আমার প্রিয় পোস্ট

বাস্তবতা ফেরী করে বেড়াচ্ছে আমার সহজ শর্তের সময়গুলোকে

শহীদ জননী জাহানারা ইমামের শেষ চিঠি

১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:১৯

শেয়ারঃ
0 1 0

মরণব্যাধি ক্যান্সারের সাথে লড়তে হয়েছে উনাকে। অসুস্থ্য শরীর নিয়েই দীর্ঘদিন একাত্তরের ঘাতক, যুদ্ধাপরাধীসহ স্বাধীনতাবিরোধী সকল অপশক্তির বিরোদ্ধে লড়াই করেছেন শহীদ জননী জাহানারা ইমাম। জীবনের শেষমুহূর্তেও তিনি তাঁর দায়িত্বের কথা ভুলে যান নি। মৃত্যুর আগে কাঁপা কাঁপা হাতে তিনি লিখে গেছেন দেশবাসীর উদ্দেশ্যে তার শেষ চিঠি।

শহীদ জননী জাহানারা ইমাম তাঁর শেষ চিঠিটিতে লিখেছেন-

সহযোদ্ধা দেশবাসীগণ, আপনারা গত তিন বছর একাত্তরের ঘাতক ও যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমসহ স্বাধীনতাবিরোধী সকল অপশক্তির বিরোদ্ধে লড়াই করে আসছেন। এই লড়াইয়ে আপনারা দেশবাসী অভূতপূর্ব ঐক্যবদ্ধতা ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। আন্দোলনের শুরুতে আমি আপনাদের সঙ্গে ছিলাম। আমাদের অঙ্গীকার ছিল লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত কেউ রাজপথ ছেড়ে যাবো না। মরণব্যাধি ক্যান্সার আমাকে শেষ মরণ কামড় দিয়েছে। আমি আমার অঙ্গীকার রেখেছি। রাজপথ ছেড়ে যাই নি। মৃত্যুর পথে বাধা দেবার ক্ষমতা কারো নেই। তাই আপনাদের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছি এবং অঙ্গীকার পালনের কথা আরেকবার আপনাদের মনে করিয়ে দিতে চাই। আপনারা আপনাদের অঙ্গীকার ও ওয়াদা পূরণ করবেন। আন্দোলনের শেষ পর্যায় পর্যন্ত ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ে থাকবেন। আমি না থাকলেও আপনারা আমার সন্তান-সন্ততিরা - আপনাদের উত্তরসূরিরা সোনার বাংলায় থাকবেন। এই আন্দোলনকে এখনো অনেক দুস্তর পথ পাড়ি দিতে হবে। দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, মুক্তিযোদ্ধা, নারী, ছাত্র ও যুবশক্তি, নারীসমাজসহ দেশের সর্বস্তরের মানুষ এই লড়াইয়ে আছে। তবু আমি জানি জনগণের মতো বিশ্বস্ত আর কেউ নয়। জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। তাই গোলাম আযম ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের দায়িত্বভার আমি আপনাদের, বাংলাদেশের জনগণের হাতে অর্পন করলাম। অবশ্যই, জয় আমাদের হবেই। জাহানারা ইমাম

শহীদ জননী জাহানারা ইমামের লেখা শেষ এই চিঠি-টি আজও খুবই প্রাসঙ্গিক মনে হয়। বর্তমানে দেশের জন্য একজন জাহানারা ইমামের বড্ড বেশি প্রয়োজন......।

 

সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:২৪
অরণ্য আনাম বলেছেন: শহীদ জননী-র জন্য আমার বিনম্র শ্রদ্ধা
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:২৬

লেখক বলেছেন: বিনম্র শ্রদ্ধা শহীদ জননীর প্রতি.....

১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:২৮

লেখক বলেছেন: :)

৩. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:২৭
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন: ধন্যবাদ .....................আপনাকে!!!

আমাদের অঙ্গিকার, দায়িত্বের কথা স্মরন করিয়ে দেওয়ার জন্য।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এ দেশের মাটিতেই হবে ইনশ্আল্লাহ।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যক্রর হওয়ার আগ পর্যন্ত আমরা আমাদের কর্মসূচী পালন করে যাব। প্রয়োজনে আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে বাধ্য করব যুদ্ধাপরাধীদের বিচার পক্রিয়া শুরু করার জন্য।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পারভেজ ভাই।

৫. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩৪
শিরোনামহীন বলেছেন: বর্তমানে দেশের জন্য একজন জাহানারা ইমামের বড্ড বেশি প্রয়োজন......।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: হুমমম বড্ড বেশি প্রয়োজন.....

