somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ধর্মনিরপেক্ষতার দাবিদার ভারতে মুসলমানদের প্রতি নিরপেক্ষতার পরিবর্তে চলছে চরম নিপীড়ন। এদেশের হিন্দুরা ধর্মনিরপেক্ষতার নামে রামরাজত্ব চালাতে চায়; কিন্তু ভারতে মুসলমানরা কতটুকু দলিত-মথিত সে খবর কী তারা রাখে? ভারতে মুসলমানদের প্রতি নির্যাতন ও নিপীড়নের ভয়াবহতার প্রকৃত খবর ক’জনে রাখে? অথচ মিডিয়ায়ও এসব খবরের সংখ্যা কম নয়।

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মোগল শাসনের পরে ইংরেজদের শাসন ক্ষমতা দখলের পরে মুসলিম জনগোষ্ঠী গোটা ভারতে বিশেষ করে নিরঙ্কুশ হিন্দুশাসিত এলাকায় চরম অবহেলা, অবিচার ও নির্যাতনের শিকার হয়। মুসলমানদের অবিচার, অবহেলা ও নির্যাতনের শিকার হওয়ার কারণ কি এই যে, মুসলমানদের চেয়ে হিন্দুরা অধিকতর যোগ্য এবং তারাই শুধু সুবিচার পাবার দাবি রাখে? এ প্রশ্নের উত্তরে উইলিয়াম হান্টার তার ‘দি ইন্ডিয়ান মুসলমান' গ্রন্থে লেখেন, ‘বাস্তব সত্য হল এই যে, এদেশের শাসন কর্তৃত্ব যখন আমাদের হাতে আসে তখন মুসলমানরাই ছিল উচ্চতর জাতি; এবং শুধু মনোবল ও বাহুবলের বেলাতেই উচ্চতর নয়, এমনকি রাজনৈতিক সংগঠন পরিচালনায় দক্ষতা এবং সরকার পরিচালনায় বাস্তব জ্ঞানের দিক থেকেও তারা ছিল উন্নততর জাতি। এ সত্ত্বেও মুসলমানদের জন্য এমন সরকারি চাকরি এবং বেসরকারি কর্মক্ষেত্র এই উভয় ক্ষেত্রেই প্রবেশ পথ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। (দি ইন্ডিয়ান মুসলমান-পৃঃ ১৪৯)।
মুসলমানরা কিভাবে হিন্দুদের মোকাবিলায় চাকরি ও ব্যবসার ক্ষেত্রে বঞ্চিত হয়েছিল তার সামান্য অংশ উইলিয়াম হান্টার তার বইতে তুলে ধরেছেন। তার সামান্য অংশ এখানে বর্ণনা করা গেল। তিনি লিখেছেন, ‘হাইকোর্টে উকিলের পদ (নিম্নতর ব্যারিস্টারি ধরনের পেশা) নিযুক্ত ব্যক্তিদের তালিকাটা সর্বাধিক করুণ ইতিহাসের পরিচায়ক। বর্তমানে যারা জীবিত তাদের সকলেরই মনে আছে যে, আইনের এ পেশাটা সম্পূর্ণভাবে মুসলমানদেরই করায়ত্ত ছিল। বর্তমান তালিকাটা ১৮৩৪ সালের অবস্থা অনুসারে তৈরি হয় এবং ঐ সময়কার উকিলদের মধ্যে যারা ১৮৬৯ সালে জীবিত ছিল তাদের মধ্যে ইংরেজ একজন, হিন্দু একজন এবং মুসলমান দু'জন ছিল। ১৮৩৮ সাল পর্যন্ত মুসলমানদের সংখ্যা ইংরেজ ও হিন্দুর সম্মিলিত সংখ্যার প্রায় সমান ছিল; আনুপাতিক হিসেবে ইংরেজ ও হিন্দু সাত আর মুসলমান ছয়জন। ১৮৪৫ থেকে ১৮৫০ সালের মধ্যে উকিল হিসেবে সনদপ্রাপ্তদের মধ্যে যারা ১৮৬৯ সালে জীবিত ছিল তাদের সবাই মুসলমান। এমনকি ১৮৫১ সালেও যারা সনদ পেয়েছে তাদের মধ্যে মুসলমানদের সংখ্যা ছিল ইংরেজ ও হিন্দুর সম্মিলিত সংখ্যায় সমান। এরপর থেকেই এ পেশায় নতুন ধরনের লোকদের সমাগম ঘটতে থাকে। ভিন্নতর দৃষ্টিকোণ থেকে যোগ্যতা যাচাই শুরু হয়ে যায় এবং তালিকায় দেখা যাচ্ছে যে, ১৮৫২ থেকে ১৮৬৮ সাল পর্যন্ত মোট সনদপ্রাপ্ত দুইশত চল্লিশজন ভারতীয়ের মধ্যে দুইশত ঊনচল্লিশ জনই হিন্দু, আর মুসলমান মাত্র একজন। (প্রাগুক্ত-পৃঃ ১৫০-১৫১)।
