আমার প্রিয় পোস্ট
- মিসেস মেহবুবা জুবায়ের, যাস্ট শাট আপ... - মুনশিয়ানা
- শোকের রাজনীতি পার্ট টু - কৌশিক
- সচলায়তনে কমিউনিটি ফ্যাসিজম : ব্লগারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হওয়ার কারণ আছে - ফিউশন ফাইভ
- ভার্চুয়াল ও ননভার্চুয়াল ক্ষেত্র থেকে সামহোয়ারইনব্লগ কর্তৃপক্ষের ব্লগ রূপরেখা এবং এর ব্লগ, ব্লগার ও ক্রমঃবিবর্তিত পরিচালন পদ্ধতি - কৌশিক
- খিস্তি ঠাটে ত্রিতাল ভৈরবের জঙ্গনামা: সামহোয়ার নিয়ে আরো কিছু ভণিতা - রিফাত হাসান
- সামহোয়ারনামাঃ একটি ব্লগীয় ক্যাচাল সৃষ্টি এবং আধিপাত্য বিস্তারের হীন প্রকল্প - শিরোনাম
- সুমন রহমান এর 'সামহোয়্যারনামা ৪' এর প্রেক্ষিতে কিছু কথা (ত্রিভুজ) - ত্রিভুজ
- কাস্পারস্কাই ইন্টারনেট সিকিউরিটি-২০০৯ এর ভ্যালিড কি- 7/11/09 পর্যন্ত!!! - স্বাধীন_০৮
- বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কি (পশ্চিমা) জ্ঞানের (বাংলা) বিতরণ কেন্দ্র ?সুমন রহমানের লেখার প্রতিক্রিয়া - আহসান হাবিব শিমুল
- শেষ লেখা: হাঃ হাঃ, ডিয়ার কর্তৃ, গরুর জন্য ঘাস। - ব্রাত্য রাইসু
- লোকালটক, আনাল হক ও মনসুর হাল্লাজ - অমি রহমান পিয়াল
- ছোটগল্পঃ আমাদের এক বন্ধু পাহাড় বিক্রি করতো - মোস্তাফিজ রিপন
- লিজাইলাম - কৌশিক
- লেখকের মৃত্যু, পুরান মালের আড়ত আর জলেস্থলেঅন্তরীক্ষে একই কুমীরশিশুর প্রদর্শনী - আসিফ রহমান
- গল্পঃ জলের রঙে জলছবি - মোস্তাফিজ রিপন
- আমি যেদিন নিজের হাতে খুন হয়েছিলাম - আকাশচুরি
- তারার ফুল (কল্পগল্প) - (অ)গাণিতিক
- গানের প্রতিযোগিতা তিন চাকা ও কিছু ফাও গল্প - শওকত হোসেন মাসুম
- ছেলেকে না-বলা রূপকথা - সুমন রহমান
- ভাস্কর্য বিতর্ক: আরো কিছু নোট - রিফাত হাসান
- গরিবি অমরতা - সুমন রহমান
- কমিউনিষ্ট চীনের পুঁজিতন্ত্র ও মেলামাইন - পি মুন্সী
- কার্ল মার্কস ও তথাকথিত প্রকৃতি বিজ্ঞান (Natural Science) - পি মুন্সী
- মৃত্যুর মন্থর রিহার্সেল - বৃশ্চিক
সামহোয়ারনামা ৩
০৯ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:১৮
নিকবাজির একটা ধরনের কথা বলেছি আমি। বলাবাহুল্য এটাই একমাত্র ধরন নয়। নিকের চিরায়ত সাহিত্যিক ব্যবহারও দেখা যায় ব্লগে। দেখা যায় আমরা কোনো নিককে চিনি, এবং তার আড়ালে থাকা ব্যক্তিমানুষটিকেও। যেমন, এস্কিমো, কিংবা আকাশচুরি। এদের ক্ষেত্রে নিক হচ্ছে অর্নামেন্টাল। আবার এমন অনেকেই আছেন, থাকেন পাহাড়ে, কালেভদ্রে বাজারে আসেন। নিজের ব্লগে লেখেন, প্রথম পাতায় নিজেকে মেলে ধরতে অনীহা। তাদের প্রখর ধ্যান, এমন কি নিজেদের মন্তব্যের ঘরেও পায়ের ধুলা দেন না। বৃশ্চিক-এর কথা এ প্রসঙ্গে বলা যায়। "মৃত্যুর মন্থর রিহার্সাল" নামে একটা গল্প পড়েছিলাম তার, সেই স্বাদ ভুলবার নয়।
যেসব নিকের কথা এর আগের পোস্টে বলেছি, যাদের গালির তুবড়ি ফুটেছে আমার আগের পোস্টেও, এরা বড় দুঃখী। এদের আয়ু সীমিত। জননাঙ্গ নেই, শুধু দুধদাঁত দিয়ে এখানে ওখানে কামড় দিতে পারে। কখনো কখনো বাদুড়ের মত সন্ধ্যার আকাশে খানিক উড়াউড়ি করে। এতেই আনন্দ এদের। মাঝে মাঝে, বেশি বিরক্ত হলে আমি তাদের চিমটা দিয়ে ধরে মডারেশন প্যানেলে রেখে দিই। ছটফট করতে থাকে তারা, শ্বাস নিতে পারে না। নিজেকে তখন শিশুনির্যাতক মনে হয়। ছেড়ে দিই কাউকে কাউকে। কিন্তু ততক্ষণে আয়ু ফুরিয়ে এসেছে তার, কর্তৃপক্ষের সমন এসেছে ঘরে। ডানা কেটে দেয়া হয়েছে শিশুনিকের। ফলে ঐ বাধ্য শিশুভ্যাম্পায়ারকে মুক্ত করে দেয় ড্রাকুলা। আছর করে অন্য কোনো নিকে। রক্তশূন্য ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া ঐ নিকগুলোকে কেউ মনে রাখে না। আলাদা করে মনে রাখবার মত কোনো বৈশিষ্ট্যও থাকে না এদের।
পুরাকালে মিথিলা নামে একটা নিক ছিল। ঐ নারীনিকটির মৃত্যুতে শোকের তুফান উঠেছিল সামহোয়ারে। সেসময় আমি ছিলাম না এই ঘরে। শোকের মাতমের শব্দ কিছু শুনেছি সচলায়তনে বসে বসে।
নিক নিয়ে ইন্টারেস্টিং ঘটনা ঘটান কৌশিক। তিনি একবার কৌশিক নামে তার আইডিটাকে ওপেন করে দেন। এর অর্থ যে কোনো ব্লগার "কৌশিক" নিক নিয়ে মন্তব্য বা পোস্ট লিখতে পারবে। হলও তাই। কৌশিক নিকটি হয়ে উঠল একটা জ্বলজ্যান্ত পরস্পরবিরোধিতা, একটা অ্যাবসলিউট নন-ইউনিফর্মিটি! কখনো কৌশিক বলছে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে, কখনো বলছে জামাতের পক্ষে! কম্যুনিটি ব্লগে, যেখানে গোষ্ঠী মতাদর্শই ব্যক্তিপরিচয়ের স্মারক, সেখানে "কৌশিক" নিকটি কিছুদিনের জন্য হলেও একটা এনার্কি তৈরি করেছিল।
আলিফ দেওয়ান নিকটি এসেছিল মূলত আমাকে, মামো-কে এবং রাইসুকে উত্যক্ত করার জন্য। কিন্তু অন্যান্য নিক থেকে বিশিষ্ট হয়ে উঠে সে কিছুদিনের মধ্যেই। একটি বিশেষ ভাষাব্যবস্থা এবং আদব লেহাজের প্রচলন ঘটানোর কারণে। অনুসারী তৈরি হতে থাকে তার। অনুমান করি, এই শিশুভ্যাম্পায়ারটি যে পরিচয় অর্জন করতে সমর্থ হয়েছিল তা হয়ত তার প্রভু ড্রাকুলার বিশেষ পছন্দ হয় নাই। বা আলিফ দেওয়ান তার প্রভু ড্রাকুলার মধ্যেও হয়তো পরিচয়-সংকট তৈরি করেছিল। এখন তাকে দেখা যায় না আর, কিন্তু ব্যান না-হয়ে থাকলে এই পোস্ট পড়ার পর আরেকবার উঁকি দেবে সে, মনে হয়।
সেই বিচারে লোকালটক নিকের প্রভু ড্রাকুলাটি অনেক বেশি লিবারাল। বাড়তে দিয়েছে সে এই নিকটিকে যথেচ্ছমত। অনুমান করি, লোকালটকের প্রভু নিজ নামে সামহোয়ারে নিশ্চয়ই ব্লগান, কিন্তু লোকালটককে দাঁড় করাতে গিয়ে তিনি নিজের আসল পাতায় হয়তো নিজের অনেক বৈশিষ্ট্য এবং কর্মকান্ডই হাজির রাখেন না। নিকের জন্য এতখানি "স্যাক্রিফাইস" অন্য প্রভুদের করতে দেখা যায় না। আমরা অনেক নিককে চিনি তাদের প্রভুদের পরিচয়ে, যেমন অপ বাক মানে রাসেল (.....), চোর মানে অচ্ছুৎ বলাই ইত্যাদি। মনোগ্যামাস তারা। একমুখে দুইকথা বলতে শিখেন নাই। কিন্তু লোকালটকের প্রভু সেটা ভালভাবেই পারেন। এভাবে শিশু ভ্যাম্পায়ার থেকে নিজেই ড্রাকুলা হয়ে উঠে এই নিকটি। এমন কি আছর করতে শুরু করে পরিচয় গোপন না-করা ব্লগারদের ওপর। যেমন কৌশিককে ভর করে লোকালটক "অপরবাস্তব" সম্পাদনা করেছে গত বইমেলায়। ভার্চুয়াল আইডেন্টিটি হিসাবে লোকালটককে তার পূর্ববর্তী নিক-ট্র্যাডিশন থেকে একটা পরিষ্কার ডিপার্চার মনে হয়েছে।
সামহোয়ারনামা ১
সামহোয়ারনামা ২
প্রকাশ করা হয়েছে: নিম্নবর্গীয়পনা, পপুলার কালচার, প্রতিদিনের রাজনীতি বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
গৌতম রায় বলেছেন:
ভালো লিখেছেন। নিক যখন প্রভুকে ডিক্টেট করে, তখন মাঝে মাঝে শঙ্কা হয়।
লেখক বলেছেন: আমি সেই দিনের অপেক্ষাতেই থাকি, যখন নিক তার প্রভুকে ডিক্টেট করবে।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
পোস্টের ট্যাগে দেখি 'নিম্নবর্গীয়পনা' লেখা!
লেখক বলেছেন: ট্যাগ নিয়া ভাবিত না হৈলে খুশি হই। এটা জাস্ট আমার ফাইলিং সিস্টেমের জন্য।
কৌশিক বলেছেন:
ফাটায়ালাইছেন। নিক উন্মুক্ত করার পরে একটা মজার ঘটনা ঘটেছিল। বাকীবিল্লাহ প্রথমে আমার পাসওয়ার্ড দিয়ে ব্লগে ঢুকেছিল। একটা পোস্টও দিয়েছিল। শিরোনামটা ছিল এমন - নিকটা আমার ফিরাইয়া নিলাম টাইপ। কিন্তু সে পাসওয়ার্ড চেঞ্জ না করায় এরপরেই কে যেন আবার নিয়ে নেয়। সেই নিকে সে ত্রিভূজকে ভালোবাসার কবিতা লিখতো। আমি গেজ করি কাজটা ছিল অশ্রু নামের নিকের পেছনের ড্রাকুলার। কারণ অশ্রু ও সেই কৌশিকের কবিতাগুলো ছিল একই রকম। এছাড়া আরেকবার আমি আমার নিকটা রাগ ইমন কে দিয়ে অনুরোধ করেছিলাম আমার নিক দিয়ে একটা পোস্ট দেবার জন্য, আমার প্রয়োজনেই। সে আবার সেই নিকে বেশ কিছু মন্তব্য করেছে বিভিন্ন ব্লগে - কিন্তু বেচারী ধরা খেয়ে গেছিল, নিজেকে হাইড করতে পারে নাই।
লেখক বলেছেন: অশ্রু ত্রিভূজ আরেকটা ইন্টারেস্টিং ফেনোমেনন।
কিশোরি বলেছেন:
বলুনতো ভাইয়া নিক বিশেষজ্ঞ, আমি কে ?