৬. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩৪
তর্পন বলেছেন: সময়োপযোগী পোষ্ট ++++
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৭. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩৪
এস্কিমো বলেছেন: আবারো পড়লাম। ধন্যবাদ।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ এস্কিমো ভাই।

৮. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩৮
হিউগো বলেছেন: ধন্যবাদ পোস্টটির জন্য..............................

প্লাস..............
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।

৯. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩৮
আমার মত বলেছেন: চিঠির কথা জানতাম না।
পড়লাম,
তবে উনার গত তিন বছর আন্দোলনের কথা শুনেছি...
ঠিক যেমন শুনেছি গোলাম আযমের সাথে হাসিনার মিটিং, জামাতের সাথে ৯৬ তে আন্দোলন, এবং দেখেছি ০৮ নিজামীর সাথে জিল্লুরের কর মর্দন...
এই রুপ কত গোপন কর মর্দন হচ্ছে কিনা কে জানে ... কারন আওয়ামী লীগের মিথ্যাচারের সীমা নেই (শুনেছি)

আরো শুনেছি ৮৬ এর জাতীয় বেঈমান হওয়া ... তারেক-এরশাদের মিটিং সম্পর্কেও হাসিনা বলেছিলো চোরে চোরে মাসতুত ভাই, ...সেদিন শুনলাম, এরশাদ বলে হাসিনার বড় ভাই, তবে হাসিনা তারেকের সম্পর্ক কি ????
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: আপনি কোন লাইনে কথা বলতে চাইলেন আপনিই জানেন। আমি লেখলাম কি আর আপনি বললেন কি.....

১০. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৪৪
আবুল বাহার বলেছেন: বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা জননী ।

তুমি শান্তিতে ঘুমাও চির নিদ্রায়.....
আমরা এখনো জেগে আছি তোমার অসমাপ্ত কাজ শেষ হবেই এ বাংলায় ।

সে দিন পর্যন্ত আমাদের ক্ষমা করো ।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা জননী ....

১১. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৪৫
হিউগো বলেছেন: @আমার মত :

হা হা হা হা হা হা হা হা.....................................
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৫১

লেখক বলেছেন: এতো হাসি.....

১২. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৫৩
মেঘ বলেছেন: ‘মা’কে আমার পড়ে যে মনে...

স্বনামধন্য মুক্তিযোদ্ধা রুমির মা। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সমর্থক এবং সম্প্রদান কারকে তার অবদান আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে। শ্রদ্ধেয় জাহানারা ইমাম হারিয়েছেন ছেলে, স্বামী দুই-ই আমাদের মুক্তভূমি উপহার দিতে গিয়ে। মুক্তির স্বাদ ম্লান হয়ে যায় পঁচাত্তর-পরবর্তী ক্ষমতাসীনদের রাজাকার তোষণনীতির কারণে। দেশের সেই সন্ধিক্ষণে এ ত্যাগী মা ‘নির্মূল কমিটি’ গঠন করেন, একাত্তরের খুনি এবং পাকিস্তানি দোসর রাজাকারদের সমূলে উতপাটনের অঙ্গীকার নিয়ে। একজন যোদ্ধার মা যেভাবে সারাদেশের মানুষের কাছে শহীদ জননী জাহানারা ইমাম হয়ে ওঠেন, এখানে তার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা তুলে ধরা হলো।

১৯৭৮ : ১১ জুলাই। জেনারেল জিয়ার সংবিধান সংশোধনের সুযোগে বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমের অনুপ্রবেশ। গোলাম আযমের হাতে পাকিস্তানি পাসপোর্ট, দেশে আসার অনুমতি লাভ অসুস্থ মাকে দেখার অজুহাতে- কথায় আছে সুঁই হয়ে ঢোকা, ফাল হয়ে বের হওয়া। মওকা কাজে লেগে যায় গোলাম আযমের। সরকারের আশীর্বাদে বাংলাদেশেই স্থিতি হয় তার। নিষিদ্ধ ঘোষিত মৌলবাদী দল জামায়াতে ইসলামী পুনর্গঠিত ও সক্রিয় হয়।

১৯৯১ : ২৯ ডিসেম্বর। গোলাম আযম (তখনো পাকিস্তানি নাগরিক) জামায়াতের আমির নির্বাচিত। সারাদেশের মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়ে গোলাম আযম অফিসিয়ালি রাজনৈতিক দলের প্রধান হওয়ায়। কিন্তু ততকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সরকার সংবিধানের এমন চরম লংঘন (বিদেশী নাগরিকের দেশের রাজনৈতিক দলের প্রধান হওয়া) একেবারে না দেখার ভান করে এড়িয়ে যায়।

