আমার প্রিয় পোস্ট

হিন্দু না ওরা মুসলিম ঐ জিজ্ঞাসে কোনজন, কান্ডারি বলো ডুবিছে মানুষ সন্তান মোর মা'র

কেন আমি একজন আস্তিক নই ? কেন আমি একজন নাস্তিক নই? - ১

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪২

শেয়ারঃ
0 3 0

সামুতে এসেছি বেশি দিন হয় নাই। লিখেছিও খুব বেশি না। বাসা এবং অফিস মিলিয়ে দিনের একটা বড় সময় কম্পিউটারের সামনে কাটাই বলে প্রতিদিনই কিছু না কিছু মন্তব্য করছি। আজকাল লেখালেখির জন্য ভাষা, সংস্কৃতি, হেজিমনি, ক্ষমতা এইসব আমার পছন্দের জিনিস। পারতপক্ষে ধর্ম নিয়া, আস্তিকতা নাস্তিকতা নিয়া একেবারে বাধ্য না হলে তর্কে জড়াই না এখন। একসময় ভালোই জড়াতাম। তারপরও বাধ্য হচ্ছি। গত কয়েকদিনের আস্তিক/নাস্তিক দন্দ্বগুলো পড়েই বাধ্য হলাম। কয়েকটা বিষয় বেশ চোখে লাগলো। পয়েন্ট আকাড়ে উল্লেখ করছি।

