আমার প্রিয় পোস্ট

বাস্তবতা ফেরী করে বেড়াচ্ছে আমার সহজ শর্তের সময়গুলোকে

গল্প : অপেক্ষা

১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:০৭

শেয়ারঃ
0 1 0

প্রতিরাতে জানালা বন্ধ করে ঘুমানোর দায়িত্ব বোনটির। সে দায়িত্বে ফাকি দেয় না। মায়ের সাথে সংসারের অনেক কাজই করতে হয় কলেজ পড়ুয়া মেয়েটিকে। রান্নার কাজে সহায়তা, কাপড় চোপড় ধোয়া, থালা বাসন মেজে দেওয়াসহ বেশ কিছু নিত্ত নৈমিত্তিক কাজ। মধ্যবিত্ত পরিবারের সাধ্য নেই বাসায় আলাদা করে বুয়া রাখার। তাছাড়া বড় ভাইটার ঘর থাকে অগোছালো। দুনিয়ার অলস ছেলেটা। অগোছালো ঘরটা বোনটাকেই গুছিয়ে রাখতে হয়। এ নিয়ে ভাইবোনের তর্কের শেষ নেই। ইউনিভার্সিটিতে পড়ুয়া ভাইটি এখন সারাদিনই বাসায় কাটিয়ে দেয়। সন্ধ্যা পেরুলেই গায়ে শার্টটা জড়িয়ে বের হয়ে যায়। কাছেই শাহেদ ভাইয়ের বাসা। সেখানে গিয়ে দুজনে মিলে গল্প করে। ট্রান্সজিস্টরটা দিয়ে খবর শুনে। দুই বন্ধুর আড্ডায় অনেক বিষয়ই উঠে আসে; রাজনীতি, অর্থনীতি , মিছিল মিটিং কতো বিষয়।

জানালায় শব্দ হচ্ছে। ঠক ঠক.....। বোনটা ভাবছে আজ একটু শিক্ষা দেয়া দরকার। রোজ রোজ দেরি করে আসে। কি এতো আড্ডা দিতে হবে! বাড়িঘরের কোন খোঁজখবর নাই। খালি আলাপ আর খবর শোনা। রাগ করে ভাবছে মেয়েটা।

আবারও জানালায় শব্দ। অ্যাই , তাড়াতাড়ি খোল...বাইরে কতোক্ষণ দাড় করিয়ে রাখবি?
উঠে গিয়ে জানালা খুললো প্রথম। রাগ দেখিয়ে বললো- রোজ রোজ বাসায় দেরি করলে ফিরলে বাসায় কাউকে এনে নেও ভাইয়া। সে তোমার জন্য অপেক্ষা করবে। তুমি আসলে দরজা খুলে দিবে।
এতো কথা বলিস নাতো। আমি কি এমনিতেই বাইরে থাকি নাকি? দেশের অবস্থা তেমন ভালো না। কোন দিন কি হয়ে যায় ঠিক আছে? আগে থে্কেই প্রস্তুতি নিয়ে রাখা ভালো।
থামো থামো....এ মাঝরাতে তোমার লেকচার শুনতে চাই না।
আরে আস্তে কথা বল। বাবা, মা সজাগ হয়ে যাবে। তা খাবার দাবার কিছু আছে? খুব ক্ষুধা লাগছে।
হাত ধুয়ে আসো। খাবার দিচ্ছি। মৃদু রাগ দেখিয়ে রান্না ঘরের দিকে চলে যায় বোনটি।

ভাইকে খাবার দিয়ে বসে আছে সে। এক লোকমা খাবার মুখে দিয়ে ভাইটি বললো- তুই খেয়েছিস?
আমি না খেলে কার কি? কন্ঠে অভিমান পরিস্কার।
আপুরে রাগ করিস না। খেয়াল ছিল না। তাড়াতাড়ি তোর প্লেটে ভাত বাড়। দে আমিই বেড়ে দেই। বলেই বোনটির প্লেটে ভাত বেড়ে দিল সে।
বুঝলি দেশের অবস্থা খুব একটা ভালো না। যেকোন মুহুর্তে বড় ধরনের কিছু হয়ে যেতে পারে। এইটুকু বলে পানি খেয়ে নিল। বোনটি তখন খাবার বন্ধ করে তাকিয়ে আছে।আবার বলা শুরু হলো- ঢাকায় এখন খুব মিছিল মিটিং চলতাছো। অবশ্য আমাদের এই মফস্বল শহরে তার আঁচ খুব একটা পড়েনি। শাহেদের সাথে এইসব বিষয় নিয়েই আলোচনা হয়।

এভাবেই দিন চলছিল। এর মাঝে বোনটি একদিন লুকিয়ে শাহেদদের বাসার ঘরটির পাশে দাড়িয়েছিল। কান পেতে শুনে দুইজনে খবর শুনছে। খবরটা শেষ হতেই ভাইটা বলে উঠলো- বুঝলিরে শাহেদ, বড় ধরনের একটা যুদ্ধ হতে যাচ্ছে শিগগিরই। সেক্ষেত্রে আমাদের দুইজনকে এই এলাকার মানুষজনকে সংঘবদ্ধ করতে হবে। এইটুকু শুনেই চলে আসলো বোনটি। যুদ্ধের গল্প শুনতে ভালো না তার। প্রতিদিন সে একই রুটিন মেনে চলে। খুব রাতে জানালায় শব্দ। তারপর উঠে ভাইকে নিয়ে একসাথে খাওয়া।