১৯৯২ : ২ ফেব্রুয়ারি। জাহানার ইমাম সমাজের প্রতিনিধিত্বকারী বিভিন্ন মানুষের সমন্বয়ে গড়ে তোলেন ‘একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’। শপথ একটাই, একাত্তরের অপরাধীদের বিচার ও তাদের বর্তমান কর্মকান্ড - রুখে দেওয়া। এ কমিটিতে স্বাক্ষর করেন ১০১ জন। তারা জামায়াতের কর্মকান্ডকে অবৈধ ও সংবিধান পরিপন্থী বলে ঘোষণা করেন। নতুনভাবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজ শুরু করার দাবি উত্থাপন করেন। এ কমিটি পরে জানায়, জনতার আদালতে এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিচারের রায় ঘোষণা করা হবে ২৬ মার্চে, যা ২১তম স্বাধীনতা দিবস।

১৯৯২ : ২৪ মার্চ। গোলাম আযমকে গ্রেফতার করে ততকালীন সরকার জেলে পাঠায়। কিন্তু তাকে দেওয়া হয় ভিআইপি ট্রিটমেন্ট। ইতিমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শহীদ জননী জাহানার ইমাম এবং তার অন্য সহযাত্রীদের এ ধরনের আন্দোলন চালানোর পরিণতি সম্পর্কে সাবধান করে দেয়। প্রশাসন থেকে এ-ও বলা হয়, জনতার আদালত, সেখানে গোলাম আযমসহ অন্য মুখ্য যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চালানো আসলে দেশের প্রচলিত আইন ও সংবিধান পরিপন্থী। এ ধরনের কর্মকান্ড আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার মতো অপরাধ এবং রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল। দেশে নৈরাজ্য ও অরাজকতা সৃষ্টির হোতা হিসেবে এসব বিদ্রোহীর কোর্টে বিচার হতে পারে। খালেদা জিয়ার বিএনপি সরকার শহীদ মুক্তিযোদ্ধা রুমির মা জাহানারা ইমাম ও তার আরো ২৪ জন সহযাত্রীর বিরুদ্ধে ‘ রাষ্ট্রদ্রোহিতার ’ মামলা করে। জাহানার ইমাম ও তার সতীর্থরা প্রত্যেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে উপস্থিত হয়ে জামিন নেন।

১৯৯২ : ২৬ মার্চ। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে লাখো মানুষের সামনে জাহানারা ইমাম জনতার আদালতের সব বিচারকের পক্ষে রায় পড়ে শোনান।

১৯৯৩ : ৪ এপ্রিল। জাহানারা ইমাম ক্যান্সারের চিকিতসার্থে আমেরিকা যান।

১৯৯৪ : ৭ জুলাই। রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা মাথায় নিয়ে শহীদ জননী তার শহীদ ছেলে রুমির কাছে চলে যান আমাদের ছেড়ে। রেখে যান এ অভাগা জাতির প্রতি তার শেষ চিঠি-

‘আমার সতীর্থ যোদ্ধারা, আপনারা গোলাম আযম ও একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী দুষ্টু শক্তির বিরুদ্ধে লড়ছেন, সে সঙ্গে গত তিন বছর লড়াই করছেন মুক্ত বাংলাদেশে চলমান সৈ^রশাসনের বিরুদ্ধেও। বাঙালি জাতি হিসেবে, আপনাদের একতা ও সাহস অতুলনীয়। আমাদের লড়াইয়ের শুরু থেকে আমি আপনাদের সঙ্গে ছিলাম। লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধরত থাকা ছিল আমাদের ঐক্যবদ্ধ বিশ^াস। ক্যান্সার আমাকে আমার চূড়ান্ত সময়ের দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। আমি লড়াই বন্ধ করিনি। কিন্তু ক্যান্সার আমার সশরীরে আপনাদের মাঝে উপস্থিত থাকার পথরোধ করে দাঁড়িয়েছে। অমোঘ নিয়তি মৃত্যুর দিকে যাত্রা বন্ধ করার কোনো উপায় আমার নেই। সেজন্যই আমি আবার আমাদের প্রতিজ্ঞা লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত লড়াই করার কথা আপনাদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই। আপনারা অবশ্যই আপনাদের প্রতিজ্ঞা পূরণ করবেন। আপনারা একতাবদ্ধ থাকবেন এবং এর শেষ না দেখে লড়াই থামাবেন না। আমি আপনাদের মাঝে থাকব না, কিন্তু আমি জানব আমার লাখো বাঙালি সন্তান আগামীতে মুক্ত সোনার বাংলায় তাদের সন্তান-সন্ততি নিয়ে বসবাস করছে। আমাদের সামনে এখনো লম্বা এবং বন্ধুর পথ। সমাজের সর্বস্তর থেকে মানুষ এ লড়াইয়ে যোগ দিয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শে বিশ্বাসী ব্যক্তি, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, মুক্তিযোদ্ধা, নারী, ছাত্রছাত্রী, তরুণ সবাই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছে এ লড়াই চালিয়ে নেওয়ার জন্য। আমি জানি, জনগণের চেয়ে বড় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ শক্তি আর কিছু হতে পারে না। জনগণই শক্তি। আমি এ বিশ^াসে বাংলাদেশের মানুষের হাতে গোলাম আযম ও তার দোসর অন্যান্য রাজাকার আলবদর, যুদ্ধাপরাধীর বিচারের ভার ছাড়লাম। মুক্তিযুদ্ধের সেই অনবদ্য শক্তিতে বলীয়ান হয়ে বাংলাদেশের মানুষকে সামনে এগোনোর কথা বললাম। নিশ্চিত, জয় আমাদের।’
জাহানারা ইমাম

