আগের পোস্টে এই সংক্রান্ত একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছিলাম।
যারা পড়েছেন এবং মন্তব্য করেছেন তাদের ধন্যবাদ জানাই।
অনুমান করি, গল্পটি রাজনৈতিকভাবে নির্দোষ ছিল না। অন্তত সেভাবে আমি লিখতে ও বুঝতে চাই নাই। জানপরী যেমন ইঙ্গিত বুঝলেন, গত কয়দিনে ঢাকা শহরে হঠাৎ করে অজ্ঞান পার্টির তৎপরতা বেড়ে যাওয়ার কারণ কি? এটা কি কোনো ড্রেস রিহার্সাল? আসন্ন ঈদের, নাকি আসন্ন ইলেকশনের?
অজ্ঞান পার্টি একটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য প্রপঞ্চ, এই প্রমাণ আমরা অতীতে পেয়েছি। পুলিশ একে ভালোমতই নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম। তার ওপর, গত ১৯ সেপ্টেম্বর পুলিশকে বিশেষ সতর্কাবস্থায় থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে পত্রিকায় খবর বেরিয়েছে। তো, পুলিশ "বিশেষ সতর্কাবস্থা"র নির্দেশ পাওয়ার পরই কিন্তু ঢাকাবাসী অজ্ঞান পার্টির পক্ষ থেকে একটি মৃত্যু এবং প্রায় অর্ধশত হসপিটালাইজেশনের একটি প্যাকেজ উপহার হিসেবে পেল!
জনাবিশেক মাদ্রাসাছাত্র যেভাবে বিমানবন্দরের মত রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় রশি দিয়ে টেনে একটা ভাস্কর্য নামিয়ে ফেলল, এর পেছনে খুব শক্তিশালী কোনো মহলের হাত আছে বলে অনেকেই মনে করেন। ঠিক একইভাবে, নির্বাচনের হাওয়া ওঠার পর, এ সংক্রান্ত নানান কেওস ম্যানেজমেন্ট করতে গিয়ে নাগরিক মধ্যবিত্তকে অজ্ঞান পার্টি নামক জুজুর ভয় দেখিয়ে সেই একই মহল কি কোনো সুদূরপ্রসারী উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায়?
সেই সুদূরপ্রসারী লক্ষ্যগুলো কি?
১. জরুরি অবস্থা শিথিল হওয়ার ফলশ্রুতিতে নাগরিক মধ্যবিত্তের রাজনৈতিক মবিলিটি যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়?
২. একে উছিলা বানিয়ে নিও লিবারাল সরকারের বস্তি উচ্ছেদ কর্মসূচির শেষ পর্বটি যাতে সুসম্পন্ন করা যায়?
৩. আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে টাকার চলাচলকে যাতে একটা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে আটকে রাখা যায়?
যেভাবেই দেখুন, অজ্ঞান পার্টি ইলেকশনে না খাড়াইলেও ইলেকশন খাড়া করাইবার পিলার হিসেবে ব্যবহৃত হৈতেছে কিনা, ভাববার বিষয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


