সহজ মানুষ ভৈজে দেখ নারে মন দিব্য জ্ঞানে, পাবিরে অমূল্য নিধি বর্তমানে।

নারী অধিকার (দুই): ধরুন বাংলাদেশের নাম এখন থেকে, "নারীতান্ত্রিক গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।"

৩১ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫১

শেয়ার করুন:                   Facebook

সকালে ঘোষন করা হলো এখন থেকে দেশে পুরুষ শাসিত শাসন ব্যাবস্থা চলবে না। এখন থেকে নারী শাসিত শাসন ব্যবস্থা চলবে। অর্থাৎ পুরুষরা আগে যা করতো তা এখন থেকে নারীরা করবে এবং নারীরা যা করতো পুরুষরা এখন থেকে তা করবে, তবে সন্তান ধারণ করা ছাড়া। কারণ এটাতে কারও কোন কিছু করার ক্ষমতা নেই যেহতু। সকালে দশজন পুরুষ উপদেষ্টা নয়জন নারী উপদেষ্টার কাছে ক্ষমতা অর্পন করেছেন এবং একজন নুতন পুরুষ উপদেষ্টা নেয়া হয়েছে। কারণ বর্তমানের এগারজনের মধ্যে যেহেতু একজন নারী ছিল সেহেতু এখন একজন পুরুষকে নিয়ে নারী পুরুষের ব্যালাস এইভাবে ঠিক রাখা হয়েছে।

সকালে ঘোষনা শুনে আব্দুল কুদ্দুস এবং তার বউ মাথায় হাত দিয়ে চিন্তা করছে, এটা কি হইলো? কুদ্দুসের বউ বলে, "ও আবুলের বাপ, এইটা কেমুন কতা? পুরুষের কাম মাইয়া মানুষ করবো, আর মাইয়া মানুষের কাম পুরুষ মানুষ করবো? কিছুই বুঝলাম না তো।"

কুদ্দুস বলে, "বুঝলা না? কেন নারী আন্দোলনের মিছিলে যে প্রায় প্রায় যাইতাছো আর কইতাছো, নারীর সমান অধিকার চাই, নারীর সমান অধিকার চাই। এই লাইগা পুরুষেরা কইছে সমান অধিকার নেওনের দরকার নাই, এখন থেইকা পুরুষ নারীর কাম করবো, আর নারীরা পুরুষের কাম করবো। সরকার এই ডিসিশন লইছে। বুজচ্চো? এখন থেইকা আমি ঘরে বইসা রান্না বাড়ি করুম আর পুলাপান সামলাইমু আর তুমি রিক্সা চালাইয়া কামাই কইরা আনবা এবং আমাগো খাওয়াইবা। কি, বুঝবার পারছো?"

পুরাটা শুনার পর কুদ্দুসের বউ বলে, "ওহ এই কথা? যাক আপারা আন্দোলন কইরা আমাগো লাইগা ভালই করছে। তার মানে এখন থেইকা তুমরা হইলা আমাগো অধীন, যেমুন এতদিন আমরা ছিলাম তোমাগো অধীন। তাই তো?"

কুদ্দুস তার বউয়ের কথার উত্তরে বললো, "হ, এখন থেইকা আমরা তোমাগো অধীন। তয় কথা আছে, আমরা পুরুষরা যেমুন নারীগো সব সুযোগ সুবিধা পুরণ কইরা আইছি এখন থেইকা তুমরাও আমাগো সব সুযোগ সুবিধা পুরণ করবা। এই যেমুন খাওয়া-দাওয়া, কাপড়-চোপড়, চা, বিড়ি, পান যা লাগে তাই দিবা। বুঝবার পারছো তো? লও এখন আর কথা কইয়া কাম নাই বেলা উঠছে, রিক্সাটা লইয়া বাহির হও।"

কুদ্দুসের বউ রিক্সাটা নিয়ে বাহির হলো রাস্তায়। কুদ্দুস রিক্সা নিয়ে ফেরত আসলে সে মাঝে মাঝে খালি রিক্সাটা চালানোর চেষ্টা করতো। সেই সুবাদে তার রিক্সা চালানোর অভ্যাস আছে। রাস্তায় এসে দেখে চারিদিকে মেয়ে মানুষে ভর্তি, কোন পুরুষ মানুষই নজরে আসছেনা। খালি রিক্সাটা নিয়ে কিছু দুর এগুতেই একজন ডাক দিল, "এই রিক্সা মতিঝিল যাবে?" কুদ্দুসের বউ তার সামনে গিয়ে রিক্সা দাঁড় করালো এবং বললো, "হ আপা যামু, দশটাকা লাগবো।" রিক্সা নিয়ে বের হবার সময় কুদ্দুস তাকে ভাড়ার কথা বলে দিয়েছিল। দুইজন মহিলা তার রিক্সায় উঠে বসলো।

