আমার প্রিয় পোস্ট

১০টি বছর আর আমার প্রাণপ্রিয় স্কুল।

২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৪৬

শেয়ারঃ
0 0 0


একদিন রাতে খাবার টেবিলে মা বললেন, কাল বাবা আমাদের একটা স্কুলে নিয়ে যাবেন দেখাতে। স্কুল দেখে আসব এবং ভর্তি পরীক্ষার সব কিছু জেনে আসব। আমার জন্য নতুন দেশ এই বাংলাদেশ, আশেপাশের মানুষ, পরিবেশ সব নতুন, ৭ বছর বয়সের একটা বালিকার কাছে সবই তখন কেমন বিষাদমাখা মনে হত। সেই ছোটবেলা থেকেই আমি একটু দুঃখবিলাসী টাইপের ছিলাম। যখন শুনলাম ৩য় শ্রেণীতে আমি পড়ব, তখন আমি যেন গভীর সমুদ্রে পড়লাম।

পরের দিন সকালে বাবার সাথে যাচ্ছিলাম, হঠাৎ করেই যেন স্কুলটি আমাদের সামনে উদয় হয়। পাহাড়ের কোল ঘেঁষে শ্বেত শুভ্র বিশাল একটা কিছু, মনে হল এক লহমায়, বরফের টুকরা কি ! এক কথায় আমরা মুগ্ধ। মনে হল যেভাবেই হোক এই স্কুলেই আমাকে পড়তে হবে।
রাতে বাসায় জানিয়ে দিলাম, এই স্কুলে পড়তে না পারলে আমি আমার আগের স্কুলেই ফিরব। :)

এখনে সব গুলি ক্লাসরুমই আমার... :)
-----------------------------------------------------

একদিন ছুটি হবে, অনেক দূরে যাব
নীল আকাশে সবুজ ঘাসে খুশিতে হারাব !
হারিয়েই গেল .....
---------------------------------------------------------

এখানেই হত সাপ্তাহিক সাংস্কৃতিক অনুষ্টান।
--------------------------------------------------------------

ডেস্ক , কিছু মনে পড়ে গেল কি ?
কম বেশি সবাই মনে হয় এমন শিল্পকর্মের সাথে জড়িত।
-------------------------------------------------------------------------
জানুয়ারীর শেষের দিকে শুরু হল পাবলিক স্কুলে আমার স্কুল জীবন। স্কুলের সামনে বাগান ছিল দেখার মত, এখনো হয়তো হয় কিন্তু সেদিন তেমন বাগান দেখতে পাইনি, হয়ত ফুলের মৌসুম নেই বলেই।
আমাদের ড্রইং স্যার (বেঁচে নেই) আমাদের বাগানে নিয়ে যেতেন ছবি আঁকার জন্য। আমরা ঘাসের উপর বসে ছবি আঁকার ফাঁকেই দেখতাম প্রকৃতির রূপ। আহা কি সব দিন ছিল!
আমাদের সময়ে সিনিয়র এবং জুনিয়রদের মাঝে ছিল চমৎকার সম্পর্ক। সিনিয়র কোন ভাইয়া/আপু সামনে হেঁটে গেলে আমরা দাঁড়িয়ে যেতাম আর হত হালকা হাসি বিনিময়। আপু আর ভাইয়ারা আদর করতেন অনেক। সব চেয়ে মজা ছিল স্পোর্টস এর সময়। হাইজ ক্যাপ্টেনের কাছে থাকত সবসময় চকলেট। আমি জ্যাবলিন থ্রো, হাই জাম্প, লং জাম্পে ছিলাম ভাল, তাই আমার জন্য চকলেট থাকত।


এখানে দেখা যাচ্ছে পানির বোতল হাতে আমার খুব কাছের বন্ধু,যার সাথে আমি ৩য় শ্রেনী থেকে পড়া শুরু করেছিলাম, দুই যুগ ধরে আমরা বন্ধু ।
------------------------------------------------------------------

প্রিয় স্যার ম্যামরা ... অনেক শ্রদ্ধা এবং ভালবাসা।
--------------------------------------------------------------------

স্কুলের সামনে গর্বিত আমি !
-------------------------------------------------------
স্কুলের যত আইসক্রীম, চানাচুর, ঝালমুড়ি, বাদামের ফেরীওয়ালা আসত, সব হত শেলীর। যাকেই দেখতে পেতাম দূর থেকে আমরা চিৎকার দিতাম, শেলি তোর...... :)
একটা ইগলু ললি নিয়ে সবার খাওয়া, একটা সিংগারাও শেয়ার করা, তেমন করে একটা কোল্ড ড্রিঙ্কস কয়েকজনে খাওয়া ... এমন স্মৃতি মনে হয়, সবারই আছে।
টিফিন টাইমে আমাদের পছন্দের একটা জায়গায় বসে সুন্দর করে সবার ন্যাপকিন আর বক্স সাজাতাম, এরপর খেতাম। কার, কি এটা কোন ব্যাপার ছিল না। আর ছিল অনেক কাঠবাদাম গাছ, সবুজ সবুজ কাঁচা বাদামই আমরা খেয়ে ফেলতাম আর না পারলেও চেস্টার কমতি থাকত না।
স্কুলে অনুপস্থিত থাকা ছিল কল্পনার বাইরে, কিভাবে থাকব বন্ধুদের না দেখে ! বেশির ভাগ ছাত্রছাত্রী ছিল আর্মি অফিসারের ছেলেমেয়ে তাই হারিয়ে গিয়েছে অনেকে তাদের বাবার পোস্টিং এর কারণে । এক আমি এবং আমার মত অল্প কিছু ছিল যারা থেকেই যেত। এমনও হয়েছে চলে গিয়ে কয়েকবছর পর ফিরে এসেছে, অন্যরকম ভাল লাগত তখন।
-------------------------------------------------------------------




