* ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে হালকা বুট পরে খেলছেন এবারের বিশ্বকাপের খেলোয়ারড়া। এই বুটের ওজন মাত্র ১৬৪ গ্রাম। নির্মাতা এডিডাস।
*বিশ্বকাপ ফুটবল এবং বিশ্বকাপ ক্রিকেট দুটোতেই অংশ নিয়েছেন ভিভিয়ান রিচার্ডস। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ক্রিকেট এবং মাতৃভূমি এন্টিগুয়ার পক্ষে বিশ্বকাপ ফুটবলের বাছাইপর্বে অংশ নিয়ে খেলেন তিনি।
*২০০২ বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ শুরুর মাত্র ১১ সেকেন্ডর মাথায় গোল করেন তুরস্কের হাকান সুকুর। এটি বিশ্বকাপে দ্রুততম গোলের রেকর্ড।
*১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্বকাপের বল বানানো হয়েছিল বানরের মাথার খুলি দিয়ে। খুলির চারপাশে মোড়ানো হতো কাগজ তারপর চামড়া।
*১৯৭০ সাল থেকে বিশ্বকাপে হলুদ এবং লাল কার্ডের প্রচলন শুরু হয়। কিন্তু লাল কার্ডের প্রথম ব্যবহার হয় ১৯৭৪ সালে।
* বিশ্বকাপে প্রথম হলুদ কার্ড দেখা ফুটবলার সোভিয়েত ইউনিয়নের লভচেভ (১৯৭০)
*বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম লাল কার্ড দেখা ফুটবলার চিলির কার্লোস কাসলোজি (১৯৭৪)
*বিশ্বকাপে বাছাইপর্ব শুরু হয় ১৯৩৪ সাল থেকে।
* বিশ্বকাপে ডোপটেস্ট শুরু হয় ১৯৬৬ সাল থেকে।
* গোল্ডেন বুট, গোল্ডেন বলের প্রচলন হয় ১৯৮২ সালে।
*এবার বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দেশের মধ্যে জনসংখ্যা এবং আয়তনে বৃহত্তম দেশ যুক্তরাষ্ট্র। জনসংখ্যা সব মিলিয়ে ৩০ কোটি ৭০ লাখ। আয়তন ৯৬,২৯,০০০ বর্গ কিমি।
* এবার বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দেশের মধ্যে জনসংখ্যা এবং আয়তনে ছোট দেশ স্লোভেনিয়া। জনসংখ্যা ২০ লাখ। আয়তন ২০,২৭৩ বর্গ কিমি।
*একটি আদর্শ ফুটবলের ওজন ১৪-১৬ আউন্স
* অধিনায়ক এবং কোচ হিসেবে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন জার্মানির ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার।
*বিশ্বকাপের প্রথম হ্যাট্রিক করেন আর্জেন্টিনার গুইলামো স্ট্যাবিল। মেক্সিকোর বিপক্ষে ১৯৩০ সালে।
*১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০ তিনবার বিশ্বকাপ জেতায় জুলে রিমে কাপ চিরতরে নিয়ে যায় ব্রাজিল। কিন্তু ১৯৮৩ সালের ১৯ ডিসেম্বর এটি ২য় বারের মতো চুরি হয়ে যায়। যা আর পাওয়া যায় নি। ১৯৬৬ সালে ১ম বার যখন কাপটি চুরি হয় তখনও এটি পাওয়া যাচ্ছিল না। গোয়েন্দা, পুলিশ সকলে ব্যর্থ হওয়ার পর পিকলিস নামের একটি কুকুর ঝোঁপের আড়ালে খবরের কাগজে মোড়ানো অবস্থায় জুলে রিমে ট্রফিটি উদ্ধার করে।
* জুলে রিমে ট্রফি ডিজাইন করেছেন ফ্রান্সের ভাস্কর এবেলা লা ফ্লেউর।
*এখন যে বিশ্বকাপ ট্রফি আমরা দেখি এর ডিজাইন করেছেন ইতালির ভাস্কর সিলভিও গাজ্জানিয়া। ১৯৭৪ সালে জার্মানিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে এটি প্রথম প্রদর্শিত হয়।
* বিশ্বকাপ ট্রফির নিচে বিজয়ী দেশের নাম লেখা থাকে। ২০৩৮ সালে এই ট্রফি নতুন করে বানানো হবে। কারণ ততদিনে এর নিচে আর বিজয়ী দেশের নাম লেখার জায়গা থাকবে না।
* বিশ্বকাপ মাসকটের প্রচলন হয় ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে। প্রথম মাসকটের নাম ছিল উইলি।
*জার্মানির লোথার ম্যাথুস ৫টি বিশ্বকাপে ২৫টি ম্যাচে খেলেছেন। যা একটি রেকর্ড।
* বিশ্বকাপে চূড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহণকারী প্রথম মুসলিম দেশ মিসর।
*টোটাল ফুটবলের জনক বলা হয় নেদারল্যান্ডসের ইয়োহান ক্রইফকে।
*আগামী বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে ব্রাজিলে।
তথ্যসূত্র : পাঞ্জেরী শিক্ষা সংবাদ

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