এখন দুই প্যাসেঞ্জারের ওজন নিয়ে কুদ্দুসের বউ রিক্সা আর নড়াইতে পারে না। কিছুদুর পর্যন্ত টানতে টানতে নিয়ে আসলো। এদিকে প্যাসেঞ্জারেরও তাড়া। প্যাসেঞ্জারও কিছু বলতে পারছে না কারণ এটা ছেড়ে অন্যটা ধরবে, সেটাও মেয়ে রিক্সাওয়ালা। গেলেতো একই অবস্থা হবে। কি আর করার, চুপচাপ বসে থাকলো। কুদ্দুসের বউ তার মত করে কিছুক্ষন পেডেল মেরে আবার কিছুক্ষন হাতদিয়ে টেনে রিক্সা নিয়ে চললো। যাহোক এক সময় গন্তব্যে এসে পৌঁছে। এইভাবে সারাদিনে সে যা কামাই করলো তাতে দাঁড়লো এই যে, রিক্সার ভাড়া মিটেয়ে তার কাছে টিকে মাত্র আঠাশ টাকা।

এখন কুদ্দুসের বউয়ের মাথায় হাত। এই আঠাশ টাকা দিয়ে কি হবে? তার তিনটা ছেলে মেয়ে, স্বামী আবার সে। কিভাবে এই আঠাশ টাকা দিয়ে তাদের পেটের ভাত জুটবে? তার চোখ দু'টো দিয়ে যেন ঝরঝর করে পানি বেরিয়ে আসলো। সে বাসায় এসে তার স্বামীর হাতে তার কামায় করা আঠাশ টাকা তুলে দিল। কুদ্দুস গণে দেখে আঠাশ টাকা। সে তো রেগে-মেগে টগবগ। সে বললো, "এই আঠাশ টাকা দিয়া কি হইবো?" ওর বউ উত্তরে বললো, "আইজকা মাফ কর, কাইল থেইকা বেশী কামাই কইরা আনুমনে।" যাক প্রথম দিন বলে কুদ্দুস আর কিছুই বললো না।

রাতে খাওয়া দাওয়ার পর ঘুমাইতে গেল তারা। অবশ্য রান্না-বান্না সব কুদ্দুসেই করেছিল। মাঝরাতে এখন কুদ্দুস তার বউরে কাছে টেনে নেয়, কারণ সারাদিন সে বাসায় বসেই ছিল বলা যায়। শরীরটাও অনেকদিন পর একটু রেস্ট পাওয়াতেও যেন ঝরঝরা হয়ে আছে। সে প্রথম থেকেই ভেবে রেখেছে আজ মজা করে কাজ করবে। কিন্তু যখন সে তার বউকে কাছে টানতে গেল তখন তার বউ সম্পুর্ণ রূপে ঘুমিয়ে পড়েছে। ঘুমাবেইবা না কেন, সারাদির রিক্সা চালিয়ে পরিশ্রান্ত হয়ে পড়েছিল। কিন্তু আজ কুদ্দুস ছাড়ার বান্দা না। সে তাকে ডেকে তাকে তুললোই এবং তাকে কাজের প্রস্তাব দিল। কিন্তু তার বউ কোন ভাবেই রাজি না। সে কুদ্দুসকে বুঝানোর চেষ্টা করছিল যে সে ক্লান্ত। কিন্তু কুদ্দুসের একই কথা, "না করা লাগবোই, আমিও রিক্সা চালাইয়া আইছি, তারপর যদি আমি তোর জৈবিক ক্ষুধা মিটাইতে পারি তাহলে তুই পারবি না কেন। ক্লান্ত হইলে চলবো না। আমার খায়েস তোমারে পুরণ করন লাগবো, এটা তোর দায়িত্ব।" কুদ্দুসের বউ ভেবে দেখলো, এতোদিনে তার স্বামী তো কোন দিন না করে নাই, যত ক্লান্তই হোন না কেন। সে তার জৈবিক ক্ষুধা মিটিয়েছে। আবার সকাল হলে সে কাজে চলে গিয়েছে। তাহলে এখন থেইকা আমারেও তা পুরণ করতেই হইবো। কি আর করার কুদ্দুসের কাছে তারে হার মানতেই হলো।

