আমার প্রিয় পোস্ট

হিন্দু না ওরা মুসলিম ঐ জিজ্ঞাসে কোনজন, কান্ডারি বলো ডুবিছে মানুষ সন্তান মোর মা'র

মুসলমানের দর্শন ও বিজ্ঞান তথা মুক্তবুদ্ধি চর্চা (পর্ব-১)

০৬ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৩

শেয়ারঃ
0 0 0

ভূমিকাঃ
গোটা ইউরোপ যখন ডুবে ছিলো অন্ধকার আর অজ্ঞানতায় তখন গ্রিক-রোমানদের যোগ্য উত্তরসুরী হিসাবে জ্ঞান বিজ্ঞান চর্চার জগতে যুগান্তকারী ভূমিকা রেখে গেছে আরবের মুসলিম সভ্যতা। মোটামুটি ৭০০খ্রিঃ থেকে ১৪০০ খ্রিঃ পর্যন্ত সময়কালটায় বহু বিজ্ঞানী, দার্শনিক এবং সংগঠন এই জ্ঞান চর্চায় নেতৃত্ব দেন। মুক্তচিন্তা আর যুক্তিবাদই ছিলো আরব বিশ্বের এইসব মহান চিন্তাবীদের জ্ঞান চর্চার মূল খুঁটি। মৌলবাদ আর রক্ষনশীলতার সাথে বরাবরই ছিলো তাদের বিরোধ। অথচ আজকের দিনে বহু মৌলবাদী আর রক্ষনশীল গোষ্টি এইসব মহান চিন্তাবীদের নাম ভাঙিয়ে তাদের নিজস্ব মতবাদ প্রচার করতে চায়। মুক্তমনা আর যুক্তিবাদী এমন বহু চিন্তাবীদকে আজকের অনেক প্রাচীনপন্থি আর মৌলবাদী ব্যাক্তি আর সংগঠন দাবি করে নিজেদের সমগোত্রীয় মানুষ হিসাবে, যা রিতিমত অবমাননাকর।