একদিন সকালে ঘুম থেকেই উঠে দেখে ভাই ঘরে নেই। কিছুক্ষণ পর হন্তদন্ত হয়ে বাসায় ফিরলো ছেলেটা। ঘটনার বিস্তারিত বললো- ঢাকায় নিরীহ মানুষজনের উপর হামলা চালিয়েছে বর্বর হানাদার বাহিনী।ইউনিভার্সিটির হলগুলোতে হামলা করা হয়েছে। জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে বহু বাড়িঘর। গুলি করে নির্বিচারে মানুষ মেরেছে পাকিস্তানী বাহিনী। রক্ত আর লাশে সয়লাব ঢাকা।

ভাই তখন আরো ব্যস্ত হয়ে পড়ছে। রাতে জা্নালায় শব্দ অনেক দেরি করে হয়। একদিন শোনা গেল ভাইটি যুদ্ধ করতে যাবে। এজন্য ট্রেনিং নিতে যেতে হবে। শুনে মা বাধা দিলো।
তুই চলে গেলে কিভাবে হবে? দেশে যুদ্ধ, ঘরে তোর বোনটা আছে। আমরা আছি।
দেখো মা এমন আরো হাজারো পরিবার, হাজারো বোনকে বাঁচানোর জন্যই যুদ্ধে যাওয়া প্রয়োজন।
কথা আর বাড়ে না। একরাতে উঠে ঠিকই ট্রেনিং নিতে চলে যায় ভাইটি। তারপর রাতে জানালায় শব্দের রুটিনটা থেমে যায়। বোনটার প্রতি রাতেই কান পেতে থাকে কখন জানালায় শব্দ হবে। শুনতে পায় পাশের বাড়ির শাহেদ ভাইও নাকি ট্রেনিংয়ে গেছে।

আগস্টের শেষ দিকে এক রাতে জানালায় শব্দ হয়। তখন প্রায় শেষ রাত। সেই আগের মতোই শব্দ। শব্দ হতেই জেগে উঠে বোনটি। কান পেতে রাখে। কিছুক্ষণ পর আবার শব্দ।
তাড়াতাড়ি একটু দরজাটা খুলতো। জানালা খুলেই দেখে ভাইটা দাড়িয়ে। সঙ্গে শাহেদ ভাই। কেমন জানি চেনাই যাচ্ছে না তাদের। চুল অনেক লম্বা লম্বা, দাড়িগোফ বেশ বড় হয়ে গেছে। দরজা খুলে ভিতরে নিয়ে আসলো।
ভাইয়া তুমি.....এতোদিন কোথায় ছিলে? কেমন ছিলে? দাড়াও বাবা মাকে ডাকি। বলেই বোনটি ভিতরের রুমে চলে গেলে। তারা দুজন তখন হাতমুখ ধুয়ে নিতে গেল। মা এসে ছেলেটিকে জড়িয়ে ধরলো।
তুই অনেক শুকিয়ে গেছিস। তা কি খবর তোদের?
বাবা তখন বলে.. ঢাকার দিকে যুদ্ধ কেমন চলছে রে। শুনতাছি আমাদের এই এলাকায়ও নাকি যেকোন সময় হানাদার বাহিনীরা আসবে। এরইমধ্যে শান্তি কমিটি হয়ে গেছে। খুব চিন্তায় আছি।
বাবা ঢাকার দিকে অনেক যুদ্ধ হচ্ছে। মুক্তিবাহিনী এখন অনেক শক্তিশালী। আমরা জয়ী হবই। তবে তা সময়ের ব্যাপার। একটু সাবধানে থেকো। আমাদের আবার আজ রাতেই চলে যেতে হবে। তোমাদের এক নজর দেখতে আসলাম। কাছেই আমাদের বাহিনী আসছে অপারেশন চালাতে। কিরে ঘরে খাবার দাবার কিছু আছে? বলেই বোনের দিকে তাকালো।
ভাত তেমন নাই। অল্প আছে। মুড়ি আছে। ভাত মুড়ি মিশিয়ে খাও।
খাওয়া শেষে চলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয় দুজনেই। বোনটিকে ধরে ছেলেটি বললো- চিন্তা করিস না। এইবার দেশটাকে স্বাধীন করেই তবে বাড়ি ফিরবো। দোয়া করিস আমাদের জন্য। চলে যাওয়ার সময় শাহেদ বেশ কিছুক্ষণ তাকিয়ে ছিলো বোনটির দিকে।

অক্টোবর মাসের এক রাতেই ঘটনাটা ঘটে যায়। রাজাকারদের সহয়তায় মফস্বল এলাকাটিতে আক্রমণ করে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী। বাড়িঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। চোখের সামনে মেয়েটির বাবা মাকে গুলি করে মেরে ফেলে। তাকে গাড়িয়ে উঠিয়ে নিয়ে যায় সেনাদের ক্যাম্পে। গাড়িতে সঙ্গে আরো অনেক মেয়েই ছিল।

ক্যাম্পে চলে অমানবিক অত্যাচার। দিনের পর দিন। রাতের পর রাত। পরনের কাপড় নিয়ে নেয়া হয়। কয়েকজন পরনের কাপড় জড়িয়ে আত্বহত্যা করে। তারপর থেকে এই অবস্থা। ক্যাম্পের অমানবিক অত্যাচারে কারনে শরীরের অনেক স্থানে ঘা হয়ে গেছে। তারপরও বেচে থাকতে হচ্ছে। চোখে বড় ভাইয়ের দেখানো স্বপ্ন। স্বাধীন দেশে আবার দেখা হবে।

