আমার প্রিয় পোস্ট

http://joyodrath.blogspot.com/

ছোটখালার যাওয়া

৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২৯

শেয়ারঃ
0 0 0

ছোটখালার মনে নেই, ওকে আমি পালিয়ে যেতে বলেছিলাম
বলেছিলাম, এসো, লুকিয়ে থাকি শূন্য ফুলদানির
অন্তহীন রহস্যের ভেতর,
মরণশীল দুটো মাছরাঙার সাথে জীবন বদলাই আর
হাওড়ের মধ্যে ডাকাতের মত তাড়া করি ঘূর্ণায়মান প্রপেলারকে

এ-কথা শুনে ওর সূঁচ-ধরা হাত গেল থেমে। ওর চোখ
হয়ে ওঠল মেঘাচ্ছন্ন দিনের জোড়াপুকুরের চেয়েও সন্ত্রস্ত
সূচিকর্ম ওর প্রিয়। মাছরাঙাদের সমাজে সেলাইয়ের প্রচলন নেই জেনে
কী হাসি তার!
যেন আমার প্রস্তাব বাতিল হয়ে গেছে
সুপারি গাছদের বিশেষ বর্ধিত সভায়

ওর ব্যস্ততা ছিল। ভিনদেশী এক রাজকুমারের ঘুমের জন্য
বালিশের ওয়াড়গুলোকে কথা বলতে শেখানোর কাজ, তাই সারাদিন
নিজ আঙুলের সৌন্দর্যে নিজেই সে মুগ্ধ হয়ে থাকত
আমার কথা শুনত কি শুনত না -- বৃষ্টি ধরে এলে
আমি শূন্য ফুলদানির ভেতর একা ঘুমিয়ে পড়তাম
ঘুমিয়ে ভাবতাম
প্রপেলার-পাখার অন্তহীন হিমেল নৈঃসঙ্গের কথা

সেই রাজকুমারের ওপর আমার ছিল অসামান্য ক্রোধ
তাকে আমি খুঁজে বেড়াতাম সত্যিকারের টিনের তলোয়ার নিয়ে
ধ্বসিয়ে দিতাম যাবতীয় উঁইয়ের ঢিবি, তার ঘোড়াটিকে
ধাওয়া করবার জন্য
ভাব রাখতাম দ্রুতগামী বাছুরদের সাথে

একদিন আমার আয়ত্বে এল রূপকের ঐন্দ্রজালিক ক্ষমতা
অনুনয় করে বললাম, খালা, চল বোয়ালমারির বিলে
নিশুতি রাতে তুমি জেলেডিঙি হয়ে ঘুরে বেড়াবে, আর আমি
হ্যাজাক-হারিকেন
কিংবা চলো দূরে, যেখানে তুমি এক বিস্তীর্ণ ধানক্ষেত, আমি এক
উলুঝুলু কাকতাড়ুয়া
নয় আরো দূরে, তুমি পোড়োবাড়ি আর আমি টিনের সেপাই!

সূঁচের কাজ শেষ হলে ছোটখালার জন্য পালকি এল
এল অঘোর শ্রাবণ, আমার চোখ পোড়োবাড়ির জানালা
আমি কাকতাড়ুয়া, আমি টিনের সেপাই, আমি হ্যাজাক-হারিকেন
বর্ষণসিক্ত বাঁধে ওঠে অনেকক্ষণ ধরে হাত নাড়লাম
ছোটখালার যাওয়া তবু ফুরাল না, চলে যাচ্ছে সে
নিসর্গের সেলাই খুলে হারিয়ে যাওয়া জেলেডিঙির মত।


 

প্রকাশ করা হয়েছে: কবিতা  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৩১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৩৫
সু-শান্ত বলেছেন: প্রথম প্লাস টা দিতে পারছি । দারুন হইছে।
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সু-শান্ত। কিন্তু আপনি তো মাইনাসঅলাদের বিনোদন নষ্ট কৈরা দিলেন!

২. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৪২
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন: এই কবিতাটার কথা আপনাকে বলেছিলাম। কৌরবে আমি এইটা প্রথম পড়েছিলাম। খুবই ভাল লেগেছিল। এখনও ওটা অটুট।
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মুক্তি মন্ডল। পুরানো জানিয়া চেও না আমারে আধেক আঁখির কোনে।

৩. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৪
কৌশিক বলেছেন: উপস! যাওয়া - এত অর্থবোধে বিস্তৃত, পুরোটুকু গিলে ঢাউস হয়ে গেলাম।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: আমিও আপনাকে নানারকম অর্থদ্যোতনাসমেত একটা ধন্যবাদই দিই, প্রিয় ব্লগার।

৪. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৪
নিবিড় বলেছেন: চ-----ম---ৎ---কা-----র
এত সুন্দর লিখা হতে পারে?
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫০

লেখক বলেছেন: তোমারি চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ!

