আমার প্রিয় পোস্ট

বাস্তবতা ফেরী করে বেড়াচ্ছে আমার সহজ শর্তের সময়গুলোকে

পরিনত মোহ কিংবা অপরিনত ভালোবাসা (ষষ্ঠ পর্ব)

২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৫

শেয়ারঃ
0 1 0

সকাল থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছি। কি কাপড়চোপড় পড়বো, কখন যাবো, কি কথা বলবো এইসব ঠিক করছি। হঠাৎ খেয়াল হলো শার্ট আর প্যান্ট কোনমতন চললেও জুতার অবস্থা খুবই খারাপ। এই জুতা পড়ে অবন্তীর সাথে শপিংয়ে গেলে যে কেউ আমাকে তাদের বাসার চাকর টাকর ভেবে বসতে পারে। হাতে টিউশনীর কিছু টাকা জমেছে। সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললাম নতুন জুতা কিনবো। সে অনুযায়ী গেলাম কাছের দোকানে। একেকটা দোকান ঘুরে ঘুরে জুতা দেখি আর অবাক হই। জুতার দাম যেভাবে বেড়েছে ভালো জুতা কেনাই বড় সমস্যা। এক দোকানে বেশি দাম চাওয়ায় হেসে হেসে বললাম- এতো টাকার জিনিষ পায়ের নিচে থাকবে! দরকার নাই।

দোকানী আরও একধাপ এগিয়ে। হেসে জবাব দিলো- আপনার অবস্থা দেখি দামী লুঙ্গি কেনা ক্রেতার মতো। বলেই হাসতে লাগলো জোরে জোরে।

আমি ঘটনা ধরতে পারলাম না। তাই নিজে থেকেই জানতে চাইলাম, দামী লুঙ্গি কেনা ক্রেতার ঘটনা আবার কি?
ওহ! ভাই তাইলে ঘটনা জানেন না! এক লোক খুব দামী লুঙ্গি কিনছে। অনেকদিন ব্যবহারের পর লুঙ্গি ছিড়ে গেল। তখন লোকটি লুঙ্গি ছিড়ে তা গামছা বানালো। একপর্যায়ে গামছাও ছিড়ে গেল। তখন তা নিয়ে ন্যাকড়া বানালো হলো। ন্যাকড়া পুরানো হয়ে গেলে তা পুড়িয়ে আগুন জ্বালানো হলো। সেই ছাই দিয়ে লোকটা পুকুরের পাশে বসে দাত মাজে আর বলে, হায়রে আমার এতোগুলো টাকা টাকা জলে ভেসে গেল।
শুনে হেসে দিলাম। দোকানীর বর্ণনার স্টাইলে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। এই মুগ্ধ হওয়াটাই কাল হলো। দোকানী ঠিকই কড়া দামে নতুন জুতা ধরিয়ে দিলো।কি আর করা! নতুন জুতা নিয়ে বাসায় ফিরলাম।


বিকালে অবন্তীদের বাসায় চলে গেলাম। অন্যদিনের মতো লাগছে না আজ ।কেমন যেন একটা অনুভুতি। চিন্তাভাবনা থেকে শুরু করে পোশাক পরিচ্ছদ সবকিছুতেই আমার মধ্যবিত্তের সেন্টিমেন্ট। তারপরেও চেষ্টা করতে থাকলাম নিজেকে স্মার্ট প্রমাণ করতে। কি দিন যে আসলো! এখন নিজেকেই স্মার্ট প্রমাণ করতে হয়।


