আমার প্রিয় পোস্ট

সময়ের কথা ভাবি

একাত্তরে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫০

শেয়ার করুন:                   Facebook

১৯৭১ সালে নারীর বিরুদ্ধে যে বিভৎস নির্যাতন চালানো হয়েছিল তা মানব ইতিহাসে বিরল। নারীর প্রতি অত্যাচারে সেই বিষয়গুলো কখনোই পুরোপুরি উঠে আসেনি। অনেকের জীবনের করুন ঘটনাগুলো তাই আড়ালেই থেকে গেছে। কখনোই উপলব্ধি করা সম্ভব হয়নি সেই নারীদের দুঃখগুলোকে; যারা রাতের পর রাত নির্মম যৌন নির্যাতন সহ্য করে গেছে, পরনে কাপড় ছিলনা , মাথার চুল প্যাচিয়ে আত্মহত্যা করতে পারে এই ভেবে যাদের মাথা চুল কেটে ফেলা হয়েছিল, নিজের পরিবারের সদস্যদের সামনে যাদের ধর্ষণের শিকার হতে হয়েছে। নারীর বিরুদ্ধে যে বিভৎসতম নির্যাতন চালানো হয়েছিল ১৯৭১ সালে তার বিচার হয় নি। এমনকি এই বিষয়টি যে অন্য অপরাধগুলো থেকে আলাদা মাত্রার সেটিও আলোচিত হয় নি। এমনকি নির্যাতিত নারীর সঠিক সংখ্যাও জানা সম্ভব হয় নি। বরংচ নির্ভর করতে হয়েছে বিভিন্ন সংখ্যার ওপর।

কয়েকটি পরিসংখ্যান

১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের বন্দীদশা থেকে মুক্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম জনসভায় বলেছিলেন, দুই থেকে আড়াই লাখ নারী যুদ্ধে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। পরবর্তীতে এ সংখ্যাটিকেই সরকারি পরিংসখ্যান হিসেবে গণ্য করা শুরু হয়। ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রকাশিত দৈনিক বাংলার বানী’র গনহত্যা বিষয়ক বিশেষ সংখ্যা থেকে জানা যায়, দুই থেকে আড়াই লাখের পরিসংখ্যানটি সে সময়ের সরকারি কর্মকর্তারা অনুমানের ভিত্তিতে তৈরি করেছেন। তাদের হিসাব অনুযায়ী সারা দেশের ৪৮০টি থানার ২৭০টিই পাকিস্তানী সেনাদের দখলে ছিল। প্রতিদিন গড়ে ২ জন করে নিখোঁজ মহিলার হিসাব অনুযায়ী লাঞ্ছিত মহিলার সংখ্যা দাঁড়ায় ২ লাখ। [১]
অস্ট্রেলিয়ান চিকিৎসক ডা. জিওফ্রে ডেভিস দেশজুড়ে তার চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার অভিজ্ঞতায় এবং উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় চালানো নমুনা জরিপের মাধ্যমে পরিসংখ্যান তৈরি করে জানান, ৪ থেকে ৪ লাখ ৩০ হাজার নারী মুক্তিযুদ্ধে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। তিনি আরো জানান, অন্তঃসত্ত্বা মহিলার সংখ্যাই ২ লাখ।
সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালিত গবেষণায় দু’লাখ, তিন লাখ ও চার লাখ- এরকম তিনটি পরিসংখ্যানের উল্লেখ রয়েছে।
সুসান ব্রাউনমিলার এ সংখ্যাটিকে প্রায় চার লাখ বলে উল্লেখ করেছেন।[২] তিনি লিখেছেন-
During the nine-month terror, terminated by the two week armed intervention of India, a possible three million people lost their lives, ten millions fled across the border to India and 200,000, 300,000 or possible 400,000 women (three sets of statistics have been variously quoted) were raped. Eighty percent of the raped women were Moslems, reflecting the population of Bangladesh, but Hindu and Christian women were not exempt.

ওয়ারক্রাইম ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি একাত্তরের নারী নির্যাতনের একটি সামগ্রিক পরিসংখ্যান প্রকাশ করে।[৩] এর মাধ্যমে জানা যায়-
১. স্পট ধর্ষণ, স্পট গণধর্ষণ ও বন্দী নির্যাতিতার সম্মিলিত সংখ্যা চার লাখ আটষট্টি হাজার (স্পট ধর্ষণ ও গণধর্ষণের শিকার তিন লাখ সাতা হাজার ছশ এবং বিভিন্নভাবে পাকিস্তানীদের নিকট বন্দী নির্যাতিত নারী এক লাখ চল্লিশ হাজার চারশ’ নারী)।
২. চিহ্নিত স্থানে নির্যাতিতা নিহত ও অপহৃতসহ স্পট ধর্ষণ ও গণধর্ষণের শিকার- তিন লাখ ষাট হাজার। এঁদের মধ্যে শুধুমাত্র স্পট ধর্ষণ ও গণধর্ষণের শিকার প্রায় তিন লাখ সাতাশ হাজার যা মোট নির্যাতিতার সত্তরভাগ। এঁদের মধ্যে অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন প্রায় ত্রিশভাগ অর্থাৎ এক লাখ আট হাজার নারী।
৩. নির্যাতিত বন্দী নারী প্রায় এক লাখ চল্লিশ হাজার (এক লাখ চল্লিশ হাজার চারশ’) যা মোট নির্যাতিতার প্রায় ত্রিশভাগ। এরমধ্যে কারাগার, ক্যাম্প, বাঙ্কার প্রভৃতি স্থানে নির্যাতিতার সংখ্যা মোট নির্যাতিদের প্রায় আঠারভাগ।
এছাড়াও বিভিন্ন ক্যান্টনমেন্ট, মার্শাল ল’ আদালত এবং শহর ও গ্রামাঞ্চলের বাড়িঘর, অফিস আদালত, হোটেল, বিনোদন কেন্দ্র প্রভৃতি স্থানে নির্যাতিত হন বারোভাগ (ক্যাটাগরি দুই-শতকরা পাঁচভাগ এবং ক্যাটাগরি তিন-সাতভাগ)।
৪. বন্দী নির্যাতিত নারীদের মধ্যে অন্তঃসত্ত্বা আশিভাগ অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ছিয়াশি হাজার। এঁদের মধ্যে চল্লিশভাগকে হত্যা করা হয়েছে অথবা তাঁরা নিজেরাই আত্মহত্যা করেছেন।

যৌন নির্যাতন

অস্ট্রেলিয়ান চিকিৎসক ড. জিওফে ডেভিস বলেছেন, পৌনঃপুনিক লালসা চরিতার্থ করবার জন্য হানাদারবাহিনী অনেক তরুণীকে ধরে তাদের শিবিরে নিয়ে যায়। এসব তরুণীদের মধ্যে অন্তঃসত্ত্বা হবার লক্ষণ কিংবা রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে হয় তাঁদেরকে পরিত্যাগ করা হয়েছে নয়তো হত্যা করা হয়েছে। কোন কোন এলাকায় বারো ও তেরো বছরের বালিকাদের শাড়ি খুলে নগ্ন অবস্থায় রেখে ধর্ষণ করা হয়েছে যাতে তারা পালিয়ে যেতে অথবা আত্মহত্যা করতে না পারে।[৪]
সুসান ব্রাউনমিলার তার Against Our Will: Men, Women and Rape বইয়ে লিখেছেন-[৫]
Rape in Bangladesh had hardly been restricted to beauty. Girls of eight and grandmothers of seventy-five had been sexually assaulted during the nine-month repression. Pakistani soldiers had not only violated Bengali women on the spot; they abducted tens of hundreds and held them by force in their military barracks for nightly use. The women were kept naked to prevent their escape.

যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার


১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন দীর্ঘ ৯ মাস সময়ে নারীদের যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। পাকিস্তানী সৈনিকরা নারীদের বন্দি করে নিয়ে গেছে নিজস্ব ক্যাম্পে এবং বাঙ্কারে। দিনের পর দিন সেখানে তাদের আটকে রেখে যৌন নির্যাতন করা হয়েছে। ক্যাম্প পরিবর্তনের সাথে সাথে সেইসব নারীদেরও ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে অন্য ক্যাম্পে।
ডা. এম এ হাসান লিখিত “যুদ্ধ ও নারী” গ্রন্থে তুলে ধরা হয়েছে এমনই একজনের কাহিনী।[৬]
“একাত্তরের মে মাসে হবিগঞ্জের লস্করপুরে চা বাগান থেকে পাকি আর্মিরা যখন সুপ্রিয়া নায়েককে ধরে নিয়ে যায় তখনও তাঁর বয়স ষোল পেরোয়নি। প্রথম দিন চা বাগানের এক ক্যাম্পে নিয়ে কয়েকজন পাকি আর্মি তাঁর ওপর বীভৎস যৌন নির্যাতন চালায়। সেই ছিল শুরু। তারপর পাকিরা তাঁকে নিয়ে গেছে এক ক্যাম্প থেকে অন্য ক্যাম্পে, এক বাগান থেকে অন্য বাগানে। দিনের পর দিন ঐসব ক্যাম্পের আর্মি অফিসাররা তাঁর ওপর নির্দয় নির্যাতন চালিয়েছে। দীর্ঘ আট মাসের প্রতি রাতে চারজন পাঁচজন করে পাকি তাঁকে ধর্ষণ করেছে। একটি রাতের জন্যও নিষ্কৃতি দেয়নি তাঁকে। তাদেরকে বাঁধা দেবার কোন উপায় ছিল না, মুখ বুজে সব সহ্য করে গেছেন তিনি। এরমধ্যে একবার ক্যাম্প থেকে পালিয়ে এলেও পাকিরা আবার তাঁকে ধরে নিয়ে যায়। তারপর স্বাধীনতার পূর্ব পর্যন্ত সুপ্রিয়া নায়েক সহ্য করেছেন পাকিদের সীমাহীন নির্যাতন। যুদ্ধের ক’মাসে অন্তত পঞ্চাশজন পাকি আর্মি অফিসার তাঁকে নিয়মিত ধর্ষণ করেছে। তাঁকে ঠিকমতো খাবার দেয়নি, অসুস্থ হলেও চিকিৎসা করায়নি। দিনের পর দিন কেবল চালিয়ে গেছে বীভৎস ধর্ষণ।”

১৯৭২ সালে মার্চ থেকে ছয় মাস বাংলাদেশের হয়ে কাজ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার চিকিৎসক ড. জেফ্রি ডেভিস। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান-[৭] “ধনী ও সুন্দরী মেয়েদেরকে অফিসারদের জন্য রেখে দেয়া হতো আর বাকিদের অন্যান্য র্যাংঙ্কের সৈন্যদের মধ্যে বন্টন করে দেয়া হতো। আর মেয়েদেরকে দারুণ কষ্টে ফেলে দেয়া হতো। তাদেরকে পর্যাপ্ত খেতে দেয়া হতো না। অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের চিকিৎসা দেয়া হতো না। অনেকেই ক্যাম্পের মধ্যে মারা গেছে।”

অপহরণ


যুদ্ধকালীন সময়ে শুধু যৌন নির্যাতন করেই ক্ষান্ত হয় নি পাকবাহিনী। বেশ কিছু সংখ্যক নারীকে ‘কমফোর্ট গার্ল’ হিসেবে ধরে নিয়ে গিয়েছিল তারা। ১৯৭২ সালের ২০ জুন দৈনিক ইত্তেফাকের তৃতীয় পৃষ্ঠায় প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ হইতে অপহৃতা সাড়ে ৭০০ তরুণীর মর্মবেদনার কাহিনী’ শীর্ষক খবরে লেখা হয়, ‘দখলদার পাক বাহিনী কর্তৃক বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকা হইতে অপহরণ করিয়া নেওয়া ৭ শত ৫৫ জন বাঙালি তরুণী করাচি ও কোয়েটার বন্দী শিবিরগুলিতে অমানুষিক দৈহিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকারে পরিণত হইয়াছে।’

জোরপূর্বক গর্ভধারণে বাধ্য করা (forced pregnancy)

অফিসিয়াল ডকুমেন্ট অনুযায়ী যুদ্ধকালীন সময়ে ফোর্সড প্যাগন্যান্সীর (forced pregnancy) শিকার হন কমপক্ষে ২৫০০০ জন।[৮]
অন্যদিকে সুসান ব্রাউনমিলারের লিখেছেন ধর্ষণের পরও বেঁচে থাকা নারীদের মধ্যে ২৫ হাজার জন গর্ভধারন করেছিলেন (ব্রাউনমিলার, ১৯৭৫ : ৮৪)। তিনি লিখেছেন-
The most serious crisis was pregnancy. Accurate statistics on the number of raped women who found themselves with a child were difficult to determine but 25,000 is the generally accepted figure.
তবে ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্টস ফাইন্ডিংস কমিটির ডা. এম এ হাসান দাবি করেন, ‘এ ধরনের নারীর সংখ্যা ছিল কমপক্ষে ৮৮ হাজার ২ শ’। ’৭২ সালের মার্চ পর্যন্ত ১ লাখ ৬২ হাজার ধর্ষিত নারী এবং আরো ১ লাখ ৩১ হাজার হিন্দু নারী স্রেফ গায়েব হয়ে গিয়েছিল। তারা বিলীন হয়ে গিয়েছিল বিশাল জনসমুদ্রে।’ এদের মধ্যে ৫ হাজার জনের গর্ভপাত সরকারিভাবে ঘটানো হয়েছিল বলে জানান ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে চিকিৎসা সেবা দিতে আসা অস্ট্রেলিয়ান চিকিৎসক ড. জিওফ্রে ডেভিস। ১৯৭২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন দৈনিক বাংলায় তার কাজের ওপর একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। তার মতে, সরকার উদ্যোগ নেওয়ার আগেই ১ লাখ ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার নারীর ভ্রুণ স্থানীয় দাই, ক্লিনিকসহ যার পরিবার যেভাবে পেরেছে সেভাবে 'নষ্ট' করেছে।[৯]

জেনোসাইডাল রেইপ (গণহত্যা সম্পর্কিত ধর্ষণ) (Genocidal Rape)


জোনোসাইডাল রেইপের সাথে গণহত্যার সম্পর্ক রয়েছে। যুদ্ধকালীন সকল ধর্ষণই গণহত্যার সাথে সম্পর্কিত নয়। যদি ধর্ষণের সাথে কোন একটি গোষ্ঠীকে ধ্বংস করার প্রচেষ্টা থাকে অর্থাৎ গণহত্যার যেসব উপাদান জরুরী তা যদি ধর্ষণের মাধ্যমে করা হয় সেটাই জোনোসাইডাল রেইপ।
জেনোসাইডাল রেইপ বিষয়টি প্রথম আলোচিত হয় রুয়ান্ডায় যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সময়। আকায়েসু (Akayesu) মামলায় প্রথমবারের মতো গণহত্যার সাথে ধর্ষণের যোগসূত্র স্থাপিত হয়। আকায়েসু রুয়ান্ডার একটি কমিউনিটি টাবার মেয়র ছিলেন। তার বিরুদ্ধে গণহত্যা এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের দায় প্রমাণিত হয়। ১৯৯৮ সালের ২ সেপ্টেম্বর International Criminal Tribunal for Rwanda – ICTR আকায়েসুর বিরুদ্ধে রায় দেয়।[১০]

আকায়েসুর মামলাটি বিখ্যাত কারন এটিই প্রথম রায় যেখানে গণহত্যা বিচার হয়েছে, যে গণহত্যার সাথে যৌন নির্যাতনের সম্পর্ক আছে। পাশাপাশি এই মামলার রায়ে ধর্ষণ এবং যৌণ নির্যাতনের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।[১১]
বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে জেনোসাইডাল রেইপ সংঘটিত হয়েছিল। এনবিসি নিউজ ১৯৭২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি একটি রিপোর্ট করে। যাতে জানা যায় ১৩ বছরের মেয়েরাও ধর্ষণের শিকার হয়েছে।
পাকিস্তানী সেনাদের স্থানীয় সহযোগী, রাজাকার এবং আল বদর বাহিনী বিশেষত হিন্দু জনগোষ্ঠীকে নির্যাতনের জন্য ধর্ষণ করতো। বীনা ডি কস্তা লিখেছেন-[১২]
The Pakistan Army’s local militia, known as the Razakaar and al-Badr, used rape to terrorise, in particular the Hindu population, and to gain access to its land and property.