লেখক বলেছেন: আমি নিক বিশেষজ্ঞ হওয়ার চেষ্টা করছি, নিক গোয়েন্দা হবার নয়।
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন:
::::::::::::::::::::::::::জরুরী নোটিশ :::::::::::::::::::::::::::::::::::::আগামী কাল ১০ মার্চ ২০০৯ মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় “ছবিরহাট” (চারুকলা ইনস্টিটিউটের বিপরিত দিকে) “বাংলাদেশ অনলাইন ব্লগারর্স কমিউনিটি”-র উদ্যোগে “গণস্বাক্ষর” কর্মসূচির চূড়ান্ত সীদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত আয়োজন সভায় বাংলাদেশে বসবাসরত সব ব্লগারদের এবং “গণসস্বাক্ষর” কর্মসূচির সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে জড়িত ব্যক্তিদের উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে।
উক্ত আলোচনা সভায় সাধারণ আলোচনাতে যে সব বিষয়ে প্রস্তাবনা ছিল, তা নিয়ে আলোচনা ও সীদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। গত কয়েকটি আলোচনা সভায় ও ব্লগে বিভিন্ন ব্লগারদের মতামতের ভিত্তিতে প্রস্তাবনা গুলো থেকে যে সব প্রশ্ন গুলো উঠে এসেছে, সে গুলো হচ্ছেঃ
১। “গণস্বাক্ষর” গ্রহণ করা কতদিন পর্যন্ত চলবে?
২। “গণস্বাক্ষর” গ্রহণ করা পর তা নিয়ে কি কি করা হবে?
৩। সারা বাংলাদেশে কিভাবে আরো তৃনমূল পর্যায়ে প্রচারণা চালানো যায়?
৪। ক্যাম্পিং গুলো কি কি ভাবে হবে?
৫। ব্লগার্স কমিউনিটির সাথে অন্যান্য সহযোগি সংগঠন ও সংস্থার কর্ম-পদ্ধতি গুলো কি হবে?
৬। আর্থিক সাহায্য কিভাবে দ্রুত নিশ্চিত করা যাবে?
৭। গণ-মাধ্যম গুলোতে এই কার্যক্রম গুলোকে আরো ফলাও করে প্রচারের তাগিদ কীরূপ হবে?
৮। “ওয়াক-ইন-ক্যাম্পিং” কার্যক্রমের জন্য বিভিন্ন জেলা ভিত্তিক প্রশাসনের ভূমিকা। ইত্যাদি।
উক্ত আলোচনা সভায় আপনার/আপনাদের উপস্থিতি কামনা করছি।
নাকি আরো জমজমাট খিলাড়ীদের নাম আসছে পরের পর্বগুলোতে?
আমার মনে হয় "কে বেশী রহস্যময়, আইজুদ্দিন না লোকালটক" -- এই শিরোনামে ব্লগে একটা জমজমাট বিতর্কের আয়োজন করা যাবে।
লেখক বলেছেন: সেরা খিলাড়ি বিচার করছি না আমি জ্বিনের বাদশা। আপনিই বা কম খিলাড়ি কিসে? অন্য খিলাড়িদের কথাও লিখব, যতদূর আমার জানা হয়েছে তার ভিত্তিতে। সামহোয়ারের পুরা বৃত্তান্ত তো আমার লেখার সাধ্য নাই।
কালপুরুষ বলেছেন:
চমৎকার লিখেছেন। পড়ে দারুন মজা পেলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কালপুরুষ।
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
জ্ঞানী পুস্ট। লেখেন। পুরাটা শেষ হইলে প্রিয়তে নিয়া যাব!! আপাতত ++
তয়, লোকালটকের পিছের ড্রাকুলারে জানতে মন্চায়!!
লেখক বলেছেন: আমিই লোকালটক!!
আমি অবশ্য শব্দটা "খিলাড়ী" লিখলেও, তেমন কোন খারাপ অর্থ নির্দেশ করতে চাইনাই ... আমি মনে করি সামহোয়ারে যা চলছে সেটা খুবই প্রাকৃতিক ... এরকম চড়াই উৎরাই পেরিয়েই এককেটা সিস্টেম একসময় থিতু হয় ... সামহোয়ার একটু থিতু হবার সময় পাচ্ছে আবার একই সাথে এর আকারও বাড়ছে ... তাই থিতু হবার পর আবারও বিবর্তনের ধারায় ঢুকে পড়ছে ... এটা হয়তো চলবে আরও লম্বা সময়
আপনার সুস্বাদু সামহোয়ারনামা চলতে থাকুক
লেখক বলেছেন: খিলাড়ি ভালো অর্থেই নিয়েছি আমি।
লেখক বলেছেন: মতামতও দিয়েন। নিদেনপক্ষে প্লাস বা মাইনাস।
আই লাভ ব্লগিং বলেছেন:
ভালো বিশ্লেষণ। +
আই লাভ ব্লগিং বলেছেন:
আলিফ দেওয়ানের ব্যাপারে মনে হয় একটু ভুল করছেন। তার প্রাথমিক টার্গেট নিঃসন্দেহে ত্রিভুজ। পরে সে আপনাকে, মামোকে এবং ব্রাত্য রাইসুকে টার্গেট করে।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা। এটা জানা ছিল না।
আই লাভ ব্লগিং বলেছেন:
আরেকটা কথা - রাসেল (........) এবং অপ বাক এক ব্যক্তি - এ ব্যাপারে আপনি শিওর?
সুমন রহমান বলেছেন:
তার বন্ধুরা তাই বলে।
সত্যেন্দ্র ছাতু বলেছেন:
পিমুন্সি নিকে সুমন রহমান ভাইয়ার বাদুড়পনাও দুর্দান্ত!
সত্যেন্দ্র ছাতু বলেছেন:
আর সুমন রহমান ভাইয়াও আমারব্লগে মোস্তাক নিক নিয়ে এরে ওরে পিছন দিক দিয়ে ভালবাসতে চেষ্টা করেছিলেন। পরে ধরা পইড়া মোস্তাক নিকটার আর বিষদাত গজাইতে পারল না।
লেখক বলেছেন: এইটা কিন্তু ঠিক কৈলেন আপনি। মোস্তাক নামে একটা নিক নিয়েছিলাম আমারব্লগে। সেই নিক দিয়ে কিছুই করি নাই আমি। খালি দুয়েকবার লগ-ইন করে বসেছিলাম চুপচাপ। তাতেই মোস্তাক বিখ্যাত হয়ে গেল!! আমারব্লগ কর্তৃপক্ষ এভাবেই ব্লগারের সিক্রেসি সংরক্ষণ করেন!!
সত্যেন্দ্র ছাতু বলেছেন:
পিমুন্সি নিকটাও ফাস হইছে। দুইটা গাইল সামুরেও দিয়েন ভাইয়া।
পরিমল কায়সার বলেছেন:
অসাধারন বিশ্লেষন!!!!!
লেখক বলেছেন: এইটা আমারই একাউন্ট। প্রথমে এটা খুলেছিলাম। পরে পাসওয়ার্ড হারায়া যাওয়ায় বর্তমানটা খুলি।
লেখক বলেছেন: একদিনের জন্য মডু হৈতে চাইয়া আবেদন করতে পারেন।
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
বাপরে কীসব ব্যাপার!কৌশিকের এই কাণ্ডটা জানা ছিলনা।
রাসেল=অপবাক? জানা ছিলনা।
সুমন রহমানও মোস্তাক নাম নিতে পারেন, জানা ছিলনা। আবার আমারব্লগ যে এরকম পেট পাতলা, তাও জানা ছিলনা।
এই সিরিজে আপনি যেসক চিত্রকল্প আঁকছেন তা অসাধারণ।
কয়টা এপিসোডের প্ল্যান আপনার? উত্তেজনা কতদূর উঠতে দেবো তার অনুমান করতে মন্চায় (এই শব্দটা বেশ মজা লাগে, প্রথম লিখলাম)।
লেখক বলেছেন: আমার তো একটা বইই লেখার প্ল্যান, ফাহমিদুল। প্রকাশক পাওয়া গেলে আগামি মেলায়...
মোস্তাক নাম নিয়েছিলাম ঠিক, কিন্তু তাকে কোনো কাজেই লাগাতে পারলাম না। এতেই বুঝলাম আমি আসলে উত্তরাধুনিক হয়ে উঠতে পারি নি।
ত্রিভুজ বলেছেন:
তিন পর্বই পড়লাম... জটিল হচ্ছে... আরো পর্ব আসবে নাকি?"মাঝে মাঝে, বেশি বিরক্ত হলে আমি তাদের চিমটা দিয়ে ধরে মডারেশন প্যানেলে রেখে দিই। ছটফট করতে থাকে তারা, শ্বাস নিতে পারে না। নিজেকে তখন শিশুনির্যাতক মনে হয়।"
এই তিন লাইনের জন্য ৩ টা প্লাস ...
লেখক বলেছেন: আসবে না মানে? সামহোয়ারে ত্রিভুজ-ফেনোমেনন ছাড়া আলোচনা শেষ হবে নাকি? তবে আফসোস এই এপিসোডের অনেক কিছুই আমার ভাসা ভাসা জানা।
লেখক বলেছেন: হুট করে ঠিক নয়, সুশান্ত। মোস্তাক নিক নেয়ার কয়দিন পর চোর মহাশয় সুমন রহমানকে আক্রমণ করে আমারব্লগে যে পোস্টখানা লেখেন সেখানে তিনি সুমন রহমান প্রসঙ্গে "বোকাচুদা মোস্তাক" শব্দবন্ধটি উৎপন্ন করেন এবং ব্যবহার করেন। এখন আমি নিজেকে নিজে জিজ্ঞেস করলাম, আমার "মোস্তাক" নিক চোরে জানল ক্যামনে? চোর কি আমারব্লগের মডারেটর?
"দ্য আনসার ইজ ব্লোয়িং অন দ্য উইন্ড"
চাপানো হয় নি সু-শান্ত, বিবৃত করা হয়েছে মাত্র।
অমিত বলেছেন:
রাসেল=অপবাক , এই ধরণের ব্যাপারগুলা মনে হয় স্বয়ং ব্লগারের মুখ থেকে শোনা ভাল। বন্ধুরা বলে টাইপের তথ্যসূত্র আসলে ঠিক মানসম্মত ব্যাপার না। এছাড়া আপনার মোস্তাক নিকটি নিয়ে যেই অনুরাগ মিশ্রিত অভিমান আপনে আমারব্লগের প্রতি দেখালেন, সেই একই কথা আসলে বলা যায় অপবাক নিকটি বিষয়ে সামহোয়ারইন কর্তৃপক্ষের প্রতি। সামহোয়ারইনের সব কিছু বন্ধুরা বলে আর আমারব্লগের সব কর্তৃপক্ষরা বলে ?
লেখক বলেছেন: মোক্ষম যুক্তি, অমিত। মেনে নিলাম। আসলে অপ বাক যে এখনো আদৌ গোপন আছে সেই ধারণাই আমার ছিল না। আমার ধারণা ছিল এটা ওপেন সিক্রেট।
আমারব্লগ নিয়ে কোনো বিদ্বেষ আমার নেই। যে কয়দিন লিখেছি, ভালোই লেগেছে। ভবিষ্যতেও হয়ত লিখবো আবারো।
দেশী পোলা বলেছেন:
আপনার মত স্বনামধন্য ব্লগারের ব্লগ পড়ে আমি অত্যন্ত ভাগ্যবান বোধ করছি।
লেখক বলেছেন: আপনি পড়েছেন তাই আমি নিজেও ভাগ্যবান হয়ে উঠেছি।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
০১.নিক হিসেবে সবচাইতে আলোচিত নি:সন্দেহে ডাক্তার আঈজুদইদন এবং লোকালটক। দুজনকেই আমার সিরাজুল আলম খান এর মতো রহস্যময় মনে হয় । এদের পেছনের মানুষ কারা , সেটা জানতে ইচ্ছা হয় না , কারন সেই রহস্য ভেঙ্গে পড়লে আর মজা থাকে না আমার ।
০২.
রাসেল ( ........)= অপবাক ??
এই ধরনের কথা ব্লগে এভাবে লিখাটা টেকনিক্যালী সমস্যার সৃষ্টি করে । রাসেল অথবা অপবাক যদি এ কারনে কমপ্লেন করেন , তাহলেন নীতিমালার খপ্পরে পড়ে আপনার ব্লগ জীবনও গ্যাঞ্জামময় হয়ে যাবে ।
বর্তমানে নীতিমালা মুখস্ত করছি তো , তাই এসব খুব ভালোভাবে জানি ।
০৩.
তাছাড়া রাসেল=অপবাক অথবা অচ্ছুৎবলাই =চোর বা সুমন রহমান= মোস্তাক যদি হয়েই থাকেন , তাহলেও তাঁরা একাধিক নিক নিয়েছেন তাদের পরিচয়কে ঘুরে রাখতে । এটা নিয়ে প্রকাশ্যে এভাবে জানান দেয়া ( সেটা বন্ধু সূত্রে হোক কিংবা অন্য সূত্রে ) কতোটুকু যৌক্তিক , সেটা জানি না ।
০৪.
