আমার প্রিয় পোস্ট
- আসেন ফন্টের দুনিয়াই ভাইসা যায়(পৃথিবীর সব ধরনের ফন্ট কালেকশন)







- বিডি গ্লাডিওটোর
- জানুন আপনার সেল ফোনটি আসল কিনা














- টিপস ম্যান
- নাস্তানাবুদ নাস্তিকতা : নাস্তিকতার অসারতা প্রমাণকারী ব্লগ পোষ্ট সঙ্কলন - স্বর্ণলতা
- ·٠•●♥ •●♥ •♫♫♫♫♫ কালেকশনে রাখুন উপমহাদেশের সেরা কিছু ইনস্ট্রুমেন্টাল এ্যালবাম - আমার আপলোড করা ♫♫♫·٠ -•●♥ ♫♫♫·٠ - কবির চৌধুরী
- নিজের সম্পাদনায়->> নিজেই হয়ে যান: আবৃত্তিকার.. - মুসাফির...
- বাংলাব্লগের লিংক খুঁজছেন?? এই নিন বাংলা ব্লগের লিংক; আর মজা করে ব্লগিং করুন। - আজাদ আল্-আমীন
- সাইবারপরিসরে, বিকল্প মাধ্যমের খোঁজে - ফাহমিদুল হক
- মুহাম্মদ (সাঃ)-কে নিয়ে ব্লগ - এস. এম. রায়হান
- বিংশ শতাব্দীর কিছু উল্লেখযোগ্য বক্তৃতা - নাজনীন১
- তাবিজ-কবজ সম্পর্কে মাওলানা মুহিউদ্দীন খানের বক্তব্য এবং এর জবাব - সৈয়দ মবনু
- বিনামূল্যে পড়ুন MIT (Massachusetts Institute of Technology) তে - আলামিনস্টাইন
- পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা মুসলমানদের জন্য আত্মহত্যা'মাওলানা আবুল কালাম আজাদ - শাহানূর
- জন হেনরীর হাতুড়ি: "আমি মেশিনের হবো প্রতিদ্বন্দ্বী" - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ***টিপসঃ ইসলাম বিষয়ক প্রশ্ন বা ইসলামকে হেয় করে কোন লেখা দেখলে যা করণীয়*** - উমর
- ফ্রী ই-বুক ডাউনলোডের জন্য সেরা ১০টি ওয়েব সাইট - ইমতিয়াজ মাহমুদ সজিব
- এন্টি গল্প > সেই ডানকানা মাছটি আর ফিরে আসেনি > - মনজুরুল হক
- ই-বুকঃ ইসলাম ও নাস্তিকতা ২০১০ - ফুয়াদ০দিনহীন
- নাস্তিকতার স্বপক্ষের বহুল প্রচলিত যুক্তি খণ্ডন - এস. এম. রায়হান
- যারা অনুবাদকৃত কোরআন এবং অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের ভালো WebSite Link চান, তাদের জন্য

- কঠিন চিজ
- ** নাম না জানা (!) কিছু অসাধারন ও ফাটাফাটি সফটওয়্যার ** - একান্ত কথা
- বাংলা ব্লগ'স্ফেয়ারে মুক্ত'চিন্তার গুরুত্বপূর্ণ লেখা/পোস্ট/ব্লগ সংগ্রহের উদ্যোগঃ সচেতন সকলে'র অংশগ্রহন কাম্য … - মনির হাসান
- আমরা ৭২ এর সংবিধানে ফেরত যাবো নাকি যাবো না? - যারা ৭২ এর সংবিধান ও বর্তমান সংবিধান এর মধ্যে বিরোধ কি তা ভালো ভাবে বোঝেন না, তাদের জন্য এই পোস্ট। - নাহিদ মাহমুদ
- ভাইরাস ডিলিট করুন manually - অনিকেত প্রান্তর
- তপঃসিদ্ধ এক শাহ আবদুল করিম - আকাশ অম্বর
- ইন্টারনেটের যে সাইটগুলোতে সারাদিন কাটাই

- অরণ্যচারী
- মুনাফিক মওদুদী - তুষারপাত
- আমার প্রিয় লেখাগুলি নিয়ে ই-বুক - নাজিল আযামী
- বাংলা বই এর সাইট - মাহবুব জামান আশরাফী
- কমেডী ভিডিওগুলো। হা হা চে থে প গে
- শূন্য আরণ্যক
- যুগে যুগে সামহয়্যার ইন ব্লগ (স্ক্রিনশট) - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- সামহয়ারে আসার আগে আমি যে লেখকদের চিনতাম পরে সামহয়ারেও যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন - মাহবুব মোর্শেদ
- Task Manager ডিজাবল হয়ে গেলে তা ফিরিয়ে আনবেন কিভাবে? - আলোকিত পৃথিবী
- স্মৃতির পাতা জুড়ে প্রিয় চৌধুরী জাফরুল্লাহ শরাফত - সীমান্ত আহমেদ
- রাহুল দেব বর্মন আছেন, থাকবেন। চিরকাল.......... - কপোত
- যদি ফেসবুক সহ আরো সাইট ব্যান হয়, তাহলে কী করবেন? - ত্রিভুজ
- মুছে যাওয়া ফাইল, ফোল্ডার পুনরুদ্ধার করুন নিমেষে। - কপোত
- ফ্রী সিডি! ফ্রী সিডি!! ফ্রী সিডি!!! কত সিডি দরকার আপনার?
