আমার প্রিয় পোস্ট

বাস্তবতা ফেরী করে বেড়াচ্ছে আমার সহজ শর্তের সময়গুলোকে

পরিনত মোহ কিংবা অপরিনত ভালোবাসা (চতুর্থ পর্ব)

১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৭

শেয়ারঃ
0 0 0

এই কয়মাসে আনন্দিত হওয়ার মতো বেশ ঘটনা ঘটেছে। একটা রচনা প্রতিযোগিতায় রচনা লিখে প্রথম পুরস্কার পেয়ে গেলাম। তারপর থেকে অবশ্য একটা সমস্যা হয়েছে, মনের ভিতর ধারণা হয়ে গেছে আমি লেখালেখি ভালো পারবো। ভাব দেখানোর জন্যই হয়তো রাতে ঘুমানোর আগে হাতের কাছে কাগজ কলম নিয়ে থাকি। কখন আবার কোন ভাব চলে আসে। সব ভাবকেই কাগজে ধরে রাখা উচিত। কয়েক রাত পরে দেখি খালি কাগজটাতে বেশ কিছু আকিবুকি। তবে কাজের কাজ কিছুই না। তাই বলে হাল ছেড়ে দেওয়ার পাত্র আমি নই। কিছু একটা লিখতেই হবে। একসময় বেশ কয়েকটা গল্প লিখে ফেললাম। ট্রিপিক্যাল প্রেমকাহিনী নিয়ে গল্প। প্রথম পাঠক আমার রুমমেট। পড়ে চোখে জল এনে ফেললেন তিনি। আমি মনে মনে ভাবলাম কি এমনটা লিখলাম যে চোখে পানি নিয়ে আসতে হবে! প্রেমে ব্যার্থ হইছোতো বাপু, এখন প্রেম এর কাহিনী দেখলেই চোখে পানি আসে! রুমমেটের কথা হলো এই গল্পগুলো পাঠকদের পড়তে দেওয়া উচিত, তারমানে কোন একটা পত্রিকায় ছাপানোর ব্যবস্থা করা উচিত।

আমি সামনে পিছনে চিন্তা না করে রাজি হয়ে গেলাম। একদিন সাহস করে হাজির হয়ে গেলাম একটা নামকরা পত্রিকা অফিসে। গেটে অবশ্য অনেকক্ষণ দাড় করিয়ে রাখা হলো। হয়তো আমার পোশাক আশাক বিশেষ সুবিধার মনে হলো না রিসেপশনিস্ট এর কাছে। তারপর বেশ ঝামেলা পার করে সাহিত্য সম্পাদকের ছোট্ট রুমটাতে পৌছলাম। গিয়ে দেখি টেবিলের উপর একটা প্লেটে মুড়ি আর আরেক কাপ চা নিয়ে বসে আছেন মধ্যবয়স্ক সাহিত্য সম্পাদক সাহেব। একটা চামচে করে মুড়ি নিয়ে চায়ে ভিজিয়ে বেশ আরাম করে খাচ্ছেন। দেখে হাসি এসে গেল। জোরে হেসে ফেললে উনি আবার কি মনে করেন এই ভেবে হাসি আটকে রাখি। সাহিত্য সম্পাদক সাহেব আনমনে চা মুড়ি খেয়ে চলেছেন। আমি এর মধ্যে অবশ্য বেশ কয়েকবার দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করলাম। কিন্তু উনার কোন মনোযোগ নেই আমার দিকে। অনেকক্ষণ পর আমার দিকে মাথা তুলে জিজ্ঞেস করলেন-
কি চাই?
না মানে দুইটা গল্প নিয়ে আসছিলাম। যদি একটু দেখতেন। আমি কাচুমাচু হয়ে বললাম।

