প্রিয় পোস্ট ৯
শোহেইল মতাহির চৌধুরী
ডারউইনের বিবর্তনবাদের প্রমাণঃ আমাদের দূরবর্তী তুতো ভাই (বা বোন)
১২ ই এপ্রিল, ২০০৬ রাত ১০:০৬
ধর্মবিশ্বাসের সাথে মেলে না বলে ডারউইনের বিবর্তনবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার অনেক ধর্মের পুরোধারা। এক্ষেত্রে মুসলিম মৌলবাদী, খ্রিস্টান মৌলবাদী আর ইহুদি মৌলবাদীদের মধ্যে অনেক মিল। সবাই ডারউইনের কঠোর সমালোচক। বিজ্ঞানের আরো অনেক তত্ত্বের মত জীবজগতের বিকাশের ক্ষেত্রে ডারউইনের থিওরি একটি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা। কিন্তু ধর্মকে অনেকে বিজ্ঞানের যুক্তি দিয়ে সঠিক প্রমাণ করতে চাইলেও ডারউইনের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাকে কোনো ধর্ম মেনে নিতে নারাজ। কেন? কারণ এতে ধর্মগ্রন্থগুলোতে মানুষের উদ্ভব সম্পর্কে যে কল্প-কাহিনী দেয়া হয়েছে তা ভন্ডুল হয়ে যায়। সুতরাং যদিও নিজেদের মধ্যে তাদের রয়েছে অনেক বিবাদ-বিসম্বাদ, তবু ডারউইন ঠেকানোতে সব ধর্মের পুরোহিতরা একাট্টা। ।
আমরা জানি মানুষের উদ্ভব বা পৃথিবীতে আসার বিষয়ে ধর্মগ্রন্থগুলোর বক্তব্য একইরকম। অর্থাৎ উর্দ্ধ আসমানে কোথাও কোনো স্বর্গে ঈশ্বর মানুষকে (আদম ও ইভ/হাওয়া) তৈরি করে রেখেছিলেন। পরে শাস্তি- স্বরূপ পৃথিবীতে তাদের পতন ঘটে। এসব গাল-গল্প বিভিন্ন ধর্মের পবিত্র দলিল দস্তাবেজে পাওয়া যায় কিন্তু প্রমাণযোগ্য নয় বলেই কোনো জ্ঞানসাধকের পক্ষে তা বিনা প্রশ্নে মানা কঠিন। এদিকে ডারউইন জীবজগত পর্যবেক্ষণ করে একটি তত্ত্ব দাঁড় করালেন যে, প্রতিকূল পরিবেশ মোকাবেলা, খাদ্য সংকট সমাধানের চেষ্টা, নানা বিরূপ পরিস্থিতি থেকে নিজেকে রক্ষা করে টিকে থাকার তাগিদেই প্রাণীরা একস্তর থেকে বিবর্তিত হয়ে আরেক সত্দরে উন্নীত হয়েছে। এভাবে ধাপে ধাপে বিভিন্ন প্রাণীর উদ্ভব ও বিকাশ। এই যাত্রাটি শুরম্ন হয়েছে এককোষী ক্ষুদ্র প্রাণী থেকে। ডারউইন যে তত্ত্বটি দিয়েছিলেন তার মোদ্দা কথা হলো, একটি প্রাণীর টিকে থাকা নির্ভর করে পরিবর্তিত পরিবেশের সাথে তার খাপ খাওয়ানোর ক্ষমতার ওপর। আমরা জানি পৃথিবীর পরিবেশ বেশ বড় রকমের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে। বিভিন্ন প্রাপ্ত ফসিলের প্রমাণ থেকে বুঝা যায় যে, নতুন পরিবর্তিত পরিবেশে কিছু প্রাণী দ্রুত বেড়েছে। আবার অন্যদিকে যারা খাপ খাওয়াতে পারেনি তারা পটল তোলেছে। শুধু যোগ্যতররাই টিকে থেকেছে।
ধর্মবিশ্বাসীরাতো আছেনই, প্রাণীবিজ্ঞানীদের মধ্যেও যে ডারউইনবিরোধী লোক নেই তা নয়। আর সব তত্ত্বেরই যেমন বিরোধী পক্ষ থাকে, এরও আছে ও ছিল। তো এই বিরোধী পক্ষের একটি মোক্ষম যুক্তি হচ্ছে যে যদি প্রাণী বিবর্তিত হবেই তবে তা ধাপে ধাপে হওয়ার কথা। তো হাঁস থেকে যদি সজারু হয়, তবে মাঝখানে হাঁসজারু বলে একটি প্রাণী থাকার কথা। কিন্তু দুই ধরনের প্রাণীর মাঝামাঝি এরকম কোনো প্রাণীর অস্তিত্ব বা ফসিলগত প্রমাণ তো মেলে না। তা হলে, জলের মাছ কিভাবে বিবর্তিত হয়ে ডাঙ্গার ইঁদুর হলো। বিবর্তনের মাঝামাঝি সময়ের সেই প্রাণীগুলো গেলো কই? যদি বিবর্তন সত্যি হয়ে থাকে তবে সেরকম প্রাণীতো আমাদের দেখতে পাওয়ার কথা।
