আমার প্রিয় পোস্ট
- আসেন ফন্টের দুনিয়াই ভাইসা যায়(পৃথিবীর সব ধরনের ফন্ট কালেকশন)







- বিডি গ্লাডিওটোর
- জানুন আপনার সেল ফোনটি আসল কিনা














- টিপস ম্যান
- নাস্তানাবুদ নাস্তিকতা : নাস্তিকতার অসারতা প্রমাণকারী ব্লগ পোষ্ট সঙ্কলন - স্বর্ণলতা
- ·٠•●♥ •●♥ •♫♫♫♫♫ কালেকশনে রাখুন উপমহাদেশের সেরা কিছু ইনস্ট্রুমেন্টাল এ্যালবাম - আমার আপলোড করা ♫♫♫·٠ -•●♥ ♫♫♫·٠ - কবির চৌধুরী
- নিজের সম্পাদনায়->> নিজেই হয়ে যান: আবৃত্তিকার.. - মুসাফির...
- বাংলাব্লগের লিংক খুঁজছেন?? এই নিন বাংলা ব্লগের লিংক; আর মজা করে ব্লগিং করুন। - আজাদ আল্-আমীন
- সাইবারপরিসরে, বিকল্প মাধ্যমের খোঁজে - ফাহমিদুল হক
- মুহাম্মদ (সাঃ)-কে নিয়ে ব্লগ - এস. এম. রায়হান
- বিংশ শতাব্দীর কিছু উল্লেখযোগ্য বক্তৃতা - নাজনীন১
- তাবিজ-কবজ সম্পর্কে মাওলানা মুহিউদ্দীন খানের বক্তব্য এবং এর জবাব - সৈয়দ মবনু
- বিনামূল্যে পড়ুন MIT (Massachusetts Institute of Technology) তে - আলামিনস্টাইন
- পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা মুসলমানদের জন্য আত্মহত্যা'মাওলানা আবুল কালাম আজাদ - শাহানূর
- জন হেনরীর হাতুড়ি: "আমি মেশিনের হবো প্রতিদ্বন্দ্বী" - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ***টিপসঃ ইসলাম বিষয়ক প্রশ্ন বা ইসলামকে হেয় করে কোন লেখা দেখলে যা করণীয়*** - উমর
- ফ্রী ই-বুক ডাউনলোডের জন্য সেরা ১০টি ওয়েব সাইট - ইমতিয়াজ মাহমুদ সজিব
- এন্টি গল্প > সেই ডানকানা মাছটি আর ফিরে আসেনি > - মনজুরুল হক
- ই-বুকঃ ইসলাম ও নাস্তিকতা ২০১০ - ফুয়াদ০দিনহীন
- নাস্তিকতার স্বপক্ষের বহুল প্রচলিত যুক্তি খণ্ডন - এস. এম. রায়হান
- যারা অনুবাদকৃত কোরআন এবং অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের ভালো WebSite Link চান, তাদের জন্য

- কঠিন চিজ
- ** নাম না জানা (!) কিছু অসাধারন ও ফাটাফাটি সফটওয়্যার ** - একান্ত কথা
- বাংলা ব্লগ'স্ফেয়ারে মুক্ত'চিন্তার গুরুত্বপূর্ণ লেখা/পোস্ট/ব্লগ সংগ্রহের উদ্যোগঃ সচেতন সকলে'র অংশগ্রহন কাম্য … - মনির হাসান
- আমরা ৭২ এর সংবিধানে ফেরত যাবো নাকি যাবো না? - যারা ৭২ এর সংবিধান ও বর্তমান সংবিধান এর মধ্যে বিরোধ কি তা ভালো ভাবে বোঝেন না, তাদের জন্য এই পোস্ট। - নাহিদ মাহমুদ
- ভাইরাস ডিলিট করুন manually - অনিকেত প্রান্তর
- তপঃসিদ্ধ এক শাহ আবদুল করিম - আকাশ অম্বর
- ইন্টারনেটের যে সাইটগুলোতে সারাদিন কাটাই

- অরণ্যচারী
- মুনাফিক মওদুদী - তুষারপাত
- আমার প্রিয় লেখাগুলি নিয়ে ই-বুক - নাজিল আযামী
- বাংলা বই এর সাইট - মাহবুব জামান আশরাফী
- কমেডী ভিডিওগুলো। হা হা চে থে প গে
- শূন্য আরণ্যক
- যুগে যুগে সামহয়্যার ইন ব্লগ (স্ক্রিনশট) - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- সামহয়ারে আসার আগে আমি যে লেখকদের চিনতাম পরে সামহয়ারেও যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন - মাহবুব মোর্শেদ
- Task Manager ডিজাবল হয়ে গেলে তা ফিরিয়ে আনবেন কিভাবে? - আলোকিত পৃথিবী
- স্মৃতির পাতা জুড়ে প্রিয় চৌধুরী জাফরুল্লাহ শরাফত - সীমান্ত আহমেদ
- রাহুল দেব বর্মন আছেন, থাকবেন। চিরকাল.......... - কপোত
- যদি ফেসবুক সহ আরো সাইট ব্যান হয়, তাহলে কী করবেন? - ত্রিভুজ
- মুছে যাওয়া ফাইল, ফোল্ডার পুনরুদ্ধার করুন নিমেষে। - কপোত
- ফ্রী সিডি! ফ্রী সিডি!! ফ্রী সিডি!!! কত সিডি দরকার আপনার?