এই ধরণের দাবির জবাব দিতে গিয়েই একবার একটা তালিকা করতে বসেছিলাম। লাঞ্চিত, অত্যাচারিত এবং কাফির, মুরতাদ এহেন নানা অভিধায় ভূষিত মুসলিম চিন্তাবীদ, দার্শনিক, বিজ্ঞানিদের তালিকা। তালিকা করতে গিয়ে একটা ঝামেলা বেধে গেলো। নামকরা যত মুসলিম বিজ্ঞানী আর দার্শনিক রয়েছেন তাদের মধ্যে কাকে কাকে তালিকার বাইরে রাখা যায় তা নিয়েই বিপদে পরতে হলো। অবস্থা এমন যে অন্তত কাফির, মুরতাদ ঘোষিত হয়েছেন এমন তালিকা তৈরি করার বদলে কে কে ঘোষিত হন নাই তার তলিকা করার প্রয়োজন দেখা দিলো। ইসলামের ইতিহাসে মুক্তচিন্তার সাথে রক্ষনশীলতার এই সংঘর্ষ সেই ইসলামের একেবারে প্রারম্ভিক যুগ থেকে। এখানে আমি মোটামুটি একটা ধারাবাহিক ইতিহাস বর্ণনা করতে চাচ্ছি, কাদরিয়া আন্দোলন থেকে শুরু করে ইসলামি সভ্যতার স্বর্ণযুগের সর্বশেষ মহান চিন্তাবীদ ইবনে খালদুন পর্যন্ত।
পটভূমিঃ মোহাম্মদ পরবর্তি ইসলাম
ইসলামি সভ্যতায় মুক্তবুদ্ধি চর্চার যে ইতিহাস তার প্রাথমিক বিকাশ মোহাম্মদ পরবর্তি বহুধাবিভক্ত এবং অস্থির একটা সময়ে, একেবারে ইসলামি আন্দোলনের ভেতর থেকেই। আর পরবর্তি পর্যায়ে গ্রিক, রোমান আর ভারতিয় জ্ঞান বিজ্ঞানের সংস্পর্শে তা আরো বেগবান হয়ে ওঠে। ইসলামের নবি হজরত মোহাম্মদ (স) এর মৃত্যু ঘটে ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দে। তার মৃত্যুর পর থেকেই খলিফা নির্বাচন কেন্দ্র করে রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় নেতৃত্বের প্রশ্নে বিভেদ দেখা দেয়। সেই সাথে আইন, শরিয়ত ও ধর্মতত্ত্ব বিষয়ে নানা বিরোধীতার সূত্রপাত হয়। সুন্নি মুসলমানরা এখন যেমন কোরআনএর পরই হাদিসকে জ্ঞান আর আইনের মূল উৎস হিসবে গ্রহণ করে তখনো সেই চর্চা শুরু হয় নাই। হাদিসগ্রন্থগুলো লিখিত হয় মোহাম্মদের মৃত্যুর ১৫০/২০০ বছর পর। ছহিহ সিত্তা স্বিকৃত ৬ টি হাদিসের পুস্তককে ইসলামী আইনের উৎস হিসেবে প্রচার শুরু হয় মোহাম্মদের মৃত্যুর ২৩০ বছর পর, প্রতিষ্ঠা পেতে সময় নেয় আরো বহু বছর। এ সময়ের মধ্যে ইসলামি জগতে জন্ম নেয় বহু মতাদর্শ, জন্ম নেয় বহু মাজহাব আর ধর্মতাত্ত্বিক গোষ্টি। ইসলাম বলতে এখন আমরা যা বুঝি তার তখনো সৃষ্টিই হয় নাই। সুন্নি মাজহাবগুলোর মধ্যে সবচেয়ে পুরোন মাজহাব হানাফি মাজহাব। এই মাজহাব মূলত ব্যক্তিগত বিচার বুদ্ধি, যুক্তি-তর্ক, ঐক্যমত তথা ইজমা কিয়াসের মাধ্যমে আইন প্রয়োগ এবং ধর্মিয় সমাধানের পক্ষে ছিলো, ছহিহ সিত্তা নামক আইনখন্ড তখনো প্রতিষ্ঠা পায় নাই, কঠোর হাদিসপন্থি হাম্বলি মাজহাবের আগমন তখনো হয় নাই। আলী আর মুয়াবিয়ার বিরোধের সময় খলিফা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আবির্ভাব ঘটে খারিজি সম্প্রদায়ের। খারিজিরা মনে করতো আল্লাহর স্বিদ্ধান্ত সমাজের সকলের উপস্থিতিতে স্বাধীন গণতন্ত্রের মাধ্যমে জানা যায়। খলিফা নির্বাচনে খারিজিরা তাই গণতন্ত্রের পক্ষে ছিলো, তারা মনে করতো যোগ্যতা থাকলে একজন গোলামও খলিফা হতে পারে। মূলত কঠোর ধর্মনিষ্টার অনুসারী খারিজিদেরকে প্রথম থেকেই সুন্নি আর সিয়ারা ধর্মত্যাগী হিসাবে আখ্যায়িত করে আসছে। খারিজি শব্দটাকে এখন নেতিবাচক অর্থেই ব্যবহার করা হয়। আজারিদাহ নামক সম্প্রদায়ের মুসলমানরা মনে করতো কোন শিশুকে ইসলাম ধর্মে দিক্ষিত করা উচিত না, সাবালক হলেই শুধুমাত্র তাকে ইসলামের দাওয়াত দেয়া উচিত। মুসলমানদের একটা বড় অংশই ছিলো অক্ষরবাদী, অর্থাৎ কোরআনকে শাব্দিক অর্থ গ্রহণে পক্ষপাতি ছিলো, এদের অনেকেই আল্লাহর শরীর, হাত, পা, মুখ ইত্যাদি আছে বলে বিশ্বাস করতো, এদের মধ্যে হিশাম বিন আল-হাকাম এবং আবদুল্লাহ বিন কাররাম এবং তাদের অনুসারিরা উল্লেখযোগ্য। সালাফি এবং ওয়াহাবিরা পরবর্তিতে এই বিশ্বাস ধরে রাখে। কিছু গোষ্টি আবার কোরআনের আয়াতের রুপক অর্থে গ্রহনের পক্ষপাতি ছিলো। আমি যে সময় থেকে আলোচনা শুরু করবো সেই সময়টা ছিলো উমায়ইয়া খলিফাদের শাসনামলের শুরুর সময়। রাজনৈতিক ভাবেও সময়টা ছিলো উত্যপ্ত।
