আমার প্রিয় পোস্ট
- অনুভুতি ছুয়ে যাওয়া কিছু বিজ্ঞাপন এবং তার পিছনের কিছু কথা। - তন্ময় ফেরদৌস
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- ফিরে দেখা ২০১১ : ব্লগ নিয়ে ব্লগারদের বাছাই ৩০ + নির্বাচিত ২০ ব্লগরম্য - ফিউশন ফাইভ
- ৯০ দশকের বিটিভি পর্দার বিজ্ঞাপনো-পিডিয়া - মেহরাব শাহরিয়ার
- ব্লগ নিয়ন্ত্রণে সাইবার আইনের চিন্তা! বাদ দেন! - পটল
- 70 দিনের হিসাব - অপ বাক
- বাংলা ব্লগ- সংস্কৃতি, রাজনীতি, সম্ভাবনা, ভাষা, সাফল্য ও সীমাবদ্ধতা (শামীম ভাই´র ৬ টি প্রশ্ন ও আমার স্বল্প জ্ঞানের মতামত) - পটল
- কিভাবে সামু ব্লগের খোঁজ পেলেন? - প্রজন্ম৮৬
- পারসোনার কাছে আমার কিছু জিজ্ঞাসা - অগ্নিলা
-
দেখে যান পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত কিছু মানুষের বিখ্যাত কিছু মিথ্যা।
।পৃথিবীর ইতিহাস অন্ধকারে ছিল বহুদিন যে কারনে। - ঢাকারআশিক
- সাকিব তামিমকে বাদ দেয়ার কারণ কি আসলে? ব্যার্থতা নাকি সেই নোংরা রাজনীতি? - বাউন্ডুলে রুবেল
- আট বছর ধরে পৃথিবী ঘুরে বেড়িয়ে যে উনত্রিশটি শিক্ষা আমি পেয়েছি - ২ - বিলাশ বিডি
- [ফিরে দেখা] বাংলাদেশের টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রির নতুন যুগে যাত্রা - বিদেশি চ্যানেলের পদার্পন এবং প্রাইভেট প্রডাকশনের আগমন (১৯৯২-৯৪) - রাইসুল জুহালা
- সিংহের খপ্পরে তিন ব্লগার > অপ্সরাপু, নাফিস ইফতেখার এবং একরামুল হক শামীম ! - এস.কে.ফয়সাল আলম
- আজ ১৭আগষ্ট ব্লগার নাফিস ইফতেখার, শায়মা ,অপ্সরা , ব্যাকটেরিয়া , লাল চাঁন সহ নয়জন ব্লগারের জন্মদিন। - জিসান শা ইকরাম
- বিভিন্ন কোম্পানির লোগোতে গোপন বার্তা > - খন্ডকাব্য
- এক্সপেরিমেন্টাল মুভি রিভিও পোস্টঃযে মুভিগুলো না দেখলে মরেও শান্তি পাবেন না(সামুর সকল মুভিখাদকের অবশ্য পাঠ্য) - নিয়নের আলো
- একজন আয়শা আপা,একজন আমি - সরলতা
- বলিউডি সিনেমা- হলিউডি কাহিনী - ইহতিশাম আহমদ
- [ফিরে দেখা] ভুলে যাওয়া পত্রপত্রিকাগুলি - রাইসুল জুহালা
- বইমেলা ও আমরা তিন ভাইবোন - শুকনা মরিচ
- একটু সাহস দেন না ভাই: আমি যে চাকরি টা ছেড়ে দিলাম!!!

- কাদামাটি
- সেদিন তোমাকে ! - চতুষ্কোণ
- একটু মায়া, একটু ভালোবাসা - আকাশনীল
- দেওয়ানী মোকদ্দমার স্তরসমূহ: - সৈয়দা আমিনা ফারহিন
- Image এর খোঁজে, শেঁকড়ের টানে - TinEye
- নাফিস ইফতেখার
- যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা - পিএইচডি নাকি মাস্টার্স - রাগিব
- রোড টু স্কলারশিপ - ১ - ফাজিল
- গুগল নিয়ে ঘাঁটাঘাটি - ফিউশন ফাইভ
- আত্মার খুব কাছাকাছি কিছু - অগ্নিলা
- মনের জানালা-২ (আপনার সমস্যা এবং সমাধান) - আউলা
- অপ্সরাপু, নাফিস ইফতেখার এবং একরামুল হক শামীম ভাইয়ার জন্মদিনে শুভেচ্ছার ফুলঝুড়ি - এস.কে.ফয়সাল আলম
- ছোট্ট নিশি এবং তার হতভাগ্য পিতা - ড়ৎশড়
- [sbযে বই গুলো পড়া দরকার (সবগুলোর লিস্ট) - িক
- পুরোনো কিছু বিজ্ঞাপন - সংবাদপত্রে প্রকাশিত ( ২য় পর্ব ) - বল্টু মিয়া
- বাংলার ভূ-স্বর্গ (ছবি ব্লগ) - দুখী মানব
- নীরা আর অদিতির গল্প, তাদেরকে ভালোবাসা - ড়ৎশড়
- ডাটা রিকভারি টুল দিয়ে আপনার স্ক্র্যাচ পরা CD/DVD থেকে ডাটা উদ্দার করুন - মঈনউদ্দিন
- “ঢাকার মজার কিছু খাবার দোকান এবং ঠিকানা” - নাফিজ মুনতাসির
- বাংলাদেশের চলচিত্র নিয়ে সাতকাহন [কিছু দুর্লভ ছবিসহ] (প্রথম পর্ব) - ধীবর
- বাংলা কম্পিউটিং নিয়ে সাম্প্রতিক আলোচনা – কিছু বাস্তবসম্মত প্রস্তাব - শাহ্ আসাদুজ্জামান
- আসুন নিজে নিজে বাংলা কিবোর্ড বানাই - মারূফ মনিরুজ্জামান
- যুদ্ধ শিশু '৭১ : স্বাধীনতার এক নিষ্ঠুর বাস্তবতা-২ -৩ - আলী
- ব্লগারদের বই নিয়ে আহমাদ মোস্তফা কামালের রিভিউ : ছাপা কাগজে একটুকরো 'ব্লগ' - ফিউশন ফাইভ
- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শুরু করবেন যে ভাবে, পর্ব-৪ - হাসমত০০৯
- আমেরিকা আমেরিকা - ০১ (মানুষগুলো)। - নরাধম
- ** বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্য ও ভাস্কর্য এর অন্তনিহিত ইতিহাস : পর্ব - ০১ ** - একান্ত কথা
- ছাত্র সাংগঠনের কর্মকান্ড কি শুধু মাত্র ছাত্রদের দাবী দেওয়া নিয়ে সীমাবদ্ধ থাকবেঃ University of Alabama এর অভিজ্ঞতা । - ভিন্ন চিন্তা
- ১৯৭১ এর নভেম্বর ডিসেম্বরের ঘটনাপ্রবাহ - ৩ : স্বাধীনতা পূর্বাপর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দলিলসমূহ - ৯ - মিরাজ
- হালচাল...অনেকদিন পরের কিছু গল্প... - গোলাপি
- একটি আধা জঘন্য ব্লগীয় চিঠি (সংশ্লিষ্টরা কিছু মনে করবেন না প্লিজ!) - ফিউশন ফাইভ
- বিশ্বায়নকালে মিডিয়া: বড়ো দানবদের ছোট্ট দুনিয়া - ফাহমিদুল হক
- ৬৭তম গোল্ডেন গ্লোব এ্যাওয়ার্ড এবং কিছু কাটা-ছেঁড়া - নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী
- ব্লগ আইডল: ব্লগবাজিতে পারঙ্গম বন্ধুরা!!
- এরশাদ বাদশা
- মুভি বিষয়ক কিছু পোষ্ট - নতুন রাজা
- ফিরে দেখা ২০০৯ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগের উল্লেখযোগ্য ঘটনাসমূহ - ফিউশন ফাইভ
- আপনার দেখা টপ ৫০ কমেডি মুভির লিষ্ট দেন দেখমু - মোতাব্বির কাগু
- বুদ্ধিজীবী হত্যা:১৯৭২ সালের ৩০ শে জানুয়ারি জহির রায়হান মারা যাননি। - আরিফ সিদ্দিকি
- যুদ্ধাপরাধ ও ট্রাইব্যুনাল : ভূমিকা ও ইতিহাস - জোবাইর
- আর মাত্র পঞ্চাশ মিনিট বাকি - শাহরিয়ার নির্জন
- ‘ক্ষুধার্ত এবং বোকা’ একজন অসামান্য মানুষ - দীপান্বিতা
- দেবদূতের বিবাহনামা ----- ৬ - শান্তির দেবদূত
- ফ্রি লাইব্রেরী: ঘরে বসে পড়ুন - বায়লোজি বলে আমি নাকি ছেলে!!
- জীবনানন্দের মৃত্যু রহস্য - আহমদ আবদুল হালিম
- ইন্টারনেটের বিশাল তথ্যভান্ডার থেকে আপনার কাঙ্খিত তথ্যটি খুঁজে পাওয়ার কয়েকটি সহজ এবং ইউসফুল ট্রিক্স। - হোরাস্
- বাংলা কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য ঘটনা (সায়েন্স ফিকশান প্রেমীদের অবশ্য পাঠ্য!
) - বোহেমিয়ান কথকতা
- সেরা রোমান্টিক মুভি - শওকত হোসেন মাসুম
- পিচ্চিকালের প্রিয় প্রিয় খাবার গুলো
- বাবুনি সুপ্তি
- ভালবাসার যত বিজ্ঞাপন... - অ্যামাটার
- যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চতর শিক্ষা - কীভাবে লিখবেন স্টেটমেন্ট অফ পারপাস - রাগিব
- যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চতর শিক্ষা -- আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু তথ্য - রাগিব
- বিশ্ববিবেককে কাঁপিয়েছিল যে ছবি - জোবাইর
- মহাকালের মহাপথিক : জীবনানন্দ - চতুষ্কোণ
- মামা কাহিনী
- চতুষ্কোণ
- 'অশ্রুপাত শেষ হলে নষ্ট করো আঁখি' - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, আমাদের গলাবাজি, আমাদের দায়িত্ববোধ - শওকত হোসেন মাসুম
- অতঃপর আড্ডা নিয়ে একটি পদ্য... - সুনীল সমুদ্র
- ২ অক্টোবরের ব্লগ আড্ডা সংকলন - গোয়েবলস
- ছবিই সব কথা বলে আড্ডার - আরিয়ানা
- ব্লগ আড্ডা - বৃষ্টি ভেজা চমৎকার একটি সন্ধ্যা - শ।মসীর
- চোরকাঁটার আড্ডা দর্শন
- চোরকাঁটা
- ভ্রমে বিভ্রমে ভ্রমণ ২ - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- কিছু করার চেষ্টা - বাবুনি সুপ্তি
- আদিবাসী সুর, আদিবাসী গান - ভাঙ্গা পেন্সিল
- ছবির হাটে চাঁদের হাট - ব্লগার দের আড্ডা - শ।মসীর
- জটিল আড্ডা...........!! - স্পর্শহীন কিছুদিন
- মানুষ আসলেই একা! - শফিউল আলম ইমন
- যানজটে জীবনজট-২: সম্ভাব্য সমাধান - ফারহান দাউদ
- সম্পর্কের গভীরতা - জ্বিনের বাদশা
- যে শহরে তুমি আছো, কি করে খবর সেথা পৌছে দেই! - কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি
- ...................... এবং ১০০ - ফারহান দাউদ
- ব্লগ পরিবারে একটি বছর - অপ্সরা
- ৫০ তম পোস্ট ...... অনিতাদি, ক্ষমা করো যদি ইচ্ছে হয় ..... - হনলুলু
- স্ক্রীপ্ট রাইটিং পর্ব-এক - রন্টি চৌধুরী
- রিকশা: সংক্ষিপ্ত ইতিহাস - ইমন জুবায়ের
- অসাধারণ কিছু জিমেইল ফিচার: জিমেইল গাইড- পর্ব:১ - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- Where father is a fictitious character..... - নিবিড় অভ্র
- বরষা বন্দনা - ফেরারী পাখি
- ফায়ারফক্সের কিছু জসিলা এডন
- কাঙাল মামা
- “ভালোবাসার কাজটি খুঁজে নিতে হবে” – স্টিভ জবস এর বিখ্যাত সমাবর্তন বক্তৃতা - বিলাশ বিডি
- সামুব্লগ বিবাহ - ৬ - আউলা
- ভরা বর্ষায় কড়া বৈশাখী খানা - অপ্সরা
- বহুব্যবহৃত ও প্রয়োজনীয় কিছু শব্দের শুদ্ধ বানান - জোবাইর
- প্রেমাবেগ
(লিখেছেন: চানাচুর) - চানাচুর
- এই ব্লগ সেই ব্লগ; নস্টালজিক প্যাঁচাল....- ডেডিকেটেড টু অল দ্যা নিউ ব্লগার.. - এরশাদ বাদশা
- এই আমি তোমার জন্য। - ফেরারী পাখি
- জ্বর আসতেছে .....