আইনের আলোয় দেখা

ন্যুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনালের ১৭৯ পৃষ্টার রায়ে কোথাও ধর্ষণের বিচারের উল্লেখ নাই। তবে ইন্টারন্যাশনাল ট্রাইব্যুনাল ফর দ্য ফার ইস্ট চলার সময় ধর্ষণের কিছু অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। টোকিও প্রসেডিং চলার সময় “রেপ অব নানকিং” আলোচিত হয়।
ন্যুরেমবার্গ ট্রায়াল থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ হিসেবে নতুন এক কনসেপ্ট এর উদ্ভব হয় আন্তর্জাতিক আইন পরিমন্ডলে। সেটি হলো মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। ন্যুরেমবার্গ ট্রায়ালের চার্টার অব দ্য ইন্টারন্যাশনাল মিলিটারি ট্রাইব্যুনাল (Charter of the International Military Tribunal) এর আর্টিকল 6(c) মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করেছে। লক্ষ করি সেই সংজ্ঞাটি-

"(c) Crimes against humanity: namely, murder, extermination, enslavement, deportation, and other inhumane acts committed against any civilian population, before or during the war, or persecutions on political, racial or religious grounds in execution of or in connection with any crime within the jurisdiction of the Tribunal, whether or not in violation of the domestic law of the country where perpetrated."

লক্ষ্য করা যাক সংজ্ঞাতে হত্যা, দাসত্ব ছাড়াও আরো বেশ কিছু বিষয়ের অবতারনা করা হয়েছে, কিন্তু ধর্ষণের বিষয়টির উল্লেখ নেই। পরবর্তীতে বাংলাদেশ যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য ১৯৭৩ সালে আইন প্রণয়ন করে [The International Crimes (Tribunals) Act, 1973] তখন মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করে। লক্ষ করি সেই সংজ্ঞায়ন-

দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনাল) অ্যাক্ট ১৯৭৩ এর ধারা 3 (2) (a) অনুযায়ী-
(a) Crimes against Humanity: namely, murder, extermination, enslavement, deportation, imprisonment, abduction, confinement, torture, rape or other inhumane acts committed against any civilian population or persecutions on political, racial, ethnic or religious grounds, whether or not in violation of the domestic law of the country where perpetrated;

"মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ : যথা, হত্যা, নিশ্চিহ্ন করণ, দাসকরণ, নির্বাসিত করা, কারারুদ্ধ করণ, অপহরণ, অবরোধ, নির্যাতন, ধর্ষণ অথবা বেসামরিক নাগরিকদের উপর অন্যান্য অমানবিক কাজ পরিচালনা করা অথবা সংগঠিত হওয়ার স্থানের অভ্যন্তরীন আইন ভঙ্গ করে বা না করে রাজনৈতিক, গোত্রগত, জাতিগত অথবা ধর্মীয় কারনে অভিশংসন করা।"

লক্ষ্য করি বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’কে সংজ্ঞায়িত করতে গিয়ে ধর্ষণকে যুক্ত করে। আন্তর্জাতিক আইনের ক্ষেত্রে সেটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ একটি সংযোজন। এ বিষয়টি পরিষ্কার হয় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পরবর্তী কিছু সিদ্ধান্তে।
১৯৯৪ সালে রুয়ান্ডায় যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক গঠিত হয় ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম ট্রাইব্যুনাল ফর রুয়ান্ডা (International Criminal Tribunal for Rwanda – ICTR) । আইসিটিআর এর স্ট্যাটুট-এর ৩ অনুচ্ছেদে “মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
Article 3
The International Tribunal for Rwanda shall have the power to prosecute persons responsible for the following crimes when committed as part of a widespread or systematic attack against any civilian population on national, political, ethnic, racial or religious grounds:
(a) Murder; (b) Extermination; (c) Enslavement; (d) Deportation; (e) Imprisonment; (f) Torture;
(g) Rape; (h) Persecutions on political, racial and religious grounds; (i) Other inhumane acts.

এই অনুচ্ছেদের 3(g) তে ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ হিসেবে ধর্ষণকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। যদিও Dr. Frances T. Pilch তার “Rape as Genocide : The Legal Response to Sexual Voilence” শীর্ষক রচনায় দাবি করেছেন আইসিটিআর এর স্ট্যাটুটে প্রথমবারের মতো ধর্ষণকে ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ হিসেবে সংযুক্ত করা হয়; কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তারও অনেক আগে ১৯৭৩ সালেই বাংলাদেশ ধর্ষণকে ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে সংযুক্ত করে।

পরবর্তীতে রোম স্ট্যাটুটে (Rome Statute of the International Criminal Court) ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’কে সংজ্ঞায়িত করতে গিয়ে আরো ব্যাপক দৃষ্টিভঙ্গি নেওয়া হয়। লক্ষ্য করি সেই সংজ্ঞায়নটি-
Article 7 : Crimes against humanity
1. For the purpose of this Statute, "crime against humanity" means any of the following acts when committed as part of a widespread or systematic attack directed against any civilian population, with knowledge of the attack:
(a) Murder; (b) Extermination; (c) Enslavement; (d) Deportation or forcible transfer of population; (e) Imprisonment or other severe deprivation of physical liberty in violation of fundamental rules of international law; (f) Torture; (g) Rape, sexual slavery, enforced prostitution, forced pregnancy, enforced sterilization, or any other form of sexual violence of comparable gravity; (h) Persecution against any identifiable group or collectivity on political, racial, national, ethnic, cultural, religious, gender as defined in paragraph 3, or other grounds that are universally recognized as impermissible under international law, in connection with any act referred to in this paragraph or any crime within the jurisdiction of the Court; (i) Enforced disappearance of persons; (j) The crime of apartheid; (k) Other inhumane acts of a similar character intentionally causing great suffering, or serious injury to body or to mental or physical health.

অনুচ্ছেদ 7(1) (g) এর দিকে খেয়াল করি। বলা হয়েছে Rape, sexual slavery, enforced prostitution, forced pregnancy, enforced sterilization, or any other form of sexual violence of comparable gravity মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এটিকে পূর্বের চেয়ে বিস্তৃত সংজ্ঞায়ন। জোরপূর্বক গর্ভধারণে বাধ্য করা (forced pregnancy) বিষয়টির ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে রোম স্ট্যাটুটের আর্টিকল 7(2) (f) এ। সেটি হলো-
(f) "Forced pregnancy" means the unlawful confinement of a woman forcibly made pregnant, with the intent of affecting the ethnic composition of any population or carrying out other grave violations of international law. This definition shall not in any way be interpreted as affecting national laws relating to pregnancy
সুতরাং দেখা যাচ্ছে ধর্ষণ, যৌন দাসত্ব, জোরপূর্বক গর্ভধারণে বাধ্য করা’সহ অন্য বিষয়গুলোর বিচারের ক্ষেত্রে ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ কনসেপ্ট এর সাহায্য নেওয়া হচ্ছে।

একটি প্রস্তাবনা


বাংলাদেশ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে গিয়ে ১৯৭৩ সালে যে আইনটি করে তাতে প্রথমবারের মতো ধর্ষণকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। কিন্তু ১৯৭১ সালে নারীর ওপর ধর্ষণের বাইরেও আরো অনেক মাত্রার নির্যাতন চালানো হয়েছিল। এই ধরণের নির্মম নির্যাতনের বিচার হওয়া জরুরী। রোম স্ট্যাটুট অব ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট –এ ধর্ষণ, জোরপূর্বক গর্ভধারণে বাধ্য করাসহ আরো কিছু বিষয় মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। তবে এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালে নারীর বিরুদ্ধে যে ধরণের নির্যাতন চালানো হয়েছিল তার পুরোপুরি বিচারের আলোয় রাখা সম্ভব হয় না। তাই প্রাসঙ্গিকভাবে বলতে চাই, বাংলাদেশের উচিত নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ (Crime against Women) নামের নতুন একটি কনসেপ্টকে সংজ্ঞায়িত করে তার অপরাধীদের বিচার করা। ধর্ষণ, অপহরণ, জোরপূর্বক গর্ভধারণে বাধ্যকরা সহ নারীকে যুদ্ধক্যাম্পে আটকে রাখা, শারীরিক এবং মানসিকভাবে আক্রান্ত করা, ঠিকমতো খাবার না দেওয়া, পরিধেয় কাপড়ের ব্যবস্থা না করা এসবই হতে পারে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ।

যুদ্ধক্যাম্পে আটকে রেখে দিনের পর দিন অনাহারে রেখে রেখে, পরিধেয় কাপড় কেড়ে নিয়ে নারীদের উপর মানসিকভাবে এবং শারীরিকভাবে যে অত্যাচার করা হয়েছে তার কঠিন বিচার নিশ্চিত করতে হবে। এর জন্য আইনগতভাবে "নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ" কনসেপ্টটাকে গ্রহণ করা উচিত।



তথ্যসূত্র :

১. মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতিত নারীর সংখ্যা কতো?;শামীমা বিনতে রহমান, ভোরের কাগজ, ১৭ মে ২০০২
২. Against Our Will : Men, Women and Rape; Susan Brownmiller; Page 81
৩. একাত্তরের নারী নির্যাতন : ইতিহাসের কৃষ্ণ অধ্যায়; ডা. এম এ হাসান; প্রসঙ্গ ১৯৭১ : মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, পৃষ্টা ৩৯
৪. একাত্তরের নারী নির্যাতন : ইতিহাসের কৃষ্ণ অধ্যায়; ডা. এম এ হাসান; প্রসঙ্গ ১৯৭১ : মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, পৃ. ৩৩
৫. Against Our Will : Men, Women and Rape; Susan Brownmiller; Page 83
৬. যুদ্ধ ও নারী; ডা. এম এ হাসান, পৃ ২৭-২৮
৭. ড. জেফ্রি ডেভিস যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের স্বেচ্ছাসেবী একজন ডাক্তার, বীণা ডি কস্তা, যুদ্ধাপরাধ, আইন ও সালিশ কেন্দ্র, পৃষ্টা ৪৯-৫০
৮. Bangladesh's erased past; Bina D'costa, find online
< Click This Link
৯. সেইসব বীরাঙ্গনা ও তাদের না-পাক শরীর; ফারুক ওয়াসিফ
১০. Prosecutor vs. Jean-Paul Akayesu, Judgment, No. ICTR-96-4-T (September 2, 1998), hereinafter reffered to as Akayesu, Available online at .
১১. When Rapes Become Genocide, New York Times, September 5, 1998 10:1.
১২. Bangladesh's erased past; Bina D'costa, find online
< Click This Link

লেখাটির সংক্ষেপিত ভার্সন ছাপা হয়েছে আজকের সমকাল পত্রিকার উপসম্পাদকীয় পাতায়। দেখুন - Click This Link
পুরো লেখাটা একটু বড় ছিল। পুরোটা তাই ছাপা হয়নি পত্রিকায়। ব্লগে পুরো লেখাটাই তুলে ধরলাম।

 

সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪০

 

১. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৬
বিডি আইডল বলেছেন: চমৎকার তথ্য সমৃদ্বলেখা...যুদ্বপরবর্তী কিছু সিনেমাতেও এর কিছু চিত্র উঠে এসেছিল....এটা থাকতে পারতো
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০০

লেখক বলেছেন: সিনেমার প্রসঙ্গ আনা হয়নি ইচ্ছা করেই। মূলত আইনের বিষয়গুলোকে প্রাধাণ্য দেওয়া হয়েছে।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৩

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

৩. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৪
মজলুম বলেছেন:


ধন্যবাদ দিলাম শুধুই। বলার ভাষাটা জানি না।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৭

লেখক বলেছেন: হুমমম।

আপনাকেও ধন্যবাদ।

৪. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৭
শয়তান বলেছেন: "নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ" কনসেপ্টটার আইনগত দিকটা কি আরেকটু বিশদ ব্যাখ্যা করা যায় ?
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১২

লেখক বলেছেন: আমি লেখাটার শেষদিকে কিছু বলার চেষ্টা করেছি।

"১৯৭১ সালে নারীর ওপর ধর্ষণের বাইরেও আরো অনেক মাত্রার নির্যাতন চালানো হয়েছিল। এই ধরণের নির্মম নির্যাতনের বিচার হওয়া জরুরী। রোম স্ট্যাটুট অব ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট –এ ধর্ষণ, জোরপূর্বক গর্ভধারণে বাধ্য করাসহ আরো কিছু বিষয় মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। তবে এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালে নারীর বিরুদ্ধে যে ধরণের নির্যাতন চালানো হয়েছিল তার পুরোপুরি বিচারের আলোয় রাখা সম্ভব হয় না। তাই প্রাসঙ্গিকভাবে বলতে চাই, বাংলাদেশের উচিত নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ (Crime against Women) নামের নতুন একটি কনসেপ্টকে সংজ্ঞায়িত করে তার অপরাধীদের বিচার করা। ধর্ষণ, অপহরণ, জোরপূর্বক গর্ভধারণে বাধ্যকরা সহ নারীকে যুদ্ধক্যাম্পে আটকে রাখা, শারীরিক এবং মানসিকভাবে আক্রান্ত করা, ঠিকমতো খাবার না দেওয়া, পরিধেয় কাপড়ের ব্যবস্থা না করা এসবই হতে পারে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ।"

এখন প্রশ্ন আসতে পারে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ কনসেপ্ট থাকতে কেন আলাদা করে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ কনসেপ্টটি দরকার। মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ধারণাটিতে অনেক বিষয়ই যোগ করা সম্ভব নয় আইনগতভাবে। তাহলে অনেক ধরণের বিভৎস নির্যাতনের জন্য দায়ী অপরাধীদের সেইভাবে বিচার করা সম্ভব হবে না। আইনগতভাবে তাই নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ ধারণা যোগ করা দরকার।

এতে কী কী বিষয় থাকতে পারে তার কিছু দিক নির্দেশনা লেখার শেষদিকে রয়েছে।

বিষয়টা পরিস্কার না হলে কোন স্পেসেফিক অংশ সমন্ধে জানতে চাইলে আমার বলতে সুবিধা হবে।

৫. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৫
স্বপ্ন নীল বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম । আসলে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক অধিকাংশ লেখাই নারী নির্যাতন বিষয়টাকে হয় এড়িয়ে গেছে নাহয় সামান্য বর্ননা দিয়েই অন্য প্রসংগে সরে গেছে । এটা সম্ভবত যুদ্ধাপরাধের সবচাইতে খারাপ দিকগুলোর একটি । এইসব অপরাধীদের বিচার করাটাই এখনকার দাবী ....
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২২

লেখক বলেছেন: আপনি ঠিকই বলেছেন নারীর প্রতি অপরাধগুলো মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অনালোকিত থেকে গেছে।

যুদ্ধশিশু তেমনই একটি বিষয়। এই বিষয়গুলো আলোচনায় আসা উচিত।

বিচার অবশ্যই করা উচিত।

৬. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৫
শয়তান বলেছেন: আসলে বুঝতে চাইছিলাম মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ কনসেপ্টটার তুলনায় নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ কনসেপ্টটি কতটুকু বেশী জোরালো । বিশ্ববিবেক এখন মানবতার দিকে বেশী ঝুকে আছে বলেই ধারনা ছিল ।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: আমি নারীর বিরুদ্ধে সংগঠিত সবধরণের অপরাধের বিচার নিশ্চিত করতে ''নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ'' কনসেপ্টটি গ্রহণের প্রস্তাব করেছি।

এখনো পর্যন্ত ধর্ষণ, জোরপূর্বক গর্ভধারণে বাধ্য করাসহ আরো দু একটি বিষয় মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
এর বাইরেও আরো অনেক ধরণের নির্যাতন সংগঠিত হয়েছে।

যেমন ধরুন বাংলাদেশের ১৯৭৩ সালের ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনালস) অ্যাক্ট জোনোসাইডাল রেইপ সমন্ধে কোন আলোকপাতই করেনি!

