আমার প্রিয় পোস্ট

ali-mahmed.com

সব যুদ্ধ স্টেনগান দিয়ে হয় না।

১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ২:০৭

শেয়ার করুন:                   Facebook




(*সতর্কবাণী: এটা পুরনো লেখা। )

ওই সময় আধুনিক তো দূর অস্ত - ক্যামেরাই বা আমাদের দেশের কয়জনের কাছে ছিল!

নাইব উদ্দিন আহমেদ। যে অল্প ক-জন মানুষ সীমাবদ্ধতার মধ্যেও দূর্লভ কিছু ছবি আমাদের উপহার দিয়েছেন তাঁদের একজন!
একজন মুক্তিপাগল মানুষের সবটুকু শক্তি নিয়ে তিনি মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন, সামান্য একটা ক্যামেরা নিয়ে! স্টেনগানের চেয়েও ঝলসে উঠেছে তাঁর হাতের ক্যামেরা!
একাত্তরের সেই ভয়াবহ দিনগুলোতে তিনি পাক আর্মি এবং এ দেশে তাদের সহযোগী রেজাকার, আল বদর, আল শামসদের চোখ ফাঁকি দিয়ে বর্হিবিশ্বে পাঠিয়েছেন তাঁর দূর্লভ ছবিগুলো।
সমস্ত পৃথিবীর মানুষ জানতে পাক আর্মির নৃশংসতা, বর্বরতা! গঠিত হয়েছে জনমত- বেড়েছে আন্তর্জাতিক ধিক্কার! সব বিশ্ববিদ্যালয় তখন পাক আর্মির টর্চার ক্যাম্প।

একদিন নাইব উদ্দিন আহমেদকে আটকানো হয়। ফটোগ্রাফারের পরিচয়পত্র দেখে পাক আর্মির মেজর কাইয়ুম নাইব উদ্দিনকে বললেন, তুমি কি ক্যামেরা ঠিক করতে পারো, আমার ক্যামেরাটায় সমস্যা হচ্ছে?
নাইবউদ্দিন ক্যামেরাটা দেখেই বুঝলেন, ক্যামেরা ঠিক আছে। শুধু লক অবস্থায় আছে- লকটা খুলে দিলেই হয়ে যাবে, ক্যামেরার লক ওপেন করে দেখলেন, আসলেই ঠিকই আছে এবং ক্যামেরায় ফিল্ম ভরা।

এ সময় তিনি দেখতে পেলেন, এখানে কিছু লোককে বেঁধে রাখা হয়েছে। খুঁটির সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় এলিয়ে পড়ে আছে একজন ধর্ষিতা (ছবি: ২)। কাছেই কিছু বাড়ি পুড়ছে দাউ দাউ করে।
তিনি ক্যামেরা ঠিক করার ছলে, খুব দ্রুত কিছু ছবি তুলে নিলেন পাক মেজরের ক্যামেরা দিয়েই! তারপর আবার লক করে মেজরের হাতে ক্যামেরা ফেরত দিয়ে বললেন, এখানে তো ঠিক করা সম্ভব না- ময়মনসিংহে তার অফিসে আসলে ক্যামেরা ঠিক হয়ে যাবে। পরদিন মেজর নাইব উদ্দিনের অফিসে এলে নতুন একটা ফিল্ম কিনে আগের ফিল্মটা মিছে ছল করে রেখে দিলেন।

সেই দূর্লভ ছবির অনেকগুলো মুক্তিযুদ্ধের ১৬ খন্ডে ছাপা হয়! একাত্তরের সেপ্টেম্বর মাসে নাইব উদ্দিন খবর পেলেন ধর্ষিতা এক তরুণী ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে রয়েছে। কিন্তু ডাক্তাররা তাঁর পরিচয় জানালে চাচ্ছিল না!
নাইব উদ্দিন খেয়াল করলেন, ওয়ার্ডের এক কোনে এক তরুণী বুক ফাটা শব্দ করছে- আধ জবাই পশুর মতো। হাত দিয়ে মাথার চুল ছিঁড়ছে। কোন হুশ নেই। বদ্ধ পাগল। নাইবউদ্দিন বুঝতে পারলেন, এই সেই তরুণী!

