একটি ট্রেন ভ্রমণ।
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৪
একটুকু রইলেম চুপ করে ;
তারপর বললেম,
'রাতের সব তারাই আছে
দিনের আলোর গভীরে।'
------------------------------------------------------------------------------
জাগো রে, জাগো রে, চিত্ত, জাগো রে -
জোয়ার এসেছে অশ্রু - সাগরে।
কূল তার নাহি জানে, বাঁধা আর নাহি মানে,
তাহারি গজনগানে জাগো রে !
তরী তোর নাচে অশ্রু - সাগরে ।।
--------------------------------------------------------------------------------
আমার এই পথ চাওয়াতেই আনন্দ।
খেলে যায় রৌদ্র ছায়া, বর্ষা আসে বসন্ত।
কারা এই সমুখ দিয়ে আসে যায় খবর নিয়ে -
খুশি রই আপন মনে, বাতাস বহে সুমন্দ।।
-------------------------------------------------------------------------------
তোমারে ডাকিনি যবে কুঞ্জবনে
তখনো আমের বনে গন্ধ ছিল,
জানি না কি লাগি ছিলে অন্যমনে,
তোমার দুয়ার কেন বন্ধ ছিল।
-------------------------------------------------------------------------------
যাত্রা আমার চলার পাকে এই পথেরই বাঁকে বাঁকে
নতুন হল প্রতি ক্ষণে ক্ষণে।
-------------------------------------------------------------------------
ভাসিয়ে দিতে হবে আমার এই তরী।
তীরে ব'সে যায় যে বেলা মরি গো মরি।
ফুল-ফোটানো সারা করে বসন্ত যে গেল সরে,
নিয়ে ঝরা ফুলের ডালা বলো কি করি ?।
--------------------------------------------------------------------------------
আমি যদি জন্ম নিতাম কালিদাসের কালে
দৈবে হতেম দশম রত্ন নবরত্নের মালে,
একটি শ্লোকে স্তুতি গেয়ে রাজার কাছে নিতাম চেয়ে
উজ্জ্যয়িনীর বিজন প্রান্তে কানন ঘেরা বাড়ি।
------------------------------------------------------------------------
কোন টানে জানা হতে অজানায় চলে
আধো-হাসি আধো অশ্রু-জলে।
ঘর ছেড়ে দিয়ে তবে ঘরখানি পেতে হয় তারে
অচেনার ধারে।
------------------------------------------------------------------
অলসসময়ধারা বেয়ে
মন চলে শূণ্য-পানে চেয়ে।
সে মহাশূণ্যের পথে ছায়া-আঁকা ছবি পড়ে চোখে।
কত কাল দলে দলে গেছে কত লোকে
সুদীর্ঘ অতীতে
জয়োদ্ধত প্রবল গতিতে।
--------------------------------------------------------------------
হে বিরাট নদী,
অদৃশ্য নিঃশব্দ তব জল
অবিচ্ছন্ন অবিরল
চলে নিরবধি।
--------------------------------------------------------------------------------
জীবপালিনী আমাদের পুষছে
তোমার খন্ডকালের ছোট ছোট পিঞ্জরে,
তারই মধ্যে সব খেলার সীমা, সব কীর্তির অবসান।
---------------------------------------------------------------------------
হাসিটি ছিল বড়ো সুখে ভরা।
মিলি নিখিলের স্রোতে জেনেছিলে খুশি হতে
হৃদয়টি ছিল তাই হৃদিপ্রাণহরা।
তোমার আপন ছিল ভালো তুমি বেসেছিলে
এই শ্যাম ধরা,তোমার এই শ্যামধরা।।
-----------------------------------------------------------------------------
রবীন্দ্রনাথ থেকে ধার করা ...
একমাত্র আশ্রয়স্থল।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন:
কি জানি সে আসবে কবে
বসন্তের এই মাতাল সমীরণে ...
পারভেজ বলেছেন:
অসম্ভব ভালো লাগলো। পুরো ভ্রমণটাই হয়ে গেলো যেন! কতো চেনা এই পথটা! কতোদিন হয়ে গেলো সূবর্ণে চড়া হচ্ছেনা। অনেকগুলো প্লাস দেয়ার সুবিধাটা থাকা উচিত ছিল।
প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন:
সূবর্ণ তার রঙ বদলে সাদা হয়ে গিয়েছে।
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
শুভেচ্ছা।
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
অনেক ভালো লাগলো। চিটাগাঙ ইউনি মনে হয়।
লেখক বলেছেন:
ইউনি পার করে এসেছি অনেক আগে।
এটা ঢাকা চট্টগ্রামের রেলপথে...
লেখক বলেছেন:
হাসি দেখে মনে হচ্ছে তুমি ঠিক ওখানে ছিলে...
