আমার প্রিয় পোস্ট
- ভার্চুয়াল ও ননভার্চুয়াল ক্ষেত্র থেকে সামহোয়ারইনব্লগ কর্তৃপক্ষের ব্লগ রূপরেখা এবং এর ব্লগ, ব্লগার ও ক্রমঃবিবর্তিত পরিচালন পদ্ধতি - কৌশিক
- খিস্তি ঠাটে ত্রিতাল ভৈরবের জঙ্গনামা: সামহোয়ার নিয়ে আরো কিছু ভণিতা - রিফাত হাসান
- সামহোয়ারনামাঃ একটি ব্লগীয় ক্যাচাল সৃষ্টি এবং আধিপাত্য বিস্তারের হীন প্রকল্প - শিরোনাম
- সুমন রহমান এর 'সামহোয়্যারনামা ৪' এর প্রেক্ষিতে কিছু কথা (ত্রিভুজ) - ত্রিভুজ
- কাস্পারস্কাই ইন্টারনেট সিকিউরিটি-২০০৯ এর ভ্যালিড কি- 7/11/09 পর্যন্ত!!! - স্বাধীন_০৮
- বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কি (পশ্চিমা) জ্ঞানের (বাংলা) বিতরণ কেন্দ্র ?সুমন রহমানের লেখার প্রতিক্রিয়া - আহসান হাবিব শিমুল
- শেষ লেখা: হাঃ হাঃ, ডিয়ার কর্তৃ, গরুর জন্য ঘাস। - ব্রাত্য রাইসু
- লোকালটক, আনাল হক ও মনসুর হাল্লাজ - অমি রহমান পিয়াল
- ছোটগল্পঃ আমাদের এক বন্ধু পাহাড় বিক্রি করতো - মোস্তাফিজ রিপন
- লিজাইলাম - কৌশিক
- লেখকের মৃত্যু, পুরান মালের আড়ত আর জলেস্থলেঅন্তরীক্ষে একই কুমীরশিশুর প্রদর্শনী - আসিফ রহমান
- গল্পঃ জলের রঙে জলছবি - মোস্তাফিজ রিপন
- আমি যেদিন নিজের হাতে খুন হয়েছিলাম - আকাশচুরি
- তারার ফুল (কল্পগল্প) - (অ)গাণিতিক
- গানের প্রতিযোগিতা তিন চাকা ও কিছু ফাও গল্প - শওকত হোসেন মাসুম
- ছেলেকে না-বলা রূপকথা - সুমন রহমান
- ভাস্কর্য বিতর্ক: আরো কিছু নোট - রিফাত হাসান
- গরিবি অমরতা - সুমন রহমান
- কমিউনিষ্ট চীনের পুঁজিতন্ত্র ও মেলামাইন - পি মুন্সী
- কার্ল মার্কস ও তথাকথিত প্রকৃতি বিজ্ঞান (Natural Science) - পি মুন্সী
- মৃত্যুর মন্থর রিহার্সেল - বৃশ্চিক
সামহোয়্যারনামা ৪
২১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৫২
সামহোয়্যারনামা লিখতে গেলে ত্রিভূজ বনাম এ-টিম এর দ্বৈরথ এড়িয়ে যাওয়ার উপায় নাই। এটা এই ব্লগের সবচে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ, নানান ছন্দে, নানান কৌশলে, নানান ইস্যুতে এখনো চলমান। সামহোয়্যারইনে সম্ভবত সবচে আলোচিত, সর্বাধিক বিতর্কিত, সর্বাধিক অ্যাবিউজড এবং প্রায়-প্রাতঃস্মরণীয় নিকটির নাম ত্রিভুজ। পক্ষান্তরে, এ-টিম হল সামহোয়ারের প্রথম এলিট গ্রুপ যারা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ অবস্থানকে ফোরফ্রন্টে রেখে ত্রিভুজ এবং তার সহগামী শক্তির বিরূদ্ধে লড়াইয়ে সামিল। এটা একটা ইডিওলজি ওয়ারফেয়ার, যেখানে "মুক্তিযুদ্ধ/জামাত" পজিশনিং এই যুদ্ধের ইডিওলজি নির্ধারণ করেছে। ইডিওলজির সাথে যুদ্ধের স্ট্র্যাটেজির আবার বিস্তর ফারাক। শত্রুকে পরাজিত এবং হীনবল করার যাবতীয় কৌশল এই যুদ্ধে দুপক্ষই নির্বিচারে প্রয়োগ করেছে।
ত্রিভুজ নেটওয়ার্ক বনাম এটিম যুদ্ধে মূলত তিনটি পন্থা অনুসৃত হয়। এক, ডিমোরালাইজেশন : নির্বিচার গালিগালাজ একে অন্যের বিরূদ্ধে প্রাণিবাচক এবং অন্যান্য অবমাননাকর শব্দব্যবহারের মাধ্যমে; দুই, ইমেজ ডাউনসাইজ করা: মূলত একে অপরের বিরূদ্ধে ভন্ডামির অভিযোগ রেজিস্টার করা এবং সেজন্য প্রয়োজনে ব্লগীয় বাস্তবতার বাইরের দৃষ্টান্ত ব্যবহার করার মাধ্যমে; তিন, গেরিলা ক্যামোফ্লেজ নিয়ে: রিভার্স সাইকোলজি এপ্লাই করার মাধ্যমে। যুদ্ধ যে পন্থাতেই হোক না কেন, তাতে পদাতিক বাহিনীর সদস্য হিসেবে শহীদ হয় অসংখ্য নিক। উভয়পক্ষেরই রয়েছে দুর্ধর্ষ এবং আত্মঘাতী নিকস্কোয়াড।
ইডিওলজির জায়গা থেকে এ-টিম প্রো-প্রগ্রেসিভ, প্রো-লিবারেশন, সেক্যুলার এবং বিজ্ঞানমনস্ক। কিন্তু ব্লগীয় অ্যাকটিভিটির দিক থেকে তাদের রিঅ্যাকটিভ মনে হয়। আবার ত্রিভুজ যদিও হালে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে তার অবস্থানকে ব্যক্ত করছেন, কিন্তু ঐতিহাসিকভাবে তিনি এন্টি-লিবারেশন, প্রো-জামাত এবং প্রো-ইসলামী নেটওয়ার্কেই সময় কাটিয়েছেন। কিন্তু এই গোষ্ঠী তাদের ব্লগীয় অ্যাকটিভিটির চরিত্র বিচারে প্রো-অ্যাকটিভ।
ডিমোরালাইজেশন বা নির্বিচার গালাগালিপন্থার কথা বলা যাক। জগতসংসারের হেন কোনো অবমাননা শব্দ নাই যা ব্লগীয় যুদ্ধে দেখা যায় না। এক্ষেত্রে এ-টিম একটা ক্ল্যাসিক উচ্চতায় পৌঁছে গেছে, সেটি ত্রিভুজকে একটা প্রাণিবাচক অভিধায় ক্রমাগত অভিহিত করার মধ্য দিয়ে। এই অভিধার প্রয়োগ এত সর্বব্যাপী যে, প্রথম আলো ব্লগ তার নীতিমালায় "কাউকে প্রাণিবাচক শব্দে ডাকা যাবেনা" শীর্ষক আইন প্রণয়ন পর্যন্ত করে! "ছাগু" শব্দটি ছড়িয়ে পড়ে ব্লগ থেকে ব্লগান্তরে, এমন কি ফ্লিকার, ইউটিউব এবং ই-স্নিপস এর আর্কাইভে। গান হয়েছে "ছাগু" নিয়ে, নানান টেম্পারড ফটোগ্রাফ এসেছে তার, কবিতা হয়েছে ব্লগে ব্লগে। এমনটা মনে হয়েছে যে, "ছাগু" ডিসকোর্সটি বহু ব্লগারের সৃজনশীলতার বিকাশে সহায়ক ছিল। তাদের কল্পনাপ্রতিভার সর্বোত্তম প্রকাশ দেখা গেছে রিলেটেড পোস্টগুলোতে। প্রসঙ্গত, প্রথম আলো ব্লগের শক্ত নীতিমালায় যেহেতু কাউকে প্রাণিবাচক শব্দে অভিহিত না-করার আইন আছে, তাই সেখানে "রামানুজান" নামে এক নিকের আবির্ভাব হল। রামানুজান কিছুই করেন না সেখানে, শুধু পশুপালনবিদ্যার বই ঘেঁটে ঘেঁটে ছাগল পালনবিদ্যা নিয়ে একটা একটা করে "সিরিয়াস" পোস্ট দিতে থাকেন। কোনো গালি নেই, কারো নাম নেয়া নেই, কিন্তু এই নিকটি ব্যান হয়েছে সেখানে। এতে বোঝা যায় "ছাগু" ব্রান্ডিং কোন্ উচ্চতায় উঠেছে বাংলা ব্লগে। একইভাবে, "গেলমান" নিয়েও একইরকমের আরেকটা ব্রান্ডিং এর প্রবণতা এ-টিম ব্লগারদের দেখা গেছে।
ত্রিভুজ নেটওয়ার্কেও গালির বিচ্ছুরণ কিছু দেখা গেছে। তবে সেগুলো অনেক কম সপ্রতিভ, নিরীহ গোছের গালিই, যতটুকু দেখেছি। দালাল টালাল জাতীয়। এর বাইরে কিছু থাকলে আমার চোখ এড়িয়ে গেছে। গালি দেয়ার চেয়ে এ-টিমকে গালির উপলক্ষ তৈরি করে দেয়াতেই তাদের তৎপর দেখা যায়। এ-টিমের তীব্র গালিগুলোকে ভোঁতাভাবে কনজিউম করা, বা অবজ্ঞা প্রদর্শনের মাধ্যমে নিজের ব্লগীয় ছন্দে অবিচল থাকা... মোটামুটি এরকমই ছিল ত্রিভুজ নেটওয়ার্কের ডিমোরালাইজেশন কৌশল। এটা সচেতন কি অনিচ্ছাকৃত জানি না। তবে এরকম ভোঁতা রিসেপশন এ-টিমকে আরো উত্তেজিত করত, সন্দেহ নেই। ফলে প্রথম দিকের "ক্রিয়েটিভ" গালিগালাজময় আক্রমণের স্তর থেকে তাদের নিচে নেমে আসতে হয়েছে অনেক।
ইমেজ ডাউনসাইজ করার ক্ষেত্রে ত্রিভুজ নেটওয়ার্ক রিলিজিয়াসলি সময় দিয়েছে। এটা মূলত এ-টিমের ব্লগারদের ব্যক্তিগত প্রসঙ্গের সত্যমিথ্যা ব্লগে প্রকাশ করে দেয়ার মাধ্যমে। এ-টিমও এই কাজ করেছে, তবে অতটা রিলিজিয়াসলি নয়। এর ফলে আমরা জানতে পারি কোন্ ব্লগার যৌবনযাত্রায় ব্লগান, কে মগবাজারের টাকা খান, কারা ভারতের এজেন্ট, কার ১০০০ নিক আছে, কোন নিকের মালিকানা কার, কে উইকিপিডিয়ায় কনট্রিবিউট করতে গিয়ে "ধরা" খেয়েছে, ইত্যাদি। ইমেজ ডাউনসাইজ করার কৌশল ত্রিভুজ-এটিম যুদ্ধ ছাড়িয়ে অন্যান্য ব্লগীয় ক্ষেত্রেও দেখা যায়।
তবে এই দুই ফ্রন্টের যুদ্ধে এ-টিমের সম্মিলিত আক্রমণ ত্রিভুজকে কাহিল করেছে এমন মনে হয় নি। ত্রিভুজ আক্রান্ত হয়েছে সামহোয়ারে এবং অপরাপর কম্যুনিটি ব্লগগুলোতে, ব্যক্তিগত ব্লগস্পটগুলোতে আরো তীব্রভাবে। কিন্তু সেসব জায়গায় কাহিল না হলেও ত্রিভুজ কাহিল হয়েছে তৃতীয় ফ্রন্টে। এই পর্বে "অশ্রু" নামক এক নিকের আবির্ভাব হল যার প্রোফাইলে এক কামুক পুরুষের ছবি। এই "অশ্রু"র কাজ হল ত্রিভুজকে প্রশংসা করা, এবং তাকে নিয়ে প্রেমের কবিতা রচনা করা। অশ্রুর সেই কবিতাগুলো, তার নন-হেটেরোসেক্সুয়াল ভালবাসার পয়গাম ত্রিভুজকে কিছুমাত্রায় বেকায়দায় ফেলে দিত সন্দেহ নেই। অমি রহমান পিয়াল আমার আগের এক পোস্টের মন্তব্যে স্বীকার করেছেন যে রিভার্স সাইকলজি এপ্লাই করার এক সফল দৃষ্টান্ত "অশ্রু" নিকটি।
এছাড়াও রিভার্স সাইকলজি বা ক্যামোফ্ল্যাজ এটাকের আরো দৃষ্টান্ত পাওয়া যায় ত্রিভুজ-এটিম যুদ্ধে। নারী নিক ব্যবহার করে বিপক্ষের পুরুষ ব্লগারের "চরিত্র হনন" করা এবং সেই "দুশ্চরিত্রতার" প্রমাণ দাখিল করে ঐ পুরুষ ব্লগারকে সামহোয়ারে ব্যান করার মত ঘটনাও ঘটেছে।
আমরা যারা দর্শক তাদের এটিম-ত্রিভুজ যুদ্ধ প্রভুত বিনোদন যেমন দিয়েছে, আবার বেদনাও কম দেয় নাই। বেদনা এজন্য যে, এই যুদ্ধে আমরা প্রচুর সম্ভাবনাময় এবং প্রতিভাবান নিককে হারিয়েছি। এই যুদ্ধ শুরুর আগে এ-টিমের ব্লগারদের নানারকমের প্রতিভার স্ফূরণ দেখেছি সামহোয়ারে, কিন্তু কালে কালে এর সামান্যই অবশিষ্ট আছে। একইভাবে ত্রিভুজকেও দেখা গেছে দীর্ঘদিন সামহোয়ারে নিষ্ক্রিয় হয়ে থাকতে। এখন এ-টিমের অনেকেই, আগেই বলেছি, একটা রিঅ্যাকটিভ পজিশন নেয়, একটা ওয়াচডগের মত কাজ করে। কোথাও কোনো রাজাকার মাথাচাড়া দিল কি না, কেউ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কোনো কটুকাটব্য করল কিনা এসবই তাদের অনেকের ব্লগীয় কর্মকান্ড। এটা করতে গিয়ে তাদের নতুন করে বলবার কথাগুলো আর বলা হয় না, অন্তত এই ফোরামে। দৃষ্টান্ত হিসেবে হাসিব-এর নাম বলা যায়। সচলায়তনে হাসিবের লেখার স্বাদ পেয়েছিলাম যা ভুলবার নয়। কিন্তু সামহোয়ারে এসে দেখলাম হাসিব তার লেখকপ্রতিভার ওপর সুবিচার করছেন না। আর এখন তো তাকে ব্যান করাই হয়েছে সামহোয়ারে। কিন্তু এটা বোধ হয় এটিম-এর সব ব্লগার সম্পর্কে সমভাবে প্রযোজ্য নয়। কাউকে কাউকে প্রায়ই তাদের স্বমহিমায় দেখা যায়।
নিক ম্যানেজমেন্টে এ-টিম অনেক ইন্টারেস্টিং ঘটনার জন্ম দিয়েছে। তাদের টিমওয়ার্ক খুব প্রফেশনাল, দেখা যায় কোনো একটি নিক উদ্ভাবনের পর এ টিমের একাধিক ব্লগার সেই নিকটিকে অপারেট করছে। একেকটা নিকের একেক ধরনের চেহারা, আচার আচরণ, বাংলা লেখার ধরন, রেগে যাওয়ার ধরন, সতীর্থদের সাথে খাতিরএর নেটওয়ার্কিং, মুদ্রাদোষের ধরণ। সেইমত বুঝে শুনে একটা নিককে একাধিক লোকের পক্ষে ভ্রান্তিহীনভাবে অপারেট করতে পারা নিঃসন্দেহে কৃতিত্বের।
(চলিবেক)
প্রকাশ করা হয়েছে: পপুলার কালচার, প্রতিদিনের রাজনীতি বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩৪
লেখক বলেছেন: এটিমের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বরং বিস্তারিত কিছু লিখুন। আমার কাজে আসবে।
খলিল মাহমুদ বলেছেন:
উপভোগ্য রচনা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
ছাগুরামের মতো অকালকুষ্মান্ডকে আপনি দেখি গনায় ধরেন !!