- ইন্ঞ্জিনিয়ার
- গ্রামীনফোন মোডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের(একটেল, বাংলালিংক,ওয়ারিদ) ইন্টারনেট ব্যাবহার - ফরহাদুল কবির
- ভাবছেন নির্লজ্জ, কিচ্ছু যায়-আসে না ( আমার এটম বোম
) - মেঘ
- প্রসঙ্গ নজরুল-গান্ধী : চমকে ওঠা ইতিহাসে কিছু বিভ্রান্তির জবাব - আবু নাঈম
- বাংলাদেশী মুদ্রার সচিত্র ইতিহাস - তুষারপাত
- কিছু প্রয়োজনীয় Google Seacrh টিপস n' টার্মস
- নাফিস ইফতেখার
- দিগন্ত ছোঁয়া বাঁশরীর সুর - রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত
- জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা নিয়ে স্বগতোক্তি এবং বিক্ষিপ্ত প্রশ্ন - সোজা কথা
- শিল্পী এস এম সুলতান ও ভিনসেন্ট ভ্যান গঘঃ জীবন কারিগর - নাস্তিকের ধর্মকথা
- বিকল্প কিছু সার্চ ইঞ্জিন - নাসির খান
- ... তাহলে ইসলামের "প্রানীর ছবি আকা হারাম"-নির্দেশটি কতটা যৌক্তিক ? - মনির হাসান
- ব্লগে আপনার পড়া সেরা ফান পোষ্ট কোনটা ?? - চিলে কোঠার সেপাই
- সব বাংলা বর্ণ নিয়ে বাক্য -এর উদাহরণ - সিউল রায়হান
- আগুন কমেন্ট সংকলন - আই লাভ ব্লগিং
- পাঁচ মিনিটে উইন্ডোজ ইনষ্টল- টিউটোরিয়াল - নাজিরুল হক
- ঈমান জোরদার করার জন্য বিভিন্ন ব্লগ হইতে সংগৃহিত ক্লাসিক লেখা - দ্বিতীয়নাম
- সবার জন্য দরকারী কিছু ওয়েবসাইট এর ঠিকানা - রন্টি চৌধুরী
- আগামীবার যখন উইন্ডোজ নতুন করে সেটআপ দেবেন....... - নাফিস ইফতেখার
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- ইসলাম শান্তির/অশান্তির ধর্ম নিয়ে ব্লগার আরিফুর রহমানের সাথে আলোচনা। - হ্যারি সেলডন
- সামহোয়ারে আপনার পড়া সেরা তিনটি লেখা কি কি? (উৎসর্গ, নাস্তিকের ধর্মকথা, বিবর্তনবাদী) - জ্বিনের বাদশা
- জয়নুল আবেদিনের কিছু ছবি... - নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা...