ওই অবস্থায় তিনি সেই তরুণীর কিছু ছবি তুললেন (ছবি: ১)। তখন তরুণীটির অমানুষিক, জান্তব চিৎকারে নাইব উদ্দিনের মাথা খারাপের মতো হয়ে গিয়েছিল- তাঁর হাত থেকে ক্যামেরা পড়ে গিয়েছিল। তিনি সেই জ্বলন্ত চোখের কথা ভুলতে পারছিলেন না! অনেকে নিষেধ করল এ অবস্থায় ছবি উঠাবার জন্য।

কিন্তু সেই কুমারী তরুণীটির মা নাইব উদ্দিনের হাত ধরে বলেছিলেন, বাবা, ওর ছবি তুলে বিদেশে পাঠাও। সবাই দেখুক পাকিস্তানীরা আমাদের উপর কী অত্যাচার করছে! নাইব উদ্দিন সে রাতে ঘুমাতে পারেননি। সেই জ্বলন্ত চোখ- সেই অপার্থিব দৃশ্য! তাঁর এক পর্যায়ে হার্ট এ্যটাক হয়ে গেল। পরেরদিন তিনি চিকিৎসার জন্য ইসলামাবাদ চলে যান। সঙ্গে নিয়ে যান তাঁর তোলা ছবিগুলো!

*পাক আর্মিরা যে কোরআন শরীফ পুড়িয়েছিল এ ছবিও তিনি তুলেছিলেন।
**এখানে জনাব, নাইব উদ্দিন আহমেদের ২টা ছবি দেয়া হলো।

*** কৃতজ্ঞতা: আনন্দ রোজারিও।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: মুক্তিযুদ্ধ  বিভাগে ।

 

  • ৪০ টি মন্তব্য
  • ৪৮১ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২৪ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ২:২০
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: এই ছবি যখন আমরা দেখি,আর আমাদের সামনে কেউ কেউ দাবী করে ১৯৭১ এ কিছুই হয়নি,কেউ যুদ্ধাপরাধ করেনি,আমাদের সব ভুলে যেতে হবে,আমাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে পশুদের সাথে,তখন,কেন,আমাদের একবারো ভেতরে বিস্ফোরণ ঘটেনা? কেন আমরা পাগল হয়ে যাইনা?
আমাদেরো কেন হার্ট অ্যাটাক হয়না?
২. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ২:২৩
comment by: হাসিব মাহমুদ বলেছেন: অনেগ্দিন পর বসরে দেখলাম



আর ফারহান দাউদ @উত্তরগুলা আস্তমেয়ের কাছ থিকা শুইনা নিও, যে তুমারে ভাবতে শেখায় ।
৩. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ২:২৮
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: হাসিব মাহমুদ,জানতাম তুমি এইটা কইবা,আফটার অল,জ্ঞানী লুক বইলা কথা,তার উপর আবার,মুক্তিযুদ্ধ তুমি ইজারা নিস মাল্টিন্যাশনাল কর্পোরেটদের পা ধইরা।
যাই হোক,প্রশ্নটা যখন তুললা,উত্তরটাও তোমার পাওনা আসে,মানুষ আর তার আদর্শ আমি আলাদা কইরাই দেখি,মুক্তিযুদ্ধ নিয়া আমি আমার নিজের অবস্থানে ঠিকই থাকি,সেইখানে একজন আস্তমেয়ে কি কইল বা একজন হাসিব মাহমুদ খুশি হইল কিনা,সেটা আমার মুক্তিযুদ্ধের অবস্থানরে টলায়া দিতে পারেনা,কর্পোরেটের পা ধইরা আমি সমাজবাদের কথাও কই না,নিজামীর ফাঁসি চাইতেও আমার আটকায় না। আরো তর্ক করতে চাইলে,মনে হয় এই ব্লগ সেইটার জায়গা না,আমার নিজের মুক্তিযুদ্ধ নিয়া লেখা আছে,সেইখানে আসো,কথা বলি,তোমার কূটনামি দিয়া এই পোস্ট টারে নষ্ট না করি।
৪. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ২:৩১
comment by: আমার নাম মফিজ বলেছেন: মানুষ আর তার আদর্শ আলাদা হ্য় ক্যামনে?