বিশ্ববিবেক একসময় মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ কনেসেপ্টটাই জানতো না ১৯৪৫ পূর্ববতী সময়ে। একসময় জেনেছে। ১৯৯৮ সালে এসে সেই কনেসেপ্টটির বিস্তৃতি ঘটে। সুতরাং আইনী বলয়ে নতুন কনসেপ্ট আসতেই পারে, কনসেপ্ট পরিবর্ধিত হতে পারে।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অন্তু ভাই।

৮. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৩
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: ৯৯ - ২০০০ এর দিকে ঘাদানির পৃষ্ঠপোষকতায় একটা বই (নামটা ভুলে গিয়েছি) বের হয়েছিল (যে অনুষ্ঠানে প্রথম ফেরদৌসি প্রিয়ভাষিনী সবার সামনে এসেছিলেন) সেখানেও পড়েছিলাম অনেক ভয়ংকর সব গা শিউরে ওঠা ঘটনা ...
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: হুমমম। এভাবেই আরো অনেক অনেক ঘটনা আছে। বেশিরভাগই অনালোচিত।

৯. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৬
মোজাম্মেল বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম । আসলে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক অধিকাংশ লেখাই নারী নির্যাতন বিষয়টাকে হয় এড়িয়ে গেছে নাহয় সামান্য বর্ননা দিয়েই অন্য প্রসংগে সরে গেছে । এটা সম্ভবত যুদ্ধাপরাধের সবচাইতে খারাপ দিকগুলোর একটি। এইসব অপরাধীদের বিচার করাটাই এখনকার দাবী ....

সহমত...
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১০. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৫
শয়তান বলেছেন:
সংগঠিত অপরাধগুলির গ্রাউন্ড কাভারেজ বেশী সম্ভব তাহলে ''নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ'' কনসেপ্টে ?। সেক্ষেত্রে শাস্তি প্রদানে প্রচলিত অন্যান্য আইনের সাথে তেমন সংঘর্ষ বাধার সম্ভাবনা কেমন ??

[ স্যরি ঠিক আপনাদের আইনী ভাষায় হয়ত বুঝাতে পারলাম না :( ]
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০২

লেখক বলেছেন: আমি ১৯৭১ কে সামনে রেখে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ কনসেপ্টকে প্রস্তবনায় রেখেছি। বিশেষত নারীর বিরুদ্ধে যেসব ধরণের অপরাধ সংগঠিত হয়েছে সবগুলো মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ অংশে নাই। সুতরাং সব গ্রাউন্ডের কাভারেজের জন্যই আলাদা কনসেপ্ট জরুরী। শাস্তি প্রদানে প্রচলিত আইনের সাথে সংঘর্ষ বাধার তেমন কোন সম্ভাবনা দেখছি না।

১১. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৩
তারার হাসি বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচা শেষ পর্যন্ত হচ্ছে এভাবেই আমরা একটা একটা ধাপ পার করব, সবার একাত্মতা চাই।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৬

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছো আপু। একাত্মতা দরকার।

১২. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৩
পথে-প্রান্তরে বলেছেন: অনেক তথ্য বহুল পোষ্ট । ধন্যবাদ ।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩২

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

১৩. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৫
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: শুধু বলবো, বীভৎস!

ভালো একটা কাজ করেছেন শামীম। ধন্যবাদ।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: কিন্তু ইতিহাসে বিষয়গুলো নিয়ে খুববেশি আলোচনা হয় নি....

ধন্যবাদ আপনাকে।

১৪. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫৩
রুমানবিডি বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।ধন্যবাদ=+++++++++++++++++++==--
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১২

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

১৫. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:০৬
জোবাইর বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে ধর্ষণ, যৌন দাসত্ব, জোরপূর্বক গর্ভধারণে বাধ্য করাসহ স্পর্শকাতর বিষয়গুলো মিডিয়াতে অনেকে এড়িয়ে গেছেন। তাঁদের ধারণা আমাদের রক্ষণশীল সমাজে যৌন বিষয়ক কোন ঘটনা খোলাখুলি আলাপ করা উচিত নয়। আবার অনেকে মনে করেন এতে অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলেমেয়েদের মনে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হতে পারে ইত্যাদি। এইসব ধারণা সম্পুর্ণ ভুল। এতে অপরাধীরা বিচারিক শাস্তি ও সামাজিক অপবাধ থেকে পার পেয়ে যায়।
টোকিও ট্রাইব্যুনালে জাপানের ২৮ জন যুদ্ধাপরাধীর তিন ধরনের অপরাধের অভিযোগে শাস্তি হয়েছিল: "Class A" (crimes against peace), "Class B" (war crimes), and "Class C" (crimes against humanity)।
যুদ্ধাপরাধ ও ট্রাইব্যুনাল - ২য় পর্ব
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৫

লেখক বলেছেন: লেখাটা ভালো হয়েছে খুব।

১৬. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৪
ফিরোজ-২ বলেছেন: এইসব অপরাধীদের বিচার করাটাই এখনকার দাবী ....

সহমত...
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৮

লেখক বলেছেন: হ্যা, বিচার হওয়া জরুরী।

১৭. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫০
জেরী বলেছেন: মন খারাপ হয়ে গেল লেখাটা পড়ে ....
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: হুমমম.... :(

১৮. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২০
অপ্‌সরা বলেছেন: মাই গড!! এত সব কিছু!!

মনটা খারাপ হয়ে গেলো শামীমু!!!
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৪

লেখক বলেছেন: হুমম...মন খারাপ করা বিষয়...

১৯. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৩
সালাহউদ্দীন আহমদ বলেছেন:
ভাই, আমার ক্ষমতা থাকলে পারমাণবিক বোমা দিয়া সবগুলাকে নিশ্চিন্হ করে দিতাম।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৮

লেখক বলেছেন: হুমমম......

২০. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৭
মগজ ধোলাই বলেছেন: দারুন লেখা ।বাংলাদেশের যে এমন ভয়ংকর ইতিহাস আছে তা আমার জানা ছিলনা।ধন্যবাদ আপনাকে এমন গুরুত্বপূর্ন একটা বিষয় নিয়ে লেখার জন্য।প্রীয়তে রাখলাম।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২১. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৯
পল্লী বাউল বলেছেন: ডঃ এম.এ হাসানের যুদ্ধ ও নারী বইটি পড়ে বেশ কয়েক রাত ঘুমাতে কষ্ট হয়েছে।

পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ শামীম ভাই।
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: এরকম আরো কিছু বই আছে। যেসব পড়লে কেবল কষ্ট বাড়ে। কিন্তু আমরা এতো বছরেও বিচার করতে পারি নি।

ধন্যবাদ পল্লী বাউল ভাই।

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: অনেকদিন পর মনে হচ্ছে আপনাকে ব্লগে দেখলাম। নতুন পোস্ট লেখেন না কেন?

ধন্যবাদ আপনাকেও।

২৩. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৭
কালপুরুষ বলেছেন: তথ্যবহুল অসাধারণ এক পোস্ট। প্রিয়তে থাকলো।
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কালপুরুষদা।

২৪. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৮
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট!
অনেক ধন্যবাদ।
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৮

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ তায়েফ ভাই।

২৫. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৮
শয়তান বলেছেন: লেখাটাকে স্টিকি করার অনুরোধ করছি কতৃপক্ষের কাছে ।
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০২

লেখক বলেছেন: সেদিন আপনার মন্তব্যের সূত্র ধরে বিষয়টা নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। আমি একটি বিষয় উল্লেখ করতে ভুলে গেছি।

বাংলাদেশের বর্তমান আইন অনুযায়ী (১৯৭৩ সালের আইনটি) বিচার করলে কেবল ধর্ষণের জন্য বিচার করা যাবে; জোরপূর্বক গর্ভধারণে বাধ্য করা, যৌন দাসত্ব এইসব অপরাধের বিচার করা যাবে না।

২০০৯ সালে আইনটির একদফা সংশোধন করা হলো। অথচ গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়টিই সংশোধন করা হয় নি।

২৬. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৮
আহমেদ রাকিব বলেছেন: দারুন পোষ্ট। অনেক ধন্যবাদ শামিম ভাই।
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাকিব ভাই।

২৭. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৯
মাহমূদ হাসান বলেছেন: লোমহর্ষক! কেঁদে ফেললাম!
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৮

লেখক বলেছেন: অথচ নির্মম এই অত্যাচারের বিচার হয় নি আজও.....

২৮. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৪
পাহাড়ের কান্না বলেছেন: পড়তে পড়তে শরীরের লোম কাঁটা দিচ্ছিল। ধন্যবাদ আপনাকে এরকম তথ্যবহুল একটা পোস্টের জন্য।
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৫

লেখক বলেছেন: এইরকম আরো অনেক অনেক ঘটনা আমাদের আলোচনার বাইরে। এই বিষয়গুলো মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে সেইভাবে আলোচিত হয় নি কখনোই। অথচ মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই! ভাবটা এমন যেন মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক কে এইটাই মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র ইতিহাস!

ধন্যবাদ আপনাকে লেখাটা পড়ার জন্য।

২৯. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৯
ম্যাক্স পেইন বলেছেন: মন খারাপ হয়ে গেল

গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট

প্রিয়তে রাখলাম

প্লাস

এই মন্তব্য গুলো কি কোন কাজে আসবে???????????


শামীম ভাইকে ধন্যবাদ অবশ্যই

বাট আমাদের কর্তব্য কিন্তু মন্তব্যতেই শেষ হয় না
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩০

লেখক বলেছেন: আমাদের কর্তব্য অবশ্যই মন্তব্যে শেষ না । তবে এইসব মন্তব্য আমাদের নৈতিকতা বোধকে জাগিয়ে তুলে। বিচার চাওয়ার আকুলতাকে বাড়িয়ে দেয়।

ধন্যবাদ আপনাকে।

৩০. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১১
তারেক আহমেদ বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে তথ্যবহুল পোস্টের জন্য।
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৪

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

৩১. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৮
মন যাযাবর বলেছেন: আজ সারাদিন মনটা ভারক্রান্ত যাবে। কোন কিছু ভাল্লাগবে না।
আমি জানি না, শাস্তি কতটা নির্মম হলে এই পাশন্ডদের উপযুক্ত বিনিময় হবে।
আমি জানি না গোটা বাংলাদেশ কতটা নতজানু হয়ে এই মা'দের কাছে ক্ষমা চাইলে ক্ষমা চাওয়াটা উপযুক্ত হবে।
গোটা বাংলাদেশ আজ অপরাধী। বাংলাদেশের প্রতিটা নাগরিক আজ অপরাধী।
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৫

লেখক বলেছেন: এই অপরাধ থেকে মুক্তি পাওয়ার চেষ্টা করতে হবে।

বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

৩২. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০০
অপ্‌সরা বলেছেন: লেখাটা স্টিকি দেখে ভালো লাগছে শামীমু। অনেকেই এখন সহজেই খুঁজে পাবে লেখাটা। জানতে পারবে অনেককিছুই।
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তোমাকে।

৩৩. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৩
শয়তান বলেছেন:
২০০৯ সালে আইনটির একদফা সংশোধন করা হলো। অথচ গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়টিই সংশোধন করা হয় নি।

--

একটা আইনী টক শো তে সম্ভবত শুনেছিলাম ১৯৭৩ এ আইন প্রনয়নের সময় আমরা যতটুকু প্রগ্রেসিভ ছিলাম বর্তমানে পিছিয়েছি তার চে অনেক উল্টোভাবে ।
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৪

লেখক বলেছেন: এইটা অনেকটাই সত্যি যে বাংলাদেশ এখনো পড়ে আছে সেই ১৯৪৫ সময়কালীন কনসেপ্টে। ১৯৯৮ সালের রোম কনস্টিটিউট এর প্রগ্রেসটাকে যুক্ত করতে পারে নি ২০০৯ সালের সংশোধনীতে।

৩৪. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৮
নিঃসঙ্গ বলেছেন: অসাধারণ পোষ্ট শামীম ভাই। অনেক ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য।
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৭

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ নিঃসঙ্গ ভাই।

৩৫. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩১
আহমদ আবদুল হালিম বলেছেন: অসাধারণ ! বাস্তবতা যে কতো নিষ্টুর আল্লাহই জানে।
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১০

লেখক বলেছেন: হুমমম এই নিষ্ঠুর বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল লক্ষ লক্ষ নারীকে।

৩৬. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৪
নঈম জামাল বলেছেন: ভাই ... কি বলবো জানিনা ... এই কষ্ট পৃথিবীর কোন ভাষায় বোঝান সম্ভব না ... ইচ্ছে করতেছে ... দেশে যত রাজাকার আর পাকিস্তানী আছে ... ধইরা হালাগো মুরাই ... ঁ!%#৳ঁ@ঁঁ ( এইগুলা গালী )...

যাই হোক ... ধন্যবাদ আপনাকে ...
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১২

লেখক বলেছেন: এই অপরাধীদের বিচার করতে পারলে দেশ কলঙ্কমুক্ত হবে।

৩৭. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৯
আমি রোদের ছেলে বলেছেন:
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: শুধু বলবো, বীভৎস!

ভালো একটা কাজ করেছেন শামীম। ধন্যবাদ।
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৩

লেখক বলেছেন: হুমমম...
তোমাকেও ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

৩৮. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৫
দ্য ফ্লাইং কার্নিভোরাস বলেছেন: আল্লাহর কাছে প্রার্থনা-
আল্লাহ জালিমের শাস্তির ব্যবস্থা করুক এবং মজলুমকে শান্তি দিক।
ধন্যবাদ ভাই।
৩৯. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৫
দ্য ফ্লাইং কার্নিভোরাস বলেছেন: আল্লাহর কাছে প্রার্থনা-
আল্লাহ জালিমের শাস্তির ব্যবস্থা করুক এবং মজলুমকে শান্তি দিক।
ধন্যবাদ ভাই।
৪০. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৬
দ্য ফ্লাইং কার্নিভোরাস বলেছেন: আল্লাহর কাছে প্রার্থনা-
আল্লাহ জালিমের শাস্তির ব্যবস্থা করুক এবং মজলুমকে শান্তি দিক।
ধন্যবাদ ভাই।
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৭

লেখক বলেছেন: আপনার প্রার্থনা কবুল হোক

৪১. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৬
আইরিন সুলতানা বলেছেন: এইরকম তথ্যবহুল পোস্ট আরো আশা করি ।

একই সাথে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ইস্যুতে আইন বিষয়ক খুঁটিনাটি নিয়েও আরো পোস্ট চাই ।

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২০

লেখক বলেছেন: আমি লেখবো। অন্য ব্লগাররাও নিশ্চয়ই এই বিষয়গুলো নিয়ে লেখবে।

৪২. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৬
নাজনীন১ বলেছেন: আপনি ১৯৭৩-এ প্রণীত আইনে ক্রাইম এগেইন্সট উইমেন বলে যে নতুন কন্সেপ্টের কথা বলতে চাইছেন, তাতে সরাসরি পাকিস্তানি আর্মিদেরকে অভিযুক্ত করা যাবে, বিচারও হয়তো করা যাবে (আসামী অনুপস্থিত এটা দেখিয়ে মনে হয়?), কিন্তু শাস্তি কিভাবে দেয়া যাবে? তারা তো কেউ আর এখানে নেই।

আমি এ ব্যাপারে আরেকটু বিস্তারিত জানতে চাচ্ছি।
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩২