১। ধর্ম আর বিজ্ঞান সম্পর্কে ধারণাঃ
ধর্ম শব্দের অর্থ কি? আমরা কি সবসময় “ধর্ম” শব্দটা দিয়ে বিশেষ একটা অর্থই বোঝাই? মনে হয় না। বাংলাদেশে মুসলমান বেশি। ধর্ম বলতে বেশিরভাগ মানুষ যা বোঝে তা হচ্ছে “ইসলাম ধর্ম”। সামহোয়ারইনব্লগের আস্তিকরাও যখন ধর্ম শব্দটা উচ্চারন করেন তখন আসলে ইসলাম ধর্মের কথাই বলেন। আবার তাদের এ ইসলাম ধর্মকে তাদের পূর্ব পুরুষের ইসলাম ধর্মের সাথে মেলানো যাবে না। জাকির নায়েক’কে কোট করে এখানে যারা ইসলামের পতাকা ওড়াতে চান “ইমাম আল আশারি” অথবা “হাম্বলি”র সামনে পড়লে তাদের কারো মাথার চুল আস্ত থাকতো না। ব্রিটিশ আমলে যে ওহাবি/হাম্বলি/ফরায়েজি ধারার আগমনে বংলাদেশে মৌল সুন্নি ধারার বিকাশ, সেই মৌল সুন্নি ধারার সমর্থন করে যারা লড়াইয়ে নামেন তারা যখন জাকির নায়েকের মুরিদ হয়ে আধুনিক বিজ্ঞানে খোঁজেন কোরআন আর ইসলামের মৌলিকতা, তখন যে কত স্ববিরোধী একটা হাস্যকর অবস্থানে তারা দাঁড়িয়ে থাকেন সেটা বুঝলে হয়তো দাঁড়াতেন না। ইমাম আশারি খলিফার দরবারে দাঁড়িয়ে টুকরা টুকরা করে ছিড়ে ফেলেছিলেন গায়ের জামা, বলেছিলেন, যুক্তিবাদিতাকে আমি এইভাবে টুকরা টুকরা করে ছিড়ে ফেললাম। ইসলামে যুক্তিতর্কের কোন স্থান নাই, ইমান মানে নিঃসর্তে আত্মসমর্পণ। ইসলামের জ্ঞান বিজ্ঞান দর্শনের প্রগতিশীল ধারা হিসেবে পরিচিত খলিফা মামুনের দরবার কাঁপানো “মুতাজিলা”দের পরাজিত করে ইসলামি জ্ঞান জগতে প্রগতিশিলতার দেহে মরনঘাতি আঘাতটা আশারিই প্রথম হেনেছিলেন। আইন কানুন বিচার ব্যবস্থায় শুধুমাত্র হাদিস গ্রন্থগুলোই মেনে নিতে হবে, কঠোর ভাবে অনুসরণ করতে হবে, কোন যুক্তিতর্ক, গণতন্ত্র, ইজমা কিয়াস মানা চলবেনা, এ ইমাম হাম্বলির শিক্ষা। হাম্বলি চার সুন্নি মাজহাবের সর্বশেষ এবং সবচেয়ে কট্রোর মাজহাবের প্রতিষ্ঠাতা হাম্বলি। আশারি আর হাম্বলির ধারাতেই ওহাবি ধারার আগমন। যদিও একাডেমিকভাবে বাংলাদেশে হানাফি ধারার মুসলমানের সংখ্যা বেশি, সেই সংখ্যা কিভাবে নির্ণিত হলো খুজে পাইনি। হানাফি সবচেয়ে পুরোনো সুন্নি মাজহাব। এই মাজহাবের যখন জন্ম তখনো হাদিস গ্রন্থগুলো লেখা হয়নি। ইজমা কিয়াসের উপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে এই মাজহাব। বাস্তবে আজকাল এই মাজহাব খুজে পাওয়াই দুষ্কর। বইয়ের পাতায় যাই থাকুক, এই দেশের গ্রাম বাংলার অধিকাংশ মানুষই সুফিবাদী/আধ্যাত্মবাদী ধারার মুসলমান। শিক্ষিত আর সম্ভ্রান্তরা মূলত মৌল হাম্বলি সুন্নি ধারার, ঐভাবে জীবনযাপন করুক বা না করুক, তর্ক ঐভাবেই করে। এখন এই মৌল সুন্নি ধারার লোকেরা যখন বিজ্ঞানে তাদের বিশ্বাসের বিচার খোজে তখন তৈরি হয় একটা হাস্যকর আবহের। সামুতে এদের মধ্যে কয়েকজনকে আবার দেখেছি, যুক্তি তর্কের ধার ধারেন না, গদাম লাথি দিয়ে কারো পাছা বা কারো বিচি থেতলে দিতেই এদের ব্যাপক আগ্রহ। নাস্তিক অথবা আধ্যাত্মবাদী মুসলমান, সবার ক্ষেত্রেই এদের একই আচরণ।
ইসলাম নিয়ে এতো কথা বলার কারণ একটাই। আপনি যদি আস্তিক হন ধর্ম শব্দটা উচ্চারণ করে আপনি কি বলতে চাচ্ছেন, সেটা আগে পরিষ্কার হওয়া দরকার। এবার আমার নিজের কথায় আসি। প্রায়ই দুই ধরণের প্রশ্নের সম্মুখিন হতে হয়। একটা প্রশ্ন হচ্ছে, “ভাই আপনি কি ধর্ম মানেন/ ধর্মে বিশ্বাস করেন”। এই প্রশ্নটা বেশি করে আস্তিকরা। শুরুতেই তারা আমার অবস্থান যানতে চান। আমার অবস্থান অনুযায়ী তারা আমার কথার ওজন নির্ধারণ করতে চান। আমি যদি নাস্তিক হই, তাহলে আমার যুক্তি তর্ক তার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। আরেকটা প্রশ্ন করে নবিন নাস্তিকরা, “আমার মনে হয় ধর্ম বলতে আসলে কিছু নাই, আপনি কি বলেন”। দুইটা প্রশ্নই আমার জন্য খুব সমস্যা দায়ক। আমি এইভাবে চিন্তা করতে অভ্যস্ত না। ধর্ম হচ্ছে তাই যা আমাদের ধারণ করে, নৈতিকতা, সামাজিকতা, আইন, আইন প্রয়োগকারি সংস্থা, গুরু, ওস্তাদ, গ্রন্থ এইসব মিলিয়ে এমন একটা হেজিমনি যা আমাদের ব্যক্তিগত ‘ইগো’কে কোন একটা ‘আইডিয়াল’ দ্বারা অর্থময় করে, পরিচালিত করে। ধর্মের তাই মৃত্যু নাই, বিভিন্ন নামের ধর্মের মৃত্যু আছে, কিন্তু ধর্মের মৃত্যু নাই, মানুষ নামক ভাষাওয়ালা প্রানীর জীবনে ধর্ম তাই চরম এবং পরম সত্য। নাস্তিকেরও তাই ধর্ম আছে, যেই ধর্ম মেনে সে জীবন যাপন করে। গৌতম বুদ্ধও নাস্তিক ছিলেন। অথচ তিনি বৌদ্ধ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা। ফ্রেডেরিক নিৎসে যখন বলেছিলেন, “আল্লাহ নাই, আল্লাহ মইরা গেছে, আমরা তারে মাইরা ফালাইছি, তুমি, আমি আমরা সকলে মিলা তারে মাইরা ফালাইছি”, তখন তার কথাটা অনেকেই বোঝে নাই। ফ্রেডেরিক নিৎসে আল্লাহ বলতে এই আইডিয়ালের কথাই বলেছেন। উনবিংশ শতকেই আমাদের ব্যাক্তিক আর সামাজিক জীবনে আইডিয়ালের বাধন ছেড়া ইগোর ইতরামি যেভাবে বাড়তে শুরু করে তিনি সেটা মানতে পারেন নাই। নিৎসে অবশ্য জানতেন, এক আল্লাহ মরলে আরেক আল্লাহ দাঁড়ায়, এক ধর্ম মারা গেলে আরেক ধর্ম আসে, তবে বিংশ শতকের ধর্ম আর আল্লাহ কি হবে এইটা নিয়া মাথা ঘামাইত ঘামাইতে তিনি পাগল হয়েছেন। বিংশ শতাব্দি পার হয়ে একবিংশ শতকের ধর্ম এখন পর্যন্ত “পুজি”, অথবা ব্যাক্তিক “ইগো”। প্রশ্ন উঠতে পারে, কিভাবে। আমাদের এলাকার প্রাক্তন এমপি “দৌড় সালাউদ্দিন” এবং বর্তমান এমপি “জোকার হাবিবুর রহমান মোল্লাহ” দুই জনেই আলহাজ্জ, দুইজনেরই দাড়ি আছে, দুইজনেই সময় আসলে প্রয়োজন মতো নামাজ পড়ে, এলাকার সবগুলা ওয়াজ মাহফিলের দাওয়াত কবুল করে, আবার একজনে ডাইল খায় দিনে দুই বা ততোধিক তো আরেকজনে একদা আরেক ব্যাটার বঊ ভাগাইছে, চাঁদাবাজি করে দুইজনেই, সন্ত্রাসী পোষেও দুইজনেই। ওনাদের আল্লাহ কে? ওনাদের ধর্ম কি? আমাদের এলাকার মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা, এলাকার সনামধন্য সম্ভ্রান্ত হাজি সাহেবের ধর্ম কি, যিনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন, আবার মসজিদের ইমাম নিজের খেয়াল খুসি মতো পরিবর্তন করেন, জনপ্রিয় ইমাম হইলে নারি বিষয়ক কুৎসা রটিয়ে কলংকিত করেন, আবার নিজের ৩৫ বছরের বিয়া করা বউ শান্তিতে মরারও সময় পায় না, মরতে মরতে কাজের বেটিরে বিয়া করার অনুমতি দিতে হয়, সেই বিয়া হয় এক সপ্তাহের মাথায়। ওনার ধর্ম কি? ওনার আল্লাহ কে? এদের সবার আল্লাহ ক্ষমতা, এদের ধর্ম “পুজি”, ব্যাক্তিক “ইগো”। ক্ষমতা যা ডিমান্ড করে তা করাই এদের নৈতিকতা। এইবার যারা নিজেদের আস্তিক ভাবেন, তারা একটু ভালো মতো চিন্তা করেন, আপনি যখন নিজেকে আস্তিক বা মুসলমান বলেন তখন আপনি আসলে কি বলেন। এই ব্লগে নাস্তিকদের মুন্ডুপাত করা বেশিরভাগ ব্লগারই ব্যাক্তি জীবনে উপরে উল্লেখিত মৌল সুন্নি, হানাফি সুন্নি, আধ্যাত্মবাদি মুসলমান এসবের কোনটাই নন, এই আদর্শবাদে আপনি জীবন চালান না। আপনি যখন নিজেকে মুসলমান দাবী করেন তখন বিশেষ কিছু সুবিধা নেয়ার জন্য দাবীটা করেন। অনেকেই এখানে যেভাবে কোরআন হাদিসের অন্ধ ভক্ত হিসেবে নিজেকে দাবী করেন, তারা কয়জন এই দেশের সংবিধান অস্বিকার করে তালেবানদের মতো লড়াইয়ের ময়দানে নামতে পারবেন। প্রকৃত মুসলমান হতে গিয়ে কয়জন পারবেন আধুনিক পুজিবাদী বিলাস বেসনের সুবিধাটুকু ছাড়তে। আপনারা বেশিরভাগই সুবিধা নিতে কখন মুসলমান, আবার কখন একজন অত্যাধুনিক যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলা মানুষ। আপনার ধর্ম ইসলাম নয়, আপনার ধর্ম পুজি/ইগো। এই ব্লগের আস্তিকদের একটা বড় অংশই কখন প্রয়োজন মাফিক যুক্তির আবার কখন বিশ্বাসের আবার কখন সমর্থন আর গালাগালির আশ্রয় নেন, এটা ধর্মহীনতার প্রমান। নাস্তিকদের অবশ্য দেখা যায়, তারা প্রায় সবসময় একটা অবস্থানে থেকেই লড়াইটা চালান। সে হিসাবে এ ব্লগের আস্তিকরা অপেক্ষাকৃত বেশি নাস্তিক আর নাস্তিকরা অপেক্ষাকৃত বেশি আস্তিক। ব্যাতিক্রম অবশ্যই আছে। তারা এ হিসাবের বাইরে। নাস্তিক ব্লগারদেরও দেখেছি অনেক ক্ষেত্রে গায়ের জোরে বা জ্ঞান গোরিমায় অন্ধ হতে, আস্তিকদের হাস্যস্পদ করতে।