এইটা একটা সিরিয়াস পোস্ট
- হনলুলু
- শতবর্ষ আগের ঢাকা - মামুনুর রহমান খাঁন
- ঢাকার অনেক পুরাতন কিছু ছবি!! দেখুন ও শেয়ার করুন
- বজ্রাহত
- আমার ভিনদেশি তারা - চন্দ্রবিন্দু - মিঠি
- ভার্চুয়াল সম্পর্কগুলো.... - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- আমার নিশীথ রাতের বাদলধারা - বরুণা
- সামহোয়ারইন, স্প্যামার ঠেকাতে আইপি হ্যাশ প্রকাশ করুন - তর্পন
- সাইবার ক্রাইম : আমরা কতটা প্রস্তুত? - রিজওয়ানুল ইসলাম রুদ্র
- আগামীবার যখন উইন্ডোজ নতুন করে সেটআপ দেবেন....... - নাফিস ইফতেখার
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার রোধে আন্তর্জাতিক চাপ - রেজওয়ান
- ভার্চুয়াল ও ননভার্চুয়াল ক্ষেত্র থেকে সামহোয়ারইনব্লগ কর্তৃপক্ষের ব্লগ রূপরেখা এবং এর ব্লগ, ব্লগার ও ক্রমঃবিবর্তিত পরিচালন পদ্ধতি - কৌশিক
- ব্লগ কী? - ফাহমিদুল হক
- স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা বাবাকে নিয়ে আমার জীবনের প্রথম লেখা (মুক্তিযুদ্ধে যারা বাবা হারিয়েছ তোমাদের সবার জন্য উৎসর্গ) - মুনীর উদ্দীন শামীম
- কেভিন কার্টারের ছবি এবং রুদ্রের কবিতার শকুন - তর্পন
- কিংবদন্তী ঢাকার মসলিন (শেষপর্ব) - প্রিয়তমা
- সুনীল সমুদ্রের ক্যামেরায় ও কমিকস-এ এবারের পিকনিক - সুনীল সমুদ্র
- আজকের প্রথম আলোতে ব্লগ প্রসঙ্গ এবং আবার 'ফিরে দেখা '৭১' - ব্রিগেড সিক্সটিন
- ৯৯.৯% কষ্টের জীবন - আকাশনীল
- বসুন্ধরা অগ্নিকান্ড ও আমাদের সচেতনতা - পারভেজ
- গোলাম আজমের ভাষা সৈনিকগিরি আর তেলাপোকার জীবন বৃত্তান্ত - এস্কিমো
- ব্লগারদের পছন্দের সেরা কিছু রোমান্টিক বাংলা গান। - নিঃসঙ্গ
- ডক্টর মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেইন : যার কাছে বাঙালীর অসীম কৃতজ্ঞতা - অমি রহমান পিয়াল
- সিয়েরালিওনের বিশেষ আদালত- রাজাকারদের বিচারেরর দিক নির্দেশনা - মেঘ
- বিশ্ববিদ্যলয়ের প্রেম - ২৭ - কৃষক
- ছোটগল্পঃ আলো-ছায়ার ওপাড়ে - মোস্তাফিজ রিপন
- ...অসমাপ্ত দিনের গল্প। - ...অসমাপ্ত
- * * * ..শাড়ীর আঁচলে রক্তে লেখা একদিন.. * * * - অনন্ত দিগন্ত
- যারা আইবিএ-তে ভর্তি পরীক্ষা দিবেন তাদের জন্য উপদেশনামা!! - নরাধম
- বৃষ্টিস্নাত এই সব দিবারাত্রি - ইরতেজা
- মূলধারা '৭১।। ২৫ মার্চের কালো রাত্রি ও তাজউদ্দিনের ভারত আগমন - শওকত হোসেন মাসুম
- আমরা যারা ভালবাসা খুঁজি... - ...অসমাপ্ত
- আপনার শোনা বাংলা বেস্ট রোমান্টিক গান কোনটা ? - নিঃসঙ্গ
- ফুলের নাম - বীণা - রাজামশাই
- ফ্রি ওয়েবসাইট আর অনলাইনে টাকা কামানোর রহস্য - হাসান
- বর্ষপূর্তিতে আমার দু'কলম - রুখসানা তাজীন
- জামায়াতে ইসলামী এর ইতিহাস ফিরে দেখি - ইরতেজা
- গল্পঃ স্মৃতিভ্রষ্টতার উল্টোযাত্রা - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- আমাদের মুক্তিযুদ্ধ : অনিবার্য ছিলো, আকস্মিক নয় - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- ব্লগের বর্ষসেরা পোস্ট- চোরকাঁটা ইশ্টাইল কিস্তি ২ - চোরকাঁটা
- আমরা বিজয় দেখেছি খালি চোখে - আমরা বিজয় দেখছি দূরবীনে ! - মনজুরুল হক
- একরামুল হক শামীমের অপেক্ষা গল্পটি পড়ে তাকে উপহার স্বরূপ - সামী মিয়াদাদ
- দেশে বাল্য বিবাহের প্রকোপ আশংকাজনক হারে বেড়ে যাচ্ছে [উৎসর্গ : একরামুল হক শামীম] - বিষাক্ত মানুষ
- পঞ্চ ইন্দ্রিয় - পারভেজ
- দশ ব্লগাররে লইয়া খভিতা একটা কইরা মাইনাচ দিয়া যান - সৌপ্তিক
- দুই জেডারে পাইছিলাম পথে... একটি সেমি/ কোয়ার্টার আড্ডা ! - ঘাসফুল
- Search Engine Optimization – এ হাতেখড়ি (পর্ব ১) - হাসান
- টুকরো টুকরো ভালবাসা - ১৩ - মুনতাসীর মারুফ
- ঘুম - ভাঙ্গা পেন্সিল
- মি, মাইসেল্ফ এ্যান্ড পরী - ধূসর মেঘমালা
- রাখালী কাব্য - নাদান
- প্রণয় এবং বিচ্ছেদের অবশ্যম্ভাবিতাঃ একটি ময়নাতদন্ত - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- চিটি আপুর বর্ষপূর্তিতে আমারা .................
- নিহন
- ভালবাসাবাসি করেন
.... তয় In Ishtyle!!!!
(অনুবাদ পোস্ট) - এম্নিতেই
- কাঁদছে স্মৃতি--কে দেবে গো -- মুক্তি দেবে তারে! - শেরিফ আল সায়ার
- ওপেনসোর্স সফটওয়্যারের জগতে আপনাকে স্বাগতম (অনেকগুলো সফটওয়্যারের বর্ননাসহ ডাউনলোড লিংক) - নাফিস ইফতেখার
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১২৯ ব্লগারের তথ্য (আপডেট পোস্ট) - ফিউজিটিভ
- কোরআনের সংরক্ষণ।-১ - কুম্ভকর্ণ
- গলা ছেড়ে বলতে চাই - সবাক
- 'আমরা দুজনে মিলে শূন্য করে চলে যাব জীবনের প্রচুর ভাঁড়ার' - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- যে দিন আমি মায়ের সমান হবো - রাগ ইমন
- আজ সেই বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুদিন.....আজ আমার কষ্টের দিন..... - মনজুরুল হক
- বাংলা স্পেলচেকিং - কিছু ওপেন সোর্স প্রজেক্ট - আছহাবুল ইয়ামিন
- নতুন করে ভাবি- কতোটা মন পুড়ে গিয়ে হয় নিঃশেষ!!! - একরামুল হক শামীম
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -২ (GRE)। - কুম্ভকর্ণ
- একজন বয়স্ক ভদ্রলোকের জন্মদিন

- আউলা
- আজ চমৎকার একটি আড্ডা হয়ে গেল - মিলটন
- শেষচিঠি - অপ্সরা
- পুনর্জন্ম ......... (ফ্যান্টাসী ছোট গল্প) - শান্তির দেবদূত
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -১(GMAT)। - কুম্ভকর্ণ
- শিরোনামহীন ০ (শূন্য) - রাতমজুর
- কিছু ব্যক্তিগত দীর্ঘশ্বাস ............ - হনলুলু
- ~আমার স্বপনের বাহন~/উৎসর্গ: একরামুল হক শামীম - বিবর্তনবাদী
- একটি চন্দ্র বালিকার গল্প। - নাদান
- আমাদের মায়েরা (মা দিবসে ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ) - একরামুল হক শামীম
- আমি তোমাকেই বলে দিবো, কিযে একা দীর্ঘ রাত আমি হেটে গেছি বিরাণ পথে - একরামুল হক শামীম
- লাল গাড়ি আর লাল বালিকার গল্প - নিধিরাম সর্দার
- প্রিয় ব্লগের প্রিয় ব্লগারদের প্রিয়তমার প্রিয় কিছু কথা - প্রিয়তমা
- ১০ বিষয়ে সেরা ১০ ছবির তালিকা: মুভি প্রেমিকদের জন্য অবশ্য পাঠ্য - শওকত হোসেন মাসুম
- কাজলাদিদি .............. উতসর্গ আউলাদি - হনলুলু
- না এলেই ভালো হতো...! - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- চির উন্নত শির(আজ আমাদের জাতীয় কবির ১০৯তম জন্মবার্ষিকী,বাংলা ১১ই জৈষ্ঠ হিসেবে আগামী কাল-ও){ছবি ব্লগ} . - অ্যামাটার
- "চলচ্চিত্র সমাজ পরিবর্তন করতে পারে না, কখনো করেও নি" -- সত্যজিৎ রায়ের সাক্ষাৎকার - ফাহমিদুল হক
- চিকনমিয়ার বিয়ে - আউলা
- আমি , যে কোনদিন মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি .......... - হনলুলু
- দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া -- ব্লগে বসে বিশ্বভ্রমণ - রাগিব
- ডাউনলোড Radio Foortie's Top 100 Songs!(শ্রোতাদের ভোট এ-২০০৭) - ধূসরিত স্বপ্ন গুলো
- বাংলাদেশের গান - যূঁথী
- জীবন একটা গম্ভীর বিদ্রুপ! - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- প্রিয় ব্লগারদের লেখার সন্ধানে.... - একরামুল হক শামীম
- ব্লগারদের দৃষ্টি আকর্ষণ!! বৈশাখী সংকলন ১৪১৫: অনুমতি প্রদান ও লেখার লিঙ্ক দেবার জন্য আহবান - রাশেদ
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিন........ - শফিউল আলম ইমন
- সবাইকে মহান স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা... - নোটিশবোর্ড
- প্রথম আলো ব্লগ : অভিনন্দন মাহবুব মোর্শেদ ভাই - বাউণ্ডুলে
- যে রাতটি আমার নির্ঘুম কাটে - সামী মিয়াদাদ
- তোমাদের কাছে এই আহ্বান... এগিয়ে এসো বাঁচাতে কিছু প্রাণ... নির্বিশেষ... বাংলাদেশ, বাংলাদেশ (উৎসর্গ- জর্জ হ্যারিসন) - একরামুল হক শামীম
- জনৈক জ্ঞানী মানুষের সাথে কথোপকথন এবং কিছু সিদ্ধান্ত। - নির্বাসিত
- যে কারনে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ব্যর্থ হলাম (মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও নির্যাতিত সকল সূর্য-সন্তানদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা সহ) - মিরাজ
- সামহোয়্যারের ব্লগার বন্ধুরা...এই কথাগুলো শুনুন...এই কলংক যেন আমাদের স্পর্শ না করে... - মুকুল
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রের তালিকা - ফারহান দাউদ
- কেন লিখিনা - সামী মিয়াদাদ
- বাংলা ইউনিকোড ভিত্তিক ওয়েব সাইট - ক্যামেরাম্যান
- রাত বিরাতের আড্ডা - একরামুল হক শামীম
- চড়ুইভাতি, ঘুমকাতুরে আমি, বাসের যাত্রা, প্রাগৈতিহাসিক জায়গা, ক্ষুধায় কান্ত আমরা, আনলাকি লটারি, কষ্টকর ফিরে আসা এবং অতঃপর মাইনাচ (একটি পিকনিকীয় পোস্ট) - একরামুল হক শামীম
- বাংলার বীরশ্রেষ্ঠ সন্তানেরা - সাত বীরশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধার জীবনী - রাগিব
- নিশীথ রাতের ব্লগার এবং কিছু কথা - একরামুল হক শামীম
- সাময়িক পোষ্ট: আপনার জন্মদিন কবে?? (সবাইকে অংশগ্রহন করার বিনীত অনুরোধ) - শফিউল আলম ইমন
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- আয় করুন Google Adsense এর মাধ্যমে - গাজী মো: সাইফুল ইসলাম
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- সামহোয়ারইনব্লগ-এ আমার দরকারী পোস্ট - একরামুল হক শামীম
- আমাদের মিলগুলো - একরামুল হক শামীম
- আমার শততম পোস্ট - একরামুল হক শামীম
- বন্ধুত্বের সেরা দশ বই এবং অন্যান্য - একরামুল হক শামীম
- বাবা তোমায় ভালোবাসি - একরামুল হক শামীম
১৯৭১ সালে সংঘটিত যেসব অপরাধের বিচার হওয়া জরুরী
৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১৮
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই। এই আহ্বান আমাদের প্রাণের দাবি হয়ে উঠেছে। আইনী বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে। সাধারণত আমরা যুদ্ধাপরাধী শব্দটার সাথেই বেশি পরিচিত। তাই সাধারণ অর্থে ১৯৭১ সালে সংঘটিত সবধরনের অপরাধের অপরাধীকে যুদ্ধাপরাধী বলি। সাধারণ অর্থে বললে খুব বেশি সমস্যার কিছু দেখি না।
তবে আন্তর্জাতিক এবং দেশীয় আইনে আরো কিছু অপরাধের কথা বলেছে। মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ এই কনসেপ্টগুলো বিচার প্রক্রিয়ার জন্য জরুরী।
আন্তর্জাতিক আইন এবং আমাদের দেশীয় আইন {দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনাল) অ্যাক্ট, ১৯৭৩} প্রতিটি অপরাধকেই সংজ্ঞায়িত করেছে। শুধু যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে না, সেই সাথে বিচার করতে হবে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের অপরাধীদের, বিচার করতে হবে শান্তির বিরোদ্ধে অপরাধের অপরাধীদের। গণহত্যা যারা সংগঠিত করেছে তাদের বিচার করতে হবে। একজনের বিরোদ্ধে একাধিক অপরাধের অভিযোগ করে মামলা করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা সহজ হবে।
১৯৭১ সালে সংঘটিত যেসব অপরাধের বিচার হওয়া জরুরী :
প্রাসঙ্গিকভাবে শুরুতেই বলে নেই ধারা ৩ এর মাধ্যমে দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনাল) অ্যাক্ট ১৯৭৩ এসব অপরাধের বিচার করার কথা স্বীকার করে নিয়েছে।
১. যুদ্ধাপরাধ
দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনাল) অ্যাক্ট ১৯৭৩ এর ৩(২) (ঘ) অনুযায়ী-
"যুদ্ধাপরাধঃ যুদ্ধের আইন বা প্রথা ভঙ্গ করা, এতে অন্তর্ভুক্ত তবে সীমাবদ্ধ নয়, বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে বেসামরিক লোকদের হত্যা, তাদের প্রতি নির্দয় আচরণ অথবা ক্রীতদাসের মতো শ্রম বা অন্য যেকোন কাজে নিয়োজিত করা; যুদ্ধবন্দী বা নাবিকদের হত্যা বা তাদের প্রতি নির্দয় আচরণ করা, জিম্মী এবং বন্দীদের হত্যা করা, সরকারি এবং বেসরকারি সম্পত্তি বিনষ্টকরণ, ইচ্ছাকৃতভাবে নগর, শহর বা গ্রামের ধ্বংস সাধন করা অথবা সামরিক প্রয়োজনকে ন্যায্যতা দেয় না এমন ধ্বংসযজ্ঞ করা"
যুদ্ধাপরাধকে সংজ্ঞায়িত করার এই অ্যাপ্রোচটি নেওয়া হয়েছে ন্যুরেমবার্গ ট্রায়ালের চার্টার অব দ্য ইন্টারন্যাশনাল মিলিটারি ট্রাইব্যুনাল এর অনুচ্ছেদ ৬(খ) থেকে।
Charter of the International Military Tribunal থেকে উদ্ধৃতি-
"(b) War crimes: namely, violations of the laws or customs of war. Such violations shall include, but not be limited to, murder, ill-treatment or deportation to Wave labour or for any other purpose of civilian population of or in occupied territory, murder or ill-treatment of prisoners of war or persons on the seas, killing of hostages, plunder of public or private property, wanton destruction of cities, towns or villages, or devastation not justified by military necessity"
ফোর্থ জেনেভা কনভেনশন এর আর্টিকেল ১৪৭ প্রায় একই অ্যাপ্রোচে যুদ্ধাপরাধকে সংজ্ঞায়িত করেছে।
ফোর্থ জেনেভা কনভেনশন থেকে উদ্ধৃতি-
"Art. 147. Grave breaches to which the preceding Article relates shall be those involving any of the following acts, if committed against persons or
property protected by the present Convention: wilful killing, torture or inhuman treatment, including biological experiments, wilfully causing great suffering or serious injury to body or health, unlawful deportation or transfer or unlawful confinement of a protected person, compelling a protected person to serve in the forces of a hostile Power, or wilfully depriving a protected person of the rights of fair and regular trial prescribed in the present Convention, taking of hostages and extensive destruction and appropriation of property, not justified by military necessity and carried out unlawfully and wantonly."
২. মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ
মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ কনসেপ্টটি জনপ্রিয় হয়েছে ন্যুরেমবার্গ ট্রায়াল থেকে। দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনাল) অ্যাক্ট ১৯৭৩ এর ৩(২) (ক) অনুযায়ী-
"মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ : যথা, হত্যা, নিশ্চিহ্ন করণ, দাসকরণ, নির্বাসিত করা, কারারুদ্ধ করণ, অপহরণ, অবরোধ, নির্যাতন, ধর্ষণ অথবা বেসামরিক নাগরিকদের উপর অন্যান্য অমানবিক কাজ পরিচালনা করা অথবা সংগঠিত হওয়ার স্থানের অভ্যন্তরীন আইন ভঙ্গ করে বা না করে রাজনৈতিক, গোত্রগত, জাতিগত অথবা ধর্মীয় কারনে অভিশংসন করা।"
মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করার এই অ্যাপ্রোচটি নেওয়া হয়েছে ন্যুরেমবার্গ ট্রায়ালের চার্টার অব দ্য ইন্টারন্যাশনাল মিলিটারি ট্রাইব্যুনাল এর অনুচ্ছেদ ৬(গ) থেকে।
Charter of the International Military Tribunal থেকে উদ্ধৃতি-
"(c) Crimes against humanity: namely, murder, extermination, enslavement, deportation, and other inhumane acts committed against any civilian population, before or during the war, or persecutions on political, racial or religious grounds in execution of or in connection with any crime within the jurisdiction of the Tribunal, whether or not in violation of the domestic law of the country where perpetrated."
৩. শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ
দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনাল) অ্যাক্ট ১৯৭৩ এর ৩(২) (খ) অনুযায়ী-
"শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ : যথা, আগ্রাসনমূলক যুদ্ধের পরিকল্পনা, প্রস্তুতি, সূত্রপাত করা বা লিপ্ত হওয়া অথবা আন্তর্জাতিক চুক্তি, ঐক্যমত্য বা নিশ্চয়তাসমূহের লঙ্ঘন করে যুদ্ধ করা;"
শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করার এই অ্যাপ্রোচটি নেওয়া হয়েছে ন্যুরেমবার্গ ট্রায়ালের চার্টার অব দ্য ইন্টারন্যাশনাল মিলিটারি ট্রাইব্যুনাল এর অনুচ্ছেদ ৬(ক) থেকে।
Charter of the International Military Tribunal থেকে উদ্ধৃতি-
"(a) Crimes against peace: namely, planning, preparation, initiation or waging of a war of aggression, or a war in violation of international treaties, agreements or assurances, or participation in a common plan or conspiracy for the accomplishment of any of the foregoing"
৪. গণহত্যা
দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনাল) অ্যাক্ট ১৯৭৩ এর ৩(২) (গ) অনুযায়ী-
গণহত্যাঃ কোন জাতীয়, গোত্রগত, গোষ্ঠীগত বা ধর্মীয় গোষ্ঠীকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে নিম্নোক্ত যেকোন কাজ, অংশত বা পূর্ণত সংগঠিত করা বুঝাবে এবং অন্তভূক্ত হবে, যেমনঃ
১) দলের সদস্যদের হত্যা করা;
২) দলের সদস্যদের দৈহিক বা মানসিক দিক থেকে গুরুতর ক্ষতি করা;
৩) ইচ্ছাকৃতভাবে আংশিক বা পূর্ণভাবে দৈহিক ধ্বংস সাধনের পরিকল্পনা করে দলীয় জীবনে আঘাত হানা;
৪) দলের মধ্যে জন্মরোধ করার লক্ষ্যে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ;
৫) এক দলের শিশুদের জোরপূর্বক অন্য দলে স্থানান্তর করা;
গণহত্যাকে সংজ্ঞায়িত করার এই অ্যাপ্রোচটি নেওয়া হয়েছে Convention on the Prevention and Punishment of the Crime of Genocide এর অনুচ্ছেদ ২ থেকে।
Convention on the Prevention and Punishment of the Crime of Genocide থেকে উদ্ধৃতি-
"In the present Convention, genocide means any of the following acts committed with intent to destroy, in whole or in part, a national, ethnical, racial or religious group, as such:
(a) Killing members of the group;
(b) Causing serious bodily or mental harm to members of the group;
(c) Deliberately inflicting on the group conditions of life calculated to bring about its physical destruction in whole or in part;
(d) Imposing measures intended to prevent births within the group;
(e) Forcibly transferring children of the group to another group. "
সুতরাং বাংলাদেশ অপরাধের সংজ্ঞায়নের ক্ষেত্রে ইচ্ছামতো কিছু করে নি। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী সবকিছু করা হয়েছে।
আরো যেসকল অপরাধের বিচারের কথা বলা হয়েছে দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনাল) অ্যাক্ট ১৯৭৩ এ সেগুলো হলো-
ঙ) ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশনে বর্ণিত সামরিক সংঘর্ষে প্রয়োগযোগ্য যেকোন মানবিক বিধিমালার লঙ্ঘন;
চ) আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে অন্য যেকোন অপরাধ;
ছ) এরকম অপরাধ সংগঠন করার জন্য ষড়যন্ত্র এবং সহায়তা করা;
জ) এ ধরণের অপরাধ ঘটন রোধ করতে ব্যর্থ করা বা এর সাথে সহযোগিতা করা।
(ছ) অংশের সহায়তা করা এবং (জ) অংশের সহযোগিতা করা শব্দগুলো বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ : একটি প্রস্তাবনা
প্রাসঙ্গিকভাবে একটা বিষয়ের উল্লেখ করতে চাই। আমাদের (বাংলাদেশের) উচিত "ক্রাইম অ্যাগেইনস্ট উইমেন" অর্থাৎ "নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ" নামের নতুন একটি কনসেপ্টকে সংজ্ঞায়িত করে তার অপরাধীদের বিচার করা।
মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করতে গিয়ে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো "ধর্ষণ" কে মানবতার বিরোদ্ধে অপরাধ হিসাবে গণ্য করে। বাংলাদেশের এই অ্যাপ্রোচকে পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় স্বীকৃতি দেয় ১৯৯৮ সালে আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে (ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট বিষয়)।
ধর্ষণ সহ নারীকে যুদ্ধক্যাম্পে আটকে রাখা, শারীরিক এবং মানসিকভাবে আক্রান্ত করা, ঠিকমতো খাবার না দেওয়া, পরিধেয় কাপড়ের ব্যবস্থা না করা এসবই হতে পারে নারীর বিরোদ্ধে অপরাধ।
যুদ্ধক্যাম্পে আটকে রেখে দিনের পর দিন অনাহারে রেখে রেখে, পরিধেয় কাপড় কেড়ে নিয়ে নারীদের উপর মানসিকভাবে এবং শারীরিকভাবে যে অত্যাচার করা হয়েছে তার কঠিন বিচার নিশ্চিত করতে হবে। এর জন্য আইনগতভাবে "নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ" কনসেপ্টটাকে গ্রহণ করা উচিত।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
হমপগ্র বলেছেন:
প্রথম প্লাসলেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ইমরোজ।
পোস্টটি স্টিকি করা দরকার বলে মনে করি।
মডারেটরের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুকুল ভাই।
লেখক বলেছেন: হুমমম
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
দারুন ........ +
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দেবদূত ভাই।
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন:
শামীম ভাই, গত পরশুদিন ড. বারী স্যার তো অনুচ্ছেদ ৪৭ক-এর খুব সমালোচনা করলেন। তিনি বললেন যে, কেন যুদ্ধাপরাধীদের জন্য অনুচ্ছেদ ৩৫(৩) অর্থাৎ স্বাধীন ও নিরপেক্ষ এবং পাবলিক আদালত প্রযোজ্য হবে না? তিনি আরো বললেন যে, আমরা তো ক্ষমা আর মহত্ত্বের উদারতা দেখিয়ে পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীদের ছেড়েই দিয়েছি। আসলগুলোকে ছেড়ে দিয়ে ছোটখাটগুলোর বিচার করে কি লাভ! তিনি আরো বললেন যে, এখন আমরা দেখব কিভাবে বর্তমান সরকার পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে।এসব শুনলে কেমন লাগে বলেন তো দেখি!!!
লেখক বলেছেন: গত বছর বারী স্যারের সঙ্গে বিষয়টা নিয়ে ক্লাসে আমি বেশ তর্ক করেছি।
কি আর বলবো!
এখন বিষয়টা নিয়ে অনেক পড়ালেখা করেছি।
সোনার বাংলা বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পর বাংলাদেশে আরো একটা বিচার প্রক্রিয়া চালানো জরুরী
সেটা হইলো রাজনৈতিক হত্যাকান্ড... স্বাধীনতার পর থেইকা অনেক নেতা এবং নিরীহ
মানুষ হত্যা করা হয়েছে শুধু মাত্র ক্ষমতা ভোগের জন্য। তাগোরে সোঝা লটকানোর
জন্য একটা বিচার বিভাগীয় তদন্ত দরকার।
লেখক বলেছেন: হুমমমম
পারভেজ বলেছেন:
খুব ভালো পড়াশোনা করে লিখেছেন।আশাবাদী তো হলাম সরকারের পদক্ষেপ দেখে । এখন আইন কতটুকু সাহায্য করে অথবা কতটুকু আটকে দেয় দেখা যাক।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পারভেজ ভাই।
ইসলামপ্রিয় ভাইবোনদের জন্য কোরআনের কয়েকটি আয়াত তুলে দিলাম...
সূরা মায়িদার ৩২ নং আয়াতে বলা আছে...
