ঢাকা, ২৮ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোমবার ১ ফেব্রুয়ারি অমর একুশের অনুষ্ঠানমালা, একুশে গ্রন্থমেলা ও ভাষা আন্দোলনের জাদুঘরের উদ্বোধন করবেন। রক্তাক্ত ভাষা আন্দোলনের পরিণতিতে ১৯৫৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ও ১৯৫৭ সালে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত বাংলা একাডেমীর এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন তথ্যমন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট প্রমোদ কুমার মানকিন। একাডেমীর সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরী সভাপতিত্বে অনুষ্ঠেয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে
অন্যান্যের মধ্যে পুস্তক প্রকাশক সমিতির সভাপতি মহিউদ্দিন আহমদও বক্তব্য রাখবেন।
১৯৮২ সালে পুঁথিঘর এককভাবে বইমেলার আয়োজন করে। ১৯৮৪ থেকে শুরু হয় বড় আকারের বইমেলা।
১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর বর্ধমান হাউজের সামনে বটতলায় তদানীন্তন পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী আবুল হোসেন সরকার উদ্বোধনী ভাষণ পড়েন। এ বছর ২৬ নভেম্বর একাডেমীর প্রিপারেটরি কমিটি গঠন করে মুহাম্মদ বরকতউল্লাকে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিযুক্ত করা হয়। ড. এনামুল হক ১৯৫৬ সালে প্রথম পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ড. মাযহারুল ইসলাম মহাপরিচালক নিয়োগ করা হয় ১৯৭২ সালে। প্রফেসর সৈয়দ আলী আহসান, ড. কাজী দীন মুহম্মদ, একেএম কবীর চৌধুরী, ড. নীলিমা ইব্রাহিম, ড. মুস্তাফা নূর-উল ইসলাম. ড. আবুহেনা মোস্তফা কামাল ড. আশরাফ হোসেন সিদ্দিকীসহ বরেণ্য ব্যক্তিরা বিভিন্ন সময়ে পরিচালক ও মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৬১ সালে একাডেমীর সভাপতি হন মওলানা আকরাম খাঁ। মুহম্মদ বরকতউল্লাহ, ড. মুহম্মদ কুদরতে-ই-খুদা, সৈয়দ মুর্তাজা আলী, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন, সৈয়দ আলী আহসান, প্রফেসর আবু মহামেদ হাবীবুল্লাহ, আ ক ম আব্দুল হক, ড. আব্দুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দীন, গাজী শামছুর রহমান. বিচারপতি আব্দুর রহমান চৌধুরী, ড. আনিসুজ্জামানসহ অন্যান্য সুপ্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিত্ব বিভিন্ন সময়ে বাংলা একাডেমীর সভাপতি ছিলেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