অবন্তীদের বাসায় গিয়ে দেখি সে বারান্দায় বসে বই পড়ছে। প্রচ্ছদ দেখে গল্পের বই মনে হলো। কাছে গিয়ে দাড়াতেই আমার দিকে তাকিয়ে বললো-
ওহ! তাহলে আপনি এসেছেন শেষ পর্যন্ত।আপনিতো আবার বিজি মানুষ।
বুঝতে পারলাম খোঁচা দিয়ে কথা বলেছে অবন্তী। ইচ্ছা করেই ভাব নিয়ে বললাম-
জরুরী কিছু কাজ সেরেই তবে আসলাম। আপনি বলেছেন না আসলে কেমন দেখা যায়।
কথাটা বলেই খেয়াল করলাম অবন্তীর মুখে বাকা হাসি। আমি আর কথা বাড়ালাম না।
কিছুক্ষণ পরে বই রেখে অবন্তী আমার দিকে তাকালো। মুচকি হেসে বললো-
আপনি বসেন আমি রেডি হয়ে আসছি। ইচ্ছা করলে বইটা পড়তে পারেন।
বইটা টেনে নিয়ে পাতা উল্টানো শুরু করলাম। অবন্তী ভিতরের রুমে চলে গেছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই অবন্তীদের কাজের বুয়া ট্রে-তে করে বিকালের নাস্তা দিয়ে গেল। চায়ে চুমুক দিতে দিতে বইয়ের পাতা উল্টাছি। পড়াতে একদম মন নেই। ভাবছি হঠাৎ করে একসাথে শপিংয়ে যাওয়ার কথা কেনো বললো অবন্তী! বই রেখে দাড়িয়ে পেইন্টিং দেখতে লাগলাম। চারদেয়াল জুড়েই নানা রকমের পেইন্টিং। একটা পেইন্টিং এ চোখ আটকে গেল। মনোযোগ দিয়ে দেখতে লাগলাম। কিছুক্ষণ পর খেয়াল করলাম অবন্তী আমার পিছনে এসে দাড়িয়ে আছে। কখন যে চুপিসারে এসে দাড়িয়েছে পাশে লক্ষ্যই করিনি। নীল শাড়ি পড়ে আছে সে। অদ্ভুত সুন্দর লাগছিলো। মনে মনে ভাবলাম, অবন্তী কি জানে আমি নীল শাড়ি কতোটা পছন্দ করি!


আমি রেডি, চলেন বের হই।
একবার ভাবলাম নীল শাড়ির প্রশংসা করবো। আবার ভাবলাম আবার যদি অবন্তী এটাকে ন্যাকামি ভাবে! তাই চুপ করে গেলাম। কিছুক্ষণ পর অবন্তীই জিজ্ঞেস করলো-
নীল শাড়িতে কি আমাকে ভালো দেখায়? এর আগে নীল শাড়ি পড়িনি। আজকেই প্রথম পড়লাম।
অবন্তী আজকেই প্রথম নীল শাড়ি পড়েছে আর আমি নীল শাড়ি খুব পছন্দ করি; দারুন মিল মনে হলো। আমি কি বলবো বুঝতে না পেরে ছোট্ট করে বললাম- হ্যা বেশ ভালো দেখাচ্ছে।
বিশেষণ সহযোগে আরো অনেক কিছুই বলতে পারতাম, কিন্তু ওই সময়টাতে কি বলবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না। মাথার ভিতর ঘুরছিলো জীবনানন্দ দাশের কবিতার লাইন।

"আলো-অন্ধকারে যাই- মাথার ভিতরে
স্বপ্ন নয়, কোন এক বোধ কাজ করে!
স্বপ্ন নয়-শান্তি নয়- ভালোবাসা নয়,
হৃদয়ের মাঝে এক বোধ জন্ম লয়!
আমি পারি না তারে এড়াতে,
সে আমার হাত রাখে হাতে;
সব কাজ তুচ্ছ মনে হয়, পন্ড মনে হয়,
সব চিন্তা- প্রার্থনার সকল সময়
শূন্য মনে হয়,
শূন্য মনে হয়।"


