আমার প্রিয় পোস্ট
- অনুভুতি ছুয়ে যাওয়া কিছু বিজ্ঞাপন এবং তার পিছনের কিছু কথা। - তন্ময় ফেরদৌস
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- ফিরে দেখা ২০১১ : ব্লগ নিয়ে ব্লগারদের বাছাই ৩০ + নির্বাচিত ২০ ব্লগরম্য - ফিউশন ফাইভ
- ৯০ দশকের বিটিভি পর্দার বিজ্ঞাপনো-পিডিয়া - মেহরাব শাহরিয়ার
- ব্লগ নিয়ন্ত্রণে সাইবার আইনের চিন্তা! বাদ দেন! - পটল
- 70 দিনের হিসাব - অপ বাক
- বাংলা ব্লগ- সংস্কৃতি, রাজনীতি, সম্ভাবনা, ভাষা, সাফল্য ও সীমাবদ্ধতা (শামীম ভাই´র ৬ টি প্রশ্ন ও আমার স্বল্প জ্ঞানের মতামত) - পটল
- কিভাবে সামু ব্লগের খোঁজ পেলেন? - প্রজন্ম৮৬
- পারসোনার কাছে আমার কিছু জিজ্ঞাসা - অগ্নিলা
-
দেখে যান পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত কিছু মানুষের বিখ্যাত কিছু মিথ্যা।
।পৃথিবীর ইতিহাস অন্ধকারে ছিল বহুদিন যে কারনে। - ঢাকারআশিক
- সাকিব তামিমকে বাদ দেয়ার কারণ কি আসলে? ব্যার্থতা নাকি সেই নোংরা রাজনীতি? - বাউন্ডুলে রুবেল
- আট বছর ধরে পৃথিবী ঘুরে বেড়িয়ে যে উনত্রিশটি শিক্ষা আমি পেয়েছি - ২ - বিলাশ বিডি
- [ফিরে দেখা] বাংলাদেশের টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রির নতুন যুগে যাত্রা - বিদেশি চ্যানেলের পদার্পন এবং প্রাইভেট প্রডাকশনের আগমন (১৯৯২-৯৪) - রাইসুল জুহালা
- সিংহের খপ্পরে তিন ব্লগার > অপ্সরাপু, নাফিস ইফতেখার এবং একরামুল হক শামীম ! - এস.কে.ফয়সাল আলম
- আজ ১৭আগষ্ট ব্লগার নাফিস ইফতেখার, শায়মা ,অপ্সরা , ব্যাকটেরিয়া , লাল চাঁন সহ নয়জন ব্লগারের জন্মদিন। - জিসান শা ইকরাম
- বিভিন্ন কোম্পানির লোগোতে গোপন বার্তা > - খন্ডকাব্য
- এক্সপেরিমেন্টাল মুভি রিভিও পোস্টঃযে মুভিগুলো না দেখলে মরেও শান্তি পাবেন না(সামুর সকল মুভিখাদকের অবশ্য পাঠ্য) - নিয়নের আলো
- একজন আয়শা আপা,একজন আমি - সরলতা
- বলিউডি সিনেমা- হলিউডি কাহিনী - ইহতিশাম আহমদ
- [ফিরে দেখা] ভুলে যাওয়া পত্রপত্রিকাগুলি - রাইসুল জুহালা
- বইমেলা ও আমরা তিন ভাইবোন - শুকনা মরিচ
- একটু সাহস দেন না ভাই: আমি যে চাকরি টা ছেড়ে দিলাম!!!

- কাদামাটি
- সেদিন তোমাকে ! - চতুষ্কোণ
- একটু মায়া, একটু ভালোবাসা - আকাশনীল
- দেওয়ানী মোকদ্দমার স্তরসমূহ: - সৈয়দা আমিনা ফারহিন
- Image এর খোঁজে, শেঁকড়ের টানে - TinEye
- নাফিস ইফতেখার
- যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা - পিএইচডি নাকি মাস্টার্স - রাগিব
- রোড টু স্কলারশিপ - ১ - ফাজিল
- গুগল নিয়ে ঘাঁটাঘাটি - ফিউশন ফাইভ
- আত্মার খুব কাছাকাছি কিছু - অগ্নিলা
- মনের জানালা-২ (আপনার সমস্যা এবং সমাধান) - আউলা
- অপ্সরাপু, নাফিস ইফতেখার এবং একরামুল হক শামীম ভাইয়ার জন্মদিনে শুভেচ্ছার ফুলঝুড়ি - এস.কে.ফয়সাল আলম
- ছোট্ট নিশি এবং তার হতভাগ্য পিতা - ড়ৎশড়
- [sbযে বই গুলো পড়া দরকার (সবগুলোর লিস্ট) - িক
- পুরোনো কিছু বিজ্ঞাপন - সংবাদপত্রে প্রকাশিত ( ২য় পর্ব ) - বল্টু মিয়া
- বাংলার ভূ-স্বর্গ (ছবি ব্লগ) - দুখী মানব
- নীরা আর অদিতির গল্প, তাদেরকে ভালোবাসা - ড়ৎশড়
- ডাটা রিকভারি টুল দিয়ে আপনার স্ক্র্যাচ পরা CD/DVD থেকে ডাটা উদ্দার করুন - মঈনউদ্দিন
- “ঢাকার মজার কিছু খাবার দোকান এবং ঠিকানা” - নাফিজ মুনতাসির
- বাংলাদেশের চলচিত্র নিয়ে সাতকাহন [কিছু দুর্লভ ছবিসহ] (প্রথম পর্ব) - ধীবর
- বাংলা কম্পিউটিং নিয়ে সাম্প্রতিক আলোচনা – কিছু বাস্তবসম্মত প্রস্তাব - শাহ্ আসাদুজ্জামান
- আসুন নিজে নিজে বাংলা কিবোর্ড বানাই - মারূফ মনিরুজ্জামান
- যুদ্ধ শিশু '৭১ : স্বাধীনতার এক নিষ্ঠুর বাস্তবতা-২ -৩ - আলী
- ব্লগারদের বই নিয়ে আহমাদ মোস্তফা কামালের রিভিউ : ছাপা কাগজে একটুকরো 'ব্লগ' - ফিউশন ফাইভ
- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শুরু করবেন যে ভাবে, পর্ব-৪ - হাসমত০০৯
- আমেরিকা আমেরিকা - ০১ (মানুষগুলো)। - নরাধম
- ** বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্য ও ভাস্কর্য এর অন্তনিহিত ইতিহাস : পর্ব - ০১ ** - একান্ত কথা
- ছাত্র সাংগঠনের কর্মকান্ড কি শুধু মাত্র ছাত্রদের দাবী দেওয়া নিয়ে সীমাবদ্ধ থাকবেঃ University of Alabama এর অভিজ্ঞতা । - ভিন্ন চিন্তা
- ১৯৭১ এর নভেম্বর ডিসেম্বরের ঘটনাপ্রবাহ - ৩ : স্বাধীনতা পূর্বাপর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দলিলসমূহ - ৯ - মিরাজ
- হালচাল...অনেকদিন পরের কিছু গল্প... - গোলাপি
- একটি আধা জঘন্য ব্লগীয় চিঠি (সংশ্লিষ্টরা কিছু মনে করবেন না প্লিজ!) - ফিউশন ফাইভ
- বিশ্বায়নকালে মিডিয়া: বড়ো দানবদের ছোট্ট দুনিয়া - ফাহমিদুল হক
- ৬৭তম গোল্ডেন গ্লোব এ্যাওয়ার্ড এবং কিছু কাটা-ছেঁড়া - নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী
- ব্লগ আইডল: ব্লগবাজিতে পারঙ্গম বন্ধুরা!!
- এরশাদ বাদশা
- মুভি বিষয়ক কিছু পোষ্ট - নতুন রাজা
- ফিরে দেখা ২০০৯ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগের উল্লেখযোগ্য ঘটনাসমূহ - ফিউশন ফাইভ
- আপনার দেখা টপ ৫০ কমেডি মুভির লিষ্ট দেন দেখমু - মোতাব্বির কাগু
- বুদ্ধিজীবী হত্যা:১৯৭২ সালের ৩০ শে জানুয়ারি জহির রায়হান মারা যাননি। - আরিফ সিদ্দিকি
- যুদ্ধাপরাধ ও ট্রাইব্যুনাল : ভূমিকা ও ইতিহাস - জোবাইর
- আর মাত্র পঞ্চাশ মিনিট বাকি - শাহরিয়ার নির্জন
- ‘ক্ষুধার্ত এবং বোকা’ একজন অসামান্য মানুষ - দীপান্বিতা
- দেবদূতের বিবাহনামা ----- ৬ - শান্তির দেবদূত
- ফ্রি লাইব্রেরী: ঘরে বসে পড়ুন - বায়লোজি বলে আমি নাকি ছেলে!!
- জীবনানন্দের মৃত্যু রহস্য - আহমদ আবদুল হালিম
- ইন্টারনেটের বিশাল তথ্যভান্ডার থেকে আপনার কাঙ্খিত তথ্যটি খুঁজে পাওয়ার কয়েকটি সহজ এবং ইউসফুল ট্রিক্স। - হোরাস্
- বাংলা কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য ঘটনা (সায়েন্স ফিকশান প্রেমীদের অবশ্য পাঠ্য!
) - বোহেমিয়ান কথকতা
- সেরা রোমান্টিক মুভি - শওকত হোসেন মাসুম
- পিচ্চিকালের প্রিয় প্রিয় খাবার গুলো
- বাবুনি সুপ্তি
- ভালবাসার যত বিজ্ঞাপন... - অ্যামাটার
- যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চতর শিক্ষা - কীভাবে লিখবেন স্টেটমেন্ট অফ পারপাস - রাগিব
- যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চতর শিক্ষা -- আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু তথ্য - রাগিব
- বিশ্ববিবেককে কাঁপিয়েছিল যে ছবি - জোবাইর
- মহাকালের মহাপথিক : জীবনানন্দ - চতুষ্কোণ
- মামা কাহিনী
- চতুষ্কোণ
- 'অশ্রুপাত শেষ হলে নষ্ট করো আঁখি' - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, আমাদের গলাবাজি, আমাদের দায়িত্ববোধ - শওকত হোসেন মাসুম
- অতঃপর আড্ডা নিয়ে একটি পদ্য... - সুনীল সমুদ্র
- ২ অক্টোবরের ব্লগ আড্ডা সংকলন - গোয়েবলস
- ছবিই সব কথা বলে আড্ডার - আরিয়ানা
- ব্লগ আড্ডা - বৃষ্টি ভেজা চমৎকার একটি সন্ধ্যা - শ।মসীর
- চোরকাঁটার আড্ডা দর্শন
- চোরকাঁটা
- ভ্রমে বিভ্রমে ভ্রমণ ২ - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- কিছু করার চেষ্টা - বাবুনি সুপ্তি
- আদিবাসী সুর, আদিবাসী গান - ভাঙ্গা পেন্সিল
- ছবির হাটে চাঁদের হাট - ব্লগার দের আড্ডা - শ।মসীর
- জটিল আড্ডা...........!! - স্পর্শহীন কিছুদিন
- মানুষ আসলেই একা! - শফিউল আলম ইমন
- যানজটে জীবনজট-২: সম্ভাব্য সমাধান - ফারহান দাউদ
- সম্পর্কের গভীরতা - জ্বিনের বাদশা
- যে শহরে তুমি আছো, কি করে খবর সেথা পৌছে দেই! - কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি
- ...................... এবং ১০০ - ফারহান দাউদ
- ব্লগ পরিবারে একটি বছর - অপ্সরা
- ৫০ তম পোস্ট ...... অনিতাদি, ক্ষমা করো যদি ইচ্ছে হয় ..... - হনলুলু
- স্ক্রীপ্ট রাইটিং পর্ব-এক - রন্টি চৌধুরী
- রিকশা: সংক্ষিপ্ত ইতিহাস - ইমন জুবায়ের
- অসাধারণ কিছু জিমেইল ফিচার: জিমেইল গাইড- পর্ব:১ - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- Where father is a fictitious character..... - নিবিড় অভ্র
- বরষা বন্দনা - ফেরারী পাখি
- ফায়ারফক্সের কিছু জসিলা এডন
- কাঙাল মামা
- “ভালোবাসার কাজটি খুঁজে নিতে হবে” – স্টিভ জবস এর বিখ্যাত সমাবর্তন বক্তৃতা - বিলাশ বিডি
- সামুব্লগ বিবাহ - ৬ - আউলা
- ভরা বর্ষায় কড়া বৈশাখী খানা - অপ্সরা
- বহুব্যবহৃত ও প্রয়োজনীয় কিছু শব্দের শুদ্ধ বানান - জোবাইর
- প্রেমাবেগ
(লিখেছেন: চানাচুর) - চানাচুর
- এই ব্লগ সেই ব্লগ; নস্টালজিক প্যাঁচাল....- ডেডিকেটেড টু অল দ্যা নিউ ব্লগার.. - এরশাদ বাদশা
- এই আমি তোমার জন্য। - ফেরারী পাখি
- জ্বর আসতেছে .....
এইটা একটা সিরিয়াস পোস্ট
- হনলুলু
- শতবর্ষ আগের ঢাকা - মামুনুর রহমান খাঁন
- ঢাকার অনেক পুরাতন কিছু ছবি!! দেখুন ও শেয়ার করুন
- বজ্রাহত
- আমার ভিনদেশি তারা - চন্দ্রবিন্দু - মিঠি
- ভার্চুয়াল সম্পর্কগুলো.... - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- আমার নিশীথ রাতের বাদলধারা - বরুণা
- সামহোয়ারইন, স্প্যামার ঠেকাতে আইপি হ্যাশ প্রকাশ করুন - তর্পন
- সাইবার ক্রাইম : আমরা কতটা প্রস্তুত? - রিজওয়ানুল ইসলাম রুদ্র
- আগামীবার যখন উইন্ডোজ নতুন করে সেটআপ দেবেন....... - নাফিস ইফতেখার
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার রোধে আন্তর্জাতিক চাপ - রেজওয়ান
- ভার্চুয়াল ও ননভার্চুয়াল ক্ষেত্র থেকে সামহোয়ারইনব্লগ কর্তৃপক্ষের ব্লগ রূপরেখা এবং এর ব্লগ, ব্লগার ও ক্রমঃবিবর্তিত পরিচালন পদ্ধতি - কৌশিক
- ব্লগ কী? - ফাহমিদুল হক
- স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা বাবাকে নিয়ে আমার জীবনের প্রথম লেখা (মুক্তিযুদ্ধে যারা বাবা হারিয়েছ তোমাদের সবার জন্য উৎসর্গ) - মুনীর উদ্দীন শামীম
- কেভিন কার্টারের ছবি এবং রুদ্রের কবিতার শকুন - তর্পন
- কিংবদন্তী ঢাকার মসলিন (শেষপর্ব) - প্রিয়তমা
- সুনীল সমুদ্রের ক্যামেরায় ও কমিকস-এ এবারের পিকনিক - সুনীল সমুদ্র
- আজকের প্রথম আলোতে ব্লগ প্রসঙ্গ এবং আবার 'ফিরে দেখা '৭১' - ব্রিগেড সিক্সটিন
- ৯৯.৯% কষ্টের জীবন - আকাশনীল
- বসুন্ধরা অগ্নিকান্ড ও আমাদের সচেতনতা - পারভেজ
- গোলাম আজমের ভাষা সৈনিকগিরি আর তেলাপোকার জীবন বৃত্তান্ত - এস্কিমো
- ব্লগারদের পছন্দের সেরা কিছু রোমান্টিক বাংলা গান। - নিঃসঙ্গ
- ডক্টর মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেইন : যার কাছে বাঙালীর অসীম কৃতজ্ঞতা - অমি রহমান পিয়াল
- সিয়েরালিওনের বিশেষ আদালত- রাজাকারদের বিচারেরর দিক নির্দেশনা - মেঘ
- বিশ্ববিদ্যলয়ের প্রেম - ২৭ - কৃষক
- ছোটগল্পঃ আলো-ছায়ার ওপাড়ে - মোস্তাফিজ রিপন
- ...অসমাপ্ত দিনের গল্প। - ...অসমাপ্ত
- * * * ..শাড়ীর আঁচলে রক্তে লেখা একদিন.. * * * - অনন্ত দিগন্ত
- যারা আইবিএ-তে ভর্তি পরীক্ষা দিবেন তাদের জন্য উপদেশনামা!! - নরাধম
- বৃষ্টিস্নাত এই সব দিবারাত্রি - ইরতেজা
- মূলধারা '৭১।। ২৫ মার্চের কালো রাত্রি ও তাজউদ্দিনের ভারত আগমন - শওকত হোসেন মাসুম
- আমরা যারা ভালবাসা খুঁজি... - ...অসমাপ্ত
- আপনার শোনা বাংলা বেস্ট রোমান্টিক গান কোনটা ? - নিঃসঙ্গ
- ফুলের নাম - বীণা - রাজামশাই
- ফ্রি ওয়েবসাইট আর অনলাইনে টাকা কামানোর রহস্য - হাসান
- বর্ষপূর্তিতে আমার দু'কলম - রুখসানা তাজীন
- জামায়াতে ইসলামী এর ইতিহাস ফিরে দেখি - ইরতেজা
- গল্পঃ স্মৃতিভ্রষ্টতার উল্টোযাত্রা - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- আমাদের মুক্তিযুদ্ধ : অনিবার্য ছিলো, আকস্মিক নয় - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- ব্লগের বর্ষসেরা পোস্ট- চোরকাঁটা ইশ্টাইল কিস্তি ২ - চোরকাঁটা
- আমরা বিজয় দেখেছি খালি চোখে - আমরা বিজয় দেখছি দূরবীনে ! - মনজুরুল হক
- একরামুল হক শামীমের অপেক্ষা গল্পটি পড়ে তাকে উপহার স্বরূপ - সামী মিয়াদাদ
- দেশে বাল্য বিবাহের প্রকোপ আশংকাজনক হারে বেড়ে যাচ্ছে [উৎসর্গ : একরামুল হক শামীম] - বিষাক্ত মানুষ
- পঞ্চ ইন্দ্রিয় - পারভেজ
- দশ ব্লগাররে লইয়া খভিতা একটা কইরা মাইনাচ দিয়া যান - সৌপ্তিক
- দুই জেডারে পাইছিলাম পথে... একটি সেমি/ কোয়ার্টার আড্ডা ! - ঘাসফুল
- Search Engine Optimization – এ হাতেখড়ি (পর্ব ১) - হাসান
- টুকরো টুকরো ভালবাসা - ১৩ - মুনতাসীর মারুফ
- ঘুম - ভাঙ্গা পেন্সিল
- মি, মাইসেল্ফ এ্যান্ড পরী - ধূসর মেঘমালা
- রাখালী কাব্য - নাদান
- প্রণয় এবং বিচ্ছেদের অবশ্যম্ভাবিতাঃ একটি ময়নাতদন্ত - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- চিটি আপুর বর্ষপূর্তিতে আমারা .................