এই মুগ্ধতার বোধটুকু আপনার চিরসঙ্গী হয়েই থাক।

৫. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৫
মজনু শাহ বলেছেন: eshob kobita notun ar puroni ki. pora-matro anondo hoy. abar kothao pele abar pore mugdho hobo...

sumon, supari gasder cheye mone hoy suparigaseder sunte valo lagbe, vebe dekhen to...
০২ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৬

লেখক বলেছেন: মজনু শাহ.... কতদিন পর! আমার কবিতার প্রতি আপনার মুগ্ধতার এই রূপ আমি তো বহুদিন ধরে চিনি। এবারো চিনলাম। যতবার চিনি ততবারই মুগ্ধ হই। পুরানো লাগে না।

ভালো থাকুন প্রবাসে।

৬. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:২৮
ফাহমিদুল হক বলেছেন: ছোটখালার যাওয়ার মতোই মুগ্ধতা ফুরায় না।
০২ রা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফাহমিদুল হক আপনার মুগ্ধতার জন্য।

৭. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫২
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন: "ওর ব্যস্ততা ছিল। ভিনদেশী এক রাজকুমারের ঘুমের জন্য
বালিশের ওয়াড়গুলোকে কথা বলতে শেখানোর কাজ, তাই সারাদিন
নিজ আঙুলের সৌন্দর্যে নিজেই সে মুগ্ধ হয়ে থাকত
আমার কথা শুনত কি শুনত না -- বৃষ্টি ধরে এলে
আমি শূন্য ফুলদানির ভেতর একা ঘুমিয়ে পড়তাম
ঘুমিয়ে ভাবতাম
প্রপেলার-পাখার অন্তহীন হিমেল নৈঃসঙ্গের কথা"





এইখানে নির্জনদুপুরের শূন্যতা আছে।

সুন্দর।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৮. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৫৮
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: কি অসাধারণ একটা কবিতা পড়লাম.........।
কি ভালো যে লাগলো......।
ভালো লাগা রেখে গেলাম....অনেক শুভেচ্ছা।
আর হ্যা প্রিয়তে তো থাকলোই।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২৯

লেখক বলেছেন: আপনাকেও শুভেচ্ছা। ভালো থাকুন।

৯. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪৬
সোহেল হাসান গালিব বলেছেন: কবিতাটি পড়ে বেশ আনন্দ পেলাম। প্রাঞ্জল আনন্দ। কবিতা শেষ পর্যন্ত রসেরই ব্যাপার---কথাটা পুরনো হলেও বলতে প্ররোচিত করলো।

পুনশ্চ : তিনটি বানানশোধন হলে শান্তি পেতাম---নৈঃসঙ্গ্যের, ধসিয়ে, আয়ত্তে।

শুভেচ্ছা নিরন্তর।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সোহেল হাসান গালিব।

"বানানশোধন" প্রসঙ্গে আপনার মতামত নিয়ে আমি আমার পুস্তকের যিনি এডিটর তাঁর সাথে কথা বলবো।

১০. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪৬
রিফাত হাসান বলেছেন: ছোট খালা, বেশ মায়াবী চরিত্র। সবার এরকম একটা চরিত্র থাকে দেখি। কবিতাটি বেশ ভাল লাগল। একটা পর্যবেক্ষণ: আপনার কবিতাগুলি বেশ বর্ণনায় ভরা, গল্প থাকে প্রায় সব সময়। এটি কখনো কখনো মেদ তৈরী করে। কবিতা খুব দীর্ঘ হলে, ওটি আর পুরোপুরি পড়া হয়ে ওঠে না।
০৯ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রিফাত হাসান। যতদূর বুঝি, আমি ন্যারেটিভ কবিতার লোক। ফলে বর্ণনা কিংবা গল্প আমার কবিতায় "মেদ" তৈরি করে বলতে যা বুঝিয়েছেন, সেটা আমি সচেতনভাবে করি। "নির্মেদ" এবং "বিশুদ্ধ" কবিতা রচনার রীতি আমি গত শতকের আশির দশকে পরিত্যাগ করে এসেছি। প্রথমত সেটা আমার স্টাইল নয় বলে। দ্বিতীয়ত, এইসব য়ুরোপীয় জ্যামিতিক ধরন ক্লিশে মনে হয়েছিল বলে। সেই মনে হওয়া এখনো আমার অটুট আছে। যদিও কবিতা লিখি না অনেকদিন।