এবার কিছুটা তাচ্ছ্বিল্য দৃষ্টিতে তাকালেন আমার দিকে। ভাবটা এমন যেন, তুমি কে হে বাপু, দেখতেতো এখনো ছোকরা মনে হয়। তুমি লিখছো গল্প! তাও আবার সাহিত্য পাতায় ছাপানোর জন্য আমার কাছে নিয়ে এসেছো। নিতান্ত অনিচ্ছা সত্ত্বেও বাড়িয়ে দেওয়া গল্প দুটি তিনি হাতে নিলেন। কিছুক্ষণ উল্টিয়ে পাল্টিয়ে দেখলেন। মাঝখান থেকে কিছু পড়েও দেখলেন। বুঝতে পারছিলাম উনি বিশাল এবং জ্ঞানগর্ভ বানী শোনানোর জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন।
দেখো, তোমার গল্পটা ট্রিপিকাল প্রেমের গল্প হয়ে গেছে। এইসব পাঠক খাবে না। নিম্নবৃত্ত কিংবা মধ্যবৃত্তের জীবনকে গল্পে নিয়ে আসো। আর তোমকে প্রচুর গল্প পড়তে হবে। জানোই তো গল্পের বেসিক বিষয় হলো......

কিছুটা হতাশ হয়ে বের হয়ে আসলাম পত্রিকা অফিস থেকে। রাস্তায় কড়া রৌদ্রের মধ্যে হাটতে হাটতে বুঝলাম আসলেই গল্পে নিম্নবৃত্তের কষ্ট থাকলে ধনিক শ্রেণীও তা পড়ে চোখে জল আনে। বাস্তব জীবনে নিম্নবৃত্তের কষ্ট দেখেও ধনিক শ্রেণীর লোকগুলো মনে হয় না এতোটা কষ্ট পায়। লেখালেখি যে আমাকে দিয়ে হবে বুঝতে পারলাম সেই দুপুরে কড়া রৌদ্রের মধ্যে হেটে হেটে।

টিউশনীতে আমার পারফর্মেন্স দেখে ছাত্রীর মা খুবই মুগ্ধ। ছাত্রী নাকি স্কুলের হাফ ইয়ারলি পরীক্ষায় আগের চেয়ে বেশ ভালো ফলাফল করেছে। এজন্য ছাত্রীর মা বেশ বিনয় করে এর সিংহভাগ কৃতিত্ব আমাকে দিয়েছেন। অবশ্য কৃতিত্বের চেক ভাঙ্গিয়ে বাড়িওয়ালার বাড়তি বাড়ি ভাড়া দেওয়া সম্ভব না। তবে আমার জন্য সুখকর হলো ছাত্রীর মা বেতন বাড়িয়েও দিয়েছেন। তাছাড়া টিউশনীটা মোটামোটি পার্মানেন্ট করে দিয়েছেন। বিকালের নাস্তা এখন আগের চেয়ে ভালো আসে। কড়াকাড়ি নিয়মও অনেকটা শিথিল হয়ে গেছে। এখন আর ছাত্রীকে পড়ানোর সময় ছাত্রীর মা এসে পাহারা দিতে বসে থাকেন না। এই সুযোগে অবশ্য ছাত্রীর সাহস কিছুটা বেড়ে গেছে। একটা উদাহরণ দেই- একদিন অংক বুঝিয়ে দিচ্ছি। হঠাৎ করেই আমার কাছ থেকে কলম নিতে গিয়ে আমার হাত ধরে ফেললো। আমি সঙ্গে সঙ্গেই কলমটা ছেড়ে দিলাম। সে তখন হাত ছেড়ে দিয়ে মাথা নিচু করে কলমটা উঠিয়ে নিলো।

অবশ্য আমি তার এইসব কাজের পিছনে কিছু যুক্তি খুঁজে বের করেছি। মেয়েটা বেশ কড়া নিয়মের মধ্যে বেড়ে উঠেছে। ছোট থেকেই পড়ছে মেয়েদের স্কুলে। এজন্যই হয়তো খুব বেশি ছেলের সাথে পরিচয় হয় নি তার। তাই অনেক কিছুতেই তার বেশি বেশি আগ্রহ।