- নিহন
- ভালবাসাবাসি করেন
.... তয় In Ishtyle!!!!
(অনুবাদ পোস্ট) - এম্নিতেই
- কাঁদছে স্মৃতি--কে দেবে গো -- মুক্তি দেবে তারে! - শেরিফ আল সায়ার
- ওপেনসোর্স সফটওয়্যারের জগতে আপনাকে স্বাগতম (অনেকগুলো সফটওয়্যারের বর্ননাসহ ডাউনলোড লিংক) - নাফিস ইফতেখার
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১২৯ ব্লগারের তথ্য (আপডেট পোস্ট) - ফিউজিটিভ
- কোরআনের সংরক্ষণ।-১ - কুম্ভকর্ণ
- গলা ছেড়ে বলতে চাই - সবাক
- 'আমরা দুজনে মিলে শূন্য করে চলে যাব জীবনের প্রচুর ভাঁড়ার' - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- যে দিন আমি মায়ের সমান হবো - রাগ ইমন
- আজ সেই বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুদিন.....আজ আমার কষ্টের দিন..... - মনজুরুল হক
- বাংলা স্পেলচেকিং - কিছু ওপেন সোর্স প্রজেক্ট - আছহাবুল ইয়ামিন
- নতুন করে ভাবি- কতোটা মন পুড়ে গিয়ে হয় নিঃশেষ!!! - একরামুল হক শামীম
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -২ (GRE)। - কুম্ভকর্ণ
- একজন বয়স্ক ভদ্রলোকের জন্মদিন

- আউলা
- আজ চমৎকার একটি আড্ডা হয়ে গেল - মিলটন
- শেষচিঠি - অপ্সরা
- পুনর্জন্ম ......... (ফ্যান্টাসী ছোট গল্প) - শান্তির দেবদূত
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -১(GMAT)। - কুম্ভকর্ণ
- শিরোনামহীন ০ (শূন্য) - রাতমজুর
- কিছু ব্যক্তিগত দীর্ঘশ্বাস ............ - হনলুলু
- ~আমার স্বপনের বাহন~/উৎসর্গ: একরামুল হক শামীম - বিবর্তনবাদী
- একটি চন্দ্র বালিকার গল্প। - নাদান
- আমাদের মায়েরা (মা দিবসে ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ) - একরামুল হক শামীম
- আমি তোমাকেই বলে দিবো, কিযে একা দীর্ঘ রাত আমি হেটে গেছি বিরাণ পথে - একরামুল হক শামীম
- লাল গাড়ি আর লাল বালিকার গল্প - নিধিরাম সর্দার
- প্রিয় ব্লগের প্রিয় ব্লগারদের প্রিয়তমার প্রিয় কিছু কথা - প্রিয়তমা
- ১০ বিষয়ে সেরা ১০ ছবির তালিকা: মুভি প্রেমিকদের জন্য অবশ্য পাঠ্য - শওকত হোসেন মাসুম
- কাজলাদিদি .............. উতসর্গ আউলাদি - হনলুলু
- না এলেই ভালো হতো...! - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- চির উন্নত শির(আজ আমাদের জাতীয় কবির ১০৯তম জন্মবার্ষিকী,বাংলা ১১ই জৈষ্ঠ হিসেবে আগামী কাল-ও){ছবি ব্লগ} . - অ্যামাটার
- "চলচ্চিত্র সমাজ পরিবর্তন করতে পারে না, কখনো করেও নি" -- সত্যজিৎ রায়ের সাক্ষাৎকার - ফাহমিদুল হক
- চিকনমিয়ার বিয়ে - আউলা
- আমি , যে কোনদিন মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি .......... - হনলুলু
- দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া -- ব্লগে বসে বিশ্বভ্রমণ - রাগিব
- ডাউনলোড Radio Foortie's Top 100 Songs!(শ্রোতাদের ভোট এ-২০০৭) - ধূসরিত স্বপ্ন গুলো
- বাংলাদেশের গান - যূঁথী
- জীবন একটা গম্ভীর বিদ্রুপ! - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- প্রিয় ব্লগারদের লেখার সন্ধানে.... - একরামুল হক শামীম
- ব্লগারদের দৃষ্টি আকর্ষণ!! বৈশাখী সংকলন ১৪১৫: অনুমতি প্রদান ও লেখার লিঙ্ক দেবার জন্য আহবান - রাশেদ
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিন........ - শফিউল আলম ইমন
- সবাইকে মহান স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা... - নোটিশবোর্ড
- প্রথম আলো ব্লগ : অভিনন্দন মাহবুব মোর্শেদ ভাই - বাউণ্ডুলে
- যে রাতটি আমার নির্ঘুম কাটে - সামী মিয়াদাদ
- তোমাদের কাছে এই আহ্বান... এগিয়ে এসো বাঁচাতে কিছু প্রাণ... নির্বিশেষ... বাংলাদেশ, বাংলাদেশ (উৎসর্গ- জর্জ হ্যারিসন) - একরামুল হক শামীম
- জনৈক জ্ঞানী মানুষের সাথে কথোপকথন এবং কিছু সিদ্ধান্ত। - নির্বাসিত
- যে কারনে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ব্যর্থ হলাম (মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও নির্যাতিত সকল সূর্য-সন্তানদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা সহ) - মিরাজ
- সামহোয়্যারের ব্লগার বন্ধুরা...এই কথাগুলো শুনুন...এই কলংক যেন আমাদের স্পর্শ না করে... - মুকুল
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রের তালিকা - ফারহান দাউদ
- কেন লিখিনা - সামী মিয়াদাদ
- বাংলা ইউনিকোড ভিত্তিক ওয়েব সাইট - ক্যামেরাম্যান
- রাত বিরাতের আড্ডা - একরামুল হক শামীম
- চড়ুইভাতি, ঘুমকাতুরে আমি, বাসের যাত্রা, প্রাগৈতিহাসিক জায়গা, ক্ষুধায় কান্ত আমরা, আনলাকি লটারি, কষ্টকর ফিরে আসা এবং অতঃপর মাইনাচ (একটি পিকনিকীয় পোস্ট) - একরামুল হক শামীম
- বাংলার বীরশ্রেষ্ঠ সন্তানেরা - সাত বীরশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধার জীবনী - রাগিব
- নিশীথ রাতের ব্লগার এবং কিছু কথা - একরামুল হক শামীম
- সাময়িক পোষ্ট: আপনার জন্মদিন কবে?? (সবাইকে অংশগ্রহন করার বিনীত অনুরোধ) - শফিউল আলম ইমন
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- আয় করুন Google Adsense এর মাধ্যমে - গাজী মো: সাইফুল ইসলাম
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- সামহোয়ারইনব্লগ-এ আমার দরকারী পোস্ট - একরামুল হক শামীম
- আমাদের মিলগুলো - একরামুল হক শামীম
- আমার শততম পোস্ট - একরামুল হক শামীম
- বন্ধুত্বের সেরা দশ বই এবং অন্যান্য - একরামুল হক শামীম
- বাবা তোমায় ভালোবাসি - একরামুল হক শামীম
জীবনানন্দ দাশ : কবিতায় খুঁজি বাংলার রূপ
০৮ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৩৪
জীবনানন্দ দাশের কবিতা আমার অনেক ভালো লাগে। তিনি আমার প্রিয় কবি। প্রিয় এই কবির কবিতা এবং কবি সম্পর্কে তথ্য অনলাইনে নানা জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। এইসব একত্রিত করার প্রয়োসেই এই পোস্ট।
কিছু কবিতা এবং কবিতার অংশবিশেষও আছে। আছে বইয়ের প্রচ্ছদ।
প্রথমেই প্রয়োজনীয় কিছু লিংক :
জীবনানন্দ দাশ : উইকিপিডিয়ার বাংলা সংস্করণে
উইকিপিডিয়ার ইংরেজি সংস্করণে
জীবনানন্দ দাশ : Answers.com এ একটি লেখা
জীবনানন্দ দাশের ‘অবসরের গান’: একটি জ্যামিতিক পর্যবেক্ষণ
ব্লগস্পটে জীবনানন্দ দাশকে নিয়ে বেশ ভালো একটি সাইট
জীবনানন্দ দাশের পাঁচটি কবিতা
বর্ণমালায় জীবনানন্দ দাশ
বনলতা সেন কবিতাটি নিয়ে উইকিপিডিয়ায় চমৎকার আলোচনা এবং কয়েকটি ভাষায় কবিতাটির অনুবাদ
কয়েকটি ভাষায় এবং কয়েকজন দ্বারা করা বনলতা সেন এর অনুবাদ
জীবনানন্দ দাশের বেশ কিছু কবিতা
বাংলা কবিতা : জীবনানন্দ দাশের আধুনিকতা
## জীবনানন্দ দাশের একটি জনপ্রিয় ছবি
![]()
## বনলতা সেন কাব্যগ্রন্থের প্রচ্ছদ
![]()
গ্রন্থতালিকা : জীবনানন্দ দাশ
কাব্যগ্রন্থ
* ঝরা পালক (১৯২৮)
* ধুসর পাণ্ডুলিপি (১৯৩৬)
* বনলতা সেন (১৯৪২)
* মহাপৃথিবী (১৯৪৪)
* সাতটি তারার তিমির (১৯৪৮)
* শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৫৪)
* রূপসী বাংলা (১৯৫৭)
* বেলা অবেলা কালবেলা (১৯৬১)
* আলো পৃথিবী (১৩৮৯ বাংলা)
প্রবন্ধগ্রন্থ
* কবিতার কথা (১৯৫৫)
* বনলতা সেন (১৯৪২)
গল্প ও উপন্যাস
* জীবনানন্দ দাশের গল্প (১৩৭৯ বাংলা)
* সুতীর্থ
* মাল্যবান (১৯৭৩)
### জীবনানন্দ দাশের কিছু কবিতা এবং কবিতার অংশবিশেষ
০০১.
হায় চিল
হায় চিল, সোনালী ডানার চিল, এই ভিজে মেঘের দুপুরে
তুমি আর কেঁদো নাকো উড়ে-উড়ে ধানসিঁড়ি নদীটির পাশে!
তোমার কান্নার সুরে বেতের ফলের মতো তার ম্লান চোখ মনে আসে!
পৃথিবীর রাঙা রাজকন্যাদের মতো সে যে চলে গেছে রূপ নিয়ে দূরে;
আবার তাহারে কেন ডেকে আনো? কে হায় হৃদয় খুঁড়ে
বেদনা জাগাতে ভালোবাসে!
হায় চিল, সোনালী ডানার চিল, এই ভিজে মেঘের দুপুরে
তুমি আর উড়ে-উড়ে কেঁদো নাকো ধানসিঁড়ি নদীটির পাশে!
(বনলতা সেন, ১৯৪২)
০০২.
নির্জন স্বাক্ষর
তুমি তো জানো না কিছু - না জানিলে,
আমার সকল গান তবুও তোমারে লক্ষ্য করে;
যখন ঝরিয়া যাবো হেমন্তের ঝড়ে -
পথের পাতার মতো তুমিও তখন
আমার বুকের 'পরে শুয়ে রবে?
অনেক ঘুমের ঘোরে ভরিবে কি মন
সেদিন তোমার!
তোমার এ জীবনের ধার
ক্ষ'য়ে যাবে সেদিন সকল?
আমার বুকের 'পরে সেই রাতে জমেছে যে শিশিরের জল,
তুমিও কি চেয়েছিলে শুধু তাই;
শুধু তার স্বাদ
তোমারে কি শান্তি দেবে?
আমি ঝ'রে যাবো - তবু জীবন অগাধ
তোমারে রাখিবে ধ'রে সেদিন পৃথিবীর 'পরে,
- আমার সকল গান তবুও তোমারে লক্ষ্য করে।
-- অংশবিশেষ --
(ধুসর পাণ্ডুলিপি, ১৯৩৬)
০০৩.
আমাকে একটি কথা দাও
আমাকে একটি কথা দাও যা আকাশের মতো
সহজ মহৎ বিশাল,
গভীর; - সমস্ত ক্লান্ত হতাহত গৃহবলিভুকদের রক্তে
মলিন ইতিহাসের অন্তর ধুয়ে চেনা হাতের মতন,
আমি যাকে আবহমান কাল ভালোবেসে এসেছি সেই নারীর।
সেই রাত্রির নক্ষত্রালোকিত নিবিড় বাতাসের মতো:
সেই দিনের - আলোর অন্তহীন এঞ্জিন চঞ্চল ডানার মতন
সেই উজ্জ্বল পাখিনীর - পাখির সমস্ত পিপাসাকে যে
অগ্নির মতো প্রদীপ্ত দেখে অন্তিমশরীরিণী মোমের মতন।
(বেলা অবেলা কালবেলা, ১৯৬১)
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): জীবনানন্দ দাশ, jibanananda-das ;
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
খুব ভাল কাজ হয়েছে শামীম
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রন্টি ভাই। এই তালিকা আরো আপডেট করার ইচ্ছা আছে।
লেখক বলেছেন: ভালো আছি। তোর খবর কি?
তানজু রাহমান বলেছেন:
শামীমভাই! আপনেও দেখি বস মানুষ!
লেখক বলেছেন: জ্বি ম্যাডাম ![]()
লেখক বলেছেন: হুমমমম....ভালো করার চেষ্টা কর।
হনলুলু বলেছেন:
এইখানে গুরুর বেশকিছু জনপ্রিয় কোবতের লাইন পাইবা ...... কয়েকদিন আগে আমিও এক্টা পুস্টাইছিলাম .....
Click This Link
লেখক বলেছেন: তোমারে জাঝাবাদ ![]()
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন:
চমৎকার! আমার খুব কাজে লাগবে।ধন্যবাদ শামীম ভাই।
['রুপ' বানানটি ঠিক করে দিন-- 'রূপ'। শিরোনাম তো, এইজন্য বললাম, কিছু মনে করবেন না, প্লিজ।]
লেখক বলেছেন: বানানটি ঠিক করে দিলাম। ধন্যবাদ। ![]()
কালপুরুষ বলেছেন:
খুব ভাল প্রয়াশ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কালপুরুষদা ।
অ্যামাটার বলেছেন:
ওয়াও!!দারুন একটা কাজ!!
আমি প্রথম একটা বইয়ের মুখবন্ধে লেখক আব্দুল মান্নান সৈয়দের লেখা পড়ে জীবনানন্দের ভক্ত হয়ে যাই;
যেমন:
জীবনানন্দ পূনর্জন্মে বিশ্বাসী ছিলেন,
ইশ্বরে বিশ্বাস করতেন না,
বন্ধু বুদ্ধদেবের মতে ভীষন রকম অন্তর্মুখী,
তার কিন্চিৎ সোশ্যাল ফোবিয়া ছিল...ইত্যাদি।
আর ব্যাক্তিগত জীবনের না পাওয়াকে তিনি তার সাহিত্যে ব্যাক্ত কর্তে চেয়েছেন...
আবার অনেকেরই মতে তিনি আত্মহত্যা করেছেন...কারণ তখনকার দিনে কলকাতার ট্রামলাইনগুলো থাকত ফাকা রাস্তার উপর,ইচ্ছাকৃতভাবে কেউ সামনে না গেলে দুর্ঘটনা ঘটার কথা না...
আসলেই রহস্যঘেরা একটা চরিত্র।
পুষ্ডে ছ্যাঁকুকে বিরাট একখান পেলাস।
লেখক বলেছেন: জীবুদা বস।
ধন্যবাদ তোমাকে।
নাঈম বলেছেন:
হুমমম...ব্যাপক জ্ঞানী পুষ্ট
লেখক বলেছেন: মিয়া আগে পড়েন ![]()
লেখক বলেছেন: এইগুলা কি কন!!!
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
দারুন কাজ করছো শামীম ভাই।ধইন্যাপাতা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শান্ত ভাই।
হনলুলু বলেছেন:
শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে
অলস গেয়োর মতো এইখানে কার্তিকের ক্ষেতে
মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার , চোখে তার শিশিরের গান
তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান
দেহের সাধের কথা কয়
বিকালের আলো এসে (হয়তোবা) নষ্ট করে দেবে তার সাধের সময়
চারিদিকে এখন সকাল
রোদের নরোম রং শিশুর গালের মতো লাল
মাঠের ঘাসের পরে শৈশবের ঘ্রান
পাড়াগাঁর পথে ক্ষান্ত উৎসবের পড়েছে আহ্বান
চারিদিকে নুয়ে পড়ে ফলেছে ফসল
তাদের স্তনের থেকে ফোঁটা ফোঁটা পড়িতেছে শিশিরের জল
প্রচুর শস্যের গন্ধ থেকে থেকে আসিতেছে ভেসে
পেচাঁ আর ইদুঁরের ঘ্রানে ভরা আমাদের ভাড়ারের দেশে
শরীর এলায়ে আসে এইখানে ফলন্ত ধানের মতো করে
যেই রোদ একবার এসে শুধু চলে যায় তাহার ঠোঁটের চুমো ধরে
আহ্লাদের অবসাদে ভরে ওঠে আমার শরীর
চারিদিকে ছায়া রোদ, খুদ কুড়া কার্তিকের ভিড়
দেহের সকল ক্ষুধা মিটে যায় এইখানে , এখানে হতেছে স্নিগ্ধ কান
পাড়াগার গায় আজ লেগে আছে
রূপশালি ধানভানা রূপসীর শরীরের ঘ্রান.........''
(অবসরের গান / জীবনানন্দ দাশ)
লেখক বলেছেন: তোমার কালেকশনে আরো কবিতা থাকলে এইখানে দেও।
তামিম ইরফান বলেছেন:
দারুন একটা কাজ কর্ছো খেকু।
লেখক বলেছেন: তোমারে ধইন্যপাতা গোলাবী।
তোমার সংগ্রহে জীবনানন্দ দাশের কোন কবিতা থাকলে এইখানে দেও।
নুরুন্নবী হাছিব বলেছেন:
ওয়াও...দারুন আইডিয়া...তালিয়া...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তোমারে। ![]()
অ্যামাটার বলেছেন:
পুষ্ডখান পিরিয়তে নিয়্যা গ্যালাম;@হনলুলু ভাইজান;
"সোনালী ডানার সঙ্খচিল" কোবতেখান কি সংগ্রহে আছে?