ফাহমিদুল হক এর মন্তব্য পড়ে অবাক হলাম ।
সুমন রহমান= মোস্তাক , এই তথ্যটি আমরা জানলাম ; এর মানে বুঝলাম যে আমারব্লগ কর্তৃপক্ষ পেটপাতলা ।
এখন একই সাথে জানলাম অপ বাক = রাসেল , এই নিক দুটোই সামহোয়্যারের ; এই বিষয়ে মিডিয়া গবেষক ফাহমিদুল হকের কাছে আমার জানতে ইচ্ছে করছে যে ,
সামহোয়্যারের পেট পাতলা , এমনটা উনি মনে করেন কি না ?
লেখক বলেছেন: আপনার উত্থাপিত পয়েন্টসমূহ যৌক্তিক, আরিফ জেবতিক।
তবে কথা হল, এ-সবই ডিসকার্সিভ। যদি না সুনির্দিষ্টভাবে কারো বিরূদ্ধে কোনো অভিযোগ উত্থাপন করা হয়। আমার এই পোস্ট যদি কাউকে হেয় করার উদ্দেশ্যে প্রণীত হত তবে এরকম লিখাটা হয়ত যৌক্তিক হত না। লক্ষ্য করুন, আমি কোনো কিছু প্রমাণ করছি না, একটা বিশ্লেষণ করছি মাত্র। সেও আমার জানাশোনার পরিধিতে দাঁড়িয়ে। রাসেল= অপবাক কিংবা চোর= অচ্ছ্যুৎ বলাই না হলেও আমার বক্তব্য পাল্টায় না। এগুলো আমি দৃষ্টান্ত হিসেবে ব্যবহার করেছি মাত্র। এবং এটা বোঝাতে যে অনেক ব্লগার আছেন যারা স্বনাম এবং নিকনাম যুগপৎ ব্যবহার করেন।
জহির আহমেদ বলেছেন:
আমারব্লগে প্রথমদিকে আইপি অ্যাড্রেস ওপেন ছিলো। কোন ব্লগারের পোষ্টে কেউ মন্তব্য করলে পোষ্টদাতা মন্তব্যকারীর আইপি অ্যাড্রেস দেখতে পেতো। এতে সিক্রেট কিছু ছিলো না আমারব্লগের পেটপাতলা কথা ওঠে কেন?রাসেল (.....) = অপ বাক হলে দোষের কিছু নেই, কারণ, রাসেলের পরে ৫ ডট দিয়ে কোন ব্লগার নাই, তবে ডটের সংখ্যা আরো ৩ টি বেশি হলে সামহোয়্যারিনকে তার এই নব্য রেসিডেন্ট ভাঁড় কি বিপদে ফেললো না?
জহির আহমেদ বলেছেন:
ছুমন্দার ব্যাড লাক এমুন খারাফ। গ্যালো সচুতে মডু ুদাইতে, দিলো লাত্থি মাইরা খেদাইয়া। গ্যালো আমুব্লগে মাতবরি করতে, চোর লালমিয়া মিল্যা দিলো ুন্দাইয়া। শ্যাষম্যাষ কলুরে ত্যাল দিয়া যুদি আলুব্লগে কিচু একটা কর্বার পারে।
লেখক বলেছেন: হে বালক, তোমার প্রভুরা এসেছে, এবার ক্ষান্ত দাও।
অপ বাক বলেছেন:
আপনার লেখা পড়ে বিস্মিত ও চমৎকৃত হলাম।আপনার কোনো এক বন্ধু আপনাকে বলেছে কিংবা আমার কোনো বন্ধু আপনাকে বলেছে রাসেল( ........) এবং আমি একই ব্যক্তি, এবং আপনি সরল মনে এই সত্যের মুখোশ উন্মোচন করলেন।
পেশাদারিত্ব কিংবা দায়বদ্ধতা কিংবা সচেতন আচরণ কাম্য ছিলো, কিন্তু অযথা উড়ো কথা ছড়ানোর মতো নাবালক আচরণ করে আপনি নিজের মানসিকতার যে প্রমাণ রাখলেন, সেটাতে দুঃখিত হলাম।
আশা করবো আপনি নিজের এই বিভ্রান্তি ছড়ানো লেখা সংশোধন করে ক্ষমা প্রার্থনা করবেন। এবং আশা করবো আমার সেসব বন্ধুর নামও আমাকে জানিয়ে বাধিত করবেন।
লেখক বলেছেন: অপ বাক, পুরো জিনিসটা আমার বা আমাদের পারসেপশন। এখানে কোনো কিছু প্রমাণ করার চেষ্টা হচ্ছে না, বিশ্লেষণ করা হচ্ছে মাত্র। রাসেল= অপ বাক যদি পারসেপশন হিসেবে ভুল হয়েই থাকে তবে সেটার দায় লেখক হিসেবে আমার এবং আমার এই পারসেপশনজনিত ভুল আমার বিশ্লেষণের ওপর নোক্তা হিসেবে আমি রেখেই দিতে চাই। পাঠক জানুক যে আমি ভুল পারসেপশনের ওপর দাঁড়িয়ে বিশ্লেষণ করছিলাম। পাশাপাশি আপনাদের বক্তব্যগুলোও মুছে দিচ্ছি না, যাতে বোঝা যায় উল্লেখিত পোস্টে আমি কিছু ভুল "পারসিভ" করেছিলাম এবং আপনারা সেগুলো ধরিয়ে দিয়েছিলেন।
বিভ্রান্তি ছড়ানো ক্ষমা প্রার্থনাজাতীয় যেসব কথাবার্তা আপনি বলেছেন সেগুলোও আপনার "সাবালকত্ব"এর নিদর্শন হিসেবে রেখে দিচ্ছি।
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
আমারব্লগের সবকিছু আমি জানিনা, তাই ওরকম মন্তব্য করা মনে হয় ঠিক হয়নি। আমি আমারব্লগের অনিয়মিত পাঠক। তবে সুমন রহমানের টোনটাকে আমি সম্প্রসারণ করেছি মাত্র। কিন্তু আরিফ জেবতিক যেভাবে কথাটার টুইস্ট করলেন তাতে আমিও অবাক হলাম। সুমন জানাচ্ছেন যে তিনি মোস্তাক নামটা নিতে না নিতেই নিকের মুখোশ খুলে গেল। তিনি কর্তৃপক্ষের দিক থেকে ব্লগারের গোপনীয়তা রক্ষা করতে না পারার দিকে ইঙ্গিত করেছেন।
সেইটা রাসেল=অপবাকের ক্ষেত্রে খাটছে না। কারণ এক্ষেত্রে সামহোয়ার কর্তৃপক্ষ দূরে বসে মুচকি হাসছেন মাত্র বা আদৌ হাসছেন না।
লেখক বলেছেন: ফাহমিদুল, আমার কিন্তু মনেই হয়েছে আপনি আমার টোনটাকে সম্প্রসারণ করেছেন মাত্র। সেক্ষেত্রে তলোয়ার আপনার ঘাড়ের ওপর ধরাটা অন্যায় হয়েছে। অমিত এবং আরিফ জেবতিককে এ বিষয়ে আরেকটু সুবিবেচনাসহ আগাতে অনুরোধ করি।
অমিত বলেছেন:
@ ফাহমিদুল হক,আপনার মন্তব্যের ২য় অংশ নিয়ে যদি স্বয়ং আপনার মনেই সন্দেহ থাকে, তাহলে কষ্ট করে আমার উপরের মন্তব্যটা একটু দেখবেন কি ? ব্যাপারটার মধ্যে মনে হয় না কোনও টুইস্ট অথবা প্যারাডক্স আছে।
আর দয়া করে আমার মন্তব্যের টোনটাকে সম্প্রসারণ করার আগে একটু বিশ্লেষণ করে নিয়েন ভাই।
#
আপনার যে কোন লেখা পড়তে পারাটা সবসময়ই আনন্দের। এই সিরিজটাও দুর্দান্ত হইতেছে। একটা কথা মনে হয় যে, শুধুমাত্র `সত্য' বলাটাই জরুরি না, বরং কিভাবে বলা হইতেছে সেইটাও জরুরি, যেভাবে আপনি বলতে পারতেছেন, সেইভাবে বলার ক্ষমতাটা যে আর কারো নাই, সেইটা দিন দিন আরো স্পষ্ট হইতেছে। মন্ত্যবকারীদের উষ্মাটাও উপভোগ করার মতো। এই বলাটাকে যে অনেকেই অপছন্দ করবে, এইটা ধারণা করতেছিলাম . . . কিন্তু তাদের বলার মতো যে কিছুই নাই, সেইটা মোটামুটি বিস্মিত করলো! তারা কি আসলে এতোটাই ফাঁপা, এতোটাই ভীত!
#
আপনার লেখার ঝাঁঝ অব্যাহত থাকুক!
লেখক বলেছেন: উপভোগ করছি আমিও, ইমরুল। ধন্যবাদ।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
জানিনা কাইজ্জার মধ্যে জড়াইতেছি কিনা তবে রাসেল ভাই আর অপবাক একই ব্যাক্তি এমনটা আমাকে প্রথম বলেছিলো নাস্তিকের ধর্মকথা।এবং পরবর্তীতে অপবাক এবং রাসেল ভাইয়ের লেখার ধরণটা আমার কাছে একইরকম মনে হতো(হয়তোবা প্রিকনসিভড আইডিয়ার জন্যই)।দুইজন আলাদা ব্যাক্তিও হতে পারেন তবে নিকদুটোর পোষ্টগুলোর নিরীক্ষণ করে নিকের আড়ালে খুব কাছাকাছি মতামতবহী দুজন লোক মনে হয়।তবে বন্ধুদের কাছে শুনে রাসেল এবং অপবাক একই ব্যাক্তি এইটা লেখা ঠিক
হয়নাই।(এবং আমি বোধহয় আগুনে ঘি ঢাললাম)।
কেউ নিকের আড়ালে থাকতে চাইলে তাকে থাকতে দেওয়া ব্লগীয় নৈতিক দ্বায়িত্ব।
লেখক বলেছেন: আমার আগের মন্তব্যগুলোর জবাব খেয়াল করুন।
রাসেল অপ বাক না হলেও আমার মূল প্রিমাইজ-এর কিছু অদল বদল হয় না। আমি বলতে চেয়েছিলাম অনেকেই এখানে নিক নিয়ে এবং মূল নামে ব্লগান, কিন্তু কালেক্রমে আমরা দুজনকেই একই লোক বলে চিনতে পারি, বা তিনি চেনাতে সাহায্য করেন।
আপনার যেমন ঐ দুজনকে পর্যবেক্ষণ করে কাছাকাছি মনে হয়েছে, আমারো তেমনি লেগেছে। এটুকুই। সেটা ভুল হয়ে থাকলে ভুল। পারসেপশনের ভুল। হতেই পারে। ভুল পারসেপশন নিয়ে আমি যদি কারো চরিত্রনাশ করতাম বা কোনো অভিযোগ দাঁড় করাতাম সেক্ষেত্রে আমার দায়িত্ববোধ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারতো।
পরিমল কায়সার বলেছেন:
০৯ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৪৩লেখক বলেছেন: আপনার উত্থাপিত পয়েন্টসমূহ যৌক্তিক, আরিফ জেবতিক।
তবে কথা হল, এ-সবই ডিসকার্সিভ। যদি না সুনির্দিষ্টভাবে কারো বিরূদ্ধে কোনো অভিযোগ উত্থাপন করা হয়। আমার এই পোস্ট যদি কাউকে হেয় করার উদ্দেশ্যে প্রণীত হত তবে এরকম লিখাটা হয়ত যৌক্তিক হত না। লক্ষ্য করুন, আমি কোনো কিছু প্রমাণ করছি না, একটা বিশ্লেষণ করছি মাত্র। সেও আমার জানাশোনার পরিধিতে দাঁড়িয়ে। রাসেল= অপবাক কিংবা চোর= অচ্ছ্যুৎ বলাই না হলেও আমার বক্তব্য পাল্টায় না। এগুলো আমি দৃষ্টান্ত হিসেবে ব্যবহার করেছি মাত্র। এবং এটা বোঝাতে যে অনেক ব্লগার আছেন যারা স্বনাম এবং নিকনাম যুগপৎ ব্যবহার করেন।
কিন্তু ভাইয়া, আপনি তাহলে দৃষ্টান্ত দিতে গিয়ে সুমন রহমান = মোস্তাক এর মত একটি সলিট দৃষ্টান্ত ব্যবহার না করে লোকের মুখে শোনা কথা দৃষ্টান্ত হিসাবে ব্যবহার করলেন কেন?