লেখক বলেছেন: আমার ব্যক্তিরূচিতে কাউকে গনায় ধরা না-ধরার ব্যাপার না। ব্লগীয় সমাজ-উপাত্ত হিসেবে গণায় ধরার ব্যাপার।
আসল-ট্র্যাপ বলেছেন:
ভালো লাগেনাই।কেমন জানি পক্ষপাত দুষ্ট মনে হইছে।
এটিম রে হিরো হিসাবে বেশ স্থুল ভাবে বোঝানো হইছে।
মাইনাস।
লেখক বলেছেন: হিরো-ভিলেন এর চক্কর নয়, যদি সেরকম কিছু বুঝে থাকেন তবে আমার লেখার উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়েছে বলতে হবে।
অরণ্যচারী বলেছেন:
একটা কারেকশন - আরিফ জেবতিক নিজেকে এ টীম মেম্বার বলেন না (আমার জানামতে)।
লেখক বলেছেন: আরিফ জেবতিক নিজেও হয়ত বলবেন। পরে শুধরে নেবো।
অলৌকিক হাসান বলেছেন:
ত্রিভুজ 'নিক' এর চেয়ে এটিমের লক্ষ্যবস্তুতে তারাই থাকত যাদের মুক্তিযুদ্ধ বা বাংলাদেশ নিয়ে সংশয় আছে। রাজাকারপুত্র থেকে শুরু করে অসংখ্য নিকের পেছনে এটিম দীর্ঘদিন আক্রমণ চালিয়েছে, সাধারণ ব্লগারদের সহায়তায়- তাদের সমর্থন নিয়ে
ত্রিভুজও মাঝে মাঝে এ সংশয়ের কারণে এটিমের শিকার হয়েছিল। কিন্তু স্বীকার করতেই হবে ত্রিভুজ অনেক বিনোদন দিত। এটিম চাইত ত্রিভুজ সামহোয়ারে বিরাজ করুক। ফ্রি বিনোদন নষ্ট হওয়ার বেদনা ত্রিভুজ যখন আলুব্লগে চলে গেল, সবাই বুঝতে পেরেছিল। যাক, আবার সে ফিরে এসেছে
তাই এটিমকে শুধু ত্রিভুজ নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুদ্ধ-যুদ্ধ খেলা দেখিয়ে এই ইতিহাস লেখা মন:পুত হয় নাই।
লেখক বলেছেন: হা হা হা.... অলৌকিক আমি দুঃখিত! আমার জ্ঞানে বিষয়টা এমনভাবেই ধরা পড়েছে। আমার মনেই হয়েছে এটিম ত্রিভুজ ও তার সহযাত্রীদের প্রতিহত করার জন্য সংগঠিত হয়েছিল। এটিমের কার্যক্রম আমি যতটুকু দেখেছি তাতে আমার এই ধারণাটাই বদ্ধমূল হয়। আপনি নিজেই একটা পরিসংখ্যান করে দেখুন না, এটিমের আক্রমণাত্মক পোস্টগুলোর কত পারসেন্ট ত্রিভুজকে লক্ষ্য করে।
আহমেদ দ্বীন পিন্টু বলেছেন:
ইতিহাস পড়ে জানছি অনেক কিছু
লেখক বলেছেন: সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: এটা আমার বোঝাশুনাজানার মধ্যে থেকে আমার ভাষ্য হাজির করা। সর্বমান্য ইতিহাস বলতে যা বোঝায় তা নয়।
উনাকে আমার ভদ্র ও অমায়িক মানুষই মনে হয়েছে।
পরোপকারী মনে হয়েছে। কিছু ভুল সবারই থাকে, কারণ আমরা মানুষ।
হি ইজ ট্রুলি এ্যা স্টার ওফ বাংলা ব্লগোস্ফিয়ার।
এ-টিম সম্বন্ধে আমার বলার কোন প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না।
লেট দি টাইম ডিসাইড।
লেখক বলেছেন: বাস্তবে কে কি সেটা আমিও জানি না। আর সেটা জানলেও কিছু আসে যায় না। আমি বলছি ব্লগীয় অস্তিত্বের কথা। একথা কে না জানে যে ব্লগে তুমুল গালিগালাজ করা নিকটিও বাস্তব জীবনে ভদ্র অমায়িক লোক হিসেবে থাকতে পারে। ফলে ব্লগ-বহির্ভূত অস্তিত্ব এবং কর্মকাণ্ড আমার দেখার বিষয় নয় এখানে।
অরণ্যচারী বলেছেন:
শুধুমাত্র ত্রিভুজ এবং এ টীমকে নিয়ে লিখলে সেটা হবে শুধু সাম্প্রতিককালের কথা। কিন্তু ব্লগের শুরুতে আরো অনেক নিক ছিল, যারা জামায়াতমনস্ক বলে চিহ্নিত হয়েছিল। এদের কথা অবশ্যই বলা উচিত। ওয়ালী, ওয়ামী, ফারজানা মাহবুবা, ফজলে এলাহি - এরা এ টীম মেম্বারদের টার্গেট ছিল। কেন ছিল সেটা দেখেন।ওয়ামীর ব্যান নিয়ে আপনি সামহোয়্যারনামার একটা আলাদা পর্ব লিখতে পারেন।
লেখক বলেছেন: সেই সময়ের কাহিনী আমার প্রায়-অজানা। লিংক দিয়ে সাহায্য করতে পারেন।
যুগান্তকারী বলেছেন:
এই ব্লগটা দিন দিন গোচারন ভুমিতে পরিনত হচ্ছে এইসব দলবাজ়দের জন্য।কোন দলবাজ়দের ই রাজ়্ত্ব এই ব্লগ হোক তা চাইনা।কর্তপক্ষের কড়া মডারেশন আশা করি।
লেখক বলেছেন: কড়া মডারেশন চলছে তো!!
তনুজা বলেছেন:
ভাল লেগেছে
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ঝান্ডুদা বলেছেন:
ত্রিভুজ নেটওয়ার্ক বনাম এটিম যুদ্ধ........এসেমেট্রিক ওয়ার হয়ে গেলো...মশা মারতে আপনি কি কামান দাঘেন? আমার মনে হয় শ্রেফ কাগুই যথেষ্ঠ
লেখক বলেছেন: বোঝার ভুল হয়ে গেল বোধয়। আমি ত্রিভুজ বা এটিম কারো দিকেই কামান দাগাচ্ছি না, বরং যা ঘটেছে অতীতে তার যতটুকু আমি জেনেছি তার ভিত্তিতে একটা ব্যাখ্যা খোঁজার চেষ্টা করছি।
কিশোরি বলেছেন:
অনেক কিছু জানতে পারলাম, আপনাকে ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।
লেখক বলেছেন: আমি নাচার আপাতত। আপনি বিখ্যাত হয়ে উঠলে তখন আপনার গোত্রবিভাজন করা যাবে।
ভাল ক্যারেক্টারাইযেশন। আপনাকে ধন্যবাদ। বিশেষত মিরাজ ভাই, মাহবুব মোর্শেদ ভাই, ফারহান সহ কেউই যেখানে এটিমের কবল থেকে মুক্ত নয়। আর আমরা তো আছিই।
লেখক বলেছেন: সোজাসুজিই বললেন কি? আমার কিন্তু ওরকমই মনে হয়েছে। কিন্তু তাই বলে ঐসব ইডিওলজিই যে শ্রেষ্ঠ তা আমি বলছি না, বা মীনও করছি না।
আসল-ট্র্যাপ বলেছেন:
আপনার তিননাম্বার সামহয়ারনামা থেইকা দেখলাম-- অমি পিয়ালের মত মিথ্যুক আমি আমার সারা জীবনেও দেখিনাই! এত বড় মিথ্যুক দেখাও ভাগ্যের ব্যাপার! আমি ভাগ্যবান!যখন তিরিভুজ হেরে অশ্রু কইতো প্রথম দিকে তখন হে কইতো খোদার কসম আমি অশ্রু না। সাইমুমের কাছ থেইকা কনফার্ম হওনের পর যখন হেরে কইতো অশ্রু তখন সে কইলো, "সাইমুম ভাই, আমি কি অশ্রু? আমি অশ্রু সাইমুম ভাই?"
আমি বিশ্বাস করতে লাগলাম, মনে হয় পিয়ালে অশ্রু না। নাইলে একটা মানুষ এমনে কয় ক্যামনে? আইজকা এতদিন পর হে নিজেই কইলো-আমিই অশ্রু আছিলাম! ফট কইরা মনে হইলো, একটা মানুষ কি পরিমান অসুস্থ হইলে এরম কইরা হাজার হাজার মানুষরে ধোঁকা দিতে পারে! হোকনা এইডা ভার্চুয়াল জগত, তবুওতো পরাবস্তবের মানুষগুলা এইখানে আবেগ ঢালে, অন্যেরে বিশ্বাস করতে চায়। নিজেগো বিশ্বাস নিয়া এইসব খেলা দেখনের পর জীবনডারে ছিনাল মাগীর হাসির মত লাগে!
লেখক বলেছেন: পিয়াল অশ্রু ছিল একথা কি আমি বললাম নাকি? আমার বক্তব্য ছিল, পিয়াল অশ্রু-স্ট্র্যাটেজি যে সফল সেটা স্বীকার করেছেন। টেকনিক্যালি সেটা কিন্তু প্রমাণ করে না যে সেইই অশ্রু ছিল।
নিরপেক্ষদের মুক্তি নাই?
লেখক বলেছেন: দলবাজীর গবেষণা? আমারে কোন্ দলে ফেললেন ভাই??
আসল-ট্র্যাপ বলেছেন:
একবার চতুরভুজ নামে একজন লিখতো। প্রথমে তারে ত্রিভুজের নিক কইতো, পরে তার নিক হ্যাক কইরা সারোয়ার চৌধুরীরে গাইল দিলো, আবার সেই হ্যক করা নিকেই চতুরভুজ কইলো সে বনানী বাজারের সাইবার ক্যাফের মালিক জামাল খান। অথচ সেই মেয়ে থাকে অষ্ট্রেলিয়ায়। তার অনেক লেখা আমার ভালো লাগছে। এখন হঠাত কইরা কাউরে কিছু না কইয়া সে আর লেখেনা। সেইযে গেছে সে , আর আসেনাই। আমাগো চক্রান্তে অনেক প্রতিভার মরন ঘটছে সামোয়ারেই।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, অনেক নিকের মরণ যেমন ঘটেছে, অনেক রিয়েল নেইমেরও অবসান ঘটেছে। এদের কারো কারো এপিটাফ আছে এখানে, কারো কারো নাই।
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
লেখক বলেছেন: হা হা হা.... অলৌকিক আমি দুঃখিত! আমার জ্ঞানে বিষয়টা এমনভাবেই ধরা পড়েছে। আমার মনেই হয়েছে এটিম ত্রিভুজ ও তার সহযাত্রীদের প্রতিহত করার জন্য সংগঠিত হয়েছিল। এটিমের কার্যক্রম আমি যতটুকু দেখেছি তাতে আমার এই ধারণাটাই বদ্ধমূল হয়। আপনি নিজেই একটা পরিসংখ্যান করে দেখুন না, এটিমের আক্রমণাত্মক পোস্টগুলোর কত পারসেন্ট ত্রিভুজকে লক্ষ্য করে।....এইখানে বলতে চাই, এটিম ত্রিভুজ গঙকে প্রতিহত করার জন্য সংগঠিত হয়নি। বরং যে (কু)আদর্শ ত্রিভুজ গং লালন এবং চর্চা করে এটি সেই (কু) আদর্শ(প্রতিক্রিয়াশীল, স্বাধীনতাবিরোধী প্রভৃতি) প্রতিহত করার জন্য সংগঠিত হয়েছে। আর ত্রিভুজ উল্লেখিত (কু)আদর্শের পুরধা হিসাবে আবির্ভুত হয়েছে বিধায় সেই বেশী লক্ষ্য বস্তুতে পরিণত হয়েছে।
লেখক বলেছেন: ঠিকাছে। ত্রিভুজ নয় বরং ত্রিভুজের আদর্শই ছিল এটিমের প্রতিপক্ষ। আবার এটিম নয় বরং এটিমের আদর্শই ছিল ত্রিভুজের প্রতিপক্ষ। নাকি? এভাবে বললে চলে?
অলস ছেলে বলেছেন:
ব্রাভো।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
সেইরকম রিভিউ আর্টিকেল হইছে।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
আপনার বিশ্লেষণ ঠিক। ত্রিভুজ এই ব্লগে প্রো জামাত ও স্বাধীনতা বিরোধী ব্লগারদের আইকন। তবে এ-টিম তারে প্রতিহত করতে সৃষ্ঠি হয় নাই। এ ব্যাপারে আপনার সময় থাকলে নীচের লেখাটাতে চোখ বুলাইয়েন। এ-টিম সম্পর্কে যারা জানতে চান...লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পিয়াল। এটিম ত্রিভুজকে প্রতিহত করার জন্য সৃষ্টি হয় নাই, এই তথ্য যদি সঠিক হয় তবে এটাও নিশ্চয়ই সঠিক যে কালেক্রমে এটিমের তৎপরতার সিংহভাগই ত্রিভুজের বিরূদ্ধে ব্যবহার করা হয়েছে।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
উপরে উম্মু আবদুল্লাহ যা বল্লেন তাতে আসলে এ-টিমরে দোষাইয়া লাভ নাই। ত্রিভুজের আইডোলজি গোটা সামহোয়ার জানে। সেই লোকরে প্রিয় তালিকায় রাইখা, তার প্রলাপরে বাহবা দিছে যারা, তাদের আমরা ছদ্মবেশী প্রতিক্রিয়াশীল মনে করি।আরেকটা কথা, যদিও এ-টিম একটা কনসেপ্ট মাত্র, এইটারে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিছিলাম আমরা কয়জন কমরেড। তবে সেই আইডিওলজিটা এখনও ধারণ করেন অনেক ব্লগার, অনেক নবাগতও। তারা সহ্য করতে পারে না স্বাধীনতাবিরোধীদের গলাবাজি। আর মনে রাখবেন, আজকে সামহোয়ারে স্বাধীনতা বিরোধী পোস্টের ব্যাপারে যে নীতিমালা আছে, সেইটা এ-টিমের কমরেডরাই আইনা দিছিলো সাধারণ ব্লগারদের সঙ্গে নিয়া। এইটা কিন্তু কম এচিভমেন্ট না।
বোলারস ব্যাকড্রাইভ বলেছেন:
ভাবছিলাম কিছু বলবো। কিন্তু পিয়াল ভাই যা কইছে তারপর আর কিছু বলার নাই।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
চলুক....