এইডা নিয়্যা এক্ডা পুষ্ডও দিচিলাম...মাগার ক্যাডাও দিবার ফারেনাই
লেখক বলেছেন: দেখি খুঁজতে হেব কবিতাটা। আশা করছি পাবো।
ইফতেখার ইনান বলেছেন:
শামীম ভাই, প্রিয় পোস্টে রাইখা দিলাম.. কামের কাম করসেন... আমিও আপডেট করার চেষ্টা করব...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ইনান ভাই।
লেখক বলেছেন: হুমমম
তামিম ইরফান বলেছেন:
তোমার যেখানে সাধ চলে যাওতোমার যেখানে সাধ চলে যাও- আমি এই বাংলার পারে
রয়ে যাব;দেখিব কাঁঠাল পাতা ঝরিতেছে ভোরের বাতাসে;
দেখিব খয়েরি ডানা শালিখের সন্ধ্যায় হিম হয়ে আসে,
ধবল রোমের নিচে তাহার হলুদ ঠ্যাং ঘাসে অন্ধকারে
নেচে চলে- একবার- দুইবার- তারপর হঠাৎ তাহারে
বনের হিজল গাছ ডাক দিয়ে নিয়ে যায় হৃদয়ের পাশে;
দেখিব মেয়েলি হাত সকরুণ- শাদা শাঁখা ধূসর বাতাসে
শঙ্খের মতো কাঁদে: সন্ধ্যায় দাড়াল সে পুকুরের পাশে
খইরঙ্গা হাঁসটিরে নিয়ে যাবে যেন কোন্ কাহিনীর দেশে -
' পরণ-কথা'র গন্ধ লেগে আছে যেন তার নরম শরীরে,
কল্মিদানের থেকে জন্মেছে সে যেন এই পুকুরের নীড়ে -
নীরবে পা ধোয় জলে একবার- তারপর দূরে নিরুদ্দেশে
চলে যায় কুয়াশায়- তবে জানি কোনদিন পৃথিবীর ভিড়ে
হারাব না তারে আমি- সে যে আছে আমার এ বাংলার তীরে।
রূপসী বাংলা/ জীবনানন্দ দাশ
লেখক বলেছেন: দারুন ...তামিম তোমারে অনেক ধন্যবাদ। ![]()
তামিম ইরফান বলেছেন:
আর লাগলে কইয়ো বেকডি আছে আমার কাছে।
লেখক বলেছেন: তাইম্যা পারলে এই পোস্টে দেও। এই পোস্টটা জীবনানন্দের কবিতা দিয়ে ভরে ফেলতে চাই। ![]()
লেখক বলেছেন: দেইখা ভালো লাগতাছে ![]()
হনলুলু বলেছেন:
আগুন বাতাস জল আদিম দেবতার তাদের বঙ্কিম পরিহাসে
তোমাকে দিল রূপ
কী ভয়াবহ নির্জন রূপ তোমাকে দিল তারা
আর তোমার সংস্পর্শের মানুষদের রক্তে দিলো
মাছির মতো কামনা ........
( আদিম দেবতারা )
লেখক বলেছেন: দারুন হনলুলু। ![]()
লেখক বলেছেন: জীবুদাকে আমিও গুরু মানি। ![]()
লেখক বলেছেন: চলো গুরু জীবুদা ক্লাব গঠন করি। ![]()
হনলুলু বলেছেন:
তাইম্যা, খেকু বলছে আমারে আর তোমারে নিয়া অর বান্ধবীর বাসায় ঘুরতে যাইব । রাজি থাকলে বল ....... লেখক বলেছেন: এইটা আবার তুমি কি বললা? 
তামিম ইরফান বলেছেন:
আকাশলীনাসুরন্জনা, অইখানে যেও নাকো তুমি,
বোলো নাকো কথা অই যুবকের সাথে;
ফিরে এসো সুরন্জনা:
নক্ষত্রের রূপালি আগুন ভরা রাতে;
ফিরে এসো এই মাঠে, ঢেউয়ে;
ফিরে এসো হৃদয়ে আমার;
দূর থেকে দূরে -- আরো দূরে
যুবকের সাথে তুমি যেও নাকো আর।
কী কথা তাহার সাথে?-- তার সাথে!
আকাশের আড়ালে আকাশে
মৃত্তিকার মতো তুমি আজ:
তার প্রেম ঘাস হয়ে আসে।
সুরন্জনা তোমার হৃদয় আজ ঘাস:
বাতাসের ওপারে বাতাস--
আকাশের ওপারে আকাশ।
সাতটি তারার তিমির/ জীবননান্দ দাশ
লেখক বলেছেন: আহারে সুরঞ্জনা ![]()
লেখক বলেছেন: তোমার নামে জীবুদার কাছে বিচার দিমু 
লেখক বলেছেন: বনলতা সেন, নাটোর বাড়ি। যাইবা নাকি? ![]()
লেখক বলেছেন: জীবুদার নামে একটা গ্রুপ খুলতে পারলে ভালো হয়। ![]()
লেখক বলেছেন: লুলু কি ঠিক আছে? ![]()
লেখক বলেছেন: সুরঞ্জনা আর বনলতা এর বাড়িতে চলো ঘুরে আসি। ![]()
হনলুলু বলেছেন:
খেকু ব্লগে আইসা হুদাই খালি ছ্যাকা টাইপ পোস্ট দেয় .... কিন্ত খেকুর বান্ধবীর সংখ্যা শুনলে তব্ধা খাইয়া যাইবা .... লেখক বলেছেন: এই তথ্য আবার তুমি কোথায় পেলে? 
লেখক বলেছেন: লুলু ফুন নাম্বার নিবা নি? ![]()
তানজু রাহমান বলেছেন:
মাইনষে কেম্বায় মোকস্ত রাকে?
লেখক বলেছেন: সেইটাই তো কথা!! ![]()
মানুষ বলেছেন:
থ্যাংকু শামীম
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ গুরু।
গুরু জীবুদা ফ্যান ক্লাব হচ্ছে। জয়েন করে ফেলেন। ![]()
লেখক বলেছেন: ফুন কর্ছিরা নাকি? ![]()
তামিম ইরফান বলেছেন:
শহর
হদয়, অনেক বড় বড় শহর দেখেছ তুমি;
সেই সব শহরের ইটপাথর,
কথা, কাজ, আশা, নিরাশার ভয়াবহ হত চক্ষু
আমার মনের বিস্বাদের ভিতর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
কিন্তু তবুও শহরের বিপুল মেঘের কিনারে সূর্য উঠতে দেখেছি;
বন্দরের নদীর ওপাড়ে সূর্যকে দেখেছি
মেঘের কমলারঙ্গের ক্ষেতের ভিতর প্রণয়ী চাষার মতো
বোঝা আছে তার;
শহরের গ্যাসের আলো ও উঁচু উঁচু মিনারের উপরেও
দেখেছি- নক্ষত্রেরা--
অজস্র বুনো হাঁসের মতো কোন্ দক্ষিন সমুদ্রের দিকে উড়ে চলেছে
মহা পৃথিবী/ জীবনানন্দ দাশ
লেখক বলেছেন: তাইম্যা দারুন কাজ হচ্ছে। তোমার কাছে যতোগুলা আছে দেও পিলিজ ![]()
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
আলো-অন্ধকারে যাই- মাথার ভিতরেস্বপ্ন নয়, কোন এক বোধ কাজ করে!
স্বপ্ন নয়-শান্তি নয়- ভালোবাসা নয়,
হৃদয়ের মাঝে এক বোধ জন্ম লয়!
আমি পারি না তারে এড়াতে,
সে আমার হাত রাখে হাতে;
সব কাজ তুচ্ছ মনে হয়, পন্ড মনে হয়,
সব চিন্তা- প্রার্থনার সকল সময়
শূন্য মনে হয়,
শূন্য মনে হয়।
(বোধ- জীবনানন্দ দাশ, ধূসর পান্ডলিপি)
লেখক বলেছেন: এই কবিতাটা অদ্ভুত রকমের ভালো লাগে।
হনলুলু বলেছেন:
কান্তারের পথ ছেড়ে সন্ধ্যার আধারে
সে কে এক নারী এসে ডাকিল আমারে ,
বলিল , তোমারে চাই ;
বেতের ফলের মতো নীলাভ ব্যথিত তোমার দুই চোখ
খুজেছিঁ নক্ষত্রে আমি --- কুয়াশার পাখনায় --
সন্ধ্যার নদীর জলে নামে যে আলোক
জোনাকির দেহ হতে -- খুজেঁছি তোমারে সেইখানে ---
ধূসর পেঁচার মতো ডানা মেলে অঘ্রানের অন্ধকারে
ধানসিড়ি বেয়ে বেয়ে
সোনার সিড়ির মতো ধানে আর ধানে
তোমারে খুঁজেছি আমি নির্জন পেঁচার মতো প্রানে ........
( শঙ্খমালা / জীবনানন্দ দাশ )
আমার খুব প্রিয় একটা কবিতা .........
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
বনলতা সেন
হাজার বছর ধরে আমি পথ হাটিতেছি পৃথিবীর পথে,
সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগরে
অনেক ঘুরেছি আমি ; বিম্বিসার অশোকের ধূসর জগতে
সেখানে ছিলাম আমি ; আরো দূর অন্ধকারে বিদর্ভ নগরে ;
আমি ক্লান্ত প্রাণ এক, চারি দিকে জীবনের সমুদ্র সফেন,
আমারে দুদণ্ড শান্তি দিয়েছিল নাটোরের বনলতা সেন।
চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা,
মুখ তার শ্রাবস্তীর কারুকার্য ; অতি দূর সমুদ্রের পর
হাল ভেঙে যে নাবিক হারায়েছে দিশা
সবুজ ঘাসের দেশ যখন সে চোখে দেখে দারুচিনি দ্বীপের ভিতর,
তেমনি দেখেছি তারে অন্ধকারে ; বলেছে সে, ‘এতদিন কোথায় ছিলেন?’
পাখির নীড়ের মতো চোখ তুলে নাটোরের বনলতা সেন।
সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন
সন্ধ্যা আসে ; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল ;
পৃথিবীর সব রঙ নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন
তথন গল্পের তরে জেনাকীর রঙে ঝিলমিল ;
সব পাখী ঘরে আসে - সব নদী - ফুরায় এ-জীবনের সব লেন দেন ;
থাকে শুধু অন্ধকার, মুখোমুখি বসিবার বনলতা সেন।
(বনলতা সেন)
তানজু রাহমান বলেছেন:
পবিত্র কিছু-একটা-যা-বলব-না! সবারই কি মুখস্ত কবিতা? এরকম লাফায় লাফায় টাইপ করে দিয়ে দেয়! ভাইরেভাই! লেখক বলেছেন: কয়টার সাথে ![]()
হনলুলু বলেছেন:
যেদিন আমি এই পৃথিবীর থেকে চলে যাব হে শঙ্খমালা অপরিসীম নক্ষত্র তুমি বিছিয়ে দিও আকাশে
পৃথিবীর অন্ধকার সমতলতা ঘিরে যুগান্তের লুপ্ত মানবীদের মতো
কয়েকটি নির্জন নক্ষত্র ----
এর চেয়ে গভীর জিনিস কী আর থাকতে পারে
কী আর থাকতে পারে শঙ্খমালা ?
আর আমার বিছানা করে দিও সবুজ ঘাসের দেশের ছবির ভেতর
ধানসিড়ি নদীর জলের গন্ধের কাছে
এই বাংলায় ..........
( সারাদিন ট্রাম বাস / জীবনানন্দ দাশ )
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ পৃথিবীতে আজ
অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ পৃথিবীতে আজ,
যারা অন্ধ সবচেয়ে বেশী আজ চোখে দেখে তারা ;
যাদের হৃদয়ে কোনো প্রেম নেই, প্রীতি নেই, করুণার আলোড়ন নেই
পৃথিবী অচল আজ তাদের সুপরামর্শ ছাড়া ।
যাদের গভীর আস্থা আছে আজও মানুষের প্রতি,
এখনও যাদের কাছে স্বাভাবিক বলে মনে হয়
মহৎ সত্য বা রীতি, কিংবা শিল্প অথবা সাধনা
শকুন ও শেয়ালের খাদ্য আজ তাহাদের হৃদয় ।
হনলুলু বলেছেন:
কবিতার নাম দিও সাথে @ খেকু
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
আমরা যাইনি মরে আজও - তবু কেবলই দৃশ্যের জন্ম হয় :
মহীনের ঘোড়াগুলো ঘাস খায় কার্তিকের জ্যোৎস্নার প্রান্তরে ;
প্রস্তরযুগের সব ঘোড়া যেন - এখনও ঘাসের লোভে চরে
পৃথিবীর কিমাকার ডাইনামোর 'পরে ।
আস্তাবলের ঘ্রাণ ভেসে আসে একভিড় রাত্রির হাওয়ায় ;
বিষন্ন খড়ের শব্দ ঝরে পড়ে ইস্পাতের কলে ;
চায়ের পেয়ালা ক'টা বেড়ালছানার মতো - ঘুমে - ঘেয়ো
কুকুরের অস্পষ্ট কবলে
হিম হয়ে নড়ে গেল ও - পাশের পাইস্ - রেস্তরাঁতে,
প্যারাফিন - লন্ঠন নিভে গেল গোল আস্তাবলে ।
সময়ের প্রশান্তির ফুঁয়ে ;
এইসব নিওলিথ - স্তব্ধ তার জ্যোৎস্নাকে ছুঁয়ে ।
( ঘোড়া/জীবনানন্দ দাশ)
হনলুলু বলেছেন:
আধাঁর জেনেছি তবু আছে অন্য বড়ো অন্ধকার মৃত্যু জেনেছি তবু অন্য মৃত্যু সম্মুখীন আছে
পেছনের আগাগোড়া ইতিহাস রয়ে গেছে তবু
যেই মহা ইতিহাস এখনো আসেনি তার কাছে
কাহিনীর অন্য অর্থ , পৃথিবীর অন্য সুর , অন্য আলোড়ন
হৃদয় ও বিষয়ের .... মন এক অন্য দ্বীপ্ত মন ......
( কবিতাটার নাম মনে নাই
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাতিফ ভাই।
তামিম ইরফান বলেছেন:
কোথাও দেখি নি
কোথাও দেখি নি, আহা, এমন বিজন ঘাস -- প্রান্তরের পারে
নরম বিমর্ষ চোখে চেয়ে আছে-- নীল বুকে আছে তাহাদের
গঙ্গাফরিঙের নীড়,কাঁচপোকা, প্রজাপতি শ্যামাপোকা ঢের,
হিজলের ক্লান্ত পাতা-- বটের অজস্র ফল ঝরে বারে বারে
তাহাদের শ্যাম বুকে--পাড়াগাঁর কিশোরেরা যখন কান্তারে
বেতের নরম ফল, নাটা ফক খেতে আসে,ধুন্দুল বীজের
খোঁজ করে ঘাসে ঘাসে-- বক তাহা জানে নাকো, পায় নাকো টের
শালিখ, খন্জনা তাহা-- লক্ষ লক্ষ ঘাস এই নদীর দু-ধারে
নরম কান্তারে এই পাড়াগাঁর বুকে শুয়ে সে কোন দিনের
কথা ভাবে; তখন এ জলসিড়ি শুকায় নি, মজে নি আকাশ,
বল্লাল সেনের ঘোড়া-- ঘোড়ার কেশর ঘেরা ঘুঙুর জিনের
শব্দ হত এই পথে--আরো আগে রাজপুত্র কত দিন রাশ
টেনে টেনে এই পথে-- কি যেন খুঁজেছে আহা, হয়েছে উদাস;
আজ আর খোঁজাখুজি নাই কিছু--নাটা ফলে মিটিতেছে আশ--
রূপসী বাংলা/জীবননান্দ দাশ
হনলুলু বলেছেন:
আমাকে তুমি দেখিয়েছিলে একদিন .........
মস্তো বড় ময়দান , দেবদারু পামের নিবিড় মাথা ..... মাইলের
পর মাইল
দুপুরবেলার জনবিরল গভীর বাতাস '
দূর শূন্যে চিলের পাটকিলে ডানার ভিতর অস্পস্ট হয়ে হারিয়ে যায়
জোয়ারের মতো ফিরে আসে আবার
জানালায় জানালায় অনেকক্ষন ধরে কথা বলে
পৃথিবীকে মায়াবীর নদীর পাড়ের দেশ বলে মনে হয় ।
( আমাকে তুমি )
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
বাংলার মুখ
বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর রূপ
খুঁজিতে যাই না আর : অন্ধকারে জেগে উঠে ডুমুরের গাছে
চেয়ে দেখি ছাতার মতো ব্ড় পাতাটির নিচে বসে আছে
ভোরের দয়েলপাখি - চারিদিকে চেয়ে দেখি পল্লবের স্তূপ
জাম - বট - কাঁঠালের - হিজলের - অশথের করে আছে চুপ ;
ফণীমনসার ঝোপে শটিবনে তাহাদের ছায়া পড়িয়াছে ;
মধুকর ডিঙা থেকে না জানি সে কবে চাঁদ চম্পার কাছে
এমনই হিজল - বট - তমালের নীল ছায়া বাংলার অপরূপ রূপ
দেখেছিল ; বেহুলাও একদিন গাঙুড়ের জলে ভেলা নিয়ে -
কৃষ্ণা - দ্বাদশীর জোৎস্না যখন মরিয়া গেছে নদীর চড়ায় -
সোনালি ধানের পাশে অসংখ্য অশ্বত্থ বট দেখেছিল, হায়,
শ্যামার নরম গান শুনেছিল - একদিন অমরায় গিয়ে
ছিন্ন খঞ্জনার মতো যখন সে নেচেছিল ইন্দ্রের সভায়
বাংলার নদ - নদী - ভাঁটফুল ঘুঙুরের মতো তার কেঁদেছিল পায় ।
(রূপসী বাংলা/জীবননান্দ দাশ )
তামিম ইরফান বলেছেন:
বইটা দরকার আছিলো,তাইলে সবগুলা আজকেই দিয়া দিতাম @হনলুলু
মানুষ বলেছেন:
তামিম এইবার মরনাপন্ন দাসের কবিতা পড়া শুরু করো
লেখক বলেছেন: গুরু আবার এইটা কি কইলেন!!! ![]()
হনলুলু বলেছেন:
বই থাকলে আজকে ফ্লাডিং হইতো .... আমি তো পুরা কবিতা দিতেছি না । সম্পূর্ন কবিতাটার যে অংশগুলা ভালো লাগে সেইটুকু মুখস্হ আছে । শুধু সেইগুলা দিতেছি ....
