_________________সেলাই গাছের কারখানা _______________________________________

কবিতা সময়ের পাঠ নাকি সময়কে পাঠ করা?

২৩ শে মে, ২০০৯ সকাল ৭:৪৯

শেয়ারঃ
0 0 0

কবিতা সময়ের পাঠ নাকি সময়কে পাঠ করা? সৈয়দ আফসার

অতিপ্রতি কল্পনার মতো বিরহ কাতর দিনে একা ফ্রেশইয়ার গায়ে মাখবো বলে হাঁটতে-হাঁটতে ওভার-ব্রীজের সরুহাতল চেপে গা হেঁলিয়ে দাঁড়াই, দৃষ্টি গুলিয়ে ফ্রেশইয়ারের সাথে দৃষ্টি বিনিময় করি, বৈরী আবহাওয়ার সাথে দিনের তরতাজা স্মৃতি ধরে রাখবো বলে এত যে মাখামাখি! কখনও চোখ বুঁজে, গা চেপে শিহরিত করে, তাকে কল্পপ্রীতি ভেবে বন্ধু হতে বলি! একসাথে ডিনার খাবো, মিডনাইট বাতি নিভিয়ে দীর্ঘ ঘুমের আবেশে এককাঁথায় শোবো.. জানালার কাচ ভেদ করে সকালের সূর্য্যে আমাদের জাগিয়ে তুলবে, আমরা স্নান করবো; তুমি স্যন্ডউয়িচ তৈরি করবে আমি ফ্ল্যাক্স অন্ দেবো চা বানাবো। কিছু বললে না শুধু ছুঁয়ে গেলে নীরবতায় আমার প্রয়োজন হল ধৈর্য্য। আজকের দিনটা ভাল রোদ-যৌবণা, পারসোনালি আমার। দূরে গেলে ফিবরে না সহসাই... তাই ছায়ার সাথে দেহের পুরনো সখিত্ব একই আগ্রহে বাড়ছে, মনে হয় দৃষ্টিরুচি।

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস এক সাক্ষাৎকারে, মানবসভ্যতার অগ্রগতি হচ্ছে কিনা?--এরকম একটি
প্রশ্নের উত্তরে বলেছিলেন--দিনদিন তো আমাদের শব্দাংক বাড়ছে।শব্দের ক্রমপ্রবৃদ্ধির অর্থই মানবসভ্যতা এগিয়ে যাচ্ছে। কেননা প্রতিটি শব্দই হচ্ছে একটি একটি নতুন আইডিয়া। আর নতুন আইডিয়া মানেই অগ্রগতি।শঙ্খ ঘোষের সেই বিখ্যাত উক্তি--নতুন শব্দ নয় শব্দের নতুন সৃষ্টি এসব শব্দ, শব্দকথা সারা দিনের ক্লান্তিহীন কাজের ফাঁকে মাথায় ঘূণপোকার মতো হাঁটে। রাতে যখন কিছু লিখতে বসি বারবার নিজেকে প্রশ্ন করি? কেন যে এখনও আমি দু'এক লাইন লেখার চেষ্টা করি! নিজের ভেতর কী এমন সুপ্তকাঙ্খা লুকানো শবদেহ যেন[sbমদনকুমার! চেতনে-অচেতনে কি এমন গুপ্তকথা আমাকে লুকিয়ে লুকিয়ে ভাবায়, দৃষ্টির শূন্যবোধ ছাড়া কি এমন ধরে রেখেছি যে, এপিঠ ওপিঠ ছিঁড়ে-ছেনে দোলায়-উৎরায়...
আমি তো জেনেছি চেয়ে থাকলে চোখের সৌন্দর্য বাড়ে না স্পর্শও করা যায় না, যদিও সকল কল্পনার ভেতর জন্ম নেয় ব্যক্তি শরীরহীন কিছু অভিমান। নিজের ভেতর লুকিয়ে থাকা কাঙ্খাগুলি নিজের জন্য লিখি পূর্ণবার পড়ে আনন্দ লাগে, নিজেকে আয়নার ওপাশে দাঁড় করাই নিজেকে কবি করে তোলার সাধ সারারাত জেগে থাকে, কিন্তু আমার তো শেষের কবিতার লাবণ্য নেই, নেই জীবনান্দের বনলতা সেন, বিনয়েরগায়ত্রী মঈন চৌধুরীর পরিনেই, মোস্তাক দীনের পড়শিও কাছে নেই... বৃষ্টি ছাড়া আমার আর কিছু নেই। কিন্তু কবিতার পরতে পরতে তুমি...

কবিতায় তুমি-টা আসলে কে?

না!... কিছুই জানি না; নিজের ভেতর যৌনতা ছাপিয়ে যৌবণ পান করা কী এক বিষাদময়ী অজানা দীর্ঘশ্বাস নিরুপায় কাঁদে, পলে অনুপলে অন্ধকার নামে আত্ন-বিশ্বাসে; ঘুমকুয়াশা রাতে ঝরাপাতার শব্দগুলো অবিশ্বাস্যরকম আবেগি করে তুলে; কি রকম একধারণা মনোজগতের সন্নিকটে কেঁপে ওঠে; স্বপ্নলোক বাতাসেও হারায় দুঃখ মনে হয় স্পর্শহীন নিঃসঙ্গী। তখন কেন জানি মনে হয় কিছুই জানে না শোকপাখি, শীতের আড়ালে বরফঢাকা মুখগুলো লজ্জাকাতর; একাকিনী। সুখে দুঃখে আমি অতিসাধারণ, শীতে বুকে কাঁপন তুলে নিয়ত ঠেলে যাচ্ছি জীবন, আর প্রতিটি শব্দের সাথে মিশে যাচ্ছে দু-চোখের আবেগ। বলতে পারো মৌনবিষাদ। সংশয়ের ভেতর লুকিয়ে গেছে আপন মুখগুলো ভাবলে মনে হয় ছুটির দিনে এই বুঝি হারালে কেউ সুনসান দুপুরে বৃষ্টির জল ছুঁয়ে। কিন্তু কেনো?...

মন তুমি কিছুই যান না, লাজে বিলাজে শুধু কাঁপো নিঃঝুম প্রাণে। ছদ্মভেসে শূন্যতা জাগিয়ে তুলো প্রাণে, মনেই পড়ে না হৃদকন্ঠবুকে কখন রেখে ছিলে ঋণ বসন্ত না শীতে। দু’হাত পেতে রাখি উষ্ণতায় থেঁতলে যাওয়া রোদে; যদি ছায়াতে খুঁজে পরিত্যাক্ত জিজ্ঞাসা... পুরোটাই পাবে। শুধু দূরত্ব এটুকু যে স্থানে এসেছি গ্রীষ্ম-বসন্ত বলতে কিছু নেই, পাইনি শিউলি ফুলের ঘ্রাণ পাখির কলতান জোনাকি পোকা কিংবা ঘাস ফড়িংয়ে সন্ধান। পাইনি পাকা ধানের ঘ্রাণ...নেই ঘরে ঘরে নবান্ন উৎসবের আমেজ; অলি-গলি চোখে পড়ে না মেঠো পথ ধরে হাঁটা হয়নি কতদিন আমাকে ছেড়ে সন্ধাকাশে মিটমিট্ আলো হাসছে সোডিয়াম বাল্বে মিশে । চোখের জলে গলে না লবণ, বরফ গলে না রোদে মিশে ওই শীতের দেশে; কিভাবে বাঁচি? ভেবে মাছ মাংসের ঘ্রাণে ঠোঁট চেপে হাসি, অর্ধাংশ কল্পনা হালকা করে দশনোখে রাখি; জিজ্ঞাস করো-রে মন? কোনো পরবাসি...! কেউ জানে না তোমার এড়িয়ে চলার দ্বিধা গুছিয়ে রেখেছি তীব্র যন্ত্রণায় হাড়কাঁপা কুয়াশার ফাঁকে। কাউকে বলবো না কলহসুখগুলো রেখে তুমি কীভাবে পাড় হও সাঁকোহীন নদী, নদী পাড়ের গ্লানি। নদীর চোখে ঝুকে পড়া মেঘ সেজে বৃষ্টি হও, তোমাকে প্রণাম দেবো জলহীন তরীদাহ! যেখানে জল দেখে তৃষ্ণার্ত তুমি; কে তোমাকে অঙ্গুরি ছোঁয়াবে গভীর টানে।

না! তোমাকে বলবো না ওই যে দাঁড়িয়ে আছি অপেক্ষা করছি তোমার হেঁটে যাওয়া পথে, না হয় কল্পনায় জড়িয়ে রাখুক খুঁটে-খুঁটে দেখুক মাটির যন্ত্রণা। কাঁকনের শব্দ হৃদকম্পন জাগে আজ ঘুঙুরের শব্দ দু’পায়ের ফাঁকে বাজে তাও কম কিসের; ছোট্ট বেলার সেই লুকোচুরি খেলার ছলে কৌশরে পেয়েছি বৃষ্টির দোলা এখন শুধু স্মৃতির আকরে ব্যথা পাবে কষ্টপাথরের বুকে।
আর ওই সব স্মৃতি এখন প্রদীপে জ্বলে না, বহুদিন পর সব নিষেধ ডিঙিয়ে স্বপ্ন হয়ে জড়ায় রাত্রিশেষে, বালিশের পাশে। বুঝতে পারি না কি বলবো অন্যভাবে... গতরাতে যা পেলাম যদি তোমাকে বলি, শুনবে তো?... সোডিয়াম আলোয় ওই সারি সারি অপরিচিত গাছের প্রেমাঘাতে শুনে কিছু পাতারও আসক্তি জাগালো। সিগারেটের অবশিষ্ট অংশের মতো কিছু শুকনো ডালপালার তৃষ্ণা ছড়িয়ে পড়ল গাছের মূলে। সে দিন ওই স্মৃতিকে বলছি যদি ফিরে এসো সমস্ত নিঃশ্বাস বন্ধ করে এসো... কিন্তু তুমি নিঃশ্বাস বন্ধ করে আছো আশ্বাসের ভেতর, কিছুই বলবো না কিছুতেই হাঁটতে যাব না ওই দিগন্তশোকে হয়ত হাঁটতে হাঁটতে বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামবে ফাঁড়ি পথ ধরে রাত্রিশেষে বাতাসের মর্মর সুর চিরায়ত নিয়মে ভেঙে যাবে ঘুম চেনা সেই কাক ডাকা ভোরে...