ইদানিং খেয়াল করছি পড়তে আসার সময় বেশ পারফিউম দিয়ে আসে ছাত্রী। আমি অবশ্য এর জন্য দুই ধরনের যুক্তি দাড় করেছি। এক, হয়তো সে সব সময়েই পারফিউম ব্যবহার করে মানে সব সময়ই পারফিউম ব্যবহার করা শুরু করেছে। অথবা এমনটাও হতে পারে যে আমার শার্টের ঘামের দুর্গন্ধ থেকে দুরে থাকলেই কড়া পারফিউম ব্যবহার করে পড়তে আসে। আমিই বা কি করবো! আমার শার্টের সংখ্যাও খুব বেশি না। ইউনিভার্সিটি যাওয়ার সময় পাবলিক বাসে মাঝেমধ্যে ঝুলে ঝুলে যেতে হয়। শার্টের অবস্থা ঠিক থাকে কিভাবে! আর আমার এতো বেশি শার্ট নেই যে প্রতিদিন একটা করে পড়ে যাবো। একদিনতো ছাত্রী জিজ্ঞেস করে বসলো-
আচ্ছা স্যার, আপনার কি অন্য রঙের কোন শার্ট নেই?
হয়তো ভদ্রতা দেখানোর জন্য এমন প্রশ্ন। নাহয় সরাসরি এমনটাও বলতে পারতো- আচ্ছা স্যার, আপনার আর কোন শার্ট নেই?

ছাত্রীকে পড়িয়ে বিকালে ফেরার সময় প্রায় দিনই অবন্তীর বাসার দিকে যাই। বিকালের সময়টা অবন্তী বাগানের দিকেই বেশি থাকে। বাগানের এক কোনে তার ছবি আঁকার বেশ চমৎকার একটা জায়গা আছে। ওইখানটায়, নাহয় দোলনায় বসে থাকে সে। কেন যে এইভাবে রুটিন করে অবন্তীদের বাসায় গিয়ে উপস্থিত হই নিজেও বুঝি না। মাঝেমধ্যে ভাবি অবন্তীদের বাসায় কেন যাই, অবন্তীর সাথেতো আমার কোন সম্পর্ক নেই, এমনকি অবন্তীর বাবার সাথেও নেই। কেবল একদিনের বাজারের ব্যাগ এগিয়ে দেওয়া থেকে পরিচয় এ পরিবারটার সাথে।

অবশ্য যখন অবন্তীর সাথে গল্প করি তখন এতোসব বিষয় মাথায় থাকে না। বই পড়ে পড়ে আমি পেইন্টিং, আর্ট এইসব বিষয়ে ভালোই শিখে ফেলেছি। এই বিষয়গুলো নিয়ে অবন্তী আলোচনা করলে বেশ ভালোই তাল মিলাতে পারি। মাঝেমধ্যে অবশ্য বিকালের হাটাকে বাদ দিয়ে অবন্তীর বাবা আমাদের সাথে গল্পে যোগদান করেন। এই লোকটাকে আমার সরলবিশ্বাসী মনে হয়। স্বল্প পরিচিত একটা ছেলে উনার মেয়ের সাথে প্রায় বিকালেই গল্প করছে অথচ তিনি তেমন কিছুই মনে করছেন না। অবন্তীর বাবা যখন গল্পে থাকেন তখন অবশ্য গল্পের মোড় অন্যদিকে ঘোরে যায়। দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি থেকে শুরু করে বৈশ্বিক রাজনীতি, অর্থনীতি নিয়েও কথা হয়। একটা পর্যায়ে অবন্তী অতিষ্ট হয়ে বলে বলে, বাবা তোমরা থামোতো। তোমাদের এইসব জ্ঞানী কথা শুনতে ভালো লাগছে না।

একটা বিষয় ইদানিং খেয়াল করছি, অবন্তীর সাথে গল্পের বিষয়বস্তু এখন পেইন্টিং কিংবা আর্টের বাইরে বের হয়ে যাচ্ছে হুটহাট করে। অন্য বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা হচ্ছে মাঝেমধ্যে। এটা কিসের লক্ষণ!

(চলবে......)

প্রথম পর্ব

দ্বিতীয় পর্ব

তৃতীয় পর্ব

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১০
রাশেদ বলেছেন: ছি ছি! শেষ পর্যন্ত ছাত্রী! ছি ছি! :|
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৩

লেখক বলেছেন: মুহাহাহাহাহা

২. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১০
রাশেদ বলেছেন: এইরে! আমি মাইনাস দিলাম নাকি! :(
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৩

লেখক বলেছেন: তাই নিকি? :):)

৩. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৩
অ্যামাটার বলেছেন: এইরে! আমি মাইনাস দিলাম নাকি! :(
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: তাই নিকি? :):)

৪. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৩
হমপগ্র বলেছেন: এইটা তো ভাল লক্ষণ না শামীম ভাই...!
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৭