হনলুলু বলেছেন:
মানুষ বলেছেন: তামিম এইবার মরনাপন্ন দাসের কবিতা পড়া শুরু করো ........... কমেন্টে এককেজি রসমালাই দিলাম ...
আজকের দিনের সেরা কমেন্ট ..........
তানজু রাহমান বলেছেন:
আমি তো অবাক হয়ে জ্ঞান হারাব, মরেই যাব, বাঁচাতে পারবে না কেউ আজ পর্যন্ত ১টা কবিতার ৪ লাইন মুখস্ত করতে পারলামনা
তানজু রাহমান বলেছেন:
এখানে দেখি দাড়ি কমা শুদ্ধা আছে। বেশ বেশ! লাগছে বেশ।চালিয়ে যাও কুকুর বাঁদর শিয়াল
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
আমি কবি-সেই কবি
আমি কবি-সেই কবি-
আকাশে কাতর আঁখি তুলি হেরি ঝরা পালকের ছবি!
আন্মনা আমি চেয়ে থাকি দূর হিঙুল-মেঘের পানে!
মৌন নীলের ইশারায় কোন্ কামনা জাগিছে প্রাণে!
বুকের বাদল উথলি উঠিছে কোন্ কাজরীর গানে!
দাদুরী-কাঁদানো শাঙন-দরিয়া হৃদয়ে উঠিছে দ্রবি!
স্বপন-সুরার ঘোরে
আখের ভুলিয়া আপনারে আমি রেখেছি দিওয়ানা ক'রে!
জন্ম ভরিয়া সে কোন্ হেঁয়ালি হল না আমার সাধা-
পায় পায় নাচে জিঞ্জির হায়, পথে পথে ধায় ধাঁধা!
-নিমেষে পাসরি এই বসুধার নিয়তি-মানার বাধা
সারাটি জীবন খেয়ালের খোশে পেয়ালা রেখেছি ভ'রে!
ভুঁয়ের চাঁপাটি চুমি
শিশুর মতন, শিরীষের বুকে নীরবে পড়ি গো নুমি!
ঝাউয়ের কাননে মিঠা মাঠে মাঠে মটর-ক্ষেতের শেষে
তোতার মতন চকিতে কখন আমি আসিয়াছি ভেসে!
-ভাটিয়াল সুর সাঁঝের আঁধারে দরিয়ার পারে মেশে,-
বালুর ফরাশে ঢালু নদীটির জলে ধোঁয়া ওঠে ধূমি!
বিজন তারার সাঁঝে
আমার প্রিয়ের গজল-গানের রেওয়াজ বুঝি বা বাজে!
প'ড়ে আছে হেথা ছিন্ন নীবার, পাখির নষ্ট নীড়!
হেথায় বেদনা মা-হারা শিশুর, শুধু বিধবার ভিড়!
কোন্ যেন এক সুদূর আকাশ গোধূলিলোকের তীর
কাজের বেলায় ডাকিছে আমারে, ডাকে অকাজের মাঝে!
(ঝরাপালক, ১৯২৮)
হনলুলু বলেছেন:
কুড়ি বছর পরে কবিতাটা কি আছে ??? @ খেকু , তামিম
লেখক বলেছেন: আছে
টাইপ করতে কাহিল লাগতাছে। ![]()
দেখি কি করা যায় ![]()
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
নীলিমা
রৌদ্র ঝিল্মিল,
উষার আকাশ, মধ্য নিশীথের নীল,
অপার ঐশ্বর্যবেশে দেখা তুমি দাও বারে বারে
নিঃসহায় নগরীর কারাগার-প্রাচীরের পারে!
-উদ্বেলিছে হেথা গাঢ় ধূম্রের কুণ্ডলী,
উগ্র চুল্লিবহ্নি হেথা অনিবার উঠিতেছে জ্বলি,
আরক্ত কঙ্করগুলো মরুভূর তপ্তশ্বাস মাখা,
মরীচিকা-ঢাকা!
অগণন যাত্রিকের প্রাণ
খুঁজে মরে অনিবার, পায় নাকো পথের সন্ধান;
চরণে জড়ায়ে গেছে শাসনের কঠিন শৃঙ্খল-
হে নীলিমা নিষ্পলক, লক্ষ বিধিবিধানের এই কারাতল
তোমার ও মায়াদণ্ডে ভেঙেছ মায়াবী।
জনতার কোলাহলে একা ব'সে ভাবি
কোন্ দূর জাদুপুর-রহস্যের ইন্দ্রজাল মাখি
বাস্তবের রক্ততটে আসিলে একাকী!
স্ফটিক আলোকে তব বিথারিয়া নীলাম্বরখানা
মৌন স্বপ্ন-ময়ূরের ডানা!
চোখে মোর মুছে যায় ব্যাধবিদ্ধ ধরণীর রুধির-লিপিকা
জ্বলে ওঠে অন্তহারা আকাশের গৌরী দীপশিখা!
বসুধার অশ্রু-পাংশু আতপ্ত সৈকত,
ছিন্নবাস, নগ্নশির ভিক্ষুদল, নিষ্করুণ এই রাজপথ,
লক্ষ কোটি মুমূর্ষুর এই কারাগার,
এই ধূলি-ধূম্রগর্ভ বিস্তৃত আঁধার
ডুবে যায় নীলিমায়-স্বপ্নায়ত মুগ্ধ আঁখিপাতে,
-শঙ্খশুভ্র মেঘপুঞ্জে , শুক্লাকাশে, নক্ষত্রের রাতে;
ভেঙে যায় কীটপ্রায় ধরণীর বিশীর্ণ নির্মোক,
তোমার চকিত স্পর্শে, হে অতন্দ্র দূর কল্পলোক!
(ঝরাপালক/জীবনানন্দ দাশ)
হনলুলু বলেছেন:
খেকু , ঝরাপালকের কবিতাগুলা কী তোমার আসলেই ভাল্লাগে ? আমার তেমন একটা লাগেনা। নজরুলের প্রচুর প্রভাব আছে .... লেখক বলেছেন: জীবুদার কবিতা আমার কাছে দারুন রকমের ভালো লাগে। ঝরাপালক কাব্যগ্রন্থের কিছু কবিতা বেশ ভালো লাগে।
তামিম ইরফান বলেছেন:
মূখস্থ নাই @হনলুলু
লেখক বলেছেন: ![]()
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
তোমায় আমি
তোমায় আমি দেখেছিলাম ব’লে
তুমি আমার পদ্মপাতা হলে;
শিশির কণার মতন শূন্যে ঘুরে
শুনেছিলাম পদ্মপত্র আছে অনেক দূরে
খুঁজে খুঁজে পেলাম তাকে শেষে।
নদী সাগর কোথায় চলে ব’য়ে
পদ্মপাতায় জলের বিন্দু হ’য়ে
জানি না কিছু-দেখি না কিছু আর
এতদিনে মিল হয়েছে তোমার আমার
পদ্মপাতার বুকের ভিতর এসে।
তোমায় ভালোবেসেছি আমি, তাই
শিশির হয়ে থাকতে যে ভয় পাই,
তোমার কোলে জলের বিন্দু পেতে
চাই যে তোমার মধ্যে মিশে যেতে
শরীর যেমন মনের সঙ্গে মেশে।
জানি আমি তুমি রবে-আমার হবে ক্ষয়
পদ্মপাতা একটি শুধু জলের বিন্দু নয়।
এই আছে, নেই-এই আছে নেই-জীবন চঞ্চল;
তা তাকাতেই ফুরিয়ে যায় রে পদ্মপাতার জল
বুঝেছি আমি তোমায় ভালোবেসে।
(জীবনানন্দ দাশ)
হনলুলু বলেছেন:
জানি তবু জানি
নারীর হৃদয়, প্রেম শিশু গৃহ , নয় সবখানি
অর্থ নয়, কীর্তি নয়, সচ্ছ্লতা নয়
আরো এক বিপন্ন বিষ্ময়
আমাদের অন্তর্গত রক্তের ভেতর খেলা করে
আমাদের ক্লান্ত করে .......
ক্লান্ত , ক্লান্ত করে
লাশকাটা ঘরে সেই ক্লান্তি নাই
তাই লাশকাটা ঘরে
চিৎ হয়ে শুয়ে আছে টেবিলের 'পরে ....
( আট বছর আগের একদিন )
তামিম ইরফান বলেছেন:
সুদর্শনা
একদিন ম্লান হেসে আমি
তোমার মতন এক মহিলার কাছে
যুগের সন্চিত পণ্যে লীন হতে গিয়ে
অগ্নিপরিধির মাঝে সহসা দঁড়িয়ে
শুনেছি কিন্নরকন্ঠে দেবদারু গাছে,
দেখেছি অমৃতসুর্য আছে।
সবচেয়ে আকাশ নক্ষত্র ঘাস চন্দ্রমল্লিকার রাত্রি ভালো,
তবুও সময় স্থির নয়,
আরেক গভীরতর শেষ রূপ চেয়ে
দেখেছে সে তোমার বলয়।
এই পৃথিবীর ভালো পরিচিত রোদের মতন
তোামর শরীর; তুমি দান করো নি তো;
সময় তোমাকে সব দান করে মৃতদার বলে
সুদর্শনা, তুমি আজ মৃত বলে।
বনলতা সেন/ জীবনানন্দ দাশ
লেখক বলেছেন: ![]()
![]()
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
শীতরাত
এই সব শীতের রাতে আমার হৃদয়ে মৃত্যু আসে;
বাইরে হয়তো শিশির ঝরছে, কিংবা পাতা,
কিংবা প্যাঁচার গান; সেও শিশিরের মতো, হলুদ পাতার মতো।
শহর ও গ্রামের দূর মোহনায় সিংহের হুঙ্কার শোনা যাচ্ছে -
সার্কাসের ব্যথিত সিংহের।
এদিকে কোকিল ডাকছে - পউষের মধ্য রাতে;
কোনো-একদিন বসন্ত আসবে ব’লে?
কোনো-একদিন বসন্ত ছিলো, তারই পিপাসিত প্রচার?
তুমি স্থবির কোকিল নও? কত কোকিলকে স্থবির হ’য়ে যেতে দেখেছি,
তারা কিশোর নয়,
কিশোরী নয় আর;
কোকিলের গান ব্যবহৃত হ’য়ে গেছে।
সিংহ হুঙ্কার ক’রে উঠছে:
সার্কাসের ব্যথিত সিংহ,
স্থবির সিংহ এক - আফিমের সিংহ - অন্ধ - অন্ধকার।
চারদিককার আবছায়া-সমুদ্রের ভিতর জীবনকে স্মরণ করতে গিয়ে
মৃত মাছের পুচ্ছের শৈবালে, অন্ধকার জলে, কুয়াশার পঞ্জরে হারিয়ে যায় সব।
সিংহ অরন্যকে পাবে না আর
পাবে না আর
পাবে না আর
কোকিলের গান
বিবর্ণ এঞ্জিনের মত খ’শে খ’শে
চুম্বক পাহাড়ে নিস্তব্ধ।
হে পৃথিবী,
হে বিপাশামদির নাগপাশ, - তুমি
পাশ ফিরে শোও,
কোনোদিন কিছু খুঁজে পাবে না আর।
(মহাপৃথিবী/ জীবনানন্দ দাশ)
লেখক বলেছেন: আমি রাজি। রাতমজুর ভাইও যাবে। দারুন মজা হবে। ![]()
লেখক বলেছেন: মাইশারেও সাথে নিতে হবে। ![]()
লেখক বলেছেন: তোমার শ্যালিকাকেও সঙ্গে নিতে হবে ![]()
হনলুলু বলেছেন:
সমুদ্র দেখ নাই ??? !!! :-*
তানজু রাহমান বলেছেন:
বাহ! দক্ষিণ সমুদ্রে যাবা সবাই?
হনলুলু বলেছেন:
দক্ষিন সমুদ্র ......... মানে বেলিজ , ওয়েস্ট ইন্ডিজের সমুদ্র ?? নাকি কক্সবাজার ??? @ তানজু
লেখক বলেছেন: আমি আছি ![]()
![]()
তানজু রাহমান বলেছেন:
সবই দক্ষিণ! এক খানে গেলেই হয়!
হনলুলু বলেছেন:
তিন গোয়েন্দার 'দক্ষিনের দ্বীপ' পড়ার পরে মনে হৈছিল ........ ইশ , জীবনে যদি একবার দক্ষিন সমুদ্রে যাইতে পারতাম
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন:
এইসব ভালো লাগে : জানালার ফাঁক দিয়ে ভোরের সোনালী রোদ এসে আমারে ঘুমাতে দ্যাখে বিছানায়- আমার কাতর চোখ, আমার বিমর্ষ চুল
এই নিয়ে খেলা করে : জানে সে যে বহুদিন আগে আমি করেছি কি ভুল
পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমাহীন গাঢ় এক রূপসীর মুখ ভালোবেসে
পউষের শেষরাতে আরো আমি দেখি চেয়ে আবার সে আমাদের দেশে
ফিরে এলো, রং তার কেমন তা জানে ওই টসটস ভিজে জামরুল
নরম জামের মতো চুল তার- ঘুঘুর বুকের মতো করুণ আঙুল
পউষের শেষরাতে নিমপেঁচাটির সাথে আসে সে যে ভেসে
কবেকার মৃত কাক; পৃথিবীর পথে সে তো নাই আজ আর
তবু সে ম্লান জানালার পাশে উড়ে আসে নীরব পাখায় সোহাগে
মলিন পাখনা তার খড়ের চালের হিম শিশিরে মাখায়
তখন এ পৃথিবীতে কোনো পাখি জেগে এসে বসেনি শাখায়
পৃথিবীও নাই আর- পেঁচা শুধু একা একা সারারাত জাগে
'কি বা হায় আসে যায়' বলি আমি, 'তারে যদি কোনোদিন না পাই আবার?'
নিমপেঁচা তবু হাঁকে :'পাবে নাকো কোনোদিন- পাবে নাকো কোনোদিন-
পাবে নাকো কোনোদিন আর'
(এইসব ভালো লাগে/ রূপসী বাংলা)
লেখক বলেছেন: দারুন। আপনিও কবিতা দিচ্ছেন দেখে খুব ভালো লাগছে।
মনে হচ্ছে এইটা বেশ ভালো একটা কালেকশন হয়ে উঠবে।
তামিম ইরফান বলেছেন:
খেকু মনে হয় কোবতে টাইপ কর্তাছে........চল তুমি দেশে আসলে সবাই মিলে পোগ্রাম ঠিক করা যাবে।
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন:
গভীর অন্ধকারের ঘুম থেকে নদীর চ্ছল চ্ছল শব্দে জেগে উঠলাম আবার;
তাকিয়ে দেখলাম পান্ডুর চাঁদ বৈতরণীর থেকে তার অর্ধেক ছায়া
গুটিয়ে নিয়েছে যেন
কীর্তিনাশার দিকে ।
ধানসিড়ি নদীর কিনারে আমি শুয়েছিলাম-- পউষের রাতে--
কোনদিন আর জাগবো না জেনে
কোনদিন জাগবো না আমি-- কোনোদিন জাগবো না আর--
হে নীল কস্তুরী আভার চাঁদ,
তুমি দিনের আলো নও, উদম্য নও, স্বপ্ন নও,
হৃদয়ে যে মৃত্যুর শান্তি ও স্থিরতা রয়েছে,
রয়েছে যে অগাধ ঘুম,
সে-আস্বাদ নষ্ট করবার মতো শেলতীব্রতা তোমার নেই,
তুমি প্রদাহ প্রবহমান যন্ত্রণা নও--
জানো না কি চাঁদ,
নীল কস্তুরী আভার চাঁদ,
জানো না কি নিশীথ,
আমি অনেক দিন-- অনেক অনেক দিন
অন্ধকারের সারাতসারে অনন্ত মৃত্যুর মতো মিশে থেকে
হঠাত ভোরের আলোর মুর্খ উচ্ছাসে নিজেকে পৃথিবীর জীব ব'লে
বুঝতে পেরেছি আবার,
ভয় পেয়েছি,
পেয়েছি অসীম দুনির্বার বেদনা;
দেখেছি রক্তিম আকাশে সূর্য জেগে উঠে
মানুষিক সৈনিক সেজে পৃথিবীর মুখোমুখি দাঁড়াবার জন্য
আমাকে নির্দেশ দিয়েছে;
আমার সমস্ত হৃদয় ঘৃণায়-- বেদনায়--আক্রোশে ভরে গিয়েছে ;
সূর্যের রৌদ্রে আক্রান্ত এই পৃথিবী যেন কোটি কোটি শুয়োরের আর্তনাদে
উতসব শুরু করেছে।
হায়, উতসব!
হৃদয়ের অবিরল অন্ধকারের ভিতর সূর্যকে ডুবিয়ে ফেলে
আবার ঘুমোতে চেয়েছি আমি, অন্ধকারের স্তনের ভিতর যোনির ভিতর অনন্ত মৃত্যুর
মতো মিশে থাকতে চেয়েছি।
কোনোদিন মানুষ ছিলাম না আমি।
হে নর, হে নারী ,
তোমাদের পৃথিবীকে চিনিনি কোনোদিন ;
আমি অন্য কোন নক্ষত্রের জীব নই।
যেখানে স্পন্দন, সংঘর্ষ, গীত, যেখানে উদ্যম, চিন্তা, কাজ,
সেখানেই সূর্য , পৃথিবী, বৃহস্প্রতি, কালপুরুষ, অনন্ত আকাশগ্রন্থি,
শত শত শুকরীর প্রসব বেদনার আড়ম্বর ;
এইসব ভয়াবহ আরতী!
গভীর অন্ধকারের ঘুমের আস্বাদে আমার আত্মা লালিত;
আমাকে জাগাতে চাও কেন?
অরব অন্ধকারের ঘুম থেকে নদীর চ্ছল চ্ছল শব্দে জেগে উঠবো না আর ;
তাকিয়ে দেখবো না নির্জন বিমিশ্র চাঁদ বৈতরণীর থেকে
অর্ধেক ছায়া গুটিয়ে নিয়েছে
কীর্তিনাশার দিকে ।
ধানসিড়ি নদীর কিনারে আমি শুয়ে থাকবো--ধীরে--পউষের রাতে
কোনোদিন জাগাবো না জেনে--
কোনদিন জাগবো না আমি--কোনদিন আর
(অন্ধকার/ জীবনানন্দ দাশ)
লেখক বলেছেন: কবিতাটা অনেক ভালো লাগে।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
লোকেন বোসের জর্নাল
সুজাতাকে ভালোবাসতাম আমি —
এখনো কি ভালোবাসি?