- যে বই গুলো পড়া দরকার (সবগুলোর লিস্ট) - সপ্নীল
- দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া -- ব্লগে বসে বিশ্বভ্রমণ - রাগিব
আমার রবীন্দ্র পাঠ, সঞ্চয়িতা এবং একটি স্পর্শকাতর ইস্যু।
০৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:১৯
আমার বয়স তখন সবে চৌদ্দ। নবম শ্রেনীতে উঠেছি। দুনিয়াটাকে মাত্র রঙিন রঙিন লাগা শুরু হয়েছে। সেবা'র পেপারব্যাক আর হুমায়ুনের বালক-বালিকার প্রেমের জগৎ ছেড়ে কাব্যের রাজপথে হাঁটাহাঁটি করতে মনস্থ করেছি। ব্যাপারটা এমন নয় যে তখন কবিতার প্রতি ততটা ভালোবাসা জন্মেছে। আসল ঘটনা ছিলো, বাঙালীর সে বয়সের স্বাভাবিক নিয়মেই, 'তুমি-আমি', 'খাই-যাই' কিংবা 'করি-ধরি' টাইপের ছন্দবিক্ষুব্ধ (!) কবিতা লিখবার জোর প্রচেষ্টা (অপচেষ্টা) চালাচ্ছি। কিন্তু, স্কুলের পাঠ্যবইয়ের বাইরে তেমন একটা কবিতা পড়া না থাকায় কলম হতে লেখাই বেরুচ্ছিলো না!
ভেবে দেখলাম কিছু কবিতা পাঠ আবশ্যক। পাশেই থাকতেন শ্যামল ভাই (এখন কিশোরগঞ্জ জেলা জজ)। শিল্প-সাহিত্যের সাথে তাঁর বেশ যোগাযোগ ছিল দেখতাম। অতএব, তাঁর কাছে গিয়ে ধর্ণা দিলাম, একটা কবিতার বই চাইলাম। তিনি ধরিয়ে দিলেন 'নির্মলেন্দু গুণ কবিতাসমগ্র'। 'প্রেমাংশুর রক্ত চাই' কিংবা 'হুলিয়া' পড়ে ভালো লাগলে ও সে বয়েসে এ সব বিপ্লবী কবিতার মর্মার্থ উদ্ধার আমার পক্ষে পুরোপুরি সম্ভব ছিল না! তার উপর ছন্দ-মাত্রার আগা মাথা নেই।
শেষ করে আবার গেলাম। এবার, এক কাঠি সরেস! ধরিয়ে দিলেন 'আল মাহমুদ কাব্যসমগ্র'। সন্দেহ নেই, এ কবিতা গুলো গুণের কবিতার চেয়ে ভালো লেগেছিল। 'সোনালি কাবিন' আর 'নোলক' পড়ে কী যে ভাল লেগেছিল, বোঝানো সম্ভব নয়। পুরো বইটাই গোগ্রাসে গিলে ফেললাম।
এবার, গিয়ে ভালো মত ধরলাম। রবীন্দ্রনাথের কবিতাসমগ্র দিতে হবে! তখন পর্যন্ত, রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে আমার ধারনা ছিলো এই রকম-
. উনি খুব ভালো কবিতা লিখতেন। সে জন্য তাঁকে কবিগুরু বলে।
. ১৯১৩ সালে 'গীতাঞ্জলী' কাব্যের জন্য উনি নোবেল পুরষ্কার পান। এ জন্য তাঁকে বিশ্বকবি বলে।
. উনি অনেক ভালো ভালো গান লিখেছেন যাকে রবীন্দ্র সংগীত বলে। (আরেক বড় ভাইয়ের কল্যানে তখন আমি সাগর সেনের ভক্ত)। আমাদের জাতীয় সংগীত ও একটা রবীন্দ্র সংগীত!
. গান ও কবিতার পাশাপাশি তিনি বেশ কিছু কঠিন কঠিন গল্প-উপন্যাস লিখেছেন যে ছোটদের বোঝার সাধ্য নেই।
(আমি আজো মনে করি, বাঙলাদেশের বেশীরভাগ মানুষের এর চেয়ে বেশী ধারনা নেই)
এই পরিমান রবীন্দ্র জ্ঞান সম্বল করে গিয়ে যখন দেখলাম, শ্যামল ভাই হাসি মুখে বিশ্বভারতীর ১৯ খন্ডের সবগুলো বের করেছেন, তখন আমার অবস্থা বুঝে দেখুন! বাংলাতে এক কথায়, চক্ষু চড়কগাছ বোধহয় একেই বলে! ও খোদা! এত কিছু লিখেছেন নাকি এ ভদ্রলোক?