অবন্তী তাদের গাড়িটা নিয়ে বের হয় নি। হেটে হেটেই বাড়ি থেকে বের হলো। আমি কিছুটা অবাক হলাম। ইচ্ছে করলেই গাড়ি নিয়ে বের হতে পারতো সে, তারপরেও হেটে হেটে বের হলো কেনো! সরু রাস্তাটাতে হাটতে হাটতে কথা বলে যাচ্ছিলাম আমরা। অবন্তীই কথা বলছিলো বেশি।
জানেন আমি শেষ কবে যে রিক্সাই চড়েছি নিজেই ভুলে গেছি। মাঝেমধ্যে রিক্সায় চড়তে খুব ইচ্ছা হয়। কিন্তু বাবা তা পছন্দ করে না। কোথাও যেতে চাইলেই বাবা সঙ্গে গাড়ি দিয়ে দেন।
আমি ছোট্ট করে বললাম- রিক্সায় চড়তে আমার অনেক ভালো লাগে।
মৃদু হেসে অবন্তী বললো, চলেন তাহলে রিক্সায় চড়ে কিছুক্ষণ ঘুরে বেড়াই।


এ যেন মেঘ না চাইতে বৃষ্টি। অবন্তীর সাথে একই রিক্সায়! একটা রিক্সা ঠিক করে উঠে গেলাম দুজনে। রিক্সা চলা শুরু করতেই অবন্তী বললো-
আসলে শপিং করার বিষয়টা মুল উদ্যেশ্য না। রিক্সায় চড়ার জন্যই আপনাকে আসতে বললাম। অনেকদিন ধরেই ভাবছিলাম একটা বিকাল রিক্সা করে ঘুরে বেড়াবো। অবন্তী বললো।

আমি চুপ করে অবন্তীর কথা শুনে যাচ্ছিলাম। হাত নেড়ে নেড়ে কথা বলে যাচ্ছে সে। মাঝেমধ্যে নীল শাড়ির আঁচলটা উড়ে আমার মুখে সামনে চলে আসছে। কিছুক্ষণ থেমে অবন্তী বললো-
সেদিন আপনাকে ভালোবাসার সম্পর্কের কথা বলেছিলাম। আমার ভাবনাটা আপনাকে জানানো হয়নি।
আমি আগ্রহ দেখিয়ে বললাম, বলেন, বলেন। শুনি আপনার ভাবনা।
আমার কাছে ভালোবাসার সম্পর্ক মানে প্রিয় কিছু প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির সমন্বয়। অন্যান্য সম্পর্কেও প্রত্যাশা আর প্রাপ্তি থাকে। তবে ভালোবাসার সম্পর্কে প্রত্যাশা আর প্রাপ্তিগুলো খুবই স্পেশাল।
হুমমম। প্রত্যাশা আর প্রাপ্তিগুলো কাজ করে কিভাবে? আমি জিজ্ঞেস করলাম।
একজন যখন অন্য আরেকজনকে ভালোবাসার মানুষ হিসাবে পছন্দ করে তখন তার কাছে কিছু বিশেষ বিষয় খুঁজে ফিরে সেই মানুষটা। সেগুলো অন্য কারো কাছে সে চায় না। তাই প্রত্যাশাগুলো থাকে খুবই একান্ত এবং স্পেশাল। তবে এইটা ঠিক যে প্রত্যাশাগুলো একদিনে গড়ে উঠে না। ভালোবাসার মানুষদুটির নৈমিত্তিক কথাবার্তা, আচার –আচরন, পারস্পরিক বিশ্বাস এসব থেকেই প্রত্যাশা বেড়ে উঠে। বিশেষ প্রত্যাশাগুলোর প্রাপ্তিগুলোও অসাধারণ হবে এমনটাই অবচেতন মনে চায় ভালোবাসার মানুষেরা। আর এভাবেই প্রত্যাশা আর প্রাপ্তি মিলিয়ে একটা ভালোবাসার সম্পর্ক টিকে থাকে।

আসলে বিষয়টাকে নানা দৃষ্টিকোন থেকে ব্যাখ্যা করা যায়। আমি বললাম।
তা ঠিক। তবে আমি আমার ভাবনাটা বললাম। একে আমার হাইপোথিসিস বলতে পারেন। অবন্তীর জবাব।