এ কারনেই বনি-ইসরাইলের ওপর এ বিধান দিলাম যে, নরহত্যা বা পৃথিবীতে ধ্বংসাত্বক কার্য করা হেতু ব্যাতীত কেউ কাউকে হত্যা করলে সে যেন পৃথিবীর সকল মানুষকেই হত্যা করলো।
সূরা নিসা, আয়াত ৯২-৯৩
কোন বিশ্বাসীকে হত্যা করা কোন বিশ্বাসীর জন্য সংগত নয়, তবে ভুল করে করলে তা সতন্ত্র।
সূরা নিসা ২৯-৩০
....আর তোমরা নিজেদেরকে হত্যা করোনা, নিশ্চই আল্লাহ তোমাদের ওপর পরম দয়ালু। আর যে কেউ বিদ্বেষবশত ও অন্যায়ভাবে তা করবে আমি নিশ্চই তাকে পোড়াবো আর এ আল্লাহ'র পক্ষে সহজসাধ্য।
এগুলি দিলাম, কারন বেশীর ভাগ যুদ্ধাপোরাধীরাই '৭১ এ ইসলামের নামে খুন, ধর্ষন, গনহত্যা চালিয়েছিলো। ভারতীয় জুজুর ভয় দেখিয়ে, ইসলামের নামে চালিয়েছিলো নারকীয় সব কীর্তি।
দেখলাম তাদের অতি প্রিয় ইসলাম তাদের এই হত্যাযজ্ঞ সম্পর্কে কি বলেছে। সবগুলো আয়াত বিচারপতি মুহাম্মদ হাবীবুর রহমানের "কোরান শরীফ" সরল বঙানুবাদ থেকে নেয়া।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সামী ভাই।
আর থার্ড নয়ন রে একটা লাথি দেন,সব জায়গায় রাজাকারের ছাও দেখতে ভাল্লাগেনা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফারহান ভাই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নিঃসঙ্গ ভাই।
আকাশচুরি বলেছেন:
পোস্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ শামীম ভাই
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আকাশচুরি ভাই।
সাইফুর বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সাইফুর ভাই।
অ্যামাটার বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অ্যামাটার
বিডি আইডল বলেছেন:
আগের পোষ্টের ধারাবাহিকতায় একটি চমৎকার পোষ্ট
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বিডি আইডল ভাই।
মেঘবাজি বলেছেন:
থার্ড নয়ন ছাগুটারে গদাম লাথির উপ্রে রাখতে হবে
লেখক বলেছেন: হুমমম
লিপিকার বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ লিপিকার
টুশকি বলেছেন:
শামীম ভাইয়ের স্টিকি পোস্ট +++++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ টুশকি
অক্ষর বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অক্ষর ভাই।
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
খুবই উপযোগী একটি পোষ্ট শামীম
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পথিক!!!!!!! ভাই
হাফিজুর রহমান মিতু বলেছেন:
ভাল লিখা ।চালিয়ে যান ।সাথে আছি ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
পোস্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে
সবাই সবার অবস্থান থেকে এগুলে ঐসব কীটদের আমরা উচ্ছেদ করতে পারব আশা করি
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শিবলী ভাই।
শেখ মিলন বলেছেন:
অনেক ভাল লাগল। চালিয়ে যান সাথে আছি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
মেঘবাজি বলেছেন:
এই পোস্টে মাইনাস প্রদানকারী রাজাকার ছানাকে আমার তরফ থেইকা গদাম লাথি দেওয়া হোক
লেখক বলেছেন: ![]()
![]()
নুরুন্নবী হাছিব বলেছেন:
প্রয়োজনীয় দারুন এক পোষ্ট...ধন্যবাদ শামীম...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ হাছিব
অমাবশ্যার চামচিকা বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
রুমানা বৈশাখী বলেছেন:
.. ..অনেক কিছু জানা হলো।অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।শেষ প্রস্তাবনাটির জন্যে অনেক গুলি +++++++++ কারণ ভাবনাটি প্রায়ই আমারও মনের মাঝে ঘোরাফেরা করতো।
লেখক বলেছেন: শেষের প্রস্তাবনাটি নিয়ে ভাবা উচিত। ধন্যবাদ আপনাকে।
থার্ড নয়ন বলেছেন:
সুন্দর ভাবে যুদ্ধাপরাধগুলি তুলে আনার জন্য ধন্যবাদ। এখন কথা হচ্ছে, ৭১ এ এই অপরাধগুলি কি পরিমানে কার দারা কিভাবে হয়েছিল, তার কোন আন্তর্জাতিক ভাবে গ্রহনযোগ্য তদন্ত হয়েছে কিনা। আমার জানা মতে হয় নি। তো এই ব্যাপারে আগে সুস্টু পুঙ্খানুপুনিক তদন্ত করতে হবে। যেমনএকটি অপরাধ সিভিলিয়ান হত্যা। এখন তদন্ত করে বের করতে হবে। কতজন সিভিলিয়ান কোন বাহিনীর হাতে মারা গেছেন। শুধু তাই নয়, চিহ্নিত করতে কোন বাহিনীর কোন কোন সদস্য এই সব হত্যাকান্ডে জড়িত। তারপর ঐসব সদস্যকেই শুধুমাত্র যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত করা যাবে। এভাবে অন্য অপরাধ গুলির ও করতে হবে।
গনহারে সব পাকিস্থানী সৈন্যকে বা সব রাজাকার কে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত করা যাবেনা। শুধুমাত্র যারা জড়িত তাদেরকে করা যাবে।
তার আগে করতে হবে ডিটেইলস ইনভেস্টিগেশন।
৩৭ বছর পরে এই ধরনের তদন্ত কতটুকু সম্ভব ? বা কিভাবে এই তদন্ত করা উচিত বলে আপনি মনে করেন ?
অফ টপিকঃ আমার আগের প্রশ্নের জবাবে আপনি যে ওয়েবসাইটের (তথ্য বহুল ভাল সাইট) লিঙ্ক দিয়েছেন সেখানে তন্নতন্ন করে খুজেও (বিশেষ করে ৭১ এর পেপার কাটিং গুলি) হিসাবে মুজাহিদ, নিজামী, সাইদী, গোলাম আজম বা কাদের মোল্লাকে কোথাও রাজাকার বাহিনীর সদস্য হিসাবে খুজে পাইনি। বা তাদের কোন সশস্ত্র ততপরতার ও কোন নিউজ পাইনি।
লেখক বলেছেন:
১. ৩৭ বছর কোন ফ্যাক্টর না।
২. অফটপিক - আপনি ওয়েবসাইটি আবার ভালো করে দেখুন। বিভিন্ন জনের কাছে প্রমাণ অনেক আছে। সময়মতো সেগুলো উপস্থাপিত হবে।
আলমগীর কুমকুম বলেছেন:
জোরেসোরে প্লাস দাগাইলাম। প্রস্তাবনাগুলোর সাথে একমত।বিরোদ্ধে > "বিরুদ্ধে" হবে। বানানটা ঠিক করেন। ষ্টিকি পোস্ট, তাই বললাম।
লেখক বলেছেন: ঠিক করে দিয়েছি। ধন্যবাদ আপনাকে।
বটগাছ বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
নিওশিশু বলেছেন:
খুব ভাল প্রস্তাব। অগনিত সাধারন মানুষ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
নিওশিশু বলেছেন:
খুব ভাল প্রস্তাব। অগনিত সাধারন মানুষের চাওয়া - যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার হউক। কিন্তু মুয্টিমেয় কিছু লোকের জন্য যে কারনে গত ৩৬ বছর তা করা গেল না, এর কবল থেকে মুক্ত হউক, এই কামনা করি
লেখক বলেছেন: হুমমম
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ শামীম । +++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বিমা গুরু।
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
আপনার লেখাটি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের যৌক্তিকতা প্রসঙ্গে জনমত গঠনে সাহায্য করবে। এই ধরনের পোষ্ট শুধু ব্লগে না রেখে প্রধান গণমাধ্যমগুলোতেও আসা উচিত। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য সরকারের উপর চাপ অব্যাহত রাখা এবং সকল রাজনৈতিক দলকে এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট করাও জরুরী।আমরা যদি এই ধরনের লেখাগুলি ই-মেইলের মাধ্যমে অন্যদের পড়তে উৎসাহিত করি, জনমত গঠনের প্রক্রিয়াটি অনেকখানি ত্বরান্বিত হবে।
শামীম ভাই, এ প্রসঙ্গে আরো পোষ্ট চাই।
লেখক বলেছেন: এ বিষয়ে আরো পোস্ট দেওয়ার চেষ্টা করবো।
ধন্যবাদ মোস্তাফিজ রিপন ভাই।
থার্ড নয়ন বলেছেন:
তার মানে আপনি বলতে চাচ্ছেন বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার আগে ৭১ এর সব যুদ্ধাপরাধের থরো ইনভেস্টিগেশন করতে হবে। বের করতে হবে কোন বাহিনীর হাতে কত জন সিভিলিয়ান মারা গেছে ইত্যাদি।
লেখক বলেছেন: আমি কি তা বলছি নাকি!!
আমার মতে এখনই বিচার কাজ শুরু করা উচিত। এজন্য গেজেট প্রকাশ করে ট্রাইব্যুনাল গঠন এখনই করা উচিত।
এন এইচ আর বলেছেন:
সময়োউচিত পোস্ট। এখনই ধন্যবাদ দিতে চাই না। কারণ আরও বহু পথ এগোতে হবে। আর তার সামনে থেকে আপনাদের মত শামীমদেরই নেতৃত দিতে হবে। আমরা ্যারা দেশের বাইরে আছি আপনাদের সাথে আছি সব সময়।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে ।
লেখক বলেছেন: এরকম আরো পোস্ট দেওয়ার ইচ্ছা আছে। ধন্যবাদ আপনাকে।
মাহমুদুল হাসান রুবেল বলেছেন:
জেগেছে বাঙালি !!!এবার কিছু একটা হবে । আমাদের কষ্টটা দূর হবে । আমরা কলঙ্কমুক্ত হবো । ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: হুমম এবার বিচার হবেই। ধন্যবাদ আপনাকে।
মুকুট বলেছেন:
শামিম ভাই যথার্থ পোষ্ট। +
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুকুট ভাই।
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
বিচার বাংলাদেশে হোক - সেটা মনে প্রাণে চাই। দেখা যাক কতটুকু কি হয়। একটা ব্যাপার - বিচারটা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টেও মনে হয় চাওয়া যায়। এই ক্ষেত্রে যেটা লাগবে - সেটা হচ্ছে রাষ্ট্রের সমর্থন। অর্থাৎ প্রমান সহ মামলা করলে, বাংলাদেশ সরকার যদি সমর্থন দেয়, তখন একটা ক্রিমিনাল কোর্ট একটা স্পেশাল কোর্ট করবে শুধু বাংলাদেশের জন্য, যেটা কংগো,উগান্ডার জন্য করা হয়েছে।
সমস্যা হল - বাংলাদেশ সরকার সমর্থন জানাবে কি না এই ব্যাপারে।
Click This Link
http://www.icc-cpi.int/Menus/ICC?lan=en-GB
লেখক বলেছেন: ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে বিচার চাওয়া সম্ভব না। কারণ এই কোর্ট এক্স পোস্ট ফ্যাক্টো লেজিশলেশনকে বৈধতা দেয় নি।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার জন্য ১৯৭৩ সালের আইনটিই যথেষ্ট। তাছাড়া ও জাতিসংঘের সহযোগিতা নিয়ে আলাদা ট্রাইব্যুনাল হতে পারে।
ধন্যবাদ মোসতফা মনির সৌরভ ভাই।
রাজর্ষী বলেছেন:
ধন্যাবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাজর্ষী ভাই।
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
+ এরকম আরও পোস্ট চাই।
লেখক বলেছেন: চেষ্টা থাকবে। ধন্যবাদ আপনাকে।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
অনেক কিছু জানতে পারলাম
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মাহবুব সুমন ভাই।
লেখক বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হতেই হবে।
ধন্যবাদ আপনাকে।
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন:
আপনার প্রচেষ্টার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। খুব ভাল পোষ্ট, শামীম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নাজিরুল ভাই।
সবাক বলেছেন:
লেখাটি পিডিএফ এবং ওয়ার্ড ফরম্যাটে এবং এখানের লিংক পরিচিত সবাইকে মেইল করতে পারলে ভালো হতো।আমি চেষ্টা করবো...
তোমার প্রতি শ্রদ্ধা অনেক অনেক।
স্যালুট শামীম।
অসাধারণ কাজ।
লেখক বলেছেন: সবারই বিষয়গুলো সমন্ধে সঠিক ধারণা থাকা উচিত।
ধন্যবাদ তোমাকে সবাক।
আতিকুল হক বলেছেন:
ধন্যবাদ চমৎকার পোস্টের জন্য। এখন কেবল বিচারের জন্য অপেক্ষা...
লেখক বলেছেন: হুমম বিচার হবেই....
ধন্যবাদ আপনাকে।
মুহাম্মদ জ িহরুল কাইয়ুম ভূঁইয়া বলেছেন:
...কেন যুদ্ধাপরাধীদের জন্য অনুচ্ছেদ ৩৫(৩) অর্থাৎ স্বাধীন ও নিরপেক্ষ এবং পাবলিক আদালত প্রযোজ্য হবে না? তিনি আরো বললেন যে, আমরা তো ক্ষমা আর মহত্ত্বের উদারতা দেখিয়ে পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীদের ছেড়েই দিয়েছি। আসলগুলোকে ছেড়ে দিয়ে ছোটখাটগুলোর বিচার করে কি লাভ! তিনি আরো বললেন যে, এখন আমরা দেখব কিভাবে বর্তমান সরকার পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে।...---
সুশীল বিবেক তো তাই বলে!