পাদটীকা : আমি জানি না আমার এই সাহসী ‘মা’ আজ কি ভাবছেন দূর আকাশে বসে! হাসি পায় যখন নিজামী-মুজাহিদীরা সংবিধান রক্ষার জন্য কুম্ভীরাশ্রু বর্ষণ করে। আমি শুধু জানি আমরা ‘মা’কে দেওয়া প্রতিশ্রুতি একটুও রক্ষা করতে পারিনি। পারিনি তার সেই বিশ্বাসের এতটুকু মর্যাদা রাখতে। তাই আমাদের ১৬ ডিসেম্বরগুলো শুধু আলোকসজ্জারই দিন অথচ মনে এখনো গহিন অন্ধকার...।

ইন্টারনেট থেকে অনূদিত ও সম্পাদিত


সমকাল
নারীস্থান
১৭ ডিসেম্বর, ২০০৬.
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:০৭

লেখক বলেছেন: নারীস্থানে ছাপা হওয়া লেখাটি দারুন একটি লেখা।

ছোট্ট একটি সংশোধনী, দীর্ঘদিন ধরে দুরারোগ্য ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হয়ে জাহানারা ইমাম ১৯৯৪ সালের ২৬ জুন মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৯৪ ৭ জুলাই না হয়ে ২৬ জুন হবে না?

প্রাসঙ্গিক বিষয় :

২৬ জুন ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় মিশিগানের ডেট্টয়েট নগরীর সাইনাই হাসপাতালের ডেবে ৬৫ বছর বয়সে জাহানারা ইমাম শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্ত বায়ন ও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল জাতীয় সমন্বয় কমিটি ২৮ জুন থেকে ৪ জুলাই পর্যন্ত শোক সপ্তাহ এবং ৬ জুলাই জাতীয় শোক দিবস পালন করে। ৪ জুলাই বিকেলে বাংলাদেশে যায় শহীদ জননীর মরদেহ। ৫ জুলাই সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শহীদ জননীর কফিন রাখা হয় জনগণের শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্যে। দুপুরে যোহরের নামাযের পর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয় তাঁর নামাযের জানাযা। জানাযা শেষে শহীদ জননীকে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী ও মুক্তিযোদ্ধা গোরস্থানে সমাহিত করা হয়। এ সময় মুক্তিযুদ্ধের আটজন সেক্টর কমান্ডার শহীদ জননীকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন।

১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৪. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৫৫
মেঘ বলেছেন: একটু শেয়ার করলাম আশা করি কিছু মনে করবেন না।

মা'কে মনে করিয়ে দেবার জন্য আবারো ধন্যবাদ
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:০৮

লেখক বলেছেন: আরে আপু এখানে মনে করার কি আছে!
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

১৫. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:১৬
মেঘ বলেছেন: ভুল করে থাকতে পারি। ধন্যবাদ শুধরে দেবার জন্য
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১৭. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৫১
রঙ্গব্যঙ্গ বলেছেন: সময়ই সব কিছু বলে দেয়।আম্মাজান ক্ষান্ত দিয়েছেন।দেখা যাক সন্তানরা কি করে ?
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৩২