এ অবস্থা থেকে বাংলার মুসলমানদের পরিত্রাণের একটা সুযোগ এসেছিল বঙ্গভঙ্গ ব্যবস্থার মধ্যদিয়ে। এ প্রসঙ্গে ইংরেজ ঐতিহাসিক Hector Bolilho লিখেছেন-
'There were two main reasons for dividing the over-populated province of Bengal: first, it was hoped that two provinces with two governors, could be administered more efficiently; and secondly, that the depressed Muslims-living mostly in East-Bengal-would no longer suffer the inquiestions of the wealthy Hindu landlords and money lenders of Calcutta and West Bengal. For the Muslims, partition, brought the promise of social and economic emancipation: for the Hindus, a threat to both the prosperity, and independence. The division of the province led to riots, and antagonism that was never subduced, even when the Act of partition was annulledÓ- (Jinnah-Creator of Pakistan page 24)
কিন্তু মুসলমানদের দুর্ভাগ্যের বিষয় যে, বঙ্গভঙ্গ অ্যাক্টটি বেশিদিন টিকেনি। বঙ্গভঙ্গ পূর্ব পর্যন্ত কংগ্রেস মুসলমানদের প্রতি কিছুটা নমনীয় দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করত। কিন্তু বঙ্গভঙ্গের পরে চরমপন্থী হিন্দুরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে গোটা ভারতকে কাঁপিয়ে তোলে। নরমপন্থী হিন্দু এমনকি উদারচিত্তের দাবীদার মানুষ মিঃ গোখলে ও দাদা ভাই নওরোজী নেতাদের মধ্যে যুধ্যমান মনোভাব সৃষ্টি হয়। কংগ্রেসের দ্বিতীয় অধিবেশনে মিঃ গোখলে ভারত সরকারকে তার Òdetermination to dismember Bengal at all cost.Ó অর্থাৎ বঙ্গভঙ্গের কারণে তীব্রভাবে সমালোচনা করেন। উক্ত অধিবেশনেও ভাষণের শেষদিকে তিনি বলেন, The goal of the Congress is that India should be governed in the interest of the Indians themselves and that in course of time a form of government should be attained in this country similar to what exists in the self-governing colonies of the British EmpireÓ
মিঃ গোখলে তার ভাষণে the Indians বলতে যে হিন্দু বুঝিয়েছেন তার কংগ্রেসের কার্যকলাপ থেকে সুস্পষ্ট।
১৯৪৫ সালে ইউরোপীয় যুদ্ধশেষে কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ জেলখানা থেকে মুক্তি পান। এ সময় ভাইসরয় লর্ড ওয়াডেল মুসলমান ও হিন্দুদের মাঝে বিরাজিত রাজনৈতিক সঙ্কট নিরসনের জন্য একটি নতুন পরিকল্পনা পেশ করেন এবং জুন মাসে শিমলা কনফারেন্সে এটি নিয়ে আলোচনা হয়।
এ পরিকল্পনায় মূল কথা ছিল ভাইসরয়ের একটি কার্যনির্বাহী কাউন্সিল থাকবে, সেটি জাপানী যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং যতদিন না নতুন শাসনতন্ত্র প্রণয়ন না হয় ততদিন অন্তবর্তীকালীন সরকার (Interim Government) আইন প্রণয়ন করবে। আলোচনা হয়েছিল যে উক্ত কাউন্সিলে মুসলমান এবং নিম্নবর্ণ হিন্দু সম্প্রদায় উভয় পক্ষ থেকে সমান সমানসংখ্যক প্রতিনিধি থাকবে। এ সময় জিন্নাহ দাবি করেন যে, সমস্ত মুসলমান প্রতিনিধি মুসলিম লীগের পক্ষ থেকে মনোনয়ন দেয়া হোক। কিন্তু না ওয়াডেল, না কংগ্রেস কেউই জিন্নাহর এ দাবি মেনে নিতে রাজি হল।