থার্ড নয়ন বলেছেন: সুন্দর ভাবে যুদ্ধাপরাধগুলি তুলে আনার জন্য ধন্যবাদ। এখন কথা হচ্ছে, ৭১ এ এই অপরাধগুলি কি পরিমানে কার দারা কিভাবে হয়েছিল, তার কোন আন্তর্জাতিক ভাবে গ্রহনযোগ্য তদন্ত হয়েছে কিনা। আমার জানা মতে হয় নি।
তো এই ব্যাপারে আগে সুস্টু পুঙ্খানুপুনিক তদন্ত করতে হবে। যেমনএকটি অপরাধ সিভিলিয়ান হত্যা। এখন তদন্ত করে বের করতে হবে। কতজন সিভিলিয়ান কোন বাহিনীর হাতে মারা গেছেন। শুধু তাই নয়, চিহ্নিত করতে কোন বাহিনীর কোন কোন সদস্য এই সব হত্যাকান্ডে জড়িত। তারপর ঐসব সদস্যকেই শুধুমাত্র যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত করা যাবে। এভাবে অন্য অপরাধ গুলির ও করতে হবে।
গনহারে সব পাকিস্থানী সৈন্যকে বা সব রাজাকার কে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত করা যাবেনা। শুধুমাত্র যারা জড়িত তাদেরকে করা যাবে।
তার আগে করতে হবে ডিটেইলস ইনভেস্টিগেশন।
৩৭ বছর পরে এই ধরনের তদন্ত কতটুকু সম্ভব ? বা কিভাবে এই তদন্ত করা উচিত বলে আপনি মনে করেন ?
---
"বিচার মানি তবে তালগাছ আওয়ামী লীগের; সে রকম বিচার চাই না, মানি না, মানব না"
চাই ন্যায়-বিচার, চাই ইনসাফের বিচার। ১৯৫ জন চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধী গেল কই? আগে তাদের বিচার চাই। তারপর নব্য যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। একটি অন্যায়কে ধামাচাপা দিয়ে আর একটি অন্যায়ের বিচার হতে পারে না।
লেখক বলেছেন: তাই?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জেরী
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন:
অন্তরের ভেতর থেকে তোর জন্য শুভকামনা, শামীম...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মেসবাহ য়াযাদ ভাই।
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
চমৎকার কাজ হচ্ছে শামীম... বিচারের দাবিদে যখন সবাই সরব..তখন আইন সংক্রান্ত প্রক্রিয়াগুলো জানা অবশ্যই প্রয়োজন...কারণ এখন তাদের শাস্তির জন্য আদালতের সরণাপন্ন হতে হবে । তাই যুক্তি, তথ্য, প্রমাণ জেনে নিতে হবে, বুঝে নিতে হবে আমারদের স্বার্থেই। ধন্যবাদ শামীম আবারো।
লেখক বলেছেন: হুমম যুক্তি, তথ্য, প্রমাণ জেনে নিতে হবে, বুঝে নিতে হবে আমারদের স্বার্থেই।
আইরিন আপু ধন্যবাদ।
মুহাম্মদ জ িহরুল কাইয়ুম ভূঁইয়া বলেছেন:
১. দেশে এখন যদ্ধাপরাধীর সংখ্যা কত? কারা এই যদ্ধাপরাধী? কি এদের নাম-ধাম? এই পরিসংখ্যান কারো জানা নেই। যারা যদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবী করছেন তাদের কাছে এই পরিস্যংখান চাইলে তারা বলেন, এটা নির্ধারণ করা সরকারের দায়িত্ব। স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগ সরকার এই দায়িত্ব একবার পালন করেছিল। তারা এই যদ্ধাপরাধী দের সংখ্যা নির্ধারণ করেছিল ১৯৫ জন। এরা সবাই ছিল পাকসেনা। কিন্তু তৎকালীন সরকার এদের কোন বিচার না করে মুক্তি দিয়ে দেয়। এই মুক্তিনামায় স্বাক্ষর করেছিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শরণসিং , পাকিস্তানের আজিজ আহমেদ এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।তার পর বিগত ৩৬ বছরে আর কোন সরকার কোন যদ্ধাপরাধী চিহ্নিত করেনি।ফলে দেশে এখন কোন যদ্ধাপরাধী নেই। জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল জনাব আলী আহসান মুজাহিদের এ সত্যটি উচ্চারণ করায় তথাকথিত সশীল সমাজ, একশ্রেনীর বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিবিদ ক্ষুব্ধ হয়েছেন এবং এর সূত্র ধরে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবী তুলেছেন। আমি তাদের ক্ষোভকে শ্রদ্ধা করি কিন্তু এ জন্য জামায়াতকে কেন নিষিদ্ধ করতে হবে বুঝতে পারি না। যে ১৯৫ জন পাকসেনাকে যদ্ধাপরাধী ঘোষণা করা হয়েছিল জামায়াত তো তাদের মুক্তি দেয়নি; মুক্তি দিয়েছে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। যদ্ধাপরাধী দের বিচার না করার অপরাধ যদি কেউ করে থাকে সে অপরাধ করেছে আওয়ামী লীগ। ক্ষোভ যদি প্রকাশ করতেই হয় তাহলে সে ক্ষোভ প্রকাশ করা উচিৎ আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে অথবা আওয়ামী লীগের পক্ষে যিনি যুদ্ধাপরাধীদের ছেড়ে দিয়েছিলেন সেই ড. কামাল হোসেনের বিরুদ্েধ। তা না করে এই দায়ভার জামায়াতের ঘাড়ে চাপানোর কেন যে এতো কসরত তা সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা সত্যিই মুসকিল।
২. যদ্ধাপরাধী দের বিচার চাওয়া কোন অন্যায় নয়। অন্যায় হচ্ছে যদ্ধাপরধের মিথ্যা অভিযোগ এনে নিরপরাধ ব্যক্তিকে হয়রানি করা।…
৩. আপনারা যেভাবে নিজামী-মুজাহিদ ও জামায়াত নিয়ে পড়েছেন তাতে এটা পরিষ্কার যে, আপনাদের টার্গেট যুদ্ধাপরাধেিদর বিচার নয়, বিকাশমান ইসলামী আন্দোলনের অগ্রযাত্রা রোধ করা। নইলে ২৫ শে মার্চ কালো রাত্রে পাক আর্মি যে হাজার হাজার বাঙালি নিধন করেছিল, দীর্ঘ নয় মাস যারা এ দেশে হত্যা, ধষর্ণ ও লুণ্ঠনের রাজত্ব কায়েম করেছিল, যাদের সাথে ছিল আমাদের মূল লড়াই, বিচার দাবী করার কথা ছিল সেই পাকসেনাদের বিরুদ্ধে। জামায়াত যে মুক্তিযুদ্ধের আসল প্রতিপক্ষ ছিল না তার প্রমান ১৬ ডিসেম্বরের রেসকোর্সের আতসর্মপনের দলীল। জামায়াতই যদি প্রতিপক্ষ হতো তাহলে জামায়াতকেই আতসমর্পনের জন্য বলা হতো। তা যখন বলা হয়নি তখন যামায়াত যে নির্দোষ সেদিনই তা প্রমান হয়ে গেছে। এ কথা কেউ অস্বীকার করতে পারবে না , পচানব্বই হাজার পাকসেনাকে যারা ফুলের টোকাটি না দিয়ে ছেড়ে দিল শহীদের রক্তের সাথে বেঈমানী করেছে তারা। একাত্তরের মুক্তযুদ্ধের আসল প্রতিপক্ষ পাকসেনারাই আসল যদ্ধাপরাধী। এই যদ্ধাপরাধী দের যারা মুক্তি দলি তাদের বিচার দাবী না করে জামায়াতের বিচার দাবী করার সঙ্গত কোন কারণ থাকতে পারে না।
৪. আমরা সবাই জানি, মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগী যেমন ছিল ইন্ডিয়ান বাহিনী তেমনি পাকবাহিনীর সহযোগী ছিল রাজাকার, আলবদর, আলশামস প্রভৃতি বাহিনী। বামপন্থিদের দাবী, এই সব সহযোগী বাহিনী গড়ে তুলেছিল জামায়ত; অতএব জামায়াতের রাজনীািত করার অধিকার কেড়েনিতে হবে। কিন্তু এখানে যে সত্যের অপলাপ আছে সে তথ্য তারা লুকিয়ে রাখলেও জনগন জানে, আজকে যেমন আনসার ,ভিডিপি ও গ্রাম প্রতিরক্ষা দল আছে রাজাকার, আলবদর, আলশামস ছিল তেমনি সরকার নিয়ন্ত্রিত বাহিনী। এসব বাহিনীর কোনটাই কোন রাজনৈতিক দলের নিজস্ব বাহিনী ছিল না। মুক্তিযুদ্ধের সময় আনসার বাহিনী পূনর্গঠন করে সরকার এই বাহিনী গড়ে তুলেছিল। সরকার এসব বাহিনীতে লোক নিয়োগের সময় তৎকালীন র্পব পাকিস্তানের যেকোন লোকেরই তাতে যোগদান করার সুযোগ ছিল। কোন রাজনৈতিক দল করে না এমন লোকেরা যেমন তাতে অংশ গ্রহন করেছিল তেমনি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমর্থক কর্মীও এসব বাহিনীতে চাকরী নিয়েছিল।
চাকরী করা প্রত্যেক মানুষের ব্যক্তিগত অধিকার। এখনো জামায়াতের লোকদের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান বা অফিসে অন্য দলের বহু সমর্থক কর্মী পাওয়া যাবে আবার অন্য দলের লোকদের অফিসে চাকরী করে এমন অনেকেই জামায়াতের কর্মী সমর্থক। আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকে জনাব আবদুল জলিলের মার্কেন্টাইল ব্যাংকের সব লোক আওয়ামীলীগ এমন দাবী করা সঙ্গত নয়। চাকরীর পরিচয় এবং রাজনৈতিক পরিচয় সম্পূর্ণ ভিন্ন জিনিস। দুটোকে এক করে ফেলার অবকাশ নেই। তাহলে চাকরীর সুবাদে রাজাকার আলবদর আলশামস একাত্তরে কি ভূমিকা পালন করেছিল তার দায় ভার জামায়াতের উপর চাপানোর মিথ্যা প্রপাগান্ডা কেন? যারা মিথ্যাচারের মাধ্যমে সত্যকে গোপন করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করতে চান এই সত্যগুলো জানেন বলেই তারা কখনো কোন জামায়াত নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে আদালতের আশ্রয় নেননি।..
৫. শুধু যদ্ধাপরাধ কেন যে কোন অপরাধেরই বিচার চাওয়া উচিত। অপরাধের বিচার না হলে সামাজিক শৃঙ্খলা বিনষ্ঠ হয়। .. কিন্তুযদ্ধাপরাধের বিচারের নামে একতরফাভাবে জামায়াতকে ঘায়েল করার কোন যৌক্তিকতা নেই। যারা ৩৬ বছর পর নতুন করে যদ্ধাপরাধের বিচারের দাি তে সোচ্ছার হয়েছেন তাদের জানা উচিত, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ধর্মপ্রতিমন্ত্রী মাওলানা নূরুল ইসলাম নিজেই ছিলেন রাজাকার কমান্ডার।
শেখ হাসনিার বেয়াই ( বর্তমান মন্ত্রী) ছিলেন ফরিদপুরের শান্তি কমিটির নেতা। শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা সাবের হোসেন চৌধুরীর পিতা ছিলেন রাজধানী ঢাকার শান্তি কমিটির নেতা। বার বার ঢাকা মহানগর আওয়ামীলীগের নির্বাচিত সংগ্রামী সভাপতি মেয়র হানিফের শ্বশুর মাজেদ সরদার এত্তরে পুরান ঢাকার একচ্ছত্র অধিপতি ও নেতা ছিলেন। শুধু ঢাকা মহানগরী বা কেন্দ্রীয় নেতা নয় থানা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে আওয়ামীলীগের অনেক নেতা –কর্মীই রাজাকার বাহিনী ও শান্তি কমিটিতে ছিলেন।
বিএনপির অবস্থাও একই রকম। বিএনপির একসময়কার প্রধানমন্ত্রী শাহ আজিজ নিজেই ছিলেন পাক বাহিনীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী। বি এনপির অনেক মন্ত্রী এমপি এবং অনেক কেন্দ্রীয় নেতার অতীতও একই রকম। খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পিতা পজলুল কাদের চৌধুরী ছিলেন পাক সামরিক জান্তার একান্ত ঘনিষ্ঠ একজন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতা। মজার ব্যাপার হচ্ছে, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, ও জাতীয় পার্টি- বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত এই তিনটি রাজনৈতিক দলেরই দলীয় প্রধানের উপদেষ্টা হিসেবে যারা দায়িত্ব পালন করেছেন তারা সবাই এসেছেন দালাল পরিবার থেকে। এর পরও কি যুদ্ধাপরাধী হিসেবে জামায়াতকে একক ভাবে অভিযুক্ত করার কোন অবকাশ থাকে??
লেখক বলেছেন: অনেক কিছু জানেন দেখি ....