কাদরিয়া সম্প্রদায়ঃ
ইসলামে চিন্তাজগতে মুক্তচিন্তার পক্ষের আন্দোলনের ইতিহাস শুরু করতে চাই কাদরিয়া সম্প্রদায়ের আবির্ভাবের সময় থেকে। সময়টা ছিলো উমাইয়া শাসনামলের প্রারম্ভিক সময়। কাদরিয়া সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটে উমাইয়া সম্প্রদায়ের সপক্ষের ধর্মতাত্ত্বিক বুদ্ধিজীবি শ্রেনী জাবরিয়া সম্প্রদায়ের বিরোধীতার মাধ্যমে। উমাইয়া খলিফারা তাদের শাসনের শুরুর দিকে চরম স্বৈরতান্ত্রিক আগ্রাসনের রাজত্ব কায়েম করে। রাষ্ট্রিয় অত্যাচার আর সন্ত্রাস সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌছে এসময়। চলে একের পর রাজনৈতিক হত্যাকান্ড, হত্যাযজ্ঞ। নিজেদের অন্যায় অত্যাচারকে বৈধ করার প্রয়াস পায় উমাইয়ারা জাবরিয়া মতাদর্শের মধ্যে। তৎকালিন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধর্মতাত্ত্বিক সম্প্রদায় জাবরিয়ারা অলঙ্ঘনিয় ভাগ্য (তকদির)এ বিশ্বাস করতো। তারা বিশ্বাস করতো যা কিছু ঘটে সবই ঘটে আল্লাহর ইচ্ছায়। এমনকি যেকোন অন্যায় অত্যাচার যুদ্ধ বিগ্রহ এসবও ঘটে আল্লাহর ইচ্ছায়। মানুষের কোন স্বাধীনইচ্ছা নেই, থাকতে পারে না। আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া এ জগতে কিছুই ঘটেনা। এর পক্ষে তারা কোরআনের বিভিন্ন আয়াত প্রমান হিসাবে হাজির করে। জাবরিয়াদের এই মতেরই প্রতিদ্ধনী হিসাবে উমাইয়ারা দাবি করতো তারা কোন অন্যায় করে না, কেননা তারা যা করে সব আল্লাহর ইচ্ছায়ই করে, আল্লাহ না চাইলে তারা কোন হত্যাকান্ড ঘটাতে পারতোনা। জাবরিয়ারাও এই মতের সমর্থন করতো।
জাবরিয়া সম্প্রদায় আর উমাইয়াদের এই মতাদর্শের বিরুদ্ধে লড়াই ঘোষনা করে আবির্ভাব ঘটে কাদরিয়া সম্প্রদায়ের। কাদরিয়ারা মনে করতো, মানুষ স্বাধীন ইচ্ছার অধিকারী এবং ভালো-মন্দ, ঠিক-বেঠিক নির্ধারণের ক্ষমতা রাখে। তাই নিজের অন্যায়ের দায় কেউ আল্লাহর ইচ্ছার ওপর চাপাতে পারেনা। কোরআনের বিভিন্ন আয়াতের উল্লেখ করে তারা মানুষের স্বাধীন ইচ্ছার পক্ষে প্রমান হাজির করে। এ মতের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মাবাদ আল জুহানি (মৃঃ ৬৯৯)। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের মধ্যে ছিলেন গাইলান আল দিমেস্কি (মৃঃ ৭৪৩), ওয়াসিল বিন আতা (মৃঃ ৭৪৮, ইউসুফ আল আসয়ারি, আমর বিন ওবাইদ (ম্রিঃ ৭৬২) এবং বিখ্যাত দরবেশ হাসান আল-বসরি (মৃঃ ৭২৮)। স্বাধীঞ্চেতা ও মুক্তবিদ্ধিসম্পন্ন মানুষ হিসাবে কাদরিয়ারা উমাইয়া খলিফাদের কাছে তাদের অন্যায় ও নির্যাতনের জবাবদিহিতা চায়। কাদরিয়াদের মতবাদ উমাইয়া খলিফাদের সরাসরি বিপক্ষে যাওয়ায় উমাইয়া শাসকরা কাদরিয়াদের ওপর অত্যাচার শুরু করে। প্রকাশ্যে মানুষের স্বাধীন ইচ্ছাশক্তির মতবাদ প্রচার করার জন্য মাবদ আল জুহানিকে হত্যা করা হয়। তাকে হত্যা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন স্বয়ং খলিফা ইবনে আবদুল মালেক (৬৮৫-৭০৫)। মূল নেতার মৃত্যুর পরও এই আন্দোলন থেমে যায় নি। গাইলান আল দিমেস্কি এই আন্দোলন অব্যাহত রাখেন। পরবর্তিতে খলিফা হিশাম ইবনে আবদুল মালেকের নির্দেশে (৭২৪-৭৪৩) তাকেও হত্যা করা হয়। বহু অন্যায় অত্যাচারের ফলে একসময় কাদরিয়া আন্দোলন স্থিমিত হয়। তবে কাদরিয়া আন্দোলনের ছাই থেকেই জন্ম নেয় আরো শক্তিশালী বুদ্ধিবাদী আন্দোলন মুতাযিলা আন্দোলন। মুতাযিলাদের সময়ই ইসলামের জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চার স্বর্ণযুগের সুচনা হয়। পরবর্তি পর্বে মুতাযিলা পন্থিদের উত্থান এবং আশারিয়া পন্থিদের হাতে এই মুতাযিলা পন্থিদের পরাজয় নিয়ে আলোচনা করার আশা রাখি। (চলবে)
দ্বিতীয় পর্ব

