আমার প্রিয় পোস্ট
- চলচ্চিত্রের সংকট নিরসনের উপায় - তপন বাগচী
- বিল বাঘিয়ার ঐতিহ্য ফিরে আসুক ্্ তপন বাগচী - তপন বাগচী
- শতবার্ষিক শ্রদ্ধাঞ্জলি ।। আ.ন.ম. বজলুর রশীদ : রবীন্দ্রানুসারী কবির রবীন্দ্রবিবেচনা - তপন বাগচী
- উপসংহারে একা একা/দেশভাগ ও অতঃপর বাংলাদেশ ।(2) - বন্ধন
- চাণক্য-শ্লোক : কে ছিলেন চাণক্য? - মো. আবুল হোসেন, শিবচর, মাদারিপুর
- একাত্তরের চিঠি সংকলনের টেক্স্ট কন্টেন্ট রিভার্সিং: একটি প্রকল্পের প্রস্তাবনা - তর্পন
- আমার প্রিয় পোস্ট : মলয় রায়চৌধুরী'র কবিতা প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতার - নৃপ অনুপ
- হরিচাঁদ ঠাকুরের দ্বাদশ আজ্ঞা - ইমন জুবায়ের
- “বাংলা ব্লগ দিবস” উদযাপনে সকলকে আমন্ত্রণ - নোটিশবোর্ড
- তপন বাগচীর একখানি ছড়া - তপন বাগচী
- কবিতার কৃত্য - রায়হান রাইন
- মুক্তিযুদ্ধে ঠাকুরগাঁও, পর্ব ২ (একটি কথ্য ইতিহাস) - মাহবুব সুমন
- ২০০৮ : সামহোয়্যারইন ব্লগের বর্ষসেরা কবিতা (ব্লগারদের মনোনয়ন) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- ২০০৮ : আপনার চোখে ব্লগের বর্ষসেরা লেখা কোনটি? (আপডেট-১২ : একটি বিশেষ ঘোষণা) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও কমরেড মণি সিংহ - তপন বাগচী
লালনের গানের ছন্দবিচারে ভুলের হদিস
১৯ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:২২
লালনের গানের ছন্দবিচারে ভুলের হদিস
আমার লালন-অধ্যয়নের অংশ হিসেবেই সংগ্রহ করি ইমাম আহমেদ নামের এক গবেষকের কথিত গবেষণাগ্রন্থ 'লালনের গান : আধ্যাত্মিকতার স্বরূপ' (২০০৯)। প্রথমেই বলে নেয়া ভালো, ইমাম আহমেদের দাবি মোতাবেক এটি তাঁর এমফিল অভিসন্দর্ভের গ্রন্থরূপ। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে প্রফেসর রাবেয়া খাতুনের তত্ত্বাবধানে এটি রচিত। বিভিন্ন বিষয়ে মূল্যবান পরামর্শ দিয়ে গবেষককে 'বাধিত করেছেন' প্রফেসর ডক্টর খালেদ হোসাইন, কবি ও ছড়াকার হিসেবে যিনি আমার অনেক প্রিয়। ওই গ্রন্থের এই গ্রন্থে 'লালনের আধ্যাত্মিক গানের শৈল্পিক উৎকর্ষ' (পৃ. ১৫১-১৬৯) নামের অধ্যায়ে 'আঙ্গিক ও ছন্দবিন্যাস' উপশিরোনামে প্রায় ৮ পৃষ্ঠার আলোচনা রয়েছে। অত্যন্ত আগ্রহের সঙ্গে আমি ওই অংশে প্রবেশ করেছি। গবেষক যখন লেখেন, 'তিনি (লালন) গতানুগতিকভাবে পয়ার-ত্রিপদী-পাঁচালির একঘেঁয়ে চর্চা না করে আধুনিক বাংলা অক্ষরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত ও স্বরবৃত্ত ছন্দের বৈচিত্র্যময় ব্যবহারে কৃতিত্ব দেখিয়েছেন।'-- তখন আমার মতো ছন্দানুরাগী পাঠক ওই বিশ্লেষণের প্রতি আকৃষ্ট না হয়ে পারে না। কিন্তু যতই এগোই, হতাশায় নুয়ে যাই।
গবেষক অক্ষরবৃত্ত ছন্দ নিয়ে আলোচনা করেছেন শুরুতেই। সংজ্ঞার্থ ঠিক আছে। গবেষকের আবিষ্কার--'সাঁইজি তাঁর গানে অক্ষরবৃত্তের অন্তর্গত পয়ার-ছন্দের বৈচিত্র্য সাধন করেন (৮+৮)=১৬ মাত্রায়’ (পৃ. ১৬১)। এরপর নমুনা হিসেবে উদ্ধার করেন লালন-পঙ্ক্তি--