লেখক বলেছেন: কারণ মোস্তাকের জন্মই কেবল হয়েছিল। নিক হিসেবে দাঁড়ায় নাই। লোকে তাকে চেনে না।
পরিমল কায়সার বলেছেন:
তাহলে সুমন রহমান = পিমুন্সি দৃষ্টান্ত হিসাবে ব্যবহার করা যেতো। পিমুন্সিকে তো লোকে চিনে।
লেখক বলেছেন: সেই অনুমান তো মাত্র গতকাল খাড়াইল। আরেকটু খাড়া করান ভবিষ্যতে ব্যবহার করুম নে।
বোঝা গেছে জিনিসটা?
মুনশিয়ানা বলেছেন:
সুমন ভাই, আর কেউ না জানুক- অন্ততঃ আমি জানি আপনি পিমুন্সি নন। যে কেউ প্রশ্ন করতে পারে আমি এতো নিশ্চিত হইলাম কি ভাবে??খুব সহজ উত্তর--কারন আমি নিজেই পিমুন্সি।
( সবাই হালার লুকাল টক হইবার চায়, তয় আমি পিমুন্সি হমু না ক্যালা???)
লেখক বলেছেন: ব্লগের একটা নিজস্ব কনস্পিরেসি থিওরি আছে, টের পাচ্ছেন নিশ্চয়ই।
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
সামহোয়্যারে দীর্ঘ সময় ধরে রহস্যময় নিক ছিল ডাক্তার আইজুদ্দিন। মাত্র ছয়-সাত মাস আগে আমি তাকে শনাক্ত করতে সক্ষম হই। এবং তিনি আমার প্রিয় ব্লগারদের একজন।হ্যাঁ, এটা ঠিক যে আমি বছরখানেক আগেও নিজ নামে নেওয়া নিকে ব্লগাতাম। এখন কালেভদ্রে ওই নিকে লগইন করি। তবে আমার চিরপরিচিত প্যাটার্নের বাইরে এক থেকে দুই বছর বয়সী দুটি মোটামুটি জনপ্রিয় নিকের মালিকও আমি। তারা চলছে তাদের মতো করে। লোকালটক সেখানে নাক গলায় না!
লেখক বলেছেন: আইজুদ্দিন বিষয়ে অল্প অল্প জানি। লিংক দিয়ে সাহায্য করুন।
দিশাহারা ওমর সোলাইমান বলেছেন:
কি জানি এক লেডী ওয়ালা নিকের নাম দেখলাম।
লেকা পড়লে বোজাই যায় না যে লোকালটক মেয়ে নিকে এত বালো করতে পারে।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
পড়লাম, মজাই লাগলো। এইসবেরও দরকারাছে।কৌশিক@ অশ্রু নিক নিয়া আপনার গেসগেম ভুল। জিরো পাইছেন।
লেখক বলেছেন: কতকিছুরই দরকার আছে পিয়াল, আবার কতকিছু ছাড়াই চলে যায় আমাদের!
অশ্রু নিয়া আরো কিছু কন তো, আগ্রহ পাচ্ছি!
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
দুঃখিত, আমার আগের কমেন্টটি রেজওয়ান শুভের একটি পোস্টের জন্য। প্রাসঙ্গিকতাহীন তাই মুছে দিলে ভালো হবে।
লেখক বলেছেন: অত্র এলাকাতেও কি খুব বেমানান লাগছে। থাকুক না!
টোনাটুনি বলেছেন:
সুমন ভায়া আপনি এত মিথ্যা কেন বলেন ভায়া?আপনি কইলেন মুস্তাক নামে আপনি কিছুই বলেন না বা করেন নাই
তাহলে নিচের ছবিতে লেখাটা কি লুকাল বানাইয়া দিছে?
যদি তাই বলেন তাহলে আরও শটসহ লিংক দিব আপনাকে সত্য স্বীকারের জন্য
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
দিশাহারা ওমর সোলাইমান @ কোনো মেয়ে-টেয়ের নিক আমার নেই। আমি যে দুটি নিকের কথা বলেছি ওপরের মন্তব্যে। এই দুইটা অনেক পুরনো নিক এবং আমার চিরাচরিত প্যাটার্নের সঙ্গে তার কোনো মিলই নেই। এ দুটি নিক পুরনো ব্লগাররাও চেনেন সম্ভবত। এবং এর মধ্যে একটি নিককে অনেক ব্লগারের প্রিয় লিংকে দেখি। মেয়ে-ছেলে নিয়ে কাজকারবার নাই আমার।
টোনাটুনি বলেছেন:
সুমন ভায়া আছেন?
লেখক বলেছেন: স্যরি, একটা মুভি দেখতেসিলাম। হুম.., দেখা যাচ্ছে মোস্তাক নিকে আমার একটা মন্তব্যও আছে! থাকতে পারে। আমার মনে নাই। তবে কোনো পোস্ট নাই এটা শিউর। আর নিকের সুযোগ নিয়া কোনো অবসিন কথাও বলি নাই, এটাও শিউর। সেরকম থাকলে হাজির করেন।
অপ বাক বলেছেন:
সুমন রহমান বিষয়টা আমার পরিপক্কতার নয়, আপনি নিজের নামে লিখবেন না ছদ্মনামে, আপনি কাউকে গালি দিবেন না কি মাথায় তুলে নাচবেন, এটা নিয়ে আমার আপত্তি নেই, আমার বক্তব্য অনেক আগেও যা ছিলো, এখনও তাই আছে, যখন আমি কিছু লিখি, তখন সেটার ভালো মন্দ সবটুকুর দারভার আমার কাঁধে নিয়েই লিখি, যখন কোনো লেখায় মন্তব্য করি, সেইটুকুর দায়িত্বও আমি নিজেই নিয়ে থাকি। এবং জনপ্রিয় সন্দেহ, আমার মনে হলো বিষয়গুলো যখন অন্য কারো ব্যক্তিগত পরিচয়কে আহত করে, সেই বিষয়টাকে আমি নিজের দায়িত্বহীনতা মনে করি এবং এমন অহেতুক আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করি। এটা সাবালকত্ব নয়, এটা দায়িত্বজ্ঞানসম্পন্ন একজন মানুষ, যে নিজের বক্তব্য ভুল হলে সেটা স্বীকার করতে আগ্রহী এমন একজনের অবস্থান হওয়া উচিত।যদি আমার অবস্থান ভুল হয়, কিংবা আমি কোনো উদ্ভট সন্দেহ করে থাকি, এবং সেটা নিয়ে যদি কেউ আপত্তি জানায়, তবে সেই ভুলের সংশোধন করাটাই ভদ্রলোকজনিত রীতি।
আপনি যে ভুল করেও সেটা প্রকাশিত রেখেছেন এবং আমাকে সাবালকত্বের জ্ঞান প্রদান করছেন, সেটাতে আপনার বিবেচক চরিত্র প্রকাশিত হচ্ছে না।
লেখক বলেছেন: আগে ঘাড়ে ধরে দুঃখপ্রকাশ করাতে চেয়েছিলেন, এখন হাতে ধরে!! আরো নিচের দিকে নামার আগে এটুকুই বলি, আপনার আগের কমেন্টে আমার জবাবটি পড়ুন। নো হার্ড ফিলিংস!!
ত্রিভুজ বলেছেন:
বেশী ভাসা ভাসা জানা তথ্যগুলো পুরানো কিছু ব্লগারের কাছ থেকে জেনে নিতে পারেন.. পুরানো অনেক পোস্ট আছে যেগুলো দেখলে অনেক কিছুই আপনার কাছে পরিষ্কার হয়ে যাবে। যেমন খুব গুরুত্বপূর্ন কিছু ফ্যাক্টের একটি হচ্ছে এই ব্লগে তথাকথিত রাজাকারী নিকগুলো সব ব্লগীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সৃষ্টি। এই তথ্য আমি গত তিনবছর ধরে দিয়ে আসলেও সম্প্রতি এর স্বপক্ষে খুব জোড়ালো প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে।আপনার সুবিধার জন্য কিছু লিংক দেই.. হয়তো কাজে আসবে-
১) Click This Link
২) Click This Link
৩) Click This Link
৪) Click This Link
৫) Click This Link
এরকম আরো অনেক আছে..... সামহোয়্যারইনের হিস্টোরী লিখতে গেলে আস্ত উপন্যাস হয়ে যাবে.. এই উপন্যাসে আমরা তিন বছরেরও বেশী সময় ধরে উপভোগ করছি....
যাই হোক, আপনার এই লেখাটা যত বড় হবে তত ভাল... মজা পাচ্ছি পড়ে...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ত্রিভূজ, লিংকগুলো কাজে আসবে।
ত্রিভুজ বলেছেন:
আরেকটি বিষয়... রাসেল (.....) = অপ বাক, এরকমটা আমিও জানতাম। একদম প্রথম দিকের অনেকেই এরকমটা জানেন.. তবে এটা নিয়ে আরো বিস্তারিত জানার চেষ্টা করিনি কখনো.. রাসেল (....) প্রথম দিকে ধর্মীয় বিষয় নিয়ে খোঁচাখুচি করে কিছুটা আলোচিত হলেও পরে আর তাঁকে তেমন পাওয়া যায়নি.. আর অপ বাক কোন সময়ই আলোচিত ছিলো না। তেলাপোকা, শাওন বা অন্য আরো পুরানো ব্লগাররা এই বিষয়ে আরো ভাল বলতে পারবে।
লেখক বলেছেন: নানাজন নানাকারণে আলোচিত হয়। বা হতে পারে। আর এই সমীকরণটা এত সর্বজ্ঞাত যে আমি ভেবেছিলাম এটা হয়ত লেখক নিজেই ফাঁস করে দিয়েছেন।
লেখক বলেছেন: নিকের পরিচয় ফাঁস করাটা এই লেখার উদ্দেশ্য নয়। দৃষ্টান্ত হিসেবে দুয়েকটা নিকের কথা এসেছে। তারা প্রতিবাদও করেছেন সময়মত। ফলে আমার দৃষ্টান্তগুলো স্রেফ কাল্পনিক দৃষ্টান্ত হিসেবে নিলে ভাল হবে।
অমিত বলেছেন:
"তিরিভুজপাদ সপ্টোয়ারের পতিষ্ঠাত সবাপতি, গুগুলের যম, ইসকিপ্ট কিডিদের জানি দুস্মন, ১০০১টি নিকের অদিকারি, ১০১টি অসমাপ্থ পজেক্টের বেভস্তাপক, ছুরাই লেপ্ঠপের কার্বারি, গত আড়াই বৎশর ধরি জিয়ারি পরিক্কার্তি, এডাল্ঠ ওয়েপছাইটের এডাল্ঠ মডারেঠর, সামুবলগের সাবেক মেগাষ্ঠার ছাগুরাম " উরফে তিরিভুজ যখন রাসেল/অপবাকের পোস্টের মূল্যায়ন করতে আসে, তখন মনের অজান্তেই আতংকে চোখ বন্ধ করে বলি, "হে ধরণী দ্বিধা হউ...
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
ট্র্যাকার বসানো লিংকের কারবারী বাদ পড়ছে@অমিত
লেখক বলেছেন: এত পর্ব তো টানতে পারবো না!
সত্যেন্দ্র ছাতু বলেছেন:
ইশান জয়দুদের সাবটাইটেল ছিল কথাজীবী। আজকাল পেপারে সুমন রহমান ভাইয়ার সাবটাইটেল দেখি লেখক ও গবেশখ। গত কয়েক বছরে তিনি ভোল পাল্টাইছেন। নাকি কথা দিয়াই গবেসোনার কাজ চালাইয়া দেন কে জানে।সুমন রহমান ভাইয়া অপরের নিক লইয়া বিয়াপক গবেসোনা করলেও বলগার ভাই ও বোনেরা কি জানেন যে তিনি নিজেই একটি জলজ্যান্ত নিক? সুমন রহমান তাহার নাম নহে, নিক মাত্র। যদিও তিনি এখন দাবি করেন উহা তাহার দাদার রাখা নাম, কিন্তু তাহা সত্য নহে। বিশ্বাস না হলে পাসপোর্ট দেখেন।
আজ যখন সবাই পিলখানার ঘটনায় হতবাক ও নানা বিশ্লেশনে ব্যস্ত, সুমন রহমান ভাইয়া শুরু করেছেন সামুনামা। আর তেনার সহযোগি ছাগুরা সমানে নানা মগবাজারি পোস্ট পোস্টাইয়া যাইতাছে। কিন্তু লোকজন ব্যস্ত সুমন রহমানের সাথে মোরগ লড়াইয়ে।
ত্রিভুজ পর্যন্ত সামুবলগে দৌড় পাইড়া আসছে!
সুমন রহমান ভাইয়া, ভালো হইয়া যান। গালে ত্রিভুজের চুম্বনের দাগ লইয়া আর কত ঘুরবেন? মাইনষে হাসে তো!