আসলে আমরা সেরকম প্রাণীর ফসিল অনেক আগেই পেয়েছি। যদিও ফসিলের রেকর্ড অসম্পূর্ণ এবং ডারউইন তা বুঝতে পেরেছিলেন। আর্কিওপটেরিক্স নামের সরীসৃপ-মতো- পাখির ফসিল আমরা পেয়েছি, যা একধরনের প্রাণী থেকে আরেকধরনের প্রাণীর বিবর্তিত হওয়ার প্রমাণ। একইরকম আরো কিছু ফসিলের প্রমাণ থেকে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হয়েছেন যে ডাইনোসরেরই পরবর্তী বংশধর হচ্ছে পাখিরা। আদ্যিকালের কিছু তিমির ফসিল দেখে বিজ্ঞানীরা এও নিশ্চিত হয়েছেন যে প্রতিকূল পরিবেশের কারণেই হয়তোবা কিছু ডাঙ্গার স্তন্যপায়ী প্রাণী আবার ফিরে গিয়েছিল সমুদ্রে। তাই আমরা জলবাসী প্রাণীদের মধ্যে পাই স্তন্যপায়ী প্রাণীও, যারা আসলে মাছ নয়।
কিন্তু এই সব প্রমাণকে ছাড়িয়ে গেছে সামপ্রতিক একটি আবিষ্কার। লন্ডন বিজ্ঞান যাদুঘরে এই সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছে এই সদ্য পাওয়া ফসিলটির প্রদর্শনী। এটি অত্যন্ত অদ্ভুত একটি প্রাণী, যা মূলত: মাছের মত কিন্তু তার মধ্যে বিবর্তনের এমন কিছু চিহ্ন আছে যা প্রমাণ করে এটি ডাঙ্গায় বসত করা শুরু করেছিল। এই ফসিলের প্রাপ্তি মিলে যায় বিবর্তনবাদের এতদিনের মূল দাবীর সাথে। যেখানে বলা হয়েছে সমুদ্রের আদি উৎপত্তিস্থল থেকে প্রাণীরা একসময় বের হয়ে এসে ডাঙ্গায় বসবাস করতে শুরু করে।
কানাডার বরফাবৃত আর্কটিক অঞ্চলে পাওয়া এই প্রায় 9 ফুট লম্বা প্রাণীটির একটি আদুরে নাম রেখেছেন আবিষ্কারকরা; 'ফিশাপড'। স্থানীয় ভাষায় এরকম মাছকে বলা হতো "টিকটালিক", অর্থাৎ ঝর্ণার বড় মাছ। ধারণা করা হচ্ছে 'ফিশাপড' হচ্ছে ডেভোনিয়ান পিরিয়ড বা মাছের যুগের সামনের সারির জীব। আর সে সময়টা ছিল আজ থেকে প্রায় 380 মিলিয়ন বছর আগে। কেমন দেখতে ফিশাপড, তা বুঝার জন্য তার মডেলের ছবিটা দেখুন। তার ছিলো মাছের মত আঁশ, দাঁত ও ফুলকা। কিন্তু একটি বড় বাঁকানো হাড়সহ বুকের খাঁচা ছিলো যাতে বুঝা যায় একই সাথে ফুসফুসও ছিলো এর। বুকের হাড় ও খাঁচা দেখে বুঝা যায় সেটি তার শরীরের ওজন নিতে পারতো, যা মাছের ক্ষেত্রে হয় না। আরো বড় কথা ফিশাপডের ঘাড় ছিল, যা মাছের থাকে না। সবচে বিস্ময়কর হচ্ছে বুকের দিকে পাখনা বিশ্লেষণ করে দেখা গেল সেখানে রয়েছে চতুষ্পদী প্রাণীর হাতের মত অঙ্গ। আদিতম সেই হাতের হাড়ে আঙুলের মত পাঁচটি হাড়ও রয়েছে। আবিষ্কারক ইউনিভার্সিটি অব শিকাগোর নিল শুবিন তাই বললেন, এটা প্রাণীজগতের কোনো দুর্লভ শাখার সদস্য নয়। এটি আমাদের প্রাচীন এক খালাতো-মামাতো ভাই (কাজিন)।
সদ্য আবিষ্কৃত এই ফিশাপড তাই ডারউইনের তত্ত্বের বিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশকে প্রতিষ্ঠা দিলো। আর তথাকথিত 'ইন্টেলিজেন্ট ডিজাইন থিওরি'র সমর্থকদের ফেললো নতুন লজ্জায়। তবে এটিও বুঝা গেল যে, বিবর্তনের বহু অংশের প্রামাণ্য ফসিলের সন্ধান এখনও পাওয়া যায়নি কিন্তু যখনই নতুন ফসিল পাওয়া যায় তা বিবর্তনের তত্ত্বকেই নতুন করে জোরদার করে তোলে। অনেকেই বলে থাকেন বিবর্তনবাদ শুধুই একটি তত্ত্ব। কিন্তু এটি বিজ্ঞানের ইতিহাসের সবচে সফলতম তত্ত্ব, কি ধরনের ফসিল রেকর্ড পাওয়া যাবে সে সম্পর্কে যে তত্ত্বের ভবিষ্যদ্বাণী হাজার- লক্ষ বার সত্য প্রমাণিত হয়েছে।
৩৮ টি মন্তব্য ৪৫৫বার পঠিত পোস্টটি ১ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১৩ এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৪:০৪
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৪:০৪
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৪:০৪ অরূপ বলেছেন: হারুন ইয়াহিয়াটাকেরে সাদিক ?