১৬ ডিসেম্বরে মুক্তিবাহিনীর সহায়তায় ক্যাম্পের নির্যাতন থেকে ছাড়া পায় তারা। বোনটি কোনমতন হেটে হেটে চলে সেই চিরচেনা বাড়িটিতে। বাড়িটি একদম খালি। বাবা মার রক্তের দাগ জমাট বেধে শুকিয়ে গেছে। সেই রক্ত পেরিয়ে ঘরের ভিতরে ঢুকে পরে মেয়েটি। শরীরে নানা স্থানে জখম। নিজের জীবনকে ঘৃণ্য জীবন মনে হতে থাকে তার। তবুও অপেক্ষা কতে হবে। কারণ ভাইটি বলে গিয়েছিল স্বাধীন দেশে দেখা হবে। দেশ স্বাধীন হয়ে গেছে। এবার তাই ভাইয়ের আসার জন্য অপেক্ষা করছে সে।

প্রতি রাতের শেষ অংশে ঘুম ভেঙ্গে যায়। মনে হয় জানালায় কেউ শব্দ করছে। তারপর আর ঘুমানো হয় না। নিজের শরীরের ঠিকমতো যত্ন নেয়া হচ্ছে না। শরীরের কিছু স্থানে পচন ধরে গেছে। কি হবে এতো যত্ন নিয়ে। ভাইয়ার সাথে যদি একবার দেখা হতো! ভাবে মেয়েটি। কোন রাতে মনে পড়ে শাহেদ ভাইয়ার কথা। শাহেদ ভাইয়া একদিন বলেছিল- শোন তোকে কিছু কথা বলতে চাই। তুই কি কিছু মনে করবি?
ভাইয়ার দেখাদেখি তুই সম্বোধন করতো শাহেদ ভাইয়া।
না ভাইয়া বলেন। অভয় দেয় সে।
না থাক সুন্দর কথাগুলো না হয় স্বাধীন দেশেই বলবো।
শেষ রাতগুলোতে মেয়েটি ভাবে কি বলতো শাহেদ ভাইয়া? তবে কি সেই কথাটা যা শাহেদ ভাইয়ার মুখ থেকে শোনার জন্য অনেক অপেক্ষা করে ছিল সে? ভেবে শেষ করতে পারে না। আরেকটা রাত আসলেই জানালায় শব্দের জন্য অপেক্ষা করে। ঘুম ভেঙ্গে যায় শেষ রাতে।

অনেকদিন পর কোন এক শীতের রাতে বাইরে বেশ বাতাস বইছে। হঠাৎ করেই ঘুম ভেঙ্গে গেল। মনে হচ্ছে জানালায় শব্দ। সেই আগের মতোই .... ঠক ঠক....।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:১১
নাঈম বলেছেন: প্লাসাইলাম....

এইবার পড়ি
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ,
পড়েন। :)

১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৩০

লেখক বলেছেন: পড়েন :)

১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৩২

লেখক বলেছেন: :):) ধইন্যাপাতা

৪. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:১৪
সুখী মানুষ বলেছেন: "না থাক সুন্দর কথাগুলো না হয় স্বাধীন দেশেই বলবো। "
--আর স্বাধীন দেশে আজ আমরা সুন্দর কথা শুনি "দেশে কোন মুক্তিযুদ্ধ হয়নি"। শালার পুতদের মুখে মুতি।

১৩ পাঁজড়ের মানুষ.....কবিতাটা লিখতেছি..একটু পরে পোষ্ট দিবো ইনশাল্লাহ। পইড়েন।


লেখা কেমন হইছে কওন লাগবো আর??
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য। :)

৫. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:১৫
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: দুর্দান্ত বস!
স্যালুট শাহেদকে!
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তোমাকে পড়ার জন্য। :)

৬. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:১৮
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: গল্পটা পড়ে অশ্রুআটকিয়ে রাখা দায়!
প্রিয়তে রাখলাম!
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৪৩

লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা রইলো।

৭. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:১৮
নাঈম বলেছেন: অসাধারণ হয়েছে শামীম, অনেকদিন পর এত সু্ন্দর একটা গল্প পড়লাম। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

আসলে ধন্যবাদ জানানোর ভাষা খুঁজে পাচ্ছিনা। আর ধন্যবাদ দিয়ে এই অসাধারণ গল্পটিকে ছোট করাটা ঠিক হবেনা।

অভিনন্দন আপনাকে আবারো।
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নাইম ভাই।

৮. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:১৯
ব্যাকটেরিয়া বলেছেন: চাচ্চু সরি আপনাকে তো পাচ্চু ডাকলে আপনি রাগ করেন। গল্পটা ভাল লেগেছে।
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৫৪

লেখক বলেছেন: চাচ্চু গল্পটা পড়া এবং ভালো লাগা জানানোর জন্য ধন্যবাদ। :)

১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:০৪

লেখক বলেছেন: লেখক হিসাবে এইটুকুই জানি....
জীবনের অনেক গল্পই এরকম থেকে যায়।
তবে গল্পের লেখক হিসাবে আমি শেষ করেছি।

১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তোমাকে।

১১. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২৪
চিকনমিয়া বলেছেন: পুলাডা এডি কিতা লেকচে
পুরা সেইরম
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:১০