সারারাত পাহারায় থেকে নিজের পোষা কুকুরটিও ঘুমিয়ে যাবে বারান্দার একপাশে।

মন তাড়া করে হারানোর ভয়, দায়িত্বও বেড়ে যায়; কিন্তু বুঝে ওঠতে পারি না কি কারণে দু’চোখে ভাসে করুণস্মৃতি আনমনের দায়বদ্ধতা। বলবো না চার-দেয়ালর ভেতর ফায়ারপ্রেসে যদি অনুভূতিগুলো কাঁদে, কাঁদুক ছুঁয়েও দেখবো না; যদি বলি বরফের দেশে এই তো বেঁচে আছি তোমার মত হিম বাতাসে শরীর ঘিরে রেখেছে নিবিড়তা,রূঢ়তা, না-ফোটা সীমাবদ্ধতা। স্বভাব দোষে রাতের কথাগুলো শুয়ে পরে বালিশের পাশে, কেবল মশারি টাঙানো যায় না। বিচানাকে বলি থাকে তুমি গোপন কথাগুলো বলো; সহায়তা করো; শাসন করো না। সুখে-দুঃখে আলোড়িত করো সেও একদিন হতে পারে চিরসখা ... মনের ভেতর সারাক্ষণ গুনগুনিয়ে নিভৃতে যে সকল স্মৃতি-বিস্মৃতি মনকে দোলায়িত করে সে সকল স্মৃতিকে ভাব-ভঙ্গিমায় প্রকাশ করার জন্য সুর ও ছন্দের পথে হেঁটে হৃদকোষে এক ধরনের বিক্রিয়া সৃষ্টি করে তা থেকে দু’একটি লাইন লেখার তাড়না জাগিয়ে তুলে হয়ত তাই কবিতা। ওঠা আমার ব্যক্তিগত ধারণা। দু’একলাইন যা লিখি নিজের জন্য লিখি ভবিষ্যতে স্মৃতি জাগাবো বলে; তারচে’ বেশি জানি না

কোন পথ ছুঁব আগে পাপ না পুণ্যের, পুনঃপুন উদ্দেশ্য-নির্দেশ-উপরোধ বলা যায় প্রযোগ। ধর্মের জ্ঞানে পরোক্ষ ভাবে পুণ্যতার দিকেই মন প্রাণ ধাবিত করে কিন্তু কবিতা রহস্যের জালে পুড়ে হৃদয়ের অন্তঃপুরে কৌতূহল জাগায়। সে সব কথাগুলো ভাবলে অন্তরের গ্লানি ঘুচে না, বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামে আহত দেহে নামে বিন্দু-বিন্দু নীরবতা। সকাল হলে ভুলে যাই রাতের সবটুকু ভাল লাগা। ইশারা ইঙ্গিতে কিছুই স্বরণে আসে না, রোদ থেকে ছায়াও গড়িয়ে নামে; ডানাহীন জলপ্রীতিআলোহীন অন্ধকারহীন বল-বীর্যহীন শাশ্বতের উচ্চাশাহীন বিজ্ঞানহীন শূন্যআরএককহীন মিথহীন সময়হীন আশাহীন ব্যাপ্তিহীন স্পেসহীন মাত্রহীন মুখহীন ভূগোলহীন অতীবর্তভবিষ্যহীন দেহের সান্ত্বনা। কবিতা ছাড়া আর কোনো পথে হাঁটতে জানি না মাকে ভালবাসি যে গর্ভে প্রাণ দিয়েছে মা...। কিন্তু মা কবিতা পছন্দ করে না, মা বলেন যে সময়টুকু কবিতার পেছনে ব্যয় হলো যদি এই সময়টুকু মসজিদে নামাজ পড়ে ব্যয় করো, তাহলে পরকালে তার ফল উপভোগ করতে। কিন্তু মাকে বুঝাতে পারিনি এই সব ধরা বাঁধা নিয়ম আমার ভাল্লাগে না, সবার উপরে মানবতা তারচে’ বেশি বলবো না। মাকে বলতে পারি না ক্ষুধার্ত মানুষগুলোর মুখের দিকে তাকালে হুহু করে কেঁদে ওঠে বুক, কনকনে শীতের রাতে যারা কাগজ জ্বালিয়ে রাত কাটায় তাদের কথা কে শুনে; যারা রিস্কা ঠেলে ঠেলাগাড়ি চালায় নৌকা বায় বৈঠার বাইনে বাইনে শ্বাসকষ্ট পোড়ায়, মনের সুখে গলা ছেড়ে গান ধরে, তাদের পানে মন চলে যায়। এসব স্বরণে এলে লতা-পাতার মতো বোবা হতে থাকি স্বর্ণলতা পরাগাছা সেজে, দেহ ছেড়ে সেও চলে যাবে একদিন সব মায়া ভুলে চিরস্থায়ী ঘুমে। ছোট্ট সেই পিঁপড়েরও স্বাধীনতা থাকে তার পথটুকু সে নিজেই অতিক্রম। কিন্তু আমি... আমার পথটুকু অতিক্রম করতে পারিনি, যেমন তুমি পেরেছো; তোমার মত করে সাজিয়েছো যেন পত্রলিপিতে কেঁপে ওঠা সাড়ে তিন হাত শাদা কল্পনা। কবিতা যে আমার প্রাণে মিশে গেছে, যদি বেঁচে থাকি কবিতা নিয়েই বাঁচবো। কবিতা পাঠে সময় নষ্ট হয় না, কবিতা সময়ের পাঠ নাকি সময়কে পাঠ করা? তাও জানি না। এই যে স্বেচ্ছায় নির্বাসনে... নিয়তির দোষ দেব না। বাংলা কবিতা দেশে নেই, কোকিল-শ্যামা-দোয়েল পাখির কলতান নেই, মুক্তবিহঙ্গে ঝাঁকে ঝাঁকে উড়াউড়ি করে না শীতের অতিথি পাখিগুলো, গোলাপ-জবা-বেলী-রজনীগন্ধা কিংবা চ্যামেলি ফুলের ঘ্রাণ খুঁজে পাই না, ওই লাল-শাদা-বেগুনী চেরী ফুলের টবে, আষাঢ়ের কদম ফোটে না ডালে ডালে; পুকুরের জলে শাপলাফুল হাসে না গাছে গাছে মরা ডালের আর্তনাদ মর্মরে কানে বাজে, সবুজ ঘাসে পা ফেলি না কতদিন হলো...