সেটা অবসরে ভাববার কথা,
অবসর তবু নেই;
তবু একদিন হেমন্ত এলে অবকাশ পাওয়া যাবে
এখন শেলফে চার্বাক ফ্রয়েড প্লেটো পাভলভ ভাবে
সুজাতাকে আমি ভালোবাসি কি না।
পুরোনো চিঠির ফাইল কিছু আছে:
সুজাতা লিখেছে আমার কাছে,
বারো তেরো কুড়ি বছর আগের সে-সব কথা;
ফাইল নাড়া কি যে মিহি কেরানীর কাজ;
নাড়বো না আমি
নেড়ে কার কি লাভ;
মনে হয় অমিতা সেনের সাথে সুবলের ভাব,
সুবলেরই শুধু? অবশ্য আমি তাকে
মানে এই — অমিতা বলছি যাকে —
কিন্তু কথাটা থাক;
কিন্তু তবুও —
আজকে হৃদয় পথিক নয়তো আর,
নারী যদি মৃগতৃষ্ণার মতো — তবে
এখন কি করে মন কারভান হবে।
প্রৌঢ় হৃদয়, তুমি
সেই সব মৃগতৃষ্ণিকাতলে ঈষৼ সিমুমে
হয়তো কখনো বৈতাল মরুভুমি,
হৃদয়, হৃদয় তুমি!
তারপর তুমি নিজের ভিতরে ফিরে এসে তব চুপে
মরীচিকা জয় করেছো বিনয়ী যে ভীষন নামরূপে
সেখানে বালির সৼ নিরবতা ধূ ধূ
প্রেম নয় তবু প্রমেরই মতন শুধু।
অমিতা সেনকে সুবল কি ভালোবাসে?
অমিতা নিজে কি তাকে?
অবসর মতো কথা ভাবা যাবে,
ঢের অবসর চাই;
দূর ব্রহ্মাণ্ডকে তিলে টেনে এনে সমাহিত হওয়া চাই
এখনি টেনিসে যেতে হবে তবু,
ফিরে এসে রাতে ক্লাবে;
কখন সময় হবে।
হেমন্তে ঘাসে নীল ফুল ফোঁটে —
হৃদয় কেন যে কাঁপে,
‘ভালোবাসতাম’ — স্মৃতি — অঙ্গার — পাপে
তর্কিত কেন রয়েছে বর্তমান।
সে-ও কি আমায় — সুজাতা আমায় ভালোবেসে ফেলেছিলো?
আজো ভালোবাসে নাকি?
ইলেকট্রনেরা নিজ দোষগুনে বলয়িত হয়ে রবে;
কোনো অন্তিম ক্ষালিত আকাশে
এর উত্তর হবে?
সুজাতা এখন ভুবনেশ্বরে;
অমিতা কি মিহিজামে?
বহুদিন থেকে ঠিকানা না জেনে ভালোই হয়েছে — সবই।
ঘাসের ভিতরে নীল শাদা ফুল ফোটে হেমন্তরাগে;
সময়ের এই স্থির এক দিক,
তবু স্থিরতর নয়;
প্রতিটি দিনের নতুন জীবাণু আবার স্থাপিত হয়।
(শ্রেষ্ঠ কবিতা/ জীবনানন্দ দাশ)
লেখক বলেছেন: গোলাবী তোমার শ্যালিকা কোন ইউনিতে ল'তে পড়ে?
নোটস লাগলে আমার সঙ্গে দেখা করতে বইলো। ![]()
লেখক বলেছেন: তুমি দেখি কিছুই জানো না 
লেখক বলেছেন: ঠিকইতো কইছি.... ![]()
![]()
![]()
লেখক বলেছেন: ঠিক আছে তোমরা দুইজন আলাদা বাসে। বাকি সবাই আমরা একবাসে । ![]()
![]()
তামিম ইরফান বলেছেন:
খেকুরে বাসের ছাদে বাইন্ধা লয়া যাইতে হবেলেখক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: আমার কাছে ভালো নোট ছিল
খুবই কাজের ![]()
লেখক বলেছেন: তোমারে ইঞ্জিনের সাথে বানমু ![]()
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
স্বভাব
যদিও আমার চোখে ঢের নদী ছিলো একদিন
পুনরায় আমাদের দেশে ভোর হ’লে,
তবুও একটি নদী দেখা যেতো শুধু তারপর;
কেবল একটি নারী কুয়াশা ফুরোলে
নদীর রেখার পার লক্ষ্য ক’রে চলে;
সূর্যের সমস্ত গোল সোনার ভিতরে
মানুষের শরীরের স্থিরতর মর্যাদার মতো
তার সেই মূর্তি এসে পড়ে।
সূর্যের সম্পূর্ণ বড় বিভোর পরিধি
যেন তার নিজের জিনিস।
এতদিন পরে সেইসব ফিরে পেতে
সময়ের কাছে যদি করি সুপারিশ
তা’হলে সে স্মৃতি দেবে সহিষ্ণু আলোয়
দু-একটি হেমন্তের রাত্রির প্রথম প্রহরে;
যদিও লক্ষ লোক পৃথিবীতে আজ
আচ্ছন্ন মাছির মত মরে -
তবুও একটি নারী ‘ভোরের নদীর
জলের ভিতরে জল চিরদিন সূর্যের আলোয় গড়াবে’
এ রকম দু-চারটে ভয়াবহ স্বাভাবিক কথা
ভেবে শেষ হ’য়ে গেছে একদিন সাধারণভাবে।
(সাতটি তারার তিমির/ জীবনানন্দ দাশ)
লেখক বলেছেন: তোমার শ্যালিকা কি সঙ্গে থাকবে? ![]()
লেখক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: তুমি আবার পাবনা মেন্টাল হাসপাতাল থাইক্যা কবে ছাড়া পাইলা ? ![]()
লেখক বলেছেন: আমি কিন্তু আগে কইয়া রাখছি। ![]()
তাইম্যা তোমার শ্যালিকার নাম প্রকাশ করো।
লেখক বলেছেন: তাইম্যার শালিকা আমার হলে...মাইশার উপর থন আপত্তি তুইলা নেয়া হৈবেক। ![]()
তানজু রাহমান বলেছেন:
"কি করলে হায় শুনে হাসি পায় লেজ কাটা ইদুর হয়ে বাঘ হতে চায়"আউলাফা ভালো একটা পুস্ট দিসে!
লেখক বলেছেন: তু্ই আবার মাঝেথ্থ আইসা এইটা কি কইলি!!!
তামিম ইরফান বলেছেন:
এইটা কারে কইলা?@ তানজু
তানজু রাহমান বলেছেন:
আপনারে না। ঘাউ আর খেকুরে।
লেখক বলেছেন: তবে রে...... তোর খবর আছে তানজু 
লেখক বলেছেন: তুমিই তোমার বউয়ের পক্ষ থেকে প্রক্সি দেও। এইবার নামটা কইয়া ফালাও। ![]()
হনলুলু বলেছেন:
লেখক বলেছেন: তাইম্যার শালিকা আমার হলে...মাইশার উপর থন আপত্তি তুইলা নেয়া হৈবেক। এইটার পরেই তানজু বাকিটুকু বৈলা দিছে ...
তানজু রাহমান বলেছেন: "কি করলে হায় শুনে হাসি পায় লেজ কাটা ইদুর হয়ে বাঘ হতে চায়"
লেখক বলেছেন: 
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
ইহাদেরি কানে
একবার নক্ষত্রের পানে চেয়ে – একবার বেদনার পানে
অনেক কবিতা লিখে চলে গেলো যুবকের দল;
পৃথিবীর পথে-পথে সুন্দরীরা মূর্খ সসম্মানে
শুনিল আধেক কথা – এই সব বধির নিশ্চল
সোনার পিত্তল মূর্তি: তবু, আহা, ইহাদেরি কানে
অনেক ঐশ্বর্য ঢেলে চলে গেলো যুবকের দল:
একবার নক্ষত্রের পানে চেয়ে – একবার বেদনার পানে।
(মহাপৃথিবী/ জীবনানন্দ দাশ)
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফারহান ভাই। ![]()
লেখক বলেছেন: আমি দিয়া ফেলছি ![]()
![]()
লেখক বলেছেন: আস্তে আস্তে আরো কবিতা আসবে। ![]()
হনলুলু বলেছেন:
খেকু , তানজুরে বলক কর .......... আমার আর তোমার নামে পেস্টিজ পাংচার টাইপ কথা বলার জন্য তানজুরে হেলিকপ্টার দিয়া গুল্লি করা হোক .... ...
লেখক বলেছেন: ![]()
তানজু রাহমান বলেছেন:
ঘাউ, তোমার পেরেশটিজে লেগেশে
আমিতো অমনটি করে বলিনিকো ভাইটি!
আমার কি বলা লাগে?! তোমরা নিজেরাই নিজেদের লুঙ্গি ধরে দিছ টান!
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
সূর্যতামসী
কোথাও পাখির শব্দ শুনি;
কোনো দিকে সমুদ্রের সুর;
কোথাও ভোরের বেলা র’য়ে গেছে - তবে।
অগণন মানুষের মৃত্যু হ’লে - অন্ধকারে জীবিত ও মৃতের হৃদয়
বিস্মিতের মতো চেয়ে আছে;
এ কোন সিন্ধুর সুর:
মরণের - জীবনের?
এ কি ভোর?
অনন্ত রাত্রির মতো মনে হয় তবু।
একটি রাত্রির ব্যথা সয়ে -
সময় কি অবশেষে এ-রকম ভোরবেলা হয়ে
আগামী রাতের কালপুরুষের শস্য বুকে ক’রে জেগে ওঠে?
কোথাও ডানার শব্দ শুনি;
কোন দিকে সমুদ্রের সুর -
দক্ষিণের দিকে,
উত্তরের দিকে,
পশ্চিমের পানে?
সৃজনের ভয়াবহ মানে;
তবু জীবনের বসন্তের মতন কল্যাণে
সূর্যালোকিত সব সিন্ধু-পাখিদের শব্দ শুনি;
ভোরের বদলে তবু সেইখানে রাত্রি করোজ্জ্বল
ভিয়েনা, টোকিও, রোম, মিউনিখ - তুমি?
সার্থবাহ, সার্থবাহ, ওইদিকে নীল
সমুদ্রের পরিবর্তে আটলাণ্টিক চার্টার নিখিল মরুভূমি!
বিলীন হয় না মায়ামৃগ - নিত্য দিকদর্শিন;
যা জেনেছে - যা শেখেনি -
সেই মহাশ্মশানের গর্ভাঙ্কে ধূপের মত জ্ব’লে
জাগে না কি হে জীবন - হে সাগর -
শকুন্ত-ক্রান্তির কলরোলে।
(সাতটি তারার তিমির/ জীবনানন্দ দাশ)
হনলুলু বলেছেন:
সকল ক্ষুধার আগে তোমার ক্ষুধায় ভরে মন
সকল শক্তির আগে প্রেম তুমি, তোমার আসন
সমস্ত স্হলের আগে , সমস্ত জলের আগে আছে
যেইখানে কিছু নাই সেখানেও ছায়া পড়িয়াছে
হে প্রেম তোমার । যেইখানে শব্দ নাই তুমি আলোড়ন --
তুলিয়াছ ; অঙ্কুরের মতো তুমি যাহা ঝরিয়াছে
আবার ফুটাও তারে , তুমি ঢেউ হাওয়ার মতোন
আগুনের মতো তুমি আসিয়াছ অন্তরের কাছে ....
আশার ঠোঁটের পরে নিরাশার ভিজে চোখ চুমি
আমার বুকের 'পরে মুখ রেখে ঘুমায়েছ তুমি ।
( প্রেম / জীবনানন্দ দাশ )
তানজু রাহমান বলেছেন:
এই পোস্ট প্রিয়!
লেখক বলেছেন: ![]()
![]()
হনলুলু বলেছেন:
এইটা একটা হেব্বি কালেকশন হৈতাছে । নিয়মিত আপডেট দিও ..... যখন জীবাবুর যে কবিতা মনে আসবো সেইটা এইখানে দেওয়া হৈবেক ....
লেখক বলেছেন: হুমমম.....জীবুদার কবিতা থাকবো এইখানে। যখন যেইটা মনে পড়ে, যখন যেটা সংগ্রহে পাওয়া যায়। ![]()
লেখক বলেছেন: পড়িস...পড়ে পড়ে দুই একটা মুখস্থ করিস ![]()
লেখক বলেছেন: হুমমমম ![]()
লেখক বলেছেন: মহাদেব সাহার একটা কবিতার বই আছে- ভালোবাসা কেন এতো আলো-অন্ধকারময়। অসাধারণ একটা বই। দারুন দারুন কবিতা।
তানজু রাহমান বলেছেন:
নো প্রবলেম ঘাউ। চক্ষু লজ্জার খাতিরে ১টা করে দিতাম। আচ্ছা, ডেইলী ম্যাক্স কয়টা পোস্ট দিলে ফ্লাডিং হিসেবে ধরে না?
হনলুলু বলেছেন:
ডেইলি পোস্টের কোন বাধাঁধরা নিয়ম নাই। মহাদেবের কবিতা দিলে তো ফ্লাডিং এর কোন প্রশ্নই আসেনা ....... @ তানজু
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
স্মৃতি
থমথমে রাত, আমার পাশে বসল অতিথি-
বললে, আমি অতীত ক্ষুধা-তোমার অতীত স্মৃতি!
-যে দিনগুলো সাঙ্গ হল ঝড়বাদলের জলে,
শুষে গেল মেরুর হিমে, মরুর অনলে,
ছায়ার মতো মিশেছিলাম আমি তাদের সনে;
তারা কোথায়?-বন্দি স্মৃতিই কাঁদছে তোমার মনে!
কাঁদছে তোমার মনের খাকে, চাপা ছাইয়ের তলে,
কাঁদছে তোমার স্যাঁত্সেঁতে শ্বাস-ভিজা চোখের জলে,
কাঁদছে তোমার মূক মমতার রিক্ত পাথার ব্যেপে,
তোমার বুকের খাড়ার কোপে, খুনের বিষে ক্ষেপে!
আজকে রাতে কোন্ সে সুদূর ডাক দিয়েছে তারে,-
থাকবে না সে ত্রিশূলমূলে, শিবের দেউলদ্বারে!
মুক্তি আমি দিলেম তারে-উল্লাসেতে দুলে
স্মৃতি আমার পালিয়ে গেল বুকের কপাট খুলে
নবালোকে-নবীন উষার নহবতের মাঝে।
ঘুমিয়েছিলাম, দোরে আমার কার করাঘাত বাজে!
-আবার আমায় ডাকলে কেন স্বপনঘোরের থেকে!
অই লোকালোক-শৈলচূড়ায় চরণখানা রেখে
রয়েছিলাম মেঘের রাঙা মুখের পানে চেয়ে,
কোথার থেকে এলে তুমি হিম সরণি বেয়ে!
ঝিম্ঝিমে চোখ, জটা তোমার ভাসছে হাওয়ার ঝড়ে,
শ্মশানশিঙা বাজল তোমার প্রেতের গলার স্বরে!
আমার চোখের তারার সনে তোমার আঁখির তারা
মিলে গেল, তোমার মাঝে আবার হলেম হারা!
-হারিয়ে গেলাম ত্রিশূলমূলে, শিবের দেউলদ্বারে;
কাঁদছে স্মৃতি-কে দেবে গো-মুক্তি দেবে তারে!
(ঝরা পালক/ জীবনানন্দ দাশ)
লেখক বলেছেন: গুড ![]()
মানুষ বলেছেন:
পুলাপাইন বহুত জ্ঞানী। আমি ভয়ে এই পোষ্টে আসছি না
লেখক বলেছেন: গুরু এইগুলা কি ক!! 
ইট্টু জীবুদার কবিতা নিয়া আলাপ হৈছে ![]()
লেখক বলেছেন: এইটা ঝাতীয় দাবি ![]()
![]()
লেখক বলেছেন:
!!!
মানুষ বলেছেন:
অনেক সময় নিজেরটা দেখলেও বুঝতে পারি না যে এটা আমি লিক্সিলাম
লেখক বলেছেন: একটা মেয়ে অ্যাসিসটেন্ট নিয়োগ দেন। সে আপনারে কবিতা মনে করায়া দিব। ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তোমাকে আরাশি। ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
তামিম ইরফান বলেছেন:
পেঁচা
প্রথম ফসল গেছে ঘরে,
হেমন্তের মাঠে মাঠে ঝরে
শুধু শিশিরের জল;
অঘ্রানের নদীটির শ্বাসে
হিম হয়ে আসে
বাঁশাপাতা-- মরা ঘাস -- আকাশের তারা!
বরফের মতো চাঁদ ঢালিছে ফোয়ারা!
ধানক্ষেতে-- মাঠে
জমিছে ধোঁয়াটে
ধারালো কুয়াশা!
ঘরে গেছে চাষা;
ঝিমায়েছে এ পৃথিবী --
তবু টের পাই
কার যেন দুটো চোখে নাই এ ঘুমের
কোনো সাধ!
হলুদ পাতার ভীড়ে ব'সে,
শিশিরের পালক ঘ'ষে ঘ'ষে,
পাখার ছায়ায় শাখা ঢেকে,
ঘুম আর ঘুমন্তের ছবি দেখে দেখে
মেঠো চাঁদ আর মেঠো তারাদের সাথে
জাগে একা অঘ্রানের রাতে
সেই পাখি--
আজ মনে পড়ে
সেদিনও এমনি গেছে ঘরে
প্রথম ফসল;
মাঠে মাঠে ঝরে এই শিশিরের সুর--
কার্তিক কি অঘ্রানের রাত্রির দুপুর!--
হলুদ পাতার ভীড়ে ব'সে,
শিশিরের পালক ঘ'ষে ঘ'ষে,
পাখার ছায়ায় শাখা ঢেকে,
ঘুম আর ঘুমন্তের ছবি দেখে দেখে
মেঠো চাঁদ আর মেঠো তারাদের সাথে
জাগে একা অঘ্রানের রাতে
এই পাখি!
নদীটির শ্বাসে
সে রাতেও হিম হয়ে আসে
বাঁশাপাতা-- মরা ঘাস -- আকাশের তারা!
বরফের মতো চাঁদ ঢালিছে ফোয়ারা!