মানুষে মানুষ কামনা /সিদ্ধ কর বর্তমানে॥
খেলছে খেলা
বিনোদ কালা/
এই মানুষের তিন ভুবনে॥
বিশ্লেষকের মন্তব্য হচ্ছে, 'গানের প্রতিটি চরণ দু-পর্বে বিভক্ত এবং প্রতিপর্বের মাত্রা-সংখ্যা ৮'। কিন্তু আমাদের মতে, অক্ষরত্তৃত্ত ছন্দে হিসাব করলে ওই চরণের ছন্দোবিন্যাস দাঁড়ায়Ñ৯/৮/১০/১১। তাহলে গবেষক ‘প্রতিপর্বের মাত্রা-সংখ্যা-৮; পেলেন কীভাবে?’ এরপরে প্রশ্ন জাতে এই চরণগুচ্ছ কি অক্ষরবৃত্তের চাল গ্রহণ করেছে, নাকি স্বরবৃত্তের চাল গ্রহণ করেছে। আমরা জানি যে, আধুনিক বিচারপদ্ধতি লালনের অনায়ত্ত থাকারই কথা। কিন্তু তিনি সিদ্ধপুরুষ ছিলেন বলেই তাঁর বাণীর বিশ্লেষণে পৌরাণিক-আধুনিক সকল রীতিই প্রয়োগ করা যায়। আমার পর্যবেক্ষণ মোতাবেক, স্বরবৃত্ত ছন্দে বিশ্লেষণ করা যাক-
মানুষে মা/নুষ কামনা /সিদ্ধ কর/ বর্তমানে॥/ ৪+৪+৪+৪
খেলছে খেলা/ ৪
বিনোদ কালা/ ৪
এই মানুষের/ তিন ভুবনে॥/ ৪+৪
এখন দেখা যাচ্ছে স্বরবৃত্তে চার মাত্রার চালে বিশ্লেষণ করলে লালনের গানে কোনো ছন্দচ্যুতি ঘটে না। অক্ষরবৃত্তে পড়তে গেলে পর্বসাম্য ঠিক থাকে না। ভুলটা কি লালনের, নাকি বিশ্লেষকের? পাঠকই তা বিচার করতে পারবেন। দ্বিতীয় উদাহরণে কবি-ছান্দসিক মোহিতলাল মজুমদারের পয়ার-সম্পর্কিত উদ্ধৃতি টানা হলেও লালনের গানে তার প্রয়োগ-কুশলতা দেখাতে পারেননি। লালনের যে পদ তিনি অক্ষরবৃত্ত-পয়ার ছন্দের প্রমাণ হিসেবে দাখিল করেছেন, আসলে তা অক্ষরবৃত্ত-ই নয়।
মাত্রাবৃত্ত ছন্দের ক্ষেত্রেও গবেষকের বিশ্লেষণ ব্যাকরণ-সম্মত নয়। স্বরবৃত্তকে মাত্রাবৃত্তের চালে হিসেবে করলে কি লালনের গানের শৈল্পিক উৎকর্ষ খুঁজে পাওয়া যাবে? এতে যে গবেষক তাঁর অজান্তেই লালনকে খাটো করে তুললেন, তার জবাব কী হতে পারে? স্বরবৃত্ত ছন্দের দ্বিতীয় উদাহরণটিও স্বরবৃত্ত ছন্দের বলে মনে হচ্ছে না। গবেষক হয়তো পার পেয়ে যাবেন এই বলে যে, এটি তাঁর গবেষণা-অভিসন্দর্ভ, এবং তা অন্তত তিনজন প্রফেসর দেখে দিয়েছেন, তাই ভুলের দায় তাঁর একার নয়। আমাদেরও তেমন মনে হয়! এটি যদি গবেষকের ঐকান্তিক গবেষণা হতো, ধরে নিতাম যে অনিচ্ছাকৃত এই ভুল ঘটে গেছে। কিন্তু এটি তো দীর্ঘদিন ধরে প্রণীত একটি প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণা। তত্ত্বাবধায়ক মহোদয় প্রতিটি শব্দ দেখে ডিগ্রি দেয়ার পক্ষে রায় দিয়েছেন। তার পর আরো নিঃসন্দেহে দুইজন বিজ্ঞ প্রফেসর তা মূল্যায়ন করেছেন। তাঁরাও এই ভুল বিশ্লেষণ এড়িয়ে গেলেন কীভাবে? আমি তো কেবল ছন্দের অংশ নিয়ে কথা বলতে চেয়েছি। অলঙ্কার প্রয়োগ নিয়ে তিনি যে আলোচনা করেছেন, তার বিপত্তি নিয়ে আর কথা বলার ইচ্ছে নেই। এইসব যাঁদের দেখার দায়িত্ব পালন করেছেন, দেখার বিনিময়ে যাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত সম্মানী নিয়েছেন, সেই পরীক্ষক-অধ্যাপকেরাই