যাউগ্গা, পোস্ট ভাল হইছে।
৫. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ২:৩২
comment by: হাসিব মাহমুদ বলেছেন: হ, আইজকাল শুঞ্চি জামাতিরাও বুদ্ধিজীবি দিবসে ভালোচনা সভার আয়োজন করে । মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সেমিনার সিম্পোজিয়াম করে । ফারহান দাউদও মুক্তিযুদ্ধি নিয়ে পোস্ট দেয় ;)
যাউগ্গা, আস্তার কাছে গিয়া ভাবতে শিখা শুরু করো কে কে মহান নেতা । এইহানে মুখ দিয়ো না । @ ফারহান দাউদ
৬. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ২:৩৪
comment by: রাসেল ( ........) বলেছেন: শুভ প্রকাশ্যমান।
৭. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ২:৩৬
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: হাসিব মাহমুদ,হ ঠিকই,জামাতিরাও মুক্তিযুদ্ধ নিয়া কথা কয় আর কর্পোরেটের ঠ্যাং ধইরা ভণ্ড হাসিব মাহমুদও দেশ নিয়া কথা কয়:) ভাল কথা,মুক্তিযুদ্ধ কবে থাইকা তুমি কিন্যা নিলা যে এইটা নিয়া অন্যে পোস্ট দিতে পারবো না? দলিলপত্র আছে তো নাকি? :)
যদ্দুর খালি চোখে দেখতাসি(আমার ভুলও হইতে পারে,তুমি মনে হয় কর্পোরেট চোখ দিয়া বেশি দেখ),এইটা তোমার পোস্ট না,তো মুখ দিতে মানা করার অধিকারটা তোমার আছে বইলা মনে হয়না,তুমি নিজেরে মুক্তিযুদ্ধের ইজারাদার মনে করলেও আমি তোমার সেই মাতবরি স্বীকার করলাম না,ধন্যবাদ:)
৮. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ২:৩৭
comment by: আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: ছবিদুটো আবারো দেখলাম।
৯. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ২:৪৩
comment by: |জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: এই ছবিগুলো দেখলে মাথায় দাউ দাউ আগুন জ্বলে উঠে, নিজের অক্ষমতায় ইচ্ছা করে নিজেরে গুলি করে মারি|

কি করেছি আমরা 'যুদ্ধাপরাধ' এর বিচার নিয়ে?
১০. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ২:৪৫
comment by: হাসিব মাহমুদ বলেছেন: কর্পোরেটের ঠ্যাং ধরাধরির বিষয়টা এক্টু খুইলা কও শুনি । ক্যামতে মনে হৈলো আমি কর্পোরেটের ঠ্যাং ধরি । @ ফারহান দাউদ
১১. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ২:৫২
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: হাসিব মাহমুদ,তোমার যেমন কোন কারণ ছাড়াই মনে হয় মুক্তিযুদ্ধ নিয়া তুমি ছাড়া আর কারো বিশেষ কইরা আমার পোস্ট দেয়া ঠিক না,একি কথা বইলা আমি তোমারে কর্পোরেটের ধামাধরা বইলা চালাইতে পারি। আর তোমারে আগেই কইসি,ঠিক এই পোস্ট টা আমি তোমার সাথে ক্যাচাল কইরা নষ্ট করতে রাজি না,আজকে মনে হইতাসে তোমার শিংগুলা বেশি নিশপিশ করতাসে,কিন্তু তোমার মত শিংওয়ালা না বইলা আমি এই পোস্টে গুঁতাগুঁতি করতে আগ্রহী না,বেশি নিশপিশ করলে আমার পোস্ট আছে,ঐখানে আসো,এইখানে যারা পোস্টের কনটেন্টে কথা কইতে উৎসাহী তাদের কথা কইতে দাও,তোমার লগে আমার ফাউ তর্কে তাদের কোন উপকার হইব বইলা মনে হয়না।
১২. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ২:৫৬
comment by: নার্ভাস নাইনটিজ বলেছেন: খুব ভালো পোস্ট। প্লাস আগেই দিয়েছি।
১৩. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৩:০৭
comment by: মানবী বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধের সময় নরপশুর দল আমাদের সাথে কি করেছিলো তা আমরা জানি, তারপরও দ্বিতীয় ছবিটি অসহনীয়/ডিস্টার্বিং মনে হচ্ছে।
প্রধম ছবিটিতে মুখ আস্পষ্ট তবে দ্বিতীয় ছবিটি অবমাননাকর মনে হচ্ছে.. আমি নারী বলেই হয়তো এমন খারাপ লাগছে।