লেখক বলেছেন: কেন কেন? ;)

৫. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৬
আমি ও আমরা বলেছেন: আগের গুলো পড়তে হবে আগে। রুবেল এর কি খবর?
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২০

লেখক বলেছেন: হুমম ভাইয়া পড়ে দেখেন। :)

ভালো

৬. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৭
রাশেদ বলেছেন: যাহা কইছিলাম তাহাই হবে! :P
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৩

লেখক বলেছেন: কি হৈব আবার ? :P

৭. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৮
নিরক্ষর বলেছেন: এখন ঘুমাতে যাচ্ছি। পরে পড়ব।
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৪

লেখক বলেছেন: ওকে ভাইজান :)

৮. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২০
হমপগ্র বলেছেন: মানে কেমন জানি ভালবাসা ভালবাসা গন্ধ আইতাছে, ভালবাসা ভাল না:(

তয় অবন্তী নামটা সুন্দর...অবন্তী ভাবী! :D
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৫

লেখক বলেছেন: ভালোবাসা ভালো না !! এইটা কি কইলা তুমি?

অবন্তী ভাবী!!!!!!

৯. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২০
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

একটা জমজমাট উপন্যাস পেতে যাচ্ছি বোধহয় ।
পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় ।

১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৫

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু থ্যাঙ্কু :)

আছো কেমুন?

১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩১

লেখক বলেছেন: ইহা পরিনত মোহ কিংবা অপরিনত ভালোবাসা

১১. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২২
অ্যামাটার বলেছেন: 'অবন্তি' হইলে 'ছাত্রী'-টা আমার অথবা ভাইস ভার্সা:)
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩২

লেখক বলেছেন: ওরেরেরেরে
এইতা কিতা কথা কয় রে!! ;)

১২. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২২
আবু সালেহ বলেছেন:

শাইম্মারে লক্ষন তো ভালা ঠেকতাছে নারে.......
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪০

লেখক বলেছেন: কিসের লক্ষন ;)

১৩. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৯
হমপগ্র বলেছেন: হে হে...

ভালবাসা হইল, "এসো এসো গর্তে এসো আদর করে খাজায় পুরে রাখবো তোমায় রাত্রিদিন",

তারপর..."অভয় দিচ্ছি শুনছো না যে? ধরবো নাকি ঠ্যাং দুটো..."

ভয় পাওয়ানা জেডা তুমার বউ তো আমার ভাবীই লাগে:-*
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: ওহহো তাইতো তাইতো :)

১৪. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩০
হমপগ্র বলেছেন: সরি সরি...

"এসো এসো গর্তে এসো বাস করে যাও চারটি দিন
আদর করে খাজায় পুরে রাখবো তোমায় রাত্রিদিন",
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: এইটা আবার কিরাম কোবতে? ;)

১৫. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩৪
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: হুমম ... পোলাটার ক্যারেক্টার ঠিকঠাক মনে কর্ছিলাম /:)
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: গুরু এইতা কিতা কয়

;)

১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: রাশু ভাই হাসে কেলা!! ;)

কাউরে খুঁইজা পাইছেন নাকি?

১৭. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩৫
অ্যামাটার বলেছেন: ক্যান ক্যান!!
তাইলে কি দুইটারেই আপ্নে...তওবা তওবা!

কুন্টা বেশী সুন্দরী;)
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: খিক খিক

সেইটা সিক্রেট ;)

১৮. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪৯
রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন: অ্যামাটার বলেছেন: ক্যান ক্যান!!
তাইলে কি দুইটারেই আপ্নে...তওবা তওবা!

কুন্টা বেশী সুন্দরী

খিকজজজজ .............
ভাল,
তবে গল্পটা আর আগাচ্ছে না মনে হয়......
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০০

লেখক বলেছেন: হা হা হা
গল্পের কাহিনী ইচ্ছে করেই স্লো রাখা হয়েছে। গল্পটাকে একটা প্লাটফর্মে দাড় করানোর চেষ্টা। :)

১৯. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫২
মমমম১২ বলেছেন: হুম তারপর?
এত অল্প পড়তে না পড়তেই শেষ।
পরের পর্বের অপেক্ষাতে আছি।
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০২

