আমার ভার্সিটি জীবন-১

২১ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৩২

শেয়ার করুন:                   Facebook

ভার্সিটি লাইফ নিয়ে লিখার প্ল্যান করছিলাম কয়েকদিন ধরে। আমার ভার্সিটি লাইফের প্রথম বছর টা হলো শান্ত-শিষ্ট এক ছেলের, পরের বছর টা রোমান্টিক, এর পর থেকে খালি রাজনীতি আর রাজনীতি। নামে রাজনীতি হলে ও কাজে সেটা কতটুকু নীতির রাজা কিনবা রাজার নীতি ছিলো তা আপনারাই বিচার করবেন।

আমি ১০০ ভাগ সত্য কথা বলার চেষ্টা করবো। এতে অনেকেই আমার সম্পর্কে ভুল ধারনা করতে পারে। তাতে কিছু যায় আসে না। সত্য বলাটা কতটুকু দুঃসাধ্যতা আমি তার স্বাদ নিতে চাই।

প্রথম দিন ভর্তি হতে গেলাম ঝলক ও কল্লোল নামে আমার দুই ফ্রেন্ডের সাথে। ওরা দুজন এর মধ্যে কল্লোল এম,সি কলেজে ইংরেজিতে আর ঝলক ইকোনোমিক্সে ভর্তি হলো আগের দিন। আমি সাথে ছিলাম তাদের ভর্তির সময়, তারাও এসেছে আমার সাথে।

এর আগে আমি মাত্র একদিন সিলেটে গিয়েছিলাম, ইন্টার পাস করার পর আমাদের বন্ধুরা মিলে জাফলং গিয়েছিলাম। জীবনে প্রথম সিলেটি লোকাল ভাষা শুনে তখন আমরা হাসিতে গড়াগড়ি খাচ্ছিলাম।আমাদের হবিগঞ্জের ভাষা যে মিষ্টি তা বলছি না, কিন্তু হবিগঞ্জ গ্রেটার সিলেটের মধ্যে থাকলে ও দুই এলাকার ভাষায় অনেক অনেক ফারাক।

ধুর, কই থেকে কই গেলাম… বলছিলাম ভার্সিটিতে প্রথম ভর্তির কথা। তিন বন্ধু মিলে গেলাম কেমেস্ট্রি বিভাগে। আমি প্রথম চান্স পেয়েছিলাম কেমেস্ট্রিতে, পরে সিভিল এন্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জি বিভাগে আসি। কেমেস্ট্রি বিভাগে এসে দেখি এক মেয়ে আর ছেলে বিল্ডিং এর চিপা-চাপা খুজতেছে। আমরা ও আন্দাজ করলাম কি হতে যাচ্ছে। সাথে সাথেই প্ল্যান করে ফেললাম ভর্তি পরে হওয়া যাবে, আগে এই দুজন কি করে দেখতে হবে।

তখন ক্যাম্পাসে ক্লাস ছিলো না , শুধু ভর্তি কার্যক্রম চলছিলো, ক্যাম্পাস একদম ফাঁকাই ছিলো। দেখলাম ঐ জোড়া হুট করে এক ক্লাস রুমে ঢুকেই দরজা লক করে দিছে। আমরা তো পুরো উত্তেজিত। সাথে সাথেই আমরা চিন্তা করতে থাকলাম কি করা যায়?

কল্লোল বুদ্ধি দিলো, চল বাইরে থেকে থালা মেরে ভেগে যাই।

থালা পাবি কই, ঝলক বলে।

আমার ব্যাগে আছে একটা, কল্লোল বলে।

ওকে, তাইলে ফাইনাল; আমি খুশিতে গদ্গদ হইয়ে সায় দিলাম।

আমরা পা টিপে টিপে এগুতে থাকলাম রুমের দিকে। যেই রুমের কাছে গেলাম , তেমনি পিছন থেকে বিশাল ধমক…

” এই ছেলেরা, এখানে কি করছো।” পরে শুনেছি ক্যাম্পাসের জাদ্রেল প্রফেসর খলিল স্যার ছিলেন উনি।

”জ্বি না স্যার, কিছুই না।” আমি আওয়াজ দিলাম।

”কিহুই না মানে, তোমাদেরকে আমি অনেকক্ষন ধরে ফলো করছি, হাতে কি দেখি।” স্যার এর ধমকে আমরা তিন জন কেঁদে ফেলছি এর মধ্যে।

”সত্যি কথা বলো, তা না হলে পুলিশ ডাকবো” স্যার এর ধমকে আমরা তখন ভুলে গেছি রুমের মধ্যে কি হচ্ছে।

আমাদের কে নিয়ে যাওয়া হলো প্রক্টর অফিসে। পরে সেখানে সব খুলে বললাম।

বি:দ্র: আমারব্লগে প্রথম প্রকাশ।

 

 

  • ৭ টি মন্তব্য
  • ১৬২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৪ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২১ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৭
comment by: মুহিব বলেছেন: তারপর
২. ২১ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৬
comment by: র‌্যাভেন বলেছেন: চলুক
৩. ২১ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৮
comment by: মৈথুনানন্দ বলেছেন: মন্দ না
৪. ২১ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৯
comment by: মুখোশধারী বলেছেন: প্রেমপ্রীতি ভালোবাসা... বেচারা যুগল., ভালো বাসা নাই ছাত্র জীবনে তাই ভালোবাসা হাটে মাঠে ক্লাশরুমে..
৫. ২১ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:০৫
comment by: তৃিষত বলেছেন: next......
৬. ২১ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৪
comment by: মোঃ মোশাররফ হোসেন বলেছেন: আমরা পরবর্তী পর্বে জন্য অপেক্ষায় থাকলাম। আশা তা বেশি দেরি হবে না।
৭. ২২ শে জুন, ২০০৮ রাত ১:৪০
comment by: টিম সেভেনটিন বলেছেন: চলুক। নিজের সঙ্গেও মিলে যায় অনেককিছু।

 



 


নাম দেখে কেউ যদি আমাকে হিন্দু মনে করে মালুয়ান বলে গালি দেন তাইলে ভুল করবেন।কারন আমি তথাকথিত কোন ধর্মে বিশ্বাসী...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ৩৫৯৬১