বেশ কিছুক্ষণ পর বেশ জমকালো এক শপিংমলের সামনে রিক্সা থামলো। অবন্তী কিছু শপিং করবে তারপর শপিংমলের ফুড কোর্টে কিছু খাবো, এমনটাই প্ল্যান হলো। বেশ ঘুরে অবন্তী কিছু কাপড় কিনলো। একটা দোকান থেকে রং কিনলো। পেইন্টিং এর বেশ কিছু কাজ নাকি করতে হবে। শপিং শেষে খাবারের দোকানগুলোর দিকে যাচ্ছিলাম। এমন সময় দেখি আমার ছাত্রী সঙ্গে কিছু বান্ধবী নিয়ে ফুড কোর্ট থেকে বের হয়ে আসছে। মনে মনে প্রমাদ গুনলাম। সামনাসামনি হয়ে যাওয়ার মতো। ছাত্রী দুর থেকে একবার আমার দিকে তাকায়, আরেকবার তাকায় অবন্তীর দিকে। ছাত্রীর মুখের দিকে একবার তাকিয়েই বুঝলাম ভীষণ মন খারাপ করে ফেলেছে সে। পাশকাটিয়ে খাবারের দোকানের দিকে চলে গেলাম।

(চলবে......)

প্রথম পর্ব

দ্বিতীয় পর্ব

তৃতীয় পর্ব

চতুর্থ পর্ব

পঞ্চম পর্ব

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৯
পারভেজ বলেছেন: ঠিকাছে। তবে একটু প্রত্যাশিত বা অনুমেয়র ভেতর পড়ে গেলো মনে হচ্ছে।
২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২২

লেখক বলেছেন: প্রত্যাশার সীমারেখার ঠিক পাশেই অপ্রত্যাশরা বাস করে। দেখা যাক কি দাড়ায়। :)
ধন্যবাদ পারভেজ ভাই।

২. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১০
নরাধম বলেছেন: হাহাহহাাহ......তিনকোন প্রেম ধরা খাইছে।
২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২৯

লেখক বলেছেন: ধরা খাইলো আর আপ্নে হাস্তাছেন :(

;)

৩. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৪
আবু সালেহ বলেছেন:

আমার কাছে ভালোবাসার সম্পর্ক মানে প্রিয় কিছু প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির সমন্বয়। অন্যান্য সম্পর্কেও প্রত্যাশা আর প্রাপ্তি থাকে। তবে ভালোবাসার সম্পর্কে প্রত্যাশা আর প্রাপ্তিগুলো খুবই স্পেশাল।


কথাটা অন্তরে অনেকটা দাগ কেটে গেলো....
এই পর্বটাকে প্রিয়তে স্থান দিয়ে দিলাম....
২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩২

লেখক বলেছেন: ধইন্যাপাতা এবং অনেক কৃতজ্ঞতা । :)

৪. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৫
মনজুরুল হক বলেছেন:

ঘটনা কি ? লাইফ ড্রামা নয়ত ? বুঝছি ভিত্রে ঢুকতে হবে !!
২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৮

লেখক বলেছেন: হা হা হা.....লাইফ ড্রামা। আস্তে আস্তে ক্লিয়ার হবে। :)

৫. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৭
রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন: ধরা খাইছে খিকজজজজজজজজজজ।
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৭

লেখক বলেছেন: ধরাতো খেলো মাত্র একবার। আপনি দেখি খিকজ বলতে গিয়ে ১০ টা জ দিছেন ;)
ঘটনা কিতা ? :P

৬. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৮
প্রীটি সোনিয়া বলেছেন: তোমার গল্প দেখেই লগইন করলাম....এখন তো আর পড়ার মত তেমন কিছুই পাইনা এইখানে....ভাল লাগলো গল্পটা....বেশ ভাল হচ্ছে....পরের পর্ব তাড়াতাড়ি দিও...:)

ভাল থেকো।
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:১৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ তোমাকে আপু।

পরের পর্ব তাড়াতাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করবো। :)

তুমিও ভালো থেকো।

৭. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২১
এন এইচ আর বলেছেন: আমার কাছে ভালোবাসার সম্পর্ক মানে প্রিয় কিছু প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির সমন্বয়। অন্যান্য সম্পর্কেও প্রত্যাশা আর প্রাপ্তি থাকে। তবে ভালোবাসার সম্পর্কে প্রত্যাশা আর প্রাপ্তিগুলো খুবই স্পেশাল।

