somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এই ব্লগটি স্থগিত অথবা বাতিল করা হয়েছে

আলোচিত ব্লগ

অমিতাভ-রেখার প্রেম ও বাস্তবতা: রূপকথার রাজা-রাণীর মিথ

লিখেছেন নান্দনিক নন্দিনী, ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:০৩



দিল্লির ছেলে অমিতাভ বচ্চনের ছোটবেলা কেটেছে এলাহবাদে। বিজ্ঞানের ছাত্র অমিতাভ পড়াশুনার পাট চুকিয়ে চাকরী নেন কলকাতার বার্ড কোম্পানীতে সেলস এক্সিকিউটিভ পদে। মাস মাইনে ৪৮০রূপি।কিন্তু চাকরীতে মনোনিবেশ করতে পারছিলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভালোবাসার নির্যাস

লিখেছেন নূর-ই-হাফসা, ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৩৪



প্রতি রাতে ঘুম ভেঙ্গে
ঘুমের ঘোরে দেখি,সে আছে সঙ্গে।
প্রতি বিকেল কেটে যায় আনমনায়,
দূর থেকে দেখি সে ডাকছে ইশারায়;
সন্ধাবেলায় ফুল ছিড়ে জুড়ে দিই খোঁপায়
অবাক হয়ে ভাবি,তার হাসি কেন এত রাঙ্গায়!
রাত্রিতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এ যেন পুরো বাংলার প্রতিধ্বনি !

লিখেছেন কথাকথিকেথিকথন, ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৩৫


খোকার মুখের বুঝতে না পারা প্রথম বুলি
একটি বাংলা শব্দ
খোকা শুনে এসেছে কতকথা জন্মের পূর্বে
মাতৃগর্ভে গুটিসুটি হয়ে বসে ছিলো
তারও বেশ ইচ্ছে হয়েছিলো কিছু বলার
সেই ইচ্ছেটুকু ছিলো বাংলাভাষা।
সে কানপেতে ছিলো-
বৃদ্ধ,... ...বাকিটুকু পড়ুন

''শুভ জন্মদিন'' প্রিয় মনিরা'পু

লিখেছেন কি করি আজ ভেবে না পাই, ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:০০



সাদাসিধে,মুখচোরা
ক'বে কথা মেপে;
ফেবুতেও বাড্ডেটা
রেখেছে সে চেপে!

ভাব যেনো তোদের কি
উপভোগি একা তা;
কেক-পার্টি খাওয়ানোর
অত কি হে ঠ্যাকাটা?

তুমি চলো ডালে আপু
মোরা চলি পাতাতে;
খাতাতে টুকেছি আগে
'জিজু'সনে আঁতাতে।

লাগবেনা পার্টিসার্টি
কেমন মিনসে ছাই;
হরষে-পুলকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেই ফাল্গুনে, এই ফাল্গুনে

লিখেছেন মলাসইলমুইনা, ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৮:৫৪



সেই ফাল্গুনে, হালকা শীতের সকালে ছিল
ধুলো, ধোঁয়া, কুয়াশা আর গোলা বারুদের গন্ধ |
ছিল পুলিশ, সেনাবাহিনীর গুলি, ধরপাকড়, জেল জুলুম
রাজপথ উত্তাল ছিল তবু ভাষার দাবি, বিক্ষোভে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

নির্বাচিত ব্লগ

মাতৃভাষা বাংলার একাডেমিক বিকাশ ও উৎকর্ষ

লিখেছেন এক নিরুদ্দেশ পথিক, ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:৪৯

আধুনিক সময়ে বাংলা বিপণনের ভাষা, ব্যাপক ভিত্তিতে সাংবাদিকতার ভাষা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভাষা, খুব সীমিত কিছু পর্যায়ে করপোরেট ভাষা, শিক্ষার প্রাথমিক স্তরগুলোর ভাষা, শিল্পের অধুনা রূপগুলোর স্থানীয় বিকাশের ভাষা এবং স্থানীয় প্রশাসনের ভাষা হওয়ায় এর বিকাশ, প্রসার ও ধারণ অব্যাহতভাবেই বর্ধমান। ভাষাকে প্রাণময় বলে ধরে নিলে এ ভাষা অবশ্যই জীবিত ও সতেজ। বিশ্বব্যাপী প্রায় ৩০ কোটি মানুষের চলনে-বলনে, ছন্দ ও রুচির সঙ্গে বাংলা মিশে আছে। বাংলা ভাষার জন্য দুই বাংলা এবং বিশেষভাবে বাংলাদেশের মানুষের আদি ও অকৃত্রিম প্রাণের টান এই মধুসুধাময় ভাষাটিকে চিরসঞ্চারিত রাখবে তা সব সংশয়ের অবকাশমুক্ত বলাই চলে। পৃথিবীর সপ্তম বৃহৎ ভাষা বাংলা একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকা নির্বাহের... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবন যেখান যেমন, প্রবাস জীবনের ডায়রী.............. আমার ইহুদি সহকর্মী, দি লাঞ্চিয়ন লেডি

লিখেছেন সোহানী, ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:৪২



হেড অফিস থেকে এইচ আর হেড জেনির ফোন পেয়েই বুঝলাম গুড়ুত্বপূর্ন কিছু।

তোমার ওখানে নতুন একজনকে পাঠাচ্ছি। ওয়ান উইক হাতে কলমে কাজ শিখাও তারপর একা কাজ করতে দাও।

ওকে পাঠাও বলে ফোনটা রাখতেই বিশাল চিন্তায় পড়ে গেলাম।

প্রথম টেনশান ছেলে নাকি মেয়ে! মেয়ে হলে কথা নেই বাট ছেলে হলে কথা আছে! ছেলে হলে স্ট্রাটেজী এক রকম হবে মেয়ে হলে অন্য রকম। ওয়েল তবে আমার ধারনা মেয়েই হবে কারন কানাডায় পাবলিক ডিলিং কাজে মেয়েদেরকেই নিয়োগ দেয় সাধারনত। গুড, মেয়ে হবার সম্ভাবনাই বেশী। এবার দ্বিতীয় কোশ্চেইন, মেয়েটি কি কালো নাকি সাদা নাকি আমার মতো ব্রাউন?

ব্রাউন হলে, সমস্যা নেই। নিজেদের কালচারের আশেপাশে হবে তাই আট নয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ রাগ ঘর

লিখেছেন অপু তানভীর, ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ২:০৯

তৃষাদের বাসায় শোবার ঘর আছে দুইটা। একটা মাস্টার বেড রুম। অন্য ঘরটাতে কেবল একটা খাট পাতা। আর সেখানে আছে একটা মিউজিক সিস্টেম।
এটা কোন সাধারন ঘর না। অপু এই ঘরটার নাম দিয়েছে রাগ ঘর। ওদের দুজনের ভেতরে যেই রাগ করে তখন রাতের বেলা সে এই ঘরে এসে ঘুম দেয়। মিউজিক সিস্টেম রাখা হয়ে মৃদ্যু স্বরে গান শোনার জন্য। দুজনেরই রবীন্দ্র সংগীত পছন্দ তাই সেখানে কেবল রবি বাবুর গানের ব্যবস্থা রয়েছে।

এই ঘরে প্রায় দিনেই তৃষা এসে শুয়ে থাকে। মাঝে মাঝে অপু তো ঠিক মত বুঝতেও পারে না আসলে ঠিক কি কারনে তৃষা আজকে রাগ করেছে। মাঝে মাঝে কেবল রাগ ঘরে যাওয়া দেখেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধারাবাহিক ভ্রমণ কাহিনী: যেমন দেখেছি ময়মনসিংহ নগরীকে

লিখেছেন অর্ক, ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:৫৩



ময়মনসিংহে গবাদিপশু প্রতিপালনের ভালো অভ্যাস আছে মানুষের।

(পূর্ব প্রকাশের পর)

অত্যন্ত ব্যস্ত একটি শহর ময়মনসিংহ। আগাগোড়া ব্যবসা বাণিজ্যের শহর, বিস্তর দোকানপাট সর্বত্র, ছোট বড় অসংখ্য মার্কেট, কেনাকাটার ধূম সবসময়, মানুষের কোলাহল, হৈ চৈ চিৎকার চেঁচামিচি অনবরত। সর্বত্র মানুষের বেশ ভিড়। আশেপাশের জেলাগুলোর লোকজন নানাবিধ প্রয়োজনে নিত্য আসা যাওয়া করে। ময়মনসিংহ শহরের জনসংখ্যার ঘনত্ব অন্যান্য বিভিন্ন বৃহত্তর জেলার তুলনায় বেশিই হবে বোধহয়। অনেকটা ঢাকার মতোই গিজগিজ করে মানুষ। এমনকি মাঝরাতেও ঘুম নেই শহরের, জেগেই থাকে যেন। মোরে মোরে কিশোর যুবার প্রাচীন আড্ডা, তাদের দেদার চা পান, সিগারেট টানা। রেল স্টেশন সংলগ্ন ছোটো ছোটো চা’র দোকান, স্টেশনারী দোকান ও হোটেলগুলো কখনও বন্ধ হয় না।... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতা কিংবা সাইক্লোন

লিখেছেন জাহিদ অনিক, ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:০৯

একটি অসমাপ্ত গল্পের নায়ক যেন কবিতায় ফিরে আসে বারংবার
কখনো মাঝরাতে দূরের তারা হয়ে আবার কখনো ভরাট কণ্ঠের কবিতায়।
মাঝেমাঝে সে রাতের তারা কিংবা কবিতার ধার ধারে না
সে যেন চলে আসে অধিকার বোধ নিয়ে- দুরন্ত ঝঞ্ঝা হয়ে;
একটা কালবৈশাখী ঝড় এসে চলে যায়,
জানে না সে কোথা দিয়ে বয়ে গেছে
সে শুধু বয়ে যেতে জানে;
কি কি লণ্ডভণ্ড করে দিয়ে গেল সে হিসেব তার রাখবার কথাও নয়।
ঝড় চলে গেলে -- রয়ে যায় ক্ষত।

কখনো'বা বাসায় কিংবা অফিসে;
সকালে কিবা সাঁজে
ব্যস্ততা অথবা অবসরে সুপ্ত অভিমানী সে ক্ষত জেগে ওঠে
মনে হয়, হায়!!!
কেউ যদি ছুঁয়ে দিত জাদুর কাঠির মতন, সেরে যেত দগদগে ঘা!
অতখানি দূরে থেকেও কিভাবে ছুঁয়ে দেয়া যায় বেহিসাবি... ...বাকিটুকু পড়ুন