লেখক বলেছেন: তারপর কি হইলো তা পরের পর্ব লেখার সময় বুঝতে পারবো।

ধন্যবাদ আপনাকে।

২০. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৪
সুখী মানুষ বলেছেন: একদিন অংক বুঝিয়ে দিচ্ছি। হঠাৎ করেই আমার কাছ থেকে কলম নিতে গিয়ে আমার হাত ধরে ফেললো। আমি সঙ্গে সঙ্গেই কলমটা ছেড়ে দিলাম।

কেন কেন কেন কলমটা ছেড়ে দিলেন////??? ঝাতি ঝানতে ছায়।
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০৯

লেখক বলেছেন: ঝাতি ঝানতে চাইলেই তা ঝানান দিতে হৈপো কেন? ;)

১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৯

লেখক বলেছেন: তোমারে ধইন্যাপাতা

২২. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১২
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: ভালো লাগছে শামীম! আরেকটু গতিতে ছাড়ো! :)
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২৩

লেখক বলেছেন: ধইন্যা । ওক্কে :)

২৩. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২৩
মিছে মন্ডল বলেছেন: ভাই , আপনার লেখার হাত আসলেই ভালো। পরবর্তী লেখার অপেক্ষায় রইলাম।
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইজান

২৪. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩৪
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: এটা যদি আপনার নিজের জীবনের কাহিনি হয তাহলে কিছু বলার নেই, আর যদি নেহায়েৎ গল্প হযে থাকে, তাহলে বলবো ঘটনাগুলোতে একটু ডাইমেনশন যোগ করলে লেখাটিতে একটা গতি আসে।।। সংবাদপত্রের অফিসের ঘটনাটা একটা ডাইমেনশন ছির, তবে বাকিগুলোতে ব্যাপারগুলি সেভাবে খেয়াল করা যাচ্ছেনা।।। গত পর্বটা বেশি ভালো ছিল.........আশা করছি সবগুলো পর্বই পড়বো, তবে সামনে টানা কিছুদিন ব্লগে থাকবোনা বলে, পরে পড়ে নিতে হবে।। যাইহোক, লেখা চলতে থাকুক.বলার সময় অনেক কথায়বলা যায়, লেখার সময় এতকিছু নজরে রাখা আসলেই খুব কষ্টকর একটা ব্যাপার।।।
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১২

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যটা পড়ে ভালো লাগলো। পরের পর্বগুলোতে বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারবো আশা করছি। ধন্যবাদ ভাই আপনাকে প্রতিটা পর্ব পড়ে সুন্দরভাবে বিষয়গুলো বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য।

২৫. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩৬
রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন: এরম চুইংগামের মত টেনে লম্বা করলে কিন্তুক আর পড়বো না। প্রফেশনালদের মত লিখেন না শামীম ভাই প্লিজ।
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১৪

লেখক বলেছেন: আমি আসলে এই গল্পটা থেকে যা আউটপুট চাচ্ছি তা পেতে চাইলে গল্পটাকে আগে লম্বা করতে হবে এবং তা আস্তে আস্তে সময় নিয়ে। এইটা হচ্ছে আমার আউটপুট চাওয়ার সীমাবদ্ধতা।

আমি আসলে প্রফেশনাল না, তাহলে তাদের মতো করে লিখবো কিভাবে? ;)

২৬. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫০
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: এই পর্বও পড়লাম তবে পরের পর্ব বর্জন করা হইবেক। :( X( X(

[আগের পর্বের কমেন্টের ধারাবাহিকতায় এই কমেন্ট করা হৈল! :( ;) ]
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১৫

লেখক বলেছেন: খাইছে!! ডর খাইছি ;)

হা হা হা ..কি করবো আমি খুব অলস প্রকৃতির। :(

২৭. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০২
ফারহান দাউদ বলেছেন: এক ফুল (নাকি fool?) দো মালিনী কেস দেখি।
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১৬

লেখক বলেছেন: ওয়েট অ্যান্ড সি ;) ;)

২৮. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১৪
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: এই পর্ব দায়সারা করে লিখছো শামীম.......।
আর একটু মন দাও.....।খুব ভালো চলছে কিন্তু...।
মনে হলো সময় দাও নি তেমন।
চলুক......।
ভালো থেকো......শুভকামনা।
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১৮