অন্ধকার রাতে একাকী হাঁটি সোডিয়াম আলোর পাশে।

লেখক কিংবা কবি সব সময় তাঁর চারপাশ নিয়ে চলতে হয়, আমি কবির কথাই বলবো; কবি সব সময় শব্দকে ভাঙবেন, টুকরো টুকরো করে নিজস্ব ভাষা-প্রকরণে আর শব্দের গভীরতায় ফুটিয়ে তুলবেন। কবি শুধু ভাবনা-কল্পনা-সময়চেতনা কিংবা দায়বদ্ধতা থেকে কবিতা লিখবেন তা মনে করি না। কবিতা নিজের ভেতর ফুটিয়ে তোলা নিজের কথাগুলো সহজ সরল করে বলা নিজের ভেতর শব্দের ভূবন, শব্দনির্বচন কিংবা শব্দবিন্যাস করে নিজের একটি স্বকীয় পথ খুঁজে ফিরবেন সেখানেই একজন কবির স্বার্থকতা। কবি তো খুঁজে নেবেন পাতার আড়ালে লুকিয়ে থাকা প্রাণগাছের রসদানা কোথায় রোপণ হওয়া আপন সান্ত্বনা । মনকে নাড়িয়ে যদি হাঁটি, যদি আবেগে ঝেড়ে ফেলে ফেরারী রুমাল ছায়া হয়ত মিলিয়ে যাবে পথে, আমি আর্দ্র আবহাওয়ায় বার-বার খুঁজেছি তোমাকে, সময়ের পথে, কখনো পাশের বালিশে, ঝুলানো দেয়ালের আয়নায়।তবুও মনে হয় সময়ের কোনো পরিধি নেই, নেই কোনো বাছ-বিচার। আমাকে করুণা করো না বন্ধুরা ক্ষমা করো সুজনেষু যারা। পরবাসে এসে প্রথম মনে হলো আমি আর কবিতার পথে হাঁটতে পারবো না; কবির দেশ কবিতার দেশ থেকে হারিয়ে যাব; লুপ্ত আকুতি ছাড়া নিজের নেই বিস্তর জানাশুনা। চার দেয়ালের ভেতর বন্দি করেছে শীতের তীব্রতা। জীবনের এই উপলব্দি-অভিজ্ঞতার ভেতর নিজস্ব দহন-পীড়ন-দুঃখ-যন্ত্রণা কিংবা আনন্দ বেদনাকে পুঁজি করে আশা-প্রত্যাশকে ছিঁড়েখুঁড়ে দেখা। সব কবিরাই চান তাঁর অভিব্যক্তিগুলো নিজের মতো করে ছিঁড়ে -ছেনে দেখে, নিজের সরল পথ সন্ধান করা, খোঁজা... এপ্রসঙ্গে যদি শঙ্খঘোষের সেই কথাগুলো বলি,শব্দের সত্য কি কবি তুলে নেন নিজস্ব জীবনযাপন থেকেই? যাপনের সঙ্গে তাঁর উচ্চারণের নিবিড় কোনও সঙ্গতি কি থাকে কোথাও? না যদি থাকে তা, শব্দ কি তবে পৌঁছে যায় না কেবল নিষ্ফল কয়েকটি চিহ্নে? এই ভাবে কি সমস্ত শব্দকেই নিরর্থ আর নিষ্ক্রয় করে তুলছি আমরা? কবি কি তাঁর কবিতা বন্ধ করে দেবেন তবে? না কি তাঁর ভিন্ন একটি ধরন সত্যের পথে যাবার?হয়ত এরকম জিজ্ঞাসা মনের গভীরে থেকে যায়, প্রকাশভঙ্গি কিংবা উচ্চারণের ধারায় আত্ন-মগ্নতায় ঘুরপাক খায় শূন্যতায় কবিকে পীড়িত করে কবি চান তাঁর কাব্যজগতকে নিজের মতো প্রতিষ্ঠিত করতে নিজের কল্পনা-উপমা-অলংকার জগতকে সেচে-ছেনে নিজের সেরা কবিতাগুলো লিখতে, সবাই তা পারেন না বলেই নিরন্তর চেষ্টা...
আর যারা পেরেছেন সে পথ ধরে হাঁটতে এবং তারা তাদের কবিতাগুলোকে আরো উপভোগ্য করে গড়ে তোলার জন্য; লিখে যাচ্ছে নিরবধি তাদের কবিতা পাঠে আমিও ঋণী। এখানে আমার পাঠ অভিজ্ঞতা থেকে নব্বইয়ের দু’জন কবির কবিতা প্রসঙ্গে বলবো একজন লিখে গেছেন এবং অন্যজন লিখে যাচ্ছেন নিরন্তর তাদের কবিতা এক বার পড়ে তৃপ্তি আসে না হৃদয়ে শান্তি মিলে না অদৃশ্য এক কল্পনার দোলাচলে হাঁটি বার বার পড়তে মন চায় শব্দের ভাঁজ খুলে খুলে দেখি। প্রথমে পড়বো নব্বইয়ের ক্ষণজন্মা কবি শামীম কবিরের কবিতা, মাত্র চব্বিশ বছর বেঁচে ছিলেন, এই অল্প সময়ের মধ্যেও তিনি লিখে গেছেন কিছু অসাধারণ হৃদয়ছোঁয়া কবিতা। জাল কবিতাটি আমার খুব ভাল লাগে আশা পাঠকেরও ভাল লাগবে। একদিন জাল ফেলতে যাবো/ জাল ফেলার খুব আনন্দ/ জাল ফেলা বিষয়ে আমার পরিচিত এক জেলে আছে / সে বলে জাল তুলে কতো কিছুইতো ধরা পড়তে/ দ্যাখা যায় কিন্তু জালের আসল কাজ হলো মাছ ধরা/ আমি মাছ খাই না/ একদিন জাল ফেলতে যাবো /অবশ্য আমার মাছ না উঠলে চলবে/ (জাল/ শামীম কবির/ নব্বইয়ের কবিতা / মাহবুব কবির সম্পাদিত ১৯৯১)
জাল কবিতাটি পড়লে আমার হৃদয়ে অন্যরকম অনুভূতি সৃষ্টি করে মনে পড়ে পদ্মা নদীর মাঝি গল্পে অসহায় জেলে কুবেরের কথা, এখনো কুবেরের মতো অনেক জেলে রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে নদী-নালা-খাল-বিল-পুকুর থেকে মাছ ধরে জল ও জালের সাথে জীবনের গ্লানি টেনে নিচ্ছে বাঁচার তাগিদে। জাল কবিতাটি যতবার পড়ি ততবারই ভাল লাগে, চোখে ভাসে করুণস্মৃতি, আরো ভালো লাগে কবিতাটির ভেতরের গল্পটি কি অপূর্ব যেন জীবন সুতোয়গাঁথা।
নব্বইয়ের আরেক কবি মোস্তাক আহমাদ দীন এর জন্মলজ্জা কবিতাটি আমার প্রিয় একটি কবিতা-- এ বিধি লাগে না ভালো: জন্ম লজ্জা ফেলে দিতে / কাঁদিবার কথা / এ বড় রহস্যকথা সান্দ্রকথা আমি তার বুঝি নাতো সার / আমার সঙ্গিরা বলো / কাহার গলায় ধরে বলি আজ জননী জননী / এত যে ঘুরেছি ভূমি তবু আমি জীবন চিনি না / অথচ সে যুবক নই / দিবসে দাঁড়ালে যে সূর্যকণা খেয়ে নিত রাতের দাঁতেরা / আমার নিয়তি ওহো / বাববার ভুলে যাই জন্মদাত্রী আমার মায়ের মুখ, স্তন / অথচ গ্রহণ প্রশ্নে / জমজ বোনেরে ঠেলিয়াছি দূরে / আজ বিস্মরণের দিন আজ এংকা পথে ঘুরিতেছি / আনত দুহাত নিয়ে / জন্মলজ্জা ফেলে দিতে শূন্যে শূন্যে খুঁজিতেছি গলা (কথা ও হাড়ের বেদনা / মোস্তাক আহমাদ দীন / প্রকাশক পাঠকৃতি ফেব্রায়ারি ২০০১)
কবিতাটি মেজাজ,উপস্থাপনা,উপমা,চিত্রকল্পের কী অর্পূব সংমিশ্রণ তারচে’ আরো সুন্দর নিজের মতো করে কবিতা ভেতরে প্রবেশ করে নিজের স্মৃতিকে কল্পনার রঙে-ঢঙে দোলায়িত করা। কবি পরোক্ষ ভাবে তাঁর জীবনের আক্ষেপ যন্ত্রণার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন; নিজেই নিজের আত্ন মগ্নতা,কাতরতা,তুচ্ছতার গল্প তুলে ধরেছেন। সৃষ্টিশীল সত্তাকে খুঁজে ফিরছেন জীবনের গতি-প্রকৃতিতে মিশে, স্মৃতি-বিস্মৃতিতে ডুবে হৃদয় চুরমার করে চিরায়িত বন্ধনের নানা অনুষঙ্গকে বিষয় বৈচিত্রের মাধ্যমে কন্টাকাকীর্ণ বোধের ঠনক নাড়াতে চেয়েছেন স্বতন্ত্র মেজাজে। একজন সৃষ্টিশীল কবির কবিতা পড়ে নিজের ব্যবধান খুঁজি, নতুন পথের সন্ধানে হাঁটি... সে সব জিজ্ঞাসার প্রাপ্তি খুঁজে ফিরি ঘুমন্তশ্বাসে। সব কবিরাই চান নিজের কাব্য জগতকে নিজের মতো গড়ে তুলতে, হৃদকোষ ছিঁড়ে-ছেনে অবধারিত ভাবে লিখতে, লিখেছেন নিজের অন্তঃসত্তা অন্তজগতকে ব্যবহার করে।
যদি রুমাল দিয়ে মুছে নাও দু’চোখের জল;না ছুঁলেও দুঃখ পাবে। রুমাল থেকে জলের গন্ধ পাবে, তোমাকে ছুঁয়াবে; ছোঁয়াবে। আর যদি আঙুলে চেপে ধরো মাউথ অর্গানের সুর, না-ছুঁলেও হবে। রুমালের দুঃখগুলো আমারি র’বে । ভিনদেশে বসে স্বদেশে ফিরে যাবো, সে কাঙ্খায় স্বপ্নগুলোকে টেনে হেঁছড়ে ইলাষ্টিকের মতো পরিধি গুনে চলেছি, মাটির গন্ধ পাইনি জামায়, জলপুকুরে স্নানহীন শরীরের ঘাম, ছয়ঋতুর পরিবর্তনের অনুভব অনুভূতিগুলিকে জাগিয়ে রাখি রহস্যময় দৃষ্টিতে ফ্রেমেবাঁধাপ্রাণে। কবিতার দায় কি পরিবর্তন, না বিবর্তন? তা জানি না, শুধু বলবো যত দিন বাঁচি কবিতা নিয়েই বাঁচতে চাই; কবিতায় নিজের আবাস ভূমি বানাতে চাই; কবিতা আমাকে নতুন পথ দেখাবে মনের শান্তি দেবে, আর...



গদ্য লেখার পেছনে যে দু'জন আমাকে নিরবধি তাগাদা দিয়েছেন, দু'জনকেই ধন্যবাদ। ভাল থাকুন। নুশেরা আপু, আন্দালীব

 

প্রকাশ করা হয়েছে: কবিতা বিষয়ক গদ্য  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৪০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৩ শে মে, ২০০৯ সকাল ৮:৩১
নুশেরা বলেছেন: অসামান্য! আরো কয়েকবার পড়তে হবে। প্রিয়তে।
২৫ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:০৪

লেখক বলেছেন:
যা লিখি তার বলা আমার বলা থেকে ভিন্ন, যা বলি তা চিন্তা থেকে ভিন্ন, যা চিন্তা করি তা যা চিন্তা করা উচিত তা থেকে ভিন্ন, অতএব তা পুনরায় এক গভীরতম অন্ধকারে চলে যায়
কাফকা

আপু, লেখার আগে ওই কথাগুলো আমাকে বেশি ভাবায়...

ভাল থাকুন।

২৫ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:০৪

লেখক বলেছেন:
প্রিয়তে!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

২. ২৩ শে মে, ২০০৯ সকাল ৮:৩৮
নম্রতা বলেছেন: এখানেই শেষ নয় ..আরো পড়তে হবে আমার ! দারুন কাজ !
কিপ ইট আপ !
২৫ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:১২

লেখক বলেছেন: আপনার গদ্যের দূর্বল দিক গুলো নিয়ে সমালোচনা করুন প্লীজ!
নিজে কিছু আলোচনা হউক, ভাল লাগবে।

ভাল থাকুন।

২৫ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:১৬

লেখক বলেছেন:
গদ্যের দূর্বল দিকগুলো নিয়ে সমালোচনা হতে পারে।

গদ্যর দূর্বলতা গুলো বলেন।
ভাল থাকুন।

৩. ২৩ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:৩৭
কবিতার আড্ডা বলেছেন: সময় করে আবার পাঠ করতে হবে।

বস!!
চোখে ঘুম তাই ভালো করে পড়তে পারিনি।

ভালো থাকুন।
অফ টপিক: আপনার কাজ রবিবার দুপুরে করে দেবো।
২৫ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৪৮

লেখক বলেছেন:
ঘুম থেকে জেগে পড়ুন।

মন্দ লাগাটুকু বলেন।

ভাল ঘুম হউক

৪. ২৩ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:৩৮
কালপুরুষ বলেছেন: খুব ভাল লিখেছেন। প্রিয়তে রেখে দিলাম।
২৫ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৫০

লেখক বলেছেন:
কেমন আছেন আপনি?