ধানক্ষেতে-- মাঠে
জমিছে ধোঁয়াটে
ধারালো কুয়াশা!
ঘরে গেছে চাষা;
ঝিমায়েছে এ পৃথিবী --
তবু আমি পেয়েছি যে টের
কার যেন দুটো চোখে নাই এ ঘুমের
কোনো সাধ!
ধূসর পান্ডুলিপি/ জীবনানন্দ দাশ
লেখক বলেছেন: দারুন একটা কবিতা। এইটা বারবার পড়ি।
তামিম ইরফান বলেছেন:
কার্তিক মাঠের চাঁদজেগে উঠে হৃদয়ের আবেগ --
পাহাড়ের মতো ওই মেঘ
সঙ্গে আসে লয়ে আসে
মাঝরাতে কিংবা শেষ রাতে আকাশে
যখন তোমারে! --
মৃত সে পৃথিবী এক আজ রাতে ছেড়ে দিল যারে!
ছেঁড়া ছেঁড়া শাদা মেঘ ভয় পেয়ে গেছে সব চ'লে
তরাসে ছেলের মতো -- আকাশে নক্ষত্র গেছে জ্ব'লে
অনেক সময়--
তারপর তুমি এলে, মাঠের শিয়রে--চাঁদ--
পৃথিবীতে আজ যা হবার নয়,
একদিন হয়েছে যা-- তারপর হাতছাড়া হয়ে
হারায়ে ফুরায়ে গেছে-- আজও তুমি তার স্বাদ লয়ে
আর--একবার তবু দাঁড়ায়েছ এসে!
নিড়োনো হয়েছে মাঠ পৃথিবীর চার দিকে,
শস্যের ক্ষেত চেষে চেষে
গেছে চাষা চলে;
তাদের মাটির গল্প-- তাদের মাঠের গল্প সব শেষ হলে
অনেক তবুও থাকে বাকি--
তুমি জানি-- এ পৃথিবীর আজ তা জানে কি!
ধূসর পান্দুলিপি/ জীবনানন্দ দাশ
তামিম ইরফান বলেছেন:
কমলালেবু
একবার যখন দেহ থেকে বার হয়ে যাব
আবার কি ফিরে আসব না আমি পৃথিবীতে?
আবার যেন ফিরে আসি
কোনো এক শীতের রাতে
একটা হিম কমলালেবুর করুণ মাংস নিয়ে
কোমো এক পরিচিত মুমূর্ষর বিছানার কিনারে
বনলতা সেন/জীবনানন্দ দাশ
লেখক বলেছেন: তাইম্যা তুমি দারুন এই কাজটাতে হেল্প করে যাচ্ছো। তোমারে ধন্যবাদ।![]()
অ্যামাটার বলেছেন:
ইল্লি!!!আর দু'দিন বাদে এই পেজে কিলিক মার্লে তো দেখতাম এইডা রীতিমত জীবনানন্দের কোবতে সমগ্রতে পরিণত হইছে!
ক্যারি অন বৎসগণ;
@অফটপিক;শিরোনামহীনপু'র পোষ্টে দেখলাম কক্স যাওয়ার নাকি আয়োজন হইতাছে?হাঁচাই নাকি? তাইলে আমি আচি।যুদইো ঐ ঠাইমে ওখানেই এক্টা পোরগেরাম আসিল, তয় ক্যানছেল করুম...খিকজ্
লেখক বলেছেন: হুমমমম ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুকুল ভাই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ![]()
লেখক বলেছেন: করতে থাকো ![]()
তামিম ইরফান বলেছেন:
নদী
বঁইচির ঝোপ শুধু -- শাঁইবাবলার ঝাড়--আর জাম হিজলের বন--
কোথাও অর্জুন গাছ--তাহার সমস্ত ছায়া এদের নিকটে টেনে নিয়ে
কোন কথা সারাদিন কহিতেছে অই নদী?--এ নদী কে?--ইহার জীবন
হৃদয়ে চমক আনে;যেখানে মানুষ নাই--নদী শুধু--সেইখানে গিয়ে
শব্দ শুনি তাই আমি-- আমি শুনি-- দুপুরের জলপিপি শুনেছে এমন
এই শব্দ কতদিন;আমিও শুনেছি ঢের বটের পাতার পথ দিয়ে
হেঁটে যেতে--ব্যাথা পেয়ে;দুপুরে জলের গন্ধে একবার স্তব্ধ হয় মন;
মনে হয় কোন শিশু মরে গেছে, আমার হৃদয় যেন ছিল শিশু সেই;
আলো আর আকাশের থেকে নদী যতখানি আশা করে--আমিও তেমন
একদিন করি নি কি? শুধু একদিন তবু? কারা এসে বলে গেল, ' নেই--
গাছ নেই-- রোদ নেই,মেঘ নেই-- তারা নেই--আকাশ তোমার তরে নয়! '--
হাজার বছর ধরে নদী তবু পায় কেন এই সব? শিশুর প্রাণেই
নদী কেন বেঁচে থাকে?--একদিন এই নদী শব্দ ক'রে হদয়ে বিস্ময়
আনিতে পারে না আর; মানুষের মন থে নদী হারায়-- শেষ হয় ।
অপ্রকাশিত| জীবনানন্দ দাশ
তামিম ইরফান বলেছেন:
তোমায় আমি দেখেছিলাম
তোমায় আমি দেখেছিলাম ঢের
শাদা কালো রঙ্গের সাগরের
কিনারে এক দেশে
রাতের শেষে--দিনের বেলার শেষে।
এখন তোমায় দেখি না তবু আর
সাতটি সাগর তেরো নদীর পার
যেখানে আছে পাঁচটি মরুভূমি
তার ওপারে গেছ কি চ'লে তুমি
ঘাসের শান্তি শিশির ভালোবেসে!
বটের পাতায় সে কার নাম লিখে
(গভীরভাবে) ভালোবেসেছিল সে নামটিকে
হরির নাম নয় সে আমি জানি,
জল ভাসে আর সময় ভাসে--বটের পাতাখানি
আর সে নারী কোথায় গেছে ভেসে।
অপ্রকাশিত/ জীবনানন্দ দাশ
লেখক বলেছেন: দারুন। অপ্রকাশিত কবিতাগুলো দিয়ে বেশ ভালো একটা কাজ করছো। আমিও আরো বেশ কিছু কবিতা যোগ করবো।
তোমারে ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করবো না। অনেক কৃতজ্ঞতা।
তামিম ইরফান বলেছেন:
ঐখানে সারা দিন
ঐখানে সারা দিন উঁচু ঝাউবন খেলা করে
হলদে সবুজ নীল রঙ্গ তার বুকে;
পাখি মেঘ রৌদ্রের;
তবু আজও হদয়ের গভীর অসুখে
মানবেরা পড়ে আছে কেন।
আজ অন্ধ শতাব্দীর শতচ্ছিদ্রতার
ভিতর আলোর খোঁজে যদি চলে যায়
তবুও শাশ্বত হয়ে থাকে অন্ধকার।
নতুন যুগের জন্য তবুও প্রয়ান করা ভালো।
চিতল হরিণ ঐ শিঙ তুলে ফিকে জোছনায়
হরিণী কে খোঁজে তবু পাবে না কখনও;
ব্যাঘ্র যুগে শুধু মৃত হরিণীর মাংস পাওয়া যায়।
অপ্রকাশিত/ জীবনানন্দ দাশ
তামিম ইরফান বলেছেন:
ঘড়ির দুইটি ছোট কালো হাত ধীরে
ঘড়ির দুইটি ছোট কালো হাত ধীরে
আমাদের দুজনকে নিতে চায় যেই শব্দহীন মাটি ঘাসে
সাহস সংকল্প প্রেম আমাদের কোন দিন সেদিকে যাবে না
তবুও পায়ের চিহ্ন সেদিকেই চলে যায় কি গভীর সহজ অভ্যাসে।
অপ্রকাশিত/ জীবনানন্দ দাশ
অ্যামাটার বলেছেন:
@তামিম ইরফান ;"প্রেমার সময়" কবিতাটা দিয়েন,পুরোটাই দিয়েন,যদিও টাইপ করতে একটু কষ্ট হবে!
লেখক বলেছেন: ঘোড়া কবিতাটা দেওয়া হয়েছে।
আরো কবিতা আসবে। আস্তে আস্তে......টাইপ করে দিতে হচ্ছে......বেশ সময়ের ব্যাপার। পারলে তুমিও কিছু কবিতা দেও। তাহলে কাজ আগাবে। ![]()
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
কুড়ি বছর পরে
আবার বছর কুড়ি পরে তার সাথে দেখা হয় যদি
আবার বছর কুড়ি পরে-
হয়তো ধানের ছড়ার পাশে-
কার্তিকের মাসে-
তখন সন্ধ্যার কাক ঘরে ফেরে - তখন হলুদ নদী
নরম নরম হয় শর কাশ হোগলায়- মাঠের ভিতরে!
অথবা নাইকো ধান ক্ষেতে আর,
ব্যস্ততা নাইকো আর,
হাঁসের নীড়ের থেকে খড়
পাখির নীড়ের থেকে খড়
ছড়াতেছে; মনিয়ার ঘরে রাত, শীত আর শিশিরের জল।
জীবন গিয়েছে চলে আমাদের কুড়ি কুড়ি, বছরের পার,-
তখন হঠাৎ যদি মেঠো পথে পাই আমি তোমারে আবার!
হয়তো এসেছে চাঁদ মাঝরাতে একরাশ পাতার পিছনে
সরু -সরু কালো-কালো ডালপালা মুখ নিয়ে তার,
শিরীষের অথবা জামের,
ঝাউয়ের-আমের;
কুড়ি বছরের পরে তখন তোমারে নাই মনে!
জীবন গিয়েছে চলে আমাদের কুড়ি কুড়ি বছরের পার-
তখন আবার যদি দেখা হয় তোমার আমার!
তখন হয়তো মাঠে হামাগুড়ি দিয়ে পেঁচা নামে-
বাবলার গলির অন্ধকারে
অশথের জানালার ফাঁকে
কোথায় লুকায় আপনাকে!
চোখের পাতার মতো নেমে চুপি কোথায় চিলের ডানা থামে।
সোনালি সোনালি চিল- শিশির শিকার করে নিয়ে গেছে তারে-
কুড়ি বছরের পরে সেই কুয়াশায় পাই যদি হঠাৎ তোমারে!
(বনলতা সেন/জীবনানন্দ দাশ)
লেখক বলেছেন: লুলূ কানাডা গেছে .....
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
ঘাস
কচি লেবুপাতার মতো নরম সবুজ আলোয়
পুথিবী ভরে গিয়েছে এই ভোরের বেলা;
কাঁচা বাতাবির মতো সবুজ ঘাস-তেমনি সুঘ্রাণ-
হরিণেরা দাঁত দিয়ে ছিড়ে নিচ্ছে।
আমারো ইচ্ছা করে এই ঘাসের এই ঘ্রাণ হরিৎ মদের মতো
গেলাসে - গেলাসে পান করি,
এই ঘাসের শরীর ছানি- চোখে চোখে ঘষি,
ঘাষের পাখনায় আমার পালক,
ঘাষের ভিতর ঘাস হয়ে জন্মাই কোন এক নিবিড় ঘাস-মাতার
শরীরের সুস্বাদ অন্ধকার থেকে নেমে।
(বনলতা সেন/জীবনানন্দ দাশ)
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
হাওয়ার রাত
গভীর হাওয়ার রাত ছিল কাল- অসংখ্য নক্ষত্রের রাত;
সারারাত বিস্তীর্ণ হাওয়া আমার মশারিতে খেলেছে;
মশারিটা ফুলে উঠেছে কখনো মৌসুমী সমুদ্রের পেটের মতো,
কখনো বিছানা ছিঁড়ে
নক্ষত্রের দিকে উড়ে যেতে চেয়েছে,
এক-একবার মনে হচ্ছিল আমার- আধো ঘুমের ভিতর হয়তো-
মাথার উপরে মশারি নেই আমার
স্বাতী তারার কোল ঘেঁসে নীল হাওয়ার সমুদ্রে শাদা বকের মতো উড়ছে সে!
কাল এমন চমৎকার রাত ছিল।
সমস্ত মৃত নক্ষত্রেরা কাল জেগে উঠেছিল-আকাশে একতিল ফাঁক ছিল না;
পৃথিবীর সমস্ত ধূসরপ্রিয় মৃতদের মুখও সেই নক্ষত্রের ভিতর দেখেছি আমি;
অন্ধকার রাতে অশ্বত্থের চুড়ায় প্রেমিক চিলপুরুষের শিশির - ভেজা চোখের মতো
ঝলমল করছিল সমস্ত নক্ষত্রেরা;
জোছনারাতে বেবিলনের রানির ঘাড়ের ওপর চিতার উজ্জ্বল চামড়ার
শালের মতো জ্বলজ্বল করছিল বিশাল আকাশ!
কাল এমন আশ্চর্য রাত ছিল।
নে নক্ষত্রেরা আকাশের্ বুকে হাজার-হাজার বছর আগে ম'রে গিয়েছে
তারাও কাল জানালার থিবর দিয়ে অসংখ্য মৃত আকাশ সঙ্গে করে এনেছে
যে রুপসীদের আমি এশিরিয়ায়, মিশরে বিদিশায় ম'রে যেতে দেখেছি
কাল তারা অতিদূরে আকাশের সীমানায় কুয়াশায় কুয়াশায় দীর্ঘ বর্শা হাতে করে
কাতারে কাতারে দাঁড়িয়ে গেছে যেন-
মৃত্যুকে দলিত করবার জন্য?
জীবনের গভীর জয় প্রকাশ করবার জন্য?
প্রেমের ভয়াবহ গম্ভীর স্তম্ভ তুলবার জন্য?
আড়ষ্ট- অভিভূত হয়ে গেছি আমি,
কাল রাতের প্রবল নীল অত্যাচার আমাকে ছিঁড়ে ফেলেছে যেন;
আকাশের বিরামহীন বিস্তৃর্ণ ডানার ভিতর
পৃথিবী কিটের মতো মুছে গিয়েছে কাল!
আর উত্তুঙ্গ বাতাস এসেছে আকাশের বুক থেকে নেমে
আমার জানালার ভিতর দিয়ে, শাঁই শাঁই করে,
সিংহের হুঙ্কারে উৎক্ষিপ্ত হরিৎ প্রান্তরের অজস্র জেব্রার মতো!
হৃদয় ভরে গিয়েছে আমার বিস্তীর্ণ ফেল্টের সবুজ ঘাসের গন্ধে,
দিগন্ত-প্লাবিত বলীয়ান রৌদ্রের আঘ্রাণে
মিলনোন্মত্ত বাঘিনীর গর্জনের মতো অন্ধকারের চঞ্চল বিরাট সজীব রোমশ উচ্ছ্বাসে,
জীবনের দুর্দান্ত নীল মত্ততায়!
আমার হৃদয় পৃথিবী ছিঁড়ে উড়ে গেল,
নীল হাওয়ার সমুদ্রে স্ফীত মাতাল বেলুনের মতো গেল উড়ে,
একটা দূর নক্ষত্রের মাস্তুলকে তারায়-তারায় উড়িয়ে দিয়ে চলল
একটা দুরন্ত শুকনের মতো।
(বনলতা সেন/জীবনানন্দ দাশ)
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
আমি যদি হতাম
আমি যদি হতাম বনহংস;
বনহংসী হতে যদি তুমি;
কোন এক দিগন্তের জলসিঁড়ি নদীর ধারে
ধানক্ষেতের কাছে
ছিপছিপে শবের ভিতর
এক নিরালা নীড়ে,
তাহলে আজ এই ফাল্গুনের রাতে
ঝাউয়ের শাখার পেছনে চাঁদ উঠতে দেখে
আমরা নিম্নভূমির জলের গন্ধ ছেড়ে
আকাশের রুপালী শস্যের ভিতর গা ভাসিয়ে দিতাম-
তোমার পাখনায় আমার পালক, আমার পাখনায় তোমার রক্তের স্পন্দন-
নীল আকাশে খইক্ষেতের সোনালী ফুলের মতো অজস্র তারা,
শিরীষ বনের সবুজ রোমশ নীড়ে
সোনালী ডিমের মতো
ফাল্গুনের চাঁদ।
হয়তো গুলির শব্দ;
আমাদের তীর্যক গতিস্রোত,
আমাদের পাখায় পিস্টনের উল্লাস,
আমাদের কন্ঠে উত্তর হাওয়ার গান!
হয়তো গুলির শব্দ আবার :
আমাদের স্তব্ধতা,
আমাদের শান্তি।
আজকের জীবনের এই টুকরো টুকরো মৃত্যু আর থাকত না;
থাকত না আজকের জীবনের টুকরো টুকরো সাধের ব্যর্থতা ও অন্ধকার;
আমি যদি বনহংস হতাম,
বনহংসী হতে যদি তুমি;
কোন এক দিগন্তের জলসিঁড়ি নদীর ধারে
ধানক্ষেতের কাছে।
(বনলতা সেন/জীবনানন্দ দাশ)
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
বুনো - হাঁস
পেঁচার ধূসর পাখা উড়ে যায় নক্ষত্রের পানে-
জলা মাঠ ছেড়ে দিয়ে চাঁদের আহ্বানে
বুনো হাঁস পাখা মেলে-শাঁই-শাঁই শব্দ শুনি তার;
এক-দুই-তিন-চার-অজস্র-অপার-
রাত্রির কিনার দিয়ে তাহাদের ক্ষিপ্র ডানা ঝাড়া
এঞ্জিনের মতো শব্দে; ছুটিতেছে - ছুটিতেছে তারা।
তারপর পরে থাকে, নক্ষত্রের বিশাল আকাশ,
হাঁসের গায়ের ঘ্রাণ-দু-একটা কল্পনার হাঁস;
মনে পড়ে কবেকার পাড়াগাঁর অরুণিমা সান্যালের মুখ;
উড়ুক উড়ুক তারা পউষের জোছনায় নীরবে উড়ুক
কল্পনার হাঁস সব-পুথিবীর সব ধ্বনি সব রং মুছে গেল পর
উড়ুক উড়ুক তারা হৃদয়ের শব্দহীন জোছনার ভিতর।
(বনলতা সেন/জীবনানন্দ দাশ)
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
শঙ্খমালা
কান্তারের পথ ছেড়ে সন্ধ্যার আঁধারে
সে কে এক নারী এসে ডাকিল আমারে,
বলিল , তোমারে চাই :
বেতের ফলের মতো নীলাভ ব্যথিত তোমার দুই চোখ
খুঁজেছি নক্ষত্রে আমি - কুয়াশার পাখনায় -
সন্ধ্যার নদীর জলে নামে যে আলোক
জোনাকির দেহ হতে - খুঁজেছি তোমারে সেইখানে -
ধূসর পেঁচার মতো ডানা মেলে অঘ্রাণের অন্ধকারে
ধানসিঁড়ি বেয়ে - বেয়ে
সোনার সিঁড়ির মতো ধানে আর ধানে
তোমারে খুঁজেছি আমি নির্জন পেঁচার মতো প্রাণে।
দেখিলাম দেহ তার বিমর্ষ পাখির রঙে ভরা;
সন্ধ্যার আঁধারে ভিজে শিরীষের ডালে সেই পাখি দেয় ধরা -
বাঁকা চাঁদ থাকে যার মাথার উপর,
শিঙের মতন বাঁকা নীল চাঁদ শোনে যার স্বর।
কড়ির মতন শাদা মুখ তার;
দুইথানা হাত তার হিম;
চোখে তার হিজল কাঠের রক্তিম
চিতা জ্বলে : দক্ষিণের শিয়রে মাথা শঙ্খমালা যেন পুড়ে যায়
সে আগুনে হায়।
চোখে তার
যেন শত শতাব্দীর নীল অন্ধকার!