যখন পার করিয়ে দিয়েছেন, ডিগ্রি দিয়েছেন, আমাদের তাতে করার কিছু নেই। ওটি ছিল পরীক্ষার খাতা। কিন্তু তা যখন মুদ্রিত আকারে জনসমক্ষে এল, তখন পাঠক হিসেবে আমার কথা বলার সুযোগ রয়েছে। আমরা জানি, অনেক অভিসন্দর্ভ ডিগ্রি পেলেও, তা প্রকাশের অনুমতি দেয়া হয় না। এর ক্ষেত্রে তেমন কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল কিনা আমরা জানি না। পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে পক্ষপাত দেখালে তা অশিক্ষকসুলভ আচরণ হয়, তাহলে ভুল তথ্যে ডিগ্রি দিলে কি অশিক্ষকসুলভ আচরণ হয় না? এতে কি তত্ত্বাবধায়কের অযোগ্যতা প্রমাণিত হয় না? এ বিষয়ে ডিগ্রিদানকারী বিশ্ববিদ্যালয় এবং তত্ত্বাবধায়ক মহোদয়ের বক্তব্য উচ্চতর গবেষণার খাতিরেই প্রকাশ করা জরুরি বলে বিবেচনা করি। অভিসন্দর্ভটি গ্রন্থাকারে প্রকাশের ফলে, অনেক পাঠক যে বিভ্রান্ত হতে পারেন, ভুল তথ্য জানতে পারেন, তার দায় কে নেবে? ভুল বিশ্লেষণের বই পাঠকের হাতে যেতে দেয়া কি ঠিক হচ্ছে? লেখক এবং প্রকাশক র্যামন পাবিলার্শ এই বিষয়টি নিয়ে ভাবতে পারেন। কষ্ট করে ডিগ্রি নিলেন, ভুল বিশ্লেষণ করে বাঘা-বাঘা অধ্যাপকের স্বীকৃতি নিলেন, তাতে আমাদের আপত্তির সুযোগ নেই। কিন্তু ওই অভিসন্দর্ভ গ্রন্থাকারে প্রকাশের সময়ও যখন লেখক সচেতন হলেন না, তখন পাঠক হিসেবে আমরা তাঁর কৃতিত্বকে অস্বীকার করার অধিকার রাখি। বলে রাখা ভালো, লেখকের সঙ্গে আমার ব্যাক্তিগত পরিচয় নেই। তবু সত্যের খাতিরে এই অপ্রিয় কথাগুলো না বলে স্বস্তি পাচ্ছি না। আশা করি বইটি সংশোধিত আকারে কিংবা ছন্দ-অলঙ্কার অংশ বর্জন করে বাজারে ছাড়া হবে। তাতে পাঠক হিসেবে আমরা বাধিত হবো।
তপন বাগচী
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:২৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: এরকম ভুল করে কি একজন গবেষক পার পেতে পারেন? পাঠক হিসেবে আমার প্রতিক্রিয়া কি আরো পাঠকের কাছে পৌঁছবে? আপনাকে ধন্যবাদ।
বাচ্চা ছেলেও যা বুঝতে পারবে, তা কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা অধ্যাপকেরাও বুঝতে পারেননি। এই হলো আমাদের শিক্ষা পরিস্থিতি।
'লেনিন' বলেছেন:
ভুল গুলো গৌণ ... ছন্দ মুখ্য হতে পারেনা ভাবই আসল... শোকেসে তুললাম পরে পড়বো।
লেখক বলেছেন: ছন্দ মুখ্য নয়। তবে সেই গৌন বিষয় সম্পর্কেই যদি ভুল বিশ্লেষণ করি, তাহলে মুখ্য বিষয়ে আমাদের কতটুকু অধিকার, সেটি নিয়ে ভাবলে আতঙ্কই বাড়ে! ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
পালকি বলেছেন:
@ লেলিন_আপনার কথা ঠিক। তবে সেটা লালনের ক্ষেত্রে কিংবা একজন লেখকের ক্ষেত্রে। কিন্তু যারা গবেষণা করেন, তারা তো ভুল করতে পারেন না। কী বলেন? একজন লেখক মাত্রা নিয়ে গবেষণা করতে পারেন কিংবা নতুনত্ব আনতে পারেন। কিন্তু লেখকের অনুপস্থিতিতে গবেষক সেটার ভুল ব্যাখ্যা করতে পারেন না। কী বলেন?