দীর্ঘ কবিতার পাঠক হ্রস্ব কবিতার পাঠকের মত খুটিয়ে-পড়া স্বভাবের হবে না সেটা বলাই বাহুল্য। এসব কবিতা গত শতকের নব্বই দশকে লেখা। তখনো জগতে বাঙলা ব্লগ আসে নাই।


১১. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:১৯
সুমন রহমান বলেছেন: মূখ্যত রিফাতের উদ্দেশ্যে: আপনি যেহেতু কবিতাও লিখেন তাই বুঝলাম ন্যারেটিভ কবিতার ধরন নিয়ে আপনার মন্তব্যটি একান্তই আপনার নিজস্ব রূচিপ্রসূত। ধরে নিচ্ছি জগতে কবিতার বিকাশের ধরনটি আপনার ভালভাবেই চেনা, আর আমারো যেহেতু এ বিষয়ে কিঞ্চিৎ অভিনিবেশ আছে ফলে এ নিয়ে আলাপ আরো এগুতে পারে। আমি আগ্রহী।
১২. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০০
রিফাত হাসান বলেছেন: প্রথমত, সুমন রহমান, আমি কবি নই, বা কবিতা তেমন লিখিও না। নিজেকে কবিতার ভাল সমালোচক বলেও মনে করি না। বড়জোড় কবিতার পাঠক আমি। তাই আমার মন্তব্যটি পাঠক হিশেবেই নেবেন।

কবিতার ফর্ম কোনটি হবে, বা ন্যারেটিভ কবিতা হবে কিনা, বা ভাষার ব্যবহার, এইসব নিয়ে আমার কোন মৌলিক মাথাব্যথা নেই। আপনার এখানে মন্তব্য করতে গিয়ে যেটি বলেছি, সেটি এই নির্দিষ্ট কবিতাটিকে সামনে রেখেই। কোন মৌলিক অবস্থান হিশেবে নয়। কারণ ফর্ম নিয়ে কোন মৌলবাদী অবস্থান কনটেন্টকে বিঘ্নিত করে।
১১ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: আমার কিন্তু মৌলিক মাথাব্যথা আছে কবিতার ফর্ম নিয়ে। নিজের কাব্যময়তার প্রকাশের স্বরটি আমি চিনবার চেষ্টা করেছি দীর্ঘদিন। নানান গলিঘুপচি ঘুরে অবশেষে জেনেছি, আমার কবিতা প্রগলভ। ফলে একে প্রগলভ হয়েই বেড়ে উঠতে দিয়েছি। তো, একে যখন কোনো পাঠক মেদাক্রান্ত ভাবেন, তখন বুঝতে পারি তিনি তার কবিতাপঠনের রূচি নিয়েই এমন ভাবনা ভাবছেন। পশ্চিমা, বিশেষ করে ফরাসী কবিতার প্রতি অনুরাগবশত এমনতর সীমাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে। সুধীন দে সম্ভবত এ কারণেই জীবনানন্দের কবিতার রস আস্বাদন করতে পারতেন না। এটা বলার দায়িত্ব অনুভব করি। প্রগলভতা কবিতার একটি বৈশিষ্ট্য, কী জীবনানন্দে, কী নেরুদায়, কী ফরহাদ মজহারে। একে মেদ বললে "বনলতা সেন" কিন্তু থলথলে চর্বিঅলা মহিলা হয়ে যাবেন!

নিজের স্বর সনাক্ত করবার প্রচেষ্টা মৌলবাদী নয়, মৌলবাদ হল নিজের স্বরখানি সর্বত্র আরোপ করার প্রচেষ্টা।

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ রিফাত হাসান।

১৩. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০২
রিফাত হাসান বলেছেন: নিজের স্বর সনাক্ত করবার প্রচেষ্টা মৌলবাদী নয়, মৌলবাদ হল নিজের স্বরখানি সর্বত্র আরোপ করার প্রচেষ্টা। আলবত আপনার কথাটি সত্য। আমি যেই ব্যাপারটিরে মৌলবাদিতা বলতে চেয়েছি, সেটি অন্য। কবিতা বা যে কোন কিছুর, বা শিল্পের একটা নিজস্ব জার্নি আছে। তার বাহির থেকে এসে আপনি একটা ফর্ম এর ব্যাপারে মৌলবাদিতা দেখালে তখন এটিরে আপত্তিকর ভাবি। আপনার কবিতারে প্রগলভও ভাবি না আমি। ফর্মের আলোচনারও অবশ্যই গুরুত্ব আছে। যখন সেটি তার রাজনৈতিকতাসহ হাজির হয়। যেমন: উত্তর উপনিবেশিক ''উপন্যাস'' ধারণা।
১১ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৫