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শান্ত
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ঝড়কন্যা আপু।
দেশ ও জাতিকে নিয়ে আপনার ভাবনার প্রশংসা করি। আপনি বিষয়টি এত সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন যে খুব ভাল লাগল।আশা করি সরকার এ থেকে উপকার পাবে।
তবে মনে হচ্ছে আপনার পরামর্শ শুনে উক্ত অন্যায়ের বিচার করতে গেলে আওয়ামী লীগ্ই রাজনীতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
আমার লেখা ত্রিশ লক্ষ বাংগালীর প্রকৃত হত্যাকারী কে লেখাটি পড়ার অনুরোধ রইল।
লেখক বলেছেন: হুমমমম
তর্পন বলেছেন:
@একরামুল হক শামীম, ২ জনের ভাল লাগেনি আপনার লেখা. কেন? http://i42.tinypic.com/2vbvlts.png
লেখক বলেছেন: কট্টিন ![]()
ক্যাপশনের লেখা পড়ে হাসতে হাসতে শেষ ![]()
এস্কিমো বলেছেন:
একমত।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ এস্কিমো ভাই।
রাফা বলেছেন:
@মু.জ.কা.ভূইয়া ঠাকুর ঘরে কে রে ? আমি কলা খাই না। জামাতে যদি কোন যুদ্ধাপরাধী না থাকে তাহোলে তাদের চিন্তার কি আছে ? দলীয় ভাবে যদি তারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষেই থেকে থাকে তাহোলে তো কোন ভয়ই নাই।এখন প্রশ্ন হোলো আপনি নিজেই যুদ্ধাপরাধী কি না ?@থার্ড নয়ন কে বিতারিত করা হোক এই পোষ্ট এবং ব্লগ থেকে।এই রাজাকারটা সব কথাই টুইষ্ট করায় পারদর্শী।
ধন্যবাদ শামিম ভাই , এই বিষয় নিয়ে আরো লিখুন।সব যুদ্ধাপরাধীর মুখোশ উন্মোচিত করার মিশন অব্যাহত রাখুন।
লেখক বলেছেন: আরো লেখার ইচ্ছা আছে। ধন্যবাদ রাফা ভাই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মীতু আপু।
লেখক বলেছেন: ![]()
মনির হাসান বলেছেন:
শামীম ভাই ... খুব খুব ধন্যবাদ পুরো পোস্টার জন্য।আর শেষ অংশটি ...
"নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ : একটি প্রস্তাবনা প্রাসঙ্গিকভাবে একটা বিষয়ের উল্লেখ করতে চাই। আমাদের (বাংলাদেশের) উচিত "ক্রাইম অ্যাগেইনস্ট উইমেন" অর্থাৎ "নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ" নামের নতুন একটি কনসেপ্টকে সংজ্ঞায়িত করে তার অপরাধীদের বিচার করা।" -এর জন্য সাধুবাদ ... চমৎকার কন্সেপ্ট ... জাতিয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকে প্রস্তাবনাটি আবশ্যকীয় ...
বাই দ্য ওয়ে লেখাটি প্রিন্ট করে রাখলাম আগের মতই।
লেখক বলেছেন: নারীর বিরুদ্ধে অপরাধের কঠিন বিচার হওয়া উচিত।
ধন্যবাদ আপনাকে।
ভুতের আড্ডা বলেছেন:
সহমত।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
বরুণা বলেছেন:
আমি ও আছি তোমার সাথে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তোমাকে বরুণা
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
তোমার কাছ থেকে আইনের এই বিষয়গুলো নিয়ে বিশদ পোস্ট খুবই ভাল লাগে। আমি মারপ্যাঁচগুলো কম বুঝি, তবে একটা কথা খুব ভালো বুঝি যে এখন, এই আগামী পাঁচবছরে এদের বিচার না হলে, এর পরে এই অপরাধীরাই আমাদের বিচার করবে। শুধু বিচার না, তারা সরাসরি আমাদের নিশ্চিহ্ন করে দিবে। যেভাবে ১৪ ডিসেম্বর করা হয়েছিল। এই সময়ে কোন নমনীয়তা বা কনসিডারেশন দেখানো উচিত হবে না। একবার দেখিয়ে এখনকার এই অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। একই ভুল আরেকবার করলে আর কোনদিনই এদের বিচার হবে না।
অনেক ধন্যবাদ শামীম। প্রিন্ট মিডিয়াতে তোমার এই লেখাটা পাঠানোর ব্যবস্থা করা যায় না?
লেখক বলেছেন: চাইলেই প্রিন্ট মিডিয়ায় পাঠানো যায়। দেখি কি করা যায়।
ধন্যবাদ তোমাকে।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
তাহলে পাঠাও। ব্লগের মতো আরো নানান জায়গায় সচেতন মানুষ আছেন, তাদের কাছে এই তথ্যগুলো পাঠানো, তাদেরকেও সংশ্লিষ্ট করা জরুরি।
লেখক বলেছেন: হুমম। পাঠাবো ভাবতাছি।
ফাতাহ্ বলেছেন:
প্রিয় @ সামী মিয়াদাদ ,আমার মনে হয় আপনি ইসলামকে খুবই ভালবাসেন।
১. এখানে আপনি ইসলামকে নাকি ব্যক্তকে দোষারপ করেছেন ??
২. এখন কথা হচ্ছে ইসলামের নাম ভাংগিয়ে কেউ কিছু করলে তার দোষ কি ইসলামের, না কি তার নিজের ??.......
ইসলাম সম্বন্ধে আমাদের আরও বিস্তারিত জানা উচিত
লেখক বলেছেন: হুমমম
তানিম হুমায়ুন বলেছেন:
প্রয়োজনীয় পোস্ট। লেখককে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
হিসাম সেতু বলেছেন:
শামিম খুব সুন্দর তথ্য নির্ভর লেখার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। + দিলাম।একটা ব্যাপার বুঝতে পারলাম তোমার এই লেখার দুই জনের না ভাল লাগার রহস্য ( মুহাম্মদ জহিরুল কাইয়ুম ভূঁইয়া এবং থার্ড নয়ন)।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সেতু ভাই।
আসলেই মুহাম্মদ জহিরুল কাইয়ুম ভূঁইয়া এবং থার্ড নয়ন কে কিছুই বলার নেই কেননা তাদের কথাগুলোকে অর্বাচিনের প্রলাপই মনে হচ্ছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
দোলাহাসান বলেছেন:
পোস্টের সাথে সহমত।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দোলা আপু।
থার্ড নয়ন বলেছেন:
কিন্তু কোন রকম তদন্ত না করেই যদি বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। তাহলে সেই বিচার প্রক্রিয়া মুখ থুবড়ে পড়ার সম্ভাবনা আছে। যেকোন অপরাধের বিচারের কয়েকটি ধাপ আছে। প্রথমত আপনাকে তদন্ত করে বের করতে হবে অমুক অপরাধী অমুক যায়গায় অমুক সময়ে খুন করেছে। তারপরে তো আপনি ওই অপরাধীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনতে পারবেন। এখন আপনি বলতেছেন, কোন তদন্তের ই দরকার নাই। ৭১ এর পরে একটা তদন্ত হয়, সেখানে কিন্তু যুদ্ধাপরাধী হিসাবে যাদের নাম বের হয়ে এসেছিল তারা হচ্ছে ১৯৫ জন পাকিস্থানী সৈন্য। কিন্তু তাদের কে ছেড়ে দেয়া হয়।
তো এখন আমরা যদি কোন বাংগালীকে যুদ্ধাপরাধী হিসাবে অভিযুক্ত করতে যাই। আগে তো তাদের নামে তদন্ত করে বলতে হবে তারা এত টা খুন করেছেন। বা তারা ঐ অপরাধ টি করেছেন।
এই ব্যাপার টি একটু ব্যখ্যা করবেন কি ?
আর দিতীয়তঃ যুদ্ধাপরাধী শুধুমাত্র হয় তারা যারা সরাসরি যুদ্ধে লিপ্ত থাকে। সেই হিসাবে হয়তো রাজাকার বাহিনীকে বিচারের আওতায় আনা যেতে পারে। কারন রাজাকার বাহিনী অক্সিলিয়ারি ফোর্স ছিল।
এখন কথা হচ্ছে , আজকে আমরা যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আনতেছি, যেমন, গোলাম আজম, নিজামী , সাইদী, কামরুজ্জামান, কাদের মোল্লা তারা তো কেউ রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন না। তাদের কে কিভাবে যুদ্ধাপরাধের আনা যাবে ? এই প্রশ্নটির উত্তর চাই।
আরেকটি প্রশ্ন হচ্ছে আপনার প্রবন্ধে বলা হচ্ছে , সিভিলিয়ান হত্যাকরলেই যুদ্ধাপরাধী। অর্থাৎ যুদ্ধের ময়দানে কেউ কাউকে মারলে যুদ্ধাপরাধী নয়। সেই হিসাবে তো অনেক পাকিস্থানী সৈন্য বা রাজাকার যুদ্ধাপরাধীর দায় থেকে বেচে যাবে ?
শেষ প্রশ্ন হচ্ছে , রাজাকার বাহিনীর সব সদস্য ই কি যুদ্ধাপরাধী হবে ? অনেকেই হয়তো রাজাকার বাহিনীতে ছিল কিন্তু কোন অপরাধে লিপ্ত হয় নি , তারা ও কি যুদ্ধাপরাধী হবে ?
আশা করি এই প্রশ্ন গুলির উত্তর দিবেন।
লেখক বলেছেন: বিষয়টা নিয়ে আপনাকে আর কতো বুঝাবো!!!
এইটা সাধারণ বিচার প্রক্রিয়ায় হবে না। হবে ট্রাইব্যুনাল গঠনের মাধ্যমে। সুতরাং বিচার প্রক্রিয়া ভিন্ন।
"আর দিতীয়তঃ যুদ্ধাপরাধী শুধুমাত্র হয় তারা যারা সরাসরি যুদ্ধে লিপ্ত থাকে।"
তাই নাকি?? যুদ্ধাপরাধের সংজ্ঞাটা আবার পড়ুনতো। দেশীয় আইনে বিশ্বাস না থাকলে আন্তর্জাতিক আইন দেখুন।
Charter of the International Military Tribunal থেকে উদ্ধৃতি-
"(b) War crimes: namely, violations of the laws or customs of war. Such violations shall include, but not be limited to, murder, ill-treatment or deportation to Wave labour or for any other purpose of civilian population of or in occupied territory, murder or ill-treatment of prisoners of war or persons on the seas, killing of hostages, plunder of public or private property, wanton destruction of cities, towns or villages, or devastation not justified by military necessity"
স্ট্যাটিজিক্যাল কারনে আপনার কোন প্রশ্নের উত্তর দিতেই আমি বাধ্য নয়। বিচার প্রক্রিয়ার সব কৌশল, ডকুমেন্টস, যুক্তি -তর্ক আপনার সাথে শেয়ার করবো কোন বিশ্বাসে???
আপনি নিশ্চই জানেন, ৭১ এ পাকিস্তানীদের দালালালেরা ইসলামের দোহাই দিয়ে আমাদের দেশের জনগণের উপর অন্যায়, অত্যাচার, খুন ধর্ষন চালিয়েছিলো। কিন্তু প্রকৃত ইসলাম কখনোই এমনতর কাজকে ন্যায় বলে গন্য করেনা। তাই আমার উদ্দেশ্য যুদ্ধাপোরাধীদের প্রিয় অস্ত্র দিয়েই তাদের ঘায়েল করা। যদিও এখন ব্লগে তাদের পদচারনা খুব একটা নেই।
ইসলাম সম্পর্কে যে খুব জানি সেরকম কোন ধৃষ্টতা দেখাবোনা। কিন্তু জানার চেষ্টা করা তো দোষের কিছুই না। আমি জানার চেষ্টায় আছি। দেখি কি হয়।

যাই হোক...ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ![]()
থার্ড নয়ন বলেছেন:
সরাসরি যুদ্ধ না করলে আপনার সংজ্ঞার মার্ডার বা অন্যান্য অপরাধ গুলি কি ভাবে করবে ??? এই পর্যন্ত যত যুদ্ধাপরাধীর বিচার হয়েছে সব গুলিতেই অল্প সংখ্যক সরাসরি যুদ্ধে লিপ্ত দের ই বিচার হয়েছে। যাই হোক, জানা গেলে আমার প্রশ্ন গুলির উত্তর আপনার কাছে নেই । তাই উত্তর গুলি পাওয়া গেলনা। এই ধরনের পোস্ট লেখার আগে কমেন্ট কারীদের প্রশ্নের উত্তর দেয়ার প্রস্তুতি নিয়েই লেখা উচিত।
লেখক বলেছেন: উত্তর থাকলেই তা আপনাকে দিতে হবে কেন?
এই ধরনের লেখা কখন লেখতে হবে তা আমার ভালো করেই জানা আছে। আপনার কাছ থেকে জ্ঞান নিতে হবে না এ বিষয়ে।
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন:
থার্ড নয়ন সহ সব জামাতিদের পাছা জ্বলে কেন? সব প্রমান তো আদালতেই হবে।এই ব্লগে ব্লগর ব্লগর না করে আব্বাহুজুরদের বাচাঁতে চেষ্টা কর গিয়ে ।
আসলে চোরের মনে পুলিশ পুলিশ।
লেখক বলেছেন: খিক খিক
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ প্রত্যু ভাই।
হিসাম সেতু বলেছেন:
এই রাজাকারের 'থার্ড জেনারেশান' টারে (থার্ড নয়ন) বুঝানর ব্যর্থ চেষ্টা করে কোন লাভ নাই।
লেখক বলেছেন: হুমমম
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রিজভী ভাই।
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
আবারো অসাধারণ কাজ। শামীমকে স্যালুট
লেখক বলেছেন: মাসুম ভাই ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
ফাতাহ্ বলেছেন:
প্রিয় @ সামী মিয়াদাদ ,আমি আপনার সাথে একমত।
আপনার ইসলাম জানাকে আমি কখনো দোষের বলেছি কিনা বুঝতে পারছি না ?? যদি না বুঝে বলি থাকি তার জন্য দুঃখিত।
বরং স্বাগত জানায়, আপনার ইসলাম জানাকে ।
আর হা প্রিয় @ লেখক, আপনি আমার লেখার উওরে কেন "হুমমম......" বললেন বুঝতে পারছি না ???