লেখক বলেছেন: গবেষকের ভুল ব্যাখ্যা শুধরে দেয়ার দায়িত্ব ছিল শিক্ষকের। কিন্তু পাঠক বই পড়ে শেখে। কিন্তু বইয়ে যদি ভুল থাকে। তবে, পাঠক কোথায় যাবে? আমি ওই বিষয়টি জানি বলে, আমার চোখে পড়েছে। আমি না জানলে তো ওই গবেষকের বিশ্লেষণকেই ঠিক মনে করে ভুল শিখতাম। সেই জন্যেই ওই লেখার অবতারণা। আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ!
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, ভুলটা অমারও হতে পারে। কারণ তিনজন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শুদ্ধ বলে যেখানে রায় দিয়েছেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয় যখন স্বীকৃতি দিয়েছেন, নিশ্চঢই তাদের যুক্তি আছে। সেই যুক্তি থেকে আমিও শিখতে চাই। আপনার পাঠ শেষে মন্তব্য আশা করছি। ধন্যবাদ।
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
আমি পড়েছি,আগ্রহ নিয়েই। সঙ্গীত সম্পর্কিত ধারণা এখনো কাঁচা। তারপরও গবেষকের নাম এবং তার সহযোগী আমার মনোযোগ আকর্ষণের কারণ। লালন যদি দেয়ালবদ্ধ কক্ষের গবেষণা হয় তাহলে বিকৃতিতো ঘটবেই। আমি তপন বাগচির বিশ্লেষণকে গুরুত্ব দিচ্ছি কারণ অক্ষরবৃত্তে ললনের গান না। লালনের গানের ভাব প্রধাণ এবং তা দার্শনিকও বটে। লালনের সাধনায় তাকে একেবারেই আধুনিক করে ফেলার কোন কারণ নেই।
যদিও ওই বইটি আমার পড়া হয়নি। পড়লে আরো আলোচনা করতে পারতাম।
লেখক বলেছেন: মজার ব্যাপার হলো যে উদাহরণগুলো গবেষক দিয়েছেন, তা আধুনিক ছন্দতত্ত্ব বিচারেও শুদ্ধ। কিছু গান আছে যা সুরের দ্যোতনায় ছন্দের মাত্রাকে ছাপিয়ে যায়। সেগুলো নিয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দাঁড় করানো যায়। কিন্তু যে উদারহরণ ও ব্যাখ্যা ওই গবেষক দিয়েছেন, তাতে আমার মনে হচ্ছে ভুল আছে। আমার যুক্তিও দেখিয়ে দিয়েছি। পুরো বই না পড়েও ওই একটি উদাহরণের ক্ষেত্রে কোন ছন্দ তা নির্ধারণ করতে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। ধন্যবাদ।
'লেনিন' বলেছেন:
ক্ষুদ্র জ্ঞানে এবং ছন্দ+গানের প্রতি স্বভাবজাত অনুরাগ থেকে যা উপলব্ধি হলো তা হলো -- আপনার বিশ্লষণটি ন্যায় সঙ্গত। লালন তার রচনা বা ভাবে কোনো ব্যাকরণ মানতে বাধ্য নন। আমরা যদি তাঁর রচনায় সেগুলোর ছিঁটেফোঁটা খুঁজে পাই তবে তা লালনের মাহাত্ম্য।আরেকটি কথা হয়তো আমাদের মনে রাখা দরকার যা আপনি লিখেছেন, "কিছু গান আছে যা সুরের দ্যোতনায় ছন্দের মাত্রাকে ছাপিয়ে যায়"। লালনের নিজস্ব উচ্চারণ এবং কথ্য ভাষার বাচনপদ্ধতিতে তার নিজস্ব ব্যাকরণ থাকবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার সুচিন্তিত অভিমতের জন্য।
পালকি বলেছেন:
লালনকে নিয়ে লেখার লিংক চাই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনি কি শিবচরের ইউএনও বিপুল বিশ্বাসের ফোন নম্বরটা দিতে পারবেন?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
জলপাই দেশি বলেছেন:
লালন আমাদের অতি প্রিয়জন। তার গান ও দর্শন নিয়ে আলোচনা ব্যক্তিগত ভাবে আমার প্রিয় বিষয়। তার লেখার ছন্দবিচার করতে গিয়ে গবেষকের ভুল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অবহেলা অবশ্যই দুঃখজনক। বিষয়টার প্রতি আপনার দৃষ্টি অকর্ষণের জন্য ধন্যবাদ। ছন্দ সম্পর্কে আমার তেমন জ্ঞান নেই। আপনার প্রদত্ত ব্যাখ্যার মধ্যে কোন অস্পষ্টতা নেই। ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: বইটি এখনো বাজারে আছে। এইসব লেখালেকিতে কেবল শত্রুতা বাড়ে। সাহিত্যের কোনো আবর্জনা পরিষ্কার হয় না। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















লালন কে নিয়ে লেখা ব্লগের লিংক চাই।