লেখক বলেছেন: ছাতুজি, বাজারে এখন আপনের ওস্তাদেরাই আছে, কারিশমা একটু কম দেখান!!
কৌশিক বলেছেন:
এরপরে.....আমি বলবো...এটিমে আমার বিখ্যাত নিকের কাহিনি....
লেখক বলেছেন: কখন কৈবেন? বেলা যে বয়ে যায়!!
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
ফাহমিদুল হকের মন্তব্যটি পড়লাম । দূর্দান্ত কমেন্ট , যুগান্তকারী ।আপনি কইলে সম্প্রসারন আর কইলে টুইস্ট !!!
হতে পারে ।
কৃষ্ঞ করলে লীলাখেলা / যতো দোষ আমার বেলা ।
সামহোয়্যারের কর্তৃপক্ষ দূরে বসে হাসছেন বা আদৌ হাসছেন না জেনেও প্রীত হলাম । কর্তৃপক্ষের খোঁজখবর রাখা ব্লগারদের সংখ্যা ইদানিং দেখা যাচ্ছে বেড়ে গেছে । ভালো । খুবই ভালো ।
লেখক বলেছেন: আরিফ আপনার প্রোফাইলের টুপিটা খুব সুন্দর!
অপু ফিরোজ বলেছেন:
আজগুবি তথ্য দিয়া দিয়ে লোকালের গ্রহনযোগ্যতা কমে যাওয়ায় সুমন রহমান নিজেই এখন এগিয়ে এসে ব্লগ তথ্য পরিবেশনের দায়িত্ব নিয়েছেন নাকি ?আপাতত দলের ছোটো প্লেয়ারদেরকে নামানোর দরকার ছিল, আপনি আরেকটু পরে নামলেও পারতেন ।
লেখক বলেছেন: সুস্বাগতম! নামের মত দেখাচ্ছে যদিও, নিক নিশ্চয়ই!!
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
কৃর্তৃপক্ষের খোঁজখবর রাখতে সমর্থ হলে দুইটা সম্ভাবনার কথা বলতাম না@আরিফ জেবতিক। সম্প্রসারণ টুইস্ট নিয়ে আর কথা না বলি, তাতে কথাই বাড়বে কেবল।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
"ঠাকুর ঘরে কে রে .........আমি কলা খাই না " --------- এটা মনে পরে যাচ্ছে
" দিনে যে সাধু , রাতের আঁধারে সেই তস্কর " --- এটাও মনে পড়ছে।
মজনু পাটোয়ারী বলেছেন:
নি:সন্দেহে এটা আমার ব্লগ জীবনে পড়া সর্বশ্রেষ্ঠ সিরিজ। একমাত্র সিরিজ যার প্রতিটি অক্ষর ফলো করছি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
পরিমল কায়সার বলেছেন:
১০ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৫৮লেখক বলেছেন: সেই অনুমান তো মাত্র গতকাল খাড়াইল। আরেকটু খাড়া করান ভবিষ্যতে ব্যবহার করুম নে।
বোঝা গেছে জিনিসটা?
না ভাইয়া। আমার খাড়া করানো জিনিস আপনি ভবিষ্যতে ব্যাবহার করতে চান শুনে আমি বিব্রত বোধ করছি।
লেখক বলেছেন: বিব্রত হওয়ার কি আছে? নিকবালক হিসেবে খাড়া করানোই তো আপনার কাজ, নাকি?
জহির আহমেদ বলেছেন:
শিশুনিয্যাতকদীনুবাইয়েরমুশ্তাকনিকভ্রুনাবস্তায়ইন্তিকালফর্মাইয়াচেযাইনা চখখেঝন্নারবেগেপানিআয়াপড়ল।
রাসেল (........) = অপ বাক এটা আমিও ভেবেছিলাম, আমার ব্লগিঙের একেবারে শুরুতে। কিন্তু দুজনের মাঝে কিছু মৌলিক পার্থক্য আছে যেগুলো সহজেই দৃশ্যমান হয়। প্রায় সবাই সমীকরণটিকে ভুল বলার পরেও দোষ স্বীকারে আপনার আপত্তি কেন সেটা বুঝলাম না। ভুল স্বীকারে কেউ খাটো হয় না।
লেখক বলেছেন: আবার পড়েন, বোঝার ঘাটতি আছে। আমি আমার মন্তব্যে খোলাসা করেছি। খাটো বা লম্বা হওয়ার মামলা এটা নয়, নিকবালক!
জেনারেল বলেছেন:
ত্রিভুজের লিংক আপনার কাজে আসবে জেনে বড়ই ভাল লাগল
লেখক বলেছেন: আপনার লিংক কাজে আসবে না, এমনটা কি বলেছি? লিংক দিন।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
সবগুলো পর্বই পড়েছি। পরের পর্বগুলো পড়ার অপেক্ষায়।
দস্যু বনহুর বলেছেন:
কেউ যদি নিকের আড়ালে থাকতে চায় বা থাকে তাতে সমস্যাটা কোথায় বুঝলাম না। ভার্চুয়াল জগতে সুমন রহমান নামটির সাথে যদু কদু মধু নিকের কোন পার্থক্য খুঁজে পাইনা। তারপরেও অপবাক যখন বিষয়টিকে বিভ্রান্তিকর বলে সংশোধন করার অনুরোধ করলেন, তখন পোস্টে সংশোধন আনা অথবা ক্ষমা প্রার্থনা করাটা ব্লগার হিসাবে সাধারন ভদ্রতা বা দ্বায়িত্বের মধ্যে পড়ে। নিজের করা ভুলকে পারসেপসানের ত্যানা পেঁচিয়ে প্রকাশিত রাখা আপনার নিম্ন রুচিবোধকেই প্রকাশ করে।
লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই!! আমার রূচিবোধের উচ্চতা সম্পর্কে আপনার ধারণা হয়েছে জেনে প্রীত হলাম।
ব্লগেশ্বর বলেছেন:
পোস্টটা ভালো লেগেছে। ১৫ নাম্বার প্লাস।
সুতরাং এখন ব্লগ ইনফরমেশন প্যানেল (যেটা ভিজিটরেরা দেখতে পায় না) দিয়ে দিলাম।
ব্লগ ইনফরমেশন প্যানেল
* পোস্ট পর্যবেক্ষণ (১৯)
* অদেখা মন্তব্য সমূহ (০)
* সাম্প্রতিক মন্তব্য
* আমার ড্রাফট (১৮০)
আপনার গবেষণায় কাজে লাগবে আশা করি।
লেখক বলেছেন: হা হা হা... এতো ড্রাফট পোস্ট!! গবেষণার বিষয় বটে!!
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
মন্তব্যের চেয়ে মন্তব্যের উত্তর পড়েই মজা লাগল বেশি।
শুভ বলেছেন:
ত্রিভুজ বলেছেন:"... রাসেল (.....) = অপ বাক, .. আর অপ বাক কোন সময়ই আলোচিত ছিলো না। "
ডিয়ার ত্রিভুজ,
রাসেল-অপ বাক একই লোক কিনা এই কুতর্কে যাই না।
".. আর অপ বাক কোন সময়ই আলোচিত ছিলো না"। এটা নিয়ে আমার একটু কথা ছিল। না-জেনে কারও সম্বন্ধে দুম করে একটা কিছু বলে দেয়া কোন কাজের কাজ না।
আপনার সদয় অবগতির জন্য বলি, ১২ই মার্চ ২০০৬ এর কথা।
তখন অপ বাক "৭০ দিনের হিসাব" নামে একটা পোস্ট দেন। মানুষটা ব্লগিং-এ কতটা সিরিয়াস ছিলেন এই পোস্টটা পড়লে খানিকটা ধারণা পাওয়া যাবে। এটার প্রিন্ট আউট আমার কাছে এখনও আছে কারণ মানুষটা আমাকে বিস্মিত করেছিলেন। কী দুর্দান্ত ব্লগিং-এর নেশা! দানবীয়!
সামহোয়ার এদের ভুলে গেছে কিন্তু আমি ভুলিনি।
তার ওই পোস্ট থেকে কেবল একটা লাইন বলি, '৪৩৭০টা পোস্ট হয়েছে, যার সবগুলো আমি পড়েছি'।
বিষয়টা পুরো সত্য ছিল কারণ এই মানুষটা প্রায় সব ব্লগারের নাম নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। এই পোস্টের পাল্টা একটা পোস্ট আমিও দিয়েছিলাম, অন্য কারণে। এটার উল্লেখ করার এখানে আবশ্যকতা দেখি না।
কেমন করে লিংক দিতে হয় জানি বিধায় এভাবে দিলাম। একটু তকলিফ করে, খানিকটা ক্লেশ স্বীকার করে পড়ে নেবেন।
http://www.somewhereinblog.net/blog/kkk/4398
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শুভ। ত্রিভূজ বলেছেন অপ বাক কোনো সময়ই আলোচিত ছিল না। এই মন্তব্যে ত্রিভূজের ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি প্র্রতিফলিত হয়েছে, সন্দেহ নেই। পাশাপাশি আপনার মন্তব্যটিও আপনার ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গির স্মারক। অপ বাক আলোচিত ছিল কি ছিল না সেটা আপাতত আমার বিবেচ্য নয়। আমি যা লিখছি তাও আমার ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গিকে সম্বল করেই। সার্বজনীন কিছু করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
লেখক বলেছেন: অশ্রু নিয়া আরো কিছু কন তো, আগ্রহ পাচ্ছি! মিটাই আপনার আগ্রহ।
অশ্রু এ-টিমের নিক ছিলো না। এইটা ছিলো একটা ইনডিভিজুয়াল অপারেশন। যার মটো ছিলো যুদ্ধ নয়, ভালোবেসে তোমায় আমি জয় করবো।
নিকটা ধার কর্ছিলাম। আমার এক প্রাক্তন সহকর্মী ও ব্লগারের অনেক নিকের একটা ছিলো এইটা। ভুদাইগিরি করতে গিয়া ছাগুরামদের প্রবলদাবির মুখে আমি ব্যান হইছিলাম একবার। সামু এডিকশন এতই প্রবল ছিলো তখন, প্লাস আমার উন্ডেড ইগো এইটার একটা দফা করতে তড়পাইতেছিলো। আমি অশ্রুরে ধার করলাম। তারে জামাতিদের প্রিয় গায়ক ইউসুফের একটা শিবির মার্কা অপ্রচলিত ছবি দিয়া সাজাইলাম। তার প্রাথমিক টার্গেট ছিলো ছাগুরামদের দলে ভিড়া তাদের বিব্রত করা। সে ছাগুদের ভাষায় কথা বলতো, তবে বাড়াইয়া বলতো। মানে যেখানে ছাগুরা টেকনিকালি থেমে যেত, অশ্রু না বলা কথাটুকু বলতো। এতে অনেকে বিব্রত হইতো। যেমন কিংবদন্তীর ছাগু আশরাফ রহমান। একবার তার স্বভাবসুলভ ভারতবিরোধী একটা পোস্টে অশ্রু গিয়া প্রস্তাব করলো সবাই চলেন আমরা আশরাফ ভাইর নেতৃত্বে একটা কুটনৈতিক আন্দোলন গড়ে তুলি ও সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করি। আশরাফ সহ অনেকেই তারে ধমকাইছিলো না বুঝে বেশি কথা বলার জন্য।
তবে এরপর অশ্রু তার মূল অপসে চলে যায়। তার কাজ হয় ছাগুচীফকে নিয়ে প্রেমের কবিতা লেখা। বেশ জনপ্রিয় হয়েছিলো সেগুলো। ছাগু নিজে স্বীকার করেছে এগুলোর জন্য তার বন্ধুরা তাকে বেশ খেপিয়েছে।
গুজব আছে, সামহোয়ার ত্যাগী জনৈক ডেভেলপার (এখন প্রথম আলোতে) প্রাইভেসির শিষ্টতা ভেঙ্গে এই নিকের পেছনের মানুষটির পরিচয় ফাস করে যান। ততদিনে আমি আমার নিজের নিক ফেরত পেয়েছি। অশ্রু তখন বারোয়ারি হয়ে যায়। কি কারণে সে সব পোস্ট শুদ্ধ ব্যান হয়েছে আমি সেটা জানি না। বাট আই লাইকড হিম। রিভার্স সাইকোলজির একটা সফল এক্সপেরিমেন্ট ছিলো সে।