লেখক বলেছেন: হুমমম এই পর্বটা লেখার ক্ষেত্রে সময় অনেক কম দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ...তাই ভাবলাম আজকেই পোস্ট করবো। এক বসাতে লিখে ফেললাম। তাছাড়া মাত্র ১ ঘন্টার লেখা এটা। তাই একটু মনোযোগ কম হয়েছে লেখাটাতে।

সামনের পর্বগুলাতে মনোযোগ বাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা থাকবে।
ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা আপু।

১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:২৮

লেখক বলেছেন: কিতা কতা কন আশরাফ ভাইজান ;)

৩১. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৫১
কঁাকন বলেছেন: খুবি ভালো হইতেসে এবং ভয় হইতেসে ব্লগৈতিহ্য বজায় রেখে লেখক এই ধারাবাহিক কসেষ করবে না:(
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৪০

লেখক বলেছেন: জ্বী না। আশা করছি তেমনটা হবে না। :)

৩২. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৪০
নিরক্ষর বলেছেন: অপরিনত ভালোবাসা বালা না:P

পরিনত ভালোবাসা চাই ;)
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৪৯

লেখক বলেছেন: ;) ;) ;)

৩৩. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৫৩
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: রাশেদ বলেছেন: ছি ছি! শেষ পর্যন্ত ছাত্রী! ছি ছি!

শিক্ষকরা হলেন বাবার জাত, তাই নয় কি? :)
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫৪

লেখক বলেছেন: হা হা হা :)

৩৪. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৫৯
নুশেরা বলেছেন: লক্ষণ সুবিধার না... :P
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৩

লেখক বলেছেন: তাই নিকি নুশেরা আপু ;)

৩৫. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:২৩
পারভেজ বলেছেন: ত্রিমুখী নাকি?! হমমমম
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৭

লেখক বলেছেন: :):):)

৩৬. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:২১
অপ্‌সরা বলেছেন: তারপর থেকে অবশ্য একটা সমস্যা হয়েছে, মনের ভিতর ধারণা হয়ে গেছে আমি লেখালেখি ভালো পারবো।

ধারনা না তুমি আসলেই অনেক ভালোই পারো লেখালেখিটা। অবাক হয়ে ভাবি মানুষ কি করে এমন সুন্দর করে লিখে কেউ কেউ।
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৫

লেখক বলেছেন: হা হা হা
থ্যাঙ্কু থ্যাঙ্কু :)

৩৭. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৩৪
নিবিড় বলেছেন: খাইসে....ছাত্রীর সাথে এইসব কি ?ঐ ক্লাস সেভেনে পড়া মাইয়ার চাপটার ক্লোজ....অবন্তী ভাবীরে লাইম লাইট করেন ।আর এত অল্প লিখেন ক্যন?এরপর অল্প লিখলে মাইনাস দেয়া হবে।
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৮

লেখক বলেছেন: ওরে ভয় খাইছি ;)
ওক্কে মানা হবে...লাইম লাইট হবে সঙ্গে আরো অনেক কিছুই হবে ;)

৩৮. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৮
প্রচেত্য বলেছেন: উমমম, কঠিন অবস্থা
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:২৩

লেখক বলেছেন: জ্বী কঠিন অবস্থা :)

৩৯. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৯
আবু সালেহ বলেছেন:

ন্যাকা সাজো??? কিছু বোঝ না???

আবার জিগাও কিসের লক্ষন.....মাইরতো খাও নাই.....
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:২৭

লেখক বলেছেন: কিছুই বুঝি না :P

৪০. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৭
ইউনুস খান বলেছেন: ধারুন হচ্ছে। চালিয়ে যান। তয় দুঃখ শেষ পর্যন্ত আপনিও ছাত্রীর সাথে........... ;)
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪০

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু থ্যাঙ্কু

তয় ছাত্রীর সাথে আবার কি? ;)

৪১. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৪
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: অবন্তীর কথা ডিটেইলস বলা হচ্ছে না, লুকিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

মাইনাস
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০১

লেখক বলেছেন: অবন্তীর ডিটেইলস বলা হৈবেক :)

৪২. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৫৮
মুকুল বলেছেন: গৃহশিক্ষকের কাজই কি ছাত্রীর সাথে প্রেম করা!