যাই হোক, বুকে বল নিয়ে এগিয়ে গেলাম। কী মনে করে তৃতীয় খন্ডটা তুলে নিয়ে গেলাম। 'অনন্ত প্রেম' এর 'তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি শতরূপে শতবার' পড়ে একেবারে দেওয়ানা হয়ে গেলাম। সেখান থেকেই আমার রবীন্দ্র প্রেম শুরু।
কয়েক দিনের ভেতর হাতে এলো সুনীলের 'প্রথম আলো'। যে এই বই পড়ে নি সে জানেই না যে, সে কী হারিয়েছে। কবি হিসেবে রবীন্দ্রনাথের উত্থানকে একেবারে উপন্যাসের পাতায় বেঁধে ফেলে সুনীল একটা কাজের কাজ করেছেন। সে সময়ই সুনীলের একটা লেখায় পড়েছিলাম, 'রবীন্দ্রনাথের লেখা যে তন্ন তন্ন করে পড়ে নি, তার বাংলা ভাষায় কলম ধরার অধিকার নেই'। সামান্য আবেগমথিত অতিকথন মনে হলে ও রবীন্দ্রনাথের স্থান কোথায় সেটা ঠিকই বুঝে ফেলেছিলাম। পরবর্তীতে মৈত্রয়ী দেবীর 'মংপুতে রবীন্দ্রনাথ' পড়ে এই ভদ্রলোকের সাথে পরিচয়টুকু আরো গাঢ় হল।
তখনো 'সঞ্চয়িতা' নামের বাইরে এই সংকলন সম্পর্কে বেশী কিছু জানি না! একদিন কিভাবে যেন হাতে এসে গেলো। এরপর থেকেই এটি আমার নিত্য সহচর। 'গীতাঞ্জলী'র জন্য কবি নোবেল পেয়েছেন সত্যি, কিন্তু 'সঞ্চিয়তা'কে আমার এর চেয়ে ভালো বলে মনে হয় (যদিও গীতাঞ্জলীর ১৬ টি কবিতাও এখানে ঠাঁই পেয়েছে)! এক কথায়, একটা মাষ্টারপিস্। কী নেই এতে? প্রেম-বিরহ, আবেগ-উচ্ছ্বাস, থেকে শুরু করে মৃত্যু ভাবনা পর্যন্ত সবই এসেছে এখানে। শেষ বয়সের কয়েকটা কবিতা ছাড়া এ সংকলনের সবগুলো কবিতাই কবি নিজে বেছে নিয়েছেন। তাঁর ভাষায়, "আমার লেখা যে সকল কাব্যগ্রন্থ দীর্ঘকাল পাঠকদের পরিচিত, এই গ্রন্থে তাদেরই থেকে বিশেষ করে সংগ্রহ করা হয়েছে"।
এবার, বলি, এটি এতো প্রিয় কেন। আমার মনের যে কোন অবস্থায় একে আমি সহচর হিসেবে পেয়েছি। প্রথম প্রেমের বেলায় সে বলেছিল-
'তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি শতরূপে শতবার' (অনন্ত প্রেম)
কিংবা
'আর কতদুরে নিয়ে যাবে মোরে হে সুন্দরী'। (নিরুদ্দেশ যাত্রা)
আবার বিরহ বেলায় সে গেয়ে ওঠে-
'শুনেছি আমারে ভালই লাগে না নাইবা লাগিলো তোর'। (রাহুর প্রেম)
কঠিন জীবনের কথা বলে,
,আমি যে দেখেছি প্রতিকার হীন, শক্তের অপরাধে/ বিচারের বাণী নিরবে নিভৃতে কাঁদে' (প্রশ্ন)
পরবর্তী প্রজন্মের কথা,
'আজি হতে শতবর্ষ পরে/ কে তুমি পড়িছ বসি আমার কবিতাখানি/ কৌতুহলভরে,' (১৪০০ সাল)
মৃত্যু চিন্তা,
'একদিন এই দেখা হয়ে যাবে শেষ,/ পড়িবে নয়ন পরে অন্তিম নিমেষ।' (দূর্লভজন্ম)
মিথ্যের উপাসনা,
'রথযাত্রা, লোকারণ্য, মহা ধুমধাম/ ভক্তেরা লুটায়ে পথে করিছে প্রনাম/ পথ ভাবে,'আমি দেব, রথ ভাবে,'আমি'/ মূর্তি ভাবে, 'আমি দেব', হাসে অন্তর্যামী'।' (ভক্তিভাজন)
তারুণ্যের উচ্ছ্বাস,
'আজি এ প্রভাতে রবির কর,/ কেমনে পশিল প্রানের 'পর?' (নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ)
হাহাকার,
'তখন কাঁদি চোখের জলে দু’টি নয়ন ভরে/ তোমায় কেন দিই নি আমার সকল শূণ্য করে?' (কৃপণ)
স্রষ্টার রূপ,
'সীমার মাঝে, অসীম, তুমি বাজাও আপন সুর' (সীমায় প্রকাশ)
এমনি করে জীবনের পদে পদে একে পেয়েছি বলেই এটি এতটা আপন হয়ে আছে। হাসি-কান্নায়, বিরহ-বেদনায়, প্রেম-ভালবাসায়, একাকী প্রহরে, কিংবা একেবারে কোন কিছু ছাড়াই এই বইকে পাশে পেয়েছিলাম। এই অর্থে আমি একজন রবীন্দ্র ভক্ত।
সবশেষে, একটি স্পর্শকাতর ইস্যু।
. জমিদার রবীন্দ্রনাথ বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই শ্রেনীস্বার্থকে জয় করে সাধারণ প্রজাদের কাছাকাছি নেমে আসতে পারেন নি।
. সেই দৃষ্টিকোণ হতেই সম্ভবতঃ তিনি বঙ্গভঙ্গ এবং ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিরোধিতা করেছিলেন।
. ইংরেজ শাসনের প্রতি তাঁর নিরব সমর্থন ছিলো, যদিও পরে তিনি তাঁর ভুল বুঝতে পারেন।
. সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান বাঙ্গালী তাঁর লেখাতে এক প্রকার উপেক্ষিতই ছিলো। ভারতবর্ষের ইতিহাস আলোচনায় পুরো মোঘল-পাঠান আমলকে (আওরঙ্গজেব-শিবাজী দ্বৈরথ বাদে) তিনি যেন সচেতনভাবেই এড়িয়ে গিয়েছেন।
(কলেবর বৃদ্ধির আশংকায় এ সবের রেফারেন্স দিচ্ছিনা, প্রয়োজন হলে দিয়ে দেব)
এমতাবস্থায়, আমার কথা হলো, ভালো-মন্দ মিলিয়েই মানুষ। রবীন্দ্রনাথ ও মানুষ বৈ অন্য কিছু ছিলেন না। তাঁকে গুরুদেব আখ্যা দিয়ে মহামানবের পর্যায়ে তোলার কী দরকার? তাঁর জমিদারি কিংবা রাজনৈতিক সত্ত্বা, কখনো তাঁর কবি সত্ত্বাকে ছাড়িয়ে যেতে পারবে না, এরা তাঁর কবি মানসের উপর তেমন একটা প্রভাব ফেলেছে এমন ও নয়। রবীন্দ্রনাথ বাঙলা সাহিত্যের আকাশে সেই সূর্য যার কিরণকে অস্বীকার করে কেবলমাত্র অল্প কিছু দূর্লভ প্রতিভাবানই এখানে স্থান করে নিতে পেরেছেন। সুতরাং, তাঁর কবি সত্ত্বার সাথে অন্য কিছু মিশিয়ে না ফেলাই উত্তম। এতে আমরা অন্ততঃ রবীন্দ্রের সৃষ্টি হতে বঞ্চিত হব না, হতে চাই ও না!
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:২৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: লেখার কলেবর যত ছোটই হোক না কেন, মন্তব্যের কলেবর যথাসম্ভব বড় হওয়াই উত্তম।
লেখক মন্তব্য পাঠ করতে ভালোবাসেন।
যাই হোক, কালকের কবিতাটা পইড়া কমেন্ট দিয়া আসো, যাও!
