শ্রদ্ধাঞ্জলি : যাত্রাসম্রাট অমলেন্দু বিশ্বাসের মৃত্যুবার্ষিকী আজ
আজ যাত্রাসম্রাট অমলেন্দু বিশ্বাসের মৃত্যুবার্ষিকী
তপন বাগচী
যাত্রাসম্রাট অমলেন্দু বিশ্বাসের আজ ২১তম মৃত্যুবার্ষিকী। অভিনেতা, নির্দেশক, সংগঠক হিসেবে তিনি বাংলাদেশের অভিনয়কলার ইতিহাসে উজ্জ্বল নাম। বাংলাদেশের যাত্রাশিল্পে চারণসম্রাট মুকুন্দদাসের পরেই যাত্রাসম্রাট অমলেন্দু বিশ্বাসের নাম শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চার্য।
বাংলাদেশের যাত্রাশিল্পের অমর প্রতিভার নাম অমলেন্দু বিশ্বাস। মাইকেল মধুসূদন যাত্রাপালায় নাম ভূমিকায় অভিনয় করে তিনি সর্বস্তরের দর্শকের মন জয় করে নিয়েছেন। কেবল মাইকেল নয়, লেনিন, হিটলার, জানোয়ার, জাহান্দার শাহ, দস্যু কালা শের প্রভৃতি পালায় তাঁর অনবদ্য অভিনয় যে দেখেছে সেই কেবল উপলব্ধি করতে পারে! জীবদ্দশায় তিনি দর্শকশ্রোতার ভালোবাসা-শ্রদ্ধা পেয়েছেন, জাতীয় যাত্রা-উৎসবে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার সম্মান ও স্বীকৃতি পেয়েছেন, মৃত্যুর পরে পেয়েছেন একুশে পদক (১৯৮৯) এবং শহীদ মুনীর চৌধুরী সম্মাননা (১৯৯১)।
অমলেন্দু বিশ্বাসের জন্ম ১৯২৫ সালে বার্মার রেঙ্গুন শহরে। পৈতৃক বাড়ি চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড থানার মসজিদিয়া গ্রামে। বাবা সুরেন্দ্রমোহন বিশ্বাস সেখানে চাকরি করতেন। ১০ বছর বয়স পর্যন্ত সেখানেই ছিলেন অমলেন্দু। ১৯৩৫ সালে তারা চট্টগ্রামে ফিরে আসেন। স্কুলের বার্ষিক নাট্যাভিনয়ে তিনি অংশ নেন সপ্তম শ্রেণীতে পড়ার সময়। সেটি ছিল 'দাতা হরিশ্চন্দ্র' পালা। এটি আসলে যাত্রাপালা। ১৯৪১ সালে প্রবেশিকা পাস করে ভারতীয় বিমানবাহিনীতে যোগ দেন। সেখানে সেনা হেডকোয়ার্টারে বেঙ্গলি ক্লাবে অভিনয় করে সকলের প্রশংসা অর্জন করেন। চাকরির মধ্যেই তিনি রবার্টসন কলেজ থেকে এফএ পাস করেন। কিন্তু অভিনয়ের নেশা তাঁকে চাকরি করতে দেয়নি। চলচ্চিত্রের নায়ক হওয়ার আশায় তিনি টালিগঞ্জের রঞ্জিত মুভিটোনে চাকরি নেন। দেশবিভাগের পরে কলকাতার হাতছানি উপেক্ষা করে মাটির টানে চট্টগ্রামে ফিরে আসেন। চট্টগ্রাম রেলওয়েতে চাকরি নেন। অব্যাহত থাকে অভিনয়চর্চা। ১৯৬০ সালে অমলেন্দু বিশ্বাস তিনি সিরাজগঞ্জের বাসন্তী অপেরার মাধ্যমে পুরোপুরি পেশাদার অভিনয়জীবন বেছে নে। বাসন্তী অপেরার মাধ্যমে তিনি সারা দেশে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। এরপর চট্টগ্রামের আমিন শরীফ চৌধুরীর বাবুল অপেরায় যোগ দেন। তাঁর সহশিল্পী ছিলেন মঞ্জুশ্রী মুখার্জি। অমলেন্দু-মঞ্জুশ্রী ছিলেন স্বাধনিতাপূর্ব বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল জুটি। এসময় কোনো কোনো পালায় তিনি জ্যোৎস্না বিশ্বাসের বিপরীতেও অভিনয় করেন। একাতাতরে মুক্তিযুদ্ধের সময় তার কাজ করার সুযোগ হয় ভারতের শ্রেষ্ঠ যাত্রাদল 'নট্ট কোম্পানি যাত্রাপার্টি'তে। খ্যাতনামা নট ও নাট্যকার মহেন্দ্র গুপ্তের সান্নিধ্য ও সাহচর্যে তিনি ‘অভিনয়শিক্ষা’র সুযোগ পান। দেশ স্বাধীনের পরে তিনি কলকাতার অভিনয়ের সুযোগ সত্ত্বেও দেশে ফিরে আসেন। মানিকগঞ্জের তাপস সরকারের চারণিক নাট্যগোষ্ঠীর হাল ধরেন তিনি। এর অধিকারী হয়ে একে বাংরাদেশের শ্রেষ্ঠ যাত্রাদলে রূপান্তরিত করেন তিনি। যাত্রাগবেষক মিলনকান্তি দে'র তথ্যমতে তিনি মোট ৪৮টি পালায় অভিনয় করেন। তাঁর স্ত্রী জ্যোৎস্না বিশ্বাসও যাত্রাশিল্পের এক জীবন্ত কিংবদন্তি। তাঁর কন্যা অরুণা বিশ্বাস বাংলা চলচ্চিত্রের এক খ্যাতিমতী শিল্পী। তাঁর পুত্র মিঠু বিশ্বাসও নাট্যপরিচালনায় প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে চলছেন।
আজকাল

আজকাল আমার মনে হয় -
আমাকে কেউ পছন্দ করে না,
কারো কাছে গেলে, সে বিরক্ত হয়।
পোশাক অগোছালো, এলোমেলো চুল,
চোখের দৃষ্টি কেমন ঘোলাটে!
বীরত্ব দেখানোর কিছু নেই।
চতুর পুরুষ স্ত্রীর... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে ৯টি বছরঃ একজন লিলিপুটিয়ান থেকে সত্যিকার ব্লগার হয়ে উঠার গল্প
আজ আমার ৩য় বইয়ের জন্য চুক্তি করতে প্রকাশক আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। প্রকাশনা সংস্থা 'উত্তরণ'-এর মাসুদ ভাইয়ের বাংলাবাজারের অফিসে ঘণ্টাখানেক ছিলাম। তাঁর সাথে কথা বলতে বলতেই আমার মনে একটি বোধোদয় আসে! আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন
একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।