"সায়েন্টিস" নাকি?
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৪:০৪ অতিথি বলেছেন: কিছু ইন্টারেস্টিং 'বৈজ্ঞানিক' তথ্যবহুল লিংক:
Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link
http://www.harunyahya.com/m_video_collapse.php
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৪:০৪
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৪:০৪ অতিথি বলেছেন: হারুন চাচা এক ব্যক্তি বা গ্রুপের ছদ্ম নাম। নামি দিয়া বেশি কাম নাই, তবে লিংকগুলা ঘুইরা দেখতে পারো। আইডিয়া পাইবা।
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৪:০৪ অতিথি বলেছেন: হা হা হা সাদিক। আপনি বিজ্ঞানের ছাত্র অনুমান করি। তো বিজ্ঞান আর ধর্মের যে দ্্বন্দ্ব গোড়া থেকেই। সব বিজ্ঞানীকেই যে ধর্মের নেতারা জীবনভর যন্ত্রণা করেছে সে তথ্য আপনার অজানা থাকার কথা নয়।
ডারউইনের থিওরি কেনো থিওরি রয়ে গেলো তাতো আপনার জানার কথা। বিজ্ঞান তো আর ধর্মশিক্ষা নয় যে, বানানো গাল-গল্পকে সত্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে দেবে। বিজ্ঞান তা দেয় না। ডারউইনও এ দাবী করেননি যে তিনি কোনো ঐশিবাণীর বরাতে সত্য বলছেন। তিনি প্রকৃতি পর্যবেক্ষণে পাওয়া কিছু তথ্যকে সাজিয়ে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে একথা বলেছেন।
ডারউইন যদি ভুল প্রমাণিত হয়ও তবুও ইন্টেলিজেন্ট ডিজাইন থিওরি সত্য প্রমাণিত হয় না। আর আপনি নিশ্চয়ই জানেন এসব তথাকথিত অধি-বিদ্যার থিওরিগুলোর মূল সমস্যা হচ্ছে এগুলোকে ভুল প্রমাণের কোনো রাস্তা নেই। আর সে কারণেই তাদের সত্যতারও কোনো ভিত্তি বা যুক্তি নেই। ডারউইনের থিওরি অন্তত: সেই দোষ থেকে মুক্ত।
আর গাল-গল্পের ধর্মকে কেনো টেনে আনলাম? নিজেকে 'আতেলেকচুয়াল' প্রমাণ করার জন্য? বলুন, যদি এটুকু বলে আপনার মনের আগ্রাসী ভাব কিছুটা কমে। তবে আসল কারণটি হলো, আলোর কথা বলতে হলে অন্ধকারের প্রসঙ্গ আসবেই। সত্যকে তুলে ধরতে গেলে মিথ্যার ছল-চাতুরিকেও চিহ্নিত করতে হয়। সেজন্যই ওসব গাল-গল্পের রেফারেনস। আপনার তো রেফারেনস ভালোই লাগার কথা।
কিন্তু একটি বিষয় বুঝি না, বিজ্ঞানের সফলতা দেখলে আপনাদের বিশ্বাসের হাঁটুর জোর কমে যায় কেন? কেন আপনারা হয়ে উঠেন মারমুখি?