লেখক বলেছেন: আছে না কথা শুনে অনেকে বলে হুমমম...এইটা সেই ধরনের হুমমম। আপনার মন্তব্য পড়ে হুমমম। বুঝতে পারছেন এইবার?
জাতেমাতাল বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ক্ষেত্রে এই গুরুত্বপুর্ন পোষ্ট আমাদের সাহায্য করবে। একরামুল হক শামীমকে অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
ব্লগে যুদ্ধাপরাধ নিয়ে শামীমের কাজগুলো নিঃসন্দেহে সবচেয়ে ভালো হচ্ছে। পরিশ্রমী এই কাজের জন্য আপাতত শুধু অভিনন্দন জানাচ্ছি।
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।
ত্রিশোনকু বলেছেন:
"আমরা তো ক্ষমা আর মহত্ত্বের উদারতা দেখিয়ে পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীদের ছেড়েই দিয়েছি। আসলগুলোকে ছেড়ে দিয়ে ছোটখাটগুলোর বিচার করে কি লাভ!"-এই স্যারের উদ্দেশ্য অবশ্যই ভাল নয়। ভিনজাতি যে অপরাধ করে আর যে স্বজাতি সেই অপরাধে মদদ দেয় তা এক নয়। স্বজাতির অপরাধ বহুগুনে বেশী।
পাকিস্তানীদের বিচার করতে পারবোনা বলে আলবদর আল শামস রাজাকারদের ছেড়ে দেব এ কেমন যুক্তি?
ভুইয়া সাহেব বলছেন:" আপনারা যেভাবে নিজামী-মুজাহিদ ও জামায়াত নিয়ে পড়েছেন তাতে এটা পরিষ্কার যে, আপনাদের টার্গেট যুদ্ধাপরাধেিদর বিচার নয়, বিকাশমান ইসলামী আন্দোলনের অগ্রযাত্রা রোধ করা। নইলে ২৫ শে মার্চ কালো রাত্রে পাক আর্মি যে হাজার হাজার বাঙালি নিধন করেছিল, দীর্ঘ নয় মাস যারা এ দেশে হত্যা, ধষর্ণ ও লুণ্ঠনের রাজত্ব কায়েম করেছিল, যাদের সাথে ছিল আমাদের মূল লড়াই, বিচার দাবী করার কথা ছিল সেই পাকসেনাদের বিরুদ্ধে।"
বিকাশমান ইসলামী আন্দোলনের পুরোধা যদি নিজামী-মুজাহিদ হয় তবে অবশ্যই ভাবতে হবে এটা আল্লাহর নির্দেশিত ইসলাম কি না। ইসলামে গনহত্যাকারী নেতৃত্ব পেতে পারেনা।
ভুইয়া সাহেব আরও বলেছেন:
"জামায়াত যে মুক্তিযুদ্ধের আসল প্রতিপক্ষ ছিল না তার প্রমান ১৬ ডিসেম্বরের রেসকোর্সের আতসর্মপনের দলীল। জামায়াতই যদি প্রতিপক্ষ হতো তাহলে জামায়াতকেই আতসমর্পনের জন্য বলা হতো। তা যখন বলা হয়নি তখন যামায়াত যে নির্দোষ সেদিনই তা প্রমান হয়ে গেছে।"
জামাত যেহেতু নিয়মিত কোন বাহিনী ছিলনা,ছিল রাজনৈতিক মন্চের আড়ালে লুকানো দখলদার পাকিস্তানীদের অত্যাচারের দোসর তাই তাদেরকে আত্মসমর্পন করানোর কোন প্রশ্নই ওঠে না।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
সুন্দর ও সময়োপযোগী লেখার জন্য ধন্যবাদ শামীম...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অলি ভাই।
আইন বিষয়ক পোস্ট যেহেতু, তাই আরো দুটা বিষয়ে পরিস্কার ধারনা চাচ্ছি:
১. আগে একটু ভূমিকা করি:
এক রাষ্ট্র যখন সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে অন্যরাষ্ট্রে অনুপ্রবেশ করে যুদ্ধাপরাধ ঘটায়, তখন এর সাইড ইফেক্ট হিসাবে আক্রান্ত রাষ্ট্রে সম্পদের হানি হয়, ইনফ্রাস্ট্রাকচার ধ্বংস হয়। যুদ্ধাপরাধী ক্রিমিনাল, ধরুন এক্ষেত্রে আক্রমণকারী রাষ্ট্রের সরকারের উচ্চপদস্থ লোকজন, সেনাবাহিনীর লোকজন -- এদের বিচারের মাধ্যমে শাস্তিটা শুধু যুদ্ধাপরাধের বিচার হয়, কিন্তু আক্রান্ত রাষ্ট্রের ইনফ;রাস্ট্রাকচারের যে ক্ষতি হয়, সেটাকে পরে আক্রান্ত রাষ্ট্রেরই সারিয়ে তুলতে হয়। অথচ এটার রিকভারী করে দেয়ার পুরো দায়িত্ব আক্রমণকারী দেশের বলেই মনে করি।
প্রশ্ন হলো, যুদ্ধাপরাধী দেশের বিরুদ্ধে এই ইস্যুতে ক্ষতিপূরণ প্রদানে বাধ্য করার শাস্তির বিধান আন্তর্জাতিক আইনে আছে কিনা।
২.
যে কথাটা আমরা সবসময়েই শুনি এবং বুঝিও যে এটা বাস্তবতারই দাবী, তা হলো, সাধারন আদালত না, বরং বিশেষ ট্রাইবুনালে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হতে হবে। কারণ, খুন, শারিরিক অত্যাচার, নারীধর্ষন, আগুন লাগানো, সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি -- এসব প্রমাণের জন্য যথেষ্ট পরিমাণ ভৌত প্রমাণ বা সাক্ষ্য ৪০ বছর জোগাড় করা কষ্টসাধ্য।
তখন যে প্রশ্নটা জাগে, তা হলো, বিশেষ ট্রাইবুনালের রূপরেখাটা কেমন হবে? মানে কিধরনের ডেফিনিশনের ভিত্তিতে বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করলে, সরাসরি প্রমাণ বা সাক্ষ্য ছাড়াও দোষীদের শাস্তি দেয়া যাবে। একটা আন্দাজ করতে পারছি, সেসময়ের সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদসমূহের সহায়তা নেয়াটা একটা উপায় হতে পারে। কিন্তু এটা যথেষ্ট হবে বলে মনে হচ্ছেনা। এছাড়া আর কি কি রূপরেখার ভিত্তিতে ট্রাইবুনাল গঠন করলে সত্যিকারের সাফল্য আসবে?
প্রসঙ্গতঃ বলে রাখি, এতদিন ট্রাইবুনাল গঠন হবে কি হবেনা, সেটাই মূল ফোকাসে ছিলো। কিন্তু আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর এব্যাপারে মোটামুটি আশাবাদী হওয়া যায় যে ট্রাইবুনাল গঠনে যদি সাফল্য আসে তাহলে সরকার ট্রাইবুনাল গঠন করবে। কাজেই ট্রাইবুনালের রূপরেখা নিয়ে সবার, বিশেষ করে আপনাদের মতো যারা আইনের সাথে সংশ্লিষ্ট তাদের ব্রেইনস্টর্মিংটা জরূরী।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জ্বিনের বাদশা ভাই।
ক্ষতিপূরণের বিষয়টি নিয়ে বলি।
বিভিন্ন সময়ই যুদ্ধাপরাধের সাথে ক্ষতিপূরণের বিষযটি আলোচিত হয়েছে।
জাপানের যুদ্ধাপরাধের জন্য Potsdam Declaration এর অধীনে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি উঠেছিল। জাপান তা মেনে নেয়।
উইকিপিডিয়া থেকে-
"The Japanese government officially accepted the requirement for monetary compensation to victims of war crimes, as specified by the Potsdam Declaration."
এছাড়া সান ফ্রান্সিসকো চুক্তি অনুযায়ীও জাপানকে ক্ষতিপূরণের দায়ভার দেওয়া হয়।
(বিস্তারিত-http://en.wikipedia.org/wiki/Japanese_war_crimes)
যুদ্ধাপরাধের জন্য ক্ষতিপূরণের বিষয়টি নিয়ে জানতে ইন্টারনেটে সার্চ দিয়েছিলাম। চমৎকার একটা আর্টিকলের সন্ধান পেলাম। সেখান থেকেই কিছুটা উদ্ধৃতি করছি। তাহলে ক্ষতিপূরণের আন্তর্জাতিক আইনগত ভিত্তি সমন্ধে কিছুটা ধারণা পাওয়া সম্ভব হবে।
"The Origins of the Right to Compensation in International Law
Prior to the emergence of modern human rights, humanitarian and refugee law in the immediate aftermath of the Second World War, compensation and restitution for displaced persons had already been a regular practice in international treaties and state practice (although not in a consistent manner nor with the agreed-upon compensation obligations always being honoured). For example, in the aftermath of the American War of Independence, 60,000 American colonialists loyal to the British crown fled their homes and properties in the newly independent United States. In the 1794 Treaty of Amity, Commerce and Navigation (the "Jay Treaty") between Great Britain and the United States, the Americans agreed that the loyalists could claim either the restitution of their properties or compensation for their property and commercial losses. However, the subsequent deterioration of political relations between the two countries resulted in the American abdication of any responsibility to pay the loyalist claims.
Similar examples of European and international treaties and laws that recognized compensation and/or restitution claims for displaced civilians include the 1648 Treaty of Westphalia that ended the Thirty Years War; the 1678 Treaty of Nimmegeun between Spain and France that ended the war over the Spanish Netherlands; and the 1839 Treaty of London that guaranteed the independence and neutrality of Belgium, among others. Even treaties that legitimized mass displacement of civilians and population exchanges (actions that are now prohibited by international law) – such as the 1920 Treaty of Neuilly between Greece and Bulgaria, and the 1923 Treaty of Lausanne between Greece and Turkey – contained provisions to compensate civilians who lost properties.
The modern basis for compensation and restitution in international law has been decisively shaped by the seminal 1928 ruling of the Permanent Court of International Justice in Chorzow Factory. In the aftermath of World War One, the Polish government expropriated a German-owned factory on Polish territory, and the German government sought reparations on behalf of the owners. In its lead ruling on the merits, the World Court stated that state responsibility applies in the case of an act or omission in violation of an international legal obligation:
It is a principle of international law, and even a general conception of law, that any breach of an engagement invokes an obligation to make reparation. [R]eparation is the indispensable complement of a failure to apply a convention, and there is no necessity for this to be stated in the convention itself.
Regarding damages, the Court endorsed the principle of restitution first, and full compensation for the property owners where restitution was unobtainable. In addition, it stated that awards for other damages not covered by restitution and compensation were also available: "
এই অংশটা গুরুত্বপূর্ণ-
"International Treaties and Conventions
Through treaties and conventions, international law has accepted the cornerstone principle that a state which has violated a legal obligation is required to end the violation and to make reparation, including restitution and compensation for loss and injury in the appropriate circumstances. These international instruments also stipulate that those whose human rights have been breached are to have access to meaningful remedies. Article 8 of the Universal Declaration of Human Rights states that every individual is entitled to an "effective remedy", a requirement that is repeated in the International Covenant on Civil and Political Rights and the Declaration on the Elimination of all Forms of Racial Discrimination. Other human rights instruments are even more specific: the American Convention on Human Rights refers to a "right to be compensated in accordance with the law" and provides that "no one shall be deprived of his property except upon payment of just compensation," while the African Charter on Human and Peoples’ Rights establishes the "right to an adequate compensation." The International Covenant on Civil and Political Rights and the European Convention on Human Rights both refer to the "enforceable right to compensation." The 1998 Treaty of Rome, which established the International Criminal Court, has directed the new court to establish principles of restitution, compensation and rehabilitation for victims of international war crimes. Other international treaties and conventions contain similar remedial requirements."
পুরো আর্টিকলটা পড়তে চাইলে এখানে দেখতে পারেন-http://www.arts.mcgill.ca/MEPP/prrn/papers/mlink.html
লেখক বলেছেন: এর আগে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে বেশ কিছু ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছে। সেই ট্রাইব্যুনালের অধীনে ট্রায়ালের মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে। সুতরাং যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনাল গঠন প্রক্রিয়া নতুন নয়। আমাদের সামনে অতীতের ধারণা রয়েছে।
ন্যুরেমবার্গ ট্রায়াল এবং টোকিও ট্রায়াল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ট্রায়াল ছিল।
সেইসব অভিজ্ঞতা থেকেই ১৯৭৩ সালে প্রণীত দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনাল) অ্যাক্ট এ ট্রাইব্যুনালের গঠন প্রক্রিয়া বলা হয়েছে। আইনটিতে ট্রাইব্যুনাল বিষয়ে পরিস্কার ধারণা রয়েছে। আইনের ৩য় ধারায় ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার, ৬ ধারায় ট্রাইব্যুনাল গঠন প্রক্রিয়া, ১১ ধারায় ট্রাইব্যুনালের ক্ষমতা সমন্ধে বলা হয়েছে।
সাক্ষ্য প্রমাণের কথা আপনি বলেছেন। ১৯৭৩ সালের আইনের ১৯ ধরায় এভিডেন্সের নিয়ম নীতি সমন্ধে বলা হয়েছে।
আইনের ১৯ ধারা থেকে-
19. Rules of Evidence.-
(1) A Tribunal not be bound by technical rules of evidence; and it shall adopt and apply to the greatest
possible extent expeditious and non-technical procedure, and may admit any evidence, including reports
and photographs published in newspaper, periodicals and magazines, films and tape-recording and other
materials as may be rendered before it, which it deems to have probative value.
