বক্তারা আরো বলেন, ঢাকায় যানজট নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রকল্প হয়। কিন্তু মানুষের সহজে ও স্বচ্ছন্দে যাতায়াতের জন্য কোন পরিকল্পনা হয় না। গণপরিবহন ও হাঁটার মতো যাতায়াতের উপযোগী মাধ্যমগুলো উপেতি হওয়ার প্রেেিত মানুষ বাধ্য হয়ে ব্যক্তিগত গাড়ীর উপর নির্ভর হয়ে পড়ছে। আর এখন এই ব্যক্তিগত গাড়ীর জটে নগর জীবন স্থবির। তথাপিও প্রাইভেট গাড়ীর জন্য এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েসহ নানা ধরনের অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। কিন্তু ঢাকায় অধিকাংশ হেঁটে চলাচল হওয়া সত্ত্বেও পদেেপর অভাবে মানুষের হাঁটার পথ রুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। মানুষকে ফুটওভার ব্রিজ দিয়ে যেতে বাধ্য করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। অথচ চিন্তা করা হয় না একজন প্রতিবন্ধী, বৃদ্ধ, অসুস্থ অথবা মালামাল বহনকারী ব্যক্তি কিভাবে এই পর্বত সমান ফুটওভার ব্রিজ অতিক্রম করবে।
বক্তারা বলেন, বিশ্বে বর্তমান শহরে পথচারী প্রধান নীতি প্রণয়ন ও পদপে গ্রহণ করা হচ্ছে। সুষ্ঠু যাতায়াত ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পথচারীদের নিরাপদে ও স্বচ্ছন্দে হাঁটার জন্য প্রয়োজনীয় সকল সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। বিশেষ করে রাস্তা পারাপারের জন্য রাস্তায় জেব্রাক্রসিংয়ের সুবিধা রয়েছে। তারা কর্মসূচি থেকে ঢাকার সকল রাস্তায় নির্দিষ্ট বিরতিতে পথচারী পারাপারের চাহিদা নিরূপন সাপেে জেব্রা ক্রসিং নিশ্চিত করা; ফুটওভার ব্রীজের পরিবর্তে জেব্রা ক্রসিং নিশ্চিত করা; জেব্রাক্রসিংএর পূর্বে সতর্কতামূলক সাইনস্থাপন করা; জেব্রাক্রসিংগুলোতে গাড়ীর গতি ধীর করতে এবং পথচারীদের অগ্রাধিকার দিতে চালকদের সচেতন করা; জেব্রাক্রসিং-এর পূর্বে গাড়ী থামার ব্যবস্থা করা; নিয়মলঙ্ঘনকারী চালকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা এবং শহরে গাড়ীর গতি নিয়ন্ত্রণ করার সুপারিশ করেন।
এনডিএফ এর চেয়ারম্যান ইবনুল সাঈদ রানা এর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন নীতি বিশ্লেষক সৈয়দ মাহবুবুল আলম, ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট এর ন্যাশনাল এ্যাডভোকেসী অফিসার মারুফ রহমান এবং সৈয়দা অনন্যা রহমান, সম্মিলিত জলাধার আন্দোলনের সদস্য উৎপল দাস, আইএফপি এর নির্বাহী পরিচালক মো: আরিফুর রহমান, ক্যাম্পেইন ফর ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান মশিউর রহমান রুবেল, প্রকল্প কর্মকর্তা নাজনীন কবীর, পিস এর মহাসচিব ইফমা হোসেন প্রমূখ।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৫:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