ক্যামেরা হাতে যোদ্ধা নাইব উদ্দিনের কথা তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ।


১৪. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৩:১৯
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: আমাগো সামাজিক আর রাজনৈতিক প্রশ্রয়ের ফল আজকের এই প্রকান্ড, সর্বগ্রাসী জামাত।
১৫. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৩:৩২
comment by: ইয়র্কার বলেছেন: একজন মানুষের মুক্তিযুদ্ধের প্রতি বিন্দুমাত্র শ্রদ্ধা থাকলে গোলাম আজমের আডর্শের সৈনিকের ফ্যান কিভাবে হয় এতদিন বুঝতাম না। জামাত মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ গঠনের পরে বুঝতে পারছি। মাহবুব সুমন, ফারহান দাউদরাও তাই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোক।
১৬. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৩:৩২
comment by: নির্বাসিত বলেছেন: এমন কতশত ছবি দেখেছি আমরা, কিন্তু তারপরেও আমরা জ্বলে উঠিনা। আমরা বোধহয় সবাই ভিজে দেশলাই হয়ে গেছি।
লেখাটির জন্য অনেক ধন্যবাদ।
১৭. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৩:৩৩
comment by: ইয়র্কার বলেছেন:

এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী

১৮. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৩:৫৯
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: একজন মানুষের মুক্তিযুদ্ধের প্রতি বিন্দুমাত্র শ্রদ্ধা থাকলে কিভাবে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্যবসা করে বুঝতাম না,আমাদের ২৮ অক্টোবরের ইয়র্কার পার্টিরে দেইখা বুঝলাম। এরাও নাকি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোক!
বি: দ্র: হাওয়াতে শত্রু খুঁইজা লাভ নাই ইয়র্কার,তোমাগো নেত্রী যেমন হাওয়াতে শত্রু খুঁইজা ৫টা বছর ক্ষমতায় থাইকাও ১টা রাজাকারেরও বিচার করে নাই,তোমরা তার চেয়ে ভাল আর কি হইবা? ব্যবসা কর,কিন্তু মুক্তিযুদ্ধটা বাদ দাও,আসলেই রাজাকারের বিচারের ইচ্ছা তোমাগো আছে এমন মনে হয়না,স্টান্টবাজি আর কত করবা? মাহবুব সুমন বা ফারহান দাউদ কেউই মুক্তিযুদ্ধ নিয়া ব্যবসা করতে চাইতাসে না,তাদের শত্রু বানায়া যদি তোমাদের মনে হয় রাজাকারের বিচার হয়া গেল,বানাইতে থাক,আসল রাজাকারের টিকিটাও তো ধরতে পারবা না,তোমাগো দৌড় আর কতদূর!
১৯. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৪:১৬
comment by: নার্ভাস নাইনটিজ বলেছেন: ইয়র্কারের মতো কুৎসিত মনের লোক যদি মুক্তিযুদ্ধের ধ্বজা ধরার চেষ্টা করে, তাহলে বুঝতে হবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পথ ক্রমশ সংকুচিত হবে। মাহবুব সুমন ও ফারহান দাউদ সম্পর্কে তার ঘৃণ্য মন্তব্য সম্পর্কে আর নতুন করে কিছু বলার নেই।
২০. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৪:৪৭
comment by: হ্যারি সেলডন বলেছেন: আহ্‌, আপনি ফিরে আসলেন @প্রিয় শুভ।

খুব ভাল লাগতেছে যে আপনি আবার এসেছেন। পোস্ট পড়ে আমরা সবাই একটু কিছুক্ষণ হা-হুতাশ করব, কিছুক্ষণ রাজাকারদের গালি দিব। তারপরে আবার সব আগের মতই থাকবে। আমাদের আর গন্ডারের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই।