অনেক দিন পর এসে...

সরাসরি প্রিয়তে.....

ভাল থাকুন।

৫. ২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:১৪
তানভীর রাতুল বলেছেন: কবিতা বিষয়ক গদ্য আমি কখনোই গুরুত্বের সাথে পড়ি না, নিজস্ব বিচার বিশ্লেষণ প্রভাবিত হওয়ার ভয় থাকে বলে, তারপরও পড়ি, কেবল ভাল লাগলেই, যেমন এই গদ্যটা
২৫ শে মে, ২০০৯ সকাল ৭:০০

লেখক বলেছেন:
বন্ধু, জানিনা কিভাবে যে ওই লেখাটি তৈরি হল!!! শেষ রাতে আর্শ্চয!!!
ভাবছিলাম কি যে বলবি,... তোর কাছ থেকে অন্তত রেহাই পেলাম।
..................................
‌''যখন রক্তের ভেতর জেগে উঠছিল কয়েকটি নক্ষত্র।
যখন অস্তিত্বের ভেতর বেজে উঠেছিল একটি অর্গান।''

ভাল থাকা চাই

৬. ২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:০৬
শাহনাজ সুলতানা বলেছেন: আফসার!

খুব ভালো লেগেছে তোমার লিখাটি। অবশ্যই প্রিয়তে তুলে নিব
মোস্তাক আহমাদ দীন- একজন বড় মাপের কবি। আমি উনাকে শ্রদ্ধাও সম্মান জানাই। যদি তোমার সাথে কথা হয় উনাকে শুভেচ্ছা ও সালাম বলে দিও।

আগামীতে মোস্তাক আহমাদ দীনের কিছু কবিতা ব্লগে রাখলে খুশি হব!
২৫ শে মে, ২০০৯ সকাল ৭:০২

লেখক বলেছেন:
স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললাম।

ভাল থাকুন।
প্রিয়তে নেয়ার জন্য ধন্যবাদ।

২৫ শে মে, ২০০৯ সকাল ৭:০৫

লেখক বলেছেন: নীরবতা কিন্তু ভাষাহীন নয়!!!

ভাল থাকুন।

৮. ২৪ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:১৪
আসাদুজ্জামান তাপুশিকদার বলেছেন: পড়া আর লেখায় আমার মত অলস বোধ করি আর নাই। তবু্ও তোমার চমৎকার গদ্যটি পড়ে ফেললাম।

কবিতা বরাবরই আমার কাছে কঠিন আর কবিতো ততধিক। তাই এ বিষয়ে কিছু বলা আমার সাধ্যের বাইরে।

আঞ্চলিকতার টাঁনেই বলছি, মোস্তাক আহমাদ দীন এর আশেপাশে আরও একটি নক্ষত্র দেখতে পাচ্ছি, আমি তার নামকরণও করে ফেলেছি।
কবি তুমি অনেক দূরে যাবে....অনুরোধটুকু রেখে গেলাম।
২৫ শে মে, ২০০৯ সকাল ৭:১৬

লেখক বলেছেন: তাপু ভাই,
আমিতো সেই কবে বিমোহিত হয়েছি আপনার প্রথম উপন্যাস-'' দৃঃখের সাথে বসবাস'' পড়ে।
তারপর ২০০০ সালে আমার 'অর্কিডে' ছাপা হল আপনার গল্প মাউথ অর্গানের সুর।

মধ্যে এত বছর ফারাক...

গদ্যটি পড়ার জন্য সাধুবাদ আপনাকে।
ভাল থাকুন।


৯. ২৪ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:৫০
অদৃশ্য বলেছেন: আফসার ভাই.................খুব ভালো লিখেছেন।



শুভকামনা............
২৫ শে মে, ২০০৯ সকাল ৭:১৭

লেখক বলেছেন:
পড়ার জন্য ভন্যবাদ আপনাকে।

ভাল থাকুন।

১০. ২৪ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:৫৩
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: সময় করে পড়ব বিরাট লেখা

আপাতত প্লাস দিসি ।

২৫ শে মে, ২০০৯ সকাল ৭:২১

লেখক বলেছেন:
পড়ার এবং সমালোচনা করার অনুরোধ থাকল।

না পড়েই প্লাস!!!(ফ্যান)

ভাল থাকুন।

১১. ২৪ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৮
স্রোতচিহ্ন বলেছেন:
নাক উঁচু লেখকদের আপনি একজন শুনেছি সব সংকলনে লিখেন না।
বিলেতে থেকেও বিলেতের লেখকের লেখা আপনার সংকলনে স্থান
দেন না। আপনি কি মঞ্জু,ইরম,চয়ন, মাসুকদের উত্তরসূরী নাকি ময়েজ,মিলাদ,রনিদের উত্তরসূরী।নাকি দশক পুজারি
২৫ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:০৬

লেখক বলেছেন:
প্রথমে জেনে নেয়া ভাল নিক নামে আপনি সুমন সুপান্ত কি না? কারণ সুমন সুপান্ত স্রোতচিহ্ন নামে একটি কাগজ সম্পাদনা করেন। কারণ আপনার সাথে আলোচনা করার আগে তা পরিস্কার হওয়া দরকার। কারণ আমি অতি সাধারণ একজন মানুষ। সারাদিন কাজ শেষ করে কিছু সময়ের জন্য ব্লগে বসি কিছু পাঠ করার জন্য। অনার্থক কিছু লেখা বা বলার জন্য নয়।
ওইসব ব্যাপার মাথায় নেই না। আর হাওয়ার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে বা পছন্দ কোনটিই করি না। কারণ হাওয়া কখন কিভাবে চলে নিজেও জানে না।
আলোচনা,সমালোচনা গ্রহণ,বর্জন, যুক্তি,তর্ক,প্রতর্ক হতে পারে কবিতা,গদ্য,প্রবন্ধ,নিবন্ধ নিয়ে, সে বিষয় নিয়ে বলুন নিজ নামে আমি সাধ্য মত কথা বলতে প্রস্তুত।
থাক সে প্রসঙ্গ

আমি খুব কম লিখি, আর যা লিখি তা আদো কবিতা কি না জানি না, বন্ধুরা হয়ত করুণা করে দু'একটি কবিতা ছাপে এই আর কি...

হয়ত আপনি জানেন অর্কিড দেশ থাকা অবন্থায় বের করেছি ২০০০সাল থেকে...
কারণ অর্কিড আমাদের সম্মিলিত প্রয়াস ছিল অর্কিডের নৈর্কট্যজন/ নেপথ্য শ্রমিক(মিনহাজ,দীন,জাহেদ, চ্যবন,সায়েম)সবাই ভাগ করে কাজ করতাম।
যেভাবে এখন হচ্ছে সূনৃত ও হরমা।

আপনি যদি বিলেত প্রসঙ্গ বলেন, আমার সাথে একমত হবেন হয়ত সারাদিনের ক্রান্তি ঝেড়ে সাহিত্যের পেছনে সময় বের করা খুবই দূস্কর।
তবে হ্যাঁ... বিলেতে এখনও জোরালো ভাবে লিটলম্যাগ আন্দোলনের ক্ষেত্র তৈরি হয়নি, তবে যারা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তাও-বা কম কিসে? আমি তো নতুন সূর্য উদিত হবার আশায় আছি।

আরো একটি কথা অর্কিড নাম-খ্যাতি মাথায় বেখে লেখক নির্বচন কক্ষনো করেনি, কখনো করবেও না...
যারা নিজেকে ভেঙেচুরে লিখবেন, লিখবেন হৃদকোষ সেচে-ছিঁড়ে-ছেনে... তিনিই হবেন অর্কিডের আপনজন। হন তিনি দেশের-বিলেতের কিংবা আনকোরা যে কেউ... অর্কিড তাঁকে সম্মানের সাথে মর্যাদার সাথে ছাপাবে। অর্কিড তাঁর কাছে ঋণী থাকবে।

কিন্তু শেষ প্রশ্নে আমি কিছুটা বিব্রত, কারণ সাহিত্যে আবার দলবাজি-বগলবাজি?!
তা হয়ত আপনিই ভাল জানেন?

হয়ত শূন্যদশক বা প্রথম দশকে লিখছি, কিন্তু দশক দিয়ে কি কবিতার মানদণ্ড হয়?
তাহলে আমরা আলাওল,মৃকন্দরাম,নবীনচন্দ্র হেমচন্দ্র, রবীবাবু,মধুবাবু, জীবনবাবু,নজরুল,উৎপল,শক্তি,দেবারতি,শঙ্খ,বিনয়,মৃদুল, রণজিৎ,রাহুল,জয়,বহমান,
মাহমুদ,শহীদ কাদরী, মাসুদ খান, মজনুশাহ কেন পড়ি? তারা তো তাদের সময়ের শক্তিশালী।

কারণ আগেই বলেছি আমি অতি সাধারণ একজন বিলেতের কবি কোলাহল থেকে মুক্ত, আমি অনেক দূরে থাকি।
পাঠক হিসাবে মন্জু, ইরম,চয়ন, মাসুক তাঁদের কবিতা কাছে পেলে পড়ি, তেমনি ময়েজ,মিলাদ,রনি তাঁদের কবিতাও পড়ি; ভাল লাগা না-লাগা আপেক্ষিক...কবিতা মূলত
সংকেত, ইশারা,বিভাবনা...চিন্তা,উপলব্দি, অনুভূতি,আত্নময়,অনন্যময়...

মনে রাখবেনসময়টা গোপন দরজা...







২৫ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:১৯

লেখক বলেছেন: অনেক ফালতো কথা বলা হল, ক্লান্তি ঝেড়ে ফেলতে পাঠ হউক...