অবন্তির সাথে আমি একমত। ভাল লাগলো।
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:১৯

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু থ্যাঙ্কু :)

৮. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২২
নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা... বলেছেন: চিরাচরিত কিছু বলে ফেলবেন না যেন...এতক্ষন ভাল লেগেছে...সামনেও লাগুক এই প্রত্যাশায় থাকলাম...
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:২৩

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে। :)
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সায়কা আপু।

৯. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২৪
নিবিড় বলেছেন: ভালবাসার ডেফিনিশন ভালো লেগেছে...।
আর এবারই রোমানটিসিজম ধরা পরেছে

বাচ্চা মেয়েটা দেখি কি করে এর পরের পর্বে....

পরের পর্বটা আল্লারওয়াষ্তে একটু তাড়াতাড়ি দিয়েন
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:২৯

লেখক বলেছেন: হুমম দেখা যাক বাচ্চা মেয়েটা কি করে ;)

পরের পর্ব তাড়াতাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করবো।
অনেক ধন্যবাদ :)

১০. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২৮
বরুণা বলেছেন: হায় হায় রে এমন ধরা????
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৩০

লেখক বলেছেন: কেমন ধরা ? ;)

১১. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩৮
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: শামীম ভাই, একটা পর্ব ও পড়ি নাই।

আমার ধারাবাহিক লেখা ধাক্কা খাইয়া খাইয়া পড়তে ভালা লাগে না। শেষ হইলে আওয়াজ দিয়েন / বুইঝা লমু। তারপর কমেন্ট।

২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৩২

লেখক বলেছেন: ওক্কে জানাবো :)
চানাচুর-মুড়ি উইথ ধইন্যাপাতা ;)

১২. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪৩
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: কট্‌ খাইলো দেখি পোলাটা! আহারে, আপসোস! এই হয় বুঝলা, দুই নৌকায় পা দিছে তো কট্‌ এন্ড বোল্ড! :(

তবে ভালোবাসার কথাগুলো সুন্দর শামীম। তোমার চিন্তাগুলো আগেই জানি বলে হয়তো আরো ভালো লাগছে এরকম বহিপ্রকাশ!
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৩৩

লেখক বলেছেন: হ পোলাডা আসলেই বট অ্যান্ড বোল্ড :(

থ্যাঙ্কু থ্যাঙ্কু তোমারে। :)

১৩. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫৫
ফারহান দাউদ বলেছেন: বুঝলাম যে,ফিটফাট জামা না পরলে ডেটিং মারা যায় না।
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৩৪

লেখক বলেছেন: এইতো এতোদিনে বুঝতে পারলেন ;)

১৪. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:২৯
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: আগের পর্বটি পড়া হয়নি। পড়ে দুই পর্ব নিয়ে অনুভূতিটা একসঙ্গেই না হয় জানাবো!
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৩৭

লেখক বলেছেন: আচ্ছা। ধন্যবাদ আপনাকে। :)

১৫. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪৬
অ্যামাটার বলেছেন: যাক...দুশ্চিন্তা কাটল...তারমানে শেষ পর্যন্ত অবন্তির সাথেই...
ছাত্রীটা তাহলে আমার জন্য থাকল...:P
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:০৪

লেখক বলেছেন: চুপ থাকো। ঘটনা মাত্র শুরু :-P
:P

১৬. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১১
প্রিয়তি বলেছেন: হিহি..ভাল হচ্ছে শামীম ভাই...মাষ্টার তো বেজায় চালু..ছাএী মন খারাপ করবে বলে..সে লুকানোর চেষ্টা করছে..মজার..

তবে কেন জানি গল্পের ধারা কমন হয়ে গেছে..প্রথম পর্বগুলো একটু অন্যরকম ছিল..