লেখক বলেছেন: জেডারে সেইরম ধইন্যাপাতা। :)

১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:১৩

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে :)

১৩. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৩২
সূর্য পুত্র ও চাঁদ কন্যা বলেছেন: বাব্বাহ তুমি এত ভালো লিখো? এতদিন দেখিনি।

চাঁদকন্যা
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:১৪

লেখক বলেছেন: এখন দেখলা!! :) অনেক ধন্যবাদ।

১৪. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৩৯
বিডি আইডল বলেছেন: অসাধারণ লাগলো...আফজালের একটা অনেক পুরোন নাটক ছিল কাছাকাছি কাহীনি নিয়ে...ভাইটি ফিরে আসে..বোনকে পায় না
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১৫. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৪১
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: আমি একটু ভাব লই শামীম ভাই-

এটি একটি দ্রুতলয়ের গল্প, গল্পটিকে আরো দীর্ঘ করা গেলে ভালো হতো, তবে সেক্ষেত্রে পাঠকসংখ্যা কমে যাওয়ার আশংকা থাকতো (এটি ব্লগের একটি বিরাট সীমাবদ্ধতা); এ আশংকাটির কারণে গল্পটির সাহিত্যমানের সাথে লেখককে কিছুটা আপোস করতে হয়েছে বলে মনে হয়, যেকারণে গল্পে কিছু কিছু জায়গা অনেকটা ধারাবিবরণীর মতো লেগেছে।

তবে সবচেয়ে বড় ব্যাপারটি হচ্ছে গল্পটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত; ব্লগে এটি বেশ বিরল।

ধন্যবাদ।
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:২২

লেখক বলেছেন: হুমম দ্রুতলয়ের করতে হইছে ব্লগের কথা চিন্তা করে। আপনি ঠিকই বলেছেন শাহেদ ভাই- লেখককে কিছুটা আপোস করতে হয়।

ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যটির জন্য।

১৬. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৫৮
ফারহান দাউদ বলেছেন: ২ পর্বে লেখা যাইত অবশ্য,যাই হোক,+।
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:২৩

লেখক বলেছেন: তাইলেই হইছে! ১ম পর্ব লিখে আর দ্বিতীয় পর্ব লেখার নাম থাকতো না। :)

১৭. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:০১
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন:
শামীম ভাই , অসাধারণ +++
ব্লগে গতিময় গল্পগুলো আমার ভালো লাগে বেশি , যে কারণে সিরিজগুলো অনেক সময়ই এড়িয়ে চলি ।

তেমন একটা গল্প পড়ে ভালো লাগলো
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:২৮

লেখক বলেছেন: একটু গতিময় করতে হলো গল্পটাকে।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ মেহরাব ভাই।

১৮. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:০৮
নাঈম বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম।


আবারো অসংখ্য ধন্যবাদ, শামীম ভাই।

ভালো থাকবেন।
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৩৩

লেখক বলেছেন: নাইম ভাই অনেক কৃতজ্ঞতা রইলো।

১৯. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:০৯
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: চমৎকার হইছে শামীম । দারুন !!! +++++
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ গুরু। :)

২০. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:১০
রাতমজুর বলেছেন: পুরা শেষ না করার লাইগ্যা পাওনা মাইনাসটা কাইল পিঠের উপরে দিমুনে ;)
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৪৫

লেখক বলেছেন: গল্প কিন্তু পুরোটাই শেষ। :)

২১. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:১৫
k-79er34b বলেছেন: ভালো । এন্টেনায় ক্যাচড হইছে ।
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৫০

লেখক বলেছেন: এন্টোনায় ক্যাচড হইছে শুনে ভালো লাগছে।

১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৫৪

লেখক বলেছেন: হুমমমম

১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২৪. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:১৪
মানুষ বলেছেন: অনেক কথা বলতে চাচ্ছি কিন্তু বলতে পারছি না। প্রিয়তে রাখলাম।
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ গুরু।

২৫. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:২৮
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: কি বলবো শামীম.............।
অসাধারণ।
ভালো থেকো।অনেক ভালো।
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৫২

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ সাজি আপু।

২৬. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৩৮
প্রীটি সোনিয়া বলেছেন: এই লেখাটা পড়ে লগ ইন না করে পারলাম না....অসম্ভব ভাল লেখা....লেখার মাঝে নিজের অস্তিত্য অনুভব করলাম...:|

১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:১০

লেখক বলেছেন: অনেকদিন ধরেই ভাবছি একটা গল্প লিখবো। অবশেষে লিখতে পেরেছি। ধন্যবাদ তোমাকে আপু গল্পটা পড়ে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।

২৭. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৫৪
কঁাকন বলেছেন: অসাধারন ভালো লাগলো
প্রিয় পোস্ট
ভালো থাকুন
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা।

২৮. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৫৮
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: বিশাল পরিসরের একটি মহৎ লেখা ছোট করে লিখেছ।
সবার ভাল লাগবে লেখাটি।

অনুরোধ থাকবে একে পুর্নগল্পে রুপ দেবার। ব্লগের জন্য ছোট ভার্সন করেছ বলে এমন একটা মহৎ গল্প এখানেই থামতে পারে না। বড় অথচ মেদহীন করে আরেকবার লিখে নিও।

শাহেদের যুদ্ধে যাওয়া, মফস্বলে হানাদার আসা, ক্যাম্পের অত্যাচার, কাপড় নেয়া....সবই বিস্তারিত বলার দাবী রাখে।