এবার আসি বিজ্ঞানের কথায়। “ বিশ্বাসই যেখানে ইসলাম/ খৃষ্টান/ ইহুদি এ জাতীয় ধর্মগুলোর মূল খুটি, সেখানে গত প্রায় এক শতক ধরে এই ধর্মগুলোকে বিজ্ঞানময় বলে যাহির করতে যুদ্ধে নামার কারণ কি? কারণ আর কিছু না, ধর্ম একটা নানান রুপের নানান ধারার ক্রম পরিবর্তনশীল বিষয় হওয়া সত্ত্বেও আধুনিক যুগে এসে আমরা “ধর্ম” শব্দটাকে যেমন একটা বিশেষ বিমূর্ত ব্যাঞ্জনা দিয়েছি বিজ্ঞানের ক্ষেত্রেও সেই একই ঘটনা ঘটেছে। ইউরোপিয়রা এই শব্দটাকে একটা আগ্রাসি হেজিমোনিক রুপ দিয়েছে। শিল্প বিপ্লবের পর একটা শ্রেনী এই “বিজ্ঞান” নামক জিনিসটাকে নিজেদের সম্পত্তি বলে দাবি করে এর সিড়ি বেয়ে ক্ষমতার উচ্চ শিখরে নিয়ে গেছে। অন্যদিকে “বিজ্ঞান” নামক কোন একটা কিছুর কাছে নিজেদের অস্তিত্ব সংকটে পড়ে যাওয়ার পর শুরুতে “একটা শ্রেনী” চেষ্টা করেছে এই “বিজ্ঞান” নামক অচেনা অজানা বস্তুটার বিরোধীতা করতে, তা সম্ভব হইনি, ক্ষমতা হাড়ানোও তাদের বন্ধ হয়নি, এখন তারা শুরু করেছেন এই বস্তুটাকে নিজেদের সম্পত্তি বলে দাবি করা। কিভাবে তা দাবি করা যায়, একমাত্র উপায় নিজেদের ধর্ম গ্রন্থে এই বিশেষ বস্তুটাকে খুজে বের করা। কাজটা প্রথমে করেছে ইহুদিরা, তারপর খৃষ্টানরা, তারপর মুসলমানরা, এখন হিন্দুরাও শুরু করেছে। কিন্তু এই বিজ্ঞান জিনিসটা কি? এটাতো বোঝা গেলো না। এটা কি কোন আদর্শ, কোন ধর্ম না কি কোন পদ্ধতি? এটা না জেনে যখন আমরা তর্কে নামি বিজ্ঞান বড় না কি ধর্ম তখন তা আসলে একটা অর্থহীন বিতর্ক ছাড়া আর কিছুই হয় না। (চলবে)