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৪:০৪ অতিথি বলেছেন: ছবি পরিচিতি: 1. ফিশাপডের মডেল। 2. ফিশাপডের ফসিল। 3. আর্কিওপটেরিক্সের ড্রয়িং।
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৪:০৪ অতিথি বলেছেন: বিজ্ঞানের সবচেয়ে সফলতম তত্ত্ব?
রেফারেনসটা দিলে সুন্দর হত না একটু?
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৪:০৪
নীচের আর্লে কিছু জানতে পারবেন।
http://19.org/index.php?id=14,335,0,0,1,0
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৪:০৪
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৪:০৪ অতিথি বলেছেন: স্বর্গ উদ্ধ আসমানের কোথাও, এটা আপনাকে কে বলেছে?
এত ফসিল আবিস্কার হয় আর মধ্যবতর্ী স্তরের ফসিল এতই কম যে আলাদা করে বলতে হয়, হাতের আঙ্গুল গুনে গুনে?
বিবর্তনের মধ্যবতর্ী স্তরের প্রাণীর ফসিল সংখ্যায় এত কম কেন বলতে পারেন?
কেন বিজ্ঞানের এত অগ্রগতির পরেও ডারউইনের থিওরী থিওরীই রয়ে গেলো?
বিজ্ঞানের কথা বলতে হলে বিজ্ঞান নিয়েই থাকুন না দাদা, খামোখা ভুমিকাতে ঐ 'তথাকথিত' এবং (আপনার ভাষায়) 'গাল গল্পের' ধর্মকে টেনে এনে নিজেকে খুব আতেলেকচুয়াল প্রমান করতে ব্যস্ত হওয়ার প্রয়োজনটা কি?
বিজ্ঞানীদের বিশাল একটা অংশই ডারউইনের মতবাদকে সমর্থন করেন না। তাদের কথাও তুলে ধরুন।
আর সদ্য আবিস্কৃত কিছু ফসিল বিবর্তন বাদের টাইম লাইনকে যে পুরোপুরি ওলোট পালোট করে দিয়েছে সেগুলো নিয়েও একটু গবেষনা করতে পারেন। (হিন্টস: আফ্রিকা মহাদেশ।)
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ অতিথি বলেছেন: হাসিমুখ, সাদিক ইয়াহিয়াকে নতুন আবিষ্কার করতে পারে। কিন্তু এর সম্পর্কে আমার জানা আছে। এ এক বাণিজ্য-বিলাসী ভন্ড। ধর্মীয় মৌলবাদী ধ্যানধারণা ব্যবহার করে তাবিজ আর ফুঁ দেয়া পানির মত বিক্রি করছে সিডি আর ক্যাসেট।
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ অতিথি বলেছেন: সাদিক: অনেক অপ্রাসঙ্গিক চেঁচিয়েছেন। কোনো ঘন্টা প্রমাণ করতে পারেননি। প্রাসঙ্গিক মন্তব্য করুন। চেঁচিয়ে আর জোর দিয়ে বলে কোনো কিছু প্রমাণ করা যায় না। আর বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত ছাড়া ভাবের খই আমি খাই না।
সুতরাং আপনার ভাবের নৌকা পাতায় পাতায় না বেয়ে বৈজ্ঞানিক যুক্তির কথা বলুন।
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ অতিথি বলেছেন: সোমোচৌ: আপনাকে করা প্রশ্নের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ, 'বৈজ্ঞানিক' প্রশ্নটি এড়িয়ে গেলেন আপনি সুকৌশলে।
প্রশ্নটি ছিলো: এত ফসিল আবিস্কার হয় আর মধ্যবতর্ী ফসিলের কথা বলতে হয় আলাদা করে হাতের আঙ্গুল গুনে গুনে!
বিবর্তনের মধ্যবতর্ী স্তরের ফসিল সংখ্যা এত কম কেন বলতে পারেন?
আপনি বিজ্ঞান ভালোবাসেন, আমিও সেটি জানালা দিয়ে বাইরে ফেলে দেই নি!