আগস্ট মাসে জাপান শর্তহীন আত্মসমর্পন করে। এ সময় বৃটেনের লেবার পার্টির সরকার ভারতের বন্ধুত্ব অর্জনের জন্য অতিদ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে যে জানুয়ারি, ১৯৪৬ সালে সাধারণ নির্বাচনী অনুষ্ঠিত হবে। ১৯৪৬ সালের মার্চ মাসে বৃটিশ কেবিনেটের তিনজন সদস্য ভারতে আসেন। ভারতে দ্রুত স্বশাসনের বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করাই ছিল তাদের ভারত আগমনের লক্ষ্য। ভাইসরয় পুনরায় আর একবার আহবান করলো কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ নেতাদেরকে। যে আহবানে সাড়া দিয়ে তারা ৫ মে শিমলায় কেবিনেট মিশনের সাথে দেখা করেন। আপোষকারীরা এই শিবিরকে ঐকমত্যে আনতে আর একবার ব্যর্থ হলেন। ফলে কেবিনেট মিশন একটি পরিকল্পনা তৈরি করে তা পেশ করেন। এ পরিকল্পনায় উল্লেখ করা হয় যে, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতি ১ মিলিয়ন জনসংখ্যার বিপরীতে একজন করে সদস্য নিয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাচক মন্ডলীর এসেম্বলী গঠিত হবে। আর এই এসেম্বলী ভারত ইউনিয়নের (Union of India) জন্য নতুন শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করবে। মুসলমান স্বার্থরক্ষার জন্য এ পরিকল্পনায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় যে, বৃটিশ ভারতের প্রদেশ সমূহকে নতুনভাবে শ্রেণী বিন্যাস (Grouping) করা হবে। বৃটিশ ভারতের প্রদেশসমূহের এই নতুন শ্রেণী বিন্যাসে মুসলমানদের স্বার্থ সংরক্ষণের দিকে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হয়। উক্ত বিন্যাসে ‘সি' গ্রুপে ছিল বাংলা এবং পূর্ব আসাম-মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল।
মুসলিম লীগ কেবিনেট মিশনের এই পরিকল্পনায় "The basis and foundation of Pakistan'- এর অস্তিত্ব লক্ষ্য করেছিল তাই মুসলিম লীগ এই প্রদেশ বিভক্তিতে সম্মতি দিয়েছিল। কিন্তু পন্ডিত নেহেরু যখন দেখলেন যে, প্রতি সম্প্রদায়ের প্রতি মিলিয়নে একজন সদস্য লাভের সুযোগে কংগ্রেস দুইশত বিরানববইটি পদ লাভ করতে পারবে; তাই তিনি এ সুযোগটি পূর্ণভাবে গ্রহণ করতে চাইলেন। তিনি জুলাই'র ১০ তারিখ প্রদেশসমূহের বিভক্তি প্রসঙ্গে বলেন, "There would be no grouping." এভাবে তিনি কেবিনেট মিশনের পরিকল্পনায় মুসলমানদের প্রধান স্বার্থ প্রদানের প্রতিজ্ঞার প্রতি হুমকী প্রদান করেন।
নেহেরু পাকিস্তান সৃষ্টির ঘোর বিরোধী ছিলেন। ১৯৪৩ সালের দিকে নেহেরু এক আমেরিকান রিপোর্টারকে বলেছিল, ÒThere is now a demand on the part of some Muslims for partition of India… Few take it seriously. ... The few had become a multitude, and Jinnah was now able to repeat, ÒNo power on earth can prevent Pakistan."