 

সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৭
জ্যাক স্প্যারো বলেছেন: এ বিষয় আর কতো.... ওহ্‌ দেখতে দেখতে ক্লান্ত....
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০০

লেখক বলেছেন: না পড়েই ক্লান্ত হলেন, মন্তব্য করায় তো কোন ক্লান্তি নাই।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৩. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৩
হা...হা...হা... বলেছেন: আপনার লেখা পড়ার আগেই হেডলাইন দেখে কমেন্ট করছি।

আপনি আস্তিক না কারণ আপনি ধর্ম সর্ম্পকে উদাসীন।

আপনি নাস্তিক না কারণ নাস্তিকতার কোন ভিত্তি নাই।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৪

লেখক বলেছেন: লেখা পড়েন নি বলেই আপনার মন্তব্য উদাসীন এবং ভিত্তিহীন

৪. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৯
রাজিব খান০০৭ বলেছেন: ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৪ লেখক বলেছেন: লেখা পড়েন নি বলেই আপনার মন্তব্য উদাসীন এবং ভিত্তিহীন
:P
৫. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১২
জ্যাক স্প্যারো বলেছেন: ভাই পারভেজ এ কমেন্ট যে হতাশার বহিঃপ্রকাশ.... আমার কমেন্টে কোনো পক্ষের পক্ষপাতিত্ব প্রকাশ পায় নি। হতাশার প্রকাশ ঘটাতেই এ কমেন্ট।
৬. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২৫
হোরাস্‌ বলেছেন: অনেক চিন্তা ভাবনা করে গুছিয়ে লিখেছেন। কিছু কিছু জায়গায় একমত নই তবে, লিখেছেন খুব ভালো। পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম। +
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। পরের পর্ব তৈরি করছি। আপনার দ্বিমতের যায়গা গুলো উল্লেখ করলে ভালো হতো। গঠন মূলক সমালোচনা, তর্ক বিতর্ক না থাকলে এধরণের আলোচনা জমে না, ফলপ্রসুও হয় না।

৭. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩১
লড়াকু বলেছেন: এক টানে পড়লাম, চমৎকার লেখা।
৮. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৫
সাহেদ সাকিব বলেছেন: কেন আমি একজন আস্তিক নই ? কেন আমি একজন নাস্তিক নই? তাহলে আপনি কি ? আপনি আস্তিক না
নাস্তিক কোনটি ?
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৬

লেখক বলেছেন: টাইটেল যখন দিয়েছি, আমি কি, তা ব্যখ্যা তো করতেই হবে। পর্ব আকারে লিখছি যেহেতু ধৈর্য্য ধরে বাকি পর্বগুলো পড়লে অবশ্যই আপনার উত্তর পাবেন।

৯. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৭
আলেয়া বলেছেন: শিরোনাম অনুযায়ী আপনি আস্তিকও না আবার নাস্তিকও না। আপনি যেহেতু আস্তিকনন সেহেতু সৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বাস করেন না, আবার যেহেতু নাস্তিকও নন তারমানে সৃষ্টিকর্তাকে অবিশ্বাসও করেন না।

তাহলে আপনি কি?
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৪

লেখক বলেছেন: আপনি কি স্ট্রিং তত্ত্বে বিশ্বাস করেন? এই তত্ত্বে বিশ্বাস করে বা না করেও, একেবারে এই তত্ত্ব সম্বন্ধে অজ্ঞ থেকেও কিন্ত আপনি মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকতে পারেন। আস্তিক অথবা নাস্তিক শব্দের পরিচয়ে পরিচিত না হয়েও কিন্তু আমি মানুষ হতে পারি। আস্তিক মানেই ধার্মিক না, আর নাস্তিক মানেই ধর্মহীন না এ কথাটাই আমি প্রথম পর্বে বলার চেষ্টা করেছি। ধৈর্য্য ধরে পড়লে অবশ্যই বুঝতেন। তবে ভাষার জগতে নৈতিকতার কোন একটা মানদণ্ডকে আমার নিজের সাথে যেহেতু জড়াতে হচ্ছেই, তাই আমি কি তার একটা ব্যখ্যা তো অবশ্যই করছি, পুরো লেখাটা আগে শেষ করি। ছোট বেলায় নাম নিয়েছি নিজের অস্তিত্ব প্রমানের জন্য, তার পর ধর্ম, তার সার্টিফিকেট, তার পর রাজনৈতিক বিশ্বাস, আরো কতো কি। নিজের পরিচয়ের এইসব মানদন্ডও কিন্তু পালটায়। কবে দেখবেন, আস্তিক নাস্তিক মানদন্ডই আর নেই।