 

সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:১৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:০৬
পারভেজ আলম বলেছেন: হুতুম পেচা, আপনার কথা মেনে নিলাম।
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। থাইকেন।

০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৫. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৫৫
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: যেহেতু এটি একটি সিরিজ লেখা সেহেতু সিদ্ধান্তকারী কোন মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকছি। তারপরেও বলতে হচ্ছে, ইসলামের নবি হজরত মোহাম্মদ (স) এর ........ মৃত্যুর পর থেকেই খলিফা নির্বাচন কেন্দ্র করে রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় নেতৃত্বের প্রশ্নে বিভেদ দেখা দেয়। সেই সাথে আইন, শরিয়ত ও ধর্মতত্ত্ব বিষয়ে নানা বিরোধীতার সূত্রপাত হয়। সুন্নি মুসলমানরা এখন যেমন কোরআনএর পরই হাদিসকে জ্ঞান আর আইনের মূল উৎস হিসবে গ্রহণ করে তখনো সেই চর্চা শুরু হয় নাই। হাদিসগ্রন্থগুলো লিখিত হয় মোহাম্মদের মৃত্যুর ১৫০/২০০ বছর পর।- এই তিনটি মারাত্মক ভুল তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে।
১. মুহাম্মাদের(স) মৃত্যুর পরে ওসমানের(রা) খেলাফতকালের মাঝামাঝি পর্যন্ত নেতৃত্ব নিয়ে বড়মাপের কোন বিরোধ ছিল না।
২. আল্লাহর রাসূলের(স) জীবদ্দশায়ই তাঁর হাদিস ও সুন্নাহ্‌ কুরআনের পরে আইনের দ্বিতীয় উৎস হিসেবে সর্বজন স্বীকৃত।
৩. হাদিসগ্রন্থ সমূহের লিপিবদ্ধকরণ শুরু হয় মুহাম্মাদের(স) জীবনের শেষদিক হতে, ১৫০/২০০ পর থেকে নয়।
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: ১। মোহাম্মদের মৃত্যুর পর থেকেই বিরোধীতার সূত্রপাত। বড়মাপ বলতে যদি খুনাখুনি বোঝান তবে হ্যা, ওসমানের আগে বিরোধীতা বড়মাপের ছিলনা। তবে প্রথম খলিফা নির্বাচন কেন্দ্র করেই অনেক বিরোধীতা আর নাটক ঘটেছিল এবং প্রথম দুই খলিফাকে মেনে নেয়নি এমন বেশকিছু গোস্টিই সক্রিয় ছিল, আপনি চাইলে আমি হাদিসের রেফারেন্স দিতে পারি।
২। সর্বজন স্বীকৃত, এটি একটি মারাত্মক ভূল ধারণা। হাদিস যেখানে বই আকারে লিপিবদ্ধই হয় নাই, সেখানে হাদিসকে কোন আইনগ্রন্থ হিসাবে ব্যপক ভাবে ব্যবহার করার প্রশ্নই আসেনা। লোকজন আলেমের ওপর নির্ভর করতো, আলেম সঠিক জানেন না বেঠিক জানেন পরীক্ষা করার উপায় ছিলোনা। ছহিহ সিত্তা চিহ্নিত করার আগে সহিহ হাদিস নিয়েও বিতর্ক কম ছিলনা। আর একারনেই প্রথম সুন্নি মাজহাব হানাফিরা ইজমা কিয়াসের দিকে গুরুত্ব দিত।
৩। লিপিবদ্ধকরণ নিয়ে আমি কিছু বলিনি, আমি বলেছি হাদিস গ্রন্থের কথা। অনেকে মুখস্ত রেখেছেন, অনেকে লিখেছেন। হাদিস গ্রন্থের সূত্র ছিল বহু। স্বয়ং বুখারী কয়েক লাখ হাদিস সহিহ নয় বলে পূড়িয়ে দিয়েছেন।

৬. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৫৭
আমি এবং আঁধার বলেছেন: ভালো লাগলো। চলুক। এবিষয়ে এই অসাধারণ পোস্টটি দেখতে পারেন-
ইসলামের নামে মুসলিম জ্ঞানীঁদের হত্যা ও নিযার্তনের কথা ||নুরুজ্জামান মানিক-http://www.somewhereinblog.net/blog/nuruzzamanmanik/28885721
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৮. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:০২
নাজনীন১ বলেছেন: ইসলামি শাসকদের মধ্যে উদার, রক্ষণশীল দুই রকমই ছিলেন, দিনে দিনে বেশী সহনশীল হচ্ছেন এখনকার নেতারা। আমাদের যে চার ইমাম তাদেরকেও কাউকে কাউকে ফাঁসি, কাউকে জেলে ঢোকানো হয়েছে, কারণ তারা শাসকের বিভিন্ন কাজের সমালোচনা করতেন।

তবে খারেজী এবং মুতাজিলাদের নেগেটিভভাবেই দেখা হয়। এটা বিভিন্ন সময়ের ফিকহ্‌বিদদের মতামত অনুযায়ী হয়েছে। আগে অনেক কঠিনভাবে কোরআন এবং হাদীসকে ফলো করা হতো, এখন সে তুলনায় অনেক শিথিলভাবে ফলো করা হয়।