অসাধারন একটি প্লট।
তোমাকে অনেক ধন্যবাদ।
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:২৫

লেখক বলেছেন: ব্লগের জন্য লেখাটা ছোট পরিসরেই লিখেছি।
আপনার কথাটা মাথায় থাকলো। সময় করে একে পুর্নগল্পে রুপ দেয়ার ইচ্ছা আছে। তখন বিস্তারিত বলা সম্ভব হবে।

অনে ধন্যবাদ রন্টি ভাই।

২৯. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:২৩
অদ্ভুত আঁধার এক বলেছেন: আপনার লেখা পড়ে প্লাস দিতে যাব তখন দেখি আমি নাকি আগেই একাজটি করেছি। আজিব।

হা লেখা নিয়ে বলি।
না থাক বলার মত কিছু পাচ্ছিনা।
লেখা ভাল লাগছে খুব ভাল এটুকুতেই থামি।
আরেক বার পড়ে আসি।
কাল আসবেন?
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ লেখাটি পড়ার জন্য।

৩০. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:২৫
অদ্ভুত আঁধার এক বলেছেন: ছবি আপলোড হচ্ছেনা কি করি বলেন?
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:৩৪

লেখক বলেছেন: জবাব আপনার পোস্টে দিয়ে আসছি।

৩১. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:২৭
চাঙ্কু বলেছেন: আমার কথা শান্ত ভাই কইয়া দিছে ।

আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: দুর্দান্ত বস!
স্যালুট শাহেদকে!
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তোমাকে।

৩২. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:৫০
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: শামীম পারলে আমাকে মিসকল দেন । আপনার নাম্বারটা সেভ করে রাখি
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:৫৪

লেখক বলেছেন: দিছি। :)

১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

৩৪. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৪৪
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: কালরাতে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। শরীরজুড়ে ক্লান্তি ছিল, সাথে মনও ক্লান্ত ছিল হয়ত। আজ সকালে একটা একটা মন ভালো করা ব্যাপার ঘটছে। তার মধ্যে সবচে' উজ্জ্বল মনে হচ্ছে তোমারটাই। তোমার গল্পটা আসলে অনেকগুলো জীবনের জন্য সত্য ঘটনা। একটা জিনিশ ভাল লেগেছে যে বোনের অত্যাচারের কষ্টটা এনেছ, বেশি বিবৃত করলে সেটা প্রামাণ্য হতো, কিছু কথা অনুক্ত থাকলেই বেশি প্রকাশিত হয়!

শেষে এসে যা কাজটা করেছ সেটাও দারুন, অসমাপ্ত টোনটা একটু এদিক-সেদিক হলেই হুমায়ূনীয় হয়ে পড়ে তখন আর ভাল লাগে না। সেদিকে তুমি নিজের মত সুরটা ঠিক রেখেছ বলে আবারও ধন্যবাদ।

অনেক কথা বললাম। ভাল লাগাটুকু জানাইলাম। আর একটা বড় ভার্সন বানাতে পারো। এটা বেশ কার্যকরী! ভাল থেকো শামীম!
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:০৩

লেখক বলেছেন: তোমার মন্তব্যটা দারুন ভালো লাগছে।
এখানে যা লেখা হয়েছে তা মনে হয় গল্পটার একটা থিম। একে বড় করার ইচ্ছা আছে।
পড়ার জন্য এবং অনুপ্রেরণা দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।

১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তোমাকে।

৩৭. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৫৮
সাইফুর বলেছেন: তুমি একটা জিনিয়াস...
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:১৮

লেখক বলেছেন: সাইফুর ভাই ধন্যবাদ আপনাকে।

১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:২২

লেখক বলেছেন: ঠক ঠক.....

ধন্যবাদ পড়ার জন্য মুকুল ভাই।

৩৯. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:১৯
আবু সালেহ বলেছেন: আমার আগের কমেন্ট টা গেলো কই?????

যাই হোক ....দারুন লাগলো...

+++
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:২৭

লেখক বলেছেন: আগের কমেন্টটা মনে হয় টাইগারে খেয়ে ফেলছে :(

ধন্যবাদ পড়ে ভালো লাগা জানানোর জন্য।

৪০. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:২৩
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
অনেক আবেগ ছিল লেখাতে ।
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৫

লেখক বলেছেন: হুমম আবেগ নিয়েই লেখার চেষ্টা করেছি।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ আইরিন আপু।

৪১. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:২৯
মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: আমি একটা মাগনা সাইট বানিয়েছি বইমেলা নামে ওখানে গল্প দেবেন?

১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৮

লেখক বলেছেন: গল্প দিব। আপনার সাইটটার লিংক দেন।

৪২. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৪১
মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: http://boimela.multiply.com/


কোনটা কোনটা দেবেন বলবেন আমি PDF বানিয়ে তোলব।
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: ওয়েবসাইটা দেখলাম। দারুন হইছে।
আপনাকে বলবো। :)

৪৩. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৬
মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: ধন্যবাদ। ওখানে শুধু বই রাখব।
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:০০

লেখক বলেছেন: ভালো আইডিয়া।

৪৪. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:০৯
েজবীন বলেছেন: অনেক চেনা গল্পগুলো মিলিয়ে এটাও অনন্য একটা গল্প.........দারুন!!