প্রসঙ্গতই উল্লেখ্য, অশ্রুর পরিচয় আমার পরিচিত ব্লগার সার্কেলে ওপেন ছিলো। আমি নিজেই বলেছি। সুবাদেই কৌশিক সেটা জানতেন। তার স্মৃতিভ্রংশ হয়েছে এই অভিযোগ তুলবো না, এ-টিমের চরম অপছন্দের হওয়ার পর ব্যক্তিগত পছন্দের কারণে আমি তার পেছনে কখনোই কোনো অপসে যাই নি এটা হয়তো তার জানা নেই। জানলে এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো এ-টিম প্রসঙ্গে আমার বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করতেন না তিনি। তবে এটা গ্যারান্টিড, তার নিক নেয়ার ওপেন ইনভাইটেশনটা অশ্রু কেনো, এ-টিমের কোনো বান্দাই নেয় নি। হঠাৎ এ-টিম চলে এলো কেনো? সামহোয়ার নামা লিখতে গেলে, মানে এভাবে লিখতে গেলে একটা ভিলেন লাগেই। ধরে নিচ্ছি এ-টিম সেই নর্মটা পূরণ করে যা ছাগুরা করে না। বাট আমার মেসেজ একটাই- স্বাধীনতাবিরোধি যে কোন কিছুকে আমরা পোন্দাবোই- ঠেকানো যাবে না (দুয়েকটা ইনফিলট্রেশনকে আমরাই রাজাকারি করি বলে চালিয়ে দেয়া হচ্ছে, সেটাও ঠিক না)। এর বাইরে ব্যক্তিগত ক্যাচালে টিমের ভুত দেখা ঠিক না।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ অমি রহমান পিয়াল। আপনি তথ্যের পাশাপাশি ইন্টারেস্টিং ইন্টারপ্রিটেশনও দিয়েছেন। সামহোয়ারনামা লিখতে গেলে ভিলেন লাগে না মনে হয়। আসলে আমার এনালিসিসে ভিলেন কেউ নেই। অন্তত আমি এভাবে দেখছি না। ভিলেন অ্যাকটিভিজমের শব্দ। আমি চেষ্টা করছি নিজেকে এর বাইরে রাখতে। কতদূর পারবো জানি না।
তামিম ইরফান বলেছেন:
ত্রিভূজ যে উইকি তে চাপাবাজি করতে গিয়া ধরা খাইছিলো।ঐটা কেও বললেন না।
এ.জে. মিন্টু বলেছেন:
অপু ফিরোজ বলেছেন: ...আপাতত দলের ছোটো প্লেয়ারদেরকে নামানোর দরকার ছিল, আপনি আরেকটু পরে নামলেও পারতেন উনি কি তাহলে "বড়" প্লেয়ার? যাহোক এই পোস্ট পড়ে বুঝা যায় সুমঞ্রহমান বিরাট গ্যানী ব্যক্তি। তবে নিকের আড়ালের মানুষ নিয়ে গোয়েন্দগিরি প্রাইভেসী লংঘনের পর্যায়ে পড়ে।
লেখক বলেছেন: ঝামেলা হয়ে গেল। আপনি কি সত্যি সত্যি মুজিব পরদেশী? প্রোফাইলে মুজিব পরদেশীরই ছবি। যদি হয়ে থাকেন তবে আপনার সাথে আমার পরিচয় আছে সেটা আপনি জানেন। আর যদি না হন, তবে আমাদের চারপাশের একজন জীবিত ব্যক্তিকে এভাবে নিকে হাজির করা বিভ্রান্তি তৈরি করবে।
অপ বাক বলেছেন:
আপনার মন্তব্য পড়ছি আর যুগপত বিস্মিত এবং চমৎকৃত হচ্ছি আদতে।আপনি আপনার পর্যবেক্ষণ বলেছেন। আমিও আমার পর্যবেক্ষণ বলেছি, আপনার তথাকথিত বিতর্ক কিভাবে করা উচিত সেটা নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছি না আমি। আপনাকে ঘাড়ে ধরে কোনো কিছু করতে বাধ্য করানো কম্পিউটারের এপাশ থেকে সম্ভব নয়।
কাউকেই কোনো কিছু করতে বাধ্য করানো যায় না, যদি না কোনো নির্বোধ নিজের নির্বুদ্ধিতা উপলব্ধি করে, সে নিজের গরজেরই অতি আনন্দে বাদ্য বাজিয়ে তার নির্বুদ্ধিতার প্রমাণ রাখবে।
আপনাকে জানিয়েছিলাম বিষয়টা জনপ্রিয় গুজব হলেও আপনি যেমন নিঃসংশয়ে লিখেছেন সেটার তথ্য উন্মুক্ত করে বলতে। খালেদা জিয়া তানভীর সিদ্দিকীর সাথে পরকীয়া করছেন, আমি লোকমুখে শুনলাম- এই বক্তব্য দেওয়াটাও যদি প্রকৃত তথ্যদাতার পরিচয় না থাকে তবে নিছক ইতরামির পর্যায়ে পরে।
অন্য যেকোনো সাধারণ বিষয়েও শোভনতা কিংবা প্রথাগত একটা যে ফর্মা প্রচলিত সেই ফর্মার ভেতরে থেকেই কাজ করতে হয়। আপনার বক্তব্য অশোভন ছিলো, আপনি সেটার উত্তরে বলেছেন আপনার লোকমুখে শোনা কথা, বন্ধুর মুখে খেয়ে সেই বমি উদগীরণ করেছেন পোষ্টে। আমি এই অংশটুকুতেই আপত্তি জানিয়েছিলাম, কিন্তু সেটা আপত্তিকর এবং অহেতুক কুচর্চা বলে কোনো রিপোর্ট করি নি , কিংবা আপনার পোষ্টকে আপত্তিকর বলি নি।
আপনি যে ভাষায় বলছেন কথা, আপনার ঘাড়ে ধরে আর হাতে ধরে ক্ষমা প্রার্থনার কথা, সেটা ঠিক ক্ষমা প্রার্থনা নয়, বরং বন্ধুর মুখে খেয়ে নিজের প্রত্যঙ্গ দিয়ে যে বর্জ্য নির্গত করেছেন, সেটা যে অনুচিত ছিলো, এই বিষয়ে একটা বক্তব্য, আপনি ভুলের উর্ধে নন, কিন্তু আপনার সামাজিক অবস্থান যদি আপনাকে নিজের ভুল স্বীকারে কুণ্ঠিত করে তবে নিজের এইসব ছেলেমানুষি বাদ দিয়ে বিতর্কের কলাকৌশল না শিখিয়ে বরং নিজের জীবনে সেসবে চর্চা করে যান।
রিফাত হাসান বলেছেন:
পোষ্ট এর চেয়ে মন্তব্যগুলো আগ্রহউদ্দীপক। আগ্রহ পাচ্ছি। আর সুমন রহমানের ভাষাতো আছেই, বহুত ভক্ত (উভয়ার্থে) তৈরী করে ফালাইলেন দেখি, সামহোয়ারনামা লিখে। ভালোই। আমারো কিছু কথা ছিল, একদিন বলবো, আমার মতো করে।
লেখক বলেছেন: বুঝলাম না রিফাত। পোস্টের চেয়ে মন্তব্য কিভাবে আগ্রহোদ্দীপক হয়? মন্তব্যগুলো তো পোস্টের ভিত্তিতেই এসেছে, নাকি অন্য কোনো বায়বীয় প্রণোদনায়?
ত্রিভুজ বলেছেন:
@শুভ ভাইআলোচিত বলতে কি বুঝিয়েছি বুঝেন নাই... অপ বাক- বা রাসেল(....) এর লেখার সাথে আমি একমত না হলেও এটা অস্বীকার করি না যে তারা অনেক শক্তিশালী লেখক। আর ব্লগার হিসেবে কে কত সিরিয়াস তা দিয়ে সামহোয়্যারইনে জনপ্রিয়তা যাচাই হয়নি কোন কালে... যদিও সেটাই হওয়া উচিত ছিলো।
সুমন রহমান সামহোয়্যারইন তথা বাংলা ব্লগ জগত নিয়েই সুন্দর একটা সিরিজ করছে। এটা থেকে অনেকে অনেক কিছু জানতে পারবে। আপনিও সাহায্য করতে পারেন উনাকে.. সা.ইনে একসময় আপনি অনেক ভাল ভাল লেখা দিতেন... সচলায়তনেও আপনাকে দেখা গিয়েছিলো... সচলায়তনের ব্লগাররা কিন্তু সা.ইনের-ই ব্লগার। তারা কেন আপনাকে "রাজাকার" বলেছিলো সেটাও বলতে পারেন.. তাহলে বাংলা ব্লগ ও ব্লগারদের পোস্টমর্টেম করতে সুবিধা হবে...
@অমি রহমান পিয়াল
"গুজব আছে, সামহোয়ার ত্যাগী জনৈক ডেভেলপার (এখন প্রথম আলোতে) প্রাইভেসির শিষ্টতা ভেঙ্গে এই নিকের পেছনের মানুষটির পরিচয় ফাস করে যান। " --- এটা গুজবই... এর কোন বাস্তবতা নেই। অশ্রু যে অমি পিয়ালের নিক এটা অনেকেই জানতো... প্রথম গেস করেছিলাম আমি.. পরে সাইমুম ভাই কর্নফার্ম করেছিলেন। অশ্রু নিকে আপনি যেসব নোংরামী করেছেন সেটা দেখেই বুঝা গিয়েছে যে এই নিকটার পেছনে সিক কোন পারসন রয়েছে। আর ব্লগে জগতে গালাগালির রেকর্ড বলেন আর নোংরামী বলেন সবকিছুতেই আপনি গুরু ছিলেন। আপনার ডজন ডজন নিকের গালি খায়নি এরকম ভাল ব্লগার খুব কম আছে... একটা মানুষ এতটা সিক কিভাবে হয় সেটা আমি কখনো ভেবে পাইনি... পরে অবশ্য বুঝেছিলাম.. যখন স্বীকার করলেন যে এডাল্ট সাইট যৌবনজ্বালায় আপনি চার হাজারেরও বেশী এডাল্ট পোস্ট করেছেন....
আর আপনার পুরো ব্লগ জীবনের বেশীর ভাগ সময়ই আপনি আমার পেছনে লেগে ছিলেন... ত্রিভুজ বিষয়ক কয়েক শত পোস্ট এবং কয়েক হাজার মন্তব্য সব আপনার বিভিন্ন নিক থেকে এসেছে... তার উত্তরে আপনাকে নিয়ে আমি হাতে গোনা কয়েকটা পোস্ট ও মন্তব্য করেছি মাত্র। বস্তুত আপনার বিষয়ে আমার কোন কালেই তেমন কোন আগ্রহ ছিলো না.. এখনো নাই। এমনকি আপনার নোংরামীপূর্ন পোস্টগুলোর বেশীর ভাগই আমি দুই-তিন লাইনের বেশী পড়িনি....
রিফাত হাসান বলেছেন:
আপনি ক্ষেপলেন কেন সুমন ভাই? পোষ্টে আপনার ভাষা দেখে আমার কেবল মাহমুদুল হকের ভাষার কথা মনে পড়েছে। আমার এক বন্ধুকে মাহমুদুল হকের অনুর পাঠশালা পড়ে বলেছিলাম, এই ভাষা লাফায়। লাফিয়ে লাফিয়ে চলে। আমার খুব পছন্দের। আপনার এই লেখাটির ভাষাও সেই অর্থে পছন্দই হয়েছে। কিন্তু এখানে পোষ্টের চেয়ে পোষ্টের মন্তব্যগুলো আগ্রহউদ্দীপক বলেছি, কারণ, মন্তব্যে প্রচুর নতুন তথ্য এসেছে। যা আগে জানতাম না। যেমন কৌশিকের নিক মুক্ত করে দেওয়া, আর অমি পিয়ালের অশ্রু নিকের কাহিনী। ইন্টারেস্টিং লেগেছে। অপবাক এবং ডট রাসেলের কমেন্টগুলিও আগ্রহউদ্দীপকতো বটেই। এই কথাটি আপনার পোষ্টের অবমূল্যায়ন করতে বলা নয়।
এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী
কমেন্ট পইরা অনেক কিচ্ছা-কাহিনী ফাস হইল ..
নেক্সটে কি আসব ?
আপনে নাকি নাম চেন্জ করসেন ? এটা কি নিজের প্রাইভেসীর কারনে নাকি হীনমন্যতা ?
আমারে কিভাবে ট্যাগ করেন দেখতে খুব মজা লাগবো ..
নামের ব্যাপারে প্রশ্ন করার জন্য 'নো এক্সট্রা হার্ড ফিলিংস'!
লেখক বলেছেন: আপনে নাকি নাম চেন্জ করসেন ? এটা কি নিজের প্রাইভেসীর কারনে নাকি হীনমন্যতা ?
-- হীনমন্যতা হৈলে মনে হয় আপনার মধ্যবিত্তীয় এলিট আত্মা শান্তি পায়!