অ্যাস্টেরিক্স বলেছেন:
কিছুটা উত্তরাধুনিক ধোয়াশা থাকলেও পোস্ট ভালো লিখেছেন। বিশেষ করে ব্লগে অপেক্ষাকৃত নবাগত হিসেবে যতোদূর লিখতে পেরেছেন, তাতে আপনার বাহবা প্রাপ্য।কিছু কিছু ভুল আছে, যেমন ত্রিভুজকে প্রতিহত করার ওপরে বাড়তি জোর দিয়েছেন। ত্রিভুজের ওপরে অনেক সময় জাঝাটা বেশি হতো কারণ সে বেশি লাফায়। সে ছিলো দাবা খেলার বড়ে, আগেই শহীদ হতো, তবে বড়ের পেছনের লোকদের ওপরেই ফোকাস ছিলো। যেমন, কামারুজ্জামানের দুই ছেলে, মেয়ে, সিডনী প্রবাসী ইসমাইল চাচা ও তার বড় মেয়ে, ধানসিঁড়ি, সাইমুম, উন্মু ছাগদুল্লাজাতীয় জামাতিদেরকে ব্লগে ছাগুশক্তির নিউক্লিয়াস মনে করা হতো। এদিক দিয়ে ত্রিভুজের গুরুত্ব খুব কম; কারণ ত্রিভুজ সেলফ ডেস্ট্রাক্টিভ ছাগু। জামাতকে পঁচাতে তার জুড়ি নেই।
ত্রিভুজের সাথে যেটা করা হতো, তা মূলত বিনোদনের জন্য। অশ্রু নিকটা আসলে অমি পিয়ালের হাতে যায় অনেক পরে, অমি পিয়াল ইউজ করার আগেই অশ্রু ত্রিভুজের সাথে মজা করতো। এই মজাটা এটীমের সবাই আবার পছন্দ করতো না। যেমন, আমি কখনো ত্রিভুজের সাথে এই মজা নেই নাই। একইভাবে ফজলে এলাহিকেও তেমন গুরুত্ব দেয়া হয় নাই। কারণ, সে শুধু ছাগলই না, আবাল, ব্লগে তার তেমন কোনো ইনফ্লুয়েন্স নাই। তার অখাদ্য কবিতা এমনকি ছাগুরাও পড়ে না।
সারওয়ার চৌধুরী আসলে ক্রসফায়ারে পড়ে গেছেন দুর্ভাগ্যবশঃত। তিনি সম্ভবত অ্যাকটিভ জামাতকর্মী না। চতুর্ভুজ নিকটা ব্লগে আসার আগ পর্যন্ত সারু চৌকে কেউ জ্বালায় নাই। তবে বেশি বয়স পর্যন্ত অবিবাহিত থাকার কারণে সুপ্ত তরলের উৎপাতে চতুর্ভুজের সাথে দহরম মহরম দেখাতে এসে তিনি ক্রসফায়ারে পড়ে যান। তার দুর্বলতা আইডেন্টিফাই করা খুবই সহজ কাজ ছিলো, তারপরেরটা তো ইতিহাস।
মিরাজকে আসলে প্রথমে আবাল হিসেবে কনসিডার করা হতো। সে নিজেকে জাহির করতে ব্যস্ত, শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে বিরাট বিরাট পোস্ট দিতো। তার সমস্যা হলো, সে নিজেকে হেব্বি জ্ঞানী মনে করতো। তার মতের সাথে না মিললেই ভাব নিতো। এটা দেখে এটীম হাসতো।কারণ, এটীমে অন্তত তিনজন সদস্য আছে পিএইচডিধারী। এরকম আবালকে এটীম সাধারণত এড়িয়ে চলে, অযথা ক্যাচালে যেতে চায় না। মিরাজের ওইসব জ্ঞানগর্ভ পোস্টে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকে। মিরাজ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে পোস্ট দিলে তাকে উৎসাহিত করা হয়, রেটিং দিয়ে টপরেটেড পোস্টে রাখা হয়। এরপরে যা হয়, মিরাজ নিজেই এটীমের সাথে পায়ে পা লাগিয়ে শুরু করে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ঘোলাটে বক্তব্য দেয়া শুরু করে, কামারুজ্জামানের ছেলেকে তোয়াজ করা শুরু করে, বোঝা যায় ডাল মে কুছ কালা হে। পরে অবশ্য তার সেবা সংশ্লিষ্টতারও প্রমাণ পাওয়া যায়। বিস্তারিত এই পোস্টে: Click This Link
সুতরাং তাকে কিছু ট্রিটমেন্ট দিতে হয়। যে দেশে জামাত মুক্তিযুদ্ধ পরিষদ গঠন করে, সে দেশে আসলে লেজ চেনার উপায় হলো ঘোলাটে বক্তব্য দেয়া। কামারুজ্জামানের ছেলেকে তোয়াজ করে কথা বলা; কিংবা আস্তমেয়ে নিরন্তর ভাবতে শেখানো কেউ মুখে যতোই মুক্তিযুদ্ধের কথা বলুক, অনুকূল পরিবেশে তার লেজ বের হয়ে পড়ে। স্যাড বাট ট্রু।
গোষ্ঠিবদ্ধতার জন্য এটীম ছাগুদের কাছে কৃতজ্ঞ। সামহোয়ারইন ব্লগের শুরু থেকেই ছাগুরা সংঘবদ্ধভাবে পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রো-৭১ ব্লগারদেরকে আক্রমণ করতো, শক্তি প্রদর্শন, গালি সবকিছুই তার অন্তর্ভুক্ত ছিলো। জামাতকে প্রতিহত করার জন্য তাদের নীতি প্রয়োগ করাই বেস্ট অপশন। এটীমের কর্মপদ্ধতির জন্য তাই তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। ব্লগের শুরুর দিকে জামাতি ব্লগারদের আস্ফালনের বিরাট আর্কাইভ এটীমের আছে। আপনি যদি আমার কথা বিশ্বাস না করেন, তাহলে বলবেন, ইন্টারেস্টেড হলে কিছু নমুনা দেখাব।
এটীমের পেছনের মানুষদের মেধা নিয়ে কেউ সন্দেহ পোষণ করে না। ছাগুদের ফর্মূলায় অপেক্ষাকৃত কম অভিজ্ঞতা থাকার পরেও ছাগুবধ সহজ কথা নয়। আপনি যেমনটা বলেছেন, এটীম মূলত ওয়াচডগ হিসেবে কাজ করে। এটীম প্রোঅ্যাকটিভ না,রিঅ্যাকটিভ। ছাগু না থাকলে এটীমের অস্তিত্ব কোনো সাধারণ ব্লগার ফিল করবেন না। সবাইকে সাথে নিয়েই মুক্তিযোদ্ধাদের গালি দেয়া ওয়ামি, মেয়ে ব্লগারকে বাজে কথা বলা সাইমুমদেরকে ব্লগছাড়া করা গেছে, স্বাধীনতা নিয়ে হাদুমপাদুম করা যাবে না, নীতিমালায় এই ধারাগুলো যুক্ত হয়েছে। এ অর্জনের ক্রেডিট আসলে এটীমের ছায়াতলে জড়ো হওয়া কয়েকজন মাত্র ব্লগারের নয়, এর ক্রেডিট সকল ব্লগারের বলেই এটীম মনে করে, তবে এই 'সকল' ব্লগারের লিস্টে অবশ্যই সেইসব উত্তরাধুনিক ছাগল নেই, যারা কামারুজ্জামানের পোলা ব্যান হইলো ঠিক কোন পয়েন্টে, এটা নিয়ে ত্যানা পেচায়।
যুদ্ধের শেষে এসে এটা হলো না কেন, ওটা হলো না কেন, এসব নিয়ে অনেক ত্যানা পেঁচানো যায়, যোদ্ধাদেরকে ভার্চুয়াল গুন্ডা আখ্যা দিয়ে বুদ্ধিজীবি সাজা যায়, তবে যুদ্ধটা যারা করে, তারা জানে যুদ্ধটা কতো কঠিন ছিলো।
এটীমের ওয়ান অ্যান্ড ওনলি উদ্দেশ্য ছাগু তাড়ানো, ব্লগে প্রভাব বিস্তার বা অন্যের ওপরে হম্বিতম্বি করার জন্য এটীম না। ক্রেডিট নেয়া না, অপরবাস্তবের সম্পাদক হওয়াও না, এমনকি রেসিডেন্ট ভাঁড় হয়ে আরিলের কফি খাওয়াও না। কেউ হয়তো ভুল বুঝে, কেউ হয়তো এই আপাত নিঃস্বার্থ অ্যাকটিভিটিতে ঈর্ষাণ্বিত হতে পারে, কেউ হয়তো ছাগুপ্রেমে এতোই মশগুল যে, আস্তমেয়ে বা চতুর্ভুজ বা উন্মুআব্দুল্লারা এইখানে না লিখতে পারায় বিলা হয়। এসব সাইড এফেক্ট থাকবেই। এতে মন খারাপ হয়; কিন্তু সুন্দর পরিবেশ ও ছাগুতাড়ানোর স্বার্থে মন খারাপটাকে দূরে রেখেই জাঝা দিতে হয়।
লেখক বলেছেন: অনেক নতুন বিষয় এসেছে আপনার মন্তব্যে। ত্রিভুজ নেটওয়ার্কের বাইরে জামাতের এলিট যে চক্রটার কথা আপনি বললেন সেটা আমি বিশেষ অবগত নই। পরবর্তীতে তাদের ব্যাপারে আরো জানার চেষ্টা করা যাবে।
উত্তরাধুনিক ধোঁয়াশা জিনিসটা কি? খায় না মাথায় দেয়? দৃষ্টান্ত দেবেন কোথায় ধোঁয়াশা লাগল?
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
এতো কম জেনে এতো বড় বিষয়ে আপনি লেখা শুরু করবেন এটা আশা করিনি । এই পর্বটা বিরক্তিকর লাগলো ।
ত্রিভুজকে ছাগু বলাটা এই ব্লগে কবে থেকে চলছে আমি জানি না , তবে সেগুলো অবশ্যই অনেক আগের ঘটনা ।
অন্তত আমি যখন ব্লগে আসি , তখনও দেখেছি যে তাকে ছাগু ডাকা হয় ।
সেই তুলনায় এটিম তো সেদিনের বিষয় , খুব বেশি হলে এক থেকে দেড় বছর হতে পারে ।
যাক , উপরের এটা হচ্ছে তথ্য ।
-----
আর তথ্যের বাইরে আপনি যেভাবে মনগড়া ম্যাপমানচিত্র দিয়ে যাচ্ছেন , তাতে করে এই বিষয়ে আসলে প্রতি পর্বে কথা বলতে নিজেরই বিরক্তি লাগছে ।
গতপর্বে আপনার কাছ থেকে আমরা জেনেছিলাম যে রাসেল=অপ বাক ।
কিছুদিন আগে আপনার ফেসবুক কমেন্টে ইঙিত ছিল , আরিফ জেবতিক= আলিফ দেওয়ান কাগু ।
এবার আমরা জানতে পারলাম যে আরিফ জেবতিক এটিমের একজন সদস্য এবং যেহেতু এটিম সদস্য তাই সাধারন যুক্তিবিদ্যাতেই বুঝা যাচ্ছে যে আরিফ জেবতিক "ত্রিভুজ নেটওয়ার্ক" ধ্বংসের কাজে সদা ক্রিয়াশীল । অত্যন্ত হাস্যকর বিষয় এটি ।
আপনার অবগতির জন্য জানানো প্রয়োজন যে , মাহবুব সুমনের মন্তব্যটি এখানে নিতে পারছি আমি ,
মাহবুব সুমন বলেছেন: ছাগুরামের মতো অকালকুষ্মান্ডকে আপনি দেখি গনায় ধরেন !!
আপনার বিচার বুদ্ধির উপর পূর্ণ শ্রদ্ধা বলবৎ রেখেই মনে হচ্ছে , এই ধরনের হাস্যকর তথ্য প্রদানের আগে আপনি অন্তত এতোটুকু আস্থা রাখতে পারতেন যে , ত্রিভুজের সাথে আমার কোন ব্যক্তিগত বিদ্বেষ নাই , এবং তাকে গালি দিয়ে নষ্ট করার মতো সময়ও আমার হাতে নাই ।
মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তিদের বাকস্বাধীনতা থাকতে হবে , এরকম সুশীলীয় অবস্থানের বিপক্ষে আমার অবস্থান এবং আমি মনে করি রাজাকারদের কোন বাকস্বাধীনতার প্রশ্নই ওঠে না , আমার বাপকে খুন করে , আমার মা-বোনকে ধর্ষন করে তারা এখানে এসে বাকস্বাধীনতা ফলাবে গোলাম আযমের জীবনি দিয়ে , সেটার বিরুদ্ধে আমার তীব্র অবস্থান । এই অবস্থান মৌলবাদী ।
এই জায়গায় দাড়িয়ে যেহেতু এটিমের একটা ঘোষনা আছে ( পিয়ালের মন্তব্যটি উপরে দেখলাম ) যে এটা একটা আইডোলজি , সেই হিসেবে যদি আপনি আমাকে এটিমের সদস্য হিসেবে ধরেন , তাহলে ঠিকই আছে ।
তবে সেই কারনে আমি ত্রিভুজের পিছনে লাগি , এটা বড় অপমানকর ইঙিত ।
আলিফ দেওয়ান কাগু সুমন রহমানের পিছনে লাগে সুতরাং সেটা আরিফ জেবতিক , অথবা এটিমের লোকজন ( এবং আরো শত শত ব্লগার ) ত্রিভুজকে ছাগু ডাকে , সুতরাং এটাও আরিফ জেবতিক ; এই উভয় ধারনাই ভুল ।
ত্রিভুজ আরিফ জেবতিককে ভয় পায় না , আশাকরি আপনিও আরিফ জেবতিক সিনড্রোম থেকে মুক্ত হবেন ।
ত্রিভুজ যখন আমাকে ব্যক্তিআক্রমন করেছিল , তখনও আমি তার নামে রিপোর্ট করিনি ,
এখন আপনার এই আক্রমনেরও কোন রিপোর্ট করলাম না ।
এই একটা জায়গায় আপনাকে আর ত্রিভুজকে সমান গুরুত্ব দিলাম বলে নিজেরই খারাপ লাগছে ।
লেখক বলেছেন: আরিফ জেবতিক, আমাকে ইতিহাসবিদ ঠাউরালেন নাকি? আমি আমার পারসেপশন নিয়ে লিখছি এবং সেটা কোনো ইতিহাস নয়। ইতিহাসের খুঁটিনাটি প্রমাদগুলো মন্তব্যসাপেক্ষে আমি শুধরে নেবো এমন ইঙ্গিত আমি আগেও দিয়েছি।
এটিম আসার আগ থেকেই ত্রিভুজকে প্রাণিবাচক শব্দে অভিহিত করার চল ছিল। আপনার মন্তব্য থেকে জানলাম।
আর এও জানলাম আপনি এটিমের সদস্য নন।
ঠিক আছে এগুলো সংশোধন করে নেয়া কোনো সমস্যা নয়। করবো।
কিন্তু তারপরও আপনার বিরক্তি আকারে গোস্বা ঝরে ঝরে পড়ার কারণ কি?
পুরো লেখায় আপনার উল্লেখ এসেছে একবারই, এবং সেখানে বলা হয়েছে আরিফ জেবতিক এবং অমি রহমান পিয়ালকে প্রায়ই তাদের স্বমহিমায় দেখা যায়।
এর আগের বাক্যটি ছিল এটিমের অনেকেই তাদের ব্লগিং প্রতিভার ওপর সুবিচার করেন নি। তারপর "কিন্তু" প্রত্যয় সহযোগে উপরের বাক্যটি বলা। এর অর্থ দাঁড়ায় আপনারা আপনাদের প্রতিভার ওপর সুবিচার করে যাচ্ছেন।
এখন আপনি কি নিজেকে প্রতিভাহীন মনে করেন বলেই এই বিবৃতিতে অপমানবোধ করলেন?
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
আরেকটা কথা ।আপনি আফসোস করেছেন হাসিব কেন তার লেখালেখি ক্ষমতা এই ব্লগে কাজে লাগায়নি ।
আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে হাসিব নিকটি একবছরের উপর ব্যান করা ছিল , কোন কারন দর্শানি ব্যাতিরেকেই ।
এমনকি এ সংক্রান্ত কোন মেইলের উত্তরও হাসিবকে দেয়া হয়নি ।
জামাল ভাস্কর এক পোস্টে একে ব্যাক্তি আক্রোশমূলক বলেছেন এবং আমিও বিশ্বাস করি এটা ছিল হাসিবের প্রতি কোন ক্ষমতাধর ব্যক্তির আক্রোশ মাত্র ।
এই অবস্থায় লেখালেখি চালিয়ে যেতে হাসিব কী করতে পারতেন জানি না ।
পরে সে কমেন্ট করার জন্য হাসিব মাহমুদ নামে একটা নিক নিয়েছিল , কিন্তু সেটাতে মনে হয় তেমন লেখা নেই ।
লেখক বলেছেন: হাসিব লেখে নি কেন এরকম "আফসোস" করি নাই। বলছিলাম তাকে সচলায়তনে যেরকম দেখেছি তাতে মনে হয়েছে সামহোয়ারে সে নিজের ক্ষমতার প্রতি সুবিচার করছে না। আশা করি এই বক্তব্যের সাথে আফসোস করার পার্থক্য আপনি বোঝেন।
আসল-ট্র্যাপ বলেছেন:
আপনার গত পোষ্ট " সামহয়ারনামা ৩ " এর একটি মন্তব্যে পিয়াল নিজেই স্বীকার করলো, সে অশ্রু। আর আপনে এখন কইতাছেন, টেকনিক্যালি প্রমান করেনা সে যে অশ্রু!! হা কপাল! কই যে যামু!
লেখক বলেছেন: স্যরি, আমিই ভুলে গিয়েছিলাম। এখন সাম...৩ খুলে দেখি আপনিই সঠিক। পিয়াল অশ্রু নিকের ব্যাপারে তার সংশ্লিষ্টতা সেখানে প্রকাশ করেছেন।
বোলারস ব্যাকড্রাইভ বলেছেন:
অ্যাসটেরিক্সের কমেন্টটা ব্লগ ইতিহাসের শ্রেষ্ঠতম কমেন্টগুলির মধ্যে পড়ে। অনুমতি দিলে/কিংবা না দিলেও সংগ্রহে রাখা হৈল।
লেখক বলেছেন: হা হা হা... লগন লগফ করতে ঝামেলা হয় না?
(মাইন্ড কৈরেন না আবার! মশকরা করলাম )
কালপুরুষ বলেছেন:
তথ্য বিশ্লেষণ যেমনি হোক, পড়ে মজা পাচ্ছি। চলতে থাকুক। নাহয় "ব্লগের গল্প" হিসেবেই পড়লাম।
লেখক বলেছেন: গল্পই বটে। ইতিহাসের দাবি আমি ঘুনাক্ষরেও করি না। সেরকম ইচ্ছাও আমার নাই।
বোলারস ব্যাকড্রাইভ বলেছেন:
এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী
অলৌকিক হাসান বলেছেন:
আরেকটা কথা
এটিমের একমাত্র লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে আপনি নিশ্চয়ই জানতেন এবঙ আরো জানছেন। এই লক্ষ্য উদ্দেশ্যের পাশাপাশি এটিম মেম্বাররা সাধারণ ব্লগার হিসেবে খুনসুটি, কাইচ্ছা, কাছা নিয়া টানাটানি, ফান, খুচাখুচি সবকিছুই করত। যেটাকে ছাগু সম্প্রদায় দলভিত্তিক এটিম আক্রমণ বলে প্রচার করত।
যেমন কালপুরুষকে এটিমের কেউ কেউ লোলপুরুষ (কালপুরুষদা, এটা আমার কথা না কিন্তু) বলায় এটাকে এটিমের যুথবদ্ধ প্ল্যান বা আক্রমণ বলা হয়েছে যা ঠিক নয়। এটা কালপুরুষকে ভার্চুয়ালি পছন্দ না করা কারো কারো একান্ত অভিমত (লোলপুরুষ)।
সো এসব বিষয়গুলা খেয়াল কইরেন।
------------
বিদ্যাকূটের অবস্থা নিদারুণ। পুরা গড়ের মাঠ। ক্যান?
লেখক বলেছেন: এটিম এবং তার ইন্ডিভিজুয়াল ব্লগারের কার্যক্রম আলাদা আলাদা কৈরা সনাক্ত করা মুশকিল হৈতে পারে। এটা সফলভাবে করতে গেলে ফেলুদার স্কিল লাগবে। আপাতত সেটা করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়, আমার উদ্দেশ্যও এটা নয়। খেয়াল কৈরেন আমি কিন্তু কোনো ভ্যালু জাজমেন্ট করছি না। ফলে দোষারূপ খাওয়ার দায় কারো না নিলেও চলবে।
"বিদ্যাকূটের অবস্থা নিদারুণ। পুরা গড়ের মাঠ। ক্যান?"
--- কারণ আমি সামহোয়ারে। বিদ্যাকুট ছাড়াও অন্য পরিকল্পনা আছে, সময়মত জানতে পারবেন।
মকসুদ আলম বলেছেন:
লিখতে থাকেন। শেষ হইলে কইয়েন।
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
এটিম সম্পর্কে ৪ সত্য
১. এটিম যে ব্লগে বেশ অনেকটা সময় টিকে ছিল এবং এখনো যে টিকে আছে (আসলেই কি আছে!), তার প্রায় পুরো কৃতিত্ব পাবেন ডাক্তার আইজুদ্দিন। যদিও আইজুর কারিশমা টিমের ভাঙন আটকাতে পারেনি। সেই ভগ্ন টিমের ভগ্ন সদস্যরা ততোধিক ভগ্ন হৃদয়ে ইদানিং বলছে যে, এটা নাকি আসলে একটা কনসেপ্ট, আইডিওলজি, হেন-তেন। সত্যি কথা হল যে, এই কনসেপ্ট-কাহিনী একেবারেই ইদানিংকার উদ্ভাবন!
