আমার প্রিয় পোস্ট
- নৃশংসতা আর নির্মমতার এই তান্ডবের অবসান চাই! - মানবী
- একজন প্রেসিডেন্টের ইমেইল এবং আমাদের নেগেটিভ মনোভাব - শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন
- কয়েকজন ব্লগারের নিজস্ব স্টাইলের ঈদ শুভেচ্ছা




- কঁাকন
- মাঝিপাড়ার শিশুদের স্কুলের স্বপ্ন বাস্তবায়ন - আজমান আন্দালিব
- সব ব্লগারের ইমেল এড্রেস সংকলন , আপডেটেড - তারকে
- ইউটিউবে আপনারা কি মাস্টারপিস সিনেমাগুলো দেখেন? - ফাহমিদুল হক
- রুবিকস কিউব (শেষ পর্ব ) : রুবিকস সমাধানের আরও কিছু কৌশল... - গণিত পাগল
- নিপীড়ক শিক্ষক এবং নীতিমালার যৌক্তিকতা: মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া - নুশেরা
- এক একটা দিন বড় একা লাগে - ফেরারী পাখি
- প্রতিবেশির ছেলের 'নুনু কাটা' অনুষ্ঠানের জমকালো আয়োজন এবং বাঙ্গালী মুসলিম সংস্কৃতিতে পুরুষতন্ত্রের ধারাবাহিকতা. - মুনীর উদ্দীন শামীম
- রিলাক্সেশন টেকনিক - আহমেদ হেলাল ছোটন
- আজ রাতে কোথায় ঘুমাবো? - মাহবুব মোর্শেদ
- চাচামিঞার জাবর কাটা!! - চাচামিঞা
- প্রসঙ্গ: পাবলিক বনাম প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় - বিবর্তনবাদী
আহা!!!
- এম্নিতেই
- অবরুদ্ধ সময়ের গল্প- - রাসেল ( ........)
- বিশ্ব শান্তি! কে কবে দেখেছিল? - আব্দুন নূর তুষার
- গল্পঃ শহরে শিউলী-ভোর যে কারনে ফিরে আসে - মোস্তাফিজ রিপন
- জ্ঞানী - তারকে
- সব ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিন বিষয়ক একটি জরিপ - মিলটন
- বাংলাদেশের কিছু সুন্দর জায়গার ছবি... - গিফার
- আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস - একরামুল হক শামীম
- সব যুদ্ধ স্টেনগান দিয়ে হয় না। - শুভ
- স্মৃতির ভেতরে দগদগে ক্ষত নিয়ে ঘুরি - রাসেল ( ........)
- গুগল বুকস থেকে বই ডাউনলোড করবেন যেভাবে - অনিকেত প্রান্তর
- প্রকাশিত হল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ই-সংকলন ফিরে দেখা একাত্তর - ব্রিগেড সিক্সটিন
- যে রাতটি আমার নির্ঘুম কাটে - সামী মিয়াদাদ
- আমার মৃত্যুগাথা . . . - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
- শাশ্বত-র জন্য বসুন্ধরায়ঃ আয়নায় নিজের মুখ - সুনীল সমুদ্র
- রান্নার কিছু প্রয়োজনীয় টুকিটাকি তথ্য - জরিণা
- মহাকবি মাইকেল মেহদী সকাশে শুক্রবারের আড্ডা - কৌশিক
- বিবাহ সমাচার (শেষ পর্ব)...উৎসর্গ ড়াশু ও বিমা ভাই - তামিম ইরফান
- English Songs কালেকশন ()()()()() যারা ইংরেজী গান পছন্দ করেন তাদের জন্য.. - নতুন
- ছায়াজীবি - কালপুরুষ
- ভাগ্যিস তুমি আকাশ চাওনি !! - সবাক
- ব্যবহার করুন এনিমেটেড স্মাইলি (COOL) - ব্রাইট
- আমার প্রিয় লেখাগুলি নিয়ে ই-বুক - নাজিল আযামী
- স্মার্টনেসের সংজ্ঞা ও আমাদের প্রচলিত ব্যাখ্যা - হুমায়রা ফেরেদৌস তানিয়া