নীল শাড়ি, স্মার্ট হওয়ার চেষ্টা এগুলা কেন জানি নেকামি ছাড়া কিছু মনে হয় না.. :D

পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম।
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয়তি আপু।

নীল শাড়ি যে ছেলেটির কাছে খুব ভালো লাগে। কমন হয়ে গেলে কি আর করা :)

পরের পর্ব তাড়াতাড়ি দেওয়ার ইচ্ছা থাকলো।

১৭. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:২০
প্রিয়তমা বলেছেন: হুমমমম....;)
(নীল শাড়িটা আসলেই একটু কমন হয়ে গেছে) তবুও...
ভালোই লিখছো...
অপেক্ষায় রইলাম...
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১২

লেখক বলেছেন: তাই নাকি? ;)

ধন্যবাদ তোমাকে :)

১৮. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:২২
ফেরারী পাখি বলেছেন: আলসে নয় সে, ওঠে রোজ সকালে।
এই চাদর মুড়ি দেয়া আলসে ছেলেটা তো গুটুর গুটুর করে ভালোই গল্প লেখে।

আজকের টা পড়লাম। সবগুলো পড়ে বলবো, কেমন হলো।

২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩০

লেখক বলেছেন: আপনি দারুন বলেছেনতো :) অনেক ধন্যবাদ।

আচ্ছা সময় করে পড়ে মন্তব্য জানায়েন :)

১৯. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:২০
মিছে মন্ডল বলেছেন: পুররা ধরা!!!! হাহাহা; মজা পাইছি।

লেখা এইবার ভাল হইছে, কিন্তু অবন্তির ভালবাসা বিষয়ক আলোচনা মাথায় ধরে নাই। অবশ্য ধরার দরকারও নাই।

নেক্সট পর্বের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: আপনি নিয়মিত এই সিরিজ পড়ছেন দেখে খুব ভালো লাগছে।
কৃতজ্ঞতা এবং ধন্যবাদ আপনার জন্য।

পরের পর্ব তাড়াতাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করবো।

২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: বুঝতে হৈবেক ;)

২১. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৩৩
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: আফসোস.........। :P আপনার আত্নজীবনী আরো আগে দেয়া উচিত ছিল।

(লেখা আসলেই ভালো লাগছে।)
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: আত্নজীবনী!!!!

ধন্যবাদ :)

২২. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:০৮
সৌপ্তিক বলেছেন: শামীম ভাই স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসে আবারো তিনি স্বপ্ব দেখতে এবং স্বপ্ন দেখাতে চায় আজীবন এই পণ করেছেন! শামীম ভাই অলস সারাদিন ঘুমায় প্রোফাইলে ছবিই তার প্রমাণ দেয়। বাস্তবতা ফেরী করে বেড়াচ্ছেন উনি উনার সহজ শর্তের সময়গুলোকে নিয়ে।। নিয়মিত ব্লগার তিনি ভাল ভাল পোষ্ট ও দেন তিনি।। রুপালী পথের দিকে যেতে চায় এই ব্লগে ভোর রাতেও ব্লগায়।। আর কিছু মাথায় নাই ভুল ত্রুটি ক্ষমা চাই।
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫২

লেখক বলেছেন: আরে ভাইজান দারুন লিখছেন তো!!!

অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা এবং ধন্যবাদ।

২৩. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৪৪
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: এই পর্যন্ত কোনো পর্বে মন্তব্য করি নি। তবে পড়ছি কিন্তু। এই পর্বটা খুব ভালো লেগেছে। বিশেষ করে ভালোবাসার ব্যাখ্যাটি।
ভালোবাসার সম্পর্ক মানে প্রিয় কিছু প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির সমন্বয়।

ঠিকই বলেছেন, প্রতিটি সম্পর্কেরই প্রত্যাশা এবং প্রাপ্তি থাকে কিন্তু ভালোবাসার মানুষের কাছে সব কিছু স্পেশাল চাই।

সঙ্গে থাকবো শামীম ভাই।
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শেরিফ ভাই।
সাথে থাকবেন আশা করছি । :)

২৪. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৫৮
নুশেরা বলেছেন: দারুণ সাসপেন্স! তাড়াতাড়ি পরের পর্ব দিন।
লেখাটা এত সাবলীল, পড়ার পর মনে হয়, এত তাড়াতাড়ি পড়ে ফেললাম!
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নুশেরা আপু। :)