১০. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৯
পন্ডিত বলেছেন: আমি একজন মানুষ
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২৪

লেখক বলেছেন: ঠিক। এটাও কিন্তু একটা পরিচয় হতে পারে।

১১. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২১
বন্ধনহীন বলেছেন: আপনার ভাবনাগুলো ভালো লেগেছে।
আমাদের (বাংলাদেশের) "আগের ইসলাম" আর পরবর্তীতে আমাদের ইসলামের উপর "ওহাবি-হাম্বলি-ফরায়েজি ইসলামের" প্রভাব নিয়ে আরেকটু আলোচনা করলে অনেক পাঠকের সুবিধা হতো। আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, ব্লগপাঠকের অনেকেই এ ব্যপারে সম্পুর্ন অন্ধকারে আছে। এমন অনেকেই দেখেছি, যারা মনে করে, আগের ইসলামটা ছিল ভুল ইসলাম (অথবা উল্টোটা)। অবশ্য ইসলাম (ধর্ম) কি - এটাও একেকজনের কাছে একেকরকম।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২৩

লেখক বলেছেন: বাংলাদেশে ইসলামের আগমন, বিকাশ, বিবর্তন নিয়ে অন্য কোন পোস্ট করা যেতে পারে। এই পোস্টে ঐ আলোচনা বেশি করতে পারছিনা।

১২. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৭
ইচ্ছাময়ী বলেছেন: চমৎকার গোছালো লিখা...।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৩. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৪৯
সাহেদ সাকিব বলেছেন: নামেতো মনে হয় আস্তিক ,লিখায়তো মনে হয় নাস্তিক .
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৯

লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: ভাই, কিছু মনে করবেন না। এই ধরণের নিন্ম রুচির, নিন্ম বুদ্ধি সম্পন্ন আজাইরা মন্তব্য না করলে হয় না। আপনার ছবি দেখেতো আপনাকে কোন বাচ্চা ছেলে মনে হয় না। আরবী নাম আস্তিক্যের পরিচায়ক, এই ধরণের ধারণা নিয়ে উলটা পালটা মন্তব্য করে নিজেরে ছোট করা থেকে বিরত থাকুন। লেখা পড়ে নাস্তিক আপনি বুঝে ফেলেছেন, ভালো। আমার তো মনে হয় না আমার লেখাটা ভালো মতো পড়ার ধৈর্য্য আপনার আছে।
একটা ছোট্য ভুল আছে, পারভেজ নামটা আরবী না। এইটা ফারসি শব্দ। পারস্য ইসলামের অধিনে আসার আগে পারস্যের এক পৌত্তলিক সম্রাটের নাম ছিলো পারভেজ।

১৪. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৮
_মানুষ_ বলেছেন: ধর্ম বলতে আসলে কী বোঝাচ্ছেন, সেটা বোঝা গেল না। ধর্মে বিশ্বাস মানেই তো আর নাস্তিকতা না; এ্যাগনোস্টিসিজ্‌ম বা ডেইজ্‌মের মত কতক বিশ্বাসও আছে। বোধহয় লেখার অর্থই ধরতে পারি নি, তবুও ভালো লেগেছে।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০১

লেখক বলেছেন: আপনি বোধহয় বলতে চেয়েছেন, ধর্মে অবিশ্বাস মানেই তো নাস্তিকতা না। ঠিক, এ্যাগনোস্টিসিজ্‌ম বা দিইজ্‌মের অনুসারিও কেউ হতে পারে। তবে আমি আসলে যা বলতে চেয়েছি, তা হচ্ছে আস্তিকতা/নাস্তিকতা/অজ্ঞেয়বাদ(এ্যাগনোস্টিসিজ্‌ম) এইসবের সাথে সম্পর্ক না রেখেই ধর্ম টিকে থাকতে পারে। আস্তিকতা/নাস্তিকতা/অজ্ঞেয়বাদ বিশ্বজগত সম্বন্ধে আমাদের ধারণার সাথে সম্পর্কযুক্ত, সেই হিসাবে এসব আমাদের ধর্মের সাথে যুক্ত। কিন্তু এসবই ধর্মের মূল নিয়ামক নয়।