(2) A Tribunal may receive in evidence any statement recorded by a Magistrate or an Investigation
Officer being a statement made by any person who, at the time of the trial, is dead or whose attendance
cannot be procured without an amount of delay or expense which the Tribunal considers un-reasonable.
(3) A Tribunal shall not require proof of facts of common knowledge but shall take judicial notice
thereof.
(4) A Tribunal shall take judicial notice proof of facts of common knowledge but shall take judicial notice
thereof.
েক আিম বলেছেন:
আমি এতো কিছু বুঝি না: আমার নানাকে যারা জবাই করে হত্যা করেছিল: তাদের কোন দিস ই হাতের কাছে পাব না (শিমলা চুক্তিতে ফাকিস্তান ফেরত গেছে): কিন্তু যারা তার নামটা তাদের কাছে বলেছিল ঐ জানোয়ারগুলোর বিচার দেখতে চাই।
লেখক বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতেই হবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
কুতুব্ বলেছেন:
পিলাছ দিলাম....
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তাহসিন আহমেদ।
রাজনীতি বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই। আন্দোলন চলবে, সবখানে সব অবস্থায়, বিচার হতেই হবে।করেন বিচার।
লেখক বলেছেন: কোন সন্দেহ?
নিবিড় অভ্র বলেছেন:
বিচার আবার কি??? ধইরা ঠা ঠা ঠা... গুল্লি...
লেখক বলেছেন: হা হা হা
@তিরিতিয় নয়ন এবং কাইয়ূম : বিচার টিচার করার দরকার নাই। তোমাদের এবং তোমাদের আব্বাদের তুইলা নিয়া বেয়নেট দিয়া খুঁচাইয়ে মারা সবচাইতে উত্তম। আমি বিচারের দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রীয় কোষাগার হইতে অর্থ এবং সময় ক্ষেপণে আগ্রহী নই। এবারের নির্বাচন অনু্যায়ী জামায়াত প্রায় ৩২লাখ ভোট পাইয়াছে। এই ৩২লাখ হইতে ৩হাজার মাথাকে কতল করিলেই সবকিছু ঠান্ডা হইয়া যাইবে এবং তোমাদের নয়ন গো.আ র মধ্যে সান্ধাইয়া যাইবে। এই লিখায় মাইনাস দিস ুদির পোলারা??
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মেঘ আপু।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
অরণ্যদেব বলেছেন:
সহমত।ধন্যবাদ। আছি সাথে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অরণ্যদেব।
অচন্দ্রচেতন বলেছেন:
পরিশ্রমী, সুচিন্তিত, সময়োচিত এবং বিশেষ প্রয়োজনীয় পোস্টের জন্য ধন্যবাদ ... কলম (অথবা কী-বোর্ড) চলতে থাকুক। অপরাধের বিচার হবেই।
লেখক বলেছেন: হুমমম যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবেই।
ধন্যবাদ।
নিশিবাস বলেছেন:
বাংলার মানুষ আজ জেগে উঠেছে। +++++++++++
লেখক বলেছেন: হুমমম । ধন্যবাদ আপনাকে।
প্রগতিশীল বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই। বিচার চাই তাদেরও যারা আন্তরিকভাবে ও আইনসন্মত ভাবে বিচারের ব্যবস্থা না করে বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ব্যবসা করে।
লেখক বলেছেন: আপনি আন্তরিকভাবে ও আইনসম্মতভাবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাচ্ছেন তো?
মনজুরুল হক বলেছেন:
দরকারী এবং গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট।
স্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।
বিস্তর পরিশ্রম করে আমাদের চমৎকার একটা
লেখা উপহারের জন্য লেখককে আন্তরিবক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মনজুরুল ভাই।
ধূসর জীবন বলেছেন:
আসলেই এই বিচার প্রক্রিয়াটা খুব জটিল হবে।থার্ড নয়ন এবং জহিরুল যুক্তিগুলো একেবারে ফেলনা নয়।শামীম ভাই তবুও আমাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে।আপনাকে অজস্র ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সাঁঝবাতি'র রুপকথা ভাইজান।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ পোষ্টটার জন্য।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রন্টি ভাই।
রিসাত বলেছেন:
অনেক গুলা মন্তব্য পড়লাম,,, আর বেশি কিছু বলতে চাই না,,,, শর্টকাটে বলি,,,বিচার চাই,,, এবং বিচার করতে হবে
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
নুভান বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নুভান
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন:
চমৎকার পোষ্ট। আপনাকে এমন একটি পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুক্তি মন্ডল ভাই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: আপনি কি সব বুঝে ফেলেছেন? চোখ বন্ধ করে বুঝেছেন নাকি চোখ খোলা রেখে বুঝেছেন?
এ.িট.এম. েমাসেলহ্ উিদ্দন জােবদ বলেছেন:
শামীম ভাই, অাপনােক শুেভচ্ছা।
যুদ্ধাপরাধীরা েযখােনই অােছ েয েলবােস অােছ(রাজৈনিতক দেল েথেক শুরু কের, রাষ্ট্র েথেক পিরবার পর্যন্ত) েসখান েথেক তােদর ধের এন তােদর িবচার করা হইক।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
ক্ষতিপূরণের ব্যাপারে তো আইন বেশ ভালোভাবেই সাপোর্ট করতে পারার কথা তাহলে ...
পাকি সরকারকে ক্ষতিপূরণে বাধ্য করা উচিত বলেই আমি মনে করি ... এটার সম্ভাব্যতা নিয়া একটা আলোচনা হওয়া দরকার
বিশেষ ট্রাইবুনালের বেলা ৭৩ এর ট্রাইবুনাল আইনের ১৯ ধারা অনুযায়ী -- ১. সংবাদমাধ্যমের এভিডেন্স, ঘটনার সাক্ষীদের সাক্ষ্য, কমনসেন্স বা কমন নলেজ -- এগুলো ব্যবহার করা যাবে। এছাড়া আর নতুন কিছু যোগ করার প্রয়োজন আছে কিনা (কারণ বিশেষ ট্রাইবুনালে কোনভাবেই জামাতরে পিছলাইতে দেয়া যাবেনা) -- সেটা আলোচনার দাবী রাখে।
বিশেষ ট্রাইবুনালের রূপরেখা আর এর ভিত্তিতে ৭১ এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সম্ভাব্যতা, প্লাস প্রস্তাবনা (যদি থাকে) -- এসব নিয়া আপনার একটা পোস্ট আশা করতেছি।
ধন্যবাদ ... চমৎকার কাজ করছেন ... ক্যারি অন
লেখক বলেছেন: ক্ষতিপূরণ আদায়ের বিষয়টা নির্ভর করে সরকারের প্রদক্ষেপের উপর।
ট্রাইব্যুনালে বিচারের প্রক্রিয়া এবং প্রস্তাবনা নিয়ে পোস্ট দেওয়ার ইচ্ছা আছে।
ধন্যবাদ জ্বিনের বাদশা ভাই।
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন:
পড়তে দেরি হয়ে গেল! দারুণ একটা কাজ করেছেন শামীম। অভিনন্দন নিন।
ইদানিং মিডিয়ায় দেখা যাচ্ছে- কিছু রাজাকারপ্রেমী বুদ্ধিজীবী 'প্রচলিত আদালতে' যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাচ্ছে। এই বিষয়টি নিয়ে সচেতন থাকা প্রয়োজন। আমাদের উচ্চ আদালত কলুষিত হয়ে গেছে। সেখানে এই বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হলে বহু বিচারকই 'বিব্রতবোধ' করবেন। বিচারের নামে এইরকম প্রহসন এবং খেলা আর দেখতে চাই না। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার অবশ্যই স্পেশাল ট্রাইবুনালে হতে হবে, যেখানে অন্তত বিচারকরা এদের বিচার করতে 'বিব্রত' হবেন না! এই বিষয়ে সবাই সোচ্চার থাকুন।
শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: ট্রাইব্যুনালের অধীনেই বিচার করা উচিত।
ধন্যবাদ আহমাদ মোস্তফা কামাল ভাই।
ছায়া পথিক বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন:
পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাহাত
আপনি ব্যক্তিগত ভাবে কি করছেন জানতে পারলে ভাল হতো । আমরা খুব শিঘ্রই ৭১ এর ওরাল হিস্ট্রি নিয়ে কাজ শুরু করতে যাচ্ছি যেখানে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গে আইনত করণীয় কি এবং এ বিষয়ে প্রতিব্ধকতা চিন্হিত করে একটা দিক নির্দেশনা পাওয়া যাবে এমন একটা গবেষণা শুরু হতে যাচ্ছে...... এ বিষয়ে আপনি বক কোন সাহায্য করতে পারেন?
লেখক বলেছেন: আমি ব্যক্তিগতভাবে আইন বিষয়ে পড়ালেখা করছি ![]()
আপনি জানান কি ধরণের সাহায্য আমি করতে পারি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য কার্য্যক্রমে আমি সাহায্য করতে প্রস্তুত আছি।
ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
বল সাবান চাকা বলেছেন:
ভাল পোস্ট
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আগে মনে হচ্ছে রাজাকারের ছানাগুলোকেই শূলে চড়ানো জরুরী....আপনার পরিশ্রমকে স্যালুট জানাচ্ছি শামীম ভাই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ এরশাদ বাদশা ভাই।
লেখক বলেছেন: দেখছি ওইটা। ধন্যবাদ সিমু নাসের ভাই।
ড্রাকুলা বলেছেন:
অসাধারন প্রস্তাব। যারা মাইনাস দিয়েছে, তারা কি বাঙ্গালী না? ধরলাম তারা বাঙ্গালী না, কিন্তু তবুও তো অন্যায়ের পক্ষে সমর্থন দেওয়া কোন মানুষের কাজ না। ওরা কি মানুষ?
লেখক বলেছেন: ওদের সম্পর্কে কি আর বলবো!!
আপনাকে ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
লেখক বলেছেন: ঠিক। ধন্যবাদ আপনাকে।
নামহীন মানব বলেছেন:
শামীম ভাই, অনেকদিন পর ব্লগে আইসা আপনার চমৎকার পোষ্টটা পড়লাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মিশু ভাই।
নিকোলাই টেসলা বলেছেন:
"এসি কারেন্ট ব্যবহার করুণ, ডিসি থেকে দূরে থাকুন"অািম ব্লেগ নতুন। ভাবলাম এখােন এেস সবাইেক অামার অাগমন জানান িদয়া যাই। মাফ করেবন।
লেখক বলেছেন: হুমমম![]()
ধন্যবাদ আপনাকে।
দিশাহারা ওমর সোলাইমান বলেছেন:
ঠিক
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মাথু ভাই ।
সাহেদুর রহমান বলেছেন:
ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।
মুকুল _মল্লী বলেছেন:
চল যাই হেরি কোথায় মিলিছে মোদের জাতির দাবি !++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সৈয়দা তাহমিনা বেগম সীমা বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই ।।'৭১-এর ঘাতক দালাল রাজাকার আল বদর তথা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে সংসদে প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।
সরকারকে অবিলম্বে ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইনকে সক্রিয় করার মাধ্যমে ঐ বিচারের জন্য এখনই প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে হবে।
লেখক বলেছেন: হুমমমম।
ধন্যবাদ আপনাকে।
রাশেদ বলেছেন:
হু।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাশু ভাই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...অসমাপ্ত ভাইয়া
লেখক বলেছেন: হু মনে হয় বহুত কষ্ট হচ্ছে ![]()
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
এই না হলে এক্টিভিস্ট। গ্রেট বস।
প্রিন্ট করলাম। আপাতত লিফ্লেট এর বিকল্প।
শামীম ভাই, কোনো আপডেট আছে... জানাবেন। একটু বিধধস্ত, ঝামেলায় আছি।
লেখক বলেছেন: আপডেট থাকলে আপনাকে জানাবো। বিধ্বস্ত কেন? কি হইছে! ঝামেলা কিসের?
ধন্যবাদ হাদী ভাই।
আকাশচুরি বলেছেন:
স্বজন বলেছেন: ১০২ ১০টা মাইনাস মানে ১০ জনের কষ্ট হচ্ছে ১০টা ছাগলের লেজ একসাথে বেধে দেয়া যেতে পারে
লেখক বলেছেন: খিক খিক ![]()
পড়ার জন্য ধন্যবাদ আকাশচুরি ভাই।
কুমিল্লার পোলা বলেছেন:
'+'
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
রিসাত বলেছেন:
10ta minus!!!!:O how come!!!
লেখক বলেছেন: হুমমম
রিসাত বলেছেন:
:o
লেখক বলেছেন: অবাক হওয়ার কিছু নাই। আছে কিছু পাবলিক, যারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায় না।
হোরাস্ বলেছেন:
অনেকগুলো ব্যাপার পরিস্কার হলো। অসংখ্য ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ চিটি আপু।
ভালো আছি। তুমিও ভালো থেকো আপু।
নিহন বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তোমাকে।
রূপকথার বিস্মৃত দানব বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



