- স্টেরিওটাইপের কথকতা - রাগিব
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- ইয়াহুর হিডেন ইমোটিকন!!! - তাজুল ইসলাম মুন্না
- Esnips থেকে গান ডাউনলোডের উপায় - রাশেদ
- গল্পঃ ফুলার রোড - মোস্তাফিজ রিপন
- বীভৎস যৌন নির্যাতন, কিন্তু এড়িয়ে গেছেন সবাই - শেরিফ আল সায়ার
- নবীনদের জন্য - নাদান
- বই পড়তে চাই, নাম দিন প্লীজ! - সন্ধ্যাবাতি
- সামহয়ারে আসার আগে আমি যে লেখকদের চিনতাম পরে সামহয়ারেও যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন - মাহবুব মোর্শেদ
- কবিতার ভাংগা-গড়া (রিপোস্ট করা হলো,অনুরোধে)/বিহংগ - বিহংগ
- কবিতার প্রাথমিক ছন্দ - শেখ জলিল
- আমার প্রিয় পোস্টের লিঙ্ক - মুকুল
- স্মৃতি হাতড়ে......পড়া বইয়ের তালিকা...... - আশেক ইব্রাহীম
- যে বইগুলো পড়া দরকার ......সংশোধিত ও পরিবর্ধিত - সপ্নীল
- আমার প্রিয় চলচিত্র....... - আশেক ইব্রাহীম
জীবন তারই কাছে অসহ্য যে তার কাছে অসম্ভবের প্রত্যাশা করে; জীবন যা সহজে দিতে পারে তা গ্রহণ করার মত বিনয় যার আছে, তার কাছে জীবন ভালো, জীবন সুন্দর - বুদ্ধদেব বসু

নির্জলা হিপোক্রিসি
১১ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:০০
![]()
ব্লগে প্রচুর ফ্লাশব্যাক লেখা চোখে পড়ে। কারণটা সহজে অনুমেয়। একটা সময় এসে মানুষ নিজের কথা বলতেই বেশি পছন্দ করে। আসলে হয়ত সবসময়ই করে। একটা তরল কারণও আছে অবশ্য। ভেবেচিন্তে চিত্রকল্প সাজিয়ে, কাহিনীর সূতো জুড়ে দিয়ে একটা ঝকঝকে গল্প দাঁড়া করানো যথেষ্ট আয়াসসাধ্য। রাজনীতি, ইতিহাস, সমাজনীতি নিয়ে লেখাটা আরো ঝক্কি, বিশ্লেষণের ভুলটা সব প্রচেষ্টাকে নিরর্থক করে দিতে পারে। তারচে আয়নায় নিজেকে ভাজিয়ে নেয়া বেশ শর্টকাট। আমি মন দিয়ে সে ভাজানো লেখাগুলো পড়ি। আত্মবিশ্লেষণের ব্যক্তিক ধাঁচগুলো একটা মোহনায় এসে মিলে যায়। আমরা তাড়িত হই অতীতের ভুলে, ভুল স্বপ্নে অথবা স্বপ্ন দেখানোয়। হতাশার ঢেকুর ওঠে দায়বোধ এড়ানোর বদহজমের কারণে। ফিরতি ট্রেনে মনের বাড়ি ফেরার একেকটা অভিজ্ঞতা একেকটা উতকৃষ্ট গল্প আমার কাছে। আমি তেমন গল্প বলিয়ে নই। কিন্তু ট্রেনের কু ঝিকঝিক শোনানোর লোভ আমারও হয়।
বলছিলাম ভন্ডামি, প্রতারণা নিয়ে। ছায়ার সাথে। বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে কেউ করেনি? আছেননি এমন কোন ভাইবোন? উপায় হোসেন গোলাম নেই। ভন্ডরা বেঁচেবর্তে থাকে ঠিকই, হিলের পেরেক হয়ে আত্মশ্লাঘাটা খুঁচিয়ে যায়। আমার এক নিদারুণ ভন্ডামি জীবনের সপ্ত কি অষ্ট বর্ষে। খেলার সাথীকে আচ্ছাসে কিলিয়ে রানারের মত পায়ের মল বাজিয়ে বাজিয়ে ছুটে এসেছিলাম ঘরে। এসেই অপরাধ ঢাকতে ওয়াক্ত ছাড়া নামাজে সোজা সেজদায়। উদ্দেশ্য হল আব্বু-আম্মাকে একটা ভালমেয়ের ইমেজ দেয়া, একটু আগের কিলিং