১৫. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:০১
হাসিব মীর বলেছেন: ভাল লিখেছেন। সামনে আলোচনার আশা রাখি।
১৬. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:০৫
হাসিব মীর বলেছেন: 'ধর্ম হচ্ছে তাই যা আমাদের ধারণ করে, নৈতিকতা, সামাজিকতা, আইন, আইন প্রয়োগকারি সংস্থা, গুরু, ওস্তাদ, গ্রন্থ এইসব মিলিয়ে এমন একটা হেজিমনি যা আমাদের ব্যক্তিগত ‘ইগো’কে কোন একটা ‘আইডিয়াল’ দ্বারা অর্থময় করে, পরিচালিত করে।'

ধর্মের এই সংজ্ঞার সাথে সেকুলারিজমকে মিলাবেন কিভাবে বা জাস্টিফাই করবেন কিভাবে?
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৯

লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: ধর্মের এই সংজ্ঞার সাথে সেকুলারিজম মেলানোর ব্যাপারটা ঠিক বুঝতে পারলাম না। সেকুলারিজমওতো দিন শেষে একটা ধর্মই। ধরা যাক, 'ক' একজন সেকুলারিস্ট ব্যক্তি, তিনি রাষ্ট্র পরিচালনার সাথে প্রচলিত মুসলিম, হিন্দু, খৃষ্টান, বৌদ্ধ এইসব ধর্মের প্রতিষ্ঠিত নীতি নৈতিকতার সম্পর্ক রাখতে চান না। তিনি মনে করেন, রাষ্ট্র কোরআন, হাদিস, বেদ, বাইবেল থেকে নেয়া আইন ও নীতি নৈতিকতা দিয়ে তার দেশ চলবেনা, দেশ চলবে তার জমানার জ্ঞানি গুনি এক বা একাধিক দার্শনিকের তত্ত্ব, দেশের জ্ঞানি গুনিদের লেখা সংবিধান, আইন দ্বারা। তার নিজের জীবনেও তিনি এইসব ব্যক্তিকে রাখবেন উচ্চতর শ্রদ্ধার যায়গায় (কেউ কেউ আবার নবী রাসুলের মতো অন্ধ অনুকরণও করতে পারেন), তিনি এইসব নীতি নৈতিকতা দ্বারা তার জীবন পরিচালিত করবেন, এইসব নৈতিকতা প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াইয়ে নামবেন, সব মিলিয়ে তিনি কিন্তু ধর্মহীন নন। একজন সেকুলার ব্যক্তি অথবা একজন মুসলিম ব্যক্তি যখন সুবিধামতো কখনো তার আদর্শিক দর্শন আবার কখনো অন্য কোন দর্শনের সমর্থন করেন, তখনই ধার্মিক হিসেবে তার অবস্থান নড়বড়ে হয়। আমাদের সমাজের বেশিরভাগ মুসলমানই কখন ইসলামি আবার কখন সেকুলার আইনের নিচে আস্রয় নেয়। একটু গভির ভাবে চিন্তা করলে তার ধর্মের ব্যপারে সে নিজেই অনিশ্চয়তায় পরে যাবে। মার্ক্সবাদীরা রাগ করতে পারেন, কিন্তু দিন শেষে মার্ক্সবাদও কিন্তু একটা ধর্ম, যে ধর্মের নাম বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র, মার্ক্স সে ধর্মের নবী, দ্বান্দিক বস্তুবাদ এ ধর্মের কালেমা, "পুজি" আর "কমিউনিস্ট মেনিফেষ্টো" এ ধর্মের ধর্মগ্রন্থ, শ্রমিক শ্রেনীর দৃষ্টিভঙ্গি এ ধর্মের পাপ-পূন্য/ নীতি নৈতিকতার মানদন্ড, শ্রেনী সংগ্রাম এ ধর্মের জিহাদ আর শ্রেনী শত্রু হচ্ছে কাফের, প্রতি বিপ্লবীরা মুনাফেক। মৌলবাদি মুসলমানের মতো মৌলবাদি মার্ক্সিস্টও আছেন। আমি কিন্তু অবশ্যই ১৪০০ বছর আগের ইসলামের সাথে মার্ক্সবাদের তুলনা করছিনা, দুইটার কালখন্ড আর জ্ঞানতাত্মিক বৈশিষ্টে ১৪০০ বছরের ব্যবধান। 'ধর্ম হচ্ছে তাই যা আমাদের ধারণ করে, নৈতিকতা, সামাজিকতা, আইন, আইন প্রয়োগকারি সংস্থা, গুরু, ওস্তাদ, গ্রন্থ এইসব মিলিয়ে এমন একটা হেজিমনি যা আমাদের ব্যক্তিগত ‘ইগো’কে কোন একটা ‘আইডিয়াল’ দ্বারা অর্থময় করে, পরিচালিত করে।' এইভাবে দেখুন, এই খানেই মিল। একজন মুসলমান ধার্মিক যেমন মনে করেন, বর্তমান সময়ে ধর্মহীনতাই সবচেয়ে বড় সমস্যা, আমিও তেমন মনে করি। আগেই বলেছি, বর্তমান সময়ে আমাদের সমাজের বেশিরভাগেরই জীবনবোধ এখন আর কোন নৈতিক আদর্শ নয়, বরং "ইগো" আর আমাদের ধর্ম পুজির ধর্ম হয়ে গেছে।