লেখক বলেছেন: "বাহির থেকে এসে" নয়, নিজের ভেতর থেকে নিজের স্বরটি চিনে চিনে নিজের ফর্মটি বের করা। ফলে এখানে মৌলবাদ নেই। আমার কবিতা শুধু কেন, সামান্য কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া তাবৎ বাঙলা কবিতাই প্রগলভ। প্রগলভতা এখানে ইতিবাচক বৈশিষ্ট্য, রিফাত। ঐ যে, জীবনানন্দ বলেন, "সে কেন জলের মত ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়? অবসাদ নাই তার?"

আসলেই অবসাদ নাই। চন্ডীদাস, ভারতচন্দ্র, থেকে ধরে বাঙলা কবিতার গোটা মানচিত্র চষে চষে দেখা হয়েছে আমার। প্রগলভতায় কারো অবসাদ দেখি নি। বরং সুধীন দত্তীয় মালার্মেপনাই থেমে গেছে।

এবার ঠিক বলেছেন ফর্মের আলোচনার গুরুত্ব নিয়ে। আগের বার কি কিঞ্চিৎ রেগে গিয়েছিলেন? পলেমিকসে আন্দ্রে জিঁদ বেশিক্ষণ না থাকাই ভাল। :)

১৪. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৭
সুদীপ চৌধুরী বলেছেন: এতদিন পড়ি নি বলে নিজেকে অপরাধী মনে হচ্ছে।ক্ষমা করুন কবি।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৩

লেখক বলেছেন: কি যে বলেন! কবিতা তো লিখেছিলাম ১৯৯৭ সালে!! কত লোকে না পড়েই মরে যাবে? আমিও কত কিছু না পড়েই... তবু তো পড়লেন... বেটার লেট দ্যান নেভার!!

ধন্যবাদ।

১৫. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:১২
নম্রতা বলেছেন: আমার ভাল লাগার কথা না হয় নাই বল্লাম....শুধু ভাবছি....কেন পড়া হয়নি আপনার লেখা কবিতা।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:১৫

লেখক বলেছেন: এতদিন পড়েন নি যখন, এখন ভাল কিংবা খারাপ লাগার কথা আমার তো সুদে-আসলে পাওনা!

১৬. ০৬ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৮:৫৪
আমি ও আমরা বলেছেন: আমার ব্লগে প্রীয় লিঙ্কে যাদের নাম আছে সেখানে গুল্লি নামে একটা লিঙ্ক আছে। গুল্লি নামটা হয়তো আমি সাধে রাখিনি।

টুপি বিয়োজন।
০৬ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৫০

লেখক বলেছেন: হা হা হা.... ধন্যবাদ আপনাকে!

১৭. ০৮ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৪
আকাশচুরি বলেছেন: সুদীপ চৌধুরী বলেছেন: এতদিন পড়ি নি বলে নিজেকে অপরাধী মনে হচ্ছে।ক্ষমা করুন কবি।

amakeo khoma korben :)
০৯ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:১০

লেখক বলেছেন: ক্ষমা চাইলেই কি ক্ষমা পাওয়া যায়? জরিমানা দিতে হবে!! এই কবিতা এতদিন ধরে না-পড়ে থাকা যদি "অপরাধ" হয় তবে সেই অপরাধের বিস্তারিত বিবৃতি দেয়া কিন্তু "অপরাধী"র দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে!

১৮. ০৪ ঠা মে, ২০০৯ রাত ২:৩৩
নম্রতা বলেছেন: কবি , আপনার এই কবিতাটি আমি আবৃত্তি করার অনুমতি চাইছি ! উত্তরের অপেক্ষায় রইলাম। শুভ রাত্রি !
১১ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:৩৮

লেখক বলেছেন: Deri-te uttor debar jonno dukkhito... apni nirdidhai abritti korte paren... e jonno onumotir dorkar hobe na.

Bhalo thakun

১৯. ১১ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:৪৪
নম্রতা বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ কবি ! এটা আমার খুব প্রিয় একটি কবিতা।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯০৫০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