তবে আপনাদের বিশ্লেষণের সাথে ইসলামী স্কলারদের বিশ্লেষণ মিলবে না, এটাই স্বাভাবিক।

এ ব্যাপারে দুটো হাদীস প্রাসঙ্গিক,

১। আমার পর তিরিশ বছর পর্যন্ত খেলাফত অটুট থাকবে, তারপর কর্তনকারী রাজতন্ত্র আত্মপ্রকাশ করবে।

২। এ দ্বীনের প্রথম অংশ হলো নব্যুয়ত ও রহমত, তারপর খেলাফত ও রহমত, তারপর বাদশাহী ও রহমত, তারপর আমিরী শাসন ও রহমত। এরপর লোকেরা ইমারত ও রাজত্ব নিয়ে কামড়া-কামড়ি করবে, গর্দভের মতো কামড়ে ধরবে। (আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস বর্ণিত)

http://www.banglakitab.com/BanglaBooks/


HadhratMuaawiyah(RA)InHistoricalTruth(Court)-MuftiTaqiUsmani.pdf




"মুসলমানদের একটা বড় অংশই ছিলো অক্ষরবাদী, অর্থাৎ কোরআনকে শাব্দিক অর্থ গ্রহণে পক্ষপাতি ছিলো, এদের অনেকেই আল্লাহর শরীর, হাত, পা, মুখ ইত্যাদি আছে বলে বিশ্বাস করতো, সালাফি এবং ওয়াহাবিরা পরবর্তিতে এই বিশ্বাস ধরে রাখে। "

--- এ অংশের রেফারেন্স দিন তো। কারা আল্লাহ্‌কে আকার দিতো, অদ্ভূত!



যতদূর জানি আল্লাহ্‌র হাত, পা যা কোরআনে বলা আছে, এগুলো নিয়ে কোন রকমের ব্যাখ্যায় না যাবার কথা বলা আছে। যেমন কোরআনে বলা আছে, আল্লাহ্‌ সব শোনেন এবং দেখেন। এক্ষেত্রে মূল ব্যাপার হলো আল্লাহ্‌তাআলা কিভাবে দেখেন, কিভাবে শোনেন এটা নিয়ে কোন ব্যাখ্যা করা যাবে না, কারণ আল্লাহ্‌ আমাদের সে এখতিয়ার দেননি।

কিন্তু মুতাজিলারা সেগুলোকে ব্যাখ্যা করতে চায়। মুতাজিলারা জ্বীনকেও বিশ্বাস করে না।

খারেজীরা ওসমান(রাঃ), আলী(রাঃ), আয়েশা(রাঃ) ও অন্যান্যদের মধ্যে ভালই প্যাঁচ লাগিয়েছিল। ইতিহাস দুই দিক থেকে পড়লে ভাল হয়।
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনার মন্তব্য ভালো লাগল। আমার রেফারেন্স কিছু বই। ভেবেছিলাম পুরো লেখা শেষ করার পর বইগুলোর রেফারেন্স দিয়ে দেবো। দেখি, ইন্টারনেটে কোন লিংক পেলে দিয়ে দেবো, এই মুহুর্তে জানা নাই। আর আল্লাহর শরীর নিয়ে বিশ্লেষন করা যাবে কি যাবেনা এই নিয়েও বিতর্ক ছিলো বহু। খারেজীরা কি ওসমান(রাঃ) এর সময় ছিল? আমি তো জানতাম এদের আবির্ভাবই হয়েছিলো আলী(রাঃ) আর মুয়াবিয়ার মধ্যে শান্তি চুক্তির সময়, চুক্তির বিরোধীতা করে।

আমি কিন্তু কোন একদিক থেকে ইতিহাস পড়িনি। ইসলামি ধর্মতত্ত্ব ও দর্শনের ওপর লেখা বিভিন্ন বই থেকে একটা ইতিহাস সাজানোর চেষ্টা করছি।

৯. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:১০
নাজনীন১ বলেছেন: রাসূল(সাঃ) এর সময় থেকেই হাদীস বিক্ষিপ্তভাবে লিপিবদ্ধ হতে শুরু করে, যদিও মুখস্থটাই বেশী প্রচলিত ছিল। ইমাম আবু হানীফার জন্মের পরেও কিছু সাহাবী বেঁচে ছিলেন, কুফাতেও ছিলেন, উনারা তখন থেকেই হাদীস মুখস্থও করতেন, আবার লিপিবদ্ধও করতেন, আবার ফিকহ্‌গুলোও লিখে রাখতেন(যখন যে বিচার করতেন, যে রায় দিতেন সেটা লিখে রাখতেন)।

বিভিন্ন খলীফা সবসময় প্রথমেই কোরআন, তারপরেই রাসূল(সাঃ) কখন কোন ব্যাপারে কি করেছেন সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতেন। আলী(রাঃ)-র সময় মনে হয় কোন একটা ব্যাপারে রাসূল(সাঃ) সরাসরি কোন সিদ্ধান্ত ছিল না বলে প্রথম ইজতিহাদ করেন।
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৫৪