২১. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ৮:৪১
comment by: রাফা বলেছেন: এর চেয়েও জ্বলন্ত এবং জিবন্ত ছবি আমাদের চেতনাকে নাড়া দেয়না ।কারন বাংলাদেশে কিছু কুলাঙ্গার আছে যারা বলে সাইত্রিশ বছর পর নাকি যুদ্ধঅপরাধীদের বিচার চেয়ে জাতিকে দ্বিদাবিভক্ত করা উচিৎ নয় তারা আবার দাবি করে বাংলাদেশী জাতিয়তাবাদি শক্তি হিসাবে।আসুন সবাই মিলে আত্মহত্যা করে এই গ্লাণি থেকে মুক্তি লাভ করি অথবা একাত্তুরের মত গর্জে উঠে সকল যুদ্ধঅপরাধীদেরকে নরকে পাঠানোর বন্দোবস্ত করি।প্রয়োজনে আরেকটি যুদ্ধ করে আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের আত্যত্যাগের প্রতিদান দেই।
২২. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:১৬
comment by: আসিফ আহমেদ বলেছেন: নির্বাসিত বলেছেন: এমন কতশত ছবি দেখেছি আমরা, কিন্তু তারপরেও আমরা জ্বলে উঠিনা। আমরা বোধহয় সবাই ভিজে দেশলাই হয়ে গেছি।

লেখাটির জন্য অনেক ধন্যবাদ।

কষ্টকে শক্তিতে রূপ নেয়ার সময় এখনও শেষ হয়ে যায়নি।
২৩. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:১৮
comment by: সবাক বলেছেন: গুড পোস্ট+
২৪. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:২৯
comment by: রুপার পালকি বলেছেন: নির্মম ।
২৫. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:৪৪
comment by: রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: বাহ এখানে দেখছি পোস্ট নিয়ে আলাপের চাইতে অন্য আলাপই বেশি হচ্ছে!

পোস্টের জন্যে ধন্যবাদ আলী মাহমেদ ভাই।

আর হ্যাঁ, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে নাইবউদ্দিন আহমেদের আরো কিছু ছবি রাখা আছে বোধহয়, দেখে আসার অনুরোধ রইলো ব্লগারদের প্রতি।
২৬. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:৩৮
comment by: কৌশিক বলেছেন: কোন কিছু বলার নাই। এইসব দেখলে নিজেরে রাজাকার ছাড়া আর কিছু মনে হয় না।
২৭. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:১০
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: কিছু বলতে পারছি না।
অনেকদিন পর প্রিয় শুভ ভাই, অনেকদিন পর :(
২৮. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:১৩
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: @ ইয়র্কার,
বাপ-মায়ের বৈধ সন্তান হয়ে থাকলে স্বনামে কথা বলুন। তখন না হয় আপনার কথার উত্তর দেয়া যাবে।
মুখোশের আড়ালে থাকা বড় বড় কথা বলা যে কাউকে কাপুরুষ ছাড়া কিছু বলতে পারি না।

কুকুর কামড়েছে বলেতো কুকুরকে কামড়ানো যায় না ! আমিতো মানুষ :) হাঁ, কথাটা আপনাকেই বলছি।

সুখে থাকুন।
২৯. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:২৭
comment by: কৌশিক বলেছেন: শুভ ভাই, একটা অফটপিক কথা বলি। ব্লগের মুক্তিযুদ্ধ-রাজাকার মিথস্ক্রিয়া রিয়েলিটিতে প্রভাব ফেলে। যেমন আমার কথাই বলি, ব্লগে আসার আগে রাজাকারের সাথে সামাজিক সম্পর্কের বিষয়ে আমার তেমন কোন মাথাব্যাথা ছিল না। পাশের ফ্লাটের রউফ সাহেব জামাতী - কিন্তু সুসম্পর্কই ছিল। ব্লগে রাজাকারদের দেখে এবং তাদের এই সব বক্তব্য সরাসরি দেখার সুবাদে আমার ব্যক্তিজীবনে এর প্রভাব পড়েছে। এখন রউফ সাহেবের সাথে আমার সামাজিক সম্পর্ক নেই। জামাতীদের প্রতি এখন কেবল ঘৃনাই দেখি - বলা যায় ঘৃনা বাড়িয়ে দিয়েছে।

ব্লগের বাইরের জীবনে সামাজিকভাবে সম্পর্কিত জামাত-রাজাকারদের মুক্তিযুদ্ধের অবমাননাকর কোন বক্তব্য দিতে শুনি নাই, কেমন যেন একটু চোরের মত অবস্থান থাকতো। কিন্তু ব্লগে তাদের খোলস উন্মোচন হওয়ায় এখন আমি বুঝতে পারি রউফ সাহেব সুযোগ পেলেই এমন আচরণ করবে, এমন কথাই বলবে।