আরো বাড়ালে ভালোই হতো বেশি...
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:২৬

লেখক বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধের গল্পগুলো আমাদের কাছে চেনাই মনে হয়। ধন্যবাদ জেবীন আপু পড়ার জন্য।
বাড়ানোর ইচ্ছা আছে।

৪৫. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৫০
ব্যাকটেরিয়া বলেছেন: ্‌এটা তো অনেক বড় লেখা্। এইটা ছোট গল্প কিভাবে হয়?
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৫৪

লেখক বলেছেন: কই আর বড় লেখা হলো!!

৪৬. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২২
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: হুমম . . .



''অনেকদিন পর কোন এক শীতের রাতে বাইরে বেশ বাতাস বইছে। হঠাৎ করেই ঘুম ভেঙ্গে গেল। মনে হচ্ছে জানালায় শব্দ। সেই আগের মতোই .... ঠক ঠক....।'' তারপর কি?


`অন্তরে অতৃপ্তি রবে/সাঙ্গ করি মনে হবে/শেষ হয়েও হইলো না শেষ/'


এইতো ছোটগল্প!
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:০৯

লেখক বলেছেন: হুমম। ঠিক বলেছো।

১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:১৫

লেখক বলেছেন: হুমম মিস করছেন। :(

১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ :)

৪৯. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৩
শান্তির দেবদূত বলেছেন: অসাধারন !!!!!!
এমন সব গল্প আমাদের প্রতিনিয়ত লিখতে, পড়তে ও শুনতে হবে ..... যাতে আমাদের ভিতরের ক্ষোভটা মরে না যায় .....

অনেক ভালো হয়েছে , অনেক।
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ গল্পটা পড়ে সুন্দর কমেন্টটা করার জন্য। :)

৫০. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪৩
চাঙ্কু বলেছেন: ছামীম ভাই @ তুমি নাকি হলিউডে হিরুর অভিনয় করবা , কথা হাচানি ??
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৩৮

লেখক বলেছেন: কি কয় পোলাপাইনে!

৫১. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২৯
রুবেল শাহ বলেছেন: তোর জন্মদিনে আমার শুভেচ্ছা রইল...........

১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৫২

লেখক বলেছেন: আগাম শুভেচ্ছার জন্য ধন্যবাদ তোকে।

৫২. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৪৪
নাঈম বলেছেন: আড্ডা হৈসিলো নাকি, আপচুস, থাক্তে পার্লাম না, আমারেও কেউ দাওয়াত ও দিল না, আপচুস
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:১৩

লেখক বলেছেন: আফচুস :(

৫৩. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:২৩
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: আমি বোধহয় দেরী করে ফেললাম। :( দারুণ লিখেছেন। সেলিনা হোসেনের একটা লেখা পড়েছিলাম এরকম......... তবে ভিন্ন আঙ্গিক। শেষের দিকে আরো ভালো লেগেছে।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:১৮

লেখক বলেছেন: দেরি না। :)
ধন্যবাদ পড়ে মন্তব্য করার জন্য। :)

১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মোস্তাফিজ রিপন ভাই।

৫৫. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪৫
ফারহান দাউদ বলেছেন: জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফারহান ভাই। :)

১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রন্টি ভাই।

১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৩০

লেখক বলেছেন: চমৎকার হৈছে এইটা। অনেক ধন্যবাদ সাইফুর ভাই। :)

৫৮. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:২৬
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: শুভ জন্মদিন শামীম।
তোমার জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা।

১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৩২

লেখক বলেছেন: সাজি আপু অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৫৯. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:৩৪
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: দোস্ত দুর্দান্ত লিখছো।
এটাকে আরো এক পর্ব করলে আমার মনে হয় ভালো হতো। বেশী বড় হলে আবার অনেকে পড়তে চাই না এটাও একটা সমস্যা।
যাইহোক, অল্প কথায় সব কথা বলে দিতে পারলে বেশি বলার দরকার কি??
ভালো লাগল।
আছো কেমন??
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:৪৪

লেখক বলেছেন: গল্পটাকে আরো বড় করে লেখার ইচ্ছা আছে। ধন্যবাদ পড়ে মন্তব্য করার জন্য।

ভালো আছি। তুমি কেমন আছো?

৬০. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:৩৫
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: শুভজন্মদিন। আশা করছি দিনটি অনেক ভালো কাটবে।
ভালো থেকো সবসময়।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:৪৪

লেখক বলেছেন: সুন্দর উইশের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩১

লেখক বলেছেন: আগে দেশে আসো, তারপর কেক কুক সঙ্গে আরো অনেক কিছু খেতে পারবে।

১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ :):):)

৬৪. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৯
রাতিফ বলেছেন: দারুন লেখা শামীম ভাই........মনটা ছুঁয়ে গেলো।



শুভেচ্ছা
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৪৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ রাতিফ ভাই।

৬৫. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:৩৪
নিশীথ রাতের বাদলধারা বলেছেন:
এই জিনিস আমি পড়ি নি????:(

সিম্পলি অসাধারণ!
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৪৭

লেখক বলেছেন: এখন পড়েছো। এজন্য তোমাকে অনেক ধন্যবাদ। :)

১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:২৬

লেখক বলেছেন: গল্পতো শেষ ভাইজান :(

৬৭. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৪১
ব্যাকটেরিয়া বলেছেন: চাচ্চু তখন আপনার বয়স কত ছিল? সেটা কি আমাকে বলা যাবে?
১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২৭

লেখক বলেছেন: চাচ্চু আগে তোমার বয়সটা বলো।

৬৮. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:০১
একজন ব্লগার বলেছেন: গল্পটা সত্যিই দারুন।++ :)