লেখক বলেছেন: শাস্তি বিচার পরবর্তী অনুসঙ্গ। সময়ের দীর্ঘসূত্রিতার কারনে শাস্তির নিশ্চিতের বিষয়টি দুইটি ধারায় বিভক্ত হয়ে গেছে। ১৯৭৩ সালের আইনটি যখন করা হয় তখন ধারণা করা হয়েছিল এই আইনটির মাধ্যমেই পাকিস্তানী আর্মিদেরও বিচার করা হবে। পরবর্তীতে আটককৃত পাকিস্তানী আর্মিদের পাকিস্তানীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন পরবর্তীতে জানান, তখন পাকিস্তান বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে তারা বিচার করে নি। এখন পাকিস্তানী আর্মিদের বিচার করতে হলে আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য (ইউএন ইনভলভমেন্ট হতে পারে) একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে। তখন শাস্তি নিশ্চিত করা সহজ হবে।

আরো বিস্তারিত জানতে চাইলে আরো কিছু লেখতে পারি।

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪১

লেখক বলেছেন: হুমমমম

৪৪. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৮
সেবু মোস্তাফিজ বলেছেন: .......ভালো..........লাগলো.........এ ধরনের লেখা বেশি করে প্রকাশিত হোক

View this link
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৪

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৪৫. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৮
রোকসানা লেইস বলেছেন: তধ্যবহুল একটা অসাধারণ লেখা ......
নিরপরাধ নারীরা যুদ্ধত্তর সময়ে কত অসহায় জীবন যাপন করেছে, খুব কম সংখ্যক নারী পরিবার, সমাজে গ্রহণ যোগ্যতা পেয়েছেন। তাদের এ করুণ কাহিণী খুব কম মানুষ উপলব্ধি করতে পারেন। .......ধন্যবাদ শামীম
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫০

লেখক বলেছেন: হুমমমম...খুব কম মানুষ সেইসব নির্মম ঘটনাগুলো জানতে পারছে, উপলব্ধি করতে পারছে।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৪৬. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫১
অন্ধ আগন্তুক বলেছেন: কি করে ওদের শাস্তি হবে ????
আমি নাস্তিক না,তবুও ঈশ্বর এর উপর বিশ্বাস টলে ওঠে মাঝে মাঝে ।
এতটা জঘণ্য অপরাধের অবশ্যি শাস্তি হবে, এই বিশ্বাস যেনো না সরে যায়।

প্রিয়তে নিলাম, অনেক ধন্যবাদ এমন একটা পোস্টের জন্য।
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০০

লেখক বলেছেন: অপরাধের শাস্তি নিশ্চিত করতেই হবে।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪৮. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৫
যীশূ বলেছেন: সকল যুদ্ধাপরাধের বিচার চাই।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধীদের বিচার করতেই হবে।

৪৯. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৮
এসএনিট বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে তথ্যবহুল পোস্টের জন্য। পড়তে পড়তে মাঝে মাঝেই চোখের কোল ভিজে উঠছিলো। অনেক ভালো থাকবেন।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

৫০. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৩
মির্জা ইউক্লিড বলেছেন: কয়েকটি পরিসংখ্যান

১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের বন্দীদশা থেকে মুক্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করে প্রথম জনসভায় বলেছিলেন, দুই থেকে আড়াই লাখ নারী যুদ্ধে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।




কে বলেছিলেন???? এডিট করে দিন..... লাইনটা বেমানান লাগছে
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫০

লেখক বলেছেন: ঠিক করে দিলাম। ধন্যবাদ আপনাকে।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৫২. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৭
মৃত্তিকা ময়ুরাক্ষী বলেছেন: খুব ভালো একটি কাজ।
ধন্যবাদ এই কষ্টকর সত্যগুলো জানানোর জন্যে।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৩

লেখক বলেছেন: এই কষ্টকর সত্যগুলোকে আমাদের উপলব্ধি করতে হবে। ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

৫৩. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৯
বিষন্ন নীল বলেছেন: সেসব বীভৎস ঘটনা কল্পনা করতে গিয়ে বারবার শিউরে উঠছি............চোখে জমে যাচ্ছে অশ্রু।

+++++++++++
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৭

লেখক বলেছেন: অথচ এই জঘন্য অপরাধের বিচার হয় নি.....

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২১

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৫৫. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৫
শিপন আবদুর রাজ্জাক বলেছেন:

পাকী আর তার দোসরদের জন্য আমাদের ঘৃণার বমি থাকবে সবসময় ।

যুদ্ধাপরাধী হায়েনাদের বিচার যতো দ্রুত শুরু হবে, ততো জাতি খানিকটা হলেও কলঙ্কমুক্ত হবে ।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৩

লেখক বলেছেন: সহমত।

৫৬. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫২
সাদাচোখ বলেছেন: এদেশের নারীদের যে পাকিস্থানে ধরেও নিয়ে গিয়েছিল, তা আগে জানতাম না।

পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।


....জামাত শিবির নিপাত যাক,

বাংলাদেশ মুক্তি পাক।



আমার একমাত্র দাবী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৬

লেখক বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতেই হবে।

৫৭. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৫
চতুষ্কোণ বলেছেন: তথ্যবহুল পোষ্ট। ধন্যবাদ শামীম ভাই।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৫

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ চতুষ্কোন ভাই।

৫৮. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৭
সুবিদ্ বলেছেন: চমৎকার প্রয়াস........ধন্যবাদ

আমার খুব লজ্জা লাগে যখন ভাবি আমরা, আমাদের সমাজ বা পরিবার এই মেয়েদেরকে গ্রহণ করেনি.......সব অর্জন মিথ্যা হয়ে যায় তখন.......সব বুলি মেকি বলে মনে হয়.......

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৭

লেখক বলেছেন: আমার খুব লজ্জা লাগে যখন ভাবি আমরা, আমাদের সমাজ বা পরিবার এই মেয়েদেরকে গ্রহণ করেনি.......সব অর্জন মিথ্যা হয়ে যায় তখন.......সব বুলি মেকি বলে মনে হয়.......

সহমত

৫৯. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৭
রোহান বলেছেন: ++ ভালো একটা কাজ হয়েছে শামীম ভাই।

আর কিছু বলার নেই... বিভৎসতার চরমতম উদাহরণ রেখেও যারা এই এতো বছর পরেও দেশময় হেসে খেলে বেড়াচ্ছে সেই নরপশুগুলার বিচার এই জীবনে দেখে যাবো সেই আশাতেই আছি...
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৫

লেখক বলেছেন: বিভৎসতার চরমতম উদাহরণ রেখেও যারা এই এতো বছর পরেও দেশময় হেসে খেলে বেড়াচ্ছে সেই নরপশুগুলার বিচার এই জীবনে দেখে যাবো সেই আশাতেই আছি...

ধন্যবাদ রোহান ভাই।

৬০. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৫
ফারহানা ইসলাম বলেছেন: একটি চমৎকার এবং কষ্টসাধ্য কাজ করেছেন। সে জন্য অভিনন্দন!!
৭১ এ নারীর বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের মাত্রাগুলোতে ঠিক মতো আসেনি। নারীর অবদান, ভুমিকাও ইতিহাসে ঠিক সেভাবে স্থান পায়নি। নির্যাতিতা, বিরঙ্গনা এর বাইরে নারীর কথা তো নেই। এ যে নেই তার অন্যতম কারণ আমাদের ইতিহাস রচনায় পুরুষতান্ত্রিকতা। ফলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে নারীর অসহায়ত্ব হয়তো এসেছে, বীরত্ব একেবারেআ আসেনি।
পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৩

লেখক বলেছেন: ৭১ এ নারীর বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের মাত্রাগুলোতে ঠিক মতো আসেনি। নারীর অবদান, ভুমিকাও ইতিহাসে ঠিক সেভাবে স্থান পায়নি। নির্যাতিতা, বিরঙ্গনা এর বাইরে নারীর কথা তো নেই।

সম্পূর্ণ সহমত আপনার সঙ্গে।

৬১. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৯
জুেয়ল মৃর্ধা বলেছেন: অনেক কিছূ জানলাম। অনেক কিছূ বুঝলাম। কিন্তু আমরা কি ঐ সব ধর্ষিতা নারীর জন্য কিছু করতে পারলাম। উত্তর টা নিশ্চই হবে হ্যাঁ। কিন্তু আমি বলব না । কারণ আমরা করেছি । এখন বলতে পারেন কি করেছি? তাই না । উত্তর হল আমরা ঐ সমস্ত নারীদের ধর্ষকারীদের সাহায্যকারীদের জাতীয় সংসদে ভোটের মাধ্যমে এম,পি মন্ত্রী বানিয়ে তাদের মনের অপ্রকাশিত দুঃখটাকে বাড়িয়ে দিয়েছে। তাদের নির্মম ব্যথার জায়গায় প্রচন্ড ব্যথা দিতেছি। কিন্তু তাদের পক্ষে কিছূই করিতে পারিছি না। এ আমাদের বাঙ্গালী জাতীর জন্য এক বিরাট পরাজয়।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বিলাই আপু।

৬৩. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১১
জুেয়ল মৃর্ধা বলেছেন: দুঃখিত ভাইয়েরা আমার আগের লেখাটিতে ভূল ছিল তাই নতুন করে লিখলাম।অনেক কিছূ জানলাম। অনেক কিছূ বুঝলাম। কিন্তু আমরা কি ঐ সব ধর্ষিতা নারীর জন্য কিছু করতে পারলাম। উত্তর টা নিশ্চই হবে না। কিন্তু আমি বলব হ্যাঁ । কারণ আমরা করেছি । এখন বলতে পারেন কি করেছি? তাই না । উত্তর হল আমরা ঐ সমস্ত নারীদের ধর্ষকারীদের সাহায্যকারীদের জাতীয় সংসদে ভোটের মাধ্যমে এম,পি মন্ত্রী বানিয়ে তাদের মনের অপ্রকাশিত দুঃখটাকে বাড়িয়ে দিয়েছে। তাদের নির্মম ব্যথার জায়গায় প্রচন্ড ব্যথা দিতেছি। কিন্তু তাদের পক্ষে কিছূই করিতে পারিছি না। এ আমাদের বাঙ্গালী জাতীর জন্য এক বিরাট পরাজয়।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩১

লেখক বলেছেন: হুমমম...ঠিক বলেছেন।

৬৪. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৯
নতুন রাজা বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পাশাপাশি, নারীর বিরুদ্ধে অপরাধেরও বিচার করা প্রয়োজন। সময় এখনো ফুরিয়ে যায়নি। যতদ্রুত সম্ভব এটা করতে হবে। আর যতদিন এটা না হবে, ততই দিন দিন এই সব অপরাধীরা বুক ফুলিয়ে বলবে - স্বাধীনতা এনেছি, স্বাধীনতা রক্ষা করবো (সাম্প্রতিক সময়ে মুজাহিদের বক্তব্য)।

চমৎকার তথ্যসমৃদ্ধ একটি পোষ্টের জন্য অশেষ ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন...
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩২

লেখক বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পাশাপাশি, নারীর বিরুদ্ধে অপরাধেরও বিচার করা প্রয়োজন। সময় এখনো ফুরিয়ে যায়নি। যতদ্রুত সম্ভব এটা করতে হবে।

ধন্যবাদ আপনাকে।

৬৫. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৩
আবুল কালাম বলেছেন: কিন্তু আমরা এতো বছরেও বিচার করতে পারি ন ! এর দায় কার?
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩৪

লেখক বলেছেন: সেই দায় সামনে রেখেই বিচার কাজ করতে হবে।

৬৬. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০১
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আর কৃতজ্ঞতা।

মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা আর অন্যান্য অপরাধের কথা যত আসে, ভয়াবহ নারী নির্যাতনের কথাটি সবাই এড়িয়ে যায়।

অনেকেই এই বিষয়গুলো সম্পর্কে জানেন না। জানা দরকার। জানা দরকার সমগ্র বিশ্বের।

আরেকটি ব্যাপার, অন্য কারও জন্য এখন বসে থাকলে আর চলবে না। এতটুকু বোঝা উচিত যে - কোন দেশেরই লাভ নেই বাংলাদেশে'র নারী নির্যাতন আর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে। সুতরাং যা করার আমাদেরই করতে হবে।

নিচে ক্যাডেট কলেক ব্লগের একটি পোস্ট আর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে দুটি প্রোজেক্টের লিংক রেখে গেলাম। মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত সকল তথ্য এক জায়গায় করার চেষ্টা হচ্ছে। অনুরোধ করব এ নিয়ে একটি পোস্ট দিতে, আমি লেখার চেয়ে ব্লগে সবাই চেনে এমন একজন লিখলে হয়ত জিনিসটির গুরুত্ব বাড়বে।

আমি এই পোস্টটি এড করে দিচ্ছি ওখানে (কপি পেস্ট করছি নাম এবং লিংক সহ)। আশা করছি অনুমতি পাব।

ক্যাডেট কলেজ ব্লগ

ওয়ার ক্রাইম স্ট্রাটেজি ফোরাম

ই লাইব্রেরী ১৯৭১
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৩

লেখক বলেছেন: সৌরভ ভাই্, এই পোস্টটটি অ্যাড করতে পারেন।

ধন্যবাদ লিংকগুলো দেওয়ার জন্য।

৬৭. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১২
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: দারুণ লেখা তবে আরো বড় পরিসরে আলোচনার দাবি রাখে
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪১

লেখক বলেছেন: এই বিষয়গুলো অনেক বেশি বিস্তৃত। আরো অনেক ধরণের আলোচনা হতে পারে এই বিষয় নিয়ে।
ধন্যবাদ পিয়াল ভাই।

৬৮. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৪
সংসপ্তক আকাশ বলেছেন: খুব ভালো লাগলো. মুক্তিযুদ্ধের সময় ধর্ষন গণহত্যারই সামিল। আমার মনে হয় আমারা একটা বড় সুযোগ হারিয়েছি।

মি এই পোস্টটি এড করে দিচ্ছি ওখানে (কপি পেস্ট করছি নাম এবং লিংক সহ)।

****
It is well known that during the nine months of Bangladesh’s fight for independence in 1971 the Pakistani army and its collaborators murdered 3 million Bengali-speaking citizens, raped no less than 200,000 girls and women, and burned and destroyed houses belonging to minorities and intellectuals. The conflict forced an estimated 10 million refugees to flee to India.

It is well known that the killing of 3 million civilians is nothing short of genocide. But what about the mass rapes that occurred during the same period?

The recognition of rape as a war crime can be traced back to the Tokyo War Crimes Trials after World War II. In the Tokyo trials, commanders were held responsible for rapes committed by soldiers under their command.

In 1993, the United Nations passed a resolution placing rape, for the first time, within the framework of war crimes. Furthermore, the U.N. General Assembly established that rape under certain circumstances could also constitute genocide. The International War Crimes Tribunal in The Hague reinforced this with a ruling in 2001, stating that rape of civilians is a crime against humanity.

Under the International Criminal Court’s 1998 Rome Statute, rape is not a freestanding crime and must be charged as an act of war, genocide or crime against humanity. The International Criminal Court has the power to establish ad hoc tribunals of limited jurisdiction, like those created to deal with the conflicts in Rwanda and in the former Yugoslavia. The international criminal tribunals for Rwanda and for the former Yugoslavia have successfully prosecuted cases of rape as war crimes and acts of genocide.

“Rape” was defined for the first time under international law in the International Criminal Tribunal for Rwanda in 1998 and charged as a crime against humanity. It is described as “a physical invasion of a sexual nature, committed on a person under circumstances which are coercive.”

A judge at the International Criminal Tribunal for Rwanda, Richard Goldstone, wrote, “Rape is a form of aggression. Rape is a violation of personal dignity. Rape and sexual violence constitute one of the worst ways of harming the victim as he or she suffers both bodily and mental harm.”

In 2000 the United Nations Security Council adopted the historic Resolution 1325, which ''calls upon all parties to armed conflict to take measures to protect women and girls from gender-based violence, particularly rape and other forms of sexual abuse, and all other forms of violence in situations of armed conflict.''