হিহিহি।
"কয়েক দিনের ভেতর হাতে এলো সুনীলের 'প্রথম আলো'। যে এই বই পড়ে নি সে জানেই না যে, সে কী হারিয়েছে। কবি হিসেবে রবীন্দ্রনাথের উত্থানকে একেবারে উপন্যাসের পাতায় বেঁধে ফেলে সুনীল একটা কাজের কাজ করেছেন।"
ভাল একটা রেফারেন্স টেনেছেন আপনি।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও।
সাথে জাতীয় সংগীত বিষয়ে লেখাটারও লিঙ্ক থাকল।
Click This Link
লেখক বলেছেন: জ্বী, দু'টোই পড়েছি।
মন্তব্যের সুযোগ পাই নি।
ভালো লেখা নিঃসন্দেহে।
লেখক বলেছেন: সেটাই।
ধন্যবাদ।
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
'রবীন্দ্রনাথের লেখা যে তন্ন তন্ন করে পড়ে নি, তার বাংলা ভাষায় কলম ধরার অধিকার নেই'।সহমত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কিত তথ্যটা কি দিতে পারেন।
লেখক বলেছেন: খহুঁজি নি।
পেলে দেব।
অদ্রোহ বলেছেন:
লেখাটি কবিগুরু পড়লে তিনিও বোধহয় আপনার পদধূলি নিতেন।
লেখক বলেছেন: এভাবে লজ্জা দেবেন না জনাব।
তনুজা বলেছেন:
লেখাটা প্রিয়তে রাখলাম তবে রবীন্দ্রনাথের সমাজ সংস্কারের-- অন্যভাষায় জমিদারি কাজের সময়ও সমবায়ের কনসেপ্ট বিস্ময়কর। শিক্ষাবিস্তার সহ সামাজিক অনেক প্রচলিত ধারণার বিরুদ্ধে তার বৈপ্লবিক অবস্থান আছে
আপনার সাথে দ্বিমত নেই অনেকাংশেই , তবে এটাও সত্যি তার অনেক অবদানই তুলনায় অপ্রকাশ থেকেছে -- কবি পরিচয়ের আধিক্যে
লেখক বলেছেন: আমার কাছে তাঁর কবি সত্ত্বাটাকেই বড় মনে হয়েছে।
অন্য বিষয় গুলো একটু কন্ট্রোভার্সিয়াল এবং অপ্রাসংগিক মনে হওয়াতে সে সব আমি যথাসম্ভব এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি।
ধন্যবাদ।
সুবিদ্ বলেছেন:
রবি ঠাকুর তাঁর গরিব প্রজাদের কল্যাণার্থে অনেক কিছু করেছেন.......তখনকার প্রচলিত ধারা উপেক্ষা করে ছেলেকে বিলাত না পাঠিয়ে আমেরিকা পাঠিয়েছিলেন কৃষিবিদ্যা পড়তে, প্রথম ট্রাক্টর আমদানী করেছেন, সমবায় খামার করতে চেয়েছেন, 'আইল' উঠিয়ে দিয়ে জমির পরিমাণ বাড়াতে চেয়েছেন.........বঙ্গভঙ্গ কার্যকর এবং তার রদ করার বৃটিশ খেলায় জড়িয়ে না পড়তে চাওয়া থেকেই তিনি ঢাবি প্রতিষ্ঠা ইত্যাদির বিরোধিতা করেন.......
ইংরেজ শাসন নয়, জাতি হিসেবে ওদের ঐতিহাসিক অর্জনগুলোর প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন........
যেহেতু তিনি ছিলেন অমুসলিম, তাই তাঁর পক্ষে হয়তো মুসলমান সম্প্রদায়ের খুঁটিনাটি তুলে ধরা সম্ভব নয়, এই অবস্থাণ ছিলেন তিনি......উল্টো তিনিই আবুল ফজলকে লেখা এক চিঠিতে বলেছিলেন, আপনাদের লেখায় মুসলিম ঐতিহ্য আরো ভালো করে ফুটিয়ে তোলা দরকার(!!)..........