আজকে নাকি সারিয়াপুর বাসায় রাখি বন্ধনের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলে? রোজা রেখেও ভুল করে কেক খেয়ে ফেলেছিলে? সত্যি নাকি?:D
১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২৯

লেখক বলেছেন: গল্পটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৬৯. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:০২
একজন ব্লগার বলেছেন: তন্ময় তাহসান আবার কার নাম?:-*
১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩১

লেখক বলেছেন: এইটা যে কার নাম ;)

৭০. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৩৯
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: খুব ভালো লিখেছো শামীম। তোমার তো লিখার হাত ভালো। লিখো যাও।

অনেক অনেক ভালো থাকো
শুভেচ্ছা ।
১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তোমাকে আপু।

৭১. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৪৫
শান্তির দেবদূত বলেছেন: না ....... এত চমৎকার গল্প শেষ করলে হবে ??...... একটা সুন্দর ফিনিশিং চাই ........ পরের পর্ব চাই ,
১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:১১

লেখক বলেছেন: গল্পটা বড় করার ই্চ্ছা আছে।
তবে ফিনিশিং এইখানেই শেষ।

৭২. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৩
রাশেদ বলেছেন: অসাধারন হইছে। শেষ হইয়াও হইলো না শেষ অবস্থায় রেখে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আরো ভালো লাগছে এইজন্য।
১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাশেদ ভাই।

৭৩. ১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৭
একজন ব্লগার বলেছেন: শামীম, সারিয়াপুর বাসার ঘটনাটা আমি ফান করে তোমাকে বলেছি। সত্যি সত্যিই ফার করার জন্য বলেছি। তোমাকে খোচাঁ দেয়ার জন্য বা তোমার রোজা রাখার কথা জানাবার জন্য না। ভাবলাম, আমি কি ভাবে ঘটনা জানলাম সেটা ভেবে অবাক হবে। নিরোবাধার পোস্টেও তাই এটা বলেছিলাম। কিন্তু ও বুঝেছে যে আমি কথাটা স্রেফ মজা করার জন্যই বলেছিলাম। যে কেউ-ই দেখলে সেটা বুঝবে। কিন্তু, তুমি এতে মাইন্ড করবা বুঝতে পারিনি। যাই হোক, কমেন্টা তুমি চাইলে মুছে দিতে পারো। ধন্যবাদ।
৭৪. ১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৩১
উত্তরাধিকার বলেছেন:
শামীম ভাই,
খুব ভাল লাগলো।

চমৎকার লেখনী আপনার।
নিয়মিত লেখা চাই। এই রকম।

অনেক নাড়া খেলাম রে ভাই।


সেই আগের মতোই .... ঠক ঠক....।
:)
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে- পড়ার জন্য এবং পড়ে কমেন্ট করার জন্য। :)

৭৫. ১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:৪৮
রেটিং বলেছেন: পরে পড়ুম।
আগে হ্যপী বার্থ ডে। যদিও লেট :(
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইজান। :)

৭৬. ১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৫৬
যীশূ বলেছেন: ভালো হয়েছে। উজ্জল ভবিষ্যত দেখতে পাচ্ছি।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ যীশূ ভাই।

৭৭. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:১৪
আবু সালেহ বলেছেন: অপেক্ষার পালা শেষ হইবো কবে???
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:২৫

লেখক বলেছেন: সেইটা গল্পের লেখক জানে না।

৭৮. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:১২
এরশাদ বাদশা বলেছেন: এই সমস্যাটি বেশ ভোগায়। প্রথম দিকে যখন ব্লগে গল্প পোস্ট করতাম, ব্লগাররা অনুযোগ করতেন, এর নাম ছোটো গল্প কেনো? আসলে ব্লগ সাইজ অনুযায়ী লিখতে গেলে লেখার পরিসর ছোটো করতে হয়, যেটা আমার দ্বারা হয়না।

তবে আপনার গল্পটা দুই পর্বে দেয়া যেতো। দ্রুততার সাথে শেষ করেছেন, কিন্তু তাতে গল্পের মানক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে আমার মনে হয়না। শামীম ভাই, আপনার লেখা গুলো মিস করার জন্য নিজের উপর বিরক্ত।
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: এরশাদ ভাই, অনেক ধন্যবাদ সুন্দর করে কমেন্ট করার জন্য ধন্যবাদ।

হ্যা হয়তো দুইটা পর্ব দেয়া যেতো। তবে নিজের আলসেমির কথা চিন্তা করে দেয়া হয় নি।
সময় করে একসময় কিছু লেখা পড়ে নিয়েন। তাহলেই হবে :)
আপনার স্বপ্নচোর ধারাবাহিকটা দারুন হয়েছিল। নতুন কোন ধারাবাহিক শুরু করুন।

৭৯. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:১৯
অ্যামাটার বলেছেন: বুকিং দিয়া গ্যালাম...পরে পড়ুম...
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২৬

লেখক বলেছেন: ওকে পইড়ো। :)

৮০. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:১১
তারার হাসি বলেছেন: ঘুম ভেঙ্গে গেল, আসলেই কি সে কোনদিন ঘুমাতে পেরছিল ?
ঠক ঠক ঠক ............ এর জন্যই সে বেঁচে ছিল এতদিন। এবার ঘুমানোর পালা।
অনেক অনেক সুন্দর।
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ গল্পটা পড়ার জন্য।

৮১. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৩৫
কোলাহল বলেছেন: ছোট গল্পের মতই...কোন বাহুল্য নেই। পরে কি হয়েছিলো সেটা নিয়ে একটু হলেও ভাবতে ইচ্ছা হয়।


ধন্যবাদ সুন্দর গল্পের জন্য। এমন লেখাই নিয়মিত চাই।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০৫

লেখক বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যটার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বিহংগ ভাই।

৮৩. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৪
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: শাহেদ স্বাধীন দেশে ফিরে এসে সেই কথা বলতো নাকি সে ব্যাপারে আমার যথেষ্ট সন্দেহ আসে!
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৩৫

লেখক বলেছেন: কেন?