লেখক বলেছেন: খলীফারা নিজেরাইতো হাদিস বিশারদ ছিলেন, বহু হাদিস জানতেন। কিন্তু ইসলামি দুনিয়া কিন্তু অনেক বড় ছিলো। খলিফা তো আর সবযায়গার সব সমস্যার সমাধান দিতেন না। এখনকার মতো টেলিফোন, ইন্টারনেট ছিলোনা। আপনি গোটা ইসলামি সাম্রাজ্যের কথা চিন্তা করুন।

১০. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:০৩
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: তায়েফ ভাই, শুভ কামনা ও সালাম রইল। ৫ নং মন্তব্যে আপনার দ্বিতীয় পয়েন্টটি এবস্যলুটলি ঠিক। সুন্নাহ প্রথম থেকেই গুরুত্ব পেয়ে আসছে, যদিও লেখার কাজ শুরু হয়েছে পরে। কিন্তু প্রথম পয়েন্টে আপনি বলেছেন, "বড়মাপের কোন বিরোধ ছিল না", যা এই পোস্টের "খলিফা নির্বাচন কেন্দ্র করে রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় নেতৃত্বের প্রশ্নে বিভেদ দেখা দেয়" লাইনকে বাতিল করতে পারেনা। তৃতীয় পয়েন্টটিও সেরকম - আপনি শুরুর কথা লিখেছেন। যা চলতে থাকে শতাব্দী ব্যপী।

লেখার প্রসংগে বক্তব্য:
হ্যা, বিরোধ মুসলিম সমাজে ছিল, যা আসলে সেসময়ের পৃথিবীর বাস্তবতামাত্র। মুসলিমরা পৃথিবীরই অংশ, বাইরের কোন জীব নয়। আর আজকের পৃথিবী কি হানাহানি মুক্ত?


০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৫৬

লেখক বলেছেন: হুম। আপনি ভূল বুঝেছেন। হানাহানি নিয়ে আমি কোন দোষ দেই নাই। বর্তমান দুনিয়া হানাহানি মুক্ত না, হয়তো ভবিষ্যতের দুনিয়াও এমনই থাকবে। কখনো বেশি আর কখনো কম, এই পার্থক্য। আমি শ্রেফ ইতিহাস আলোচনা করেছি, মুসলমানর ঝগড়াবাজ এই টাইপের কিছু বলি নাই।

১১. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৫১
হুতুম পেঁচার নকশা বলেছেন: 'ইসলামের ভিন্নমত ও ক্ষমতার লড়াই'......গ্রন্থে একাধিক জায়গায় সা'দ উল্লাহ সাহেব ' খারেজি/ খারিজি সম্পর্কে যা ধারণা দেন তা আপনার বক্তব্যের ঠিক ১৮০ডিগ্রী বিপরীত।

হয়রত আলি ও হযরত মুয়াবিয়া মধ্যে সিফফিনের যুদ্ধের সময় ১২০০০ হাজার সৈন্য হযরত আলির পক্ষ ত্যাগ করেন।তাঁরা হযরত আলি হযরত মুয়াবিয়ার সাথে মিমাংসা মেনে নিতে পারেন নি..........তাঁদের বক্তব্য ছিল হযরত আলী হযরত মুয়াবিয়ার সাথে যে মিমাংসায় অবর্তীর্ণ হয়েছে তা কোরআনের বিধান লঙ্ঘিত হয়েছে।

এরাই হযরত আলী জন্য হযরত মুয়াবিয়ার চেয়ে বড় চ্যালেজ্ঞ হয়ে দাড়ায় এবং ৬৫৮ সালে নাহরাওয়ানে হযরত আলী তাদের ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে দেন। এদের হাতেই হয়রত আলী ৬৬১ সালে শাহাদৎ বরণ করেন।

এরাই আবার কারবারার ঘটনার পর উমাইয়াদের বিরুদ্ধ প্রথম বিদ্রোহ করে ৬৯৫সালে।

আমি যেখানে যত টুকু পড়েছি খারিজিরা ইসলামের প্রথম মৌলবাদী।
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। সা'দ উল্লাহর বইটা বড়ি নাই। ১৮০ ডিগ্রী বিপরীত! তা ক্যামনে হয়। আপনি যা বললেন আমি কিন্তু তার বিপরীত কিছু বলি নাই। আপনি খারিজিদের ইতিহাসের একটা অংশ বলেছেন আর আমি বলেছি তাদের মতাদর্শের একটা অংশ। খারেজিরা অবশ্যই রক্ষনশীল ছিলো, মৌলবাদী বলতে পারেন, আমি কিন্তু বলেছি খারিজিরা কঠোর ধর্মনিষ্ট ছিলো। তবে খারিজিরা গণতন্ত্রপন্থি ছিলো, এই তথ্যটা সঠিক। আর আমি খারিজিদের পক্ষও নেই নাই, খারিজিদের কথা এসেছে তৎকালিন মুসলমান সম্প্রদায়গুলোর চিন্তার পার্থক্য বোঝানোর জন্য। খারিজিদের সাথে সাথে আরো কিছু উদাহরনও কিন্তু দিয়েছি।

