হইয়োনা...
ঢাবি তে শিবিরের সঙ্গঠন সেবার প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে তুমি একজন...তুমার সব খবর জায়গা থেকে বের হচ্ছে...
ব্লগ চৌধুরী মাহামুদ হাসানের অফিশ রুম না...
ব্লগ চৌধুরী মাহামুদ হাসানের অফিশ রুম না...
ব্লগ চৌধুরী মাহামুদ হাসানের অফিশ রুম না...
বিগব্যাং বলেছেন:
১৯৯৫/৯৬ এর দিকে শিবির ঢাবি তে সেবা নামে একটা “সেচ্ছাসেবী” সংগঠন দাড় করানোর চেষ্টা করে...কারজন হল মোকাররম ভবন এলাকায় এদের কাজ বেশি ছিলো...এই সেবার পুরোভাগে ছিলো মিরাজ...তার বিনয়ী ব্যবহার, মিষ্টি কথায় প্রথম দিকে বেশ অনেকে এতে যোগ দেয়...পরে যখন এদের শিবির সংশ্লিষ্টতা ফাস হতে শুরু করে তখন সেবা সাধারন ছাত্রদের প্রতিরোধের মুখে পড়ে...যদিও প্রশাসনের সহায়তায় এরা দ্রুত টিএসসিতে অনেক ভালো বড় সঙ্গঠনকে টপকে বিশাল অফিস পায়...যে কেও টিএসসিতে গিয়ে সেবা সম্পরকে খোজ নিলেই এদের শিবির সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাবেন...
বিগব্যাং বলেছেন:
এবং মিরাজের সেবা সংশ্লিষ্টতারও...
নরাধম বলেছেন:
বিগব্যাং, আমি মিরাজভাইয়ের পোস্টে আপনার কমেন্ট দিয়ে উনার কাছে এর মতামত চেয়েছি। উনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং আমার কাছে উনার মতামত বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়েছে। এখন আপনি যা অভিযোগ করেছেন সেবা'র ব্যাপারে, তার প্রমাণ দেন। প্রমাণ দিতে না পারলে আমি আশা করব আপনি ক্ষমা চাইবেন।উল্লেখ্য, রাজাকারদের খেদানোতে আমাকে সবসময় সংগে পাবেন। আমার সাথে জামাতী ইসলামীর শত্রুতা দুটা পর্যায়ে। এক, স্বাধীনতা বিরোধীতা, হত্যা, ধর্ষণ অর্থাৎ ৭১'র সকল পাপের জন্য। দুই, ব্যক্তিগতভাবে আমি কিছুটা ধার্মিক এবং জামাতিরা ইসলামের সবচেয়ে বড় শত্রু বলে মনে করি।
বিগব্যাং বলেছেন:
ধন্যবাদ@নরাধম১। উনি যদি বলেন যে উনি সেবার সংগঠক ছিলেন না, তাহলে উনি দিনে দুপুরে মিথ্যা বলবেন।
ডাহা মিথ্যা।
ডাহা মিথ্যা।
ডাহা মিথ্যা।
২। যে কেও টিএসসিতে গিয়ে সেবা সম্পরকে খোজ নিলেই এদের শিবির সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাবেন... কিন্তু তা বলে আইন-সালিশ টাইপের প্রমানের কথা যদি বলেন, তা হলে তো মুশকিল...অন্তত আমি দিতে পারবো না
...এজন্য আমি ক্ষমা চাইছি।
...এজন্য আমি ক্ষমা চাইছি।
...এজন্য আমি ক্ষমা চাইছি।
(যদিও কারজন হল মোকাররম ভবন এলাকায় বেশির ভাগ ছাত্র সেবার আড়ালে শিবিরের কাজ হয় বলে জানে)
৩। ঢাবি-তে জামাতের সবচেয়ে কুখ্যাত শিক্ষক হলেন চৌধুরী মাহামুদ হাসান। তিনি শিবির-জামাত ছাড়া কখনই কাওকে চাক্রি দেন না...এটা তিনি বিসিএসআইআর এর চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়ও প্রমাণ করেছেন...