এসব প্রশ্নে আমি বিব্রত হই না, প্রশ্নকর্তার জন্য করুণা বোধ করি। কতখানি অসহায় হৈলে মানুষ এইসব দশটাকার এলিটিপনা জাহির করে জিততে চেষ্টা করে, সেটাই ভাবি।
আপনাকে আগের মতই ট্যাগ করলাম।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
হ ত্রিভুজ আমি সিক। আপনার মতো ছাগুচীফের পিছনে লাইগ্যা আমি সিক অ্যান্ড পারভার্ট হয়া গেছি। সেই রাজপুত্রের মতোন, যে কিনা দানবদের সঙ্গে যুদ্ধ করতে করতে এক পর্যায়ে দানবীয় মনোবৃত্তির হয়া গেছিলো। তবে খোদার কাছে অশেষ শুকরিয়া। ছাগুতে ট্রান্সফর্ম হই নাই
অ্যালন বলেছেন:
আমারো অনেক্কথা কওআর ছিলো..কৈলাম্না..তাইলে অনেকেরি রুপ বাইরোইআ জাইতো..তবে জাগো বিশয়ে সন্দো'ছিলো..দূরোইয়া গেল্গাস্কা..
আই লাভ ব্লগিং বলেছেন:
সুমন, আপনাকে একটা কথা বলি। এই ব্লগে একজন মাত্র ব্লগার আছে যে কিনা ঘোষণা দিয়েছিল এক হাজার নিক খোলার। তার সেই বক্তব্যের স্ক্রীনশটও কয়েকজনের কাছে আছে। ধরে নেয়া হয় সামহোয়্যারের যে শত শত রাজাকার নিক আছে সেইগুলার পিছনে একজন মাত্র ব্যক্তি। আপনি যেহেতু গবেষণা করছেন সুতরাং ঐ এক ব্যক্তিকে নিয়ে পৃথক গবেষণা না করলে গবেষণা পূর্ণতা পাবে না। এটা অবশ্য নিছক আমার ব্যক্তিগত মতামত। চাইলে ইগনোর করতে পারেন।
স্ট্যানলি কুবরিক বলেছেন:
অ্যালন বলেছেন: আমারো অনেক্কথা কওআর ছিলো..কৈলাম্না..তাইলে অনেকেরি রুপ বাইরোইআ জাইতো..তবে জাগো বিশয়ে সন্দো'ছিলো..দূরোইয়া গেল্গাস্কা..
অপ বাক বলেছেন:
আপনার সাথে আমার আলোচনার বিষয়বস্তু যেখানে ছিলো, সেখানেই আছে এখনও- আমার সেইসব কথিত বন্ধু যারা আপনার পরিচিত এবং যাদের বরাতে আপনি নিজের গোঁড়ামি অব্যহত রেখেছেন, তাদের সাথে আমার সম্পর্ক রয়েছে কি না এই বিষয়ে আলোকপাত না করে যেমন অশালীনতার চর্চা করছেন, সেটাও আপত্তিকর।আপনার কাছে আমি পরামর্শ প্রত্যাশী এমনটা মনে করবার কারণ কি?
আপনি যা করেছেন সেটা ব্যক্তি আক্রমন। আপনি প্রথমত আমার পরিচয় নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন, সেটার ন্যায্যতার প্রশ্ন তুলবার পরে আপনি আমার বিবেচনা বোধ নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন, এবং এটাকে ব্যক্তিআক্রমন মনে না করবার কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছি না আমি।
এটাও আরেক ধরনের মডারেশন .. পোষ্টের সাথে মিল না থাকলেও আপনার মানসিকতা বুঝতে সহজ হবে সবার জন্য ..
লেখক বলেছেন: আমার মানসিকতা বোঝানোর সহজ পাঠ আপনি আপনার ব্লগে খুলতে পারেন। আমার পোস্টে অবান্তর প্রসঙ্গ টেনে আমার "মানসিকতা" বোঝার এবং বোঝানোর চাকরি আমি কাউকে দিচ্ছি না... রিলেটেড বিষয়ে গালি আসলেও আমি সেগুলো মুছি না, উপরে খেয়াল করবেন।
অনেক ড্রাকুলা / ভ্যাম্পায়ার দেখালেন ; নিজের ভিতরেরটা দেখিয়েছেন কি ?
অবান্তর প্রসংগ টেনে আনার কাজটা আপনিই শুরু করেছেন এই পোষ্ট দিয়ে
ধন্যবাদ আপনাকে ।
লেখক বলেছেন: পানি ঘোলা করছেন, তাই বললাম নিজের জলাশয়ে করুন। খামোখা গুরুত্ব দেবেন না আমাকে।
ধন্যবাদ। এবং বিদায়।
স্ট্যানলি কুবরিক বলেছেন:
মামো আর আপনার প্রেমের আগের কাহিনী ছিলো কেমন?
স্ট্যানলি কুবরিক বলেছেন:
যেমন ধরেন মামোর ভাষ্য ছিলো নিম্নরূপ : চিঠঠি আয়ি হ্যায়, চিঠঠি আয়ি হ্যায়
ভণিতা
অবশেষে আমার অপেক্ষার প্রহর ফুরালো। এলো সুমন রহমানের অতিপ্রত্যাশিত সেই চিঠি।
সুমন রহমান যেদিন সিঙ্গাপুর যাবেন তার আগের দিন আজিজ মার্কেটে ওনার সঙ্গে দেখা হলে আমি বলছিলাম, আপনার চিঠির অপেক্ষায় থাকলাম। তিনি বলছিলেন, দেশে থাকতে তিনি একে তো ব্যস্ত আছিলেন তদুপরি অফলাইনেও বেশ কিছুটা সময়। অনুরোধ করেছিলাম, অন্তত সিঙ্গাপুরে গিয়ে যেন অধমের পত্রের একখানা মোক্ষম জওয়াব পাঠিয়ে দেন। বলেছিলেন সপ্তাহ দুয়েক লেগে যেতে পারে। সেই মোতাবেক অপেক্ষা করতে আছিলাম। সেই কথাবার্তার সূত্রে আমি অপেক্ষা করতেছিলাম। ফলে, সুমন রহমান চুপ খেয়েছেন বলে বাড়তি গর্ববোধ কাজ করে নাই। কিন্তু কেউ যদি সুমনকে বলে থাকেন, মাহবুব এইসব বলে বেড়াচ্ছে, তবে সেই কথায় নিশ্চয়ই সেই বক্তার সদিচ্ছা প্রকাশিত হয়েছে। সেই কে বা কাহারাকে সাধুবাদ জানাই।
সুমন রহমান কবিসভা ওপেন করলে এখন শুধু ব্লগ বিষয়ে কারিগরি আলোচনা দেখতেছেন। ইমরুল হাসানের চিঠিগুলো হয়তো তার চোখে পড়ে নাই। ইমরুল এ দফা প্রথম আলো সংক্রান্ত আলোচনাকে একটি শক্তিশালী তাত্ত্বিক কাঠামোর ওপর দাঁড় করিয়েছেন। এক্ষেত্রে তার বুৎপত্তি প্রশংসনীয়। বুঝতে পারতেছিলাম তিনি আমার সমালোচনা করতেছেন। কিন্তু নিজের বিদ্যা ও বুদ্ধিগত সীমাবদ্ধতার কারণে বুঝতারতেছিলাম না তিনি কী বলতেছেন। সঙ্গত কারণেই সেই আলোচনায় প্রবৃত্ত হই নাই। ফলে, আমি ওয়াকওভার পাইছি এটা ভাবার দুঃসাহস হয় নাই।
তবে হ্যাঁ সুমন রহমানের নিরবতার কারণে ঘটনা অন্যখাতে প্রবাহিত হয়ে থাকতে পারে। তার নিরবতায় বাড়ি খেয়ে ঘটনা নিম্নখাতে প্রবাহিত হইতে পারে। কিন্তু মানস চৌধুরীকে আমি দীর্ঘদিন ধরে চিনি। তিনি সুমন রহমানের বন্ধু বটে। সুমন সরব থাকলেই তিনি আমার বক্তব্যে একমত হইতেন না, এইটা আমার বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়। অথবা সুমনের তাফসীর ছাড়া তিনি নিজে কোনো বক্তব্য বুঝে উঠতে পারতেন না এইটাও আমার এলেমে সাপোর্ট করে না। সুমন রহমান বন্ধুত্বের দোহাই দিয়া মানস চৌধুরীর বিবেচনার বোধকে আন্ডারএস্টিমেট করতেছেন বলেই মনে হইতেছে।
তবে, এখন সুমন নিজের সরবতা দিয়া ঘটনাকে নিজ খাতে নিয়া আসুন এই প্রার্থনা থাকলো।
বন্দনা
সুমন রহমানের চিঠির শিরোনাম বহুদিন পর...। ডট ডটের জায়গায় আরও কিছু শব্দ আমি প্রস্তাব করতে পারি। যথা : বহু দিন পর তথাপি রাগ কমে নাই। তিনি এতটাই রাগ করছেন যে, আমার পেশা, রুটি রুজি নিয়া টান দিছেন। কবিসভার পাঠকদের হয়তো মনে পড়বে, সুমন প্রথম যখন আমার গুমর ফাঁস করার প্রস্তাব দিছিলেন তখন আমি একটু পিছায়া আসছিলাম এই রুটি রুজির কথা ভেবেই। নিদয়া সুমন শেষ পর্যন্ত আমার টুটি চেপে ধরেছেন। আমার বাদল গেছে টুটি। না ভাই, মাসুদ খানের কবিতা যত ভালই হউক তাহা প্রকাশ করার তৌফিক আলøাহ আমাকে দেয় নাই। তবে, এই যায়যায়দিন পত্রিকায় সুমন রহমানের একটি সমাজতাত্ত্বিক প্রবন্ধ, ধর্মতাত্ত্বিক গ্রন্থ আলোচনা ও ওরহান পামুক বিষয়ক সাহিত্য সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। তবে তো দেখছি বেপাড়ায় আপনারও আগমন ঘটেছিল, পুরুত ঠাকুর! আজকের কাগজ, ভোরের কাগজ, যুগান্তর, আমার দেশ থেকে সুমন নিমন্ত্রণ পান নাই। এতে তার মনস্তাপ নাই বটে, তবে নিমন্ত্রণ যে পান নাই তা বেশ মনে রেখেছেন। তবে সে জায়গাগুলো গুরুত্বপূর্ণ নিশ্চয়। অন্তত মনে রাখার মতো তো বটেই? কী বলেন। বিশেষ করে নব্বই দশকের আয়োজনের প্রসঙ্গটা তো বিশেষভাবে মনে রাখার মতো। আবার জিগায়!
তবে এ প্রসঙ্গে আমার একটা হাইপোথিসিস আছে। জাতি কেন সুমন রহমান বিষয়ে দুইভাগ হয়ে গেল তার সম্ভাব্য একটা কারণ আমি এক্ষণে অনুমান করি। আর্লি বা মিড নাইনটিজে সুমন রহমানের দেহ ধারণ করে যে কবি আমাগের সামনে উপস্থিত হইছিলেন তার নাম কিন্তু সুমন রহমান আছিল না। তিনি ছিলেন ঈশান জয়দ্রথ। স্বনাম খ্যাত এই কবিকে সুমন রহমান আর সামনে আনেন নি। তিনি গদ্য চর্চায় মনোনিবেশ করায় এই কবি আর সুমন রহমানের সঙ্গে পেরে ওঠেননি। ফলে, জাতি এখনও সুমন ও ঈশানের সমন্বয় করে উঠতে পারে নাই। আশা করি, এ বিষয়েও তার মনস্তাপ নাই। থাকার কথা না।
আত্মপরিচয়
একথা ঠিক আমি এখন ‘পত্রিকা আর লেখকের জটিল নেটওয়ার্কের খবর’ রাখি। আগে রাখতাম না। এই জটিল নেটওয়ার্কে সুমন রহমানদের ভূমিকা সম্পর্কেও ওয়াকিবহাল ছিলাম না। ফলে, ১০ বছর ধরে ৩৯টি গল্প লেখার পর কাগজ সাহিত্য পুরস্কারের মাধ্যমে আমার ‘ক্যারিয়ারের’ ‘শুভ উদ্বোধন’ ঘটতে ২০০৫ পর্যন্ত সময় লেগেছ। আর এই অপরাধে সুমনের ভাষ্য মোতাবেক আমি প্রথম আলোর সমালোচনা করার অধিকার হারিয়েছি। আজকের কাগজ পুরস্কার প্রাপ্ত লেখক শহীদুল জহির, মামুন হুসাইন, সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, জাকির তালুকদার, প্রশান্ত মৃধা সবাই কি এই অধিকার হারিয়েছেন? প্রথম আলো পুরস্কার প্রাপ্ত লেখকরা কি তবে অন্যান্য কাগজের সমালোচনা করার অধিকার হারাবেন সুমন রহমানের আইন অনুসারে?