অ্যাকশনের রিঅ্যাকশনকে লঘু করা। ১২/১৩ বছর বয়সে বাসায় তদপেক্ষা বড় কোন ছেলে আসলে খাঁচার পাখি দাপাদাপি করত। একটু চোখাচোখি হওয়ার লোভে নাস্তা বানিয়ে বসার ঘরে যেতে কালক্ষেপণ হতনা। ক্লাসে ভাব ধরে থাকতাম, পড়া ছাড়া দ্বিতীয় প্রেম নেই, অথচ ফার্স্টবয় অন্য কোন মেয়ের সাথে কথা বললে শালীটাকে ছিঁড়ে খেতে ইচ্ছা হত। একটা গোলাপের পাপড়িকে ডয়েরীর ভেতরে শুটকি হতে দিয়েছি অনেকদিনের জন্য, আম্মার চোখ এড়িয়ে অনেক যত্নে। স্রেফ ভন্ডামি, নাটক সিনেমার নায়িকার ভাবটুকুকে পুঁজি করে। ছাদে কাপড় আনার ছলে মনচোখের রাডার স্থির হত সামনের বাসার জানালায়, যে রুমে কৈশোরোত্তীর্ণ কিছু ঝলমলে সুদর্শন ছিল।
মা-বাপের সাথে ভন্ডামি তো এক ইতিহাস, কারণে অকারণে। এটাই যেন বিনোদন, ঠকানোর গোল্ডকাপ জেতা। ভাব ধরি গরীবের কষ্ট বুঝি। হাঃ, স্রেফ ইতরামি। কাজের মেয়েটা যখন যা বলে এনে দিই, কিন্তু যেদিনই ঠিক আমার মত জুতা চাইল, কড়া গলায় বললাম - ওটা তোমার জন্য্ না। আমি প্রভু, তুমি নত থাক। সমতা চেয়োনা। ঈদের দিনে ওকে কোন কাজ করতে দেইনা কিন্তু এক ভীষণ শীতের রাতে ওকে মেঝেতে শুতে না দিয়ে এক বিছানায় শোয়ার আইডিয়া জঘন্য মনে হয়। বুয়ার অসুখ হলে রান্নাঘরে খুন্তি নাড়তে যাই, অথচ আম্মা একমাথা জ্বর নিয়ে উনুন সামলায় যখন, ফিরেও চাইনা। আমি যে মানবতাবাদী।
বিরাট গবেষকের ভংগিমায় আমার সদর্প চলায় ল্যাবের ইট-কাঠ ধন্য হয়। আমি প্রাণান্তকর চেষ্টায় সবাইকে বোঝাতে সমর্থ হই যে, পড়াটা আমার কাছে জগতের শ্রেষ্ঠ বিনোদন। এরচে বড় কোন মিথ্যা রচিত হয়নি আমি জানি। জ্ঞানরাজ্যে নুড়ি জমাতে আমার মত পাথরশ্রমিকের প্রয়াস নেহাত গিভ এণ্ড টেকের। ভালো আর্থিক নিরাপত্তা দরকার, নিষ্ঠা বেচব। আরেকজন বড় টোপ দিবে, তাকেও বেচব। বেচাটাই সার, চাঙ্গে উঠুক শালার গবেষণা।
প্রিয়জনের মুগ্ধ দৃষ্টি দেখার লোভে নিজের স্বপন শোনাই। দেশে গেলে নিজের বিনোদন থেকে প্রতি মাসে একটা অঙ্ক যাবে পথশিশুদের জন্য। ঈদে দামি কিছু কিনবনা, পিঙ্ক গোল্ড অথবা কিউবিক যিরকোনিয়ার হার চাইনা আমার। বছরে একটা দিন গরীবের কালো হাড় জিরজিরে কিছু পোলাপাইন খুঁজে একসাথে ঘুরতে যাব। মাথায় হাত বুলিয়ে দিব, দামি আইস্ক্রিম খাবে ওরা। আমি রঙপেন্সিল আর একটা ছবির বই দিয়ে দশটা মন কিনে নেব। হেন করেংগা, তেন করেংগা। আসলে শালার লোভের পেটেই পুজোর অর্ঘ্য দান করেংগা। আজ পর্যন্ত একটা মানুষের জন্যও কিছু করতে পারলাম্না। কব্বরে যাক শুভবোধ, জয়ী হবেই ভন্ডামি আর লালসাময় বীরেরা। দিন এখন আমাদেরই।
লেখাটা লিখতে লিখতে ভাবছি কতগুলান প্লাস পড়বে। কী লিখলাম সেটা বড় নয়, হিসাবটাই বড়।
ইমরান মামা বলেছেন:
অনেকগুলা +
সবাক বলেছেন:
"কব্বরে যাক শুভবোধ, জয়ী হবেই ভন্ডামি আর লালসাময় বীরেরা"
আর আমরা বসে বসে মাথার পাকা চুল বাছি.....