২৫. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:১০
তানজু রাহমান বলেছেন: তুই সেইদিনের পিচ্চিপোলা...কি করে এতো সুন্দর লিখিস!!!???
তোর ভাল গুনগুলো যে কি পরিমানে ভালো~
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:০৭

লেখক বলেছেন: তোরে অনেক ধইন্যাপাতা :)

২৬. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:১৭
কিংশুক০০৭ বলেছেন:
শেষ পর্যন্ত কি হয়..................
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:১০

লেখক বলেছেন: হুমমম দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কি হয় :)

২৭. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৭
জেরী বলেছেন: পুরা ধরা খেয়েছেন দেখছি:):)

ছাত্রীর জন্য দুঃখ হচ্ছে:((:((
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:১৫

লেখক বলেছেন: ধরা :(

হুমমমম ;)

জেরীরে ধইন্যাপাতা :)

২৮. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২৫
নাঈম বলেছেন: হুমমমমম..........
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:১৯

লেখক বলেছেন: হই মিয়া আপ্নে দেখি খালি হুমান। ঘটনা কিতা? ;)

২৯. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৯
নিবিড় অভ্র বলেছেন: বলেন কি?????????? এক্কেবারে মুখোমুখি সংঘর্ষ !!! :-/ :-/

খিক খিক..... তা হতাহতের সংখ্যা কত ;)
২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৪

লেখক বলেছেন: খিকজজজ :) ;)

৩০. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৩
নিবিড় অভ্র বলেছেন: ও ......নয়া জুতা পইরা পায়ে ফোস্কা পড়ে নাই :-*
নাকি ডেটিং থুক্কু শপিং এ নীল শাড়ি দেখতে দেখতে আর কিছু খেয়াল নাই ?? ;)

বাড়ি ফিরেন..... পায়ের অবস্হা কি অবন্তী ভাবী কে না জানাইয়া আগে পায়ে বরফ ঘষেন.... অবশ্য না.... বরফ ঘষেও লাভ নাই, যান না ছাত্রীর কাছে.. ঐ পদযুগল তো সে ভাঙিয়াই দিবে... তাই বরফ না ঘষিয়া সরাসরি পায়ে প্লাস্টার করাই বুদ্ধিমানের কাজ :D :D
২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৩

লেখক বলেছেন: তুমি দেখি ব্যাপকসসস গেয়ানী :)

৩১. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২২
নাজনীন খলিল বলেছেন:

শেষ পর্ব পর্যন্ত না পড়ে কিছুই বলবোনা। কিন্তু এটুকু বলতে পারি শেষ পর্বপর্যন্ত অবশ্যই পড়তে হবে...................................................


শুভেচ্ছা রইল।
২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপু। :)
শুভেচ্ছা

৩২. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০২
প্রলয় হাসান বলেছেন: ভালো লাগলো । চলুক...


ভাবসিলাম খালি এই কথাটা লিখেই কমেন্ট করবো। কিন্তু আনন্দদার কবিতাটা আরেকটু বলতে ইচ্ছে হচ্ছে...


রবিগুরুর কবিতা পড়ে মাঝে মাঝে ভাবতাম এই লোকটা সব সিচুয়েশনের জন্য কবিতা লিখে গেছে....তার ব্যাপারটা মনে হয় এরকম যে, অনেকগুলো আইটেমের ভেতর কাউকে সবগুলো আইটেম চেখে দেখতে বলা হলে সে হজমে সমস্যা ভয়ে প্রতিটি আইটেমেই একটু একটু করে চেখে দেখবে। তাতে কথা রাখা হলো বটে, কিন্তু খাবারের আসল স্বাদটা থেকে বন্চিতই থাকা হলো।

আর আনন্দদার কবিতা হলো, সবটা ছুয়েঁ দেখার দরকার নেই, তবে যেটুকু দেখবো, প্রান ভরে দেখবো, অন্তঃঅস্তিত্বের কিছুই বাদ থাকবে না।

হা হা। কোথায় কবিতা আর কোথায় খাবার!! কিসের সাথে কি মেলালাম! ধুর!:)

