ইসলাম বিদ্বেষী কাফির-মুশরিকরা মূলত মুসলমানগণের মধ্য থেকেই এজেন্ট তৈরি করে। যারা মুসলমানগণের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে ইসলামী আক্বীদার মধ্যে ফিতনা তৈরি করে। পাক ভারত উপমহাদেশে এ ধারায় অগ্রগামী হয়েছে তথাকথিত জামাতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা মিস্টার মওদুদী। বিষাক্ত বীজ থেকে যেমন সুমিষ্ট আম আশা করা যায় না তেমনি ইসলামী আন্দোলন ইত্যাদি ইত্যাদি মিষ্টি মিষ্টি কথা বললেও মওদুদী নিজেই যে কত বিষাক্ত বীজ ছিলো তা তার অনুসারীদের হাজারো কুফরী আক্বীদা থেকেই প্রতিভাত হয়।
স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম, মোদ্দাকথা ইসলামের সব অনুষঙ্গেই মিথ্যা, কুফরী ও জঘন্য সমালোচনার জাল বিস্তার করে ওই ষড়যন্ত্রকারী মিস্টার মওদুদী। যদিও তার ষড়যন্ত্র বহু পূর্বেই ফাঁস হয়েছে।
ব্রিটেন থেকে প্রকাশিত ‘দ্য মিত্রোখিন আর্কাইভ’ নামক ওই বইয়ে যে বোমা বিস্ফোরণ করা হয়েছে তাহলো, “ধর্মীয় দল জামাতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা মিস্টার আবুল আলা মওদুদী ছিলো সিআইএ’র এজেন্ট।” নিম্নে জামাতের প্রতিষ্ঠাতা সিআইএ’র এজেন্ট মিস্টার মওদুদীর কুফরীমূলক ধৃষ্টতাপূর্ণ উক্তির যৎকিঞ্চিত তুলে ধরা হলো-
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের সম্পর্কে কুফরী বক্তব্য:
***মওদুদী আরো বলেছে, “অনেক সময় সাহাবাদের মধ্যে মানবিক দুর্বলতা প্রাধান্য লাভ করতো। তাঁরা একে অপরকে আক্রমণ করে বসতেন এবং পরস্পরে গালিগালাজ শুরু করতেন।” (নাঊযুবিল্লাহ) [তরজুমানুল কোরআন]
*** ইসলামের প্রথম খলীফা হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সম্পর্কে মওদুদী লিখেছে, “ইসলাম মানুষকে এই নির্দেশ দেয় যে, সে যেন কখনো রিপুর প্রভাবে প্রভাবিত না হয়। ...... এটা অত্যন্ত সূক্ষ্ম ব্যাপার। একবার হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্বের মত রিপুর তাড়নামুক্ত খোদাভীরু ও আল্লাহতে নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিও তা পূরণ করতে ব্যর্থ হন।” (নাঊযুবিল্লাহ) [তরজুমানুল কোরআন]***
***হযরত ওমর ফারুক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সম্পর্কে মওদুদী লিখেছে, “বিশ্ব প্রতিটি উচুর সামনে মাথা নত করতে অভ্যস্ত ছিল এবং প্রত্যেক বুজুর্গ মানুষকে সাধারণ মানুষের স্তর থেকে কিছু না কিছু ঊর্ধ্বে ধারণা করে আসছিল। এই ধারণার প্রভাব বিলুপ্ত হওয়ার পথও কখনো কখনো স্পষ্ট হয়ে উঠতো....। সম্ভবত এই ব্যক্তি শ্রেষ্ঠত্বের ধারণাই রসূলুল্লাহর ইন্তেকালের সময় অনিচ্ছাকৃতভাবে হলেও কিছুক্ষণের জন্য হযরত ওমরকে পরাভূত করে ফেলেছিলো।” (নাঊযুবিল্লাহ) [তরজুমানুল কোরআন]
*** হযরত ওসমান যুন নুরাইন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সম্পর্কে সে বলেছে, “একদিকে ইসলামী রাষ্ট্র সমপ্রসারণের দরুন কাজ দিন দিন কঠিনতর হচ্ছিল, অপরদিকে হযরত ওসমান যার উপর এই বিরাট কাজের বোঝা ন্যস্ত করা হয়েছিলো, তিনি ততটা যোগত্যা ও বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ছিলেন না যা তার পূর্বসূরিদের ছিলো। এজন্য জাহিলিয়াত ইসলামী সমাজব্যবস্থায় অনুপ্রবেশের পথ পেয়ে যায়।” (নাঊযুবিল্লাহ) [তাজদীদ ও এহইয়ায়ে দ্বীন, ৩৩ পৃষ্ঠা]
সামনে মি. মওদুদীর সমস্ত কুফরী আক্বিদার ব্যাপারে ব্যাপক দলীল ভিত্তিক পোষ্ট দেওয়ার আশা রাখি।ইনশা-আল্লাহ।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