৪। কাকে কোন পদে বসানোর জন্য কিভাবে তৈরি করতে হবে তা জামাতিরা ভালোই জানে...এক্ষত্রে কিছুদিন আগের শাহানুর নামের আরেক শিবির ক্যাডার কে শিক্ষক বানানোর জন্য কি তুঘলকি কারবার ঘটানো হয়েছিলো তা স্মরণ করা যেতে পারে...
ফেলুদা বলেছেন:
সিদ্ধান্ত কি হইল?
বিগব্যাং বলেছেন:
নিজের ব্লগে মিরাজ বলেছেন, শুনুন বিগ ব্যাং আপনি আপনার মত করে স্পেকুলেটিভ মন্তব্য না করে যদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হন তাহলে একটু কষ্ট করে ফার্মেসী অনুষদে যান । ৩য়, চতুর্থ বর্ষ বা মাস্টার্সের (কারণ আমি তাদের পড়িয়েছি, ১ম ও ২য় বর্ষের ছাত্ররা হয়তো চিনবেনা কারণ আমি গত ২ বছর দেশের বাইরে) ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে কথা বলুন। বা ১৯৯৪-২০০১ পর্যন্ত যত ছাত্র ফার্মেসী বিভাগ থেকে পাশ করেছে তাদের সাথে কথা বলুন (যদি যোগাযোগ করতে পারেন) । তাহলেই জানতে পারবেন মিরাজ কে? ছাত্র জীবনে মিরাজ কি রকম ছিল? মিরাজ কিরকম শিক্ষক? তার কোন রাজনৈতিক পরিচয় আছে কিনা ইত্যাদি ইত্যাদি । আর একটা কথা মিরাজকে কেউ চাকরী দেয় নাই, মিরাজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরী করার সিদ্ধান্ত নিজে নিয়েছে এবং নিজের যোগ্যতাতে চাকুরী পেয়েছে । আপনাদের মত মানসিকতার লোকদের এখন জয়জয়কার দেখে এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের পরিবর্তে ভোটার নিয়োগ হয় ।
মিরাজ শুধু বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে সব পরীক্ষাতে শুধু প্রথমই হয় নাই, শিক্ষক নিয়োগের সময়ও সবার চাইতে বেশী জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকাশনা মিরাজের ছিল । এখন মাত্র ৭ বছরের শিক্ষকতা জীবনে (২.৫ বছর প্রাইভেট + ৪.৫ বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) মিরাজের ২৫টি গবেষণা প্রকাশনা আছে যার ৭০ ভাগ আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত ।
এইসব আলতু ফালতু কথা বলে সময় নষ্ট কইরেননা । কে কারো তৈরী করতেছে বা করছে সেইসব খবর আপনি নেন এইসব খবরে আমার বিন্দুমাত্র আগ্রহ নাই ।
আমার পুরনো ব্লগ পোষ্ট পড়ে দেইখেন, শিক্ষক রাজনীতির এইসব নোংরামীর কারনেই, বর্তমান ধারার শিক্ষক রাজনীতির বিরুদ্ধে আমার অবস্থান ।
বিগব্যাং বলেছেন:
ধন্যবাদ@নরাধম, ফেলুদা১। উনি যদি বলেন যে উনি সেবার সংগঠক ছিলেন না, তাহলে উনি দিনে দুপুরে মিথ্যা বলবেন।
ডাহা মিথ্যা।
ডাহা মিথ্যা।
ডাহা মিথ্যা।
২। যে কেও টিএসসিতে গিয়ে সেবা সম্পরকে খোজ নিলেই এদের শিবির সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাবেন... কিন্তু তা বলে আইন-সালিশ টাইপের প্রমানের কথা যদি বলেন, তা হলে তো মুশকিল...অন্তত আমি দিতে পারবো না
...এজন্য আমি ক্ষমা চাইছি।
...এজন্য আমি ক্ষমা চাইছি।
...এজন্য আমি ক্ষমা চাইছি।
রাশেদ বলেছেন:



















পেলাসানো হলো । সুশীলদের মুখোশ খুলে দাও ।