- ইন্ঞ্জিনিয়ার
- গ্রামীনফোন মোডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের(একটেল, বাংলালিংক,ওয়ারিদ) ইন্টারনেট ব্যাবহার - ফরহাদুল কবির
- ভাবছেন নির্লজ্জ, কিচ্ছু যায়-আসে না ( আমার এটম বোম
) - মেঘ
- প্রসঙ্গ নজরুল-গান্ধী : চমকে ওঠা ইতিহাসে কিছু বিভ্রান্তির জবাব - আবু নাঈম
- বাংলাদেশী মুদ্রার সচিত্র ইতিহাস - তুষারপাত
- কিছু প্রয়োজনীয় Google Seacrh টিপস n' টার্মস
- নাফিস ইফতেখার
- দিগন্ত ছোঁয়া বাঁশরীর সুর - রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত
- জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা নিয়ে স্বগতোক্তি এবং বিক্ষিপ্ত প্রশ্ন - সোজা কথা
- শিল্পী এস এম সুলতান ও ভিনসেন্ট ভ্যান গঘঃ জীবন কারিগর - নাস্তিকের ধর্মকথা
- বিকল্প কিছু সার্চ ইঞ্জিন - নাসির খান
- ... তাহলে ইসলামের "প্রানীর ছবি আকা হারাম"-নির্দেশটি কতটা যৌক্তিক ? - মনির হাসান
- ব্লগে আপনার পড়া সেরা ফান পোষ্ট কোনটা ?? - চিলে কোঠার সেপাই
- সব বাংলা বর্ণ নিয়ে বাক্য -এর উদাহরণ - সিউল রায়হান
- আগুন কমেন্ট সংকলন - আই লাভ ব্লগিং
- পাঁচ মিনিটে উইন্ডোজ ইনষ্টল- টিউটোরিয়াল - নাজিরুল হক
- ঈমান জোরদার করার জন্য বিভিন্ন ব্লগ হইতে সংগৃহিত ক্লাসিক লেখা - দ্বিতীয়নাম
- সবার জন্য দরকারী কিছু ওয়েবসাইট এর ঠিকানা - রন্টি চৌধুরী
- আগামীবার যখন উইন্ডোজ নতুন করে সেটআপ দেবেন....... - নাফিস ইফতেখার
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- ইসলাম শান্তির/অশান্তির ধর্ম নিয়ে ব্লগার আরিফুর রহমানের সাথে আলোচনা। - হ্যারি সেলডন
- সামহোয়ারে আপনার পড়া সেরা তিনটি লেখা কি কি? (উৎসর্গ, নাস্তিকের ধর্মকথা, বিবর্তনবাদী) - জ্বিনের বাদশা
- জয়নুল আবেদিনের কিছু ছবি... - নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা...
- যে বই গুলো পড়া দরকার (সবগুলোর লিস্ট) - সপ্নীল
- দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া -- ব্লগে বসে বিশ্বভ্রমণ - রাগিব
হাজ্জাজ বিন ইউসুফ- যে অত্যাচারীর হাতে ফুটল সাহারার ফুল!
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১১
“দুনিয়ার সকল জাতি যদি তাদের সমস্ত কুকীর্তি নিয়ে প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হয়, তাহলে আমরা কেবল হাজ্জাজ বিন ইউসুফের কুকীর্তি হাজির করেই সকলকে টেক্কা দিতে পারি।”- কথাগুলো বলেছিলেন হযরত ওমর বিন আব্দুল আজিজ (র)।
...........................................................................................
সিংহল হতে দামেশক যাচ্ছিল জাহাজটা। যাত্রীরা কয়েকজন আরব বনিকের এতিম পরিবার-পরিজন। সাথে সিংহলের রাজার পক্ষ হতে কিছু মূল্যবান উপহার সামগ্রীও ছিল, যা শুভেচ্ছার নিদর্শন হিসেবে যাচ্ছে দামেশক; খলিফা ওয়ালিদ বিন আবদুল মালিকের দরবারে। রসদ নিতে জাহাজটাকে পথে থামতে হল দেবল (করাচী) বন্দরে।
দেবল সিন্ধুর একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর। সিন্ধু অববাহিকার অসহায় মানুষ সে সময় শাসিত এবং শোষিত হচ্ছিল অত্যাচারী রাজা দাহিরের হাতে। উপহারসামগ্রীতে পূর্ণ ঐ জাহাজ দাহিরের লোভী চোখ এড়াতে পারল না। গিয়ে পড়ল কেমন করে যেন। আর যায় কোথায়? জাহাজের মালামাল লুট করে অসহায় যাত্রীদের বন্দী করা হল।
পার্শ্ববর্তী মাকরান তখন মুসলমানদের অধীনে। মাকরানের শাসনকর্তার দূত সমঝোতার প্রস্তাব নিয়ে গিয়ে দাহিরের দরবার হতে অপমানিত হয়ে ফিরে এল। এমনি সময় দাহিরের বন্দীশালা হতে কেমন করে যেন এক যুবক পালাতে সক্ষম হল। সাথে নিয়ে গেল এক চিঠি। অন্য এক বন্দিনী নিজের রক্ত দিয়ে লিখেছে সেটি আর প্রাপক ইরাকের প্রবল প্রতাপশালী শাসনকর্তা হাজ্জাজ বিন ইউসুফ!
কী ছিল সেই চিঠিতে? অসহায়ত্বের বর্ণনা আর আহাজারি? সাহায্যের আকূল আহবান? জানার আগে একটু হাজ্জাজ বিন ইউসুফের অতীতের খোঁজ নিই?
আরব উপদ্বীপের তায়েফ উপত্যকা; বনু সাকাফ গোত্রে জন্মেছিলেন ইউসুফের পূত্র হাজ্জাজ (৬৬১-৭১৪ খৃ.)। শিশুদের কুরআন শিক্ষা দেবার মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবনের শুরু। সে সময়ে এ পেশায় অনেক সম্মান থাকলেও পারিশ্রমিক ছিল নামমাত্র। উচ্চাভিলাষী হাজ্জাজের এত মন বসল না। উমাইয়া খলিফা আবদুল মালিক বিন মারওয়ানের বাহিনীতে ছোট্ট পদে যোগ দিয়ে চলে গেলেন দামেশক। অল্প দিনেই উমাইয়া পরিবারের প্রতি আনুগত্য এবং এ পরিবারের বিরোধীদের প্রতি নিষ্ঠুরতা তাঁকে খলিফার কাছাকাছি নিয়ে এল।
উমাইয়াদের ক্রমবর্ধমান অপশাসন ও ইসলামের মৌলনীতির প্রতি অবজ্ঞা মক্কায় সাহাবী আবদুল্লাহ ইবন যুবাইরকে(রা) বাধ্য করল বিদ্রোহের পতাকা উড্ডীন করতে(৬৯২ খৃ.)। আর সকলে যখন এ সম্মানিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অস্ত্রধারনে অক্ষমতা প্রকাশ করল তখন একা হাজ্জাজ এগিয়ে গেলেন। প্রবলবেগে মক্কা অবরোধ আবরোধ করলেন। ভীষনভাবে পাথর নিক্ষিপ্ত হতে লাগল মক্কার লোকালয়ে, ভেঙ্গে পড়ল পবিত্র ক্বাবার একপাশের দেয়াল! অবশেষে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হল, যুবাইর ইবন আওয়াম(রা)ও আসমা বিনতে আবুবকরের(রা) পুত্র আবদুল্লাহ ইবন যুবাইরকে(রা)। কর্তিত মস্তক পাঠানো হল আবদুল মালিকের দরবারে!
![]()
উমাইয়া রাজতন্ত্রের পথে একটা বড় বাধা দূর হল আর বিনিময়ে হাজ্জাজ পেলেন সালতানাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং অশান্ত প্রদেশ ইরাকের শাসনভার। এখানেও হাজ্জাজের নির্মমতা জারি থাকল। কথার যাদুকর ছিলেন হাজ্জাজ। অশান্ত ইরাকবাসীকে শান্ত করতে তাঁর কথাগুলো ছিল এমন- “আমি দেখতে পাচ্ছি, চোখের দৃষ্টি উপরের দিকে উঠছে, মাথাগুলো সোজা হয়ে দাঁড়াতে চাইছে, মাথার ফসল যেন পেকে উঠেছে আর কেটে ফেলবার সময়ও উপস্থিত হয়েছে! আমার দৃষ্টি সেই বস্তু দেখছে যা পাগড়ী আর দাঁড়ির মধ্যখান দিয়ে প্রবাহিত হবে!”।
কবরস্থানের শান্তি চেয়েছিলেন তিনি! বলা হয়ে থাকে, তাঁর দুই দশকের (৬৯৪-৭১৪ খৃ.)শাসনামলে নূন্যতম সোয়া লক্ষ নিরপরাধের জীবন গিয়েছে আর আশি হাজারের উপরে নিরপরাধ অন্ধকার কারা প্রকোষ্ঠে নির্যাতিত হয়েছে। এভাবে, উমাইয়া শাসনের ভীত মজবুত করতে অসামান্য অবদান রাখেন হাজ্জাজ। মূমুর্ষূ আবদুল মালিক(৬৮৫-৭০৫ খৃ.) তাই স্বীয় পুত্র এবং উত্তরাধিকারী ওয়ালিদকে অন্তিম নসিহতকালে এ অবদান স্মরণে রেখে হাজ্জাজের কদর করতে বলে যান।
ওয়ালিদ (৭০৫-৭১৫ খৃ.) পিতার নসিহত ভোলেন নি। তবে, হাজ্জাজকে তিনি ব্যবহার করলেন পূর্ব-পশ্চিমের বিস্তীর্ণ ভূমিতে ইসলামের বিজয় পথকে নিষ্কন্টক করবার কাজে! দস্যূর হাতে পড়ে যে অস্ত্র এতদিন প্রানহরণের কাজে ব্যবহৃত হয়েছে অবলীলায়, এবার বৈদ্যের হাতে এসে রূপান্তরিত হল অমূল্য প্রানদায়িনী শক্তিতে।
অনারবদের কুরআনের পঠনে সুবিধা করে দিতে হাজ্জাজ আরবীতে স্বরবর্ণের (যের-জবর-পেশ)ব্যবহার আবিষ্কার করলেন। উত্তর আফ্রিকা, স্পেন আর তুর্কিস্তানের জনপদগুলোতে হাজার বছর ধরে নিষ্পেষিত জনতার ফরিয়াদ শুনতে পেয়ে তাদের মুক্তির দিশা দিতে ছুটে যেতে শুরু করল তাঁর সেনাবাহিনী। তাঁরই নিয়োজিত সেনাপতিদের মধ্যে মূসা ইবন নুসাইর উত্তর আফ্রিকায়, তারিক বিন যিয়াদ স্পেনে আর কুতায়বা বিন মুসিলম তুর্কিস্তানে ইসলামের বিজয় পতাকা উড্ডীন করলেন।
আমাদের আলোচিত সেই চিঠি এমনি সময় হাজ্জাজের হাতে এল। দাহিরের হাতে আরবীয় নারী-শিশুর বন্দীত্বের কথা তিনি শুনেছিলেন আগেই। কিন্তু, পূর্ব আর উত্তরে সমস্ত সৈন্যবাহিনী ব্যতিব্যস্ত থাকায় কিছুই করা সম্ভব হচ্ছিল না। কিন্তু, আক্ষরিক অর্থেই রক্তের অক্ষরে লেখা সে চিঠি আগুন ধরিয়ে দিল তার মনে। চিঠির ভাষ্য ছিল অনেকটা এরকম।
“হাজ্জাজের রক্ত যদি শীতল হয়ে গিয়ে থাকে তবে এ পত্রও বিফল প্রমানিত হবে। যে জাতির যুবকেরা ঝড়-ঝঞ্ঝার বেগে তুর্কিস্তান আর আফ্রিকার উপকূলে ঘা দিয়ে যাচ্ছে, তা কি স্বজাতির অসহায় নারী-শিশুর ক্রন্দনধ্বনি শুনতে পায় না? এ কী করে সম্ভব যে, যে জাতির তলোয়ারের সামনে একদিন কায়সার ও কিসরা মাথা ঝুঁকিয়ে দিয়েছিল, আজ অত্যাচারী সিন্ধু রাজের সামনে তা ভোঁতা প্রমানিত হবে?”
দুই দশক পূর্বে আবুবকরের(রা) নাতির খন্ডিত মস্তক নিয়ে উল্লাস করতে যে হাজ্জাজের হৃদয় কাঁপে নি, সেই হাজ্জাজের চোখে আজ অশ্রুর বন্যা নেমে এল! খোদার খেলা বোঝা ভার!
খলিফা ওয়ালিদের কাছ হতে জিহাদের অনুমতি নিতে দেরী হল না হাজ্জাজের। দলে দলে স্বেচ্ছাসেবকেরা যোগ দিতে লাগল। ভাবতে অবাক লাগে, কী উঁচুমানের আদর্শ আর কর্তব্যবোধের অধিকারী ছিলেন সে সময়ের জনগণ! পরিবার-পরিজনের অনেকেই হয়তো হাজ্জাজের নির্যাতনের শিকার , কেউ কেউ হয়তো তখনো বন্দীশালায় মৃত্যুর প্রহর গুনছে! তা সত্ত্বেও আফ্রিকা-তূর্কিস্তানে যেমনি করে তাঁরা সব ভুলে দলে দলে যোগ দিয়েছেন, তেমনি করে সিন্ধু অভিযানেও পিছ পা হলেন না। হাজ্জাজের ভ্রাতুষ্পুত্র ও একইসাথে জামাতা সতের বছরের মুহাম্মাদ বিন কাসিমের নেতৃত্বে অনুর্ধ্ব দশ হাজারের বাহিনী নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়লেন দাহিরের লক্ষাধিক সৈন্যের মোকাবিলায়। অত্যাচারী রাজার সৈন্যের সংখ্যাধিক্য আর সিন্ধু নদের উত্তাল তরঙ্গ কিছুই রুখতে পারল না তাঁদের। দুই বছরেরও কম সময়ের মধ্যে সিন্দু আর মুলতানে ইসলামের বিজয় পতাকা উড্ডীন হল। ঐ ক’জন আরবীয় বন্দীর সাথে সাথে মুক্তি পেল সেই সব অসহায় জনগণ জন্মগত উচ্চ-নীচের বিধান যাদের এতদিন অত্যাচারীর পায়ের নীচে পিষ্ট করে দিচ্ছিল।
![]()
আজ তাই, বলতে দ্বিধা নেই, এই অনন্য বিজয়গাঁথা যা হাজ্জাজ বিন ইউসুফের নামের সাথে যুক্ত করা হয়, তা প্রকৃতপক্ষে সেইসব আপামর জনসাধারণের বিজয় যাঁরা নিজেদের ঘৃনা আর ব্যক্তিগত ক্ষোভকে পাশে রেখে জাতির বৃহত্তর প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার প্রদান করেছেন। ইসলাম ও মানবতার প্রতি তাঁদের ভালবাসা ও আন্তরিকতাই এইসব বিজয়ের ভীত গড়ে দিয়েছে। হাজ্জাজ সেই পথে ব্যবহৃত হয়েছেন মাত্র।
তথ্যসূত্রঃ
১. হাজ্জাজ বিন ইউসুফ- উইকিপিডিয়া
২. খেলাফত ও রাজতন্ত্র- সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী
৩. জীবন সায়াহ্নে মানবতার রূপ- মাওলানা আবুল কালাম আজাদ
৪. মুহাম্মাদ বিন কাসিম- নসীম হিজাযী
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
রাজসোহান বলেছেন:
পুত্তুম প্রেইওতে লইলাম
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মো: ইউসুফ বলেছেন:
++++++++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মধুখোর বলেছেন:
খলিফা মনসুর ছিল হাজ্জাজের চেয়েও বড় জল্লাদ। মুসলমান খলিফাদের ইতিহাস কেবল খুন-খারাবী ও উন্মত্ত ভোগের ইতিহাস। আবু বকরের পর তিনজন খলিফা মুসলমানদের হাতেই নিহত হন। এ ছাড়াও খুন হন হাসান ও হোসেন। এখনো আফ্রিকা থেকে দূর প্রাচ্য পর্যন্ত এ হানাহানি অব্যাহত আছে। মওদূদীর বই থেকে সাবধান। ব্যাটা বড় মতলববাজ। সে ইসলামকে রাজনৈতিক চরিত্রদান করেছে।
লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যই প্রমান করছে যে, আপনি ইসলামের ইতিহাসের একপেশে পাঠক অথবা শ্রোতা।
মওদূদীর বই নিয়ে সারাজীবনে এত সাবধানবানী শুনেছি যে, এখন হাসি পায়!
অলস ছেলে বলেছেন:
সুন্দর লিখেছেন। মন থেকে একটা কথা বলি, কিছু মনে করবেন না। খেলাফত ও রাজতন্ত্র মওদুদীর চমৎকার পান্ডিত্যের একটা ফসল, কিন্তু এখানে উনার ইসলামকে অতিরাজনৈতিক করার যে প্রবণতা, তার প্রকাশ হয়েছে। যেটা উনার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের সহায়ক কিন্তু ততটা ইসলামের জন্য না বলেই আমার ব্যাক্তিগত অভিমত। আমি সামান্য ছাত্র এবং জ্ঞান অনেক কম, কিন্তু তবুও স্পর্ধা করেই বলছি, এ বইটা একটা রিসার্চওয়ার্ক আগের ঐতিহাসিক সুত্রগুলোকে ম্যানিপুলেট করে। সুতরাং ইসলামের স্বার্থে শাসনব্যবস্থার বিবর্তনের ইতিহাস এ বইটা না পড়ে বরং এর বিবলিওগ্রাফীগলো পড়ে বুঝা বেশি দরকার। আর নসীম হিজাযীর বইটা তো উপন্যাস, রেফারেন্স হতে পারে না।
পোষ্টের মূল বক্তব্যে একদিকে একমত, আবার কিছুটা সংশয়ও আছে। হাজ্জাজের অবিস্মরণীয় অবদান অনস্বীকার্য, বিশেষ করে কুরআনে তাশকীল। কিন্তু এ সময়েই মুসলিমদের মধ্যে স্বৈরাচারী শাসন ব্যাবস্থা মেনে নেয়ার জাতিগত অভ্যাস পোক্ত হতে আরম্ভ হয়।
ধন্যবাদ আপনাকে কষ্ট করে লিখার জন্য। আরো লিখবেন আশা করি।
লেখক বলেছেন: খেলাফত ও রাজতন্ত্র বইটা নিয়ে বিতর্কের পুরোটাই আমার জানা রয়েছে। তাই, এখান হতে আমি কেবল ততটুকুই নিয়েছি, যতটুকু অন্য দুইটি হতে সমর্থন পেয়েছি।
নসীম হিজাযীর মুহাম্মাদ বিন কাসিম হতে কেবলমাত্র বন্দিনীর চিঠির ভাষ্যটুকু নিয়েছি।
আর খেলাফত ও রাজতন্ত্রের মধ্য দিয়ে ইসলামের রাজনীতিকীকরণের প্রবনতা নিয়ে আমার ও নিজস্ব চিন্তাধারা রয়েছে। মনে হচ্ছে, এই বইটা নিয়ে একটা রিভিউ লেখার সময় এসে গিয়েছে! মানুষের জুতা না পড়লেই হয়।![]()
এ সময়েই মুসলিমদের মধ্যে স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থা মেনে নেয়ার জাতিগত অভ্যাস পোক্ত হতে আরম্ভ হয়। সহমত।
সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আপনি যা বলেন, তা মন থেকেই বলে বলে বিশ্বাস করি। অতএব, কিছু মনে করার প্রশ্নই আসে না........
আবূসামীহা বলেছেন:
শেখ ফজলে এলাহী বলেছেন: খলিফা মনসুর ছিল হাজ্জাজের চেয়েও বড় জল্লাদ। মুসলমান খলিফাদের ইতিহাস কেবল খুন-খারাবী ও উন্মত্ত ভোগের ইতিহাস। আবু বকরের পর তিনজন খলিফা মুসলমানদের হাতেই নিহত হন।==================================
তিন খলীফা মুসলমানদের হাতে নিহত হননি। উমর [রাঃ] নিহত হয়েছিলেন অগ্নিপূজারী আবূ লু'লু ফিরোজ়ের হাতে।
লেখক বলেছেন: আমি কিন্তু তাঁর কথার উত্তর দিই নি....কারন, তাঁর মন্তব্যই প্রমান করছে যে, তিনি ইসলামের ইতিহাসের একপেশে পাঠক অথবা শ্রোতা।
আপনাকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: প্লাস-মাইনাসে কিছুই এসে যায় না; পড়াটাই আসল কথা।
![]()
তারপরেও ধন্যবাদ।
রাজর্ষী বলেছেন:
সাহারার ফুল আবার কি জিনিষ। শিকড়হীন মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।
লেখক বলেছেন: আপনার ভাল লাগে নি, বুঝলাম।
কিন্তু, কেন ভাল লাগেনি তা একটু বিস্তারিত বলে গেলে ভাল হোত না!
বিডি আইডল বলেছেন:
পোষ্টটা প্রিয়তে নিয়ে রেখেছিলাম আগে..কমেন্ট করা হয়নি..ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ..........
ইশতিয়াক অাহমেদ বলেছেন:
আরেকটি ভালো লেখা...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ব্রাইটসেন্ট্রাল বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ধূসর মানচিত্র বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
এমডি লাভ বলেছেন:
ভাল লেগেছে,, কেমন আছেন?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ভাল আছি।
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
ভালো লেখা। খুব অল্পেই যেন শেষ হয়ে গেলো যে!
লেখক বলেছেন: একটু তাড়াহুড়াই হয়ে গেল তো!
িসপাহী বলেছেন:
অসাধারণ লেখা তার ছেয়ে অসাধারণ আমাদের মুসলিম খলিফারা
লেখক বলেছেন: মুসলিম খলিফারা সবাই অসাধারণ ছিলেন এ কথা বললে সত্যের অপলাপ হবে।
![]()
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
তায়েফ, আমার জ্ঞান এইদিকে খুবই সামান্য।
খিলাফত থেকে শুরু করে স্পেনপর্ব, এই সিকোয়ান্সে তোমার মত করেই লিখতে পারো। মনোযোগী পাঠক তো আমরা আছি।
লেখা অবশ্যই ভালো। না হলে কি আর ছোট মনে হয়।
লেখক বলেছেন: খিলাফত থেকে শুরু করে স্পেনপর্ব প্রায় সাড়ে আটশ' বছরের (৬৩২-১৪৯২খৃ.)ইতিহাস। সহজে এতখানি ইতিহাস তুলে আনা খুবই কষ্টসাধ্য। আমার মত নবীনের জন্য তো আরো কঠিন।
তারপরে ও আমার মত একটু একটু করে জানার চেষ্টা করছি। এই সিরিজের লেখাগুলো তারই অক্ষম বহিঃপ্রকাশ মাত্র।
কোন কোন মনযোগী পাঠক লেখকের জন্য প্রচুর সম্মানের কারন হয়ে থাকেন।
![]()
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন:
ভাল।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
নরাধম বলেছেন:
চলুক। হাজ্জাজের অবদান আছে এটা সত্যি, তবে তাঁকে গ্লোরিফাই করার মত লোকও না। মওদুদীর বইগুলোতে ইসলামের সবটাকে রাজনৈতিক চরিত্র দেওয়ার একটা চেষ্টা আছে, এমনকি তার তাহফীমুল কোরানেও। রাজনীতি ইসলামের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ সেটা ঠিক হলেও মওদুদীর একটা চেষ্টা থাকে যে ইসলাম শুধুই রাজনীতির জন্য এটা প্রতিষ্ঠা করা। আমি তাকে ইন্টেলেকচুয়াল ডিসঅনেস্টীর অপবাদ হয়ত দিবনা (অনেকেই দেয়, যেমন ফজলুর রহমান)। তবে এটা তার অবচেতন মনের প্রতিফলন হতে পারে, আমাদের অবচেতন মনে যা আছে আমরা সেভাবেই কোন ইভেন্ট/বইকে ইন্টারপ্রেট করি।
তবে লেখা ভাল লেগেছে। সোর্সগুলোকে একটু ডাইভার্সিফাই করে ওয়েস্টার্ন নিউট্রাল স্কলাররা কি বলে সেটাও অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।
লেখক বলেছেন: এই লেখায় আমি হাজ্জাজকে গ্লোরিফাই করার চেষ্টা করি নি। শেষ দুই প্যারা পড়লে হয়তো বুঝতে পারবেন।
মাওলানা মওদূদীর নিজস্ব ধ্যান-ধারনা নিয়ে বিকল্প মতামত থাকতেই পারে। আমিও সব ব্যাপারে একমত নয়ি। তবে, ইসলামের ঐ যুগের ইতিহাসের নিবিড় পাঠের জন্য 'খেলাফত আউর মুলুকিয়াত' বইটাকে সিলেবাসে রাখতেই হবে।
আর সোর্সের ব্যাপারে কথা হলো, বিতর্কিত কোন বিষয় নিয়ে কথা বলতে গেলেই কেবল ওয়েস্টার্ন স্কলারদের কথা নিয়ে আসার চেষ্টা করি, যদিও তাঁদের বেশীরভাগেরই নিউট্রালিটি নিয়ে সন্দেহের অবকাশ আছে। এখানে যেহেতু একেবারেই সবার জানা ঘটনাকে তুলে ধরেছি, সেজন্যে অন্য কোন রেফারেন্স না টেনে আমাদের হাতের কাছের রেফারেন্সগুলো ব্যবহার করেছি।
পড়ার জন্য এবং সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
ভাঙ্গন বলেছেন:
তায়েফ ভাই, আপনার গল্পের ফাঁকে ফাঁকে এমন অসাধারণ বিষয়গুলো তুলে আনা অনেক ভাল লাগে।আমরা আসলে ইসলামের ইতিহাস থেকে অনেক দুরে সরে পড়েছি।
আমাদের উচিত বেশি বেশি পড়া।
ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আসলে, ইতিহাসের সন-তারিখ আর রাজ-বাদশাদের কচ্কচানির চেয়ে আমার গল্প পড়তেই বেশী ভাল লাগে। আর নিজের ভাল লাগাটা অন্যের সাথে শেয়ার করতেই এই ধরনের লেখাগুলোর সুত্রপাত।
ইতিহাসের সঠিক পাঠ সবার জন্যই জরুরী। পশ্চাদ্পদ জাতি হিসেবে আমাদের জন্য আরো বেশীই জরুরী।
আপনাকে ধন্যবাদ, পড়ার জন্য।
দীপান্বিতা বলেছেন:
অনেক কিছু জানলাম...ভাল লাগলো
লেখক বলেছেন: এ পাড়ায় পা দেবার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: চেষ্টা চালিয়ে যান........আমরা সাথেই আছি।
![]()
addabuzz বলেছেন:
হাজ্জাজ খারাপ হতে পারে কিন্তু আমাদের ও আমাদের শাসকদের ঈমান যদি হাজ্জাজের মতও হতো তবুও আমার দৃঢ় বিশ্বাস আমরা এতদিন বিশ্বে সুপার পাওয়ার হয়ে যেতাম
লেখক বলেছেন: প্রশ্নসাপেক্ষ ব্যাপার। তারপরেও আপনার আবেগের প্রতি সম্মান রইল।
লেখক বলেছেন: ওয়েলকাম। ![]()
নাজির বলেছেন:
ভাল লাগলো। এরকম আরো লেখা আশা করি। ++++++++++
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ। এই সিরিজের আরো কয়েকটি লেখা আছে আগে। পড়বেন আশা করি।
আল্লাহর পথের মুজাহিদ বলেছেন:
moududi saheb ekjon bitorkito lok. tai ami monee kori tar boi k somorthon korar agae tar jiboni jene nin. sabdhan--- akida nosto tu poth vrosto.
example: rajshahi university'r sibirder kormokando.
example 2:chittagong mniversity'r sibirder torture sadharon satroder upor. shart, pent pora , dari chacha -sibirra imamoti kore .
ex-3:kustia university.
arai moududi'r onusari. kmn kmn lage.......
লেখক বলেছেন: মাওলানা মওদুদী বিতর্কিত-এই ব্যাপারে সন্দেহ নেই। তাই বলে, রেফারেন্স হিসেবে তাঁর বই থেকে অবিতর্কিত অংশ ব্যবহার করা যাবে না, আমি এমন মনে করি না।
আর তাঁর রাজনৈতিক দর্শন এই লেখার সাথে সম্পর্কিত নয় মোটেই, তাই সে আলোচনায় যাচ্ছি না।
দুঃখ হচ্ছে, মূল লেখাটার উপর আপনার কোন মন্তব্য পেলাম না।
তারিক রিদওয়ান বলেছেন:
অসাধারণ এক লেখা!!!নসীম হিজাযীর "মুহাম্মদ বিন কাসিম" বইয়ে এই ঘটনা পড়েছিলাম
+ এবং প্রিয়তে
লেখক বলেছেন: অসাধারণ বলার মত নয়। তবে, সঠিক কথাটি লিখার চেষ্টা ছিল।
লালসালু বলেছেন:
ফাটাফাটি পোষ্ট
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
চার খলিফার পরে তো আর খেলাফত ব্যবস্থা ছিল না। তার উমাইয়া ও আব্বাসিয়দের খলিফা বলা হয় বুঝি না - ওরা তো আসলে রাজা, খলিফা না।
লেখক বলেছেন: আপনার কথা সত্য। খেলাফতের যে মূল স্পিরিট ছিলো তার এর পরে খুব একটা ধরে রাখা যায় নি। খেলাফত তখন দায়িত্ব না হয়ে, বরং একটি পদে পরিণত হয়েছিল। কিন্তু, এটাও ঠিক যে, ঐ রাজা বা সম্রাটেরা নিজেদের খলিফা বলে পরিচয় দিতেন, লোকেরা তাঁদের সেভাবে চিনত/চিনে। সে কারনেই আমি এখানে খলিফা পদটি ব্যবহার করেছি......
আেনায়ার এইচ ভূইয়া বলেছেন:
মারামারি হানাহানি শুরু থেকেই আছে। বলা হয় ইসলাম শান্তির ধর্ম। শান্তিটা কোথায়?
লেখক বলেছেন: লম্বা আলোচনার বিষয়।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