১২. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৫৮
হুতুম পেঁচার নকশা বলেছেন: তায়েফ এর মন্তব্য ত্রয়ের উত্তর আমি পারভেজের সাথে সহমত ধারণ করি।

খ্যীস্টান বা বিধর্মীদের লেখা পড়বার দরখার নেই। ইসলামিক রিপবালিপ আব ইরানের বই পড়লে পাবেন।

...........................................................
তবে আমার মনে হয় আমরা মূল লেখা থেকে সরে যাচ্ছি। পারভেজের শুল আলোচনা উমাইয়াদের সময় কাদিরিয়াদের উদয় সম্পর্কে। সেখানে মন দেওয়া উচিৎ।
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:০৫

লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ব্যাপারটা আসলে তাই হচ্ছে। যেই কাদরিয়ারা এই লেখার মূল নায়ক সেই কাদরিয়াদের বিষয়ে কেউ কিছু বললোনা। আবারও ধন্যবাদ।

১৩. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:০৮
হুতুম পেঁচার নকশা বলেছেন: জাবরিয়ারা অলঙ্ঘনিয় ভাগ্য (তকদির)এ বিশ্বাস উমাইয়া শাসকদের অস্তিত্ত্বের জন্য খুবই প্রয়োজন ছিল.........................

কেননা, স্রষ্টা (আল্লাহ) এর ইচ্ছায় কারবালার পরিনতি এই ঘুম পারা নি গানের জন্য এর চেয়ে মধুর আর কি হতে পারে।

পারভেজ চলুক, তবে সাবধানে পা ফেলবেন.........সামনে পথ খুব জটিল।
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:১৭

লেখক বলেছেন: হুম। পথ যে জটিল জানা আছে। আশা করি সাথে থাকবেন। ধন্যবাদ।

১৪. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৪৭
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় নেতৃত্বের প্রশ্নে বিভেদ বলতে আমি বড়মাপের বিভেদ যা ভ্রাতৃঘাতী সংঘাতের দিকে ধাবিত হয়েছিল, তাই বুঝিয়েছিলাম। আর আপনি সকল প্রকার বিভেদকেই একসাথে বিবেচনা করেছেন। ঠিক আছে, সমস্যা নেই।
কিন্তু, হাদিসের ব্যাপারে আপনার মূল্যায়নের সাথে একমত হতে পারছি না বলে দুঃখিত। সুন্নাতে রাসূলের(স) আইনগত মর্যাদা এবং এর সংকলনের ইতিহাসের উপরে আপনার জানার পরিধি কম বলেই আমার মনে হয়েছে। মনে হচ্ছে, এ নিয়ে বিস্তারিত পোষ্ট দেয়ার সময় হয়ে এসেছে। যাই হোক, মূল আলোচনা এগিয়ে চলুক; সাথেই থাকার আশা রাখছি। :)
০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৪১

লেখক বলেছেন: বুঝেছি। আর যেহেতু আমার জানার পরিধি কম বলে আপনার কাছে মনে হচ্ছে সুতরাং বিস্তারিত জানানোই উচিত ছিলো।

১৫. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:২১
শয়তান বলেছেন:

পারভেজ আলম@ মুছে ফেলা কমেন্ট রিকভার করেন এভাবেঃ

১। কমেন্ট মডারেশন এ যান ।
২। ডান দিকের একদম নীচে দেখুন মুছে ফেলা মন্তব্য ।
৩।ওখান থেকে রিকভার করুন প্রয়োজনীয় মন্তব্য ।


০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মহামান্য।

১৬. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:২৬
মনির হাসান বলেছেন: বাহ আপনার ধৈর্য্য দেখে অবাক হলাম। তায়েফ আহমাদের এর পোস্টের সাথে সাথে এটার দরকার ছিল ... অনেক কিছু জানলাম। কাদেরিয়া এবং পরবর্তির মুতাজিলা আন্দোলনের ইতিহাস জানা ছিলনা।


চলুক।
০৮ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ইচ্ছা আছে দ্বিতীয় পর্বটা আজকেই পোস্ট করার। দেখি সময় পাই কি না।

১৭. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৫
নাজনীন১ বলেছেন: কাদরিয়াদের ব্যাপারে খুব একটা জানতে পারলাম না, নেটে ঘাঁটাঘাঁটি করে সামান্যই পেলাম। যতটুকু দেখলাম উমাইয়ারা পুরোপুরি ভাগ্যে বিশ্বাসী, এদিকে কাদরিয়ারা কর্মফলে বিশ্বাসী, কিন্তু সেটা ১০০ শতভাগ কিনা বুঝতে পারলাম না, বিস্তারিত নেই।