রাতে কুদ্দুসের জন্যে ওর বউয়ের তেমন ভাল ঘুম হয়নি। তারপরেও রক্ষা নেই কাজে তো যেতেই হবে। তাড়াতাড়ি গোছলটা সেরে একটু পান্তা ভাত মুখে ঠুসেই রিক্সা নিয়েই দৌড় দিল। এমনিতেই গতকালের ক্লান্তি এখনও শরীর থেকে যাইনি, তারপরে রাতে ভাল ঘুম না হওয়াতে আজও তার কামায় ভাল হয়নি। রিক্সার ভাড়া মিটিয়ে ছাব্বিশ টাকা বেচেছে। রিক্সা রেখে এসে বস্তিতে ঢুকতেই দেখে সব ঘরে মেয়েরা হাউমাউ করে কাঁদছে। সে প্রথমে বুঝ উঠতে পারেনি। একজনরে জিজ্ঞাসা করলো, "ভ্রাপর কি? সবাই এইভাবে কাঁদতাছে কেন?" তার উত্তরে বললো, "মাইয়া মানুষগুলা কামায়ে গিয়া কেউ ভাল কামায় করবার পারতাছে না তাই।" তাদের রূমের পাশের রূমের মহিলাও একই ভাবে কাঁদছে। কারণ তার স্বামী ইট ভেঙ্গে খোয়া তৈরীর কাজ করতো। দিনে সে বিশ থেকে বাইশ সিএফটি খোয়া ভাঙ্গতে পারতো, তাতে তার কামায় হতো একশ বিশ থেকে ত্রিশ টাকা প্রতিদিন। কিন্তু এই দুই দিনে তার বউ পাঁচ থেকে ছয় সিএফটি খোয়া ভেঙ্গেছে। তাতে পেয়েছে ত্রিশ থেকে পঁয়ত্রিশ টাকা। এতে সংসার চলবে কি করে, এই নিয়ে কান্নাকাটি শুরু হয়েছে। বস্তির প্রায় ঘরেই একই অবস্থা, তাই ঘরে ঘরে কান্নাকাটি। কানতে কানতে তারা এখন বলে, "চাই না আমাগো মাইয়া মানুষের অধিকার, আমাগো পুরুষেরা যা করবো, যেমনে রাখবো তাতেই আমাগো সুখ। আমরা পুরুষেরই অধীনে থাকবার চাই। চাইনা মাইয়া মানুষের অধিকার।

কুদ্দুসের বউ আস্তে আস্তে এসে তার পাশে বসলেঅ এবং তার হাত থেকে ছাব্বিশ টাকা বের করে দিল। সেও ধিরে ধিরে তার মাথাটা কুদ্দুসের ঘাড়ের উপর রেখে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগলো। কুদ্দুস তারে কোন কথা বললো না।

 

 

  • ১২ টি মন্তব্য
  • ২০১ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৩ জনের ভাল লেগেছে, ১৩ জনের ভাল লাগেনি
১. ৩১ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:০১
comment by: পথ হারা পথিক বলেছেন: + দিলাম
কঠিন লিখছেন
২. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩২
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: এটা নাটক লিখে ফেলুন... মজার হবে সন্দেহ নেই....
০১ লা আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:১৭

লেখক বলেছেন:
আপনার খোঁজে কোন নাট্য প্রযোজক থাকলে পাঠিয়ে দিয়েন। ইমেইল এড্রেস তো জানাই আছে।

৩. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪৭
comment by: লুকার বলেছেন:

দু:খের সাথে জানাচ্ছি যে আপনার চিন্তা ভাবনা খুবই অপরিপক্ক।
০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:১৮

লেখক বলেছেন:
এই ধরনের মন্তব্য করার জন্যে আপনার আর কতগুলি নিক আছে? সবগুলি দিয়েই এরকম মন্তব্য করতে পারেন। এই মন্তব্যটাই যদি করবেন তাহলে আসল চেহারা নিয়ে এসেই করতে পারতেন, নাকি তাতে লজ্জা লাগতো? যা বলতে লজ্জা পান তা বলতে যান কেন?

মন্তব্যই যদি করতে চান তাহলে লেখার অসঙ্গতিকে তুলে ধরে তা ব্যাখ্যা দেন? নাকি সেটা বলার জন্যে আপনাকে আমি ঝাটা পেটা করবো? নিচে আপনার নিকের পরিসংখ্যান দিলাম। যে কেউ দেখলেই বলবে এটা কোন হিজড়ার নিক, নিজের আসল চেহারা গোপন করে শুধু অযৌক্তিক মন্তব্য দেয়ার জন্যেই এটা।

ব্লগার পরিসংখ্যানপোস্ট করেছেন: ২টি
মন্তব্য করেছেন: ৮৫টি
মন্তব্য পেয়েছেন: ৯টি
ব্লগ লিখছেন: ১ মাস ৩ সপ্তাহ
ব্লগটি মোট ৫৬৪ বার দেখা হয়েছে

০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:১৯

লেখক বলেছেন:
এতই পরিপক্ক চিন্তাবিদ তাহলে আসেন প্রত্যক্ষ বাহাসে? দেখা যাবে কার চিন্তার দৌড় কতদুর।

৪. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৫৩
comment by: লুকার বলেছেন: হু।
এখন বোঝা যাচ্ছে আপনার মাথাটাও মোটা।
আপনার সমস্যা আপনি ধরতে পারেন নি।
আপনি ধরে নিয়েছেন আপনাকে আমি অপ্রাসঙ্গিক ভাবে কটু মন্তব্য করেছি।

ছেলেরা খালি গায়ে থাকে, মেয়েরাও থাকবে; ছেলেরা দাঁড়িয়ে হিসু করে, মেয়েরাও করবে, ছেলেরা রিক্সা চালায়, মেয়েরাও চালাবে- সমানাধিকার বলতে আপনি এরকমই বোঝেন। এগুলি ছেলেমানুষি অপরিপক্ক ও অশিক্ষিতদের চিন্তা ভাবনা, সেটা আপনি বুঝতেও পারছেন না।

নিক নিয়ে কি মনে করে প্রশ্ন তুললেন? আর পরিসংখ্যান তুলে দিয়ে কি বোঝালেন তাও বুঝলাম না। এই ব্লগে অনেকেই আমাকে চেনে। আপনি চাইলে আমার সাথে দেখা করে যেতে পারেন। তবে আপনার বিদ্যাবুদ্ধির যা নমুনা দেখলাম, তাতে আপনার সাথে পরিচিত হওয়ার আগ্রহ পাচ্ছি না।
০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:১২

লেখক বলেছেন:
ভাই সম্মানীয় ব্যক্তি মহোদয়, আপনি সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তি তাতো আপনার নিকে লিখা নাই। তবে আপনি যদি সম্মানীয় ব্যক্তিদের কেউ হন তাহলে বেহুদ্দার মত মন্তব্যটা না দিয়ে আলোচনা করতে পারতেন।

আমার এই পোস্টা লেখার উদ্দেশ্য হলো এক নারী মহোদয় আমাকে অন্য একটি ব্লগে এই একই পোস্টের উত্তরে বলেছিলেন "পুরুষ এবং নারীর কাজের এবং অধিকারের অবস্থানটা যদি পরিবর্তন করে দেয়া যায় তাহলে পুরুষ বুঝতে পারতো, নারীর বর্তমান অবস্থান"। আমি সেটাই পাল্টিয়েই কাহিনীটা রচনা করেছি। পুরুষ যা পারে নারী তা পারে না এটাই বোঝানোর জন্যেই। তো সম্মানীয় মহোদয় এখন বুঝতে পেরেছেন আমার এই পোস্টের রচনার উদ্দেশ্য? এই প্রশ্নটা যদি আগেই করতেন ভদ্র ভাবে তাহলে এত কথার কোন দরকার ছিল না এবং আমাকে আপনার নিকের পরিসংখ্যানও কষ্ট করে বের করে মানুষকে জানাতে হতোনা। কেন পরিসংখ্যান দিয়েছি এটাও কি এখন ব্যাখ্যা দিব? না থাক একটু চিন্তা করে পরে জানায়েন। ধন্যবাদ।

৫. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৪৮
comment by: সায়েন্স জোন বলেছেন: +++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++

আমি বুঝি না...........
এমন জটিল সুন্দর ও জোস একটা লেখাকে মানুষের পেটে জন্মানো মানুষ কিভাবে মাইনাচ দেয় ???????????

+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৫৮

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।

৬. ০২ রা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩২
comment by: পথ হারা পথিক বলেছেন: লেখক বলেছেন:
আপনার খোঁজে কোন নাট্য প্রযোজক থাকলে পাঠিয়ে দিয়েন। ইমেইল এড্রেস তো জানাই আছে।
------------------------------------
NTV তে নাট্যকার /গল্পকার হান্ট চলছে আপনি NTV তে পাঠিয়ে দিন
০৩ রা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:০৭

লেখক বলেছেন:
আমার সাথে যোগাযোগ করতে বলুন। ধন্যবাদ।

 



 


পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ৪২৩৫০