"কব্বরে যাক ভন্ডামি আর লালসাময় বীরেরা, জয়ী হবেই শুভবোধ"
ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: আপনার কোটটা সত্য হোক। একেকটা ভন্ড একেকজন স্বপ্নের ফেরিওয়ালা হোক।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
হুমমমম
লিপিকার বলেছেন:
অসাধারন লাগলো +++
আমি সিরিকাস লেখায় রেটিং দেই না!
লেখক বলেছেন: দিওনা দাদা। রেটিং আর ডেটিং দুটাই চিন্তাকে আটকে ধরে।
স্বাধীন বাংলা বলেছেন:
হালকা বোধ করছেন?
লেখক বলেছেন: না, তলপেটে চাপটা রয়েই গেছে।
নুরুন্নবী হাছিব বলেছেন:
হুমমম...
রাশেদ বলেছেন:
হুমম...
স্বাধীন বাংলা বলেছেন:
আরো বমি করুন
তানজু রাহমান বলেছেন:
ঠিক এই পোস্টটা দেয়ার মতো কারনেই তোমাকে আমার পছন্দ।
লেখক বলেছেন: ঠিক এইধরণের পোস্ট না দেয়ার জন্যই তোরে আমার পসন্দ। হি হি হি
তবে আমি ঠিক আপনার সাথে পুরোপুরি একমত নই।
হ্যা, হিপোক্রেসি হয়ত আমাদের মতো মানুষদের Basic Instinct এর মধ্যেই মিশে আছে কিংবা মিশে গ্যাছে কোন না কোন ভাবে ..............
তবুও কোথায় যেন একথা দ্বিমত আপনার সাথে রয়েই গ্যালো...
চমৎকার পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ।
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: দ্বিমতটা বলুন। আমি তো দেখি আগাগোড়াই খাপছাড়া চলা। এভাবেই ফুরোবে বেলা।
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
আপু, স্বচ্ছ হতে যাওয়া এই যান্ত্রিক যুগে খুব বিপদের, চেষ্টা করে দেখেন -- বুঝতে পারবেন যন্ত্রণা শব্দটার অর্থ কী...
অনেক যুদ্ধটুদ্ধ করে এখন একজন নিখুঁত ভন্ড হবার চেষ্টায় রত আছি, দোয়া রাখবেন যাতে হতে পারি|
লেখক বলেছেন: ভন্ডকূলের সংখ্যাবৃদ্ধিতে আপনার জয়যাত্রা শুভ হোক।
চিকনমিয়া বলেছেন:
ডিং
লেখক বলেছেন: বেল বাজাইস না, ঘুমাইতে যামু। জাপানে সূর্য ২.৩০ টায় উইঠা যায়। ভোর হয়া দিন শুরু হয়া গেছে। ভাবতেছি একটা রেকর্ড করুম কিনা। ভোর ৪.৪০ এর জাপান একবার দেখতে বেরোই।
এইটাও ভন্ডামি। রোমান্টিকতার একটা ভাও ধরতে চাইলাম। আসলে বিছানার ডাকেই সাড়া দিতে যামু।
ফরিদুল ইসলাম শাওন বলেছেন:
হিপোক্রাট হতে পারাটাইতো আমাদের সব চেয়ে বড় অর্জন তাই তা নিয়ে চিন্তা করার কি দরকার আপনি চাইলেই যা করতে পারতেন তা করতে না পারার মধ্যে আবার হিপোক্রাসি কিসের
কিন্তু আমি ঠিক মানিনা, "এভাবেই ফুরোবে বেলা"
আমরা প্রত্যেকেই কখনো কখনো নিখাদ নিজস্বতায় বিচরিত হই বটে। আসলে ভন্ডামীগুলো যে সব সময় স্বতঃস্ফুর্ত এমনও তো নয়, তাই না.......