২. এটিমের কৃতিত্ব নিশ্চয়ই অনেক। তবে নবাগত ব্লগারদের সৃজনশীলতা অঙ্কুরে নষ্ট করাই তাদের সবচেয়ে বড়ো কৃতিত্ব নিঃসন্দেহে।
৩. আমার জানা মতে, এটিম 'কনসেপ্ট' থেকে ব্যক্তিগতভাবে সবচেয়ে লাভবান হয়েছেন আরিফ জেবতিক। (তাকে অভিনন্দন!)
৪. ত্রিভুজের সবচেয়ে বড়ো মিত্র আসলে এটিম। আবার এটিমের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধুর নামও ত্রিভুজ।
লেখক বলেছেন: রীতিমত বোমা ফাটানো দেখছি! এখন সত্যি সত্যি আমার মনে হয়েছে আমার দৌড় অনেক সীমিত। আপনি পয়েন্টগুলো একটু খুলে বলবেন কি?
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
পর্যবেক্ষণে কিছু ভুল আছে, অতিশয়োক্তিও আছে। তবে সবমিলিয়ে চমৎকার লেখা নিঃসন্দেহে।
লেখক বলেছেন: ভুল এবং অতিশয়োক্তির জায়গাগুলো ধরিয়ে দেবেন। অবশ্যই অধ্যাপকসুলভ বিরক্তি প্রকাশ না করে!!
সুমন রহমান বলেছেন:
আরিফ জেবতিকের আপত্তিসাপেক্ষে এটিমে তার অন্তর্ভূক্তি বিষয়ে আমার যে বাক্যটি ছিল (যেটি না থাকলেও ক্ষতিবৃদ্ধি হত না) সেটি থেকে আরিফ জেবতিকের নামের উল্লেখ মুছে দিলাম।
লেখক বলেছেন: হা হা হা.... ব্যাপক বিনোদন এই ব্লগিং এ!!
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
যেহেতু সিরিজ, তাই নিশ্চিতভাবেই আমার জিজ্ঞাসাটার উত্তর নিশ্চয়ই পরবর্তী কোনো কিস্তিতে থাকবে। সেইটা হইলো লুকালের বর্তমান পারফরম্যান্স অনুযায়ী তারে ছাগামিটারের এক থিকা দশে কতো দিবেন? যতই আপনে আনাল হক কন, লুকালের ওয়ারড্রোব ম্যালফাংশনিং এখন এতই প্রবল যে কখনও এতে লুঙ্গীর পাড়, কখনও বা শাড়ীর আচল দেখা যাইতেছে। একজন খালি সুশান্তের ভুত দেখে, আরেকজন দেখে হাসিবের। একজন আমারে স্যার ডাকে, আরেকজন ডাকে মাস্টর। বান্দরামিটাও ঠিকমতো হইতেছে না
লেখক বলেছেন: হা হা হা.... মিটাররিডিংটা আপনি না হয় লোকালই ঠিক করুন না! আমি তো রিডিং পাইলে ডায়াগনোসিস করতে পারি মাত্র। এর বেশি দৌড় আমার নাই।
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
২৬ নম্বর মন্তব্য
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন :
আজকে সামহোয়ারে স্বাধীনতা বিরোধী পোস্টের ব্যাপারে যে নীতিমালা আছে, সেইটা এ-টিমের কমরেডরাই আইনা দিছিলো সাধারণ ব্লগারদের সঙ্গে নিয়া। এইটা কিন্তু কম এচিভমেন্ট না।
এটিমের কোনো সদস্য ইতিপূর্বে এই ধরনের কথা বলার সাহস করেনি। অনেকবার এ নিয়ে কথা উঠেছে ব্লগে। কিন্তু এটিমের কমরেডরাই আইনা দিছিলো- এই টাইপ কথা আগে শুনিনি। নীতিমালার নতুন সংযোজনের সম্পূর্ণ কৃতিত্ব ছিল অগণিত সাধারণ ব্লগারের। সেই আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকার পরও সেখানে এটিম কমরেডদের আলাদা কোনো ভুমিকা ছিল বলে আমার জানা নেই।
৩১ নম্বর মন্তব্য
আরিফ জেবতিক বলেছেন :
আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে হাসিব নিকটি একবছরের উপর ব্যান করা ছিল , কোন কারন দর্শানি ব্যাতিরেকেই । .... ।
এইটা অসত্য প্রচারণা। আমাদের অনেকেরই আদি নিক কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে। আদি নিক বাদ দিন, পরের বহু নিকও ব্যানাজ্ঞার শিকার হতে হতে এখন একটি নিকে এসে থিতু হয়েছি। এরকম আরো অনেকের ক্ষেত্রেই হয়েছে। কিন্তু হাসিব! ওহ গড, লোকটি তিন বছর পরও সেই আদি নিকে বহাল তবিয়তে ছিলেন গুরুতর বিভিন্ন অভিযোগে ব্যান হওয়ার আগ পর্যন্ত। এই বিচারে আমি হাসিবকে ব্লগের সর্বাধিক সুবিধাপ্রাপ্ত ব্লগার হিসেবে চিহ্নিত করেছি আগেই। আরিফ জেবতিক বলছেন, "এই অবস্থায় লেখালেখি চালিয়ে যেতে হাসিব কী করতে পারতেন জানি না।" খুউব হাসতেছি লাইনটা পৈড়া!
লেখক বলেছেন: সে কি!! আরিফ জেবতিকও "অসত্য প্রচারণা" চালান নাকি?
দণ্ডিত পুরুষ বলেছেন:
এই মূহুর্তে আমার প্রলয় হাসানকে বড্ড মনে পড়ছে।ছাগুদের পশ্চাৎদেশ ব্যস্ত রাখতে তার জুড়ি মেলা ভাড়।
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
এইখানে একটা কথা আগাম বলে রাখতেছি। অমি রহমান পিয়াল স্যার কিন্তু আমার ডিরেক্ট স্যার। আমি উনার অধীনে মুক্তিযুদ্ধও কর্ছি, বিলোনিয়ায়। সুতরাং উনার অপমান হয় এইরম কোনো কিছু আমি বরদাশত করবো না। ইন্নি কুন্তু মিনাজ জুয়ালেমিন!
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
বলেন কি লুকাল, আপনে বলে আমরার লগে আছিলেন? হাহাহাহা, হোহোহোহো। যাক এইটার দরকার ছিলো। আপনে মিয়া কনফিউজড কইরা লাইছিলেন আসলে। থ্যাঙ্কস বাডি
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
স্যারের মন্তব্য পৈড়া হাসতেছি আমিও- হাহাহাহা, হোহোহোহো, হিহিহিহিহি...
সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন:
অনেক কিছু জানিলাম................
ত্রিভুজ বলেছেন:
এই ক্ষেত্রে আপনি ইতিহাসের একটি দিক দেখছেন.. যেটা সবাই দেখে.. অন্য দিকটা দেখানোর দায়িত্ব হয়তো আমার ছিলো কিন্তু আমি সেই দায়িত্ব পালনে উৎসাহী ছিলাম না। অনেকগুলো ফ্যাক্ট আছে যেগুলো আপনি জানেন না... যেমন এটীমের জন্ম ব্লগে তথাকথিত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে কাজ করার জন্য উদ্দেশ্যে না, সামহোয়্যারইনের পরিবেশ নষ্ট করাই ছিলো তাদের প্রধানতম কাজ। এই বিষয়ে আপনাকে আমি ভুরি ভুরি প্রমাণ দিতে পারবো... নিচের লিংকটা একটু ঘুরে আসুন...Click This Link (মন্তব্যগুলো সহকারে পড়ুন)
আমার নামে প্রচুর প্রচারনা ছিলো আছে হয়তো থাকবে... সেগুলো নিয়ে আমি কখনো গা না করলেও একবার সবাইকে আহ্বান জানিয়েছিলাম আমার নামে প্রচারিত বক্তব্যগুলো প্রমাণ করে যেতে.. এখন পর্যন্ত সেখানে কেউ কিছু দিতে সমর্থ হয়নি... নিচের লিংক দেখুন-
Click This Link
এছাড়াও আরো অনেক বিষয় আছে.. সবকিছু বলতে গেলে একটা পোস্ট দিতে হবে। সময় করে হয়তো একটা পোস্টই ঝাড়বো.. তবে ব্লগের রাজনীতির বিষয়ে আপনি এবং অন্যদের জানাশোনার পরিধি অনুসারে লেখাটা ঠিক আছে... বাস্তবতা পুরোপুরিই অন্যরকম।
আরেকটা বিষয়, 'ত্রিভুজ নেটওয়ার্ক' আর 'ত্রিভুজ', দুটো দুই জিনিষ। ব্লগে এটিমের মত ত্রিভুজের কোন গ্রুপ বা দল ছিলো না... এখনো নাই। থাকলে ত্রিভুজকে আক্রমন করে দেয়া হাজার হাজার পোস্ট ও মন্তব্যের প্রতিবাদ দেখতে পেতেন.. এবং আপনাদের মনে এতগুলো ভুল ধারনাও বদ্ধমূল হতে পারতো না... তবে অনেকে প্রতিবাদ করেছেন.. সেটা ত্রিভুজ নেটওয়ার্কের সদস্য হওয়ার জন্য নয়, বিবেকবোধের তাড়না। তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ত্রিভুজ। লিংকগুলো দেখবো। আপনার নামে যে প্রচারণা আছে তাকে প্রমাণ বা অপ্রমাণ করা আমার লক্ষ্য নয়। আমি টেক্সট নিয়ে কাজ করছি, এবং এর সাথে ঐতিহাসিক সত্য মিথ্যার সম্পর্ক যে খুব ক্ষীণ সেটা বলাই বাহুল্য।
রবিনহুড বলেছেন:
এটিম পেমেন্টটা বেশ ভাল ভাবেই করছিল বুঝা যাচ্ছে।ঘুরে ফিরে এটিমের ত্রুস্তি ভাল ভাবেই গাইলেন।
এটিমের উদ্দেশ্য মুক্তিযুদ্বের মত মহান উদ্দেশ্য নিয়ে শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত গালাগালিই হলো তাদের এক মাত্র ব্রত।
সুতারাং এটিমকে মুক্তিযোদ্ধার রক্ষক বলাটা হাস্যকর। যেখানে তারদের ১০০টা গালির বিপক্ষে ১টা মুক্তিযুদ্বের কথা বলে।
যেখানে ব্লগের সবাই জানে এটিম মানে হলো "গালিবাজ একটা টিম"। এই কথাটা কেন উল্লখ করলেন না বুঝা গেল না। হতো পেমেন্টের কারনেই এটা পরিষ্কার।
নিশ্চিত মাইনাস।
লেখক বলেছেন: মাইনাস দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। আমি এটিম-কে "মুক্তিযুদ্ধের রক্ষক" বলি নি, বলেছি যে এদের ব্লগীয় পরিচয় হল এরা প্রো-মুক্তিযুদ্ধ। সেটা তথ্য আকারে বলেছি, জাজমেন্ট আকারে নয়।
Click This Link
লেখক বলেছেন: চালান, পরে প্রিয় পোস্টে নেব!!!
অমিত বলেছেন:
এটিম সম্পর্কে ৪ সত্য১. এটিম যে ব্লগে বেশ অনেকটা সময় টিকে ছিল এবং এখনো যে টিকে আছে (আসলেই কি আছে!), তার প্রায় পুরো কৃতিত্ব পাবেন ডাক্তার আইজুদ্দিন। যদিও আইজুর কারিশমা টিমের ভাঙন আটকাতে পারেনি। সেই ভগ্ন টিমের ভগ্ন সদস্যরা ততোধিক ভগ্ন হৃদয়ে ইদানিং বলছে যে, এটা নাকি আসলে একটা কনসেপ্ট, আইডিওলজি, হেন-তেন। সত্যি কথা হল যে, এই কনসেপ্ট-কাহিনী একেবারেই ইদানিংকার উদ্ভাবন!
----------------------------------
টিমের ভাঙ্গন ব্যাপারটা বুঝলাম না। প্রথম সদস্যদের মধ্যে কেউ কেউ অ্যাকটিভ না, আবার পরে কয়েকজন নতুন সদস্য যোগ হয়েছে। তবে লোকাল যখন বলেছে তখন ব্যাপারটা নিশ্চয়ই ঠিক। উনার কাছে অনেক স্কৃণশট আছে। উনি অচিরেই এই প্রমাণ পয়দা করবেন। যদি না সেগুলা হ্যাকাররা নষ্ট করে দেয়।
২. এটিমের কৃতিত্ব নিশ্চয়ই অনেক। তবে নবাগত ব্লগারদের সৃজনশীলতা অঙ্কুরে নষ্ট করাই তাদের সবচেয়ে বড়ো কৃতিত্ব নিঃসন্দেহে।
----------------------------------------
যেমন লোকালটক?
৩. আমার জানা মতে, এটিম 'কনসেপ্ট' থেকে ব্যক্তিগতভাবে সবচেয়ে লাভবান হয়েছেন আরিফ জেবতিক। (তাকে অভিনন্দন!)
--------------------------------------------
আমাদেরও অভিনন্দন। শুনেছি উনি গতবছর ঢাকার ট্যানারিবাজারে ৫টা নতুন চামড়ার কারখানা খুলেছেন। ছাগলের চামড়ার জুতার আজকাল বেশ কদর মিডল ইস্টে। এই বছরের শুরুর দিকে একটু লসে ছিলেন। তবে ইদানিং মাশাল্লাহ সাপ্লাই বেশ ভালই।
৪. ত্রিভুজের সবচেয়ে বড়ো মিত্র আসলে এটিম। আবার এটিমের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধুর নামও ত্রিভুজ।
-----------------------------------------
মিত্র না বলে সাথী বললে ভাল হত। এটিম আসলে জামাতের একটা প্রজেক্ট।
লেখক বলেছেন: লোকাল কই গেলেন?
অরণ্য আনাম বলেছেন:
সব ধরনের দেশ দ্রোহীকে রদ করাজামাত-শিবিরকে প্রতিহত করা
যুদ্ধাপরাধীদের সমর্থকদের বহিষ্কার করা
নোংরা রাজনীতি থেকে ব্লগকে মুক্ত রাখা
অরণ্য আনাম বলেছেন:
প্রিয়তে গেল
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
মাহমুদুল হাসান রুবেল বলেছেন:
এটিম....হাহাহাহা
এটিম সম্পর্কে লিখে শেষ করা যাবে না ।
আমি একটা বিষয়ে খুব আনন্দ পাই সেটা হল,এখন আর ১৩ অক্টোবর কারো জন্মদিনের পোস্টে ভর্তি হয় না সা.ইন ।
আপনাকে এখন বলতে হবে ১৩ অক্টোবর কার জন্মদিন ?যদি পারেন তাহলে বুঝবো আপনার লেখাটা ঠিক আছে । হাওয়া থেকে লিখেননি ।
লেখক বলেছেন: সার্চ দিয়া নিই.... পরে কমুনে
অনুপ্রবেশ বলেছেন:
ত্রিভূজ কতটা বলদ সেটা তার বাস্তবিক জীবন-যাপন সম্পর্কে জেনে আরো ভাল বুঝেছি। ওর মতো বেয়াক্কল টিস্যু আর নাই। ও যে একটা মানুষ, তা ভেবে অপমানিত হই....
লেখক বলেছেন: বাস্তবিক জীবন নয় ব্লগীয় জীবন নিয়ে বলুন। আপনার বক্তব্যে ত্রিভুজের প্রাণিবাচক অবস্থার উন্নতি হয়েছে, সেটা লক্ষ্য করলাম।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
দুই বিতারিত পার্টনারের (মামো আর রইছু) কষ্টে সমব্যাথী সুমন মিয়ার হ্রদয়ক্ষরণ এই সামহোয়ারনামা।
মাহমুদুল হাসান রুবেল বলেছেন:
"আমি গুন্ডা, আমি রবিনহুড। আমাকে ব্যান করা হয়েছে দেড় শত বার, ব্যান হবো হাজার বার, তবু আমি গুন্ডামি করবো। যেমন কুকুর তেমন মুগুর হওয়া উচিত। আপনার সুশীল থাকেন, ব্লগের একই পাতায় শুকুরের বিষ্টার সাথে আপনাদের জ্ঞান গর্ভ আলোচনা, সাহিত্য, আমি সেই বিষ্টা পরিষ্কার করব। আপনি আমাকে ইরিটেটিং গুন্ডা বলুন কোন আপত্তি নেই, আমি বরং জানব যে শুকুরের বিষ্টার সাথে মানুষের খাদ্যের পার্থক্য আপনি ভুলে গেছেন, আর আপনাকে মনে করিয়ে দিয়ে আমি উপকার করছি। আপনার কৃতজ্ঞতা আমার দরকার নেই, বরং আপনাকে যে আমি শুকুরের বিষ্ঠা থেকে পরিষ্কার করেছি সেই আমার আত্মপ্রসাদ।" ---- ডা. আইজুদ্দিন
লেখক বলেছেন: এই "রবিনহুড" সম্পর্কে আমার জানার কমতি আছে।
তামিম ইরফান বলেছেন:
ছাগুচীফ আজকাল সবখানেই লাদায়তেছে।
সত্যেন্দ্র ছাতু বলেছেন:
ছাগুছিপ কি সুমন রহমানের হাতে টাওয়েল দিয়া বারবার গোসল করাইয়া দিতে কইতেছে? ছারগো, ছাগুরে এট্টা ছাট্টিপিকেট দেন। ও তাইলে পরে পাচটা লুকের কাছে গিয়া কইতে পারবো লিখক ও গবেশখ সুমন রহমান আমারে ছাট্টিপিকেট দিছে যে আমি ছাগু নহি।
আবুল বাহার বলেছেন:
পোষ্ট এবং মন্তব্য দেখে ভাবছি মানুষ এত আজাইরা প্যাচাল পারার সময় পায় কৈ ?
কৌশিক বলেছেন:
পড়তেছি আর মনে হইতেছে..ব্লগে নতুন ঢুকলাম..কত অজানা রইয়া গেলো ব্লগ!
লেখক বলেছেন: কৌশিক!!! সেলুকাস!!
বিডি আইডল বলেছেন:
কৌশিকদা...হয়....এখনও ফিডার খাই!
রাগিব বলেছেন:
পোস্ট পড়লাম, কমেন্ট পড়ার সময় নেই এখন। একটু ভুল সংশোধন করি।@সুমন রহমান,
আপনি লিখেছিলেন,
"এ-টিমও এই কাজ করেছে, তবে অতটা রিলিজিয়াসলি নয়। "... "কে উইকিপিডিয়ায় কনট্রিবিউট করতে গিয়ে "ধরা" খেয়েছে,"
এখানে একটু ভুল হয়েছে, ত্রিভুজ উইকিপিডিয়ার কন্টেন্ট সম্পর্কে এবং আমাকে উদ্দেশ্য করে সরাসরি একটি পোস্ট দেয়ার পরেই কেবল উইকিপিডিয়াতে তার অবদান কি তা দেখতে যাই, এবং তখন নিজের জীবনী উইকিতে যোগ করার ব্যাপারটা আমার চোখে পড়ে।
এ-টীম, বি-টিম, সি-টিম ইত্যাদি কিছুর সাথেই আমার কোনো সম্পর্ক নেই, এবং তারা ত্রিভুজ ওরফে শামীমের সাথে কী নিয়ে ঝামেলা করে আমার মাথাব্যথা নেই। বাংলা উইকিকে ব্লগের সাথে গুলিয়ে ফেলে ত্রিভুজ সেখানে যা হিজিবিজি লেখা যোগ করেছিলেন, তা কেনো বিশ্বকোষীয় নয়, তার ব্যাখ্যা দেয়া সত্ত্বেও যখন তিনি আমাকে উদ্দেশ্য করে সরাসরি পোস্ট দেন, তখন বাধ্য হয়ে তার "উইকি জীবনী" নিয়ে বলি, কারণ উইকিতে নিজের জীবনী যিনি যোগ করে বেড়ান, উইকিপিডিয়া বা বিশ্বকোষ সম্পর্কেই বোধহয় তার সঠিক ধারণা নেই। সেজন্যেই প্রতিনিয়ত উইকি অমুক তমুক এই জাতীয় পোস্ট আসতে থাকে সংশ্লিষ্ট ব্লগারের কাছ থেকে।
কাজেই এই ব্যাপারটা পরিষ্কার করতেই কমেন্ট করলাম, "উইকিতে জীবনী লেখা"র ঘটনা আমি উল্লেখ করেছি, এর সাথে ব্লগে ত্রিভুজ-প্রতি-ত্রিভুজ দ্বন্দ্বের কোনো সম্পর্ক নেই।
লেখক বলেছেন: ক্ল্যারিফিকেশনের জন্য ধন্যবাদ রাগিব হাসান। আসলে যেসব প্রচারণা ব্লগে চলে সেসবের কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা তা একেবারে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ছাড়া কারো পক্ষে অনুমান করাও দুঃসাধ্য। ফলে সেই চেষ্টা আমি করি নি, বরং যা বাজারে প্রচলিত তার সত্যমূল্য যাচাই না করেই সেই টেক্সটকে ব্যাখ্যার প্রয়াস পেয়েছি। এই লেখা শেষমেষ একটা ফিকশনই বটে, এবং এর সত্যতার কোনো দাবি নেই।
আপনার দেয়া তথ্য অন্তত একটা প্রচারণা/প্রপাগান্ডার ভিতরের খবরটা টের পেতে সাহায্য করল।
শীমুলতা বলেছেন:
কাল পুরুষকে লোল পুরুষ নাম করনের পেছনে কারা ছিলো এবং তাদের স্বার্থ কি ছিলো সেইটা নিয়া লেখা উচিত ছিলো।আরেক ব্লগার খুব অল্প দিনেই এটিমের চোখের ঘুম হারাম করে দিয়েছিলেন, নাম- বজলু মহাজন। অনেকে তাকে লোকালের সাথে মিল পায়। আবার অনেকে বলতো চতুরভুজ, আসলে তিনি কে তা অজানাই রয়ে গেল। তবে লোকটার যুক্তি খন্ডন আর যুক্তি জ্ঞান এত প্রখর ছিলো যে আমার ভালো লাগতে শুরু কিরেছিলো।
Click This Link
লেখক বলেছেন: বিশাল সামহোয়ারসমুদ্রের তীরে নুড়ি কুড়ানো ছাড়া কিই বা করতে পারি আমি!
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
@ রাগিব : আপনি কি এটিমের সদস্য নন এবং এটিমের প্ল্যানমতো "ধরা খাওয়া'র ইতিহাস ব্লগে প্রকাশ করেন নি ?যাক , এটাও ঠিক করে দেবেন সুমন রহমান ।
এটাকে পারসেপশন বলে ।
@ সুমন রহমান :
বালাই ষাট ! গোস্বা করব কেন ? বিরক্তি আকারে গোস্বা ঝরে পড়ছে , এমনটা যদি মনে হয় আপনার , তাহলে সেটাও পারসেপশন । শুধরে নিতে পারেন ।
মজা পাচ্ছি , তাই দীর্ঘ কমেন্ট করছি , এর বেশি কিছু নয় ।
ধরেছেন সঠিক , আমি নিজেকে প্রতিভাহীন মনে করি ।
আর আপনার কাছ থেকে প্রতিভার সার্টিফিকেট পাওয়ায় ,সেই ধারনা আরো পোক্ত হয়েছে ।
@ লোকাল টক : আপনি আসলেই ব্লগে এখন সবচেয়ে বড় বিনোদন হিসেবে এসেছেন , এজন্য আপনাকে অভিনন্দন ।
আপনার কথাবার্তায় মজা পাই , এটা স্বীকার করছি । আপনার গোপন খবরগুলো আসলেই খুব মজাদার হচ্ছে । বিডিআর সদর দফতর থেকে এটিম সদরদফতর হয়ে একেবারে চায়না সরকারের গোয়েন্দা দফতর পর্যন্ত আপনার যাতায়াত , আপনার কথায় মজা পাবো না তো কার কথায় মজা পাবো ?
তা নতুন কোন ফায়ারওয়াল লাগিয়ে কি নতুন কোন এটাকের খবর পেলেন ?
কমিউনিস্ট রাজ্য চায়না থেকে আপনার পিসিতে ঘন ঘন এটাকের প্রতিবাদে চায়না দুতাবাসের সামনে একটা মানববন্ধন করার জন্য সহব্লগারদেরকে অনুরোধ করেছি , উনারা রাজী হলে আগামী শুক্রবার একটা ব্লগারস মিটিং ডাকা যেতে পারে এই বিষয়ে ।
আন্দোলনকে গতিশীল করার জন্য এসংক্রান্ত একটা স্ক্রিনশট বানিয়ে পোস্ট করে দিন যেখানে দেখা যাবে যে চায়না সরকারের ইন্টেলিজেন্সের সাথে এটিম মেইল চালাচালি করে আপনাকে কাবু করতে চাচ্ছে ।

আর এটিম থেকে যে পরিমান লাভ তুলেছি , তার একটা ব্যালেন্স শিটও ফটোশপে তৈরী করে দিন । তবে টাকার অংক একটু কম দেখানোই ভালো , নইলে আবার বাকী এটিম মেম্বাররা ভাগ চাইতে পারে । এতে করে আঈজুদ্দিনের ক্যারিশমা সত্ত্বেও এটিমে টাকাপয়সা নিয়ে একটা বিভাজন তৈরী হতে পারে ।
লেখক বলেছেন: আরিফ জেবতিক, আপনার আগের "বিরক্তি" নিয়ে যতটুকু লিখেছেন তাতে বোঝা গেল আপনাকে এটিম-ভূক্ত ভাবাটাই আপনার বিরক্তির কারণ। আবার এটিমের সাথে আপনার আদর্শিক সহগামিতার কথাও বললেন। অর্থাৎ আপনি এটিমের অপারেশনাল মেম্বার নন, ইডিওলগমাত্র। এটিমের সুহৃদ বা সমর্থক হওয়ার পরেও আপনাকে এটিম-ভূক্ত করায় আপনি যেভাবে উষ্মা প্রকাশ করলেন তা বিস্ময়কর! এরকম ক্লোজ অবস্থানে থাকার কারণে তৃতীয় একটি অবস্থান থেকে আপনি এরকমভাবে পারসিভড হতেই পারেন এটা আপনার মনে হয় নি কেন বুঝতে পারছি না। সেটা আপনার বিরক্তি উৎপাদন করল, নাকি আমার মত ব্লগে নাদান এসে আপনাদের মত ব্লগের হাতিঘোড়াদের সম্পর্কে ব্যাখ্যা হাজির করায় আপনার বিরক্তি হল সে এক প্রশ্ন বটে। আমার কাছে আপনার এই বিরক্তি সিনিয়রের বিরক্তির মত মনে হয়েছে।
বলছেন, এটিম আসার আগেই ত্রিভুজকে প্রাণিবাচক শব্দে ডাকা হত ব্লগে। আমি কি এটা বলেছি যে এটিমই ত্রিভুজকে প্রাণিবাচক শব্দে অভিহিত করার গোড়াপত্তন করেছে? আমি বলেছি যে, এটিম এ বিষয়টিকে একটা ক্ল্যাসিক উচ্চতায় নিয়ে গেছে। ফলে, এক্ষেত্রে আমার কম জানার জায়গাটা পরিষ্কার হল না একদমই।
যাক, মজা পাচ্ছেন শুনে প্রীত হলেম।
পারসেপশন শুধরে নেবার কিছু নেই, যদি না সেটা ভুল পারসেপশন হয়। ব্যক্তি রাগিব এটিমের মেম্বার হলে, কিংবা ব্যক্তি আপনি এটিমের মেম্বার না হলে আমার এটিম-সম্পর্কিত পারসেপশন এবং ইন্টারপ্রিটেশনের এমনকিছু অদলবদল হয় না (হলে বরং সেটা দেখিয়ে দিন)। এটিমের মেম্বারদের সনাক্ত করার দায়িত্ব আমি নিই নি। দৃষ্টান্ত হিসেবে পিয়াল এবং আপনার নাম বলেছিলাম, আপনার প্রতিবাদ আসায় সেই নামগুলোও বাদ দিয়েছি।
কৌশিক বলেছেন:
এক, ডিমোরালাইজেশনদুই, ইমেজ ডাউনসাইজ করা
তিন, গেরিলা ক্যামোফ্লেজ নিয়ে
এর সাথে আরেকটা ক্যাটাগরি যোগ হতে পারে, চার নম্বরে। কি নাম দেবেন সেটা আপনি ভাবতে পারেন। বিষয়টা হচ্ছে ব্লগারদের বাস্তব জীবনে গেট-টুগেদার, গ্যাদারিং এ অবমাননা করার প্ররোচনা। এটা প্রথম দেখা গেছে কোন এক ব্লগারের মন্তব্যে যিনি কালপুরুষকে পছন্দ করেন না। তিনি মন্তব্যে উল্লেখ করেছিলেন, কালপুরুষের কোন পার্টিতে তিনি যাবেন না। উল্লেখ্য মন্তব্যকারীকে আরো কিছু তার বন্ধুপ্রতীম ব্লগার সমর্থন দিয়েছিল - যারা এ-টীম নামক গোষ্ঠি অন্তর্ভূক্ত হতেও পারে বা নাও হতে পারে। (আমি ব্লগারের নাম ভুলে গেছি, তবে নিশ্চিত ঘটেছিল)।
দ্বিতীয়বার এটা দেখেছিলাম, ত্রিভুজ ব্লগারদের একটা পারিবারিক আড্ডায় যোগ দেবার পরে, কিছু ব্লগার, যাদের জোটভুক্ত আচরণেও দেখা গেছে, ত্রিভূজসকাশে কোন আড্ডাকে নিরুৎসাহিত করার জন্য মটিভেশন চালিয়েছিল। (সংশ্লিষ্টদের নাম ভুলে গেছি)।
তৃতীয়বার দেখা গেছিল, ব্লগারদের বাইরের কোন আড্ডায় ত্রিভূজ এবং আরো কয়েকজনের উপস্থিতি নিয়ে ব্লগে এর বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়ামূলক লেখালেখি। (সংশ্লিষ্টদের নাম ভুলে গেছি)।
চতুর্থবার - এটাকে প্রায় প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ব্লগের আড্ডায় ছাগু ও রাজাকারদের "নট ওয়েলকাম লিখে" পোস্ট দেয়া হয়েছিল। এটা এ-টীম করে নাই, তবে সাধারণের মধ্যে এ-টীমের এই ছাগুমুক্ত ব্লগার সমাবেশের মটিভেশন এত প্রভাব ফেলেছিল যে নরমাল ব্লগাররাও তাদের সভাকে ছাগুমুক্ত ঘোষণা দিতে শুরু করেছিল। এর প্রথম প্রমাণ পাওয়া যায় অপরবাস্তব-২ বইটিতে, সেখানে ছাগুদের কোন লেখা প্রকাশ না করার জন্য বেশ কয়েকজন সম্পাদক শক্ত অবস্থান নেন। দ্বিতীয় প্রমান পাওয়া যায় টুটুলের পোস্টে - যেটা গণস্বাক্ষর উপলক্ষ্যে ডাকা হয়েছিল, সেখানে সে পরিষ্কার লিখে দেন, কোন রাজাকার ও ছাগু ওয়েলকাম না।
পঞ্চমবার, এই ঘটনা রিয়েলি লাইফেই মঞ্চস্থ হয়। বইমেলায় বাবুয়ার উপস্থিতিতে কয়েকজন ব্লগার বিরক্তি প্রকাশ করে যারা ব্লগে বাবুয়াকে ছাগু সম্প্রদায়ভুক্ত মনে করতো।
এর ফলে আমার ধারণা অনেকেই ব্লগে বিভিন্ন আখ্যায় ভূষিতদের সাথে বাস্তবে দেখা-সাক্ষাৎ এর ক্ষেত্রে পয়েন্টগুলো মাথায় রাখতে শুরু করেছে। এবং এটা এই রাজাকার/মুক্তিযুদ্ধ ব্লগীয় যুদ্ধের পরিকল্পিত অথবা বাইপ্রডাক্ট হিসাবে এপ্লাইড কৌশলে পরিণত হয়েছে।
লেখক বলেছেন: অত্যন্ত ইন্টারেস্টিং অ্যাডিশন, কৌশিক!! ধন্যবাদ ব্লগের বাইরের রেজিস্ট্যান্স হলেও এটা তো ব্লগীয় ফেনোমেনারই এক্সটেনশন। ফলে এখানে আলোচনার দাবি রাখে।
কালপুরুষ বলেছেন:
একটা কথা এখানে উল্লেখ না করলেই নয়। কালপুরুষকে যারা লোলপুরুষ বলেছে তাদের মধ্যে "হাসিব" অন্যতম। আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার কোন "মেয়ে নিক" আজ পর্যন্ত কালপুরুষকে লোলপুরুষ বলে আখ্যায়িত করেনি করেছে যতসব পুরুষ নিক যারা নিজেরাই মেয়েদের ব্লগে লোল ফেলে অভ্যস্ত। তার মধ্যে "প্রলয় হাসান", "হাসিব" "শারফুদ্দিন" (কন্টক) অন্যতম। আরো মজার ব্যাপার প্রায় সব মেয়ে নিকের ব্লগেই তারা নিজেরাই আমার আগে মন্তব্য করেছেন অথচ সেই ব্লগে আমি মন্তব্য করলেই তারা আমাকে লোলপুরুষ সাব্যস্ত করার জন্য উঠে পড়ে লাগতেন। এমকি মেয়ে নিকের ব্লগে যেয়ে যেয়ে সাবধান করে দিতেন "লোলপুরুষ"আসছে। একণ আমার জানতে ইচ্ছে করে তারা কোন পুরুষ ছিলেন? তাদের দেখে আমার কষ্ট হতো কারণ কোন মেয়ে নিক তাদের ব্লগে মন্তব্য করতেনা অথচ আমা লোলপুরুষ হওয়া সত্ত্বেও মেয়েরা আমার ব্লগেই বেশী মন্তব্য করতে। এটাই ছিল তাদের গাত্রদাহের মূল কারণ। মেয়েদের ব্লগে আমার মন্তব্য তাদেরকে ব্লগিং-এ উৎসাহিত করতো এবং সেই সাথে ভার্চুয়াল একটা সুন্দর ও আস্থার সম্পর্ক গড়ে উঠতো যা অনেকেই হিংসার চোখে দেখতো। এই কারণে লুজাররা আমাকে কোণঠাসা করার জন্য বা আমাকে মন্তব্য থেকে বিরত করার জন্য আমার পেছনে উঠে পড়ে লেগেছিল। কিন্তু আসলে তাদের উদ্দ্যেশ্য সফল হয়নি বরং তাদের অত্যাচারে অনেক মেয়ে ব্লগার এই ব্লগ ছেড়ে চলে গেছেন। আর এর পেছনে এটিম-এর সরাসরি ইন্ধনতো ছিলই। কারণ ড: আইজুদ্দিন, হাসিব, বি.মা., প্রলয় এরা আমার পেছনে লাগার কারণ ছিল একটাই মেয়ে ব্লগারদের কাছে আমার জনপ্রিয়তা যা এখনো আছে। আমিতো রাজাকার/জামাত/মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কেউ নই। তবে? তবে আমার পেছনে লাগার কারণ একটাই মেয়ে ব্লগারদের কাছে আমার ঈর্ষণীয় গ্রহণযোগ্যতা, আর সেটাই তাদের আক্রমণের মূল কারণ। ব্লগে তাদের কারো কারো গালাগালি ও অশ্লীল মন্তব্যের কারণে মেয়েরা তাদের ব্লগে যেতোনা, তাদের কাউকেই তেমন পাত্তা দিতনা আর তাতেই তাদের মনঃপীড়ার কারণ ঘটে আর আমাকে হেয় করার জন্য উঠে পড়ে লাগে। আমি নিজেও এটিম-এর সমালোচনা করে পোস্ট দিয়েছি। সেই পোস্টে এটিম-এর পক্ষ থেকে তেমন সদুত্তোর পাইনি। বরং ব্যাপারটি কোনরকমে এড়িয়ে চলার প্রবণতা লক্ষ্য করেছি। তাই এটিম-এর ভূমিকা, উদ্দেশ্য আর কার্যতৎপরতা নিয়ে অনেকেই অন্ধকারে ছিলেন। আর যখনই কেউ এর প্রতিবাদ করা হয়েছে তখনই বলা হয়েছে এটা এটিমের কাজ না। এরা এটিম-এর কেউ না। এটিম-এর ভুমিকা ও উদ্দেশ্য যদি সুস্পষ্ট হতো এবং যখন তখন যাকে তাকে গালিবাজি না করতো এই আমি তাদেরকে মনে প্রাণে সাপোর্ট দিতাম। কিন্তু তাদের প্রায়ই দেখেছি নীতিভ্রষ্ট হতে, উদ্দ্যেশ্য থেকে দূরে সরে যেতে, ব্যক্তিগত আক্রমণে মরিয়া হয়ে উঠতে। এটিম-এর উদ্দ্যেশ্য যদি "ছাগু বধ" হয় তবে এটিমের কিছু সদস্যদের অন্যায় আচরণ ও সাধারণ ব্লগারকে হেয় প্রতিপন্ন করার মানসে আমিও তাদের প্রতি ঘৃণা উগলাতেই পারি।
লেখক বলেছেন: কত অজানারে...
ধন্যবাদ কালপুরুষ!
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন:
ব্যাপক আনন্দ পাচ্ছি, অনেক কিছু জানতেছিও। আপনাকে ধন্যবাদ সুমন ভাই।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
দেশী পোলা বলেছেন:
অফটপিক প্রশ্ন: ঘনাদা/আরিফুর/আলেক্সান্ডার দ্যুমা/মিশু মিলন
এরা কি এটিম না বিটিম? নাকি পন্চম বাহিনীর সদস্য?
লেখক বলেছেন: আপনিই উত্তর দিন। সাথে লিংকও দিন।
দেশী পোলা বলেছেন:
ভাইজান, আমি যদি জানতাম কেডায় এ-টিম আর কেডায় বি-টিম তাইলে তো সামহোয়ানইন-এর উপর পিএইচডি পাইতাম ইউনিভারসিটি অফ জিন্জিরা -ধোলাইখাল ক্যাম্পাস হইতেআমি বড়ই অসহায় হইয়া প্রশ্নটা করিয়াছি, এমনিতেই নির্বোধ, তারউপরে কালপুরুষের মত সুপুরুষরে টিটকারী মারতে যাইয়া মডু কৌশিকের হাতে ধরা খাইয়াছি (কালফুরুষ চাচা, মাপ কইরা দেন আপনে মডুদের ফেভারিট, সেটা ঝানতাম না)
ঘনাদা/আরিফুর/আলেক্সান্ডার দ্যুমা/মিশু মিলন এসব বিবিধ নিক যারা আমার উপর খাপ্পা, এখন এরা যদি এ-টিম বা বি-টিম হয়, তাহৈলে উহা গোঁদের উপর বিষফোরা হইবে। আপনার মত জ্ঞানী লোক যদি একটু পথ বাৎলাইয়া দিতেন, গরীবের জন্য একটু রহম করেন। কারা কোন টিম একটু বলেন। আমার বড়ই ডর করে।
আলমগীর কুমকুম বলেছেন:
তবে আমার পেছনে লাগার কারণ একটাই মেয়ে ব্লগারদের কাছে আমার ঈর্ষণীয় গ্রহণযোগ্যতা, আর সেটাই তাদের আক্রমণের মূল কারণ।হাসতে হাসতে শ্যাষ....
মাহমুদুল হাসান রুবেল বলেছেন:
ত্রিভুজের জীবনী পাঠ্যপুস্তকে সংযোজন করা হোক ।
মকসুদ আলম বলেছেন:
মাহমুদুল হাসান রুবেল বলেছেন: ত্রিভুজের জীবনী পাঠ্যপুস্তকে সংযোজন করা হোক ।
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
আরিফ জেবতিক @
আমি নিজেই আপনারে দীর্ঘদিন ধৈরা বিনোদন হিসেবেই ভাবতাম। পর্দার আড়ালে আর প্রকাশ্যে আপনার কর্মকান্ড, খুদার্কসম, আমারে খুবই বিনোদন জোগাইত। সম্ভবত ব্লগে আপনি হাতেগোনা কয়েকজনের একজন, যিনি প্রায় অর্ধেক জীবন ছাগুবান্ধব সংঘে (আমরা শক্তি আমরা বল, আমরা ছাত্রদল!) ছাগুসঙ্গে থেকে পরে পল্টি খেয়ে ছাগুবিরোধী আন্দোলনের হাবিলদার হতে পেরেছিলেন। এবং "এটিম নিজে মরিয়া সবার কাছে প্রমাণ করিল আরিফ জেবতিক এগজন পগতিশীল!" পরে তো সেইদিন দেখলাম, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারবিষয়ক ব্লগার্স কমিটিতেও আপনি মহাত্মন স্থান করে নিছেন। সবমিলায়া আপনার কিন্তু এক্টা অভিনন্দন প্রাপ্য। তো, দিলাম!
খিয়াল কৈরেন, আমি কিন্তু বলতেছি না যে, এটিমের ভেতরে এ পর্যন্ত যতো ক্যাচাল লাগছে, তার সবকটির নেপথ্যে আপনি ছিলেন। কিংবা বলতেছি না, স্বয়ং এটিমের ভেতরে দুটি নিক গোপনে আপনি পরিচালনা কর্তেন। অথবা এটাও হয়তো বলতে পার্তাম যে, পিয়ালের যৌবনযাত্রা বিতর্ক উস্কে দেওয়ার জন্য অন্তরালে আপনার একটা বিশেষ ভূমিকা ছিল। কিন্তু কেন বলবো এইসব হাবিজাবি কথা? এই সবকিছু একদম মিথ্যা কথা।
তবে আপনার মন্তব্যে যখন "ফায়ারওয়াল", "অ্যাটাক" শব্দগুলা দেখি, তখন আরেক ধরনের কৌতুক অনুভব করি। মনে আছে, একবার রেবের ওয়েবসাইট হ্যাক হওয়ার পর রেপিড শেয়ার হ্যাকড হৈছে বৈলা চিল্লাচিল্লি শুরু কৈরা দিছিলেন!
যাউগ্গা, আপনার নতুন পুষ্ট না পেয়ে কুব খারাপ লাগতেছে। আমাদের জ্ঞান এক জায়গায় গিয়া স্থির হয়া আছে। বড়ই দুঃসংবাদ!
লেখক বলেছেন: "সম্ভবত ব্লগে আপনি হাতেগোনা কয়েকজনের একজন, যিনি প্রায় অর্ধেক জীবন ছাগুবান্ধব সংঘে (আমরা শক্তি আমরা বল, আমরা ছাত্রদল!) ছাগুসঙ্গে থেকে পরে পল্টি খেয়ে ছাগুবিরোধী আন্দোলনের হাবিলদার হতে পেরেছিলেন।"
--- বিস্মিত হবার কিছু নাই ফিউশন! মহামতি মার্কসের মতে ইতিহাসে ব্যক্তি দুবার আসে: প্রথমবার কমেডি হিসেবে এবং দ্বিতীয়বার ট্রাজেডি হয়ে। আরিফ হয়ত এভাবে ইতিহাসের দায় শোধ করেছেন।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
হা: হা:হা:! লোকাল টক মহাশয় , এখন তো আপনার গাঁজাখুরি দেখি পাল্লা দিয়ে বেড়ে যাচ্ছে ।
ব্লগের আলাপেই আসেন :
ক. যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বিষয়ক ব্লগার্স কমিটিতে ঠাই করে নিয়েছি !!! আমার নাম দেখেছেন নাকি ? আমি তো জানলাম না , আর কোন ব্লগার কমিটিতে আমার নাম দেখেছেন বলেও জানি না ।
আপনি জানেন কি না জানি না , মনজুরুল হক ইতিমধ্যেই সেই কমিটির একটা তালিকা দিয়েছেন উনার ব্লগে । ( এটা কোন গোপন বিষয় না যে আপনি স্ক্রিনশট দিয়ে কমিটির নাম ঘোষনা করবেন )। ২০ সদস্য বিশিষ্ট সেই কমিটিতে আমার নাম খুঁজে পেলাম না । লিংক দিচ্ছি এখানে , একটু কষ্ট করে দেখে আসুন ।
অবশ্য যদি আপনি কোন গোপন তালিকার স্ক্রিনশটে আমার নাম ঢুকিয়ে দেন , তাহলে কী আর করা , আমি তো জানি না ।
*** যে জিনিষ প্রকাশ্যে করা হয়, যার লিস্ট এই ব্লগে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল , এমন বিষয়ে এসব গাঁজাখুরি না করলে হয় না ?
লোকে তো হাসবে ।
ভবিষ্যতে দয়াকরে খেয়াল রাখুন , কোনটা ব্লগে দেয়া হয়নি , সেটা নিয়ে না হয় তথ্য ( হা :হা:হা
খ. পিয়ালের যৌবনযাত্রা বিষয়ক পোস্টের পক্ষে প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়ে পোস্ট দিয়েছি , সুতরাং এখানে বিতর্ক উস্কে দেয়াটা হয়ে থাকলে ( আপনার ভাষায় ) সেখানে আমার ভুমিকাও প্রকাশ্য , এটাতে আপনার সবজান্তা ভাব নেয়ার কী হলো বুঝলাম না । এই বিষয়টি নিয়ে যখন বিতর্ক তুঙ্গে , তখন সামহোয়্যারে এমন ব্যানার ঝুলানোর দাবীতে আমি কর্তৃপক্ষকে মেইল করেছি , অনেক সহব্লগারকেও বলেছি , সুতরাং এটা কোন নতুন তথ্য নয় ।
গ. এটিমের ভেতরে যতো ক্যাচাল লেগেছে , সেগুলোর সবগুলোর ভুমিকা যদি আমার থাকে তাহলেও সেটা এটিমের মাথাব্যাথা । এটিম সদস্যরা এ বিষয়ে আমাকে ব্লগে হেনস্থা করেন নাই এখনও , সুতরাং সেটা ভালো বুঝতে পারছি না । তাদের অনেক সিদ্ধান্তের সাথে আমি যদি ঐক্যমত বা দ্বিমত পোষন করি , সেটাও তাদের সাথে পারষ্পরিক যোগাযোগ , এটা আপনি বলায় না বলায় কী আসে যায় ? সবজান্তা ভাব নিয়ে আপনার এই তথ্য বিতরন হাস্যকর ।
আর এটিমের ভেতরে আমার নিক নিয়েও আরেকটা হাস্যকর তথ্য দিলেন । ওখানে আমার নিক ছিল চারটা , আপনি বললেন দুটো । বুঝাই যাচ্ছে পরের মুখে ঝাল খেয়ে জুত করতে পারছেন না ।
( যদি দুই নিকের কাহিনী নিয়ে কোন স্ক্রিনশট বানিয়ে থাকেন , তাহলে সেটাকে চারনিকের স্ক্রিনশট বানিয়ে ফেলেন , তাহলে যারা এটিমের খোঁজখবর রাখেন , তারা কিছুটা বিশ্বাস করতে পারেন । আর আপনার সোর্সকে পেমেন্ট বন্ধ রাখুন , অন্য কোন তথ্যের সত্যতা জানার জন্য এটিমের কাউকে সরাসরি মেইল করুন , আমি আশা করি তারা আপনাকে সাহায্য করবেন । এতে করে ভূয়া তথ্য বিতরনে কিছুটা হলেও শৃংখলা আসবে । )
ঘ. রেবের ওয়েবসাইট হ্যাক হওয়ার পরে সেটাকে রেপিড শেয়ার হ্যাক হয়েছে বলেছি আমি ?
প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ দিলাম , কোথায় বলেছি এখানে লিংক রেখে যান । আর কেউ পড়েছে এমন একজন পরিচিত ব্লগারও যদি বলেন , তবুও মেনে নেব ।
তবে দয়াকরে আপনার গ্রাফিক্স ডিজাইনের বিদ্যা ফলিয়ে কোন স্ক্রিনশটা বানাতে যাইয়েন না , একটা লিংক দেন ।
যদি বলেন আমার নিজের লেখায় এমন বলেছি , তাহলে সেই সময়কার সব পোস্টও আমি উন্মুক্ত করতে রাজী আছি ।
নইলে এসব ভূয়া তথ্যবাজী একটু ধীরে , গুছিয়ে করুন । বেশি করতে গিয়ে গুলিয়ে ফেলছেন , শূভার্থী হিসেবে এটা আমার বড় কষ্ট লাগছে ।
----------
ছাত্রদল করতাম , এটা সঠিক । এটা ব্লগে আমি অসংখ্যবার লিখেছিও । ৯৬ সালের আগ পর্যন্ত জামাত ছিল আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক মিত্র এবং সারা বাংলাদেশে শিবিরের সাথে ছাত্রদলের ক্যাচালও ছিল । আমার নিজের শিক্ষাজীবনের একবছর ঝরে গেছে শিবিরের সাথে ক্যাচালে । আমার উপন্যাস তাঁকে ডেকেছিল ধূলিমাখা চাঁদ এও সেই সময়ের কাহিনীর ছাপ যতোটুকু এসেছে , তাতে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে যে মৌলবাদী দলটির সাথে একটা সংঘর্ষ পাকিয়ে উঠছে ।
৯৬ সালের আগেই ছাত্ররাজনীতির পাট চুকিয়ে এসেছি ।
সুতরাং ঐ লাইনে আগাইয়া লাভ করতে পারবেন না । স্ক্রিনশট লাইনেই থাকেন । নয়তো নিক হ্যাক করে স্বীকারোক্তি আদায় করে নিতে পারেন, স্ক্রিনশটের তুলনায় সেটা বেশি বিশ্বাসযোগ্য ও বিনোদনময় হবে , এর আগে এই ব্লগে তেমন ঘটনাও দেখেছি , সেটাই বরং ভালো দেখাবে ।
------------
আমার পোস্টের অভাবে আপনার জ্ঞান একই জায়গায় স্থির হয়ে আছে জেনে কষ্ট পেলাম ।
হুটহাট ব্লগ বাতিল ও হাপিস করে দেয়ায় চিন্তিত আছি , তাই লিখছি না আপাতত । পুরানা লেখাগুলোর জন্য অনেক মায়া , সেগুলো এক সকালে উঠে যদি দেখি হাপিস হয়ে গেছে , তাহলে অধম ব্লগার বড় কষ্ট পাব । সেগুলোর ব্যাকআপ নেয়ার পরে লেখালেখি শুরু করব ।
অনেক আগে ত্রিভুজ একবার আমার কাছে জ্ঞান চেয়েছিলেন , কিছুটা দিতে চেষ্টা করেছিলাম , সেটা ত্রিভুজের মনোপূত হয়নি তাই কাজেও লাগেনি । আপনার ক্ষেত্রেও কাজে লাগবে বলে মনে করছি না ।
তবে ত্রিভুজ আর আপনি , উভয়ের জ্ঞানের প্রতি তৃষ্ঞা আমাকে মুগ্ধ করেছে । আপনাদের দুইজনকেই অভিনন্দন ।
লেখক বলেছেন: "ছাত্রদল করতাম , এটা সঠিক । এটা ব্লগে আমি অসংখ্যবার লিখেছিও । ৯৬ সালের আগ পর্যন্ত জামাত ছিল আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক মিত্র এবং সারা বাংলাদেশে শিবিরের সাথে ছাত্রদলের ক্যাচালও ছিল ।"
-- অফটপিক: আমার ছাত্রজীবনে বহু প্রতিভাবান তরুণকে ছাত্রদল করতে দেখেছি এবং বহু প্রতিভাহীন তরুণকে বামপন্থার পতাকাতলে দেখেছি। ফলে, আরিফ ছাত্রদল করতেন শুনেই আমি তার ব্যক্তিচরিত্র সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে নিতে পারি না। তবে এখানে শিবিরের প্রসঙ্গ তুলে আরিফ তার ছাত্রদলে থাকাকে যেভাবে জাস্টিফাই করছেন সেটা বেশ মজার লাগল। আরিফ ছিয়ানব্বইয়ে আওয়ামী-জামাত ঐক্যের প্রসঙ্গ হাজির করেছেন, যেন সেই ঐক্যটিই তাকে ছাত্রদলে ঠেলে দিয়েছে। জামাতবিরোধী আদর্শ ধরে রাখার জন্যই তিনি ছাত্রদল করতেন! ছাত্রফ্রন্ট বা ছাত্র ইউনিয়ন করতেন না! আওয়ামী লীগ জামাতের সাথে জোট না বাঁধলে তিনি হয়ত ছাত্রলীগ করতেন!