সুমন রহমান কবিসভায় এই যে আলোচনা চলতেছে এইটার গুরুত্ব এতদিনেও অনুভব করতে পারেন নাই দেখে তার দার্শনিকতা নিয়া আমার কিছু সন্দেহ হইতে আরম্ভ করছে। তিনি বলছেন, ‘আমি প্রথম আলো’র সাহিত্যিক নির্বাচন মোটের ওপর সমর্থন করি। অন্যান্য কাগজের সাহিত্যিক নির্বাচনকেও দূরত্বভেদে সেলাম করি।’ এইটাও তাকে আলাদা করে বলতে হইলো বলে লজ্জা লাগতেছে। এটা তো আমিও মনে করি। আর মনে করি বলেই তো একে ঘিরে এত বাক্য ব্যয়। আগে একবার আমি বলছিলাম, প্রথম আলো বাংলাদেশের বৃহত্তম মিডিয়া। আমরা কে কোথায় সাহিত্য সম্পাদনা করি, কে কোথায় বিদেশী সাহিত্য সংবাদ ছাপি বা কে কোন সাহিত্য সম্পাদককে তেল মারি তার বাইরেও এই মিডিয়ার কাজকর্ম নিয়া কথাবার্তা বলার অধিকার আমাদের আছে। এর জন্য প্রথম আলোর মতো আরেকটা পত্রিকা বের করে দেখাতে হয় না। যদি ধরে নেই যে প্রথম আলো ভাল খারাপের তুলাদণ্ড বানায় ও বিক্রি করে। তবে তাতে দোষ নাই। তুলাদণ্ড কাউকে না কাউকে তো বানাতেই হয়। নইলে তো বাজার অচল হয়ে যাবে। আমরা কেউ প্রথম আলোতে বা অন্য পত্রিকায় কাজ করতে পারি, সিঙ্গাপুরে গবেষণা করতে পারি। কিন্তু তুলাদণ্ড যথার্থ হইলে আমাদের লাভ।
এই যেমন তদবির ছাড়া প্রথম আলো আমার লেখা ছাপায় সুমন রহমান আমার ওপর রাগ করলেন, এতে আমার লাভ হয়েছে। আমি বুঝতে পারলাম, হয়তো বিগ ব্রাদার হয়েও তদবির করতে হইছে বলেই তার গোস্বা হইল, বিস্ময় হইল। কিন্তু মিস্টার সুমন, এইটাই ফ্যাক্ট। বিস্মিত না হয়ে যদি এমনেই তিনি বলতেন যে, তারও তদবির লাগে নাই তবে এইটা আর ভাবতাম না। আমার তদবির লাগে নাই, এইটা সত্য। তবে সুমন যেভাবে আমাকে সমবেদনা জানাইতেছেন তাতে মনে হচ্ছে এবার লাইনে নামতে হবে। সুমন লিখছেন, ‘তবু মাহবুব মোর্শেদ এর ক্ষোভ সঙ্গত, বলছি। আমি সমব্যথী তার। পত্রিকা আর লেখকের যে জটিল নেটওয়ার্কের খবর তিনি রাখেন, সেইখানে তার জায়গা নাই ভাইবা ভাইবা খামোখা কত কষ্টই না তিনি পান! তবু তদবিরহীনতার আনন্দ যে তার আছে, রা! তার লেখকসত্তার গোড়ায় পানি ঢালার আরো উপলক্ষ তিনি খুঁইজা পাইবেন, প্রত্যাশা করি।’ অর্থাৎ তদবির এবার আমাকে করতেই হবে। নইলে শুধু তদবিরহীনতার আনন্দ নিয়াই আমাকে মরতে হবে। বড় ভাই, বলে দিয়েন কোন ঘাটে কত আনা দিতে হবে। কী সুন্দর কথা রে ভাই, পত্রিকা আর লেখকের জটিল নেটওয়ার্ক। তার আবার খবর। সেইখানে জায়গা জমি। তা নিয়ে আবার খামোখা কষ্ট। তা নিয়ে লেখক সত্তার গোড়ায় পানি ঢালা। বেশ। বড় লেখক নিজেকে ভাবি না। মোটামুটি মুর্খই নিজেকে মনে করি। তবে কৃটিকাল মুর্খ এখনও হই নাই। কৃটিকরাই তুলনা করেন। তারপর নিজেদের বড় লেখক গণ্য করে, তুলাদণ্ডের নির্মাতাদের শোকরিয়া জানিয়ে নিজেদের ছোটা ছোটা লেখাকে তুলদণ্ডে উত্তোলন করতে থাকেন। অনেক লেখা লিখলে ভারে তো কাটে, ধারে কাটুক বা না কাটুক।
মাস্টারবেশন / হাত মারা
সুমন আমার চিত্রকলা চর্চাকে স্বমেহন বলছেন। কী সুন্দর শব্দচয়ন। স্বমেহন বললে হাত মারার ব্যাপারটা তেমন করে মনে হয় না। ওনার মত হইল স্বমেহন হইতে মুক্তি দরকার। শ্রীপুরের ট্যাবলেট বিক্রেতাও জাতিকে স্বমেহন থেকে মুক্তি দিতে চায়। না, এই মুক্তি আমি চাই না। হাত মারার আনন্দ আমি আযৌবন উপভোগ করতে চাই। ফলে আপনার প্রস্তাব আমি নিলাম না। এমনকি হাতমারার সঙ্গে তুলনীয় কোনো ব্যাপারও আমি পরিত্যাগ করতে প্রস্তুত নই।
শনিবার পোঁতাইয়া যায় নাই। আপনার চিঠির জন্য আমি তো মাস খানেক অপেক্ষা করলাম। ধৈর্য ধরুন না দাদা। এক শনিতে শনি যায় না। শনিবার আবারও আসিতেছে।
মাহবুব মোর্শেদ
বেগুনবাড়ি, ঢাকা
২৫ জানুয়ারি ২০০৭।
(এখন আপনারা জানিদুস্ত। তাইলে কি ভার্চুয়াল দুইন্যায় সবই মায়া?)
লেখক বলেছেন: সবই মায়া!!
ঠিক বলছেন। আপনি পুরান পাপী, এইটাও বুঝলাম।
শাহরিয়ার হাসান বলেছেন:
সবই বুঝলাম একন ডটু রাসেলের একটা চরম গালাগালওয়ালা কমেন্ট দেখতে মন্চাইতেছে
একন সুমন্ভাই আপনে বলেন আপনার প্রভু ড্রাকুলা কে? বাজারে গু জব আছে ফ্যা চিবাদি সুমন্রহমানই নাকি লুকালটাউট? হাচা নিকি?
লেখক বলেছেন: গুজবের সত্য মিথ্যা নয়, বরং গুজবের সামাজিক মনস্তাত্ত্বিক গুরুত্ব নিয়াই কথা।
সত্যেন্দ্র ছাতু বলেছেন:
মামোর চিঠি পইড়া হতবাক হইলাম ভাইয়া। কতবড় বেয়াদব। দীনু ভাইয়ের মুখে মুখে কথা বলে।
রাসেল ( ........) বলেছেন:
গতকালই মাত্র একেবারে স্ট্যাটাসবিহীন অবস্থা থেকে ওয়াচ অবস্থায় এসেছি, সুতরাং চাইলেও এই বিতর্কে অংশগ্রহন করা সম্ভব হচ্ছে না। এমন কি যেকোনো মন্তব্য করলেই পুনরায় স্ট্যাটাসবিহীন হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি আছে।এই যে জনপ্রিয় গুজব, এটা নিয়ে আমার বক্তব্য দেওয়ার কিছু নেই, আমি অস্বীকার করার বাইরে তেমন কিছু করতে পারবো না। তবে রিফাত হোসেনের গবেষণা দেখে ভালো লাগলো, তিনি আমার মন্তব্য কোথায় খুঁজে পেলেন সে কথাটাই মনে মনে ভাবছি।
সুমন রহমান কিংবা রিফাত যদি জানিয়ে যেতো আমি এই লেখায়, এই মন্তব্যের বাইরে কোথায় মন্তব্য করেছি, তবে ভালো লাগতো আমার।
উঁ অবস্থায় এর চেয়ে নিরাপদ মন্তব্য করা সম্ভব না।
গুজব গুজব থাক, সেটার যদি ভিত্তি শক্ত না হয়, তাহলে হাওয়ায় ভাসানো ঠিক না।
আমরা চলতি গুজব আর তথ্যকে আলাদা করে বিবেচনা করতে শিখলে সেটাই হয়তো শিক্ষা।
আমার অন্য কোনো নিক নেই, নিকবাজি, নিকপাকনামি কিংবা নিকবালকত্ব কোনোটাই দেখানোর সুযোগ আমার নেই।
লেখক বলেছেন: গুজব গুজবই থাক। আপনার এবং অপ বাকের বিবৃতি থেকে এটা সবাই বুঝতে পারবে যে আপনারা আলাদা। ফলে এই পোস্ট কিন্তু রাসেল=অপ বাক বিষয়ক চলতি গুজবটাকে প্রশমিত করতেও ভূমিকা রাখল মনে হয়। যদিও আমার উদ্দেশ্য গুজবের সম্প্রসারণ কিংবা প্রশমন কোনোটাই ছিল না।
রিফাত হাসান বলেছেন:
@ ডট রাসেল। অপবাক এবং রাসেল নিয়ে এত এত কমেন্ট এসেছে এখানে, হয়ত ভুলভাবেই এভারেজ মন্তব্যগুলোর মধ্যে আপনার মন্তব্য আছে মনে হয়েছে। আপনার ক্ষেপার প্রয়োজন নেই। দুঃখ প্রকাশ করছি। এই বিষয়ে আপনি বা অপবাক বা সুমন রহমান কারো সাথে কাইজ্জা করার ইচ্ছে আমার নেই। অসাবধানতাবশত এইসব হয়েছে। আপাতত এই বিষয়ে আমার এখানেই ইতি।
লেখক বলেছেন: আমার সাথে কাইজ্জা করলে সমস্যা নাই ![]()
শাহরিয়ার হাসান বলেছেন:
@ডটু রাসেল ভাই সুমন্রহমানরে যে কুনু গালি দিলেন না মা বাপ তুইলা? আমি তো আপনার গালি দেহার জইন্য বইসাছি সেই দুপুর থিকা
লেখক বলেছেন: হে নিক, আপনারে ব্লক দিলাম বিরক্ত করার জন্য।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। কাজে আসবে লিংকগুলো।
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
কৈ, সামহোয়্যারনামার পরবর্তী পর্ব কৈ?
লেখক বলেছেন: আসবে শিগগির। থ্যাঙকস ফর ইয়ুর প্যাসেন্স, ফিউশন ফাইভ!
সত্যেন্দ্র ছাতু বলেছেন:
দীনু ভাই কি আমার একখানা কমেন্ট মুছিয়া দিলেন শুধু বলিয়াছিলাম মিডিয়ার পাকনামি লইয়া আপনের লেখাগুলি পেপারে ছাপান না ক্যালা, ডর লাগে নিকি? এই সামান্য নিরিহ কথাখানি আপনি মুছিয়া দিলেন?
আসল-ট্র্যাপ বলেছেন:
অমি পিয়ালের মত মিথ্যুক আমি জীবনেও দেখিনাই!যখন তিরিভুজ হেরে অশ্রু কইতো প্রথম দিকে তখন হে কইতো খোদার কসম আমি অশ্রু না। সাইমুমের কাছ থেইকা কনফার্ম হওনের পর যখন হেরে কইতো অশ্রু তখন সে কইলো, "সাইমুম ভাই, আমি কি অশ্রু? আমি অশ্রু সাইমুম ভাই?"
আমি বিশ্বাস করতে লাগলাম, মনে হয় পিয়ালে অশ্রু না। নাইলে একটা মানুষ এমনে কয় ক্যামনে? আইজকা এতদিন পর মনে হইলো, মানুষ কি পরিমান অসুস্থ হইলে এরম কইরা হাজার হাজার মানুষরে ধোঁকা দিতে পারে! হোকনা এইডা ভার্চুয়াল জগত, তবুওতো পরাবস্তবের মানুষগুলা এইখানে আবেগ ঢালে, এইসব নিয়া এইরকম খেলা দেখনের পর জীবনডারে ছিনাল মাগীর হাসির মত লাগে!
স্বপ্নকথক বলেছেন:
পোস্টের চেয়ে কমেন্ট পড়ে মজা পেলাম, ঠেলা।
আবদুল্লাহ আল জাফর মালেক বলেছেন:
স্বপ্নকথক বলেছেন: পোস্টের চেয়ে কমেন্ট পড়ে মজা পেলাম, ঠেলা।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...