লেখক বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম।
ধন্যবাদ।
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
'প্রথম আলো'তে রবি'র কিরণছটা বিচ্ছুরিত। আর, 'সেই সময়'-এ সবে মাত্র প্রস্ফুটিত। দু্টি বই-ই অবশ্যপাঠ্য্।আর, কবিগুরু'র কাব্যময়তার সাথে জমিদারির বিধিকে মিশিয়ে ফেলার দর্কার নেই।
রবীন্দ্রনাথের লেখনী সবসময়ই শক্তি জোগায়, ভালোবাসা ছড়ায়, দু:খ ভোলায়।
++
আর, আপনার প্রথম পাঠ্য বইগুলা নির্বাচন.. আসলেই অসাধারণ!! শিশুপাঠ্য!!!
লেখক বলেছেন: জ্বী, জ্বী, ঠিক বলেছেন।
ঐ গুলো শিশুপাঠ্যই ছিলো!
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন:
আমার বাবা আমাকে ছোটবেলায় সঞ্চয়িতা পড়ে (আবৃত্তি করে) শোনাতেন। কর্ণ-কুন্তী সংবাদের কি অদ্ভুত সেই আবেগ... যেখানে কুন্তী তার পরিত্যাক্ত সন্তান কর্ণকে রাজ্যের লোভ দেখায়, আর কর্ণ উত্তর দেয় 'যার হতে ছিনিয়াছো মাতৃস্নেহপাশ, তাহারে দিতেছো মাতঃ রাজ্যের আশ্বাস !'... পড়তে পড়তে আমার বাবার চোখ ভিজে উঠতো। তখন আমি বুঝতাম না, কিন্তু এখন ভাবলে আমারও চোখ ভিজে ওঠে। আসলে বঙ্গভঙ্গ বিরোধিতার ব্যাপারে কবিগুরুর দোষ দেয়া যায় না, কারণ পশ্চিমবঙ্গের অনেক কবি-সাহিত্যিকই বঙ্গভঙ্গকে সমর্থন করেন না, এক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখাগুলোই যদি ভালো করে পড়ে থাকেন তাহলে দেখবেন যে তার লেখায় বঙ্গভঙ্গের ব্যাপারে কি বিপুল পরিমাণ হাহাকার উঠে এসে এসেছে।
লেখক বলেছেন: বঙ্গভঙ্গে বিরোধিতার সাথে দোষ-গুন বরং হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের স্বার্থ জড়িত ছিল। একে দেশপ্রেমের প্রলেপ দেবার চেষ্টা করা হয়েছে মাত্র।
ত্রিভুজ বলেছেন:
ভাল লিখেছেন। প্রিয়তে..
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন:
"যেহেতু তিনি ছিলেন অমুসলিম, তাই তাঁর পক্ষে হয়তো মুসলমান সম্প্রদায়ের খুঁটিনাটি তুলে ধরা সম্ভব নয়, "এই যুক্তি কি গ্রহনযোগ্য?
সমসাময়ীক কলের কবি নজরুলের লেখায়তো হিন্দু দেব-দেবীর কথা তাদের জীবনাচরণের কথা প্রচুর আছে।
বাঙ্গালী জাতীর ৫০% এরও বেশী যেখানে মুসলমান, ওনার জমিদারীছিল যেই কুস্টিয়ায় সেখানেও মুসলমানরাই ছিল সংখ্যা গরিষ্ঠ তার পরও ওনার লেখায় মুসলমানদের অনুপস্থিতিকে আমারকাছে নিতান্তই ইচ্ছাকৃত এবং সংকীর্ণতা বলে মনে হয়।
যাই হোক - একজন মানুষের সবকিছু ভাল হতে পারে না - আর রবিন্দ্রনাথ একজন মানুষ ছিলেন - এটাই নির্মম সত্য।
লেখক বলেছেন: এদ্দিন পর লেখাটি খুঁজে বের করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















এক জায়গায় ভালো মিলে গেল।
আমিও এই লাইন পইড়া পুরা দিওয়ানা হইছিলাম
'তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি শতরূপে শতবার' (অনন্ত প্রেম)
সবচেয়ে ভালো লাগলো যেই কথাটা হইল
সুতরাং, তাঁর কবি সত্ত্বার সাথে অন্য কিছু মিশিয়ে না ফেলাই উত্তম।
কলেবর বাড়তে পারে বলেই আমিও কিছু বললাম না। নয়তো তোমার কথার পালটি কিছু কথা আমারো ছিল।