কেন যে টম বেচারাকে নাজেহাল কর ... ![]()
মাহাফুজুর রহমান বলেছেন:
চমৎকার।ছবিগুলো অসাধরন।ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন:
ছবি্র সাথে কবিতা পড়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
ভালই লাগছিল পড়তে...মাঝে মাঝে ছবি...চমৎকার এবং উপভোগ্য...সবটুকু অংশই।
লেখক বলেছেন:
অনেক শুভেচ্ছা আইরিন।
অনেক ভাল থেকো, অনেক আদর।
লেখক বলেছেন:
আর অপসরা ... ![]()
রিসাত বলেছেন:
++(তনুজা ইশটাইল)
লেখক বলেছেন:
ইশটাইল ... !!!
মোগাম্বো খুশ হোয়া
ক-খ-গ বলেছেন:
আরে জোস হৈছেতো.......
লেখক বলেছেন:
জোস একটা ধন্যবাদ আপনাকে।
মৃন্ময় আহমেদ বলেছেন:
একটু নস্টালজিক হইয়া পড়িলাম।। কতো যে ট্রেন জার্নি করেছি দেশে থাকতে... আমার প্রিয় ভ্রমণ...
লেখক বলেছেন:
দেশের বাইরে গেলেই মানুষ এমন নস্টালজিক হয়ে পড়ে সবকিছুর জন্য। কি জানি নেই, কি জানি নেই একটা ভাব কাজ করে।
শুভেচ্ছা !
লেখক বলেছেন:
এই পোস্টের কবিতা ধার করা।
আমি লিখতে পারি না তাই ছবির আশ্রয় নিই। (ছবি ভাল তুলতে পারি তাও কিন্তু না)।
ধন্যবাদ আপনাকে।
মৃন্ময় আহমেদ বলেছেন:
দেশের বাইরের সাথে এ ট্রেন যাত্রার নো রিলেশন... দেশে থাকলেও এই লেখা পড়ে নস্টালজিক হতাম।
লেখক বলেছেন:
অনেক শুভকামনা মৃন্ময়।
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:
রাতের সব তারাই আছে
দিনের আলোর গভীরে।'
রাতের সব তারাই আছে
দিনের আলোর গভীরে।'
________________________
ছবি আসাধারণ
১ম ছবিটা দেখে রবীন্দ্রনাথও মুগ্ধ হবেন আশা রাখছি।
তাকে দেখাতে পারেন।
শুভকামনা
লেখক বলেছেন:
তিনি দেখেছেন এবং ...
লেখক বলেছেন:
আমি ভাল আপু।
তোমাদের মিস করি, থাক না এখন।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।
বায়লোজি বলে আমি নাকি ছেলে!! বলেছেন:
আমি ট্রেনের জানলা দিয়া বাংলা দেখি না আফসোস লাগে।কখনো কখনো নেমে মাটের বুকে দৌড় দিতে ইচ্ছে করে।
লেখক বলেছেন:
দে দৌড়, কে মানা করল।
একজন প্লেয়ারের সে বডি ফিটনেস তো আছে। ![]()
সাইফুর বলেছেন:
ছবিগুলো ভালো লাগছে
লেখক বলেছেন:
পুদিনা পাতা।
লেখক বলেছেন:
শুভেচ্ছা রইল আউলা।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ সহেলী, ভাল আছেন নিশ্চয়ই।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনাকে, ভাল থাকবেন।
নিহন বলেছেন:
ছবির সাথে কথার মিল জাক্কাচ ।
লেখক বলেছেন:
কেক কোথায় আমার ?
আজব ছেলে তুমি !
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
দেখার চোখে ছবিগুলোর পছন্দ ভালো... কিছুদিন আগে ইচ্ছে করেই মফস্বলের লোকাল ট্রেন ভ্রমণ দিলাম।। অন্যরকম্...............
লেখক বলেছেন:
শুনে ভাল লাগল, মন আর মানবিক দিকগুলি কাজ করলেই এমন উল্টাপাল্টা কাজ করতে ইচ্ছা করে।
চিকনমিয়া বলেছেন:
আফনেতো ভালাই ফুডু তুলেন, ভালা
লেখক বলেছেন:
পুদিনা পাতা চিকন মিয়া।
বায়লোজি বলে আমি নাকি ছেলে!! বলেছেন:
তারামনি তুমারেতো কেউ কবু মাইনাস দেয় নাই!!আমি য়েকটু ট্রাই করে ইতিহাস হমু?
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
চমৎকার হইছে।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনাকে।
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
"রবীন্দ্রনাথ থেকে ধার করা ...একমাত্র আশ্রয়স্থল।"
ছবিগুলো এবং নীচে কবিতা গুলো পছন্দ হয়েছে।
লেখক বলেছেন:
হ্যাঁ, একমাত্র আশ্রয়স্থল।
অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
এই পোস্টের ছবি তেমন ভাল আসেনি, কিন্তু আমার নিজের অনেক প্রিয় পোস্ট।
অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...






















তখনো আমের বনে গন্ধ ছিল,
জানি না কি লাগি ছিলে অন্যমনে,
তোমার দুয়ার কেন বন্ধ ছিল।