১৭. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৫
হাসিব মীর বলেছেন: বেশ । এখন যদি গ্রহন বর্জনের প্রসংগ আসে, আপনি টাকা কে ঈশ্বর মেনে পুজিবাদী ধর্ম মানবেন, বস্তুবাদকে কালেমা মেনে স্মাজতন্ত্রে ঈমান আনবেন না কি পলিটিকাল ঈস্লামের খোদার মাজেজা বুঝতে চাইবেন, তাহলে গ্রহন বর্জনের মানদন্ড কি হবে ? কিসের ভিত্তিতে আমি কাউকে বাতিল করব আর কাউকে গ্র্যহন করব বা আমি যদি কাউকেই গ্রহন না করে নিজের মত থাকতে চাই সেইটাই বা কোন কারনে ?
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৮

লেখক বলেছেন: আপনি মনে হয় আমার কথাটা ঠিক বুঝতে পারেন নি। আপনার আদর্শই কিন্তু বলে দেয় আপনি কি গ্রহণ করবেন আর কি বর্জন করবেন। প্রত্যেক আদর্শবাদী দর্শনেরই নৈতিকতার একটা মানদন্ড থাকে, যে মানদন্ড অনুযায়ী আপনি গ্রহন বা বর্জন করবেন। আমি কিন্তু আমার আদর্শের কথা এখনো ব্যখ্যা করি নাই। তবে বর্তমান সমাজের বেশিরভাগ লোকের ইগোই কোন বিশেষ আদর্শ দিয়ে এখন আর নিয়ন্ত্রিত নয় বলে সে গ্রহন বর্জনের ক্ষেত্রে সুবিধাবাদী অবস্থান নেয়।

১৮. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৩৭
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: শুভ জন্মদিন।কেক কই?
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:২০

লেখক বলেছেন: কেক তো যায়গা মতো। আপনে কই। যাইহোক, ধন্যবাদ।

১৯. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৬
হাসিব মীর বলেছেন: আমি যদি যুক্তিবাদী মানুষ হই তাহলে আমি কিন্তু আমার আদর্শকেও বিচার করব সেইটা থিক আছে কিনা। অন্য আদর্শকে তুলনামুলক বিচার করব, প্রয়জনে আদর্শ পরিবর্তন করব। মানুষ ধর্মান্ত্রিত হয় না? এই গ্রহন বর্জনের মান্দন্ড কি আপনার কাছে।
এই আলোচনাটা প্রাসঙ্গিক এই কারনে যে এইটা ঠিক থাকলে বাকি গুল বুঝতে সহজ হবে।
২০. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৫
পারভেজ আলম বলেছেন: আমি ভেবেছিলাম আপনার প্রশ্ন আমি বুঝেছি, আপনার প্রশ্নের আগের উত্তরটা ঐভাবেই দিয়েছি। কিন্তু আমার মনে হচ্ছে, আমি আপনার প্রশ্নটা ঠিক বুঝতে পারছিনা। আরেকটু কি বুঝিয়ে বলা যায়?

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৬২৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
এককোষী জীবটা আবির্ভুত হওয়ার পর চিন্তা করলো "Cogito ergo sum"
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই