somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আগস্টের অন্যরকম কয়েকটি দিন- শেষ পর্ব

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

২৭ আগস্ট সকাল থেকেই অফিসে ছিলাম। গোটা দিনটাই কেটেছে অফিসে। খুব বোর লাগছিল যদিও। পরদিন মানে ২৮ আগস্ট ক্যাম্পাসে গেলাম। ২২ আগস্টের পর এই প্রথম ক্যাম্পাসে ঢুকলাম। কাজলা গেট দিয়ে যখন ঢুকছিলাম তখন বুকটা খা খা করছিল ফাকা ক্যাম্পাস দেখে। চিরচেনা প‌্যারিস রোড দিয়ে যখন হাটছি কান্না পেয়ে গেলো। কত ব্যস্ত আর মুখর এই প‌্যারিস রোড একদম শান্ত। বাম দিকে মমতাজ উদ্দীন, শহীদুল্লাহ কলা ভবন, ইবলিশ চত্বর-সব শান্ত। যেন এক বিরানভুমি। দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে চলে গেলাম সোজা প্রশাসন ভবনে। অনেক পরিচিত দেখে যেনো আতঙ্কগ্রস্থ। এই অবস্থায় কেনো আমি ক্যাম্পাসে। অনেকেই বলল, এখন ছাত্র পরিচয় না দেয়াই ভালো। এখন আপনি শুধু সাংবাদিক। আমি শুধু হাসলাম। জরুরী কাজ সেরে দুপুরে বের হলাম ক্যাম্পাস থেকে। বের হবার সময় বারবার মনে হচ্ছিল আবার কি ফিরে পাব আমাদের মুখরিত, সদাচঞ্চল ক্যাম্পাস?
ওই রাতটাও কাজী শাহেদের বাসায় কাটালাম। পরদিন সকালে রওনা দিলাম মেহেরপুর। সেদিন শবে বরাতের ছুটি থাকায় আমার এই হঠাত ভ্রমণ মেহেরপুরে সাংবাদিক আনিসুজ্জামান উজ্জলের বাসার দিকে। সেখানে দুদিন থেকে রাজশাহী ফিরেছি ৩১ আগস্ট। ৩১ আগস্ট উজ্জলভাইকে নিয়ে শাহেদ ভাইয়ের বাসা থেকে বের হলাম উপশহর এলাকায় এক পরিচিতের মেসে। ভাবলাম, সেখানে থাকা যাবে ক্যাম্পাস না খোলা পর্যণ্ত। কিন্তু না, শুধু ওই একটা রাতই থাকলাম সেখানে। পরদিন আবার ব্যাগ হাতে উদ্বাস্তুদের মতো হাটতে লাগলাম সাপ্তাহিক উতসভূমি অফিসের দিকে। সেখানে কার্পেটের ওপর কাটিয়েছি ১৫ টি রাত। রোজার শুরুতে সেখান থেকে আবারো উদ্বাস্তু হয়ে উঠেছি কাজলা এলাকায় এক বন্ধুর মেসে। জানি না, এভাবে আর কতদিন আমাকে উদ্বাস্তু থাকতে হবে। এই সিরিজের এখানেই সমাপ্তি টানছি। তবে এই উদ্বাস্তু থাকা অবস্থায় খাবার যে করুণ অভিজ্ঞতা তা নিয়ে অল্পস্বল্প লিখবার আশা রাখলাম।
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×