রিফাত হাসান বলেছেন:
কত অজানারে! মন্তব্যগুলো তথ্য আর্কাইভের গুরুত্ব পাবে।
অপু ফিরোজ বলেছেন:
বানিয়ে বানিয়ে কথা বলায় ফিউশন ফাইভের জুড়ি নেই। তার মিথ্যা ধরা পড়ার পরও লজ্জা নেই।ফিউশন ফাইভ@ আর্মি-বিডিআর যুদ্ধ হওয়ার আর কোন সম্ভবনা আছে?ব্রেকিং নিউজ দিয়ে িদন।
আই লাভ ব্লগিং বলেছেন:
পোস্ট পর্যবেক্ষন
লেখক বলেছেন: ক্ল্যারিফিকেশনের জন্য ধন্যবাদ রাগিব হাসান। আসলে যেসব প্রচারণা ব্লগে চলে সেসবের কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা তা একেবারে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ছাড়া কারো পক্ষে অনুমান করাও দুঃসাধ্য। ফলে সেই চেষ্টা আমি করি নি, বরং যা বাজারে প্রচলিত তার সত্যমূল্য যাচাই না করেই সেই টেক্সটকে ব্যাখ্যার প্রয়াস পেয়েছি। এই লেখা শেষমেষ একটা ফিকশনই বটে, এবং এর সত্যতার কোনো দাবি নেই।
আপনার দেয়া তথ্য অন্তত একটা প্রচারণা/প্রপাগান্ডার ভিতরের খবরটা টের পেতে সাহায্য করল।
সুমন রহমান ভাইয়া, উইকিতে ত্রিভুজের আরো কর্মকান্ড সম্পর্কে জানতে নিচের লিঙ্কে দেখুন।
Click This Link
লেখক বলেছেন: দেখলাম। এটা বেশ পরিষ্কার লিংকই মনে হৈতেছে।
এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী
রাসেল ( ........) বলেছেন:
অনেকের চুলকানি দেখে মনে হয় আদতে ক্যাকটাসোএনালিয়া খুব কাজের জিনিষ।
রাগ ইমন বলেছেন:
আপনার গল্পের ভক্ত হয়েছি । আর গদ্যের ভক্ত বলে সামহোয়ারনামা পড়ে বেশ আনন্দ পাচ্ছি । নতুন গল্পের তৃষ্ণা অবশ্য অনেক বেশি । অন্য কোথাও লিখছেন কি ?
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ রাগ ইমন। গল্প লিখছি না, তবে লিখবো অচিরেই। আর এখন ব্লগেই বেশি লেখা হয়, ফলে গল্প তৈরি হলে ব্লগ সেটা জেনে যাবে সাথে সাথেই।
রাগ ইমন বলেছেন:
তথ্যগত অনেক অসঙ্গতি আছে । তবে থাকাটাই স্বাভাবিক । ভিতরের অনেক খবর না জেনে স্রেফ ব্লগ দেখেই সত্যের কাছে পৌঁছানো সম্ভব না । অবশ্য সেইটা নিশ্চয় এই লেখার উদ্দেশ্যও না। তবে বেশ কিছু ব্যাপারের পিছনের কথা জানি বলে মন্তব্য গুলোও দুর্দান্ত বিনোদন হয়েছে ।
নাহ, লিঙ্ক বা তথ্যের জন্য অনুরোধ করবেন না , রাখব না । যা জানি তা আমার মাঝেই সীমীত থাক । তামশা দেখি ।
লেখক বলেছেন: "তবে বেশ কিছু ব্যাপারের পিছনের কথা জানি বলে মন্তব্য গুলোও দুর্দান্ত বিনোদন হয়েছে ।"
-- আর আমি যেহেতু পিছনের কথা জানি না তাই লোকে দাঁত বের করলে আমিও হাসার চেষ্টা করছি আরকি ![]()
লেখক বলেছেন: "ভিতরের অনেক খবর না জেনে স্রেফ ব্লগ দেখেই সত্যের কাছে পৌঁছানো সম্ভব না । অবশ্য সেইটা নিশ্চয় এই লেখার উদ্দেশ্যও না। "
-- আসলেই। সত্যের কাছে পৌঁছাতে চাই না আমি।
রাগ ইমন বলেছেন:
আহ , গল্পের কথায় আশান্বিত হলাম । অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ।
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
মোহতারাম আরিফ জেবতিক ছাহেব,
১. ওহ্, কমিটি তো নস্যি। ৩৯ নম্বর মন্তব্য পড়ে দেখতেছি, আপনি তারও ওপরের পদে আছেন। আপনার দায়িত্ব কমিটি মনিটরিং করা। ভুল আমারই। আর এইটা তো খারাপ বলি নাই। আমি বরং অভিনন্দন জানাইছি আপনাকে।
পোস্টের লিংক : Click This Link
২. পিয়ালের যৌবনযাত্রার বিতর্কের সময় আপনি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়ে পোস্ট দিয়েছেন- এইটা তো আমি অস্বীকার কর্তেছি না। আপনি নিঃসন্দেহে প্রকাশ্য দিবালোকে পিয়ালের সঙ্গেই ছিলেন। এদিকে আমার সবজান্তা ভাবে আপনি দেখছি অসন্তুষ্ট। আমার মন্তব্যে দেখুন, কমজান্তা ভাব নিয়ে এইগুলারে মিথ্যা বৈলা অভিহিত কর্ছি আমি।
৩. এটিমের ভেতরের ক্যাচাল প্রসঙ্গেও আবার 'সবজান্তা দোষে' দোষী সাব্যস্ত করলেন আমাকে। ইতিমধ্যে গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য কর্তেছি, আপনি একধরনের স্ক্রিনশট ম্যানিয়ায় ভুগতেছেন। রোগের ধরন ঠিক বুঝে উঠতে পার্তেছি না। মনোবিজ্ঞানীরা ভালো বলতে পারবেন। হয়তো মন্দার কারণেও এইটা ঘটতে পারে। আর আপনি ঠিকই বলেছেন এইসব কথা আমি বলায় না বলায় কী আসে যায়? আসলেই তো! তবে আপনার কেন মনে হল যে, আমি পরের মুখে ঝাল খাইতেছি? হে হে হে...জনাব এই জিনিস আমার ধাতে নেই।
৪. আপনি কৈতেছেন, "রেবের ওয়েবসাইট হ্যাক হওয়ার পরে সেটাকে রেপিড শেয়ার হ্যাক হয়েছে বলেছি আমি ? প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ দিলাম , কোথায় বলেছি এখানে লিংক রেখে যান ।... নইলে এসব ভূয়া তথ্যবাজী একটু ধীরে , গুছিয়ে করুন । বেশি করতে গিয়ে গুলিয়ে ফেলছেন , শূভার্থী হিসেবে এটা আমার বড় কষ্ট লাগছে ।" ....
কী আর করা! লিংক দিয়ে গেলাম। নিচের পোস্টের ৪ নম্বর মন্তব্যে একটু চোখ বুলায়া আসেন। Click This Link
প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ দেওয়ায় খুশি হৈলাম। ভাগ্যিস, গোপন চ্যালেঞ্জ দেন নাই!
৫. আপনার ছাত্রদল বিচরণ প্রসঙ্গে সুমন রহমানের পর্যবেক্ষণ পাওয়ার পর আমার আর আপাতত কিছু বলার নেই। তবে আমার মত হল, এইটা কোনো অপরাধ নয়। আমি তা বলিওনি। বরং আপনারে আবার অভিনন্দন জানাই!
৬. জ্ঞান অর্জনের জন্য শুধু ত্রিভুজ কেন, সুদূর চীন দেশে যাইতেও রাজি আছি। তবে ব্লগে এসে আপনার মূল্যবান লেখা পাঠ করার সুযোগ পেয়ে চীন দেশে যাওয়ার বিষয়টা স্থগিত রাখছিলাম। মামোর পথ ধরে আপনার পোস্ট ব্যাকাপ নাট্যাংশ মঞ্চস্থ হওয়ার পর হয়তোবা বাধ্য হয়ে চীন দেশেই যেতে হবে!
লেখক বলেছেন: "৪. আপনি কৈতেছেন, "রেবের ওয়েবসাইট হ্যাক হওয়ার পরে সেটাকে রেপিড শেয়ার হ্যাক হয়েছে বলেছি আমি ? প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ দিলাম , কোথায় বলেছি এখানে লিংক রেখে যান ।... নইলে এসব ভূয়া তথ্যবাজী একটু ধীরে , গুছিয়ে করুন । বেশি করতে গিয়ে গুলিয়ে ফেলছেন , শূভার্থী হিসেবে এটা আমার বড় কষ্ট লাগছে ।" ....
কী আর করা! লিংক দিয়ে গেলাম। নিচের পোস্টের ৪ নম্বর মন্তব্যে একটু চোখ বুলায়া আসেন। Click This Link
প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ দেওয়ায় খুশি হৈলাম। ভাগ্যিস, গোপন চ্যালেঞ্জ দেন নাই!"
--- হাতে নাতে?? অবিশ্বাস্য লাগল জিনিসটা!! স্ক্রিনশটজাতীয় বুজরুকি করলেন নাতো লোকাল? আরিফ নিশ্চয়ই ব্যাখ্যা করবেন জিনিসটা।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
ছাত্রদলের রাজনীতিতে থাকা না থাকার জায়গায় ভুল বুঝাবুঝির যদি কোন অবকাশ থাকে , তাহলে ব্যাপারটা আরো পরিস্কার করে দেই @ সুমন রহমান ।৯৬ পূর্ববর্তী রাজনৈতিক সমীকরনটি এখানে এজন্যই স্মরণ করেছি যে , ২০০১ সালে যে ঘোষিত ঐক্য হয়েছিল , সেই ৪ দলীয় জোটীয় ঐক্যের পরে সারা বাংলাদেশে ছাত্রদল-শিবির ভাই ভাই , এরকম একটা আবহাওয়া হয়েছে বলে কিছুটা দেখেছি ও শুনেছি ।
ইতিহাস টানার কারন হচ্ছে , এটা বুঝাতে চাওয়া যে ২০০১ সালের আগে এরকম প্রেম প্রেম অবস্থা ক্যাম্পাসগুলোতে ছিল না , কারন হচ্ছে জামাতের সাথে আওয়ামীলীগের বন্ধুত্ব থাকায় , তখনকার ছাত্রদলের সাথে শিবিরের শত্রুতামূলক একটা ভাব বজায় ছিল । যদিও ৯১ সালে বিএনপিকে সরকার গঠনে জামাত সমর্থন করেছিল , তবুও এর কারনে ছাত্র সংগঠনগুলোর মাঝে কোন ধরনের সমঝোতা ছিল না ।
এটা ইতিহাসের একটা দিক , অন্তত আমি যেখানে রাজনীতি করতাম সেখানকার ।
আর জামাত বিরোধিতার কারনে ছাত্রদল করতাম , এটা যদি আপনার পারসেপশন হয় তাহলে হয়তো আমার লেখার অথবা আপনার পঠনের ভুল হতে পারে ।
আমি ছাত্রদল করতাম , কারন এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সময় ছাত্রদলকেই সবচাইতে একটিভ ও আপোষহীন সংগঠন হিসেবে মনে করেছিলাম , শিবির অথবা লীগ বিরোধিতা এগুলো হচ্ছে পরবর্তী পর্যায় , তার সাথে ছাত্রদল করা শুরু করার কোন যোগসূত্র নেই ।
আমি ছাত্রদল করতাম এবং সেই সময়ে যা সঠিক বলে মনে করেছি সেইটাই করেছি , আন্তরিক ভাবে এবং অনেক সময় দিয়ে করেছি , এজন্য হামলা-মামলা-কয়েদ খেটে করেছি ; এটাকে জাস্টিফাই করার কোন দরকার এখন পর্যন্ত পড়েনি এবং ভবিষ্যতেও পড়বে না । ছাত্রদলের কর্মী হিসেবে এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে একটা ঢিল মারার মতো নিম্নস্তরের কর্মী হয়েও আমি গর্ব অনুভব করি ।
লেখক বলেছেন: "আমি ছাত্রদল করতাম , কারন এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সময় ছাত্রদলকেই সবচাইতে একটিভ ও আপোষহীন সংগঠন হিসেবে মনে করেছিলাম , শিবির অথবা লীগ বিরোধিতা এগুলো হচ্ছে পরবর্তী পর্যায় , তার সাথে ছাত্রদল করা শুরু করার কোন যোগসূত্র নেই ।"
--- এটাই সম্ভবত ঠিক, আমার ছাত্রদল-বন্ধুদেরও এরকমটা বলতে শুনেছি। একটা জুশনে জুলসে ভাব ছিল সেসময়ের ছাত্রদলের মাঝে। সাথে ছিল ক্ষমতা, মানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সংখ্যাধিপত্য।
"আর জামাত বিরোধিতার কারনে ছাত্রদল করতাম , এটা যদি আপনার পারসেপশন হয় তাহলে হয়তো আমার লেখার অথবা আপনার পঠনের ভুল হতে পারে ।"
--- হা হা হা.... এবার মনে হয় আমার পঠনে ভুল নেই!!
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
@ ফিউশন ফাইভ :১. ধরেছেন সঠিক । ইদানিং সিরিয়াস স্ক্রিনশট ম্যানিয়ায় ভুগছি । যেহারে রূপকথা শুরু হয়েছে , আগে থেকে ম্যানিয়ায় না ভুগে উপায় নেই । যেখানে বিডিআর আর আর্মিই আপনার ব্রেকিং নিউজের ঠেলা থেকে রক্ষা পাচ্ছে না , সেখানে আমি তুচ্ছাতিতুচ্ছ ক্ষুদ্র ব্লগার , ম্যানিয়ায় না ভোগাটাই তো অস্বাভাবিক । কখন কোন স্ক্রিনশট বানান কি ছবি বানান , ভয়েই আছি বটে ।
২. যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কমিটি নিয়ে ম্যানিপুলেশনটা ভালো হয় নাই । মনজুরুল হক বলেছেন :
লেখক বলেছেন: কমিটি এ্যাক্টিভ থাকাটা নির্ভর করবে আমরা যারা পেছনে আছি তাদের মনিটরিংয়ের উপর। আশা করি ছেলেরা আপনাকে সব সময় সাথে পাবে। শুভকামনা।
"আমরা যারা পিছনে আছি " বলতে পুরো ব্লগ কমিউনিটিই বুঝায় । আমার বিশ্বাস গুটিকয় কয়েকজন ছাড়া পুরো বাংলা ব্লগ কমিউনিটিই এই আন্দোলনের পেছনে আছে ।
আর আমাকে সাথে পাওয়ার আশা করেছেন মনজুরুল হক , এভাবে ঐ পোস্টে তিনি অনেক ব্লগারেরই সমর্থন ও পাশে থাকা /পেছনে থাকা /সাথে থাকা আশা করেছেন । সেখানে আমার কোন সম্মতি অসম্মতি নাই , অথচ আপনি আগের কমেন্টে কইলেন ,"যুদ্ধাপরাধীদের বিচারবিষয়ক ব্লগার্স কমিটিতেও আপনি মহাত্মন স্থান করে নিছেন। "
এটাতে আমার কৃতিত্ব তো কিছু দেখলাম না , তাই আপনার অভিনন্দনটা নিতে পারলাম না ।
৩. রেপিড শেয়ার হ্যাক বিষয়ক তথ্যটা দেখলাম ও মানলাম ।যদিও যথারীতি তথ্যের ম্যানিপুলেশন অব্যাহত রেখেছেন । তখন পর্যন্ত রেবের ওয়েবসাইট হ্যাক হয়েছে বলে জানতাম না , পরে হাসিবের কমেন্ট থেকে দেখলাম এবং পরের কমেন্টেই রেবের ওয়েবসাইট নিয়েই কমেন্ট করেছি । অর্থাৎ রেপিড শেয়ার আর রেব এর সাইটকে গুলিয়ে ফেলিনি , দুটোকে আলাদা হিসেবেই দেখেছি ।
তারপরও আপনার এই কথাটি মেনে নিলাম ।
--
চীন দেশে কষ্ট করে যাওয়ার দরকার নাই । মামো পোস্ট ব্যাকাপ নিয়ে বাকীগুলো মুছে দিয়ে চলে গেছেন , আমি পোস্ট ব্যাকাপ নেয়ার পরে সবগুলোকে উন্মুক্ত করে দিয়েই নতুন লেখা দেব । দুই নাটকের মাঝে তফাৎ আছে । তবে এসব নাটক আগে অনেকেই করে গেছেন , তাই আর এটাকে নাটক ভাবছি না কারন জমবে না । যদি গ্রাফিক্স ডিজাইন পারতাম , তাহলে কিছু নতুন নাটক করতে পারতাম । এখন গ্রাফিক্স নাটকের চল ।
জ্ঞান অর্জন আপাতত স্থগিত আছে জেনে সমবেদনা প্রকাশ করছি । আহা , কী না অগাবগা লিখি আর মুছি , এতেই দেখি আপনার জ্ঞান হয়ে যায় ।
যদি নিজে জ্ঞানী হতাম তাহলে আপনাকে আন্তরিকভাবেই হয়তো কিছু জ্ঞানী লেখা দিয়ে জ্ঞানী বানিয়ে দিতে পারতাম ।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: "আমি ছাত্রদল করতাম , কারন এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সময় ছাত্রদলকেই সবচাইতে একটিভ ও আপোষহীন সংগঠন হিসেবে মনে করেছিলাম , শিবির অথবা লীগ বিরোধিতা এগুলো হচ্ছে পরবর্তী পর্যায় , তার সাথে ছাত্রদল করা শুরু করার কোন যোগসূত্র নেই ।"--- এটাই সম্ভবত ঠিক, আমার ছাত্রদল-বন্ধুদেরও এরকমটা বলতে শুনেছি। একটা জুশনে জুলসে ভাব ছিল সেসময়ের ছাত্রদলের মাঝে। সাথে ছিল ক্ষমতা, মানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সংখ্যাধিপত্য ।
--------
সঠিক ধরেছেন ।"জুশনে জুলসে " টার্মটা পারফেক্ট হয়েছে । ঐ সময়ে ছাত্রদলের চার্মটাই আলাদা ছিল।
ত্রিভুজ বলেছেন:
@সুমন রহমানসামহোয়্যারনামা ১-৪ পর্যন্ত পড়েছি... এই পর্বপর্যন্ত মনে হয়েছিলো আপনার হাতে পর্যাপ্ত তথ্যের অভাবেই আপনি মাঝে মাঝে একপেশে লিখছেন.. সেজন্যই একটা মন্তব্য দিয়ে প্রতিবাদ করেছিলাম। এটীম বা এন্টি ত্রিভুজ গ্রুপের পোলাপান এধরনের পোস্ট বহু দিয়েছে অতীতে.. সেগুলোতে কিন্তু প্রতিবাদ করিনি... আমার মনে হয়েছিলো আপনার দৃষ্টিতে সামহোয়্যারইন কেমন সেটা ফুটিয়ে তোলাই আপনার লক্ষ্য... কিন্তু এখন একটা বিষয় পরিষ্কার হয়ে ওঠছে... আপনি আসলে একটা অবস্থানে যেতে চাচ্ছেন। আপনার দেয়া তথ্যগুলোতেই আপনি বিশ্বাস স্থাপণ করতে আগ্রহী... অতীতেও অনেক ভাল লেখক এরকম কোন একটা মহলের কাছে জনপ্রিয় হতে গিয়ে হারিয়ে গিয়েছে... আশা করি আপনি হারাবেন না।
শুভকামনা রইলো।
লেখক বলেছেন: ত্রিভুজ, এখানকার কোনো তথ্যই আমি সত্য বলে "বিশ্বাস" করছি না। ফিকশন হিসেবে দেখছি। ফলে এটিম কাউকে "ছাগু" বললেই বাস্তবে সে ছাগু হয়ে যাচ্ছে না, একইভাবে আপনি কাউকে "পর্নস্টার" বললেই তাকে আমি বাস্তবে বিবেচনা করছি না। ব্লগের এসব আলাপকে ফিকশন হিসেবে নেন, আমার লেখাটিকেও। আমি মূলত একটা ফিকশনের ওপর দাঁড়িয়ে আরেকটা ফিকশন তৈরি করছি মাত্র।
এখন কথা উঠতে পারে, এর দরকার কি?