Rape is mentioned only once in Bangladesh’s International Crimes (Tribunals) Act of 1973, and is identified only as a crime against humanity. The act does not provide definitions of “rape” or “wartime rape.”

Historically, rape was regarded as a crime against the honor and dignity of women rather than a serious act of violence. Rape is a sin in traditional Bengali society and culture and, in many cases, a rape victim finds it difficult to continue to live in society. In a male-dominated and chauvinistic culture like that of Bangladesh, rape is associated with deep social stigma and brings shame to the victim’s family as well as the community. It is believed that during Bangladesh's nine-month war for independence in 1971, almost 200,000 girls and women were raped, resulting in an estimated 25,000 pregnancies.

In war, rape is considered an effective method of ethnic cleansing. The Pakistani army, their Bengali collaborators, and their cadres applied the same policy during Bangladesh’s freedom movement of 1971. They wanted to abolish Bengali culture, respect, and the identity of the Bengali women.

The Preparatory Commission of the International Criminal Court explicitly recognizes that sexual violence, under specific circumstances, falls within the definition of genocide. Mass rape during the liberation movement of Bangladesh caused “serious bodily or mental harm to members of the group” of Bengali women. Hindu women, who were a minority, were especially targeted.

Patriarchal practice is still exercised within Bengali society, which equates a woman’s dignity with virginity. When honor or dignity is associated with virginity or chastity, rape becomes the perfect tool to destroy the dignity and honor of an individual, as well as of society.

In 1971, the perpetrators committed rape with the intention of destroying the dignity of the Bengali population. According to different eyewitness records, local collaborators, some high-level Pakistani army officials and leaders of the Jamat-e-Islami group were directly involved in committing rape.

Therefore, rape − a most heinous crime whose purpose is ethnic cleansing − constitutes a deliberate weapon of war. Since the United Nations has stated that this abhorrent policy of ethnic cleansing is a form of genocide, there is clear evidence of “cultural genocide” in Bangladesh’s 1971 liberation.

As the present government of Bangladesh has taken the initiative to amend the International Crimes (Tribunals) Act of 1973 to try war criminals in a more acceptable and transparent way, the government should also think about rendering justice to the 200,000 rape victims.

Source: Click This Link
****
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩৫

লেখক বলেছেন: লেখাটুকু যুক্ত করার জন্য ধন্যবাদ।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

৭০. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৯
amhabib বলেছেন: কি বলব, শুধু কান্না পাচ্ছে সেই সব মা বো্ন দের কথা শুনে।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪০

লেখক বলেছেন: এই কান্নাগুলোই আমাদের শক্তি যোগাবে বিচারের পথে।

৭১. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৬
পারভেজ বলেছেন: ৩৮ বছর আগের এই ঘটনার এখনো কোন বিচার হলোনা!
ধর্ষকরা সব ইতিমধ্যে মরেছে নয়তো মরার পথে। কিন্তু এর বিচারটা হওয়া উচিত। না হলে, ভবিষ্যত প্রজন্ম আমাদের কখনোই ক্ষমা করবে না।
ক্ষমতালোভী রক্তচোষারা অবশ্য এটা নিয়ে থোড়াই কেয়ার করে।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪৩

লেখক বলেছেন: এর বিচারটা হওয়া উচিত। না হলে, ভবিষ্যত প্রজন্ম আমাদের কখনোই ক্ষমা করবে না।

ঠিক বলেছেন পারভেজ ভাই।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৫

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৭৩. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৮
নুরুন্নবী হাছিব বলেছেন: তথ্যবহুল পোষ্ট..অনেক কিছু জানা গেল..
ধন্যবাদ শামীম..
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তোমাকে।

৭৪. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫২
অজানা আমি বলেছেন: তথ্যবহুল পোষ্ট, অনেক কিছু জানলাম। পোস্টে +

ভাই আমারদেশ অথবা নয়াদিগন্ত পত্রিকার কোন রেফারেন্স দেয়া যায়না। দিলে অনেক ভাল হয়, তা না হলে সামুর এক শ্রেণীর ব্লগার আবার গোস্যা করবে।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭৫. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:০৭
কাঙাল মামা বলেছেন: কয়েকদিন আগেই প্রথম জানলাম ৭১ ধর্ষন নাকি পুরাই প্ল্যানমোতাবেক হইছে। শুধু একটা কথাই বলবো, "বিচার চাই"।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২১

লেখক বলেছেন: বিচার চাই।

৭৬. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৫
স্বপ্নময়২ বলেছেন: পড়ে মনে হল মুক্তিযুদ্ধের কতটুকুই বা আমরা জানি। ধন্যবাদ আপনাকে।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৯

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৭৭. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২০
এহসান উল্লাহ বলেছেন: তথ্য সমৃদ্ধ লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ। যারা এ সমস্ত অপরাধের সাথে জড়িত তাদের অবশ্যই বিচার হওয়া চাই।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪২

লেখক বলেছেন: অবশ্যই বিচার করতে হবে।

৭৮. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৪
নীরব আওয়াজ বলেছেন: আমি ব্যথিত ওশ্রদ্ধাবনত ........জানিনা কেন যেন খুব চিৎকার করতে ইচ্ছে হচ্ছে......চিৎকার করে জানিয়ে দিতে পারতাম সারা পৃথিবীকে ..এই নরপশুদের বিভৎস ইতিহাস.....আল্লাহর কাছে আমি আমার এইসব বীরাঙগনা মা এর জন্য দোয়া কামনা করছি.....আমিন..।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

৭৯. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০৪
বিপ্লব কান্তি বলেছেন: ১৯৭২ সালে মার্চ থেকে ছয় মাস বাংলাদেশের হয়ে কাজ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার চিকিৎসক ড. জেফ্রি ডেভিস। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান-[৭] “ধনী ও সুন্দরী মেয়েদেরকে অফিসারদের জন্য রেখে দেয়া হতো আর বাকিদের অন্যান্য র্যাংঙ্কের সৈন্যদের মধ্যে বন্টন করে দেয়া হতো। আর মেয়েদেরকে দারুণ কষ্টে ফেলে দেয়া হতো। তাদেরকে পর্যাপ্ত খেতে দেয়া হতো না। অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের চিকিৎসা দেয়া হতো না। অনেকেই ক্যাম্পের মধ্যে মারা গেছে।”

আরো যোগ করুন , কুমিল্লা এলাকায় কয়েকজন মুসলিম উগ্রবাদি পাক কমান্ডিং অফিসারকে ধর্ষন নিয়ে প্রশ্ন করেছিল অস্ট্রেলিয়ার দলটি যুদ্ধ চলার সময় ।

ওরা বলেছিল , উপর থেকে নির্দেশ আছে মেয়েদেরকে আটকিয়ে ধর্যন করে সন্তান জন্ম দেয়ার জন্য । উগ্রবাদি ইসলাম মতে বাপের বিরুদ্ধে সন্তানেরা যুদ্ধ করতে পারে না। তাই একটি পাক প্রজন্ম তৈরি করার উদ্দেশ্য তাদের ছিল। যারা তাদের বাপের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম করবে না।

১৯৭১ সালের যুদ্ধ শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ নামক ভূখন্ডের মানুষের ন্যায্য দাবি দাওয়া পূরনের জন্য। স্বাধীন করার জন্য। কিন্তু পাকরা তাদের ইসলাম ধর্মের উগ্রবাদ অংশটুকুর পাঠক ছিল । হিন্দু দেখলেই মেরে ফেলত। ওদের ধারনা ছিল হিন্দুরা এসব করতেছে। হিন্দুদের মেরে ভারত পাঠাতে পারলেই সমস্যার সমাধান হয়তো অনেকটা হয়ে যাবে।
যুদ্ধের প্রথমে মেইন টার্গেট ছিল , হিন্দু । তারপর মুক্তি গঠিত হওয়ার পর মুক্তিদের স্বজন পেলেই মেরে ফেলত। আ'লীগ লিডার-কর্মীরা ও তাদের প্রাইম টার্গেট ছিল ।

এত সহজে হিন্দু - মুক্তি -ছাত্র নিধন চালাতে পারত না। কারন ওরা পানি ভয় পেত। এদেশে কাউকে চিনত না। ভাষাগত সমস্যা ছিল । রাজাকাররা ওদের পথ দেখিয়ে দিয়েছে। কোনটা হিন্দুর বাড়ি, কোনটা মুক্তির বাড়ি , কোনটা আ'লীগ কর্মীর বাড়ি । রাজাকারদের সহায়তায় ওরা সব কিছু করেছে। রাজাকার হল, এদেশে ওদের উগ্রবাদি ইসলাম মতের অনেক সমর্থক । যারা এখন ও দেশ জুড়ে প্রাকাশ্যেই উগ্রবাদ প্রচার করে চলছে।

পৃথীবিতে অনেক যুদ্ধ হয়। আফগান-ইরাকে যুদ্ধ চলতেছে। ফিলিস্তিনে চলতেছে। পরিকল্পনামাফিক নারী ধর্ষন কোথায় ও হয় না। ইসলাম- হহুদি - খ্রীস্টান এই তিনটি মত পাশাপাশি এলাকা থেকে জন্ম নেয়ার ওদের মধ্যে প্রতিযোগিতা ও যুদ্ধ বিগ্রহ সমসময় চলতেছে। কিন্তু পরিকল্পনা করে হিন্দু নিধন, সন্তান উৎপাদনের জন্য নারী ধর্ষনের উদাহরন বিরল ।

ইসলামি উগ্রবাদিদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশিদের যুদ্ধ হয়েছিল এজন্যই এমন হয়েছে।

যারা বিচার বিচার করতেছেন তারা জেনে রাখুন , ইসলামি উগ্রবাদি গোষ্টি বিচার করতে দিবে না। পাক-মালেশিয়া-সৌদিআরব- লিবিয়া এসব দেশ বিচারের কাজে বাধা দিবে। হয়তো দিয়ে ফেলেছে।
অমানবিক সৌদিআরব নামক একটি দেশ বাংলাদেশকে স্বৃকৃতি দিয়েছিল শেখ মুজিব মারা যাওয়ার পরের দিন । এই দেশটিতে এখন ১৫ লাখের মত বাংলাদেশি প্রবাসি কাজ করে। মাসে প্রায়৮০০-১০০০ জন বাংলাদেশির লাশ আসে এই দেশটি থেকে। যারা সবাই ২৫-৩০ বছর বয়সের মধ্যে । ওরা নাকি হৃদরোগে মারা যায় । মালেশিয়া থেকে আসে প্রায় ৪০০


লিবিয়া নামক দেশে মুজিবের খুনিরা থাকত ।

১৯৭১ সালে ইসলাম ধর্মের উগ্রবাদিরা বাংলাদেশে পরাজিত হয়েছিল। তারপর জয়ী হয়েই চলছে। আমার নিশ্চিত বাংলাদেশ থেকে ইসলাম ধর্মের উগ্রবাদিদের নিশ্চিন্হ না করতে পারলে স্বাধীনতার উপর আঘাত সবসময়ই আসতে থাকবে।



২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২১

লেখক বলেছেন: হুমমম

৮০. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১০
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: @ বিপ্লব কান্তি,

সবকিছুতে রং না দিলে হয় না? কে বলছে আপনারে শুধু হিন্দু আর আ:লীগ পাইলে মারত?

আপনার কি ধারনা ৭১ এ বাংলাদেশে মুসলিম ছিল না, ওরা মরে নাই? আর সব মুসলিম থাকলে পাকি রা যুদ্ধ করত না?

কিছু হলেই ধর্ম নিয়ে টানা লাগে কেন? কোন ধর্মের লোক কারে মারছে এই চিন্তা না করে মানুষকে মারা হচ্ছে - এই চিন্তা করা যায় না?

আপনার নিজের কমেন্টে আপনি প্রমাণ করলেন আপনি নিজেই উগ্রবাদী।
৮১. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৮
কিবর বলেছেন: গত ১৫ ডিসেম্বর মন্তব্য করার সুযোগ পেয়ে আজই প্রথম রেটিং দেয়ার অনুমতি পেলাম আর অনুমতি পেয়েই এরকম একটি পোষ্টে + দিলাম। সেই নরপিচাশদের ঘৃনা করতেও মন বাধা দেয়।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শান্ত।

৮৩. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৫
নক্ষত্রের কান্না বলেছেন: অদ্ভুত আমরা! এমন ভয়াবহ ঘটনাও আমরা কদিনেই ভুলে গিয়ে তাদের সাথেই গলাগলি করি!!
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: সেটাই। বড়ই বিস্মৃতিপরায়ন আমরা....

৮৪. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৭
ত্রিশোনকু বলেছেন: আমাদের বিভৎস ইতিহাস, আড়াল করে রাখা।

নিষ্ফল আক্রোশে, ক্রোধে ফেটে পড়তে ইচ্ছে করে।

কিন্তু যা করার আছে তা আজ দু:সাধ্য। এই পিশাচদের বিচার করার প্রমান, সাক্ষ্য আর ক্ষমতাশীনদের সদিচ্ছা ও সাহস সবই অপ্রতুল।

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৯

লেখক বলেছেন: আমাদের বিভৎস ইতিহাস, আড়াল করে রাখা।

নিষ্ফল আক্রোশে, ক্রোধে ফেটে পড়তে ইচ্ছে করে।

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৮৬. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৪
সামছা আকিদা জাহান বলেছেন: বয়ে চলো নিরন্তর দুঃসহ স্মৃতীর প্রহর
------
বীরাঙ্গনা হে বীরাঙ্গনা তুমি মৃত্যুঞ্জয়ী...
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩১

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৮৭. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৭
অািম বাবু বলেছেন: ওদের জন্য শুধু ঘৃণা। আমি মনে প্রাণে চাই পাকিস্তান যেভাবে ধ্বংসের পথে এগোচ্ছে তা যেন দ্রুততর হয়। এ জীবনে পাকিস্তানের ধ্বংস দেখে যেতে চাই।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৬

লেখক বলেছেন: এদের ঘৃণিত অপরাধীদের বিচার করতেই হবে।

৮৮. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৫
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন: অনেক অজানা তথ্যসমৃদ্ধ পোষ্টটির জন্য অনেক ধন্যবাদ শামীম ভাই..
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪২

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ মনসুর ভাই।

৮৯. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪১
ত্রেয়া বলেছেন: জানা হলো অনেক অজানা তথ্য।
কিন্তু মনটা ভিষণ খারাপ হয়ে গেল....
এদের বিচার হওয়া উচিত।

আপনাকে ধন্যবাদ শামীম।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫১

লেখক বলেছেন: অপরাধীদের বিচার করতেই হবে।

ধন্যবাদ ত্রেয়া আপু।

৯০. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৫
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: কাদঁতে আসি নি, ফাসিঁর ...

পাকিস্তান কে ক্ষমা চাওয়াইতে হবে আমাদের, এই সব কাজের জন্য। তারা ক্ষমা চায় নাই তাদের অপরাধ স্বীকার পর্যন্ত করে নাই। X(
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৪

লেখক বলেছেন: শুধু ক্ষমা নয়, বিচার করতে হবে।

৯১. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১১
আবু সালেহ বলেছেন:
সেই সব বীরঙ্গনাদের আমরা কি দিচ্ছি.....

এখনও তারা নির্যাতিত..... :(
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৫

লেখক বলেছেন: আমরা আসলে কিছুই দিতে পারি নি....