মাটি-পৃথিবীর টানে মানবজন্মের ঘরে কখন এসেছি
না এলেই ভালো হত অনুভব করে
এসে যে গভীরতর লাভ হল সে সব বুঝেছি
জীবনবাবু
...................................
কোনো গোপনতাই নেই, গোপন থাকার কোনো বাসনার লেশমাত্র নেই
কোথাও কোনো-কিছুতে, সব-কিছু আপনাকে খোলাখুলি ব্যক্ত হ'য়ে আছে
বিনয়বাবু

ভাল থাকুন আপনি।

২৫ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৩:০১

লেখক বলেছেন: প্রথমে জেনে নেয়া ভাল নিক নামে আপনি কে আপনি? সুমন সুপান্ত ভাইয়ের স্রোতচিহ্ন নিকে? কারণ সুমন সুপান্ত স্রোতচিহ্ন নামে একটি কাগজ সম্পাদনা করেন, সুমন ভাই আপনি নন মনে হচ্ছে, সুমন ভাই ওইসব বিষয় নিয়ে কথা বলবেন না আশা করি। আপনার সাথে আলোচনা করার আগে তা পরিস্কার হওয়া দরকার নিকের আড়ালে কে ভাই? কারণ আমি অতি সাধারণ একজন মানুষ। সারাদিন কাজ শেষ করে কিছু সময়ের জন্য ব্লগে বসি কিছু পাঠ করার জন্য। অনার্থক কিছু লেখা বা বলার জন্য নয়।
ওইসব ব্যাপার মাথায় নেই না। আর হাওয়ার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে বা পছন্দ কোনটিই করি না। কারণ হাওয়া কখন কিভাবে চলে নিজেও জানে না।
আলোচনা,সমালোচনা গ্রহণ,বর্জন, যুক্তি,তর্ক,প্রতর্ক হতে পারে কবিতা,গদ্য,প্রবন্ধ,নিবন্ধ নিয়ে, সে বিষয় নিয়ে বলুন নিজ নামে আমি সাধ্য মত কথা বলতে প্রস্তুত।
থাক সে প্রসঙ্গ

আমি খুব কম লিখি, আর যা লিখি তা আদো কবিতা কি না জানি না, বন্ধুরা হয়ত করুণা করে দু'একটি কবিতা ছাপে এই আর কি...

হয়ত আপনি জানেন অর্কিড দেশ থাকা অবন্থায় বের করেছি ২০০০সাল থেকে...
কারণ অর্কিড আমাদের সম্মিলিত প্রয়াস ছিল অর্কিডের নৈর্কট্যজন/ নেপথ্য শ্রমিক(মিনহাজ,দীন,জাহেদ, চ্যবন,সায়েম)সবাই ভাগ করে কাজ করতাম।
যেভাবে এখন হচ্ছে সূনৃত ও হরমা।

আপনি যদি বিলেত প্রসঙ্গ বলেন, আমার সাথে একমত হবেন হয়ত সারাদিনের ক্রান্তি ঝেড়ে সাহিত্যের পেছনে সময় বের করা খুবই দূস্কর।
তবে হ্যাঁ... বিলেতে এখনও জোরালো ভাবে লিটলম্যাগ আন্দোলনের ক্ষেত্র তৈরি হয়নি, তবে যারা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তাও-বা কম কিসে? আমি তো নতুন সূর্য উদিত হবার আশায় আছি।

আরো একটি কথা অর্কিড নাম-খ্যাতি মাথায় বেখে লেখক নির্বচন কক্ষনো করেনি, কখনো করবেও না...
যারা নিজেকে ভেঙেচুরে লিখবেন, লিখবেন হৃদকোষ সেচে-ছিঁড়ে-ছেনে... তিনিই হবেন অর্কিডের আপনজন। হন তিনি দেশের-বিলেতের কিংবা আনকোরা যে কেউ... অর্কিড তাঁকে সম্মানের সাথে মর্যাদার সাথে ছাপাবে। অর্কিড তাঁর কাছে ঋণী থাকবে।

কিন্তু শেষ প্রশ্নে আমি কিছুটা বিব্রত, কারণ সাহিত্যে আবার দলবাজি-বগলবাজি?!
তা হয়ত আপনিই ভাল জানেন?

হয়ত শূন্যদশক বা প্রথম দশকে লিখছি, কিন্তু দশক দিয়ে কি কবিতার মানদণ্ড হয়?
তাহলে আমরা আলাওল,মৃকন্দরাম,নবীনচন্দ্র হেমচন্দ্র, রবীবাবু,মধুবাবু, জীবনবাবু,নজরুল,উৎপল,শক্তি,দেবারতি,শঙ্খ,বিনয়,মৃদুল, রণজিৎ,রাহুল,জয়,বহমান,
মাহমুদ,শহীদ কাদরী, মাসুদ খান, মজনুশাহ কেন পড়ি? তারা তো তাদের সময়ের শক্তিশালী।

কারণ আগেই বলেছি আমি অতি সাধারণ একজন বিলেতের কবি কোলাহল থেকে মুক্ত, আমি অনেক দূরে থাকি।
পাঠক হিসাবে মন্জু, ইরম,চয়ন, মাসুক তাঁদের কবিতা কাছে পেলে পড়ি, তেমনি ময়েজ,মিলাদ,রনি তাঁদের কবিতাও পড়ি; ভাল লাগা না-লাগা আপেক্ষিক...কবিতা মূলত
সংকেত, ইশারা,বিভাবনা...চিন্তা,উপলব্দি, অনুভূতি,আত্নময়,অনন্যময়...

মনে রাখবেনসময়টা গোপন দরজা.

২৫ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৩:০৩

লেখক বলেছেন: মাটি-পৃথিবীর টানে মানবজন্মের ঘরে কখন এসেছি
না এলেই ভালো হত অনুভব করে
এসে যে গভীরতর লাভ হল সে সব বুঝেছি
জীবনবাবু
...................................
কোনো গোপনতাই নেই, গোপন থাকার কোনো বাসনার লেশমাত্র নেই
কোথাও কোনো-কিছুতে, সব-কিছু আপনাকে খোলাখুলি ব্যক্ত হ'য়ে আছে
বিনয়বাবু

ভাল থাকুন আপনি

১২. ২৫ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:২৯
ফকির ইলিয়াস বলেছেন: কবি সৈয়দ আফসার ,
আমি সুরমা পাড়ের ছেলে।
ঐ এলাকায় কারা ভালো কবিতা লিখে সেই
তালিকার খননোজ নিতে গিয়েই আপনার নাম।
সেটা ২০০৪ এর কথা ।
কারণ আমি ঐ এলাকার নবীন কবিদের জন্য
একটা করে গোলাপ সংরক্ষণে রাখি।

তারপর আপনার ..অর্কিড ... পরা হলো। জানা হলো আপনাকে।
কবি জিললুর রহমানের জবানিতে জেনে যাই আপনি লন্ডন অভিবাসী
হয়েছেন। লন্ডন আমার তৃতীয় বাড়ি। তাই একটা নাড়ির সম্পর্ক তো
আছেই।

এবার বলি .........
ভালো কবিরাই ভালো গদ্য লিখতে পারে। তা নিবন্ধ হোক আর কলাম ই
হোক। রাহমান ভাই ই আমাকে কলাম লিখতে অনুপ্রেরণা দিয়েছেন।
আমি তাঁর কাছে চিরঋণী।
আপনার সেই গদ্যটি ( তাবাসসুম ফেরদৌস এর কবিতা নিয়ে) পড়ে
আমি বিমোহিত হয়েছিলাম।
একটা কবিতা নিয়ে একটা এতো চমৎকার গদ্য লেখা যায় , ভেবেও
অবাক হবার মতো ।
আপনি লিখুন। এখানে , এই ব্লগে পথ কুসুমাস্তীর্ণ না। কন্টকাকীর্ণ।
তা মনে রাখতে হবে।
কে কি বললো তা নিয়ে মন খারাপ না করে লিখে যাবেন।
মেধার মূল্যায়ন হয় , হবে , হতেই হবে।
আপনার এই গদ্যটিও প্রাণবন্ত।
বলে রাখি , প্রয়াত শামীম কবির ও মোস্তাক দীন আমার প্রিয় কবিদের
দুজন।
শামীম কবির বেঁচেছিলেন মাত্র ২৪ বছর। ( জন্ম ১৯ এপ্রিল ১৯৭১ -
মৃত্যু ২ অক্টোবর ১৯৯৫ ) ।

তার'' জাল ''কবিতাটির উদ্বৃতি আমার '' কবিতার বিভাসূত্র '' ( ২০০৯ )
বই এ ও আছে।

শুভেচ্ছা ।
২৬ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:৪১

লেখক বলেছেন: ইলিয়াস ভাই, ভাল লাগল আপনার মন্তব্য পড়ে।

ভয় ছিল গদ্যটি নিয়ে কি যে বলেন, আপাত মুক্তি পেলাম।
অর্কিড আমার প্রাণের স্পন্দন...
হ্যাঁ জিললুল ভাই তো অনেক গোপনস্মৃতিগুলো বলে ফেলছেন "নিসর্গে"
জ্বী ঠিক করে দিয়েছি শামীম কবিরের ক্ষণকাল...
সত্যি বলতে কী ইলিয়াস ভাই, সাহিত্য বিষয়ে যদি আলোচনা করে সাধ্য আমি তার জবাব দিতে সর্বদা প্রস্তুত, তবে ব্লগে ফালতো বিষয় নিয়ে কথা বলি না।
ভাল থাকুন।

১৩. ২৫ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৪৪
স্রোতচিহ্ন বলেছেন: আফসার ভাই আপনিকি গেওর্গে আব্বাসকে চিনেন ও বলির পাঁঠা
হচ্ছে দেলওয়ার হোসেন মঞ্জু ও দশ নামে লিখে। বিলেতের সাহিত্য
কন্টকাকীর্ণ ও করেছে
২৬ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:৫১

লেখক বলেছেন:
নিকের আড়ালে যেই হন নিজের অস্থিত্ব জানান দিন প্লীজ, স্ব-নামে কথা হউক... সবাই জানুক...
উপরের মন্তব্যে আমি আমার অবস্থান পরিস্কার করেছি। সে প্রসঙ্গে আর কথা বাড়াতে রুচি নেই।

ভাল থাকুন।

২৬ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:০৬

লেখক বলেছেন:
গেওর্গে আব্বাস ব্লগের নিক হিসাবে চিনি. ..