স্তন তার
করুণ শঙ্খের মতো- দুধে আর্দ্র - কবেকার শঙ্খিনীমালার!
এ পৃথিবী একবার পায় তারে, পায় নাকো আর।
(বনলতা সেন/জীবনানন্দ দাশ)
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
নগ্ন নির্জন হাত
আবার আকাশের অন্ধকার ঘন হয়ে উঠেছে :
আলোর রহস্যময়ী সহোদরার মতো এই অন্ধকার।
যে আমাকে চিরদিন ভালোবেসেছে
অথচ যার মুখ আমি কোনদিন দেখিনি,
সেই নারীর মতো
ফাল্গুন আকাশে অন্ধকার নিবিড় হয়েছে উঠছে।
মনে হয় কোনো বিলুপ্ত নগরীর কথা
সেই নগরীর এক ধূসর প্রাসাদের রূপ জাগে হৃদয়ে।
ভারতসমুদ্রের তীরে
কিংবা ভূমধ্যসাগরের কিনারে
অথবা টায়ার সিন্ধুর পারে
আজ নেই, কোন এক নগরী ছিল একদিন,
কোন এক প্রাসাদ ছিল;
মূল্যবাদ আসবাবে ভরা এক প্রাসাদ;
পারস্য গালিচা, কাশ্মিরি শাল, বেরিন তরঙ্গের নিটোল মুক্তা প্রবাল,
আমার বিলুপ্ত হৃদয়, আমার মৃত চোখ, আমার বিলীন স্বপ্ন আকাঙ্ক্ষা;
আর তুমি নারী -
এই সব ছিল সেই জগতে একদিন।
অনেক কমলা রঙের রোদ ছিল,
অনেক কাকাতুয়া পায়রা ছিল,
মেহগনির ছায়াঘন পল্লব ছিল অনেক;
অনেক কমলা রঙের রোদ ছিল;
অনেক কমলা রঙের রোদ;
আর তুমি ছিলে;
তোমার মুখের্ রূপ কত শত শতাব্দী আমি দেখি না,
খুঁজি না।
ফাল্গুনের অন্ধকার নিয়ে আসে সেই সমুদ্রপারের কাহিনী,
অপরূপ খিলান ও গম্বুজের বেদনাময় রেখা,
লুপ্ত নাশপাতির গন্ধ,
অজস্র হরিণ ও সিংহের ছালের ধূসর পান্ডুলিপি,
রামধনু রঙের কাচের জানালা,
ময়ূরের পেখমের মতো রঙিন পর্দায় পর্দায়
কক্ষ ও কক্ষান্তর থেকে আরো দূর কক্ষ ও কক্ষান্তরের
ক্ষণিক আভাস -
আয়ুহীন স্তব্ধতা ও বিস্ময়।
পর্দায়, গালিচায় রক্তাভ রৌদ্রের বিচ্ছুরিত স্বেদ,
রক্তিম গেলাসে তরমুজ মদ!
তোমার নগ্ন নির্জন হাত;
তোমার নগ্ন নির্জন হাত।
(বনলতা সেন/জীবনানন্দ দাশ)
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
শিকার
ভোর;
আকাশের রং ঘাসফড়িঙের দেহের মতো কোমল নীল :
চারিদিকে পেয়ারা ও নোনার গাছ টিয়ার পালকের মতো সবুজ।
একটি তারা এখনো আকাশে রয়েছে :
পাড়াগাঁর বাসরঘরে সবচেয়ে গোধূলী - মদির মেয়েটির মতো;
কিংবা মিশরের মানুষী তার বুকের থেকে যে - মুক্তা
আমার নীল মদের গেলাসে রেখেছিল
হাজার হাজার বছর আগে এক রাতে তেমনি =
তেমনি একটি তারা আকাশে জ্বলছে এখনো।
হিমের রাতে শরীর 'উম্' রাখবার জন্য দেশোয়ালিরা
সারারাত মাঠে আগুন জ্বেলেছে -
মোরগ ফুলের মতো লাল আগুন;
শুকনো অশ্বত্থ পাতা দুমুড়ে এখনো জ্বলছে তাদের;
সূর্যের আলোয় তার রঙ কুসুমের মতো নেই আর;
হয়ে গেছে রোগা শালিকের হৃদয়ের বিবর্ণ ইচ্ছার মতো।
সকালের আলোয় টলমল শিশিরে চারিদিকের বন ও আকাশ
ময়ূরের সবুজ নীল ডানার মতো ঝিলমিল করছে।
ভোর;
সারারাত চিতাবাঘিনীর হাত থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে - বাঁচিয়ে
নক্ষত্রহীন, মেহগনির মতো অন্ধকারে সুন্দরীর বন থেকে অর্জুনের বনে
ঘুরে ঘুরে
সুন্দর বাদামি হরিণ এই ভোরের জন্য অপেক্ষা করছিল।
এসেছে সে ভোরের আলোয় নেমে;
কচি বাতাবিলেবুর মতো সবুজ সুগন্ধী ঘাস ছিঁড়ে - ছিঁড়ে খাচ্ছে;
নদীর তীক্ষ্ণ শীতল ঢেউয়ে সে নামল -
ঘুমহীন ক্লান্ত বিহ্বল শরীরটাকে স্রোতের মতো একটা আবেগ দেওয়ার জন্য
অন্ধকারের হিম কুঞ্চিত জরায়ু ছিঁড়ে ভোরের রৌদ্রের মতো
একটা বিস্তীর্ণ উল্লাস পাবার জন্য,
এই নীল আকাশের নিচে সূর্যের সোনার বর্শার মতো জেগে উঠে
সাহসে সাধে সৌন্দর্যে হরিণীর পর হরিণীকে চমক লাগিয়ে দেবার জন্য
একটা অদ্ভুত শব্দ।
নদীর জল মচকাফুলের মতো লাল।
আগুন জ্বলল আবার- উষ্ণ লাল হরিণের মাংস তৈরি হয়ে এল।
নক্ষত্রের নিচে ঘাসের বিছানায় বসে অনেক পুরনো শিশিরভেজা গল্প;
সিগারেটের ধোঁয়া;
টেরিকাটা কয়েকটা মানুষের মাথা;
এলোমেলো কয়েকটা বন্ধুক- হিম- নিস্পন্দ নিরপরাধ ঘুম।
(বনলতা সেন/জীবনানন্দ দাশ)
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
হরিণেরা
স্বপ্নের ভিতরে বুঝি- ফাল্গুনের জোছনার ভিতরে
দেখিলাম পলাশের বনে খেলা করে
হরিণেরা; রুপালি চাঁদের হাত শিশিরের পাতায়;
বাতাস ঝাড়িছে ফাঁকে- বনে বনে - হরিণের চোখে;
হরিণেরা খেলা করে হাওয়া আর মুক্তার আলোকে।
হীরের প্রদীপ জ্বেলে শেফালিকা বোস যেন হাসে
হিজল ডালের পিছে অগণন বনের আকাশে-
বিলুপ্ত ধূসর কোন পৃথিবীর শেফালিকা আহা;
ফাল্গুনের জোছনায় হরিণেরা জানে শুধু তাহা।
বাতাস ঝাড়িছে ডানা, হীরা ঝরে হরিণের চোখে-
হরিণেরা খেলা করে হাওয়া আর হীরার আলোকে।
(বনলতা সেন/জীবনানন্দ দাশ)
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
বেড়াল
সারাদিন একটা বিড়ালের সঙ্গে ঘুরে ফিরে কেবলই আমার দেখা হয় :
গাছের ছায়ায়, রোদের ভিতর, বাদামি পাতার ভিড়ে;
কোথাও কয়েক টুকরো মাছের কাঁটার সফলতার পর
তারপর সাদা মাটির কঙ্কালের ভিতর
নিজের হৃদয়কে নিয়ে মৌমাছির মতো নিমগ্ন হয়ে আছে দেখি;
কিন্তু তবুও তারপর কৃষ্ণচূড়ার গায়ে নখ আঁচড়াচ্ছে,
সারাদিন সূর্যের পিছনে-পিছনে চলেছে সে।
একবার তাকে দেখা যায়,
একবার হারিয়ে যায় কোথায়।
হেমন্তের সন্ধ্যায় জাফরান রং -এর সূর্যের নরম শরীরে
শাদা থাবা বুলিয়ে বুলিয়ে খেলা করতে দেখলাম তাকে;
তারপর অন্ধকারকে ছোট ছোট বলের মতো থাবা দিয়ে লুফে আনল সে
সমস্ত পৃথিবীর রভিতর ছড়িয়ে দিল।
(বনলতা সেন/জীবনানন্দ দাশ)
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
চমৎকার একটা কাজ করেছ .............ধন্যবাদকেমন আছো?
একটু ব্যস্ত ছিলাম তোমার অনেক পোষ্ট পড়ব।
ভালো থেকো।
লেখক বলেছেন: ভালো আছি আপু।
তুমি কেমন আছো?
শুভেচ্ছা রইলো।
লেখক বলেছেন: ![]()
![]()
![]()
লেখক বলেছেন: ৪ কেজি ধইন্যাপাতা ![]()
অ্যামাটার বলেছেন:
একগুচ্ছ ঝরা পালক;অস্তচাঁদে
ভালোবাসিয়াছি আমি অস্তচাঁদ, -ক্লান্ত শেষপ্রহরের শশী!
-অঘোর ঘুমের ঘোরে ঢলে যবে কালো নদী-ঢেউয়ের কলসী,
নিঝ্ঝুম বিছানার পরে
মেঘবৌ’র খোঁপাখসা জোছনাফুল চুপে চুপে ঝরে,-
চেয়ে থাকি চোখ তুলে’-যেন মোর পলাতকা প্রিয়া
মেঘের ঘোমটা তুলে’ প্রেত-চাঁদে সচকিতে ওঠে শিহরিয়া!
সে যেন দেখেছে মোরে জন্মে জন্মে ফিরে’ ফিরে’ ফিরে’
মাঠে ঘাটে একা একা, -বুনোহাঁস-জোনাকির ভিড়ে!
দুশ্চর দেউলে কোন্-কোন্ যক্ষ-প্রাসাদের তটে,
দূর উর-ব্যাবিলোন-মিশরের মরুভূ-সঙ্কটে,
কোথা পিরামিড তলে, ঈসিসের বেদিকার মূলে,
কেউটের মতো নীলা যেইখানে ফণা তুলে উঠিয়াছে ফুলে,
কোন্ মনভুলানিয়া পথচাওয়া দুলালীর মনে
আমারে দেখেছে জোছনা-চোর চোখে-অলস নয়নে!
আমারে দেখেছে সে যে আসরীয় সম্রাটের বেশে
প্রাসাদ-অলিন্দে যবে মহিমায় দাঁড়ায়েছি এসে-
হাতে তার হাত, পায়ে হাতিয়ার রাখি
কুমারীর পানে আমি তুলিয়াছি আনন্দের আরক্তিম আঁখি!
ভোরগেলাসের সুরা-তহুরা, ক’রেছি মোরা চুপে চুপে পান,
চকোরজুড়ির মতো কুহরিয়া গাহিয়াছি চাঁদিনীর গান!
পেয়ালায়-পায়েলায় সেই নিশি হয় নি উতলা,
নীল নিচোলের কোলে নাচে নাই আকাশের তলা!
নটীরা ঘুমায়েছিল পুরে পুরে, ঘুমের রাজবধূ-
চুরি করে পিয়েছিনু ক্রীতদাসী বালিকার যৌবনের মধু!
সম্রাজ্ঞীর নির্দয় আঁখির দর্প বিদ্রূপ ভুলিয়া
কৃষ্ণাতিথি-চাঁদিনীর তলে আমি ষোড়শীর উরু পরশিয়া
লভেছিনু উল্লাস-উতরোল!-আজ পড়ে মনে
সাধ-বিষাদের খেদ কত জন্মজন্মান্তের, রাতের নির্জনে!
আমি ছিনু ‘ক্রবেদুর’ কোন্ দূর ‘প্রভেন্স্’-প্রান্তরে!
-দেউলিয়া পায়দল্-অগোচর মনচোর-মানিনীর তরে
সারেঙের সুর মোর এমনি উদাস রাত্রে উঠিত ঝঙ্কারি!
আঙুরতলায় ঘেরা ঘুমঘোর ঘরখানা ছাড়ি
ঘুঘুর পাখনা মেলি মোর পানে আসিল পিয়ারা;
মেঘের ময়ূরপাখে জেগেছিল এলোমেলো তারা!
-’অলিভ’ পাতার ফাঁকে চুন চোখে চেয়েছিল চাঁদ,
মিলননিশার শেষে-বৃশ্চিক, গোক্ষুরাফণা, বিষের বিস্বাদ!
স্পেইনের ‘সিয়েরা’য় ছিনু আমি দস্যু-অশ্বারোহী-
নির্মম-কৃতান্ত-কাল-তবু কী যে কাতর, বিরহী!
কোন্ রাজনন্দিনীর ঠোঁটে আমি এঁকেছিনু বর্বর চুম্বন!
অন্দরে পশিয়াছিনু অবেলার ঝড়ের মতন!
তখন রতনশেজে গিয়েছিল নিভে মধুরাতি,
নীল জানালার পাশে-ভাঙা হাটে-চাঁদের বেসাতি।
চুপে চুপে মুখে কার পড়েছিনু ঝুঁকে!
ব্যাধের মতন আমি টেনেছিনু বুকে
কোন্ ভীরু কপোতীর উড়ু-উড়ু ডানা!
-কালো মেঘে কেঁদেছিল অস্তচাঁদ-আলোর মোহানা!
বাংলার মাঠে ঘাটে ফিরেছিনু বেণু হাতে একা,
গঙ্গার তীরে কবে কার সাথে হয়েছিল দেখা!
‘ফুলটি ফুটিলে চাঁদিনী উঠিলে’ এমনই রূপালি রাতে
কদমতলায় দাঁড়াতাম গিয়ে বাঁশের বাঁশিটি হাতে!
অপরাজিতার ঝাড়ে- নদীপারে কিশোরী লুকায়ে বুঝি!-
মদনমোহন নয়ন আমার পেয়েছিল তারে খুঁজি!
তারই লাগি বেঁধেছিনু বাঁকা চুলে ময়ূরপাখার চূড়া,
তাহারই লাগিয়া শুঁড়ি সেজেছিনু-ঢেলে দিয়েছিনু সুরা!
তাহারই নধর অধর নিঙাড়ি উথলিল বুকে মধু,
জোনাকির সাথে ভেসে শেষরাতে দাঁড়াতাম দোরে বঁধু!
মনে পড়ে কি তা!-চাঁদ জানে যাহা, জানে যা কৃষ্ণাতিথির শশী,
বুকের আগুনে খুন চড়ে-মুখ চুন হয়ে যায় একেলা বসি!
..................................................................................................
স্মৃতি
থমথমে রাত, আমার পাশে বসল অতিথি-
বললে, আমি অতীত ক্ষুধা-তোমার অতীত স্মৃতি!
-যে দিনগুলো সাঙ্গ হল ঝড়বাদলের জলে,
শুষে গেল মেরুর হিমে, মরুর অনলে,
ছায়ার মতো মিশেছিলাম আমি তাদের সনে;
তারা কোথায়?-বন্দি স্মৃতিই কাঁদছে তোমার মনে!
কাঁদছে তোমার মনের খাকে, চাপা ছাইয়ের তলে,
কাঁদছে তোমার স্যাঁত্সেঁতে শ্বাস-ভিজা চোখের জলে,
কাঁদছে তোমার মূক মমতার রিক্ত পাথার ব্যেপে,
তোমার বুকের খাড়ার কোপে, খুনের বিষে ক্ষেপে!
আজকে রাতে কোন্ সে সুদূর ডাক দিয়েছে তারে,-
থাকবে না সে ত্রিশূলমূলে, শিবের দেউলদ্বারে!
মুক্তি আমি দিলেম তারে-উল্লাসেতে দুলে
স্মৃতি আমার পালিয়ে গেল বুকের কপাট খুলে
নবালোকে-নবীন উষার নহবতের মাঝে।
ঘুমিয়েছিলাম, দোরে আমার কার করাঘাত বাজে!
-আবার আমায় ডাকলে কেন স্বপনঘোরের থেকে!
অই লোকালোক-শৈলচূড়ায় চরণখানা রেখে
রয়েছিলাম মেঘের রাঙা মুখের পানে চেয়ে,
কোথার থেকে এলে তুমি হিম সরণি বেয়ে!
ঝিম্ঝিমে চোখ, জটা তোমার ভাসছে হাওয়ার ঝড়ে,
শ্মশানশিঙা বাজল তোমার প্রেতের গলার স্বরে!
আমার চোখের তারার সনে তোমার আঁখির তারা
মিলে গেল, তোমার মাঝে আবার হলেম হারা!
-হারিয়ে গেলাম ত্রিশূলমূলে, শিবের দেউলদ্বারে;
কাঁদছে স্মৃতি-কে দেবে গো-মুক্তি দেবে তারে!
..................................................................................................
আমি কবি– সেই কবি–
আমি কবি– সেই কবি–
আকাশে কাতর আঁখি তুলি হেরি ঝরা পালকের ছবি!
আন্মনা আমি চেয়ে থাকি দূর হিঙুল-মেঘের পানে!