৯২. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩০
সায়েম মুন বলেছেন: অনেক তথ্য জানলাম। এত কষ্ট করে পোষ্ট লিখার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৬

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

৯৩. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৪
মৃনাল বলেছেন: ++++++++++++++++++++++++++++++++++++
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৯৪. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৭
মুনশিয়ানা বলেছেন: শামীমকে ধন্যবাদ, চমৎকার একটা কাজ করার জন্য...
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া।

৯৫. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৯
মেঘ বলেছেন: এসব কিছুর পরেও আমরা বলব কোথাও কিছু হয়নি, যুদ্ধে ধর্ষণ ঘটেনি। আধুনিক আমরা বলব নারীর সম্পত্তিতে উত্তরাধিকার শরীয়া বিরোধী; বাসে উঠলে একটা সিট দেয়া নিয়েও আমরা তর্ক জুড়ে দেব, আর ব্যবসার সুযোগ এলে মাটি আমার মা, মায়ের জাত বলে গলা ভেঙ্গে ফেলব।
কোনদিন এই ঋণ শোধ হবে না।
শুধু একটা কাজে আমাদের জাতিগত দায়ভার লাঘব হতে পারে সামান্য হলেও - যু্দ্ধাপরাধীদের বিচার, বিচার এবং বিচার। যে গোলাম আযম আমাকে (নারীকে) গণিমাতের মাল বলেছে তার দৃষ্টান্তমূলক সাজাসহ মৃত্যু, তার স্যাঙ্গাতদের ও একই পরিণতি এসব নারীদের "অর্জন" (হ্যাঁ আমি অর্জন বলব - তারা দেশের জন্য সর্বোচ্চ প্রেম দিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছেন পরবর্তী প্রজন্মের জন্য) কে সামান্য হলেও মূল্যায়ন করবে।
আপনার লিখায় তো সন্দেহাতীতভাবে ++
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৯

লেখক বলেছেন: আপনার কথাগুলোর সাথে একমত।

শুধু একটা কাজে আমাদের জাতিগত দায়ভার লাঘব হতে পারে সামান্য হলেও - যু্দ্ধাপরাধীদের বিচার, বিচার এবং বিচার।

৯৬. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩০
মৃনাল বলেছেন: কোন রাজাকারের বাচচায় মাইনাস দিসে।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৯

লেখক বলেছেন:
আমার মনে হচ্ছে মাইনাসটি দিয়েছে 'টর্ণেডো' নামের একটি নিক।

৯৭. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১০
রিমি (স. ম.) বলেছেন: অনেক তথ্য দিয়েছ শামীম। অনেক কিছু জানা গেল। ধন্যবাদ তোমাকে।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রিমি আপু।

৯৮. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৪
মোস্তাক খসরু বলেছেন: একটা মায়নাসেই গালি। রাজাকাররে যখন মন্ত্রী বানাইল তখন আছিলেন কই।১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুই এই সব বিরঙ্গনাদের সামাজে প্রতিষ্ঠিত করতে রাষ্টিয় সহায়তায় বিয়ের ব্যবস্থাও করেছিলেন।এতসবের পরও আমাদের রাজাকার প্রিতি গেল না।তারপরও রাজাকার প্রেমীরা ক্ষমতাশিন হয়, তাও আমাদের ভোটে।ভাষা দেশ মাতা আমরা মুখেই বলি, আসলে স্বার্থের কাছে আমরা সবাই পরাজিত।জামাতবিএনপির পদচারনায় কষ্ট লাগে।নয় মাসের যুদ্ধ খুব কাছে থেকে দেখেছি বলেই।জামাত নামক বিষ বৃক্ষটিকে এই দেশে কে পরম যত্নে লালন পালন করল।সে আর কেউ নয় আমাদের মহান নেতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।আজ তারই ছেলে শিবিরের মিটিং এ বলে ওরা আমার ছোট ভাইএর মত।আওয়ামী লীগকে কোনঠাসা করতে তারা তিন জনই সমান ভুমিকা রেখেছিলেন।শহীদ জিয়া খালেদা জিয়া ও তারিক জিয়া।এই সব কথা লিখে খামাখা কারো বিরাগ ভাজন না হয়ে বরং আসুন শ্লোগান দেই।
"সব শিয়ালের এক আওয়াজ, আজান দিয়া কর তোয়াজ"
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৩

লেখক বলেছেন: হুমমম।

৯৯. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩২
তারেক হাসান বলেছেন: ধন্যবাদ। গুরুত্বপূর্ণ পোষ্ট।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

১০০. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৬
অগ্নি পুরুষ বলেছেন: ধন্যবাদ শামীম এইরকম একটি তথ্যবহুল পোস্টের জন্য। আমি আমার সকল বন্ধুদের মেইল করে ও ফেইসবুকে শেয়ার করে দিতে চাই আপনার এই পোস্ট,যদি আপনি অনুমতি দেন।

আর একটি কথা, কোন পাকি জারজ,শুয়োরের থেকেও অধম এই পোস্টে মাইনাস দিয়েছে জানতে চাই,যদি সম্ভব হয়.....
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৮

লেখক বলেছেন: আপনি অবশ্যই শেয়ার করতে পারেন।

আমার মনে হচ্ছে মাইনাসটি দিয়েছে 'টর্ণেডো' নামের একটি নিক।

১০১. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪১
শান্তির দেবদূত বলেছেন: অনেক বড় , পুরাটা পড়তে পারিনি, তবে স্কিমথ্রু করে করে গেছি। অনেক তথ্যবহুল লেখা। অনেক কষ্ট করেছেন, সেই কারনে বিশাল একটা ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০০

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ দেবদূতদা ।

১০২. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৯
এরশাদ বাদশা বলেছেন: মন্তব্য করতে চাচ্ছিনা....অপারগতা ক্ষমা করবেন শামীম ভাই।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৮

লেখক বলেছেন: হুমমম...এখনো আমরা বিচার করতে পারি নি....এখনো তাদের উপযুক্ত সম্মান দিতে পারি নি....আমাদের অপারগতার শেষ নাই.....

১০৩. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০২
নুর মোহাম বলেছেন: ভাল লাগলো ভাই।পড়ে মনটা ভাল লাগলো এই ভেবে যে না জানা অনেক বিষয় জানতে পাড়লাম। ধন্যবাদ
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন: লেখাটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নিহন।

১০৫. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৬
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: বস, প্রিয়তে চলে গেল। অবশ্য আপনার সব পোস্টই প্রিয়তে যাবার মত। অনেক অনেক ধন্যবাদ এত চমৎকারভাবে বিষয়গুলো উপস্থাপন করার জন্য।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তোমাকে পড়ার জন্য।

১০৬. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৬
রিজভী বলেছেন: লেখাটা সমকালেই পড়েছিলাম।

ভালো লিখেছো।

তথ্য সমৃদ্ধ লেখা।

+
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রিজভী ভাই।

১০৭. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:২৯
সাফির বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে তথ্যবহুল পোস্টের জন্য + + +
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে পড়ার জন্য।

১০৮. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১৯
রোকসানা লেইস বলেছেন: এই লিংটা দেখবেন সময় পেলে
Click This Link
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৩

লেখক বলেছেন: দেখে আসলাম।

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১১০. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৫৮
অজানা আমি বলেছেন: মাননীয় ব্লগ কর্তৃপক্ষ 'টর্ণেডো' নামের একটি নিক্‌টি ব্যান করা হোক।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৯

লেখক বলেছেন: সহমত।

১১১. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৩০
শয়তান বলেছেন:
আরো বিস্তারিত জানতে চাইলে আরো কিছু লেখতে পারি।

-

প্লিজ গো এহেড । এই বিষয়টা নিয়ে আসলেই অনেক অনেক অনেক আলোচনা করার দরকার রয়েছে । থেমে গেলে হবে না । বিচারের দাবীতে সোচ্চার হতে হবে আমাদেরকেই ।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩২

লেখক বলেছেন: এ বিষয়টিতে আরো কিছু লেখা দিবো।

১১২. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৪৮
করবি বলেছেন: এই রকম লিখা অনেক হয়েছে। তাও যেন আমাদের টনক নরছেনা, এ কোন গভীর ঘুমে আচছন্ন আমরা। কত গুলো বছর লেগে গেল এই জঘন্য অপরাধের বিচার কাজ শুরু করতে, কত কাঠখর পুড়িয়ে। রায়ও হল, অনেক আশার কথা। দেখা যাক শেষটা কিভাবে হয়, অনেক দিনত অপেক্ষা করা হল, আরো কিছু দিন না হয়, হয়ত মাস, নয়ত বছর, আর বেশি হলে যুগ।

ধন্যবাদ শামীম আপনাকে, আবারো এই রকম তথ্যবহুল একটা ঠোকা মারার জন্য !!!!
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১১

লেখক বলেছেন: লেখা গুরুত্বপূর্ণ না খুব বেশি। গুরুত্বপূর্ণ হলো আমাদের বোধকে জাগ্রত রাখা।
বিচার করার মাধ্যমে জাতিকে কলঙ্ক থেকে মুক্তি করা।

১১৩. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২০
মির্জা ইউক্লিড বলেছেন:


শামীম ভাই..... এখনও বেমানান লাগছে.... ঠিক করলেন এজন্য ধন্যবাদ।

কিন্তু সমকালে যেমন নামের আগে বঙ্গবন্ধু লিখেছেন...এখানে লিখলে সুন্দর দেখাতো,তবে আপনি যদি মনে করেন এখানে শুধু নামটা দিয়াই যথেষ্ঠ তো অন্য কথা....
জাতির জনকের নামের আগে বঙ্গবন্ধু না দেখলে খারাপ লাগে... সরি ব্যক্তিগত মত দিয়ে ফেললাম।



৫০. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৩
comment by: মির্জা ইউক্লিড বলেছেন: কয়েকটি পরিসংখ্যান

১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের বন্দীদশা থেকে মুক্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করে প্রথম জনসভায় বলেছিলেন, দুই থেকে আড়াই লাখ নারী যুদ্ধে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।




কে বলেছিলেন???? এডিট করে দিন..... লাইনটা বেমানান লাগছে
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫০

লেখক বলেছেন: ঠিক করে দিলাম। ধন্যবাদ আপনাকে।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪১

লেখক বলেছেন: ঠিক করলাম এইবার। ধন্যবাদ।

১১৪. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৬
সুরঞ্জি্ত পাল বলেছেন: আপনাকে অসংখ ধন্যবাদ এতো তথ্যবহুল একটা বিষয় জানানোর জন্য।

আমরা যারা কিছু পড়াশুনা করি, ইন্টারনেট ঘাটি তারা এই ব্যাপারটা নিয়ে অনেক কিছু জানতে পারব। কিন্তু আমাদের চিন্তা করতে হবে কিভাবে এইসব তথ্য আপামর জনগণের কাছে জানানো যায়।
কারণ, ওইসব রাজাকার-আল বদর গুষ্টি এবং তাদের পরবর্তী প্রজন্মগুলো ওইসব সহজ সরল মানুষকে উল্টাপাল্টা বুঝাচ্ছে। আমাদের দেশে এইসব মানুষের সংখা অনেক বেশি।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও লেখাটা পড়ার জন্য।

১১৫. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০২
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: জিওফ্রে ডেভিসের সাক্ষাতকার নেওয়ার ইচ্ছে ছিলো, ভদ্রলোক মারা গেছেন, তবে তার সঙ্গে কাজ করেছেন এবং ছবিও আছে এমন একজনকে খুজে পেয়েছি, সব ঠিক থাকলে আজ রাতেই তার সাক্ষাতকার নেওয়ার কথা। মূলত বইয়ের জন্য নিলেও একটা গুরুত্বপূর্ণ সংযুক্তি হতে পারে তা এই পোস্টের জন্য। শামীম আমার আর্কাইভে দেখেন জিওফ্রে ডেভিসের মেমোয়ার থেকে শুরু করে সাক্ষাতকার সবই আছে
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫২

লেখক বলেছেন: সাক্ষাৎকারটি পড়ার অপেক্ষায় থাকলাম।

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১১৭. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪১
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: লেখাটা অনেকই রিচ শামীম। ধন্যবাদ তোমাকে ।

এর জন্য আইনগতভাবে "নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ" কনসেপ্টটাকে গ্রহণ করা উচিত।

ভীষন ভাবে একমত। যুদ্ধ মানেই নারীর সাথে অন্যরকম যুদ্ধ , হত্যার চেও বেশী জঘন্য!
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৬

লেখক বলেছেন: যুদ্ধ মানেই নারীর সাথে অন্যরকম যুদ্ধ , হত্যার চেয়েও বেশী জঘন্য!

ঠিক বলেছো আপু।

১১৮. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১১
মুহাম্মদ মামুনুর রশিদ বলেছেন: ৭১ সালের এইসব বীর মুক্তিযোদ্দা মা,বোনদের আত্মদানকে আজও মুল্যায়ন করা হয়নি বা ক্ষতিপূরন আদায় করা হয়নি।আপনারা আমাদের ক্ষমা করে দিবেন মা।
১১৯. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৮
ফেরারী পাখি বলেছেন: তোমার কাজের জন্য তোমাকে সীমাহীন কৃতজ্ঞতা। এসব নিয়ে আর আজকাল ক'জন ভাবে বলো? তুমি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের একটা বিশেষ দিক তুলে ধরেছ--- এই তথ্য এখন কমপক্ষে অন্তত একশ' জন নতুন প্রজন্ম জানল--এই বা কম কিসে!
বিচার হল না কেন এই প্রসঙ্গ নাই বা আলোচনা করলাম।

তবে এভাবে না লিখলেই পারতে। বহুদিন পর অনেকক্ষণ কাঁদলাম। কেন যেন এসব একেবারেই নিতে পারিনা।

যুদ্ধের নির্মমতা গুলো তবুও শুনে / পড়ে জেনেছি। কিন্তু নারীর এই বিষয়গুলো বরাবরই সযতনে এড়িয়ে গেছি। শুনতে বা জানতে খুব বেশী সাহস হয়নি। এসব জানলেই অসুস্থ হয়ে পড়ি।
এ কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩১

লেখক বলেছেন: আপু তোমার কমেন্টটা বেশ কয়েকবার পড়লাম। কি রিপ্ল্যাই দিবো বুঝতে পারছি না....

১২০. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩১
রোহান বলেছেন: মাইনাসটা কি টর্ণেডো দিছে???? এইডা তো মনে হয় বিশিষ্ট জামাতী, গোলাম আজমের ভক্ত, জামাতের শুরা সদস্য মহাকুবি মতি মল্লিকের একনিষ্ঠ ভক্ত, ব্লগে আসসালাম - মাআসসালাম রীতির প্রনেতা, সকল জামাত বিরোধীদের খচ্চর উপাধী প্রদান কারী আফসার নিজাম এর আরেকখান নিক। এই লুকটার পোলা মাইয়া মিলায়া কয় হাজারটা নিক কে জানে X(( X((

এইরকম একটা পোষ্টেও মাইনাস দিতে পারলো কিভাবে? অসুস্থ মানুষে চারপাশ ভরে যাচ্ছে...
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০০

লেখক বলেছেন: সাম্প্রতিক ভিজিটর লিস্ট দেখে মনে হয়েছে টর্ণেডোই মাইনাস দিয়েছে।

১২১. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০২
সহেলী বলেছেন: এসব লেখা পড়লে পরে ভাল লাগে না ।
ভুলে থাকতে পারলে ভাল হত -- সত্যি একসময়ে এমন কিছু ঘটেছিল এবং যারা এ সব কাজে সহযোগীতা করেছে তারা ঘুরে বেড়ায় নিশ্চিন্তে ।

এ লেখায় মাইনাস একটা পড়েছে , যে দিয়েছে মাইনাস সে এদেশের মানুষ , কারো ভাই, বাবা বা ছেলে ----
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: শত চাইলেও এই বিষয়গুলো ভুলে থাকা যায় না...

ধন্যবাদ আপু পড়ার জন্য।

১২২. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৬
সাব্বির হোসেন শুভ বলেছেন: ++++++++

অসাধারণ এবং তথ্যবহুল লেখাটির জন্য ধন্যবাদ।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

১২৩. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৩
নিবিড় অভ্র বলেছেন: থ্যাংক্স........






বাকরূদ্ধ........
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: হুমমমম...