তবে আমরা সাধারণ মুসলিমরা কিছুটা ভাগ্যে, অনেকটা কর্মফলে বিশ্বাসী, এভাবে যে আমি জানি না আমার ভাগ্যে কি লেখা আছে, তাই আমাকে কাজ করে যেতে হবে, আবার আমাকে ভাল-মন্দ শেখানো হচ্ছে, তাই অন্যায় যা করবো তার দায়ভার আমার, এভাবেই জানি। এক্ষেত্রে উমাইয়াদের দোষ দেয়া যায়, কিন্তু কাদরিয়াদের ব্যাপারে ক্লিয়ার বলতে পারছি না।

মুতা'জিলা এবং কাদরিয়াদের ব্যাপারে এখানে পেলাম,

http://en.wikipedia.org/wiki/Mu'tazili

Click This Link

খারেজীদের ব্যাপারে উপরে যা বলেছি, সেটা দেখুন এখানে,

http://en.wikipedia.org/wiki/Kharijites

সালাফী এবং ওয়াহাবীদের ব্যাপারে আপনি যেভাবে বললেন, সেভাবে তো পাচ্ছি না।
১৮. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:১৮
পারভেজ আলম বলেছেন: নাজনীন১, হুম। আমিও দেখেছি, নেট এ তথ্য খুব কম। উইকিপিডিয়ায় কিছু আছে। আপনার সুবিধারা জন্য অক্ষরবাদীদের অংশটায় দুইটা নাম যোগ করলাম, দেখেন এদের বিষয়ে কিছু পান কিনা। সালাফী এবং ওয়াহাবীদের ব্যাপারে নেটে কিছু তথ্য আছে। উইকিপিডিয়াতেই আছে। তবে আপনাকে আমি দুইটা বই সাজেষ্ট করি।

১। Al-Shahrastani, Al-Milai
২। মুসলিম ধর্মতত্ত্ব ও দর্শন, ডঃ আমিনুল ইসলাম।
১৯. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৪১
মুহাম্মদ ফয়সল বলেছেন: অত্যন্ত ভালো পোষ্ট, আমি খুব কম জানি তাই, এ মন্তব্য ছাড়া আর আমার কিছু করার নাই। ধন্যবাদ লেখক কে। :)
২০. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৪৩
নাজনীন১ বলেছেন: সালাফীদের নেটের বেশ কয়েকটা লিঙ্কই দেখেছি, তবে অক্ষরবাদী বলে আপনি যেভাবে ব্যাখ্যা দিয়েছেন, সেভাবে পাইনি। যা আমি আগে জানতাম সে হিসেবেই পেয়েছি। প্রথম কমেন্টে যেভাবে বলেছি।

আর আপনাকে অনুরোধ করি ১৭ নং কমেন্টের ২য় লিঙ্কের বইটা পড়তে। আপনার আর তায়েফের পোস্টের সাথে অনেকটাই প্রাসঙ্গিক।

আপনি যে বইগুলো দিলেন সেগুলো অনলাইনে পাওয়া না গেলে এ মূহুর্তে আমার পক্ষে পড়া সম্ভব না। দেশের বাইরে আছি। তবুও ধন্যবাদ। লিস্ট করে রাখছি।
০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৫৬

লেখক বলেছেন: হিশাম বিন আল-হাকাম এবং আবদুল্লাহ বিন কাররাম এর নাম লিখে সার্চ করে দেখতে পারেন। ইংরেজি বানান আমার জানা নাই। অক্ষরবাদী শুধু এদেরই বলেনা। যারা কোরআনের আক্ষরিক অর্থ গ্রহণ করে এরা সবাই অক্ষরবাদী। এদেরকে মূলত বলা হয় আল্লাহতে নরত্বা আরোপকারী।
আপনার লিংকএর জন্য ধন্যবাদ। পড়ে দেখবো। আমি অবশ্য তৃতীয় পর্ব থেকে ধর্মতত্ত্ব নয় বরং দর্শনের আলোচনায় চলে যাবো।
আমিনুল ইসলামের বইটা অনলাইনে পাবেন না। আল শাহারাস্তানি অনলাইনে পেলেও পেতে পারেন। আর দেশের বাইরে বইটা পাওয়া আপনার জন্য আরো সুবিধাজনক হবে।

২১. ১০ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:০৮
হাফিজুর রহমান মাসুম বলেছেন: আপনার সিরিজটা পড়তে হবে। শোকেসে রাখলাম ++++সহ

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৬১৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
এককোষী জীবটা আবির্ভুত হওয়ার পর চিন্তা করলো "Cogito ergo sum"
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই