দক্ষিন বনশ্রী, গোড়ান, রেডিয়্যান্ট স্কুলের শিক্ষক মোঃ আল মামুন। আমার ছোটবেলার বন্ধু। দেখতে অসম্ভব শান্ত দেখতে হলেও বন্ধু ছিল অসম্ভব প্রাণ চঞ্চল। পুকুরে আগে গোছল করতে যাওয়া, পানিতে ঝাপ দেয়া, মসজিদে আজান দিতে তাড়াতাড়ি যাওয়া, স্কুলের যাওয়া, বিকেল আড্ডা, কখনো ক্রিকেট, চোর-পুলিশ কত কত খেলা। অনেক অনেক সময় কাটিয়েছি এক সাথে। রাতে চোখে ভাল দেখতে পেত না বন্ধুটি। তাই আমাদের কাধে হাত দিয়ে ঘুরতে যাওয়া বা মসজিদে যেতো। বন্ধু আর কখনো হাত রাখবে না কাধে। সকল কষ্ট আর যন্ত্রণার অবসান ঘটিয়ে বিধায় নিয়েছে বন্ধু আমার।
বনশ্রী একটি গোড়স্থানে মামুনকে দাফন করে এসেছি। মামুন বড় অসময়ে চলে গেছে... দাফন করা গেছে তার দেহ। তার স্মৃতি, কাটিয়ে আসা সেই বন্ধুত্বের সময়গুলো এখনো অম্লান হয়ে আছে। মামুন হতে অনেক অনুনয় বিনয় করে ‘ট’ দিয়ে একটি কথা বলার ভাষা শিখেছিলাম। এখনো আমরা বন্ধুরা মাঝে মাঝে সেই ভাষায় কথা বলি। মামুন এভাবেই আমাদের মাঝে বেচে থাকবে।
আমরা কৃতজ্ঞ সেই মানুষদের প্রতি যারা তার চিকিৎসার জন্য অর্থ ও ভালবাসা দিয়েছেন। তাদের ভালবাসা মামুনকে অনেকটা সময় বাচিয়ে রেখেছে। আমাদের শক্তি যুগিয়েছে তার চিকিৎসার জন্য। অসময়ে চলা যাওয়া বন্ধুর পক্ষে সকলকে কৃতজ্ঞতা জানাই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