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মাসুম ভাই।

১২৫. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৬
আজম বলেছেন: এই পাকিস্তানীদের ঘৃণা প্রকাশ করলেও ঘৃণা শব্দটাকে অবমাননা করা হয়।
কি যে বলব তার ভাষাই খুঁজে পাচ্ছি না।
যুদ্ব অপরাধীদের বিচার অবশ্যই করতে হবে বাংলার মাটিতে।

আপনার লেখাটা জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৬

লেখক বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার অবশ্যই করতে হবে বাংলার মাটিতে।

১২৬. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৮
ভোরের তারা বলেছেন: যুদ্বের খুব করুন একটা অধ্যায় তুলে ধরেছেন। খুব কষ্ট হয়। এদেরকে কুকুর দিয়ে খাওয়ালেও কম হবে।
তবে যুদ্ব এখনও শেষ হয়ে যায়নি। আমাদের দেশি ভাইয়েরাই শুনলাম বি ডি আর বিদ্রোহের সময় নারীদের অত্যাচার করেছে। এ দুঃখ কোথায় রাখি।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৭

লেখক বলেছেন: লেখাটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ আপু।

১২৭. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৩
লীনা জািম্বল বলেছেন: চার লাখ আটষট্টি হাজার মা বোনদের চোখের জল বাংলার প্রিতিটি রক্ত কনিকায় মিশে আছে। রাজাকার আলবদরদের বিচার না হলে তাদের চোখের জল কোনিদন শুকাবেনা -- অনেক তথ্যবহুল লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ---------
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫০

লেখক বলেছেন: চার লাখ আটষট্টি হাজার মা বোনদের চোখের জল বাংলার প্রতিটি রক্ত কণিকায় মিশে আছে। রাজাকার আলবদরদের বিচার না হলে তাদের চোখের জল কোনদিন শুকাবেনা

১২৮. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫১
ধ্রুব তারা বলেছেন: গত চার দিনে বেশ কবার পড়েছি লেখাটা। আর অবাক হচ্ছি এখনো কি ভাবে কিছু কিছু মানুষ এদের পক্ষে রয়েছে। সম্পূর্ণ বাঙালি জাতির বিপক্ষে এ যুদ্ধ ছিল, শুধু মুক্তিযোদ্ধাদের বিপক্ষে নয়। আর পাকিস্তানের দোষর-রা আজো বলে তারা অভিন্ন পাকিস্তান চেয়েছিল ব্যাস। অভিন্ন পাকিস্তান কি নিরীহ মানুষ হত্যা আর নারী ধর্ষণ-অত্যাচারের মাধ্যমে আসে? মূলত তারা দেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে থেকেই ক্ষ্যান্ত খাকেনি। তারা ছিল বাঙালি সত্ত্বা, সংস্কৃতির বিপক্ষে। বাংলা নামটির বিপক্ষে।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৫

লেখক বলেছেন: ভালো বলেছো তুমি।

১২৯. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৯
পথিক!!!!!!! বলেছেন: অসাধারণ শামীম
অসাধারণ
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পথিক ভাই।

১৩০. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৭
নিশ্চুপ নিরবতা বলেছেন: দয়া করে পোস্ট টিতে আবার কস্ট করে কমেন্ট দিন। ওটাতে সমস্যা থাকার কারনে রিপোস্ট করা হল।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৮

লেখক বলেছেন: কমেন্ট করেছি।

১৩১. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৭
আহম্মদ িশবু বলেছেন: অনেকদিন আগে এক ক্রিকেট ম্যাচে উপস্থিত আমাদের দেশের দুই তরুনী যখন পাকিস্তানী কিংবদন্তী এক ফাস্ট বোলারের সাথে আলোচনা করছিল তখন ওই খেলোয়ার এক তরূনীর উরুতে চাপড় দিয়ে বসে। সেই ঘটনা আমাকে মনে করিয়ে দিয়েছিলো নির্মম ১৯৭১ কে ।(ইচ্ছে করেই নাম গুলো দিলাম না)।

আর আমরা আজও স্বাধীন দেশে ধর্ষনের মত অপরাধের সরস বর্ণনা পড়ি পত্রিকার পাতায় এগুলোও বন্ধ হওয়া উচিত.............

তবে বিচার হবে হতেই হবে.....................................
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২১

লেখক বলেছেন: বিচার হতেই হবে.....

১৩২. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৯
অন্ধকার বলেছেন: চমত্কার পোস্ট। এ বিষয়ে ড. নীলিমা ইব্রাহিম রচিত জাগৃতি প্রকাশনীর 'আমি বীরাঙ্গনা বলছি' বইটি পড়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। আমি বীরঙ্গনা বলছি বইটাতে অনেকগুলো ঘটনা প্রকাশিত হয়েছে। বইটা সবারই পড়া উচিত।

১৩৩. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৭
অন্তু বলেছেন: ++++ প্রিয়তে স্টিকির আবেদন জানাচ্ছি।

পশ্চিম পাকিস্তানে যে ধরে নিয়ে গিয়েছিলো এই ব্যাপারে একদমই জানা ছিলো না।

আপনার অসাধারন পোষ্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ। শুধু একটা প্রশ্নঃ কোন বেজন্মার এই পোষ্ট ভালো লাগে নাই? মাইনাস দিলো!
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৭

লেখক বলেছেন: পশ্চিম পাকিস্তানে যাদের ধরে নিয়ে হয়েছিল শুরুতে কিছুদিন তাদের খবর জানলেও পরে আর তাদের খবর জানা যায় নি। তাদেরকে ফিরিয়ে আনার জন্যও পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হয় নি।

১৩৪. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৮
আশফাকুর র বলেছেন: অনেক খারাপ লাগলো।ওরা মানুষ না। অনন্যসাধারণ পোস্ট।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১১

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

১৩৫. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৯
আশফাকুর র বলেছেন: মাইনাস টা দিলোটা কে। কোন ........
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৫

লেখক বলেছেন: উপরে বলেছি...

১৩৬. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৫
দিনমজুর বলেছেন: খুবই গুরুত্বপূর্ণ কাজ। আপনাকে ধন্যবাদ।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দিনমজুর ভাই।

১৩৭. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৭
আমিন আসিফ বলেছেন: মাইনাস টা দিলোটা কে? জানিনা। মন খারাপ করা এই গুরুত্বপূর্ণ পোস্টে ১০০ তম + দিয়েও মন খারাপ!

পুরা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ শামীম ভাই!
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া লেখাটা পড়ার জন্য।

১৩৮. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:০৬
এন এইচ আর বলেছেন: মানবতা নামক কোন কিছু আছে সেটা প্রমাণ করতে হলে এই পশুদের বিচার করা একান্ত জরুরী........।


ধন্যবাদ আপনাকে লেখাটির জন্য।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন: মানবতা নামক কোন কিছু আছে সেটা প্রমাণ করতে হলে এই পশুদের বিচার করা একান্ত জরুরী........।

সহমত।

১৩৯. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১৭
মনজুরুল হক বলেছেন:
হ্যাটস অফ শামীম।
আর বিশেষ কিছু বলার নেই।
ঘৃণার সাথে ক্ষোভ-হতাশা বাড়বে, যদি বিচার না হতে দেখি। যদি বিচারের নামে "বাইপাস" দেখি!
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩২

লেখক বলেছেন: ঘৃণার সাথে ক্ষোভ-হতাশা বাড়বে, যদি বিচার না হতে দেখি। যদি বিচারের নামে "বাইপাস" দেখি!

ধন্যবাদ মনজু ভাই।

১৪০. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১৬
রহমত বলেছেন: আমি জানতাম পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী আমাদের মা, বোন দের উপর অত্যাচার করেছে কিন্তুু এতো বেশি অত্যাচারের কথা জানতাম না।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪০

লেখক বলেছেন: লেখায় আর কতোটুকু এসেছে, এরচেয়েও বহুগুন বেশি অত্যাচার করা হয়েছে।

১৪১. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০১
এম আই এইচ রাজন বলেছেন:
জানা হলো অনেক অজানা তথ্য।
কিন্তু মনটা ভিষণ খারাপ হয়ে গেল....
এদের বিচার হওয়া উচিত।

না হলে মনে করব আমাদের আরেকটা স্বাধীনতা বাকী আছে। তার বিরুদ্ধে আমাদের নিজেদের লড়তে হবে এবং জিততে হবে।

আপনাকে ধন্যবাদ শামীম।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪২

লেখক বলেছেন: আমাদের নিজেদের লড়তে হবে এবং জিততে হবে।

ধন্যবাদ আপনাকেও।

১৪২. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:১৬
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: শামিম অনেক ধন্যবাদ এরকম একটি তথ্যমূলক পোষ্ট দেয়ার জন্য। জানা-অজানা অনেক কিছুই জানলাম।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ক্যামেরাম্যান ভাই।

১৪৩. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৫
হা...হা...হা... বলেছেন: কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিচ্ছিঃ

এই পোষ্টে মাইনাচ প্রদানকারীকে কেন ব্যান করা হবে না?
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: হুমমম

১৪৪. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৫
ফারা তন্বী বলেছেন: অসাধারন লেখার জন্য ধন্যবাদ
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৪

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ তোমাকে।

১৪৫. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৮
হক মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ শামীম ভাই। আমাদের সমৃদ্ধ করার জন্য। প্রিয়তে রাখলাম।

যুদ্ধটা যে হাসি ঠাট্টার ব্যাপার ছিলনা। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাওয়াটা যে শুধু কতগুলো রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের পন্থা না, আপনার এ লেখার পর এ বিষয়গুলোতে যদি কারও ভ্রান্তি থেকেও থাকে তাহলে তা দুর হবে আশাকরি।

আপনার জন্য অসংখ্য শুভ কামনা। বেঁচে থাকুন। আমাদের মানুষ হয়ে বেঁচে থাকার প্রেরণা দিন।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ হক মাহবুব ভাই।

১৪৬. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৮
শেহযাদ নুর তায়ুস বলেছেন: অসম্ভব ভাল লিখেছেন!!!!
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তায়ুস।

তোমার ওয়েব ডেভলাপিং কেমন চলছে?

১৪৭. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৩
রাশেদ আনসারী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদের ভীড়ে আমারটা চোখে পড়বেনা জানি তবুও ধন্যবাদ।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৩

লেখক বলেছেন: চোখে পড়ছে ভাইয়া। কৃতজ্ঞতা।

১৪৮. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৪
নুরুজ্জামান লাবু বলেছেন: অসাধারণ তথ্য সমৃদ্ধ লেখা। ধন্যবাদ শামীম।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ লাবু ভাই।

১৪৯. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০২
সুন্দরম বলেছেন: ধন্যবাদ,শামীম, তথ্যবহুল পোস্টটা আমাদের বোধে নাড়া দেওয়ার মতো।
অসাধারণ.....
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে

১৫০. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন: sorasori priyote ++++++++++++++++++++++++++
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাহাত।

১৫১. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৬
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: সবচেয়ে ভয়াবহ ব্যাপার হল, এই সব অপরাধের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিচার করতে না পারা। এমনকি তারা যে অপরাধ করেছে সেটাই ভুলে যাওয়া। এমনকি রাজাকারদের পালের গোদাটাকে ভোট দিয়ে মন্ত্রী পর্যন্ত বানিয়েছে এই জাতি। এর চেয়ে লজ্জার ও অপমানের আর কী হতে পারে ?
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন।

জাতির জন্য বিষয়গুলো অপমানজনক।

১৫২. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৯
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: গত কয়েকদিন এ নিয়ে কিছু কাজ করলাম। ৭১ আমার আগ্রহের বিষয় অনেক আগে থেকেই, কিন্তু টানা ৭ দিন এ নিয়ে একসাথে যত লেখা পড়লাম, যত প্রামান্য ভিডিও আর ছবি দেখলাম, এ স্মৃতি আমাকে তাড়া করবে আজীবন।

আমি গালাগালি করি না, কিন্তু আজকে একজনের লেখায় আপনি করে সম্বোধন করার পর মনে হল এ কি করছি? নিজেকে এত নিচে নামাতে পারলাম না, তাই তুই করেই বলতে হল। দেখে আসুনঃ
Click This Link
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০০

লেখক বলেছেন: আপনার কাজগুলো কোথাও প্রকাশিত হলে লিংক জানায়েন। পড়বো।

১৫৩. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৫
কঠিন চিজ বলেছেন: X(( X((

এসবের বিচার কি আমরা পাবনা??

আমাদের সরকার কবে তাদের বিচার করবেন??

আর কত অপেক্ষায় থাকবো আমরা।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৮

লেখক বলেছেন: বিচারের অপেক্ষায় আমরা।

১৫৪. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৯
প্রতিবাদী কন্ঠস্বর বলেছেন: মনজুরুল হক বলেছেন:
হ্যাটস অফ শামীম।
আর বিশেষ কিছু বলার নেই।
ঘৃণার সাথে ক্ষোভ-হতাশা বাড়বে, যদি বিচার না হতে দেখি। যদি বিচারের নামে "বাইপাস" দেখি!
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১৫৫. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৮
অনাবিল বলেছেন: আমি নির্বাক.....আমি কাঁদি.....আমি জ্বলে যাই...পুড়ে যাই.....আমি বিচার চাই।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: বিচার করতেই হবে....

১৫৬. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫১
একরামুল হক শামীম বলেছেন: কমেন্টগুলোর জবাব দিতে পারছি না।

'জবাব দিন' বাটনটি কেন জানি কাজ করছে না।
১৫৭. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২০
একরামুল হক শামীম বলেছেন: যারা যারা কমেন্ট করেছেন, উৎসাহ দিয়েছেন সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা। পাশাপাশি আমি দুঃখপ্রকাশ করে নিচ্ছি কারন জবাব দিন অপশনটি কাজ না করায় সবার কমেন্টের জবাব দিতে পারছি না।
জবাব দিন অপশন কাজ করলেই সবার কমেন্টেরই জবাব দিবো।
ধন্যবাদ সবাইকে।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৫৯. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৪
ক্যালিপসো বলেছেন: এই নৃশংসতার বিচার চাই।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৬

লেখক বলেছেন: এই নৃশংসতার বিচার চাই।

১৬০. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১০
আকাশদেখি বলেছেন: হাসি পায়, যে মাইনাছ দিল সে কি ভেবে দিল? নাকি ৭১ এর সময় সে এই মহৎ কাজটি করতে পারে নাই সেই দুঃখে মাইনাছ দিল...


ধন্যবাদ শামীম ভাই!
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।

আকাশ দেখাদেখি কেমন চলছে?

১৬১. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১২
অপ্রয়োজন বলেছেন: আকাশদেখি বলেছেন: হাসি পায়, যে মাইনাছ দিল সে কি ভেবে দিল? নাকি ৭১ এর সময় সে এই মহৎ কাজটি করতে পারে নাই সেই দুঃখে মাইনাছ দিল...