লেখক বলেছেন: হুমমম

১৮. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ২:২৩
দূরন্ত বলেছেন: গোলাম আযম ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের দায়িত্বভার আমি আপনাদের, বাংলাদেশের জনগণের হাতে অর্পন করলাম। অবশ্যই, জয় আমাদের হবেই।

জাহানারা ইমাম
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: হুমমম জয় আমাদের হবেই।
ধন্যবাদ দূরন্ত ভাই।

১৯. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ২:৩৯
পতত্রী বলেছেন: পোস্টটি স্টিকি করা হউক+
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সেলটিক সাগর।

২১. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:১২
এন এইচ আর বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ শামীম ভাই এরকম একটা গুরত্বপূর্ণ তথ্য আমাদের জানানোর জন্য। অনেকই হয়তো জানে আবার অনেকই সময়ের স্রোতে ভুলে গেছে শহীদ জননীর কথা। তাই সবার বাংলাদেশের প্রতিটা মানুষের জানা দরকার আছে এই কথা গুলো । সে কারণে পোস্টি স্টিকি করা হোক আর আপনি বা ্যারা পত্রিকাতে আছেন তারা এ নিয়ে কিছু করুন।

আবারও ধন্যবাদ আপনাকে।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৪২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার প্রস্তাবের জন্য।

২২. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:২৫
সামুরাই বলেছেন: বর্তমানে দেশের জন্য একজন জাহানারা ইমামের বড্ড বেশি প্রয়োজন......

১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৫১

লেখক বলেছেন: হুমমম বড্ড বেশি প্রয়োজন....
ধন্যবাদ আপনাকে।

২৩. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:৪২
পারভীন রহমান বলেছেন: শহীদ জননী-র জন্য রইলো আমার বিনম্র শ্রদ্ধা
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২৪. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৪৫
রোহান বলেছেন: বর্তমানে দেশের জন্য একজন জাহানারা ইমামের বড্ড বেশি প্রয়োজন......
------------------------
যাদের দরকার সেই মানুষগুলো বড্ড অসময়ে চলে যায়। নিজামী আর গু-আযম গুলা বেঁচে যায়। এ অনেক বড় লজ্জা আমাদের।

একাত্তরের দিনগুলি- স্বাধীনতা যুদ্ধের অনেক বড় দলিল। আমরা এই শহীদ জননীর বিশ্বাসের মর্যাদা কতটুকু দিতে পারব কে জানে??

(পুন:শ্চ: এমন পোষ্টে মাইনাস??? কে দিলো, কেনো দিলো??)
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৩৮

লেখক বলেছেন: হুমমম।
মাইনাস দেওয়ার একটা গ্রুপ আছে যারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হোক তা চায় না।

ধন্যবাদ আপনাকে।

২৫. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৪৬
রোহান বলেছেন: পোস্টটি স্টিকি করা হউক+
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২৬. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৪৮
তন্ময় ভট্টাচার্য বলেছেন: এখনও পোস্টটা স্টিকি করা হল না? মডুরা কোথায়? এদিকে একটু নজর দেন প্লিজ।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২৭. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৫৩
ব্লগেশ্বর বলেছেন: এই পোস্টে মাইনাস!! রাজাকার দেখি ব্লগে ভালই খুঁটি গেড়েছে!!

প্রিয়তে রাখলাম।
১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২৮. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:১১
যীশূ বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম।
১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ যীশূ ভাই।

২৯. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:১১
যীশূ বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম।
৩০. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৪০
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: শেষ চিঠিটি অনেক আগেই পড়েছি। তারপরও ভাল লাগল। আজ পিকনিক কেমন কাটালেন?
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৪৪

লেখক বলেছেন: পিকনিক অনেক অনেক মজারু হইছে। তুমি যাওনি কেন?

৩১. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৫১
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: হায় হায়! বলে কি! আমি গেছি তো। আমি আপনার পাশেই সকালে চা খেয়েছি। আপনাকে আমি অনেকবার দেখেছি। কিন্তু ঐ যে! দেখা করা হয় নি।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৫২

লেখক বলেছেন: খাইছে!! আমার পাশে দাড়িয়ে সকালে চা খাইছো??
দেখা করোনি কেন একবারও??
তুমি কেমন মজা করলা পিকনিক-এ?

