somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ঈদ কেমন কাটলো, এই প্রশ্নের উত্তরে আমার যা যা বলার আছে....

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১৫মিনিটের রাস্তা যদি ৩০মিনিট, ৩০মিনিটের যদি ১ঘন্টা আর ৬ঘন্টার রাস্তা যদি ১৩ঘন্টা লাগে; তারপরেও বলতে হবে ভাগ্য ভালো!!! তারপর অবস্য ভাগ্যখারাপও বলতে পারি!!! কারণ ৩জনের জায়গায় যদি ৫জন, ৭জনের জায়গায় ১৩ আর ২০জনের জায়গায় যদি ৩৫জন হয়; তাহলে তো ঘুমনোর জন্যে খাট নয়, খাটের নিচেই যদি জায়গার বরাদ্দ ঘটে, তবুও আপত্তি নেই? এ ছাড়া আর উপায়ই বা কি! তবে কপাল ভালো গরম নয শীত ছিল, মানুষগুলা সবাই আগুন্তুক নয় আত্নীয়-স্বজন ছিল, অনকে ভিন্নতা স্বত্বেও কিছু চিন্তার মিল ছিল; তাই ২জনের বিছানায় ৫জন ঘুমোতে কষ্ট হলেও অশান্তি লাগে হয় নি। যদিও লেপ-কাথা নিয়ে টানা-টানি থামানো যায় নি! এমনিই ছিল বিয়ে!!! বিয়ে বাড়ি।। বেড়ানো। অথাব ঈদ।

ঈদের পরে ঈদ কেমন কাটালো, এই প্রশ্নের উত্তরে আমি এমনি বলবো। আসলে ঈদ আর আগের মত লাগেনা। ঈদের দিনে বরং শৈশবের কথা মনে পরে যায়। সেই সব দিন!!!! আহ্ কত রঙ্গিন, ছিল। এখন তো সব সাদাকালো। ভাবি, শৈশব এত ছোট কেন!!!???

আমি যখন ছোট ছিলাম তখন আমার কোন রং পেন্সিল ছিল না। মনে পরে না কেউ আমাকে পেষ্টাল কলারের বক্স কিনেদিয়েছিল কি না? সম্ভবত দেয় নাই। তাতে কি, তবুও আমার শৈশবে রঙ্গের কোন অভাব পরে নাই!! আমরা যেখানে থাকতাম তার সামনেই একটা পুকুর ছিল আর সেই পুকুরের পানিতে আকাশ প্রতিবিম্বিত হলে পুকুর নীল রং ধারণ করতো। একটা নীল পুকুরের জলে আমার শৈশব এখনও প্রতিবিম্বিত হয়। এমন আরো কত কিছু!!!!

তারপরেও সব মিলাইয়া ভালো বলতে হবে। থাকতে থাকতে বিরক্ত লাগতে থাকে ঢাকা-নারায়ণগন্জের পরিচিত রাস্তা-ঘাট, মানুষ, ধুলা-বালি, জ্যাম আর অবস্যই অফিস; এইগুলি ছেড়ে কয়েক দিনের জন্যে ৫জন এক বিছানায় ঘুমোনোও ভালো। তার উপরে রাস্তার দুইপাশ সারি-সারি গাছ ছিল, বেশ কয়েকটা নদী ছিল আর নুদীগুলা পাড় হওয়ার জন্য ফেরি আর ব্রিজ ছিল, মাঠে পাকা ধান ছিল, বাড়ির পেছনে নানান জাতের গাছ আর ঝোপ-ঝাড়ের বন ছিল এবং রাতে চারপাশ জড়ানো কুয়াশা আর মাথার উপর ঘোলাটে চাদ ছিল।

এত কিছুর পরেও অনেক কিছুই ছিল না। কিছু মানুষ যার মরে গিয়েছিল, কিছু তরুন যাদের শৈশব হারিয়ে গিয়েছিল, আর অনেক যুবক যারা বৃদ্ধ হয়ে যাচ্ছিল। যদিও পৃথিবীটা আগের মতই ঘুরছিল।

এইবারের ঈদ করেছি মামার বাড়িতে। ছোট মামার বিয়েও ছিল। তো প্রশ্ন করেছিল, ঈদ কেমন কাটলো, তাদের উত্তরে আমার এই মুহূর্তে এর বেশি কিছু বলার নাই।
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×