৮৪. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১২
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: এক কথায় অসাধারণ একটা লেখা পড়লাম।
শুভেচ্ছা তোমাকে।ভালো থেকো।
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:১৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপু। :)
তুমিও ভালো থেকো।

৮৫. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৮
পারভেজ রানা বলেছেন: আপনি েতা যায়যায়দিনের শামীম ভাই তাইনা? আপনি যে এত ভালো গল্প লেখন আগে জানতাম না।
২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৭

লেখক বলেছেন: জ্বী ভাইয়া আমি আগে যায়যায়দিনে লিখতাম।

ধন্যবাদ । :)

৮৬. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২৫
নীলদ্বীপের স্বপ্নকন্যা বলেছেন: অনেক বেশি ভালো হয়েছে ভাইয়া!
এতো ভাল একটা পোস্ট এতোদিন পরে পড়লাম ভেবে খারাপ লাগছে!

প্রিয়তে রাখলাম!
০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা :)

৮৭. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৪
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: আমার চোখ অশ্রুসজল হয়ে উঠলো শামীম.....সরাসরি প্রিয়তে।

আমি আবার দীর্ঘশ্বাস ফেললাম.....আমি কবে এমন লিখতে পারবো?
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৬

লেখক বলেছেন: এ আপনার বিনয় সামী ভাই। বরংচ আপনার লেখা দেখে আমি এমনটা ভাবি।
অনেক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা।

৮৮. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৯
ড্রাকুলা বলেছেন: কিছু গল্প, গল্প না.............যেন মন কেড়ে নেওয়ার জন্য ব্যাবহৃত কিছু শব্দ। +++++
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

৮৯. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০২
হমপগ্র বলেছেন: হারিয়ে গেলাম কিছুক্ষণের জন্য!
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তোমারে ইমরোজ।

৯০. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৮
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: এই গল্পটা অনেক ব্লগারেরই প্রিয় পোস্টের তালিকাতে দেখেছিলাম, কিন্তু কেন যেন পড়া হচ্ছিলনা কিছুতেই। অবশেষে আজ পড়েই ফেললাম।।।

গল্পটি লেখার স্টাইলটাই অনেক বেশি ইমপ্রেসসিভ, থিম নিয়ে বলাই বাহুল্য।।। অরুণোদয়ের অগ্নীসাক্ষী আর ওরা এগারো জন--এ দুটি সিনেমার প্রত্যক্ষ প্রভাব থাকলেও স্টাইলের কারুকার্যে বারবার পড়ার মত গল্প হয়ে উঠেছে এটি, বিশেষ করে ঠক ঠক শব্দটি যেন প্রজন্মের পর প্রজন্ম একইভাবে অনুনাদ তুলবে।।।
০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২০

লেখক বলেছেন: জবাবে শুধু একট কথাই বলি-দিনকে দিন আপনার কমেন্টের ভক্ত হয়ে উঠছি আমি।

২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:১৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ :)

৯২. ০৮ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:৪৭
আমি সাইরাজ বলেছেন: আমার কান্না পাইচে। আমি কানুম।
০৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:১৬

লেখক বলেছেন: হুমমমম...
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৯৩. ২৮ শে মে, ২০০৯ সকাল ৮:৪৪
পারভেজ বলেছেন: লেখনীর সাবলীলতাটা কাছে টানে বেশী। পাঠকের মনে পুরো ছবিটা এঁকে দেয়। ভালো লাগলো।
২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১:০৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পারভেজ ভাই।

৯৪. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৫
লালসালু বলেছেন: প্লাস। পড়তে পড়তে চোখে পানি এসে গেল।
২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:১২

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

৯৫. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:১৬
রিমি (স. ম.) বলেছেন: কত শত জীবনেই না এমনটা সত্যিই হয়েছে। হয়ত আজো হচ্ছে। ভাল লাগল।
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৩

লেখক বলেছেন: ভালো লাগা জানানোর জন্য ধন্যবাদ।

৯৬. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৫
চতুষ্কোণ বলেছেন: শামীম ভাই লেখাটি পড়ে থ মেরে বসে আছি। কমেন্টের ভাষা নেই।
প্রিয় পোষ্ট।
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪৩

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ চতুষ্কোণ ভাই।

২৮ শে মার্চ, ২০১১ রাত ১:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৯৮. ২৮ শে মার্চ, ২০১১ রাত ১:৩৪
ইনকগনিটো বলেছেন: ভেতর থেকে একটা কান্না দলা পাকিয়ে উঠে আসছে ।
আর কিছু বলার নাই ।
২৮ শে মার্চ, ২০১১ রাত ১:৪৩

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৭৮৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
http://www.facebook.com/samimblog

আমি স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসি। স্বপ্ব দেখতে এবং স্বপ্ন দেখাতে চাই আজীবন।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