৩২. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৫৬
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: জটিল মজা! খুবই ভাল লেগেছে। অনেক দিন পর ধুমায়া নাচলাম... সবচেয়ে ভাল লেগেছে, আমাদের স্যার-ম্যাডামরা আজ খুবই ফ্রি ছিলেন এবং অসম্ভব মজা করেছেন। সবাই আমাদের সাথে নেচেছেন। কি বলব! বর্ণনা দিয়ে তো শেষ করা যাবে না। আচ্ছা, আপনাদের সাথে কি যে একটা প্রবলেম হয়েছিল স্যারদের সাথে। সমস্যা না হলে যদি একটু বলতেন!
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:১৭

লেখক বলেছেন: হুমমম স্যার-ম্যাডামরা আজ খুবই ফ্রি ছিলেন

৩৩. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৫৭
মেহবুবা বলেছেন: শহীদ জননী জাহানারা ইমামকে দিয়ে সম্ভব মৃত্যুর মুখোমুখি দাড়িয়ে দেশ আর জাতির জন্য শুভ চিন্তা করা ।
ধন্যবাদ ।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:২৬

লেখক বলেছেন: শহীদ জননী জাহানারা ইমামের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।
ধন্যবাদ আপনাকে।

৩৪. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:২৫
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন:

আপনি কি এ দেয়ালিকা'র জন্য লেখা জমা দিয়েছেন? যদি না দিয়ে থাকেন, তাইলে অতিসত্ত্বর দিয়ে দেন। নইলে কিন্তু...X((X((X((

নিশাও কিন্তু আপনাকে রাখবে না... হুমকি দিয়ে রাখলাম... মনে থাকে যেন...
তবে আমি কিন্তু এখনো জমা দেই নি:D:D:D
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৩১

লেখক বলেছেন: আমি লেখা জমা দেই নি। :D:D:D

তুমি কি ম্যাসেঞ্জার ব্যবহার করো না?

৩৫. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৩২
মুক্ত বয়ান বলেছেন: ভাই, খুবই প্রিয় একটা চিঠি। এটা আগেই পড়ছিলাম। এখন অনলাইন সংস্করণ পেলাম। সোজা প্রিয়তে।
ধন্যবাদ।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৩৬. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৪৬
অঞ্জন সানি বলেছেন: স্টিকি করা হোক ..................।।


কোন _ত মা_নির পোলারা মাইনাস দিসে ????

অইগুলারে কি যে করতে মন চায়...............
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: বিচার হবেই ইনশাআল্লাহ...এরা যতোই মাইনাস দিক।

ধন্যবাদ আপনাকে।

৩৭. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৫৫
নুরুন্নবী হাছিব বলেছেন: @শিরোনামহীন বলেছেন: বর্তমানে দেশের জন্য একজন জাহানারা ইমামের বড্ড বেশি প্রয়োজন......।
১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:১৪

লেখক বলেছেন: হুমমমম
ধন্যবাদ তোমাকে।

৩৮. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ২:৫২
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: শহীদ জননী-র জন্য আমার বিনম্র শ্রদ্ধা


কেমন আছো শামীম? ভালো থেকো।
১৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু।

কেমন আছো? ভালো থেকো তুমিও।

৩৯. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ২:৫৮
তিতিয়ানাতান্তা বলেছেন: শ্রদ্ধা শহীদ জননীর প্রতি
১৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তিতিয়ানাতান্তা

৪০. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০৪
তন্ময় ভট্টাচার্য বলেছেন: মডুরা এই পোস্ট স্টিকি করে না, ওদের কি ভিমরতি ধরছে? ওরা কি ঘুমে?
১৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:২৫

লেখক বলেছেন: সমস্যা নাই।
আপনাকে ধন্যবাদ।

৪১. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২০
স্মৃতিমেঘ বলেছেন: তিস্তা বুকে আজ বালির ঘর............আমার কন্ঠে আজ লজ্জাস্বর।


"মা"..................।উপন্যাসের কথা মনে পড়ে গেল।
১৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৪২. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৫৫
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: শহীদ জননীর কথাগুলো এখনও আদেশের মতো, নির্দেশিকার মতো মনে হয়। এতগুলো বছর কাটলো, এখনও সেই বিচার করা হলো না রাষ্ট্রের। এবারে সেই কাজটা করতেই হবে!
১৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:০১

লেখক বলেছেন: হুমমম যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতেই হবে।
ধন্যবাদ তোমাকে।

১৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৩৪

লেখক বলেছেন: আগেই দেখেছি। ব্লগনেম পরিবর্তন করেছেন দেখা যায়, নতুন নামে স্বাগতম।

৪৪. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:২৮
আকাশনীল বলেছেন: বর্তমানে দেশের জন্য একজন জাহানারা ইমামের বড্ড বেশি প্রয়োজন..
যত ঝড় আসুক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতেই হবে।।
১৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৩৪

লেখক বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হতেই হবে।

ধন্যবাদ আপনাকে।

৪৫. ১৮ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৫৮
জেরী বলেছেন: শহীদ জননীকে শ্রদ্ধা
১৮ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ এলাকাবাসী।