মন্জু ভাই দশ নিকে লিখেন!!!!
নামগুলো একটু বলেন আমরা সবাই জানি।

১৪. ২৫ শে মে, ২০০৯ সকাল ৭:০৯
সৈয়দ নাসির আহমেদ বলেছেন: কবি খুব ভালো লেগেছে লিখাটি।
কবিতা সবাইকে নতুন পথ দেখাবে মনের শান্তি দেবে এই হোক কামনা,
ভালো থাকুন,
২৬ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:০৭

লেখক বলেছেন:
ভাল লাগল জেনে ভাল লাগল ।
শুভকামনা আপনার জন্য...
ভাল থাকুন।

২৬ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:১০

লেখক বলেছেন: ভাল লেগেছে জেনে ভাল লাগল খুব ।
শুভকামনা আপনার জন্য...
ভাল থাকুন।

১৫. ২৫ শে মে, ২০০৯ সকাল ৭:২৬
জামশাদ যামেরী বলেছেন: কবিতা নিয়ে গদ্য সবাই লিখতে পারে না।
যারা পারেন , আমি তাদেরকে প্রণাম করি।
ভালো লাগলো গদ্যটা
২৬ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:১১

লেখক বলেছেন:
জেনে প্রীত হলেম।

ভাল থাকুন, আপনি

১৬. ২৫ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:৪৫
সবাক বলেছেন:
বস!

সোজা প্রিয়তে..... আরো কয়েকবার পড়বো।
২৬ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:১৩

লেখক বলেছেন:
বস! প্রিয়তে....!!!

ভাল থাকুন।

১৭. ২৫ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৬
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
অনেক অনেক সুন্দর।
মুগ্ধতা।

লেখা চলুক ।গদ্য পদ্য সব।
" দু’একলাইন যা লিখি নিজের জন্য লিখি ভবিষ্যতে স্মৃতি জাগাবো বলে; তারচে’ বেশি জানি না "

এই কথাটা মনে বাজলো।
মনের কথা।

শুভেচ্ছা আফসার।
২৬ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:১৪

লেখক বলেছেন: সাজিপু, পড়ার জন্য সাধুবাদ আপনাকে।

ভাল থাকুন।

১৮. ২৫ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:২৭
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন: আফছার খুব ভাল লিখেছেন। আরো লেখেন। ভাল লাগছে পড়তে।
২৬ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:১৬

লেখক বলেছেন:
মুক্তি ভাই,

ভাবছিলাম কি যে বলবেন! আপাত রক্ষা মিলল...

ভাল থাকুন।

১৯. ২৫ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৩৮
মগ্নতা বলেছেন: কবিতা সময়ের পাঠ নাকি সময়কে পাঠ করা?..

কবিতা নিয়া এত জট্টিল আর অনেকটাই অর্থহীন কথা না ভাইবা কবিতা লেখনই ভাল। ইটি না পারলে কৃষি কাজ অথবা গাড়ির ব্যবসা খারপ জিনিস না। টলস্তয় মিয়া কৃষি কাজরে ব্যাপক মূল্য দিতেন। আমার এক দোস্ত, হে আবার কবিতাও লেখে, ধুমসে গাড়ির ব্যবসা করতেসে। Click This Link

একটা মোটরকার খটকা নিয়ে আসে?- সুযোগ পাইলে পইড়া আসবেন দয়া করে, কারণ কবিতা নিয়া এত বড় লেখা নামায়া আপনি ক্লান্ত। তআই এই ঠাট্টা মশকরামূলক লেখা আপনার ভাল লাগতেও পারে।
২৬ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:১৯

লেখক বলেছেন:
একটু সময় নিয়ে আপনার লিংক দেখবো।
পাঠের জন্য আপনাকে সাধুবাদ।

ভাল থাকুন।

২০. ২৬ শে মে, ২০০৯ রাত ১:০১
নিরব পাঠক বলেছেন: ৈসয়দ অাফসার ভাল লাগলো আপনার লেখাটি। স্রোতচিহ নিক নামের আড়ালে ঐ মানুষটি কে? কারণ আমরা জানি সুমন সুপান্থ স্রোতচিহ নামে একটি কাগজ বের করেন, কিন্তু উনি তো এভাবে ব্লগে ব্লগে ঘুরে নিম্নমানের মন্তব্যে করার কথা নয়। মঞ্জু, চয়ন, ময়েজ, রনি এদের নিয়ে উনার এতো মাথা ব্যথা কেন?
নতুন ব্লগে লিখছেন অথচ নিজে কি লিখবেন না লিখবেন সেটা চিন্তা না করে কবিদের ব্যাপারে এতো কৌতুহল কেন?

হায়রে গ্রাম্য রাজনীতি ব্লগেও স্থান পায়।
২৬ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:২৩

লেখক বলেছেন:
১১নং জবাবে এ বিষয়ে আমি আমার অবস্থান খোলাসা করেছি, কষ্ট করে পড়ে নেবেন; আশা রাখি।

ভাল থাকুন।

২১. ২৬ শে মে, ২০০৯ রাত ১:০৩
নিরব পাঠক বলেছেন: স্রোতচিহ বলেছেন---আফসার ভাই আপনিকি গেওর্গে আব্বাসকে চিনেন ও বলির পাঁঠা
হচ্ছে দেলওয়ার হোসেন মঞ্জু ও দশ নামে লিখে। বিলেতের সাহিত্য
কন্টকাকীর্ণ ও করেছে

একটু যদি বলে দিতেন উনার ছন্দনামগুলো তা হলে আমাদের জন্য সুবিধা হতো। যদি না বলতে পারেন তবে আপনার মন্তব্যে পরিহার করুন।
২৬ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:২৬

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনাকে চমৎকার মন্তব্যের জন্য।
নিরব পাঠক ভাল থাকুন।

২২. ২৬ শে মে, ২০০৯ রাত ২:০৪
কবিতার আড্ডা বলেছেন:
ভাই সময় করে এসে লেখা পড়ে যাবো আর মন্তব্র গুলাও।

ভালো থাকুন।
শুভ কামনা।
২৬ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:২৭

লেখক বলেছেন:
বেশি ঘুমান...
ভাল থাকুন।

২৩. ২৬ শে মে, ২০০৯ রাত ২:৩১
ইমন সরওয়ার বলেছেন: গদ্যটি ক্লান্তিকর। প্রচেষ্টার জন্য সাধুবাদ। তবে নিকনাম ওয়ালাদের পিছনের কথা আমল না দিলেও চলে। পারলে এদের ব্লগ করে রাখা উচিৎ। নিজের পরিচয় গোপন রেখে অন্যের সমালোচনা এক ধরণের কাপুরুষতা।
সৈয়দ আফসার, আপনার চর্চাকে সাধুবাদ। গদ্য লেখা অনেক কষ্টকর কাজ। মেধা ও শারীরীক কষ্টটা তো করতেই হয়।
২৬ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:২৯

লেখক বলেছেন:
মন্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
ভাল থাকুন।

২৪. ২৬ শে মে, ২০০৯ রাত ২:৪২
রুবেল শাহ বলেছেন: ভাল লাগা রইল আফছার ভাই..................
২৬ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:২৯

লেখক বলেছেন:
প্রীত...

ভাল থাকুন।
শুভরাত্রি

২৫. ২৬ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:৩৩
সুদীপ চৌধুরী বলেছেন:
পড়বার পরে অনেক কিছু একসাথে ভাবনায় আসছে। সব মিলেঝিলে একটা হতাশার টোন এলো বলে মনে হয়।
-----------------------------------------------------------------------------
"কবিতা সময়ের পাঠ নাকি সময়কে পাঠ করা?"
আর এই বিষয়ে খুব একটা স্পেসিফিক কিছু পেলাম না। কেমন একটা জট পাকিয়ে গেলো।
২৬ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:৩২

লেখক বলেছেন: পড়ে আপনার পাঠভাবনা বলার জন্য অনেক সাধুবাদ কবিকে।
ভাল থাকুন।

২৬. ২৬ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:৪৪
সৈয়দ নাসের বলেছেন: আফসার চমৎকার রচনার জন্য অনেক ধন্যবাদ । খুব ভালো লাগলো । কেমন আছো ? ব্যস্ততার জন্য ইদানং নিয়মিত ব্লগে আসা হয়না । স্রোতচিন্হের বক্তব্য আরো একটু পরিস্কার হওয়া উচিৎ ছিলো , তিন কি বলতে চাচ্ছেন পুরো বুঝে উঠতে পারিনি , দেলওয়ার হোসেন মন্জুকে পাঠা বলার অধিকার যার আছে তিনি নিশ্চয় তার খুব কাছের লোক । স্রোতচিন্হকে আমি ও বলি ভাই দয়া করে নিজের নামে লিখুন -আপনাদের মতো আতেলদের জন্যই তো বিলেতের সাহিত্যাঙ্গনে উদানিং এতো বিভাজন ।
২৬ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:৪৯

লেখক বলেছেন:
নাসের ভাই,পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

ভাল থাকুন।

২৭. ২৬ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৪৪
কবিতার আড্ডা বলেছেন: বস!, লিখছেন অসাধারণ.................. কবিতা সময়ের পাঠ নাকি সময় কে পাঠ করা?
তা ভাবতে ভাবতে আমি আমার ভেতর স্নাত... কবিতার কোন ব্যাখা হয় না, তার আপন গতি নিয়ে চলে। দীন আমার্ও প্রিয় কবি ।
ভাল থাকুন।

বি: দ্র: বস! জানতে ইচ্ছে করে আপনি সকাল ৯টায় কাজে যান, ফিরেন রাত ০৯/১০টা কিন্তু আপনাকে পোষ্ট দিতে দেখি সকাল ০৭-৪৯মিনিটে, মন্তব্যের জবাব দেন সকাল ০৭-২১মিনিটে ঘুমান কখন?????????????????????????????????
কারণ আমরা যে দেশে থাকি সে দেশে আসল হচ্ছে কাজ তাই না? জানতে ইচ্ছে হয় ২/৩ ঘন্টা ঘুমিয়ে কি চলে!!!! আমাকে ক্ষমা দেবেন, আমি বেশি ঘুমানোর পক্ষে কারণ আপনি তো ভাই জাত কবি আপনাদের দিনরাত সমান।
বস! একটু বেশি করে ঘুমান শরীর খারাপ করবে ত......

