
বউ বাপের বাড়ি গেলে যে একটা সমস্যায় পড়তে হয়, তা হলো শারীরিক সমস্যা। খাবার দাবারের কোনো ঠিক ঠিকানা থাকেনা। দেখা গেলো একদিন খেলাম প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত আবার আরেক দিন না খেয়েই রইলাম বলা চলে। এ কারনে এ্যাসিডিটি তো শরীরে অনেক আগেই বাসা বাঁধতে শুরু করে দিয়েছে, ও দিকে বয়স বাড়ার সাথে সাথে ভুঁড়িও আগ্রসরমান।
যা বলছিলাম, বউ বাপের বাড়ি গেলে মা প্রতিদিন ফোনে জিজ্ঞাসা করে কি রাঁধছ? কি খাইছ? আমি বলি ফ্রিজে যা আছে তাই। আবার কোনো কোনো দিন বলি ডিম ভাজি। আসলে বাসায় গিয়ে আমার রান্না-বান্না করতে ইচ্ছা করে না। তাই সারা সপ্তাহের রান্না ছুটির দিনে রেঁধে ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখি। ফ্রিজে রাখা রান্না করা তরকারী আবার একদিনের বেশি খেতে আমার ভালো লাগে না, মাংসই থাকে বেশি। এ কারনে মা বাড়িতে গেলেই তিন চার রকমের মাছ রান্না করে দিয়ে দেয়। সেগুলো দিনে দুই তিন পিস খেলেও দশ দিনের আগে শেষ হবার কথা না, মাঝে মাঝে মাংসও দিয়ে দেয়। এ কারনে আমার ভুঁড়ি আরও বেশি অগ্রসরমান। বউ বলে, আমি নাই তাই সারাদিন খাও-ঘুমাও আর টিভি দেখো, আছো বড় শান্তিতে। তুমি ব্যয়াম করবা ভুঁড়ি কমানোর জন্য বুঝলা। মা আর বউ দুই জনেই আমার ভালো চায়, একজন চায় আমি যেনো ভালো খাই আর একজন চায় আমি যেনো সুস্হ্য থাকি।
এখন আমি কই যাই? এদিকে মায়ের পাঠানো খাবার শেষ করতে হবে আর অন্যদিকে ভুঁড়িও সামাল দিতে হবে। এজন্য কয়েক দিন যাবত সকালে উঠে ফুটবল খেলায় মনোনিবেশ করছি। ডিফেন্সে খেলছি, তাতে কি, ঘন্টাখানেক তো শরীরের নাড়াচাড়া হয়। দেখি কোনো সুফল পাওয়া যায় কি-না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



