আমার ভার্সিটি জীবন-২
২২ শে জুন, ২০০৮ রাত ৮:৪৩
ক্যাম্পাসে ক্লাস শুরু করলাম। সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত ক্লাস।সেমিস্টার সিস্টেমের প্রথম ব্যাচ আমরা, আবার আমাদের ডিপার্টমেন্টের ও প্রথম ব্যাচ। আমাদের ক্লাসে টোটাল ২২ জন ছাত্র ছিলো।
ক্লাসে কোন মেয়ে আছে ছিলো না, কেউ কেউ দেখলাম বলাবলি করছে, ”কিরে, কাহিনী কি? কোন মাইয়া নাই ক্লাসে!”
পরিচয় পর্ব থেকে বুঝার চেষ্টা করলাম কার কার সাথে ভবিষতে দুস্তি হতে পারে। দেখলাম গ্রেটার সিলেট এর মাত্র ৪ জন আছে। এর মধ্যে একজন সিলেট ক্যাডেট কলেজের গালীব, এম,সি কলেজের জাভেদ ও পলক আর আমি হবিগঞ্জ থেকে আমি। আমি আবার বিশুদ্ধ বাংলাতে দুর্বল ছিলাম তাই এদের সাথেই প্রথম পরিচিত হলাম। এর বাইরে সুমন ছিলো ঢাকা কলেজ থেকে, দেখলাম পুলাডার সাথে পরিচিত হওয়া যায়। প্রথম দিন আরেকজনের সাথে পরিচিত হয়েছিলাম ব্রাম্মনবাড়িয়া কলেজের সাকু ।
ক্যাম্পাস লাইফের প্রথম চমক ছিলো ‘হিজ হিজ হুজ হুজ’ নীতি। একদিন আমরা কয়েকজন গেলাম কেন্টিনে চা সিঙ্গারা খেতে। খাওয়ার পর বিল উঠলো ২০ টাকা। আমি টাকা টা দিতে যাবো তখন সুমন বললো, ‘ শুনো সবাই, আমরা সবাই প্রত্যেকে প্রত্যেকের বিল আলাদা আলাদা দিবো।’হিজ হিজ হুজ হুজ’।
আমি এই ‘হিজ হিজ হুজ হুজ’ সিস্টেমের সাথে আদৌ পরিচিত ছিলাম না। জনে জনে ৪ টাকা করে দেওয়াটা আমার কাছে ক্যাম্পাসের প্রথম চমক।
আমার ভার্সিটি জীবন-১
বি:দ্র: আমারব্লগ প্রথম প্রকাশ।
তৃিষত বলেছেন:
চলুক....
জামাল২০০৭ বলেছেন:
একে বলে আমেরিকান সিস্টেম


















