শরৎ দিনের যখন তখন ইয়ারকিটা ,
এই যে ভালো এই যে এখন
মনটা খারাপ ।
যার যা লাগুক , মাঘ মাঝিদের
কিচ্ছু কি আর যায় আসে ভাই ।
ভাবখানা এই যাচ্ছি ভেসে ,
লাগলে ভালো ফিক করে দেই
একটু হাসি ,
যেই না বাতাস সুড়সুড়ি দেয় ,
অমনি নামা ঝপঝুপিয়ে
খকখকিয়ে আবার কাশি ।
ধানের ক্ষেতে বাতাস নাচে ,
দামাল কিশোর বিল পেরিয়ে ,
নদীর চরে কাশের উড়াল ,
বকের মাথায় জোচনা মাথায়
একটু শরৎ ।
বললো বাতাস , ও সাদা মেঘ
কাল মেঘই না হয় শোনো ,
ঐ যে উঁচু মস্ত দালান ,
ট্রাফিক পুলিশ ,
লোডশেডিং আর ধোঁয়া , ধুলা
যানজটে সব ভেঁপুর জ্বালা ।
নানান জাতের স্লোগান মিছিল ,
দিন রাত্তির খুন খারাবি ।
ভ্যাবাচ্যাকা বাতাস ও মেঘ ।
মেঘ বাতাসের বুদ্ধি গুলি এইরকমই ,
হালকা ঝালের হাতছানি দেয়
আকাশ নীল ,
নীল জামা আর দুইটি বেণী
খুব দুলিয়ে ,
ব্যাগ ঝুলিয়ে স্কুলে যায় শরৎ যেন ।
শরৎ তো চায় ইট লোহা আর সব পেরোতে ,
তাই নাকি তার বনই ভালো ,
বনেরা সব বোনের মতো ,
হাত বাড়িয়ে খুব মমতায়
জড়িয়ে রাখে লতায় পতায় ,
ভাল্ লাগেনো শরৎটাকে ।
তইতো শরৎ হেমন্ত দিন
আসার আগেই শহর ছাড়ে ,
গ্রাম পরিয়ে মাঠ পেরিয়ে ,
বনের ছায়ায় ঘুমিয়ে কাটায়
আরেক বছর ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