আচ্ছা শামীম, প্রেম-ভালবাসার এই দার্শনিক টাইপ সংজ্ঞাগুলো শুনে শুনে এত হুবহু মনে রাখো কি করে? সেটা আবার এত গুছিয়ে লেখই বা কি করে? ছেলেটার নিজের কিছু যে সেখানে একেবারেই নেই, এ ব্যাপারে কি ছেলেটা গ্যারান্টি দিতে পারবে?;)

২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:২২

লেখক বলেছেন: ছেলেটার নিজের কিছু যে সেখানে একেবারেই নেই, এ ব্যাপারে কি ছেলেটা গ্যারান্টি দিতে পারবে?;)

খিকজজজজ :)

ধন্যবাদ। :)

৩৩. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:০২
চানাচুর বলেছেন: পড়ছি অফলাইনে।:)
২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৮

লেখক বলেছেন: তোমারে অনেক ধইন্যাপাতা। :)

৩৪. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৭
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: শামীম.......।
ভালো লাগলো...।
আশাকরি সামনে প্রত্যাশিত কিছু আসছে........।
শুভেচ্ছা নাও।
২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৩

লেখক বলেছেন: দেখা যাক সামনে কি আসে। :)
ধন্যবাদ আপু।
শুভেচ্ছা।

৩৫. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪৪
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: ছাত্রীর হৃদয় ভাংগার জন্য মাইনাস।
০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:২২

লেখক বলেছেন: এইটা আবার কি বললেন ভাইজান :|

;)

৩৬. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪১
েজবীন বলেছেন: অবন্তী'র কথাগুলো ভাল্লাগছে....... :)

এই পর্বটা ৭ তম'র তুলনায় গুছানো বেশি.....
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০১

লেখক বলেছেন: হুমমমম
ধন্যবাদ আপু।

৩৭. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫১
নিহন বলেছেন: ভালো লাগা ২৫ ।
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নিহন

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: ভাইজান ধরা খাইছি বইলা কি হাসতে হৈব ? :)

৩৯. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৩০
রাশেদ বলেছেন: হা হা! বেচারা! :D :D
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:০০

লেখক বলেছেন: হু সবাই বেচারা ;)

৪০. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:১৭
সব যদি আজ বদলে যেত বলেছেন: কপালে শনি আছে। মেয়েরা ক্ষেপে গেলে সব শেষ।
০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৭

লেখক বলেছেন: ভাইজান আপনি এতো কিছু জানেন কিভাবে? ;)

৪১. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:১৫
সিলভার রেইন বলেছেন: "ছাত্রী দুর থেকে একবার আমার দিকে তাকায়, আরেকবার তাকায় অবন্তীর দিকে। ছাত্রীর মুখের দিকে একবার তাকিয়েই বুঝলাম ভীষণ মন খারাপ করে ফেলেছে সে।"


বেচারী। ভালবাসার ডেফিনেসনটা ভাল দিসেন। যদ্দুর বুঝতাছি, পিচ্চি মাইয়াটারে আপনি ছ্যাকা দিবেন আর অবন্তী আপনারে ছাইড়া যাইব।
০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৬

লেখক বলেছেন: ভালোইতো পর্যবেক্ষণ করছেন। :) দেখা যাক কি হয়।

৪২. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৮
অন্তিম বলেছেন: এইবার-তো মনে হয় স্যারের মাথায় আকাশ ভাঙ্গে পড়ল:(
তাই না স্যার??????????

চমৎকার লাগছে।
অসাধারন বর্ননা----------।

ভাল থাকবেন।
০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৯

লেখক বলেছেন: হুমমম....

ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

৪৩. ০৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:০৪
শত রুপা বলেছেন: অবন্তী এবং সম্পর্ক এবং আমার আগ্রহ
০৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:২৭

লেখক বলেছেন: আচ্ছা আচ্ছা :)

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৫৭৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
http://www.facebook.com/samimblog

আমি স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসি। স্বপ্ব দেখতে এবং স্বপ্ন দেখাতে চাই আজীবন।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