ছাগুবাহিনীর অভাব আসে নাকি সামুতে? পুরা টাইমটেবল বানায়া ডিউটি দেয়।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৯

লেখক বলেছেন: হুমমম

১৬২. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:১৭
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
তথ্যবহুল পোষ্ট।
অনেক কষ্ট করেছো লেখাটার জন্য।

তোমাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সাজি আপু।

১৬৩. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:২৫
হিমাংশু বলেছেন:
অসাধারণ পোস্ট,শামীম।
ধন্যবাদ।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ হিমাংশু ।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৬৫. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৯
এরশাদুর রহমানা বলেছেন: সব দোষ কি সামরিক বাহীনির??? তাহলে বেসামরিক যুদ্ধাপরাধীরা কি নারী নির্যাতন করে নাই??? বেসামরিক বাহিনীর নারী নির্যাতনের ঘটনাবলী জানতে চাই।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৯

লেখক বলেছেন: এদেশীয় অনেক রাজাকারও নারী নির্যাতনের সাথে জড়িত ছিল। এদের ঘটনাও এসেছে বেশ কিছু বইয়ে।

১৬৬. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২২
রিয়াদ চৌধুরী বলেছেন: এই জঘন্য অপরাধের বিচার অবস্যই হতে হবে
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন: বিচার হতেই হবে।

১৬৭. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৩
জাফরিন বলেছেন: খুব কষ্ট হচ্ছে...
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩০

লেখক বলেছেন: হুমমমম

১৬৮. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২২
alam_sos বলেছেন: Dear Sir,
Everything seems to merely political game. And it is being staged due to defeat the opponents being unable to qualify ideologically. I am a son of a freedom fighter. But I don't love the make this issue a funny game. We are speaking about some individuals only. But why not about the state responsible for? This is just cheating the people. I am telling this because I know in depth. Some of the pol. leaders are shouting this slogans because they are not morally and ideologically fit enough. So, this issue is their weapon to agitate the people. Please stop this game. Be rational and proceed on with evidence and identify the actual criminals. Wish you the best of luck.
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪১

লেখক বলেছেন: আপনার কমেন্টটা পড়লাম। পাকিস্তান রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা অবশ্যই রয়েছে এইসব কৃত অপরাধের কারনে।

তবে যুদ্ধাপরাধ, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ এর বিচারের ক্ষেত্রে রাজনীতি হয়েছে এইটা সত্য।

১৬৯. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৯
এস. আরিফিন বলেছেন: সত্যিই বড় কষ্টের ফল আমাদের এই স্বাধীনতা । অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষা আর ক্ষয়ক্ষতির পর তা এসেছে । পাকিস্তানিদের এই বর্বরতা নজিরবিহীন ।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪২

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৫

লেখক বলেছেন: দেখেছি।

১৭১. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৪
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: অভিবাদন শামীম
প্রিয়তে থাকল , অসাধারণ ডকুমেন্ট
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মেহরাব ভাই।

১৭২. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২২
নাজমুল1 বলেছেন: hate hate hate.........those people(paki) who were related in such kind of activities....
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১১

লেখক বলেছেন: হুমমম....

১৭৩. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৮
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন: চমৎকার তথ্যবহুল লেখাটির জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। প্রিয়তে লিলাম। ভাল থাকুন।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১৭৪. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫৩
রিয়াজ উল বলেছেন: দারুণ লেখা.....এই ধরণের আরও লেখা প্রত্যাশা করি।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩২

লেখক বলেছেন: লেখাটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

১৭৫. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৫৪
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: লেখাটা পরিপূর্ন বলা যায়...অন্তত প্রস্তাবনা ব্যাপারটা সংযুক্ত করায় সেটাই সবচেয়ে বড় বেশী ভালো লাগলো...কিন্তু ইদানিং এই ভালো লাগা গুলো আমআর ভোতা হয়ে গেছে...।কারন এরকম হাজারো প্রস্তাবনা হাজারো লেখা প্রতিদিন বুদ্ধীজিবীরা বা সুশীলেরা বলে করে কিন্তু সংসদ পর্যন্ত যায় না বা গেলেও সেটা নিয়ে কোনো সরকার তেমন ব্যাবস্হা নেয় না...লীগ সরকার অবশ্যি বিচার করবে যুদ্ধাপরাধীদের কিন্তু আমার কেনো জানি মনে আগামী বছর তারা তদন্তের নামে সব শেষ করবে...তার পরের বছর চার্জশীট দখল আর বিরোধীদলের সংগ্রাম ঠেকাবে তারপরে বছর হয়তো কোর্ট আর জামাতীদের লীলাখেলা আর বিরোধী দলের সরকার দমনের সংগ্রাম শুরু হবে..সরকারে উপর সবাই রুস্ট হবে তখন...আর নিরবাচনের বছরে দেখা যাবে হয়তো রায়ের সাথে কিছু বিবর্ত বিচারপতীর নাম পেয়ে যাবো বা কোনো আইনি জটিলতা থাকবে..।লীগ বলবে ক্ষমতায় আাবর আসলে এর বিচার শেষ করবে..বিএনপি গ্যান্জ্ঞাম করে বলবে তারা ক্ষমতায় আসলে এই বিচারের আরো সুষ্ঠু তদন্ত করবে আর জন গন আল্লাহ করবে কখনে সরকার চেন্জ্ঙ হবে আর তত্বাবধায়ক সরকার থাকবে কি থাকবে না বা কিভাবে থাকবে সেটা নিয়ে আরেক ক্যাচাল হবে!

ফলে আমার কাছে তখন জিনিসটা বঙ্গবন্ধুর নামটার মতো তেতো একটা কিছু হয়ে যাবে! বাকি জন গনের কথা বাদই দিলাম!
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৫

লেখক বলেছেন: ভালো বলেছেন উদা ভাই।

আর অন্য কিছুই শুনতে চাই না, দেখতে চাই না। কেবল বিচার হোক এইটাই চাই।

১৭৬. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৭
মেহবুবা বলেছেন: আপনার এমন তথ্যবহুল পরিশ্রমলব্ধ পোষ্ট স্টিকি হয়ে আছে , থাকুক প্রয়োজন আছে ।
আমাদের বিবেক আমাদের সঠিক কাজে অনুপ্রানিত করবে , মূল্যায়ন হবে এদেশের জন্মের জন্য তঁদের আত্মত্যাগ সে ইচ্ছা পোষন করি ।
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৬

লেখক বলেছেন: আমাদের বিবেক আমাদের সঠিক কাজে অনুপ্রানিত করবে , মূল্যায়ন হবে এদেশের জন্মের জন্য তঁদের আত্মত্যাগ সে ইচ্ছা পোষন করি ।

আমিও এমনটাই মনে করি।

১৭৭. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৭
আশরাফ গুলজার বলেছেন: আপনার লেখাটি তথ্যবহুল, লেখাটির জন্য ধন্যবদ । ৭১-এর নারী নির্যাতকারীদের বিচার সহ নির্যাতীত নারীদেরকে আমাদের সমাজে সসম্মনে বাচার অধিকার করে দিতে হবে।
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২০

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

১৭৮. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১২
চানাচুর বলেছেন: চমৎকার পোস্ট মিস করে ফেলছিলাম
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৬

লেখক বলেছেন: তাও পড়ছো । ধন্যবাদ তোমাকে।

১৭৯. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫২
দীপাঞ্জন বলেছেন: যন্ত্রনা যখন অতল খোঁজে
তখনও কেউ কেউ ভান খোজে
পেরিয়ে যাওয়া যায়,
না দেখেও চলে যায় কেউ কেউ

তবুও, চলার শেষে মুখোমুখি হতেই হয়
অকিঞ্চত ঘুম নাইবা এল বেহায়া চোখে
না হয় ফিরবেনা জেনে মিথ্যা সান্তনাও
কোথাও কোথাও
সব বাকি থেকে যাবে
করে পাওয়া সবটুকু

যদি মা বোনের পা টুকুও ধুইয়ে দিতে না পারি
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: ভালো লাগলো লেখাটুকু।

১৮০. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৪
আকাশ অম্বর বলেছেন: অসাধারণ পোষ্টটির জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১৮১. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৪
আ শী ষ বলেছেন: এই পোস্ট এর জন্য আপনার ধন্যবাদ প্রাপ্য। আর মাত্রই তো একটি মাইনাস...গোলাম আযম এর বংশধররা বোধহয় ইদানিং ব্লগে আসে না। তাহলে আরো কয়েকটা পেতেন। আরো কিছু মাইনাস পড়তো।

তবে এই একটি মাইনাস খুব কারাপ দেখাচ্ছে।

আপনাকে ধন্যবাদের বন্যা।
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০১

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

১৮২. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪২
ঘু্ড্ডি বলেছেন: আমি ঠিক বুঝিনা, কেন সেই সময় সাধারণ ক্ষমা দেয়া হল! না হলে হয়ত, জাতির দায়ভার খানিকটা কমতো।যাই হোক যা পূর্বে হয়নি, তা বর্তমানদের কেই আগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।লেখককে ধন্যবাদ এত সুন্দর উপস্থাপনের জন্য।++++++.........।
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৩

লেখক বলেছেন: সাধারণ ক্ষমার মাধ্যমে কিন্তু ধর্ষণকারীদের ক্ষমা করা হয় নি। এ বিষয়টি জানতে হবে।

১৮৩. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৩০
রাফা বলেছেন: অশ্লীলতার অজুহাতে আমরা সত্যকেও প্রকাশ করতে ভয় পাই। এই সুযোগই গ্রহণ করে অপরাধীরা।স্বাধীনতার ৩৯ বছর পরও নরপশুদের বিচার হোলোনা ,এই লজ্জায় মরে যেতে ইচ্ছে হয়।

ধন্যবাদ , অসাধারণ তথ্যবহুল লেখাটির জন্য।
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১৮৪. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৪৭
হতবুদ্ধি বলেছেন: পোষ্টটি অনেক দিন ধরে ষ্টিকি দেখতেছি তারপরও পড়তে ইচ্ছা হয় নাই, খারাপ লাগবে এই ভেবে। আজকে কেন যেন পড়তে লাগলাম কিন্তু শেষ করতে পারলাম না। এই বিচার কবে হবে, নাকি হবে না!! কারণটা মনে হয় এই জন্য যে, এতে তেমন কোন রাজনৈতিক ফায়দা নাই। এর বিচার আল্লাহ্‌ই করবে, কি আর করা।

অনেক ভাল লেখা, ভাল থাকুন।
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩১

লেখক বলেছেন: বিচার হবেই, এমনটা আশা রাখি।

১৮৫. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০১
বিবর্ণ বলেছেন: ৭১ এ মা বোন সম্ভ্রমহীন হয়েছেন, এটা উচ্চসরে বলার মধ্যে কি কোন গৌরব আছে....!!! নাকি এটা আমাদের জন্য লজ্জার যে... আমরা আমাদের মা বোনের সম্মন রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছি......
আমি বিষয়টা ঠিক বুঝতে পারি না................ X((
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: আপনি আর এর চেয়ে ভালো কি কমেন্ট করবেন!!

কেন বিচার চাওয়া যাবে না?

১৮৬. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৭
ফারহান খান বলেছেন: আমি অনেক দেরিতে পড়েছি পেষ্টাটি,তবু অনেক অজানা তথ্য জানলাম।খুব ভাল লিখেছেন,তবে কষ্ট লাগছে সেইসব মা-বোনদের জন্য।আল্লাহ যেন নরপশুদের বিচার করেন।
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫২

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

১৮৭. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৪
আমি বলছি...। বলেছেন: সাবধান ভাইয়া, এখন ও তাদের পায়ের আওয়াজ শোনা যাই। আমরা এই প্রজন্মের মানুষ, অনেক কিছু জানলাম।

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৩

লেখক বলেছেন: হুমমম....পায়ের আওয়াজ শোনা যায় ...


ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

১৮৮. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৮
আরিফ সিদ্দিকি বলেছেন: পাকিস্তানি সেনাদের সেইদিন কে ছেড়েদিলো মুক্তিযোদ্ধারা।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৪

লেখক বলেছেন: সেই ছেড়ে দেওয়ার পিছনে অনেক ধরণের আন্তর্জাতিক রাজনীতি ছিল...

১৮৯. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:২৩
লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: অনেক অজানা তথ্য জানলাম। প্রিয়তে রাখলাম।
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৯০. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৪০
মেহেরুবা বলেছেন: বেশ কয়েকবার পড়তে যেয়েও সাহস হয়নি। আজ সাহস করে পড়েই ফেললাম।

শুধু নরপশুদের বিচারের দাবি ছাড়া বলার আর কিছুই নেই............
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: শুধু নরপশুদের বিচারের দাবি ছাড়া বলার আর কিছুই নেই............

১৯১. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫২
অক্টোপাস বলেছেন: সবাই নিজের স্বার্থ নিয়ে ব্যস্ত। এমনকি এমন স্পর্শকাতর ইস্যুগুলো দেশের রাজনৈতিক দলগুলো স্বার্থসিদ্ধির জন্য ব্যবহার করছে।

ধিক্ আমাদের জাতির তথাকথিত কান্ডারিদের!
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩১

লেখক বলেছেন: হুমমমম

১৯২. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩০
আসিফ রেজা রাজ বলেছেন: অনেক ভালো লাগলো।


কিন্ত আপাতত প্লাস দেওয়ার ক্ষমতা নেই। একটা প্লাস বেশি হবে।
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১৯৩. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৯
সাইফ সামির বলেছেন:

বিবর্ণের মতো যারা চিন্তা করে 'এ তো লজ্জার! এতে গৌরবের কি আছে?' - তাদের প্রতি আমার ঘৃণা হয়! যারা এই বিচারের দাবি তোলাকে 'উচ্চস্বর' বলে তারা রাজাকার শ্রেণী বিশেষ!
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩১

লেখক বলেছেন: সহমত

১৯৪. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৭
টর্ণেডো বলেছেন: 30 লক্ষ না ত্রিশ হাজার?
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৩

লেখক বলেছেন: ১ হাজার হলেও অপরাধটা যুদ্ধাপরাধ. মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ হবে।

শাস্তি পেতেই হবে। এই অপরাধগুলো সংখ্যার নিরিখে জায়েজ হয়ে যায় না।

আর লজ্জা করে না এই ধরনের কথা বলতে??

১৯৫. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৪
অপ্রয়োজন বলেছেন: লক্ষ না হয়ে হাজার হলেই কি জায়েয হয়ে যাবে ?
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৫

লেখক বলেছেন: টর্ণেডো অপরাধকে জায়েজ করার চেষ্টায় আছে।

১৯৬. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪২
অপ্রয়োজন বলেছেন: লেখক বলেছেন: টর্ণেডো অপরাধকে জায়েজ করার চেষ্টায় আছে।



ঐটা একটা বিরাট রামছাগু ... যেইখানে সেইখানে ল্যাদাইতে পছন্দ করে। তার কথায় মাইন্ড খাইলে পুরা লস।

যাইহোক, আপনার এই লেখা থেকে পাওয়া কিছু রেফারেন্স আমার এক বন্ধু তার পি এইচ ডি ডিসার্টেশন ব্যবহার করবে। আপনার লেখা তাকে অনুবাদ করে শুনাতে হয়েছে :( ... এইকাজে খাটতেও আনন্দ।
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৪

লেখক বলেছেন: দারুন তো!! কি বিষয় নিয়ে পিএইচডি করছেন আপনার বন্ধু?
থিসিস লেখা হইলে পড়তে দিয়েন :)

১৯৭. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০০
অপ্রয়োজন বলেছেন: ইতিহাস ... টপিক সম্ভবত বিভিন্ন দেশের স্বাধিনতার ক্ষেত্রে বিরোধীতাকারি দের কর্মকান্ড নিয়ে কিছু একটা। জানেনই তো ডিসার্টেশনের টপিক পড়েই যদি ২-১টা দাত না ভান্গে তাইলে সেইটা পাশ করে না ;)




শালীর ভাগ্য ভালো, পেয়েছেও একটা বাংলাদেশি কে সাথে ;) (তার উপর সামু তে আসি আমি, তাদের বর্তমান কাজ ও দেখতে পাই) ;) :)
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১০

লেখক বলেছেন: হুমমম....ভালো ভালো। রিসার্চ শেষ হলে পড়তে দিতে বইলেন। সামুতে গুরুত্বপূর্ণ কিছু অংশ পোস্ট কইরেন। :)

১৯৮. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৮
অভিমানী মেঘ বলেছেন: osaDharon Ekta leka!

somoy pele aro likun ei topic gulo nie.
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২০

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।

২০ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১২:০৫

লেখক বলেছেন: দেখলাম।

২০০. ২২ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৭
""ফয়সল অভি "" বলেছেন: দাদা দ্রোহ এর দ্বিতীয় সংখ্যার জন্য আপনার উক্ত লেখাটি প্রকাশের অনুমতি চাইছি এবং আশা রাখি অনুমতি প্রাপ্ত হবো ।


দ্রোহ এর প্রথম সংখ্যার লিংক>>http://www.chittagongnews.org/droho/

আন্তরিক শুভ কামনা রইল ।
২৩ শে মে, ২০১০ রাত ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: অনুমতি থাকলো।

ভালো থাকবেন।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৬২১৭ সেকেন্ড

 

© somewhere in net ltd | terms of use | privacy policy
http://www.facebook.com/samimblog

আমি স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসি। স্বপ্ব দেখতে এবং স্বপ্ন দেখাতে চাই আজীবন।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