বিজ্ঞান শুধু আপনার একার নয়, সবার।
তাই বৈজ্ঞানিক প্রশ্নের উত্তরটি কামনা করছি। যেহেতু বিষয়টি নিয়ে আপনি লিখেছেন, তাই আশা করতেই পারি আপনি জেনে শুনেই লিখেছেন। কেবল অনুবাদক হিসেবে অনুবাদের কাজটি করে জাননি।
আর একটি কথা, আক্রমনাত্বক হওয়ার কোনো ইচ্ছে নেই। হাটুর জোর কমার বা বাড়ারও প্রশ্ন নেই।
বিবর্তনবাদ যে বিজ্ঞানের ইতিহাসে সবচেয়ে সফলতম তত্ত্ব - এটি কোন রেফারেনেসর জোরে, কোন বিজ্ঞানীর কথায় বললেন; সেটি জানালেও খুশি হবো।
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ অতিথি বলেছেন: হাহা, শোমচৌ: ওইটা তো ভাবের কথা! আমি ক্যামনে কই। আমি ছোটো খাটো অন্ধকারের মানুষ! তাই গুরুদের কাছ থেকে ভাবের কথা পড়ি আর অন্যদের শুনাই।
ভালো থাকবেন।
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ অতিথি বলেছেন: আরেকটি কথা সাদিক। আপনি বিষয় জানেন বলেই বোধহয় আপনার পোস্ট করা লেখাগুলোর বেশিরভাগ অংশ থাকে ইংরেজি লেখার পেস্ট।
এটি বুঝতে পারলাম যখন আপনি বুঝাতে চাইলেন আমি জানিনা বলেই অনুবাদ করে দিয়েছি। হা হা হা।
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ উৎস বলেছেন: আসলে সবই মেটাফোর, আক্ষরিক অর্থে নিলে কি চলে ... একই শব্দের কত অর্থ হয় ...
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ অতিথি বলেছেন: হাসিমুখ : আপনি ম্যাটেরিয়াল না পড়ে ব্যক্তিকে নিয়ে হাস্যকর কপি পেস্ট গবেষণায় নেমে গেলেন।
এ যেন নিউটনের সুত্র সম্পর্কে আগ্রহ না দেখিয়ে, ব্যক্তিগত জীবনে নিউটন সমকামি ছিলো কি ছিলো না - সেটি নিয়ে গবেষণার মতো। খুবই বৈজ্ঞানিক মাইন্ডসেট, বলতেই হয়!!
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ অতিথি বলেছেন: এইতো আমাদের জেনেটিক বিশেষজ্ঞ : উৎস এসে গ্যাছেন।
ব্যক্তিগত আক্রমন দিয়ে তার বক্তব্য শুরু হবে, ওটাতেই শেষ হবে কথা।
এদিকে আমার নতুন একটা টাইটেল প্রাপ্তি হলো: 'পেশাদার চাপাবাজ'। বেশ বেশ! ধন্যবাদ উৎস। আপনিও ভালো থাকবেন। হ্যাপি কোষ বিবর্তন !!
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪
The reason why a special chapter is assigned to the collapse of the theory of evolution is that this theory constitutes the basis of all anti-spiritual philosophies. Since Darwinism rejects the fact of creation, and therefore the existence of God, during the last 140 years it has caused many people to abandon their faith or fall into doubt. Therefore, showing that this theory is a deception is a very important duty, which is strongly related to the religion. It is imperative that this important service be rendered to everyone. Some of our readers may find the chance to read only one of our books. Therefore, we think it appropriate to spare a chapter for a summary of this subject.
The same preface and the same anti-evolutionary chapter, "The Misconception of Evolution" (with different illustrations) appear in Islam Denounces Terrorism (3rd edition, Bristol: Amal Press, 2002). In this book, Yahya treats the reader not only to standard apologetics about Islam being a religion of peace, but in his chapter "The Real Roots of Terrorism: Darwinism and Materialism" exposes the true culprit behind events like September 11: evolution. Apparently, "the way to stop acts of terrorism is to put an end to Darwinist-materialist education, to educate young people in accord with a curricula (sic) based on true scientific findings and to instil in them the fear of God and the desire to act wisely and scrupulously." (p. 147)
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ অতিথি বলেছেন: উৎস, আপনার কথাই ঠিক। ডারউইনের বিবর্তনের তত্ত্ব যে প্রাণিবিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বার বার প্রমাণিত হচ্ছে, হাজার বার এ কথা সাদিক মানতে রাজি হচ্ছে না।
কারণটা অনুমান করি। একে বিজ্ঞান মানলে তার আধা বিদ্যার ব্যাখ্যার কোনো জাত-কূল থাকে না।
সে যাক, ধন্যবাদ। আপনার লেখাটি আগে পড়িনি। এখন পড়বো।
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ অতিথি বলেছেন: না সাদিক আমি ভুল করিনি। মধ্যবর্তী অংশ নাজুক ও স্বল্পস্থায়ী। জেনে নিন।
ভাবের কথায় পেট ভরে না-3 ও তার আগের লেখাটি আপনার দেখে আসুন। দেখুন পেস্ট করেছেন কিনা। সাথে একটি লাইন হয়তো বাংলায় দিয়েছেন। তো পেস্ট করাটাই জানার পরিচয় সেটা জোর দিয়ে বললেন।
আর ইন্টারনেটে ফ্রি থাকলেই বাণিজ্য বিলাসী ভন্ড হওয়া যায় না এ আপনাকে কে বললো? তার বইয়ের তো কপিরাইটই নাই, রাখবে কি?