নেহাত বিনোদনের জন্য করছি একথা বললে ভুল বলা হবে। আসলে ব্লগে যেভাবে ফিকশনগুলো তৈরি হয় তার একটা ক্রিটিসিজম তৈরি করছি মাত্র। "ডন" ছবিতে অমিতাভ বা শাহরুখ খান মাফিয়া সর্দার ছিলেন, এখন "ডন" নিয়ে আমি যখন আলোচনা করবো তখন তাদের মাফিয়া সর্দার হিসেবেই দেখবো, বাস্তবের এলিট অমিতাভ বা শাহরুখ খান আমার বিবেচনার বাইরেই থাকবে। এতে উনারাও মাইন্ড খাবেন না নিশ্চয়ই!
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
সুমন রহমানের ওপর এটিম চটেছে, আবার ত্রিভুজও দেখছি ক্ষ্যাপা। এর সরল অর্থ হল, সুমন রহমান সঠিক পথেই এগোচ্ছেন। চলুক।
সত্যেন্দ্র ছাতু বলেছেন:
হারাইয়া যাইয়েন না দীনু ভাই, ত্রিভুজের ছাইডে থাকেন। পিলিজ।
সত্যেন্দ্র ছাতু বলেছেন:
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ২:৩১comment by: ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
সুমন রহমানের ওপর এটিম চটেছে, আবার ত্রিভুজও দেখছি ক্ষ্যাপা। এর সরল অর্থ হল, সুমন রহমান সঠিক পথেই এগোচ্ছেন। চলুক।
অর্থাৎ সুমন রহমান লুকালের দলেই আছেন এখন পয্যন্ত।
নাছেড় বাই আজকে নিক কারে ভাড়া দিলেন ভাইডি? টাকমিদুল নিকি?
বন্ধনহীন বলেছেন:
এই প্রিয় ব্লগপাড়ায় সবসময় আসা হয়না। আপনার এই পোস্ট থেকে অনেক কিছু জানা হলো। অনেকের আবার আক্ষেপ ঝাড়ার সুযোগও হলো। একটা ব্যপার হয়ত খেয়াল করেছেন - এখানে অনেকে একজন অন্যজনের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করছে, সাথে সাথে তাকে যথেষ্ট কেয়ারও করছে, এমনকি শ্রদ্ধাও আছে। ব্যপারটা ভার্জুয়াল হলেও, অনেকটা একই পরিবারের অংশ ভাবার মতো। তবে সবাই না।
লেখক বলেছেন: আমরা ভার্চুয়াল অস্তিত্বকে বাস্তবে মেনে নিতে শিখছি। এটাই পোমো সিনড্রম!
ত্রিভুজ বলেছেন:
@ফিউশন ফাইভ আমি ক্ষ্যাপা না.. নির্মোহ হতে বলেছি শুধু... না হতে পারলে সিরিজটা গতানুগতিক হয়ে যাবে। সিরিজটা ভাল লাগার কারণেই বলা... আর কিছু না।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
ইতিহাসবেত্তা হওয়ার এক জ্বালা, চিত্র পরিচালকের মতো। সবাই নিজের জন্য ভালো রোল চায়, চরিত্রটা ফুলের মতো পবিত্র চায়। লাভ কি! দুই দিনের দুইন্যা আইজকা লুকালের ভাষায় আমি মুগ্ধ। কার হাতে এখন এইটা? আগের দুইজন মহাক্ষতি কইরা দিছে
ত্রিভুজ বলেছেন:
ইস্... ইতিহাসওয়ালারে কেন ভাল চরিত্র বুঝে না.. পর্নগুরুদের ইতিহাসে ভাল স্থান দেয়ার জন্য অনুরোধ করতেছি...
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
হ, রে ভাই। উপরে স্টিংরের ছবিটা দেখেন। একমাত্র আফনার পক্ষেই সম্ভব স্ফিংসরে হঠাইয়া পিরামিডের সামনে বইসা কাডাল পাতা চিবানোর চেষ্টা করা। উইকি না বুঝলে কি হইবো, বাংলা ব্লগের ইতিহাস নিশ্চয়ই আফনারে সেই মর্যাদা দিবো। আর পর্ণগুরুর কথা কইতেছেন? হাহাহাহা। হাহাহাহা। আফনে আসলেই ব্যাপক বিনোদন@ এলিট (ব্ল্যাক) বেঙ্গল (গোট) @ ইয়াহুহুহু
আপনি আমর প্রিয় গল্পকার। তবে ছাগুকে নিয়া আপনার সময় ক্ষেপনে হতাশ হইলাম।
বাই দ্য ওয়ে আমি কিন্তু এটিমের সদস্য।
লেখক বলেছেন: হতাশ হৈয়েন না অচেনা বাঙালি। আমি যা লিখতে চাই তাতে ব্লগের প্রতিটি এলিমেন্টকে/ইভেন্টকে গুরুত্ব না দিলে চলবে না। সেই ইভেন্ট বা এলিমেন্ট আমার ব্যক্তিগত রূচি বা পছন্দের সাথে যায় কিনা সেটা আমার বিবেচ্য না, প্রফেশনালি স্পিকিং। আমিতো এটিমকে নিয়েও লিখছি, নাকি? ![]()
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
অনেক আমোদ এইখানে।
লেখক বলেছেন: পার্টিসিপেটরি রিসার্চ!! নেভার মিস দ্য চান্স!!
আই লাভ ব্লগিং বলেছেন:
লোকাল অনেক আনন্দদায়ক জিনিসে পরিণত হচ্ছে। যখন যাকে হাতের কাছে পায় টার্গেট করে। মামো রাইসু গেছে, এখন টার্গেট করছে আরিফ জেবতিককে। তবে মামো রাইসুর উপর পাবলিক নানা কারণে চেতা আছিল, জেবতিকের বেলায় সেইটা সত্য না। তার সব অবস্থান যে সমর্থনযোগ্য তা না, কিন্তু ওভারঅল একটা গুড ইমেজ আছে। যে যতই নিজেরে ওয়ান ম্যান আর্মি হেন তেন বলুক কমিউনিটি ব্লগে ইমেজের গুরুত্ব আছেই। আর সেটা এই ব্লগে লোকালের এখন সর্বনিম্ন পর্যায়ে।সুমন রহমান, লোকাল এক দিন আপনের পিছেও এমনেই একদিন লাগবে। ভার্চুয়াল এই লাগালাগির বাস্তবমূল্য এখনও শূন্যের কোঠায়, কিন্তু আমার ভবিষ্যৎবাণী মনে রাইখেন।
লেখক বলেছেন: বহুৎ ভয়ের কথা!! শিহরিত হলেম অদূর ভবিষ্যতের চেহারা দেখে!!
ইউনুস খান বলেছেন:
পোস্ট পর্যবেক্ষণে রাখলাম।
শাহ্ আসাদুজ্জামান বলেছেন:
ব্লগজগতে আমি এক্কেবারে নবীশ। এইটা সামহোয়্যারে আমার দুই নম্বর মন্তব্য। সে হিসেবে সামহোয়্যার-ব্লগ নাটকের চরিত্রগুলোর এই চমৎকার রূপায়নের জন্য গল্পকার সুমন রহমানকে অবশ্যই অনেক অনেক ধন্যবাদ। এক নিঃশ্বাসে সিরিজের চার খন্ড পড়ে ফেল্লাম। লেখা আর মন্তব্যগুলো সাহায্য করল অনেক গুলো চরিত্রকে চিনতে।
নিজে এই নাটকের চরিত্র হতে গেলে অন্য চরিত্র গুলোকে আগে ভাগে জেনে নেয়াটা অনেক কাজের বৈকি। সেক্ষেত্রে আপনার এই সিরিজ একটা ভাল রেফারেন্স। প্রিয়তে রাখলাম।
অন্য বাংলা ব্লগসমাজ গুলো নিয়ে এরকম বিশ্লেষণ আর কোথাও করে থাকলে লিংক দিয়েন।
লেখক বলেছেন: ভাল বলেছেন আপনি, সত্যমূল্য দিয়ে চিনতে চান নাই, নাট্যমূল্য দিয়ে চিনেছেন। ধন্যবাদ এজন্য।
লেখক বলেছেন: তাইলে তো আরো ভাল! ব্লগ আমাদের কাছে থ্রিলার আর আপনের কাছে হরর!!
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
পুস্ট তো সুপারহিট! এইবার পরের পর্ব ছাড়েন সুমন ভাই।
লেখক বলেছেন: ছাড়বো, ধীরে রজনী!
মুনশিয়ানা বলেছেন:
উপভোগ্য আখ্যান বটে...
বাই দ্য ওয়ে আমি কিন্তু কোন টিম মেম্বার নই, ইনডিপেন্ডেন্ট ওয়ারিয়র
লেখক বলেছেন: ইতিহাস নয়, টেক্সটে যা আছে তার একটা ইন্টারপ্রিটেশন মাত্র।
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
হট ইসু্যগুলো শেষ। পঞ্চম পর্ব কী হতে যাচ্ছে? মডারেশন নীতি? ব্যান-আনব্যান? ভাষারীতি নিয়ে লেইখেন একটা।
লেখক বলেছেন: হা হা হা.... এসব নিয়ে তো লেখাই লাগবে। তবে হট ইস্যু আছে আরো....
পইরা, মহিলাগের নিয়া একটা পড়বো লেইকেন...
লিংক= Click This Link
সাবজেক্ট:=প্রসংগ(version2)::: রাগইমন, সন্ধ্যাবাতি এবং চতুরভূজ - স্রোত
রবিনহুড বলেছেন:
{ কালপুরুষ বলেছেন: .................তাদের দেখে আমার কষ্ট হতো কারণ কোন মেয়ে নিক তাদের ব্লগে মন্তব্য করতেনা অথচ আমা লোলপুরুষ হওয়া সত্ত্বেও মেয়েরা আমার ব্লগেই বেশী মন্তব্য করতে। এটাই ছিল তাদের গাত্রদাহের মূল কারণ।.....................
এই কারণে লুজাররা আমাকে কোণঠাসা করার জন্য বা আমাকে মন্তব্য থেকে বিরত করার জন্য আমার পেছনে উঠে পড়ে লেগেছিল। কিন্তু আসলে তাদের উদ্দ্যেশ্য সফল হয়নি বরং তাদের অত্যাচারে অনেক মেয়ে ব্লগার এই ব্লগ ছেড়ে চলে গেছেন। আর এর পেছনে এটিম-এর সরাসরি ইন্ধনতো ছিলই। কারণ ড: আইজুদ্দিন, হাসিব, বি.মা., প্রলয় এরা আমার পেছনে লাগার কারণ ছিল একটাই মেয়ে ব্লগারদের কাছে আমার জনপ্রিয়তা যা এখনো আছে। আমিতো রাজাকার/জামাত/মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কেউ নই। তবে? তবে আমার পেছনে লাগার কারণ একটাই মেয়ে ব্লগারদের কাছে আমার ঈর্ষণীয় গ্রহণযোগ্যতা, আর সেটাই তাদের আক্রমণের মূল কারণ। ব্লগে তাদের কারো কারো গালাগালি ও অশ্লীল মন্তব্যের কারণে মেয়েরা তাদের ব্লগে যেতোনা, তাদের কাউকেই তেমন পাত্তা দিতনা আর তাতেই তাদের মনঃপীড়ার কারণ ঘটে আর আমাকে হেয় করার জন্য উঠে পড়ে লাগে। ............................... এটিম-এর উদ্দ্যেশ্য যদি "ছাগু বধ" হয় তবে এটিমের কিছু সদস্যদের অন্যায় আচরণ ও সাধারণ ব্লগারকে হেয় প্রতিপন্ন করার মানসে আমিও তাদের প্রতি ঘৃণা উগলাতেই পারি। }
এটিমের চরিত্র ফুলের মত পবিত্র!!!!!!!
মুক্তিযুদ্বের ব্যানার নিয়া যদি এটিম এই সব কাজ করে তাহলে.... সেই এটিম সদস্যদের জন্য ঘৃনা ঘৃনা আর গোলাম আজমের মত ঘৃনা রইল।
"জামাত আর এটিমের মধ্যে কোনো পার্থক্য নাই।" এটা পরিষ্কার করার জন্য ধন্যবাদ।
ন্যায় পথিক বলেছেন:
@লেখক, ত্রিভূজ তথা জামায়াতীদের 'ছাগু' নামকরনের ইতিহাস বললেন.....কিন্তু তথাকথিত এিম অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধকে অধিক কচলিয়ে তিতা বানানীওয়ালাদের 'হাগু' নামকরণের ইতিহাস না বলায় লেখাটা কিছুটা একপেশে হয়ে গেল না? আমার লেখাগুলো মডু মুছে দিল...নাহলে দেখানো যেত হাগুদের নাকাল হওয়া কাকে বলে ও কত প্রকারের.....আপনি বলেছেন: হাগুরা অর্থাৎ এটিম:- "ইডিওলজির জায়গা থেকে এ-টিম প্রো-প্রগ্রেসিভ, প্রো-লিবারেশন, সেক্যুলার এবং বিজ্ঞানমনস্ক.."
কথায় ও যুক্তিতে পেরে উঠতে না পেরে যারা যাচ্ছেতাই ভাবে মানুষকে গালাগালি করে তারা প্রো-প্রগ্রেসিভ...বিজ্ঞানমনস্ক?!!! এইটা কি বললেন ভাই!!! মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব তার চিন্তা ও যুক্তি প্রয়োগের ক্ষমতার জন্য......কিন্তু আপনি কি একজন এটিম সদস্যেরও লেখা উপস্থাপন করতে পারবেন যার লেখায় চিন্তা ও যুক্তির মিশেল রয়েছে? আমার ব্লগিং ক্যারিয়ারের বয়স কম হলেও ওয়াচিং ক্যারিয়ারের বয়স বেশ। আমার ২ ক্যারিয়ারের মিলিত চেষ্টাতেও ঐ দুই-এর মিশেল একজন হাগুকেও পাইনি।
তবে...কিছুটা একপেশে মনে হলেও সর্বোপরি আপনার লেখার বুননটি বেশ ভাল লেগেছে....
আর আশা করি, মডুদের নিরপেক্ষতা(!!!) নিয়েও কিছু লিখবেন...তথাকথিত ছাগুদের বিরুদ্ধে লিখলে(যেমন-ছাগুছিপ) ফ্রন্ট পেজ একসেস...আর হাগুদের পচালে(যেমন-হাগজাল) ওয়াচ লিস্টেড করা, এধরনের 'নিরপেক্ষতা' নিয়ে আশা করি ভবিষ্যতে লিখবেন।
তরু বলেছেন:
কত মজা মিস করছিরে....
ব্রুটাস বলেছেন:
এই দুর্দিনে তোমার লিকায় মাইনাস করার মতু আনন্ড আর কুতায়?


























কিন্তু ত্রিভুজ নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্যই এটিমের জন্ম হয়নি।
এটিমের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পরিষ্কার। ত্রিভুজের রঙ্গ এটিম নয় শুধু ব্লগের সবাই উপভোগ করত। তাকে এক্সট্রা খাতির এটিমের যুদ্ধকৌশলে কখনোই দেয়া হয়নি।