ভাল থাকুন। নিরব ঘুমোঘোরে

২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ২:২৬

লেখক বলেছেন:
ভাললাগাটুকু জেনে প্রীত হলেম বস!
কবিতার কোন ব্যাখ্যা হয় না, আপনার সাথে আমি সহমত...
দীন কবি আপনারও প্রিয় জেনে ভাল লাগল।
ভাল থাকুন।

২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ২:২৮

লেখক বলেছেন: বস!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
গোপন কথাগুলো ফাঁস কইরা দিলেন।
আমি কবি না বস!, অ-কবি
কথা হবে আবার...

২৮. ২৬ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৭
শাহনাজ সুলতানা বলেছেন: আফসার!
তোমার ব্লগে আজও আসলাম, কিন্তু মাঝে মধ্যে কিছু কিছু মন্তব্যে পড়তে রুচীতে বাধেঁ। কারণ, এখানে সবাই ভাল কিছু পড়ার জন্য ঢুকেন, অন্যকে আঘাত করা মন্তব্যে পড়ার জন্য নয়। ইদানিং, বেশ কিছু ব্লগাররা নিক নামে কিছু কিছু বাজে মন্তব্যে করে ব্লগের মান নষ্ট করে যাচ্ছেন।
আর একটি কথা বিলেতের কবিদের মধ্যে এমন কোন বিরোধ নেই যা গ্রুপ নামে অভিহিত করতে হবে। রণি, ময়েজ, মিলাদ, মঞ্জু, ইরম তারা তাদের অবস্থান থেকে ভালই লিখছেন, তাদের নিজস্ব একটা পরিচিতি ও আছে বিলেতের সাহিত্যেঙ্গনে। আমরা জানি ওরা একে অপরের ভাল বন্ধু, সুতরাং গ্রুপিংটা কেন হবে? আরো একটি কথা বিলেতের সাহিত্যেঙ্গনে আরো দু'টি নাম হলুদ নক্ষত্রের মতো মিটিমিটি করে সব সময় তারা হলেন- মাশুক ইবনে আনিস- দিলু নাসের।
আমার মনে হয়, আমরা আগামীতে মন্তব্যে করার আগে একটু ভেবে দেখা উচিত। আর আমি ব্যক্তিগতভাবে কাউকে সরাসরি আঘাত করে বা হেয় করে মন্তব্যে করার বিরোধী।

ভাল থেকো আফসার! তোমার লেখাটি ভাল হয়েছে। আগামীতে আরও গদ্যর পড়ার অপেক্ষায়।
২৮ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:৩৫

লেখক বলেছেন: : শাহনাজ আপু, আমি অতিসাধারণ একজন, সব কোলাহলের আড়ালে থাকতে ভাল লাগে; চলছেও সে রকম...

হাতের কাছে যা পাই তাই গিলি, হজম বদহজম আপেক্ষিক...
ভাল থাকুন।

২৯. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ২:৩৩
সৈয়দ আফসার__১৯৭৯ বলেছেন: শাহনাজ আপু, আমি অতিসাধারণ একজন, সব কোলাহলের আড়ালে থাকতে ভাল লাগে; চলছেও সে রকম...

হাতের কাছে যা পাই তাই গিলি, হজম বদহজম আপেক্ষিক...
ভাল থাকুন।
৩০. ২৭ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:১৫
আন্দালীব বলেছেন: পাঠককে একটা ডিলেমার ভেতরে ঠেলে দিয়ে লেখাটির শুরু। মানে শিরোনামটা সেরকমই। প্রথম কয়টা স্তবক খরচ করে আপনি পৌছেঁছেন কবিতার নেপথ্যনিগুঢ়ের সেই "তুমি"র কাছে। প্রকৃয়াটা ভালো লেগেছে। এটি আপনার ব্যক্তিগত পন্থা। ফলে তাত্ত্বিক আলোচনার পথকে একটু বরং পাশে রেখেই আপনি আপনার ব্যক্তিগত লেন্সে কবিতার প্রনোদনাটি আবিষ্কারের চেষ্টা করেছেন। বলা যায় - একধরনের আত্মজিজ্ঞাসার মাধ্যমেই।

এ পর্যায়ে নিজের ভালো-না-লাগার জায়গাটিও আপনাকে জানিয়ে রাখি। প্রথমত- পাপ-পূণ্যের বিষয়টি এখানে খুব প্রাসঙ্গিক মনে হয়নি। তবু কবিতা বিষয়ে আপনার ভাবনা ঠিক কী ভাবে লতিয়ে উঠলো সেটি হয়তো ধরা যাবে।
দ্বিতীয়ত- লেখাটির সামগ্রিক প্রতিবেশ অতিমাত্রায় কাব্যিক হয়ে উঠেছে। ফলে অনেক সহজ কথাও সহজে বলা হয়ে ওঠেনি।

শঙ্খ ঘোষের এই কথাগুলো প্রতিস্থাপন করেছেন যথাযথভাবে। কথাগুলো আমার জানা ছিলো না, তবে জানবার পরে যেন অনেকটা নিজেরও কথা বলে মনে হলো, সেকারনে লেখার ঐ নির্দিষ্ট জায়গাটি খুব স্পর্শ করেছে আমাকে। কথাগুলো হলো -
"শব্দের সত্য কি কবি তুলে নেন নিজস্ব জীবনযাপন থেকেই? যাপনের সঙ্গে তাঁর উচ্চারণের নিবিড় কোনও সঙ্গতি কি থাকে কোথাও? না যদি থাকে তা, শব্দ কি তবে পৌঁছে যায় না কেবল নিষ্ফল কয়েকটি চিহ্নে? এই ভাবে কি সমস্ত শব্দকেই নিরর্থ আর নিষ্ক্রয় করে তুলছি আমরা? ..."

তবে একজন পাঠক হিসেবে আমি এই লেখার শিরোনামে উল্লেখিত প্রসঙ্গ নিয়ে শেষদিকে যথার্থ আলোকপাত আশা করেছিলাম। হতে পারে আপনি হয়তো পাঠকের ভাবনার জন্যই সেই শুণ্যস্থান খালি রেখেছেন।

আমার কাছে মনে হলো-
কবিতা আসলে সময়েরই পাঠ এবং সেইসাথে সময়কে পাঠ করবার অন্যতম একটি টুলস।

--------------------------------------
আফসারকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই এই লেখার জন্য, এবং সেইসাথে অন্যান্য পাঠকদের চিন্তার দরোজা খুলে দেবার জন্য। ধন্যবাদ।
২৮ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:২১

লেখক বলেছেন:
প্রথমেই সাধুবাদ জানাই আপনার মূল্যবান সময় ব্যয় করে পাঠ করার জন্য, দ্বিতীয়ও বার সাধুবাদ জানাই গদ্যের ভাল না-লাগাটুকু জানানোর জন্য প্রকৃত বন্ধুই সে কাজটা করে, যেমন আপনি করেছেন। নমপ্রণাম...
লেখাটি লিখেই ব্লগে প্রকাশের লোভ আটকাতে পারিনি! ।আপনি বলেছেন 'প্রথমত- পাপ-পূণ্যের বিষয়টি এখানে খুব প্রাসঙ্গিক মনে হয়নি' ওইপ্রসঙ্গটা নিয়ে আমিও ভেবেছি ছেটে ফেলা যায় অবশ্যই, পাপ পূণ্যের কথাটি মাকে স্বরণ করে লিখছি কারণ মাকে (অনেকেই কানকথা পাড়ে ছেলে কবিতাটবিতা লিখে নাস্তিক হয়ে যাচ্ছে) মাকে বুঝাতে খুব বেগ পেতে হয়েছে, এখন অবশ্য মা কিছু বলে না, বাবা যেমনটা তাঁর বিপরীত।
আমি আসলে গদ্য লিখতে পারি না এই যা হাবিজাবি... অন্যগদ্য লিখার সময় মাথায় থাকবে।
আবারও কথা হবে, গদ্যের আরো কিছু দুর্বল দিক জানা যাবে বন্ধুর কাছ থেকে।
আন্দালীব
ভাল থাকুন।



৩১. ২৭ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:১০
আন্দালীব বলেছেন: আমার "শুণ্যস্থান খালি রেখেছেন" কথাটা ভুল। যেভাবে আপনার "সখ্যতা" শব্দটিও ভুল :)

"শুন্যস্থান রেখেছেন" পড়তে হবে ওই জায়গাটিতে। দুঃখিত।
২৮ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:২৩

লেখক বলেছেন:
সখ

২৮ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:২৬

লেখক বলেছেন:
সখ্যতা ঠিক করে দিয়েছি বস!
দুঃখিত কেন? লন তবে প্লাস...

ভাল থাকুন।

৩২. ২৭ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৩
স্রোতচিহ্ন বলেছেন:
মঞ্জুর নিক নাম, ব্লাদিমুর জয়নুউদ্দিন, মিস্ত্রাল, গওর্গে আব্বাস ,দ্রাবিড় দয়াল,যুবক অনার্য, সখিনা আফ্রোদিতি, রহিমা ট্রাকল

সখিনা আফ্রোদিতি, রহিমা ট্রাকল,গওর্গে আব্বাস সম্পাদিত দৈমাসিক
দ্রঢ়িমা, ধীস্বর, প্রটোরিয়া একই ব্যাক্তির কারসাজি।
দয়াকরে দেখতে পারবেন ।আর আপনি বলেছে বিলেতে এখনও জোরালো ভাবে লিটলম্যাগ আন্দোলনের ক্ষেত্র তৈরি হয়নি, তাহলে শব্দপাঠ, লোকন, ধীস্বর, ভুমিজ , আদিকাকতারুয়া কি লিটলম্যাগ নয়।
উন্নাসিকতা পরিহার করুন। সাধারণ লেখকের লেখার স্তান করে দিন।
যেমনটি সুরমা সাহিত্য পাতা করে আসছে।
২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ২:৪১

লেখক বলেছেন:

৩৩. ২৮ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:২৪
ঘোর বলেছেন: পড়লাম! মন্তব্য করছি না, প্লাস দিয়া গেলাম।
২৮ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৩০

লেখক বলেছেন: বন্ধু,
এতরাত জেগে গদ্যটা পড়লা তোমারে ডবল প্লাস

ভাল থেকো

৩৪. ২৮ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:২৭
আমি ও আমরা বলেছেন: দারুন একটা লিখা। সুকেজে রাখার মত।
ভালো থাকবেন।
২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ২:৪০

লেখক বলেছেন: অনেক দিন পর এলেন সাধুবাদ আপনাকে।

শোকেসে!!!!