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪
Yahya treats the reader not only to standard apologetics about Islam being a religion of peace, but in his chapter "The Real Roots of Terrorism: Darwinism and Materialism" exposes the true culprit behind events like September 11: evolution. Apparently, "the way to stop acts of terrorism is to put an end to Darwinist-materialist education, to educate young people in accord with a curricula (sic) based on true scientific findings and to instil in them the fear of God and the desire to act wisely and scrupulously."
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ অতিথি বলেছেন: শোমচৌ: হারুন ইয়াহিয়াকে যে বাণিজ্য বিলাসী ভন্ড বললেন, তার সব বই এবং ম্যাটেরিয়ালই যে ফ্রি!! ইন্টারনেটে সব ম্যাটেরিয়াল ফ্রি দিয়ে দেওয়াকে বাণিজ্য বলে বুঝি? কপিরাইট না রাখাকে ব্যবসা করা বলে?
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ অতিথি বলেছেন: সাদিক, আপনার হারুন ইয়াহিয়ার একটা লিংক পড়ে দেখেছি। ওতে সারবস্তু কিছু নেই। খ্রিস্টান মৌলবাদীদের লেখা ও যুক্তি কাট-পেস্ট করে তিনি কিছুই প্রমাণ করতে সক্ষম হননি। এ নিয়ে এঁড়ে তর্ক করার কোনো কারণও আমি দেখি না।
আমি শুধু অবাক আপনার অন্ধকার-প্রীতি দেখে!
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ উৎস বলেছেন: হাসিমুখ, শোমচৌ, আপনারা কেন যে পেশাদার চাপাবাজ সাদিক সাহেবের সাথে তর্কে গেলেন বুঝলাম না। উনি সুযোগ পেলেই গালগল্প ঝেড়ে বসেন, ওনার বক্তব্যের পক্ষে কখনও একটা সায়েন্স জার্নাল, পেপার, নিদেনপক্ষে কোন সায়েন্স ম্যাগাজিনের রেফারেন্স দিতেও উনি ভীষন অপরাগ। হায়াহায়া মার্কা সুফী বৈজ্ঞানিকের আর্ল পেয়েই আপনাদের সন্তষ্ট হওয়া উচিত ছিল।
যাহোক আপনাদের অবগতির জন্য বলছি, ডারউইনের তত্ত্ব জেনেটিক্স এর অগ্রগতির পরে এখন ফ্যাক্ট (আমার ব্লগ দ্্রঃ), ডারউইন নিজে অবশ্য থিওরী হিসেবে প্রকাশ করে ছিলেন, কারন মিউটেশন ঠিক কিভাবে হয় তার সেটা জানা ছিল না। সায়েন্টিফিক ফ্যাক্ট বিশ্বাস অবিশ্বাসের সাথে জড়িত না।
সাদিক সাহেবের মত বিলিয়ন লোক মিলে অবিশ্বাস করলেও তাদের নিজেদের শরীরের কোষগুলো প্রতি মুহুর্তে ঠিকই বিবর্তিত হতে থাকবে।
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ অতিথি বলেছেন: শোমচৌ: একটু ছোটো ভুল করলেন। বিবর্তন বাদ অনুসারে মধ্যবর্তীরা অল্প সময় থাকবে, বাকি অংশ বেশি সময় থাকবে এরকম কোনো কথা নেই। পুরো প্রক্রিয়া যেহেতু বিবর্তনে হচ্ছে সেহেতেু গ্র্যাজুয়ালি হওয়ার কথা। শুরুতে বেশি, মধ্যখানে কম আর শেষে আবার বেশি - এটাকে গ্র্যাজুয়াল বলে না। সুতরাং আপনার 'মধ্যবতর্ী জিনিস নাজুক' এই যুক্তি ধোপে টিকছে না।
হ্যা, আমি ইংরেজীতে লিখতে পছন্দ করি। একারনে আমার মূল ব্লগ ইংরেজীতে। মূল লেখাকে পেস্ট বলে না। আমার ব্লগে গেলে ধারনাটি পরিস্কার হবে আশা করি।
http://mysticsaint.blogspot.com
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪ অতিথি বলেছেন: সাদিক দুটি প্রশ্ন আপনার।
1. মধ্যবর্তী প্রাণীর ফসিল কম কেন? বিবর্তনের তত্ত্বের মধ্যেই এর উত্তর রয়েছে। মধ্যবর্তী যে কোনো কিছুই নাজুক থাকে। পৃথিবীতে তারা দীর্ঘদিন টিকে থাকেনি। সংখ্যায় কম ছিল। সুতরাং তাদের ফসিল কম পাওয়া যাবে সেই তো স্বাভাবিক। 'দেশের চেয়ে সীমানা বা বর্ডার ছোট হয় এটুকু নিশ্চয়ই বুঝেন।
2. সবচে সফলতম তত্ত্ব; যেকোনো উচ্চতর প্রাণিবিজ্ঞানের বই খুললেই পাবেন। একান্তই যদি না পান তবে মাইকেল নভাচেক এর টাইম ট্রাভেলর দেখতে পারেন।
তো কি খুশি হয়েছেন?