৪৬. ২১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:০৫
নিবিড় অভ্র বলেছেন: চমৎকার পোস্ট! :)

শোকেসে নিলাম।

অফ: পোস্টটা আমি আগেই পড়েছি। আলস্যের কারণে লগ ইন বা কমেন্ট করা হয়নি! :|
২১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:১০

লেখক বলেছেন: শোকেসে রাখা একটা ধন্যবাদ তোমার জন্য বরাদ্দ করলাম ;)

৪৭. ২১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:১৫
...অসমাপ্ত বলেছেন: চমৎকার পোস্ট.... ঠিক এমন সব চমৎকার বিষয় নিয়ে লেখাগুলো আপনার কাছ থেকে আরো আশা করি শামীম ভাই।
২১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া :)

৪৮. ২৫ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৫৮
প্রগতিশীল বলেছেন:
আচ্ছা শামীম, একটা বিষয় আপনার কাছ থেকে জানার খুব ইচ্ছা।
জাহানারা ইমাম, শাহরিয়ার কবির, ব্যারিস্টার শফিক আহমেদরা গত নব্বই দশকের গোড়ার দিকে গোলাম আজমের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলে ঘোষণা দিলেন গোলাম আজম বাংলাদেশের নাগরিক নয়। ফলে তাকে দেশ থেকে বের করে দেয়া উচিত।
গোলাম আজম বাংলাদেশের নাগরিক নয় তারা এ মর্মে নিয়মিত বিবৃতি দিলেন, লেখালেখি করলেন, জনসভা করলেন। এক পর্যায়ে গণআদালতে তার ফাঁসিও দিলেন।
কিন্তু এর কিছুদিন পরেই প্রথমে সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ও পরে আপীল বিভাগ সর্ব সন্মতিক্রমে রায় দিলেন গোলাম আজম বাংলাদেশের নাগরিক। দীর্ঘ আইনি বিতর্ক ও বিচার প্রক্রিয়া শেষে সর্বোচ্চ আদালতের বিচারকরা এ রায় দিলেন।
আপনার বয়স তখন অবশ্য কম ছিল। আমার স্পষ্ট মনে আছে। ঐসময় পত্রিকায় এটা ছিল নিয়মিত ও সবচেয়ে হট খবর। প্রায় প্রতিদিন এ বিষয়ে কোন না কোন খবর বা লেখা ছাপা হতো। গোলাম আজম যুদ্ধাপরাধী ছিলেন বলে এখন যারা বলছেন তখন তারা গোলাম আজম বাংলাদেশের নাগরিক নয় বলে বলতেন।

এখন প্রশ্ন হলো, কে সঠিক জাহানারা ইমাম, ব্যারিস্টার শফিক, শাহরিয়ার কবির নাকি সুপ্রীম কোর্ট। যদি সুপ্রীম কোর্ট সঠিক হয় তাহলে এ কথা বলতে দ্বিধা নেই জাহানারা ইমামরা তখন মিথ্যা কথা বলেছিলেন। সেই মামলায় হেরে যাওয়ার পর থেকে গোলাম আজম বিদেশী নাগরিক এ জাতীয় কথা বাদ দিয়ে যুদ্ধাপরাধী হিসাবে তার বিচার হওয়া উচিত এই দাবী তুলতে শুরু করেন তারা। বিষয়টি আদালত দ্বারা এখনও প্রমাণিত হয়নি। এ ব্যাপারেও কি একই ফল হতে পারে?
তাছাড়া একবার মিথ্যা কথা বলা জাহানারা ইমামদেরকে আমরা বারে বারে বিশ্বাস করব কেন?
২৫ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:০২

লেখক বলেছেন: শুরুতেই আপনার লেখা "তাছাড়া একবার মিথ্যা কথা বলা জাহানারা ইমামদেরকে আমরা বারে বারে বিশ্বাস করব কেন?" এ লাইনটির জন্য তীব্র প্রতিবাদ করছি।
শহীদ জননীনিকে কথা বলার আগে সম্মান নিয়ে কথা বলবেন এমনটাই আশা করি।

গোলাম আযম এর নাগরিকত্বের বিষয়টি মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়েই নির্বাহী আদেশে উঠিয়ে নেওয়া হয়। নাগরিকত্ব বাতিলের একটি নির্বাহী আদেশ হয়েছিল। তার মাধ্যমে গোলাম আযম সহ আরো অনেকের নাগরিকত্ব বাতিল হয়ে যায়।

