আমার প্রিয় পোস্ট
- শেষ পর্যন্ত জামাতের মুখোশ খুলে দিলো যেই ভিডিওটি - মৌসুম দাশ
- কার্টুনিস্ট আরিফের জেল এবং আগের একটি পোস্ট - মেহেরুল হাসান সুজন
- ৭ম ওয়েজ বোর্ড অনুসারে দৈনিক সংবাদপত্রের সাংবাদিকদের বেতন কাঠামো ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধা - রিজভী
- ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে আক্রান্ত সাংবাদিকতা - ঘৃণা
- জেনে নেই বাংলাদেশের সকল ব্যাংকের টুক-টাক সকল তথ্য ( ওয়েব এড্রেসসহ) - রাকা ও আমি
- উপমহাদেশের উলামায়ে কেরামের দৃষ্টিতে জামায়াতে ইসলামী ও মাওলানা মওদূদী। - দুর্ধর্ষ বেদুইন
- পদ্য নয়, যদিও পদ্যের মতো: এক আল্লাহ ধারণার ফ্যালাসি - আ-আল মামুন
- ব্লগে প্রকাশিত আমার ৫১ ছড়া (সেপ্টেম্বর ২০০৬-জানুয়ারি ২০০৯) - মেহেরুল হাসান সুজন
- ক্ষণিকের রাজশাহীতে বিস্তর মুহুর্তগুলি - মিলটন
- ১৮৯ জন ব্লগার এবং তাদের জন্মতারিখ - শাহবাজ
- শাশ্বত'র জন্য রাজশাহী যাওয়া অত:পর আমার দালাল উপাধি... - মেসবাহ য়াযাদ
- শাশ্বতকে দেখে এলাম আজ - মেহেরুল হাসান সুজন
- হে মহান দীপু কৃপা করো মোদের (বেশ কয়েকজন ব্লগারের অনুরোধে কমেন্টগুলো মুছে দেয়া হলো) - সালাহউদ্দীন মুহম্মদ সুমন
আমার পত্রজীবন-২
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১২
আমার পত্রজীবন-২
(হারনো রাজিব ও প্রথম কোন মেয়ের চিঠি)
মাঝখানে পাক্কা দুটি বছর চলে গেছে। আমার পত্র জীবন নিয়ে দ্বিতীয় কিস্তি লেখা হয়ে ওঠেনি। অলসতা প্রথম পর্যায়ে আর চূড়ান্ত পর্যায়ে ভুলে যাওয়া রোগ আমার জীবনের স্বর্ণালী এই অংশ থেকে আমাকে বিরত রেখেছে। আজ ইচ্ছে করছি দ্বিতীয় কিস্তিটি লেখার। দেখা যাক স্মৃতিশক্তি কতটা শক্তি যোগায় আমাকে।
রাজিব ফেরদৌস মানিকের সঙ্গে আমার চিঠি বিনিময় খুব বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। ২০০২ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত ধারাবাহিক ছিলো। ওই বছরের ৩০ জুন গিয়েছিলাম সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে রাজিবের বাড়িতে। তারপর ফিরে এসে দুয়েকটা চিঠি বিনিময় চললেও পরে রাজিব ঢাকায় চলে যাবার পর আর যোগাযোগ হয়নি। আমার মনে পড়ে ২০০৪ সালের শেষদিক পর্যন্ত মাঝে মাঝে ওর বাড়ির ঠিকানায় চিঠি দিতাম ওর নতুন ঠিকানা বা ওকে পাবার জন্য। জানতাম ও ২০০২ এর আগস্টে ঢাকায় চলে গেছে পড়তে। তাই প্রতি ঈদের আগে চিঠি ছাড়তাম যাতে ও বাড়ি এসে অন্তত চিঠি পায় আমার। কিন্তু আজো সেই বন্ধুটির কোন খোঁজ পাইনি। এখনো অবসরে পুরনো ফাইল ঘাটতে গিয়ে রাজিবের সুন্দর হাতের লেখা চিঠি চোখে পড়ে, সঙ্গে বাতেনেরও। বাতেন সিরাজ রাজিবের ঘনিষ্ট বন্ধু। তার সঙ্গেও আমার পত্রযোগাযোগ ছিলো। তাকেও হারিয়েছি সময়স্রোতে।
২০০২ সালের এপ্রিল মাসের দিকে জীবনে প্রথম কোন মেয়ের চিঠি পেলাম। পাবনায় বাড়ি তার। লিখেছে দৈনিক করতোয়া আমার প্রকাশিত লেখাগুলো খুব ভালো লাগে তার। আমাকে আর পায় কে! অনেক বড় বড় লেখকরা ভক্তদের চিঠি পাবার গল্প লেখে। কিশোর আমি তখন যেনো তখন সেই লেখকদের কাতারে বসে বসে বাদাম চিবুচ্ছি। উল্লাসে ফেটে পড়ে একদৌড়ে (ভায়া সাইকেল) বাড়ি গিয়েই উত্তর লিখতে বসলাম। ব্যস, পাল্টাপাল্টি চিঠি। আমি লিখি সে লিখে। সে কী ভাষা। মনে পড়তেই আজো পুলকিত হই। আমার চিঠি না পেলে তার পেটের ভাত নাকি হজম হতো না। কোন উপায়ে সেই ভাত পেট থেকে বের করা গেলে নাকি চাল হয়ে বেরুতো। বুঝতে পারছিলাম, কিশোরিটি দিল্লিকা লাড্ডু খাবার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে। বাধা দেইনি। হাজার হোক-আবগের স্বর্ণসময় ছিলো তো সেটি। যদিও শেষতক গোলপোস্টের ধারে আসা হয় নি তার। তার আগেই লালকার্ড।
ওই বছরের আগস্টের শেষদিকে শেষ হয়েছিলো তার সঙ্গে আমার পত্রালাপ। কপাল বলতে হয় বেচারির। তার মামার হাতে পড়ে গেলো চিঠিখানা। কিশোর বয়সের আবেগ জড়ানো ভাষা। (তবে এটুকু নিশ্চিত যে প্রেমপত্র ছিল না সেটি)। পরের চিঠিটি সেই কিশোরীর চোখের জলে লেখা। তার মামা নাকি তাকে বলেছে আমার সঙ্গে চিঠি চালাচালি করলে তাকেসহ আমাকে কাজী অফিসে চালান করে দেবে। আমি আর এগুই? কিশোরীকে লিখে দিলাম-ধরে নিও বন্ধু আমি মরে গেছি। সনে কী ধরে নিয়েছিলো, নাকি আদৌ সেই চিঠি তার হাতে পড়েছিলো-আর জানা হয়নি। কখনো জানতে পারবোও না হয়তো।
(চলবে)
প্রথম কিস্তি এখানে
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
মোঃমোজাম হক বলেছেন:
আমারও পুরানো দিনের কথা মনে পড়লো!
মোঃমোজাম হক বলেছেন:
আমারও পুরানো দিনের কথা মনে পড়লো!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