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৮:০৪ অতিথি বলেছেন: শোমচৌ এখানের আলাপে মুগ্ধ হয়ে আমি একটা লেখা লিখলাম , কষ্ট করে পড়ে নিয়েন রে ভাই।
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ দুপুর ১২:০৪ হিমু বলেছেন: হুমম, দেরিতে এসে তর্কের মূল আসর ফস্কে গেলো।
সাদিকের প্রশ্নটি ফ্যালনা নয়, মধ্যবর্তী রূপগলোর ফসিল গাদা গাদা পাওয়া যায় না কেন? একেবারেই পাওয়া না গেলে অভিযোগের স্বর অনেক উঁচু করা যেতো, কিন্তু যথেষ্ঠ মানে ও পরিমাণে পাওয়া গেছে বলেই এর ওপর ভিত্তি করে ডারউইনের মতবাদের জন্যে মশাল বহন করে চলেছেন অনেকে। বিবর্তনের প্রতিটি ধাপের জীবাশ্ম উপস্থাপন না করলে এই মতবাদ মেনে নেবো না, এমন গোঁ যদি কেউ ধরে থাকেন, তাহলে বুঝতে হবে তিনি জীবাশ্মপ্রাপ্তির ঘটনাটির দিকে দৃষ্টি দিচ্ছেন না। জীবাশ্ম হাটেঘাটেমাঠে পড়ে থাকে না, খুঁড়ে বার করতে হয়। মধ্যবর্তী স্তরের জীবাশ্মের অস্তিত্ব নেই, তা নয়, আমাদের নাগালের একটু বাইরে আছে। ধীরে ধীরে একটা দুটো করে পাওয়া যাচ্ছে এগুলো, হয়তো পরবর্তীতে আরো বেশি পরিমাণে পাওয়া যাবে। নিউটনের তত্ত্ব প্রমাণের জন্যে কিন্তু পৃথিবীর সবকিছুর ওপর বলপ্রয়োগ করে প্রতিক্রিয়া মাপার দরকার হয় না, ডারউইনের মতবাদ প্রমাণের জন্যেও তো তেমনি সবকিছুর আদি থেকে বর্তমান পর্যন্ত যা কিছু রূপ আছে তার জীবাশ্ম উপস্থাপনের প্রয়োজন হয় না। যে কোন মতবাদের মডেলে প্রাপ্ত উপাত্ত ফিট করে কি না, সেটা যাচাই করে দেখলেই হয়।
টাইমলাইনের ওলটপালট নিয়ে সাদিকের কাছ থেকে আরো কিছু শুনতে চাইছিলাম, তাহলে হয়তো প্রাসঙ্গিক মন্তব্য করতে পারতাম। তবে অল্পসল্প পড়ে যা বুঝেছি, জীবাশ্মবিদদের মূল খাটনি কিন্তু সময়ের রেখায় দাগ কাটা। জীবাশ্ম বা পুরাতাত্তি্বক নিদর্শনের সময় নির্ধারণের পদ্ধতি নিয়ে কিছু লিখবো ঠিক করলাম, পরে কোন পোস্টে।
আর ডারউইনের থিওরী থিওরীই রয়ে গেলো, এই কথাটির অর্থ বুঝলাম না। থিওরীর কিসে পরিণত হওয়ার কথা ছিলো? কোন ধর্মে?
ডারউইনের বিরূদ্ধচারীর সংখ্যা কম নয়, কিন্তু তাঁদের যুক্তিগুলো কি কেউ একটু তুলে ধরবেন?