এদের মুখোশ এরা যত উন্মোচন করবে ব্লগে ততই ব্যক্তিজীবনে প্রতিটা মানুষ জামাত-রাজাকারদের ঘৃনা করতে শিখবে।
৩০. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:৪১
comment by: হ্যারি সেলডন বলেছেন: কৌশিকদা, ঠিক বলেছেন। আমি শুধু এজন্যই সামহয়ারের জামাতি রাজাকারদের কাছে কৃতজ্ঞ কারন তাদের নির্লজ্জতার জন্য অনেকেই জামাতিদের মেনিমুখো শয়তানদের ভিতরের রুপ কত ভয়ংকর হবে সেটা আন্দাজ করতে পারতেছে। অনেকেই হয়ত জামাতিরা কত ভয়ংকর সেটা বাস্তব জীবনে বুঝতেই পারতানা যদি ব্লগে না আসত।
৩১. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৩৯
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: কৌশিকদার সাথে সহমত। ৭১এ দুনিয়ার যত আকাম-কুকাম কইরা অহন দেশের শ্রেষ্ঠ সুত আর সুশীল হইছে।
৩২. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৯
comment by: |জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: কৌশিকদা,
আমার ও ঠিক একই অবস্থা| প্রচুর শিবির-জামাতের লোক আমার পরিচিত, এরা কিন্তু
সামনা সামনি মিয়াও মিয়াও করে|

আমার ব্যাক্তিজীবনে ব্লগের প্রভাব হচ্ছে, এদের সাথে সামাজিক সম্পর্ক প্রায় শূন্য হয়ে গেছে|
৩৩. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫১
comment by: ইয়র্কার বলেছেন: কৌশিকদার সাথে একমত। ব্লগ হোক আর ব্লগের বাইরে হোক রাজাকার সবসময়ই পরিত্যাজ্য।
৩৪. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৬
comment by: ব্রিগেড সিক্সটিন বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম। লেখা চাই আরো বেশি বেশি।
৩৫. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৬
comment by: রুখসানা তাজীন বলেছেন: নাইবুদ্দিনের কথা জানতাম্না। প্রিয়তে।
৩৬. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:১৯
comment by: রাসেল ( ........) বলেছেন: Click This Link
৩৭. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:২৯
comment by: রাসেল ( ........) বলেছেন: Click This Link
৩৮. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:৩৯
comment by: সিহাব চৌধুরী বলেছেন: ঝাপসা চোখে, বাক হারা হয়ে গেছি ।
৩৯. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:৪০
comment by: রাসেল ( ........) বলেছেন: SHARIAR KABIR : “A TRAITOR”
Islamist parties have tended to direct their considerable wrath, in ways that are sometimes very violent, at journalist and human rights advocate Shahriar Kabir. They are objecting to his investigations and campaigns opposing the brutal acts perpetrated on religious minority groups, notably the Hindus.
Kabir was arrested in Dhaka airport on 22 November 2001, while he was carrying written testimony and video tapes of refugees in India who claimed that they had been assaulted in Bangladesh. Kabir was accused of "treason" - a charge that can incur the death penalty. On 20 January 2002, after his release on bail, Islamist leaders expressed violent criticism of the journalist and demonstrations took place in several of the country's cities.
৪০. ২০ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১:১৫
comment by: শুভ বলেছেন: নাইব উদ্দিনদের মত মানুষদের নিয়ে এখন আর খুব একটা স্মৃতিকাতর হই না আমরা, ক্রমশ ভুলে যাচ্ছি। এই মানুষটাকে নিয়ে তেমন করে লেখা চোখে পড়ে না আর।
এই পোস্টটায় আমি যেটা বলতে চেয়েছিলাম, মুক্তিযুদ্ধ বিশাল একটা ব্যাপার- এখানে কারও কৃতিত্ব ছো্ট করে দেখার উপায় নেই। একেক জনের যুদ্ধ করার ভঙ্গি একেক রকম।

সবাইকে অশেষ ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

 



 


লেখালেখির ভূত, রাস্কেলটাকে খুঁজছি। পেলেই হয়, আছাড় দিয়ে 'পেটা' গেলে ফেলব।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১৬৯৭৯