ভারতীয় মুসলমানদের প্রতি কংগ্রেসের নীতি কত নিচু ও ঘৃণিত ছিল তা বিস্তারিত বর্ণনা করা অতি বীভৎস্য কংগ্রেসের ঘৃণিত আচরণের কিছু খন্ডচিত্র তুলে ধরা যাক।
‘‘১৯৩৫ সালের ভারত শাসন বিষয়ক আইন অনুসারে ১৯৩৭ সালে যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তার ফলে কংগ্রেস সাতটি প্রদেশে মন্ত্রিসভা গঠন করতে সক্ষম হয়। প্রায় সাতশ' বছর পর এই প্রথম ক্ষমতার স্বাদ পেয়ে হিন্দুরা উন্মত্ত হয়ে ওঠে এবং নিরীহ মুসলমানদের ওপর অত্যাচার চালায়। ১৮৫৭ সালের পর ১৯৩৭ সালের দ্বিতীয়ার্ধ ছিল ভারতীয় মুসলমানদের ঘনতমাচ্ছন্ন কাল। যে বৃহৎ অংশ কংগ্রেস মন্ত্রিত্ব ক্ষমতা অধিকার করে, সেখানে কংগ্রেসী মন্ত্রীরা মনে করে হিন্দুরাজ প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে... কংগ্রেস শীঘ্রই মুসলিম সংখ্যাগুরু প্রদেশসমূহে ক্ষমতা লাভ করবে এবং সমগ্র দেশটা মুসলমানদের জন্য এক বিরাট কয়েদখানায় রূপান্তরিত হবে। জওহারলাল তো এ বিষয় একরকম ধ্রুব নিশ্চিত হয়ে এ সময় সগর্বে বলেছিল, ভারতে দু'টি পক্ষ আছে বৃটিশ ও কংগ্রেস। ক্ষমতাসিক্ত হয়ে কংগ্রেস এরূপ নীতি গ্রহণ করে, যার দরুন হিন্দু-মুসলিম সম্পর্কটা আরও তিক্ত হয়ে ওঠে এবং মুসলমানদের নানা ক্ষতি স্বীকার করতে হয়। এই সময়ে কংগ্রেস তথা হিন্দুরা মুসলমানদের প্রতি যে মর্মান্তিক অন্যায়-উৎপীড়ন করেছে তার কিছুটা পরিচয় মেলে মুসলিম লীগ প্রকাশিত ‘পীরপুর রিপোর্ট' ও ‘শরিফ রিপোর্ট' দু'টিতে। প্রথম খানিতে উন্মোচন করা হয়েছে যে, এ সময় প্রত্যেকটি সরকারি কর্মের উদ্বোধন করা হতো বৈদিক মন্ত্র পাঠ ও ব্রাহ্মণ্য ধর্মসম্মত আচার-অনুষ্ঠানে। মুসলমান ছেলেমেয়েদের বাধ্য করা হতো ‘বন্দে মাতরম গান করতে ও গান্ধীর ছবি পূজা করতে। মুসলমানদের ভীতি প্রদর্শন করে বিরত রাখা হতো গো- জবেহ করা থেকে; তাদের সমস্ত স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে বাদ দেয়া হয়েছিল; উর্দুতে কথা বলা নিষেধ করা হতো সাম্প্রদায়িক হাঙ্গামায় পুলিশ ও সরকার কংগ্রেসের নির্দেশে হিন্দুদের সমর্থন করতো। ‘পীরপুর রিপোর্টে’’ দেখান হয়েছে, কী ত্রাসের রাজ্য সৃষ্টি হয়েছিল হিন্দু কংগ্রেস স্থানীয় নেতা, জমিদার এমনকি প্রশাসনিক ও বিচার বিভাগীয় কর্মচারীদের দ্বারা দুর্ভাগা মুসলমানদের জন্য। এই সময় একে ফজলুল হকও কংগ্রেস শাসনে মুসলমানদের দুর্ভোগ (Muslim sufferings under Congress rule, 1939) শীর্ষক পুস্তিকা প্রণয়ন করে কংগ্রেসী অত্যাচারের পরিমাপ লিপিবদ্ধ করেন। (মধ্যবিত্ত সমাজের বিকাশ : সাংস্কৃতিক রূপান্তর আবদুল মওদূদ)।
(ইনশাআল্লাহ চলবে)
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×