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ বিকাল ৩:০৪ অতিথি বলেছেন: শোহেইল ভাই মানুষের বিবর্তন নিয়ে আপনার কাছে লেখা আশা করছি। এখানে তো অনেক তথ্য বা প্রমান পাওয়া গেছে। যেমন Paranthropus থেকে শুরু করে robustus -- Australopithecus afarensis --Homo habilis --Homo erectus --Neanderthal ইত্যাদি। এদের প্রায় সবারই তো ফসিল পাওয়া গেছে এবং যাচ্ছে। কিছুদিন আগে হোমো ইরেকটাস আর হোমো স্যাপিয়েনস এর মাঝের সময়ের ফসিল পাওয়া গেছে যা প্রায় আড়াই লক্ষ বছর আগেকার হবে। এর ফলে তথাকথিত 'মিসিং লিঙ্ক' এর সমাধান হবে।
Click This Link
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:০৪ অতিথি বলেছেন: সাজেদ, আশা রাখি লিখবো।
আমি আগে পড়তে চাচ্ছি ধর্মীয় মৌলবাদীরা কি যুক্তি দিচ্ছে। সেটি জানতে পারলে বিবর্তনবাদের সাম্প্রতিক প্রাপ্ত ফসিলের ওপর ভিত্তি করে জবাব দেয়া যাবে।
তবে উৎস এ বিষয়ে এলেমদার। একটি লেখাও আছে তার। পড়ে দেখেন।
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৬ রাত ৯:০৪ উৎস বলেছেন: আমি আসলে জেনেটিক্স এর দৃষ্টিকোন থেকে বিবর্তনবাদ দেখতে পছন্দ করি, কারন এভাবে প্রমান করা সহজ, মোটামুটি এ লাইনে যারা অল্প কাজ করেছে তারাও ব্যাপারটা ওয়াকিবহাল। ভাইরাস বা ব্যাক্টেরিয়া অনেক দ্্রুত বিবর্তিত হয়, চোখের সামনেই দেখা যায়, বিশ্বাস অবিশ্বাসের প্রশ্ন আসে না। তুলনামুলক ভাবে হোমো ইরেকটাস থেকে আধুনিক মানুষের বিবর্তন অনায়াসে বোঝা কঠিন, ধর্মের দেয়াল থাকায় ব্যাপারটা আরও জটিল হয়ে দাড়ায়। ফসিলের সমস্যা হচ্ছে সব ফসিল যে ইতোমধ্যেই পাওয়া গেছে তা নয়, আরও পাওয়া যাবে, আরও পরিস্কার হবে, জেনেটিক্স এবং প্যালিওন্টোলজি মিলিত ভাবে পুরো ছবি টা পরিস্কার করবে।
হিমুর তো এই নিয়ে লেখার কথা ছিল, সময়ের অভাবে এ সপ্তাহে আমি লিখতে পারছি না। ধন্যবাদ শোমচৌ লেখার জন্য, এরকম আরও লেখা আশা করি।
১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৭:০৪ হিমু বলেছেন: একটা ত্রূটিপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছিলাম, কিন্তু কেউ সেটা পাকড়ে ধরে হামলা করেনি। বলেছিলাম কোন মতবাদের মডেলে প্রাপ্ত উপাত্ত ফিট করে কি না সেটা দেখলেই চলে। শুধু উপাত্ত নয়, মতবাদটি কী ধারণাসমূহের উপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে, সেগুলোও খতিয়ে দেখা জরুরি। নইলে সেই সর্দারজির গবেষণার মতো দাঁড়াবে ব্যাপারটা। এক সর্দারজি মতবাদ দিলো, পা ছিঁড়ে নিলে তেলাপোকা আর কানে শুনতে পায় না। তার এই মডেলে সে গবেষণা থেকে পাওয়া উপাত্ত ফিট করে কিভাবে, সেটাও দেখালো, সুস্থ এক তেলাপোকাকে হুকুম দিলো, "হাঁটো!" অমনি তেলাপোকা কিলবিল করে হাঁটা শুরু করলো। একটা পা ছিঁড়ে নেয়ার পর আবার হুকুম, হাঁটো, তেলাপোকা এবার একটু শ্লথ গতিতে হাঁটতে লাগলো। এমন করে সব ক'টা পা ছিঁড়ে নেবার পর তেলাপোকা আর হুকুম শুনলেও হাঁটে না, শুধু শুঁড় নাড়ে। কাজেই পা ছিঁড়ে নিলে তেলাপোকা আর কানে শোনে না, প্রমাণিত।
যাই হোক, সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা। মন ভালো থাকলে বিবর্তনের গল্পে নায়ককে নিয়ে কিছু লিখবো। সময়। হুমম, অফুরন্ত সময় আমার, শুধু নেই কোন কাজে বসাবার মতো ভালো মন।
১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:০৪ অতিথি বলেছেন: ডারউইনকে তুলাধুনা করতে কারো উৎসাহের কমতি নাই দেখি। মামু আপনি করবেন করবেন বলে আর করেন না, ঝিমু আপনারে লোকে সাধে ডাকে না, যান মুড়ি খান গিয়া।
বিবর্তন আর ডারউইনকে নিয়ে ধারাবাহিক পোস্ট আসবে মে মাস থেকে ... অবিশ্বাসীরাও যুক্তি শানিয়ে রাখুন।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