মৌন নীলের ইশারায় কোন্ কামনা জাগিছে প্রাণে!
বুকের বাদল উথলি উঠিছে কোন্ কাজরীর গানে!
দাদুরী-কাঁদানো শাঙন-দরিয়া হৃদয়ে উঠিছে দ্রবি!
স্বপন-সুরার ঘোরে
আখের ভুলিয়া আপনারে আমি রেখেছি দিওয়ানা ক’রে!
জন্ম ভরিয়া সে কোন্ হেঁয়ালি হল না আমার সাধা–
পায় পায় নাচে জিঞ্জির হায়, পথে পথে ধায় ধাঁধা!
-নিমেষে পাসরি এই বসুধার নিয়তি-মানার বাধা
সারাটি জীবন খেয়ালের খোশে পেয়ালা রেখেছি ভ’রে!
ভুঁয়ের চাঁপাটি চুমি
শিশুর মতন, শিরীষের বুকে নীরবে পড়ি গো নুমি!
ঝাউয়ের কাননে মিঠা মাঠে মাঠে মটর-ক্ষেতের শেষে
তোতার মতন চকিতে কখন আমি আসিয়াছি ভেসে!
-ভাটিয়াল সুর সাঁঝের আঁধারে দরিয়ার পারে মেশে,–
বালুর ফরাশে ঢালু নদীটির জলে ধোঁয়া ওঠে ধূমি!
বিজন তারার সাঁঝে
আমার প্রিয়ের গজল-গানের রেওয়াজ বুঝি বা বাজে!
প’ড়ে আছে হেথা ছিন্ন নীবার, পাখির নষ্ট নীড়!
হেথায় বেদনা মা-হারা শিশুর, শুধু বিধবার ভিড়!
কোন্ যেন এক সুদূর আকাশ গোধূলিলোকের তীর
কাজের বেলায় ডাকিছে আমারে, ডাকে অকাজের মাঝে!
..................................................................................................
বেদিয়া
চুলিচালা সব ফেলেছে সে ভেঙে, পিঞ্জরহারা পাখি!
পিছুডাকে কভু আসে না ফিরিয়া, কে তারে আনিবে ডাকি?
উদাস উধাও হাওয়ার মতন চকিতে যায় সে উড়ে,
গলাটি তাহার সেধেছে অবাধ নদী-ঝর্ণার সুরে;
নয় সে বান্দা রংমহলের, মোতিমহলের বাঁদী,
ঝোড়ো হাওয়া সে যে, গৃহপ্রাঙ্গণে কে তারে রাখিবে বাঁধি!
কোন্ সুদূরের বেনামী পথের নিশানা নেছে সে চিনে,
ব্যর্থ ব্যথিত প্রান্তর তার চরণচিহ্ন বিনে!
যুগযুগান্ত কত কান্তার তার পানে আছে চেয়ে,
কবে সে আসিবে ঊষর ধূসর বালুকা-পথটি বেয়ে
তারই প্রতীক্ষা মেগে ব’সে আছে ব্যাকুল বিজন মরু!
দিকে দিকে কত নদী-নির্ঝর কত গিরিচূড়া-তরু
ঐ বাঞ্ছিত বন্ধুর তরে আসন রেখেছে পেতে
কালো মৃত্তিকা ঝরা কুসুমের বন্দনা-মালা গেঁথে
ছড়ায়ে পড়িছে দিগ্দিগন্তে ক্ষ্যাপা পথিকের লাগি!
বাবলা বনের মৃদুল গন্ধে বন্ধুর দেখা মাগি
লুটায়ে রয়েছে কোথা সীমান্তে শরৎ উষার শ্বাস!
ঘুঘু-হরিয়াল-ডাহুক-শালিখ-গাঙচিল-বুনোহাঁস
নিবিড় কাননে তটিনীর কূলে ডেকে যায় ফিরে ফিরে
বহু পুরাতন পরিচিত সেই সঙ্গী আসিল কি রে!
তারই লাগি ভায় ইন্দ্রধনুক নিবিড় মেঘের কূলে,
তারই লাগি আসে জোনাকি নামিয়া গিরিকন্দরমূলে।
ঝিনুক-নুড়ির অঞ্জলি ল’য়ে কলরব ক’রে ছুটে
নাচিয়া আসিছে অগাধ সিন্ধু তারই দুটি করপুটে।
তারই লাগি কোথা বালুপথে দেখা দেয় হীরকের কোণা,
তাহারই লাগিয়া উজানী নদীর ঢেউয়ে ভেসে আসে সোনা!
চকিতে পরশপাথর কুড়ায়ে বালকের মতো হেসে
ছুড়ে ফেলে দেয় উদাসী বেদিয়া কোন্ সে নিরুদ্দেশে!
যত্ন করিয়া পালক কুড়ায়, কানে গোঁজে বনফুল,
চাহে না রতন-মণিমঞ্জুষা হীরে-মাণিকের দুল,
-তার চেয়ে ভালো অমল উষার কনক-রোদের সীঁথি,
তার চেয়ে ভালো আলো-ঝল্মল্ শীতল শিশিরবীথি,
তার চেয়ে ভালো সুদূর গিরির গোধূলি-রঙিন জটা,
তার চেয়ে ভালো বেদিয়া বালার ক্ষিপ্র হাসির ছটা!
কী ভাষা বলে সে, কী বাণী জানায়, কিসের বারতা বহে!
মনে হয় যেন তারই তরে তবু দুটি কান পেতে রহে
আকাশ-বাতাস-আলোক-আঁধার মৌন স্বপ্নভরে,
মনে হয় যেন নিখিল বিশ্ব কোল পেতে তার তরে!
..................................................................................................
নাবিক
কবে তব হৃদয়ের নদী
বরি নিল অসম্বৃত সুনীল জলধি!
সাগর-শকুন্ত-সম উল্লাসের রবে
দূর সিন্ধু-ঝটিকার নভে
বাজিয়া উঠিল তব দুরন্ত যৌবন!
পৃথ্বীর বেলায় বসি কেঁদে মরে আমাদের শৃঙ্খলিত মন!
কারাগার-মর্মরের তলে
নিরাশ্রয় বন্দিদের খেদ-কোলাহলে
ভ’রে যায় বসুধার আহত আকাশ!
অবনত শিরে মোরা ফিরিতেছি ঘৃণ্য বিধিবিধানের দাস!
-সহস্রের অঙুলিতর্জন
নিত্য সহিতেছি মোরা-বারিধির বিপ্লব-গর্জন
বরিয়া লয়েছ তুমি, তারে তুমি বাসিয়াছ ভালো;
তোমার পক্ষরতলে টগ্বগ্ করে খুন-দুরন্ত, ঝাঁঝালো!-
তাই তুমি পদাঘাতে ভেঙে গেলে অচেতন বসুধার দ্বার,
অবগুণ্ঠিতার
হিমকৃষ্ণ অঙুলির কঙ্কাল-পরশ
পরিহরি গেলে তুমি-মৃত্তিকার মদ্যহীন রস
তুহিন নির্বিষ নিঃস্ব পানপাত্রখানা
চকিতে চূর্ণিয়া গেলে-সীমাহারা আকাশের নীল শামিয়ানা
বাড়ব-আরক্ত স্ফীত বারিধির তট,
তরঙ্গের তুঙ্গ গিরি, দুর্গম সঙ্কট
তোমারে ডাকিয়া নিল মায়াবীর রাঙা মুখ তুলি!
নিমেষে ফেলিয়া গেলে ধরণীর শূন্য ভিক্ষাঝুলি!
প্রিয়ার পাণ্ডুর আঁখি অশ্রু-কুহেলিকা-মাখা গেলে তুমি ভুলি!
ভুলে গেলে ভীরু হৃদয়ের ভিক্ষা, আতুরের লজ্জা অবসাদ,-
অগাধের সাধ
তোমারে সাজায়ে দেছে ঘরছাড়া ক্ষ্যাপা সিন্দবাদ!
মণিময় তোরণের তীরে
মৃত্তিকায় প্রমোদ-মন্দিরে
নৃত্য-গীত-হাসি-অশ্রু-উৎসবের ফাঁদে
হে দুরন্ত দুর্নিবার-প্রাণ তব কাঁদে!
ছেড়ে গেলে মর্মন্তুদ মর্মর বেষ্টন,
সমুদ্রের যৌবন-গর্জন
তোমারে ক্ষ্যাপায়ে দেছে, ওহে বীর শের!
টাইফুন্-ডঙ্কার হর্ষে ভুলে গেছ অতীত-আখের
হে জলধি পাখি!
পে তব নাচিতেছে ল্যহারা দামিনী-বৈশাখী!
ললাটে জ্বলিছে তব উদয়াস্ত আকাশের রতœচূড় ময়ূখের টিপ,
কোন্ দূর দারুচিনি লবঙ্গের সুবাসিত দ্বীপ
করিতেছে বিভ্রান্ত তোমারে!
বিচিত্র বিহঙ্গ কোন্ মণিময় তোরণের দ্বারে
সহর্ষ নয়ন মেলি হেরিয়াছ কবে!
কোথা দূরে মায়াবনে পরীদল মেতেছে উৎসবে-
স্তম্ভিত নয়নে
নীল বাতায়নে
তাকায়েছ তুমি!
অতি দূর আকাশের সন্ধ্যারাগ-প্রতিবিম্বে প্রস্ফুটিত সমুদ্রের
আচম্বিত ইন্দ্রজাল চুমি
সাজিয়াছ বিচিত্র মায়াবী!
সৃজনের জাদুঘর-রহস্যের চাবি
আনিয়াছ কবে উন্মোচিয়া
হে জল-বেদিয়া!
অল্য বন্দর পানে ছুটিতেছ তুমি নিশিদিন
সিন্ধু বেদুঈন!
নাহি গৃহ, নাহি পান্থশালা-
লক্ষ লক্ষ ঊর্মি-নাগবালা
তোমারে নিতেছে ডেকে রহস্যপাতালে-
বারুণী যেথায় তার মণিদীপ জ্বালে!
প্রবাল-পালঙ্ক-পাশে মীননারী ঢুলায় চামর!
সেই দুরাশার মোহে ভুলে গেছ পিছুডাকা স্বর
ভুলেছ নোঙর!
কোন্ দূর কুহকের কূল
লক্ষ্য করি ছুটিতেছে নাবিকের হৃদয়-মাস্তুল
কে বা তাহা জানে!
অচিন আকাশ তারে কোন্ কথা কয় কানে কানে!
..................................................................................................
বনের চাতক–মনের চাতক
বনের চাতক বাঁধল বাসা মেঘের কিনারায়-
মনের চাতক হারিয়ে গেল দূরের দুরাশায়!
ফুঁপিয়ে ওঠে কাতর আকাশ সেই হতাশার ক্ষোভে-
সে কোন্ বোঁটের ফুলের ঠোঁটের মিঠা মদের লোভে
বনের চাতক-মনের চাতক কাঁদছে অবেলায়!
পুবের হাওয়ায় হাপর জ্বলে, আগুনদানা ফাটে!
কোন্ ডাকিনীর বুকের চিতায় পচিম আকাশ টাটে!
বাদল-বৌয়ের চুমার মৌয়ের সোয়াদ চেয়ে চেয়ে
বনের চাতক-মনের চাতক চলছে আকাশ বেয়ে,
ঘাটের ভরা কলসি ও-কার কাঁদছে মাঠে মাঠে!
ওরে চাতক, বনের চাতক, আয় রে নেমে ধীরে
নিঝুম ছায়া-বৌরা যেথা ঘুমায় দীঘি ঘিরে,
“দে জল!” ব’লে ফোঁপাস কেন? মাটির কোলে জল
খবর-খোঁজা সোজা চোখের সোহাগে ছল্ছল্ !
মজিস নে রে আকাশ-মরুর মরীচিকার তীরে!
মনের চাতক, হতাশ উদাস পাখায় দিয়ে পাড়ি
কোথায় গেলি ঘরের কোণের কানাকানি ছাড়ি?
ননীর কলস আছে রে তার কাঁচা বুকের কাছে,
আতার ক্ষীরের মতো সোহাগ সেথায় ঘিরে আছে!
আয় রে ফিরে দানোয়-পাওয়া, আয় রে তাড়াতাড়ি।
বনের চাতক, মনের চাতক আসে না আর ফিরে,
কপোত-ব্যথা বাজায় মেঘের শকুনপাখা ঘিরে!
সে কোন্ ছুঁড়ির চুড়ি আকাশ-শুঁড়িখানায় বাজে!
চিনিমাখা ছায়ায় ঢাকা চুনীর ঠোঁটের মাঝে
লুকিয়ে আছে সে-কোন্ মধু মৌমাছিদের ভিড়ে!
..................................................................................................
নীলিমা
রৌদ্র ঝিল্মিল,
উষার আকাশ, মধ্য নিশীথের নীল,
অপার ঐশ্বর্যবেশে দেখা তুমি দাও বারে বারে
নিঃসহায় নগরীর কারাগার-প্রাচীরের পারে!
-উদ্বেলিছে হেথা গাঢ় ধূম্রের কুণ্ডলী,
উগ্র চুল্লিবহ্নি হেথা অনিবার উঠিতেছে জ্বলি,
আরক্ত কঙ্করগুলো মরুভূর তপ্তশ্বাস মাখা,
মরীচিকা-ঢাকা!
অগণন যাত্রিকের প্রাণ
খুঁজে মরে অনিবার, পায় নাকো পথের সন্ধান;
চরণে জড়ায়ে গেছে শাসনের কঠিন শৃঙ্খল-
হে নীলিমা নিষ্পলক, লক্ষ বিধিবিধানের এই কারাতল
তোমার ও মায়াদণ্ডে ভেঙেছ মায়াবী।
জনতার কোলাহলে একা ব’সে ভাবি
কোন্ দূর জাদুপুর-রহস্যের ইন্দ্রজাল মাখি
বাস্তবের রক্ততটে আসিলে একাকী!
স্ফটিক আলোকে তব বিথারিয়া নীলাম্বরখানা
মৌন স্বপ্ন-ময়ূরের ডানা!
চোখে মোর মুছে যায় ব্যাধবিদ্ধ ধরণীর রুধির-লিপিকা
জ্বলে ওঠে অন্তহারা আকাশের গৌরী দীপশিখা!
বসুধার অশ্রু-পাংশু আতপ্ত সৈকত,
ছিন্নবাস, নগ্নশির ভিক্ষুদল, নিষ্করুণ এই রাজপথ,
লক্ষ কোটি মুমূর্ষুর এই কারাগার,
এই ধূলি-ধূম্রগর্ভ বিস্তৃত আঁধার
ডুবে যায় নীলিমায়-স্বপ্নায়ত মুগ্ধ আঁখিপাতে,
-শঙ্খশুভ্র মেঘপুঞ্জে , শুক্লাকাশে, নক্ষত্রের রাতে;
ভেঙে যায় কীটপ্রায় ধরণীর বিশীর্ণ নির্মোক,
তোমার চকিত স্পর্শে, হে অতন্দ্র দূর কল্পলোক!
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ তোমাকে। যখনই সুযোগ পাইবা তখন এই পোস্টে জীবনানন্দের কবিতা পোস্ট করবা।
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
প্রিয়তে .............
লেখক বলেছেন: তোমাকে ধন্যবাদ আপু ।
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
অসাধারন! ধন্যবাদ শামীম ভাই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মোস্তাফিজ ভাই।
হমপগ্র বলেছেন:
জেডা তুমি কেমুন আছো? অনেকদিন খবর নেই না।ভালো পোস্ট। তোমার পোষ্ট কখনও খারাপ হয় না। ভালো লাগলো জেডা!
লেখক বলেছেন: হা হা হা ![]()
ভালো আছি। তোমার খবর কি? কেমন চলছে?
ধন্যবাদ তোমাকে। ![]()
লেখক বলেছেন: আসবে আসবে। ![]()
নিহন বলেছেন:
+++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
রোজনামচা বলেছেন:
ভোরের বাতাসে কাঠালপাতা ঝরা দেখবে বলে যে বাংলায় থেকে যেতে চায় সে কবিকে তো রেখে যেতে হয় বোধের দেশেই!প্রিয়তে ...
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ![]()
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:
প্রিয় পোস্ট+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২ বলেছেন:
প্রিয় পোস্ট+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে
লেখক বলেছেন: হুমমম অনলাইনেও জীবুদা ![]()
বনলতা সেন কাব্যগ্রন্থটা আছে আরেকটা পোস্টে। ওইটা দেখতে পারেন।
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন:
স্টার।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুয়ীয ভাই।
শত রুপা বলেছেন:
আগে একবার আপনার ব্লগ ঘুরে গিয়েছিলাম ।খুব ভাল লেগেছে আপনার এই প্রয়াস।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
আহসান জামান বলেছেন:
বেশ তো, আগে দেখেনি, খুব কাজে লাগবে। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: হুমমম...স্মৃতি তুমি বদনা ![]()
লেখক বলেছেন: হ ![]()
লেখক বলেছেন: হিক....এইটা আর্কাইভ অ্যান্ড আড্ডা পোস্ট ![]()
আইসিস বলেছেন:
++++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ![]()
লেখক বলেছেন: আপনিও ভালো থাকুন।
ধন্যবাদ।
ভোরের তারা বলেছেন:
ধন্যবাদ। উনি অন্তরের কবি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। ![]()
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
ভোরের তারা বলেছেন: ধন্যবাদ। উনি অন্তরের কবি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ![]()
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
আজকে জীবনানন্দের মৃত্যু দিবস। স্মরণ করলাম আরেকবার।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ রাকিব ভাই ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। ![]()
আরিফ-বুলবুল বলেছেন:
এই জল ভালো
লাগে;— বৃষ্টির রূপালি জল কতদিন এসে/
ধুয়েছে আমার দেহ— বুলায়ে
দিয়েছে চুল— চোখের উপরে/
তার শান্ত স্নিগ্ধ হাত রেখে কত
খেলিয়াছে, — আবেগেরে ভরে/
ঠোটে এসে চুমো দিয়ে চলে গেছে কুমারীর
মতো ভালোবেসে;/
এই জল ভালোলাগে. . . .
সুন্দর একটা পোস্ট!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
হনলুলু বলেছেন:
আহারে , কিসব দিন আছিলো ... স্মৃতি তুমি বদনা ....
তাইম্যা, তানজু, মানুভাই , খেকু , নাঈম ...... আর মনেহয় আড্ডা দেওয়া হইবোনা এইভাবে ..
লেখক বলেছেন: পুরান কথা মনে করায়া দিলা লুলু ![]()
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





