ভাল থাকুন।

৩৫. ২৮ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:২৯
সৈয়দ আফসার__১৯৭৯ বলেছেন:
বন্ধু,
এতরাত জেগে গদ্যটা পড়লা তোমারে ডবল প্লাস

ভাল থেকো
৩৬. ২৮ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৩৭
সৈয়দ আফসার__১৯৭৯ বলেছেন: অনেক দিন পর এলেন সাধুবাদ আপনাকে।

শোকেসে!!!!

ভাল থাকুন।
৩৭. ২৮ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৫৮
কাজল রশীদ বলেছেন:
বিলেতের সব কবি আমার শত্রু কারণ ওদের মত লিখতে পাড়ি না তাই। শুন্যের কবিরা উন্নাসিক হয় কারণ ওরা ভালো লিখেন তাই।

শুন্যের কবিদের কাছে অনুরোধ বিলেতে লিটলম্যাগে আন্দোলনের মাঠ
আপনারাই তৈরি করুন আমরা আপনাদের পাশে আছি।
শব্দপাঠে সবাইকে লেখার আহবান আমরা দশক বিভাজন বিরোধী।
জয়তু কবি..........।
২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ২:২৯

লেখক বলেছেন: কাজল ভাই,
পড়ার জন্য আপনাকে সাধুবাদ।
সারাক্ষণ ভাল থাকা চাই...

৩৮. ২৮ শে মে, ২০০৯ সকাল ৮:১৩
আমি ও আমরা বলেছেন: বানান টার জন্য আমি ক্ষমা চাচ্ছি। শোকেসে নিলাম।
২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ২:৩৩

লেখক বলেছেন:
বানানের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে কেন ভাই।
বানান ভুল তো আমারও হয়, এই ত আন্দালীব আমার
একটি বানান ঠিক করে দিলেন।
ভাল থাকুন।

৩৯. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৪৪
প্রভ৭১ বলেছেন:
লেখা পড়লাম। আড়ষ্ট মনে হলো। তবে বিষয় মন্দ নয়।
@ স্রোতচিহ্ন
আপনার মাধ্যমে যা জানতে পারলাম তাতে বিস্মিত হলাম। লেখালেখির বাজারে কেউ যখন নিজের নাম প্রতিষ্ঠা করতে হাবুডুবু খাচ্ছে দেলোয়ার হোসেন মঞ্জু সেখানে বহু নাম ব্যবহার করেছেন। ঈশ্বর থাকেন বিভিন্ন নামে।
এই না হলে কবি!

এরকম ক্ষমতা সবার থাকে না। তবে তিনি যে প্রথম এ কাজ করেছেন তা নয়। বাংলা ভাষাসহ বিশশ্ব সহিত্যে এরকম অজস্র নজীর রয়েছে। স্রোতচিহ্নের চুলকাচুলকি দেখে মনে হলো দুনিয়াতে মূর্খ কয় প্রকার ও কি কি?

আবালদের জ্ঞান বাড়ুক।
২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ২:৩৯

লেখক বলেছেন:
পড়ার জন্য সাধুবাদ আপনাকে।

ভাল থাকুন।

৪০. ২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ২:৩৬
সৈয়দ আফসার__১৯৭৯ বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
ভাল থাকুন।
৪১. ২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:৩৩
হিটার০০৭ বলেছেন: @প্রভ৭১ বস, আবাল ধরা পড়ছে মাইনর এন্টিনায়। স্রোতচিহ্নের সম্পাদক সুমন সুপান্থ। সুমনের ভাই সোহাগ। আবালের ভাই ছাবাল। এরা কি করে জানব রবীন্দ্রনাথ ও লিখেছেন ভানুসিংহ ঠাকুর নামে। সুনীল গঙ্গোপধ্যায়ের নীললোহিত ইত্যাদি।

৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:২৪

লেখক বলেছেন: ভাল থাকুন।

৪২. ২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:৪৯
শয়তান হন্তারক বলেছেন: কবিতার আবেগ যে এতটা প্রকট হতে পারে তা আমি আজ প্রথম বুঝতে পারলাম। ধন্যবাদ আফসার ভাইকে।
২৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:১৪

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
ভাল থাকুন আপনি।

৪৩. ২৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:১৩
সৈয়দ আফসার__১৯৭৯ বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
ভাল থাকুন আপনি।
৪৪. ২৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:৫৫
আন্দালীব বলেছেন: আফসার, আপনি যেই নতুন ঠিকানা পাঠিয়েছেন ওখানে আপনাকে মেইল করা হয়েছে।

ঠিকঠাক পেলেন কিনা জানিয়েন। শুভেচ্ছা রইলো বস। ভালো থেকেন।
৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:১৬

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ ঠিকঠাক এসে পৌঁছেছে দিয়ে দেব ওনার বরাবর

ভাল থাকুন।

৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:১৬

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ ঠিকঠাক এসে পৌঁছেছে দিয়ে দেব ওনার বরাবর

ভাল থাকুন।

৪৫. ২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:০৭
নিরব পাঠক বলেছেন: অাফসার ভাই,
হচ্ছেটা কি? স্রোতচিহ বলে কি?
৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:১৭

লেখক বলেছেন:
আসলে, সময় সারাক্ষণ গোপন দরজা
ভাল থাকুন।

৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:১৭

লেখক বলেছেন:
আসলে, সময় সারাক্ষণ গোপন দরজা
ভাল থাকুন।

৪৬. ২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:৩৬
শত রুপা বলেছেন: কবিরা যখন শব্দ চয়নে ব্যস্ত,
অথচ কোনো হুড়োহুড়ি নেই
তাদের মধ্যে কোনো কাড়াকাড়ি নেই,
এসব দেখে অবাক আমি ঈশ্বরকে দুম করে প্রশ্ন করে বসলাম
প্রভু এ তোমার কেমনতরো সৃষ্টি ?
আমার প্রশ্ন শুনে ঈশ্বর
পিছু ফিরে হাটা শুরু করলেন!
মুচকি হেসে শুধু বললেন -
আমিতো ওদেরই সৃষ্টি।
৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:২০

লেখক বলেছেন: কথাগুলা চমৎকার বলেছেন, বার কয়েক পড়া হল।
ভাল থাকুন আপনি

৪৭. ২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:৪৪
সুনীল সমুদ্র বলেছেন:
ভালো লেখা।
অনেক কিছু জানা গেল।

এরকম তথ্য সমৃদ্ধ অথচ সুখপাঠ্য লেখা বরাবরই কাম্য।
৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:২১

লেখক বলেছেন: ভাল লাগাটুকু মনে গেঁথে থাকল।
ভাল থাকুন।

৪৮. ৩০ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:১৭
গেওর্গে আব্বাস বলেছেন: পড়লাম। এ-রচনায় তাৎক্ষণিক মন+তব্য কতটুকু যৌক্তিক, এ-নিয়ে সন্দীহান যদিও, বলতে দ্বিধা নেই- লেখাটি স্নিগ্ধ। গতি বিদ্যার ঘোড়া কোথায় কোথায় থামল, কেন এবং কী জন্যে; কেন মাঝে-মধ্যে জটলা পাকানো মনে হল? এ-সকল বিবিধ বিষয় নিয়ে দীর্ঘ কথা বলার অবকাশ হয়তো রয়েছে। হুয়াট কুড হেভ বিন এভয়েডেড, এ-প্রসঙ্গ স্পষ্ট হবে যদি আমরা অনুধ্যায়ী হই রচনার প্রথম বাক্যে।

অতিপ্রতি কল্পনার মতো/ বিরহ কাতর দিনে /একা ফ্রেশইয়ার গায়ে মাখবো বলে /হাঁটতে-হাঁটতে/ ওভার-ব্রীজের সরুহাতল চেপে /গা হেঁলিয়ে দাঁড়াই
একই বাক্যে এত ইনফরমেশন, কর্যকারণ আদৌ কি জরুরী?
তার চেয়ে বড় কথা আমরাও কি ব্রীজের সরুহাতল চেপে গা হেঁলিয়ে দাঁড়াতে পারলাম?







এ-ধরণের রচনা এক মানবজন্মে সবসময় সম্ভব হয় না। লেখা আরও আসুক।

মঙ্গলার্থে...

৩১ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:৫৯

লেখক বলেছেন: তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্যের জন্য আপনাকে সাধুবাদ।
ভাল থাকুন।

৪৯. ০২ রা জুন, ২০০৯ রাত ১২:৩৭
তৃতীয় বাংলার কবি বলেছেন: স্রোতচিহ্নের পেছনে কে, ভাই না আপা? বোঝা যায় না তো। আর আব্বাসের লগে লাগেন কেন?
৫১. ০৩ রা জুন, ২০০৯ সকাল ১১:১৪
অপূর্ব সোহাগ বলেছেন: আফসার স্রোতচিহ্ন নামে কে বা কারা একটি নিক করেছিলো এবং অনেক নোংরামিএ করে গেছে আমাদের অনেকের লেখায়। সামু ব্লগ এর সাহায্যে নিক-টি বন্ধ করা হয়েছে। কেমন আছো?
৫২. ০৪ ঠা জুন, ২০০৯ রাত ২:৩১
সৈয়দ আফসার__১৯৭৯ বলেছেন:
ধন্যবাদ, অপূর্ব।
নিকটি বন্ধ করার জন্য।
ভাল থাকা হউক।
৫৩. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:২৬
অনুপম শাহানশাহ বলেছেন: ভাল লাগলো। পরিশ্রমী লেখা। তবে খামাখা প্রশংসা ভাল লাগলো না।
৫৪. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৪৪
কালপুরুষ বলেছেন: চমৎকার লেখনী। অসম্ভব সুন্দর। প্রিয়তে রেখে দিলাম।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২৩০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
''কিছুতেই আজকাল মানু্ষের
চোখের দিকে তাকাতে পারি
না-লজ্জা করে! ভিতরে কেবলই
প্রাসাদ ভেঙে পড়ে, কেউ শোনে
না: আমি সারাক্ষণ পঙ্গু, অর্থব...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