গল্প জইমা উঠতেছে। :)
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৬

লেখক বলেছেন: হা হা হা .... ভালোই বলেছেন মুকুল ভাই। :)

৪৩. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৭
হরিণ বলেছেন: যে যাই বলুক শামীম ভাই আপনি হাল ছাড়লে কি হয় ? আপনি চালিয়ে যান। যদিও পুরোটা এখনো পড়িনি। প্রিন্ট নিয়েছি পরে পড়ব। তারপরও মন যাকে চায়, তার জন্য যা যা প্রয়োজন সবই করা উচিত বলে মনে করি। অনেক ধন্যবাদ
১৫ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর কমেন্টটার জন্য। :)

৪৪. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৩২
প্রীটি সোনিয়া বলেছেন: এইটা ভাল লক্ষণ....বেশ আপন আপন ভাব চলে এসেছে দুজনের মধ্যে বাহ চমৎকার হচ্ছে....চালিয়ে যাও...:)
ভাল থাকো।
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু।

তুমিও ভালো থেকো।

৪৫. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৭
জেরী বলেছেন: ভাব গতিক ভালো মনে হচ্ছে না:):)

পরের কাহিনী নিয়া টেনশিত লাগছে;)
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৬

লেখক বলেছেন: টেনশিত থাকা ভালেো ;)

৪৬. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:১৭
ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন: ভাইয়া... আপনার লেখার স্টাইলটা বেশ মজার। পড়ার সময় মনে হয় সোজা-সাপ্টা ভাবে কেউ সামনে বসে হাত-পা নাড়িয়ে গল্প করছে। মজা পেলাম পড়ে... লেখা চলুক...

[হান্টতো দেখি সফল... শেষমেষ বাজারের ব্যাগ দিতে গিয়ে প্রেম! কিছুই বলার নাই! ;) :)]
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৩০

লেখক বলেছেন: হা হা হা ......হান্ট ;)

ধন্যবাদ আপু।

৪৭. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৫৫
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: কিহে কিহে! লেখা তো আসে না! অপেক্ষায় আছি, গরমাগরম লেখা দাও!
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৫৫

লেখক বলেছেন: নতুন পর্ব লেখতাছি। :)

৪৮. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৩
নিবিড় বলেছেন:
ন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: কিহে কিহে! লেখা তো আসে না! অপেক্ষায় আছি, গরমাগরম লেখা দাও!

আমারও একই কথা
১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১৯

লেখক বলেছেন: খুব শিগগিরই পরের পর্ব আসবে। :)

১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪১

লেখক বলেছেন: আসবে আসবে :)

১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৩৩

লেখক বলেছেন: অসাধারন ধন্যবাদ আপনাকে। :)

২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৪

লেখক বলেছেন: আপ্নে দেখি খালি হুমান ;)

৫২. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৬
ভেংচুক বলেছেন: কাম বালা হৈতাচে না কিন্তু
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: ক্যান ক্যান ভাইজান? ;)

৫৩. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:১০
সব যদি আজ বদলে যেত বলেছেন: নায়কতো প্রেমে হাবুডুবু খাইতেছে।

লজ্জা লজ্জা.........
০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৬

লেখক বলেছেন: কার প্রেমে আবার হাবুডুবু খাচ্ছে!! ;)

৫৪. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৫
সিলভার রেইন বলেছেন: পারফিউম ব্যবহার করে মানে সব সময়ই পারফিউম ব্যবহার করা শুরু করেছে। অথবা এমনটাও হতে পারে যে আমার শার্টের ঘামের দুর্গন্ধ থেকে দুরে থাকলেই কড়া পারফিউম ব্যবহার করে পড়তে আসে।



জোসসসসসসসসসসস
০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৯

লেখক বলেছেন: হা হা হা।

ধইন্যাপাতা।

৫৫. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৩
সব যদি আজ বদলে যেত বলেছেন: অবন্তীর প্রেমে, আবার কার?
০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫০

লেখক বলেছেন: ও আচ্ছা

০৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:২১

লেখক বলেছেন: জ্বী :)

 

মোট সময় লেগেছে ১.২৫৫৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
http://www.facebook.com/samimblog

আমি স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসি। স্বপ্ব দেখতে এবং স্বপ্ন দেখাতে চাই আজীবন।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