একটা স্বচ্ছ পৃথিবী পেলে মানুষের আসলে আর খুব বেশি প্রয়োজন পড়েনা মেকি ভন্ডামীর।
আমি জানি সেই স্বচ্ছতা নিতান্তই সুদূর পরাহত কিংবা সেটা আদৌ খুব যে শোভন হতো তাও হয়ত নয়........
তবুও পুরোটা 'নিখুঁত ভন্ড' আবার আমরা হতেও পারি কি?
আরিফুর রহমান বলেছেন:
.আমরা সবাই কি এমনই ভন্ড না? (কেমন জানি সিলি শোনালো কথাটা
পাবলিকের হাড়ি হাটে ভেঙ্গে দেয়ার জন্য মাইনাস টা আমি দিলাম!
লেখক বলেছেন: দিতেই পারেন। দেয়া নেয়ার মালিক আপ্নে।
লেখক বলেছেন: কোনটা? বুঝিয়ে দিন, বুঝিয়ে বলছি।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
অনেক ভালো লিখছো.................এলোমেলো মনে হলেও আসলে অনেক ভালো ভাবনা।
"হেন করেংগা, তেন করেংগা। আসলে শালার লোভের পেটেই পুজোর অর্ঘ্য দান করেংগা। আজ পর্যন্ত একটা মানুষের জন্যও কিছু করতে পারলাম্না। কব্বরে যাক শুভবোধ, জয়ী হবেই ভন্ডামি আর লালসাময় বীরেরা।".........।
আশাহীন হবার কারণ নেই।
এই রকম ভাবনাতে অনেকের দিন কাটে........।এই পৃথিবীর কোথাও কোথাও।
শুভবোধ টা বড় কথা।
কে জানে একদিন তো মিরাকেল হতেও পারে।
আমি এভাবেই আশাতে পথ হাঁটি।
একটা ভীষন মিরাকেলের আশায়।
শুভেচ্ছা নাও।
ভালো থেকো।
লেখক বলেছেন: সাজি'পু, আমি আমার সীমাবদ্ধতাটুকু জানি। আর এটাকে আমি ভন্ডামি ছাড়া আর কোন অভিধায়ই বাঁধতে পারিনা।
পড়েছ আর লিখেছ বলে ধন্যবাদ।
অনর্গল বলেছেন:
আপনার লেখার স্টাইল আধুনিক। এইটাতে রেটিং দেয়ার ধৃষ্টতা দেখাবোনা। কারণ প্লাস দিলে আপনাকে মূল্যায়নের গ্রাভিটি টা হালকা হয়ে যাবে।অনেক কিছু করতে সবার ইচ্ছা করে। তবে নানা কারণে করা হয়না। তাই তো লেখনীতে আমরা কল্পবিলাসী হই যাবতীয় অসাড়তা সীমাবদ্ধতা ক্ষণিকের জন্যও ভুলতে। বাস্তবের চুপসানো বেলুনটাকে কল্পনার বায়ুতে ফুলিয়ে বেঢপ করে লিখি, স্বপ্ন দেখি। এইগুলো হয়তো ভুল। কিন্তু তাই বলে হিপোক্রিসি !!!
লেখক বলেছেন: স্বপ্ন দেখাতে আমার আপত্তি নয়, বরং স্থূলতাকে পুঁজি করে যখন সে স্বপন অধরা রাখতে আমি আগ্রহী হই, তখন সেটাকে আর কী বা বলা যায়!
আকাশচুরি বলেছেন:
+
আখসানুল বলেছেন:
+
জটিল বলেছেন:
এজন্যেই নিজেকে আমার খুব ভালো লাগে , নিজেকে নিয়ে ব্যাস্ত সময় , অন্যরা কে কি করল , কে কি বলল , সেসব বেল দেয়ার কোন দরকার আছে বলে মনে হয়না ।সবার আগে নিজের অস্তিত্ব
লেখক বলেছেন: আপনি ভাই সুখেই আছেন
কৌশিক বলেছেন:
মনের কথা
লেখক বলেছেন: সবাই দেখি ভণ্ড!!!
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
তাজিন আপু ,ভালো লেগেছে ...