১৯৯২ সালে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল তার প্রেক্ষাপট আপনাকে জানতে হবে। গোলাম আযমকে জামায়াতে ইসলামীর আমীর করা হয়েছিল। চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীর দেশের রাজনৈতিক দলের আমীর হয়ে উঠার বিষয়টি খেয়াল করতে হবে। সেইসময় জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে আন্দোলণ হয়েছিল-যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে।
গণআদালত হয়েছিল। বুঝতে হবে গণআদালতের রায় মানেই আদালতের রায় নায়। এ রায়ে প্রতিফলিত হয়েছিল জনগণের আকাংক্ষা।

নাগকিত্বের মামলাটার প্রেক্ষাপট ভিন্ন ছিল। সেটার সঙ্গে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আইনী প্রক্রিয়া মিলিয়ে দেখলে চলবে। দুইটারই আইনী প্রক্রিয়া ভিন্ন।

৪৯. ২৫ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ২:০৬
অরণ্যদেব বলেছেন: এশে ঘেচেন ালেরশ্বর াল "পুরঘতিচিল"।

পাঠাডা এইডাও বোঝে না যে সেই আদালতের রায় মানে গণমতামত। তার সাথে সুপ্রিম কোর্টের কোন মিল নেই।
২৫ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:০৬

লেখক বলেছেন: হুমমম ঠিক বলেছেন, গণআদালতের রায় মানে গণ মতামত। তার সাথে বিচারবিভাগের রায়ের কোন মিল নেই।
গণআদালতের রায় অনেকটা প্রস্তাবতনার মতো। এজন্যই কিন্তু রায়ে বলা হয়েছিল -অপরাধ মৃত্যুদন্ডযোগ্য। যোগ্য শব্দটির দিকে খেয়াল রাখতে হবে। বলা হয়নি, মৃত্যুদন্ড।

৫০. ২৫ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:০৭
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: একটা সাধারণ জ্ঞিয়ানের প্রশ্ন আছে। সব প্রতিক্রিয়াশীল চাগুদের নিকগুলো এমন চুন্দর চুন্দর আদুনিক হয় কেনু?? ;)
২৫ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:২৩

লেখক বলেছেন: হা হা হা ;)

৫১. ২৫ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৪৩
রোহান বলেছেন: প্রগতিশীলের একটা পোষ্ট দেখছিলাম কাল রাতে। ঐটা কই গেলো। গু-আজমের হেভি চামচামি মূলক পোষ্ট। খুব লজ্জা লাগলো। মানুষ কিভাবে পারে? নিকৃষ্ট এক মানুষের জন্য শহীদ জননীকে অপমান - কিভাবে পারে? আবার দেখলাম আরেকজন কমেন্ট দিসে একাত্তরের দিনগুলো - নাকি গল্প, এটা ইতিহাস হতে পারে না!!! কতটা নির্লজ্জ মানুষ হতে পারে একবার ভেবে দেখেন।
২৬ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ২:১৯

লেখক বলেছেন: উনার কথা কি আর বলবো.....

৫২. ২৫ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৪৮
তীর্থক বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার অবস্যই হবে.......এদেশের মাটিতেই হবে.......হতেই হবে যে। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন আর কোন সাধারন ক্ষমা ঘোষনা না হয়।
২৬ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ২:২০

লেখক বলেছেন: বিচার করতেই হবে।

৫৩. ২৮ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:১২
জইন বলেছেন: প্রগতিশীল কে ...অত্যন্ত আনন্দের সাথে eরাজাকার হিসেবে নেয়া হল। বেজন্মা ... জানি কোথাকার ... গোলাম আযমেরই মনে হয় জারজ সন্তান এই প্রগতিশীল ।
৫৪. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৫
নুসরাত জাহান যুথি বলেছেন: শহীদ জননীর প্রতি অসম্ভব শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। ওনার আত্মা তখনই শান্তি পাবে যখন ওনার অসমাপ্ত কাজ আমরা সমাপ্ত করতে পারব। এবং আমাদের পারতেই হবে।
০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:০৯

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন, আমাদের পারতেই হবে।
ধন্যবাদ আপনাকে।

৫৫. ২৪ শে জুন, ২০০৯ সকাল ১১:৫৫
তিতিয়ানাতান্তা বলেছেন: এই পোস্টে মাইনাস দিল কে?
২৪ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৪১

লেখক বলেছেন: মাইনাস দেওয়ার কিছু পাবলিক আছে...

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৪৬১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
http://www.facebook.com/samimblog

আমি স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসি। স্বপ্ব দেখতে এবং স্বপ্ন দেখাতে চাই আজীবন।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