আপনি কি আর দেশে আসবেন না ...?
আবার সেই সাস্ট ...?
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
কি আর কমু....... আমিও দুধে ধোয়া তুলসি পাতা না..... এমন সব আকাম করছি যা সামাজিক ব্লগে লেখা সম্ভব না। বাট স্বীকার করলাম কিন্তু
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
কিন্তু তারপরেও বলি...... আমি সত্যিই খুব ভাল। আমি নিজেকে সিম্পলি অসাধারণ ভালবাসি। আই এ্যাম গ্রেটেস্ট
হ্যারি সেলডন বলেছেন:
আমিও একই!!
নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী বলেছেন:
২১টা পড়েছে। আরেকটা দুই সেকেন্ড পরই আমি দিব। বোঝাই যাচ্ছে লেখোটা মানুষের ভালোই লেগেছে। তবে একান্তই ব্যক্তিগত অভিমত, কথাগুলো সবার মি. হাইডের মাঝে লুকিয়ে থাকে। আপনার ড. জেকিল সেটাকে বের করে সবার সামনে লিখে দিয়েছে, কিন্তু আমরা পারিনি। তবে আছে সবার ভেতরেই। বি.দ্র. - আমি কেমন ভন্ড দেখেছেন? একটা প্লাস দিয়েছি, সেটাও ফলাও করে বলার চেষ্টা করেছি। আসলে এমনটাই আমরা। সুন্দর লেখার জন্য ধন্যবাদ। সম্ভব হলে ১০০টা প্লাস দিতাম। (আবার ভন্ডামী শুরু হলো.... এই বেলায় থামলাম!)
লেখক বলেছেন: একটা মনের কথা বলি। প্লাস মাইনাসে কিন্তু লেখার চেয়েও সে ব্যাক্তিমানসের সাথে অন্তরঙ্গতা অনেকটা প্রভাব রাখে। একজনকে ভালো লাগে বলেই তার সুহৃদরা মোটামুটি মানের লেখাকেও প্লাসে ভরিয়ে ফেলে। আবার অনেক ভালো লেখা অপঠিত রয়ে যায় লোকচক্ষুর আড়ালে। প্লাসের বন্যা তো দূরের কথা।
এখানের রেটিং ব্যাপারটাই তুলে দেয়ার পক্ষে আমি।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
দূরন্ত বলেছেন:
ভালো লাগলো।
ৈবেদশী বলেছেন:
পইড়া ভালা লাইগছে।
মানুষ বলেছেন:
শ্বাশ্বত'র কথা মনে পড়লো
একজন ব্লগার বলেছেন:
প্রিয়তে রাখ্লাম আপততঃ, টাইম মত পড়মু?আপনি জাপানে কি পড়াশুনা করছেন?
গিয়েনকি লুকছানা তাদিন!
...ইকানজি!
লেখক বলেছেন: ফুল্টাইম নাইকাম আর পার্টটাইম পড়াশুনা করি, যুদিও উল্টাটা করার কথা।
ইতং বিতং বাদ দিয়া আসল কথা কন পুররয় হাসানু (জাপানিরা অইলে আপনারে এম্নেই ডাক্ত)
একজন ব্লগার বলেছেন:
আপনি আমার নাম জানেন? আশ্চর্য!ব্লগের অনেকেই আমাকে চিনে, অথচ আমিই তাদের চিনি না! ....
আমারে মাইনাছ!
লেখক বলেছেন: আমার মত একটা সুন্দরী মাইয়া আফনারে চিনে বইলা এত খুশ হওয়ার কিছু নাই। কারো কারো কমেন্টে আপনার নাম দেখছি। আর একটু চুক্কান খোলা রাখলেই আসল নাম জানা যায়।
নাঈম বলেছেন:
আপনার বক্তব্যের সাথে পুরোপুরি একমত হতে পারলাম না। আপনার পোষ্টের প্রথম দিকে আপনি বলেছেন, ব্লগে যারা নিজেদের কথা লিখে, তাদের ব্যাপারে আপনার একটু negative মনোভাব ফুটে উঠেছে, যেটা আমি সমর্থন করছিনা। ব্লগে যারা নিজেদের অভিজ্ঞতা লিখেন, তারা সবাই যে বানিয়ে লিখেন, এই ধারণাটি ঠিক নয়।তবে সুন্দর বিশ্লেষণধর্মী লেখার জন্য আপনাকে +।
লেখক বলেছেন: আমি মুটেও নিগেটিভ নারে ভাই। নিজেরেই বুলাইতেছিলাম মাইনশে নিজের কথা কেন বেশি লেখে? ইন ফ্যাক্ট আমার নিজের সব পুস্টো নিজের কথাই। কারণ অন্যকিছু লিখতে পারিনা ভালা।
সবাই বানায়া লিখব কেন? আস্তাগফিরুল্লা। আমি নিজে অনেক কিছুই ভাবি করুম, মাগার কামের বেলায় ফটাফট, সেইটা পাব্লিক্রে জানাইতেন এই পউস্ট পয়দা করছিলাম।
একজন ব্লগার বলেছেন:
আসল কথা হলো, আমাদের ভার্সিটিতে একটা জাপানিজ মেয়ে ছিলো, খুবি মিষ্টি দেখতে, বাচ্চাদের মত! (নামটা অনেক চেষ্টা করেও মনে কর্তে পার্লান্মা!)। ওর কাছে অনেকগুলা জাপানিজ শব্দ শিখেছিলাম। যেমন:হ্যালোঃ কনিজুয়া। (ফোনে যে হ্যালো বলে সেই হ্যালো আবার "মুসি মুসি")
তুমি কেমন আছোঃ গিয়েনকি।
আমি ভাল আছিঃ ইকানজি।
শুভ সকালঃ কুম্বাওয়া।
এখন শুধু এই কয়টাই মনে আছে!
ওকে দেখতে বাচ্চাদের মত লাগলেও, ওর সার্টিফিকেটে জন্মতারিখ দেখে আমার আক্কেল গুরুম হয়ে গিয়েছিলো!
সিডনীতে পড়াশুনা শেষ করে আবার টোকিওতে ফেরৎ গেছে। আমাকে বলেছে, যদি কোনদিন জাপানে যাই, তাহলে ওকে অবশ্যই অবশ্যই জানাতে। ওদের বাসায় ও আমার ফ্রি থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করে দিবে।
অনেকদিন পর আজ ওর কথা খুব মনে পড়ছে।
লেখক বলেছেন: ইমানে কইতাছি আফনে যে উচ্চারণ লিখছেন এসব জীবনেও শুনিনাই
হ্যালোঃ কনিজুয়া। (ফোনে যে হ্যালো বলে সেই হ্যালো আবার "মুসি মুসি") (কনকিচিওয়া আর মসি মসি)
তুমি কেমন আছোঃ গিয়েনকি। (গেংকি?)
আমি ভাল আছিঃ ইকানজি। (ইই কানজি, এইখানে ইই লম্বা করে বলতে হবে)
শুভ সকালঃ কুম্বাওয়া। (শুভ সকাল হল অহাইয়ো, কনবানোয়া হল শুভরাত)
-----------জাপানের মেয়দের বয়স বোঝা এইখানে বেশ কিছুটা সময় না থাকলে সম্ভব হয়না। প্রচণ্ড এদের জীবনিশক্তি আর লাবণ্য
কৌশিক বলেছেন:
এইটাকে ঐভাবে সংগায়িত না কইরা সংগাকে এইভাবে ব্যাখ্যা করা আবশ্যক।
লেখক বলেছেন: কিন্তু এমনো হইতারে যে এইটারে ঠিক এভাবে ব্যাখ্যা করলে অইটার সংগার ব্যাখ্যাটা আবার সংগায়িত করা যাবেনা
কৌশিক বলেছেন:
হাহা হাহা সংগা থেকে সংগা আর ব্যাখ্যা থেকে ব্যাখ্যা বাদ দিয়া এইটাকে - মানে যা লিখেছেন - সেইটাকে সেরকম রাখতেই বা অসুবিধা কিসের! এইটা তো খারাপ মনে হইতেছে না। য়াম লাভিং এন্ড এনজয়িং। মনে হয় আপনিও।
নাফে মোহাম্মদ এনাম বলেছেন:
পড়েছেন আমার নতুন গল্পগুলো?
লেখক বলেছেন: নতুঙ্গুলা দূরে থাক, পুরাঙ্গুলাও পড়ি নাই