আমাদের বিনোদনে স্কুলের বর্তমান ছাত্রছাত্রী এবং সোলস !
----------------------------------------------------------------------
১৯ শে জুন ছিল আমাদের স্কুলের পূণর্মিলনী, বসেছিল প্রাণের মেলা। কয়েকজন সেই দেশের বাইরে থেকেও চলে এসেছে, ভাবা যায় ! কত জনের সাথে দেখা আবার কত জন আসতে পারেনি। আমার এক বন্ধু শাকিলা আসতে পারেনি শেষ মুহূর্তে, কাঁদছিল। কি অবস্থা একেকজনের, কত বদলে গেছে সবাই। কিন্তু কথা বলতে গিয়ে দেখা গেল সবাই আছে তেমন। একজনের তো মাথার চুল হাওয়া :D
কে কেমন আছে, কি করছে, কার কি কি নতুন খবর আছে, এসব তথ্য বিনিময় আর আনন্দ গল্পে কেটে গেল দিনটা। এল বিদায়ের পালা...
ফিরে এলাম ঘরে একা, কিছু স্মৃতি সাথে নিয়ে।
---------------------------------------------------------------



আমার এ স্কুলে কেটেছে ১০টি বছর, তৃ্তীয় থেকে দ্বাদশ শ্রেনী। ছবিগুলি সাথে আছে কিছু স্মৃতি, তাও উল্লেখ করে দিলাম। এ আমার একান্ত অনুভূতি, ইচ্ছে করছিল শেয়ার করতে...

 

সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৫৪
সিটিজি৪বিডি বলেছেন: স্মৃতি শুধু কাদায়..........................
২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:০৬

লেখক বলেছেন:
এরপর কয়েকদিন আমরা কেউ কাউকে ফোন করিনি, কেমন জানি চুপ ছিল সবাই। বিচ্ছেদ এর বেদনায় ...

২. ২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৫৭
বিবর্তনবাদী বলেছেন: সুন্দর স্কুল। দশটি বছর খুব ভালই কাটার কথা।
২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:০৮

লেখক বলেছেন:
সে আর বলতে !
এরপরের শিক্ষাজীবন পার করতে যেতে হয়েছে অন্য কোথাও কিন্তু আমাকে আর আকর্ষণ করেনি।

৩. ২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৫৮
মে ঘ দূ ত বলেছেন: এহ্‌হে, সবিই দিলেন খালি নিজের ছবিটাকেই ঝাপসা করে দিতে পেলেন। :P

ক্যান্টনমেন্টে গিয়েছিলাম একবার কলেজের ভর্তি পরিক্ষা দিতে। ক্যাম্পাসটা মনে জায়গা করে নিয়েছিল। নিরালায় খুব সুন্দর নয়নাভিরাম সব নৈসঃর্গিক দৃশ্যে ভর্তি।
২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:১৩

লেখক বলেছেন:
অনেক অনেক ধন্যবাদ, স্কুলটিই যে এমন স্থানে যেখানে আছে শুধু প্রকৃতি, নেই কালো ধোয়া বা গাড়ির হর্ণ, একটা টু শব্দ পর্যন্ত নেই। স্কুলের ছাত্রছাত্রী আর পাখিদের কলকাকলি !

৪. ২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৫৮
ইমন জুবায়ের বলেছেন: সেই রাখাইন ভাষা শেখার ব্যাপারটা শুনব আরেক দিন।
২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:০৪

লেখক বলেছেন:
হা হা হা ... মনে রেখেছেন দেখছি ।

মুই তোরে কইছ পাঙ্ক - আমি তোমাকে ভালবাসি।
পানি খিয়াম - পানি খাব।
ভাত কিয়াম - ভাত খাব।
যেই বেরেগু - চল বেড়িয়ে আসি/ চল ঘুরে আসি।
হেঞ্জানা অগাস - কেমন আছ ?
গমাগম - ভাল আছি।
কিত্তাচ্ছুস - কবে এসেছ ?
কিল্লাচ্ছুস - কাল এসেছি।
বদ দেরি নঅয় - বেশি দেরী হয়নি।

এমন অনেক, ভুলে গিয়েছি। এখানে রাখাইন কেউ থাকলে অনিচ্ছাকৃত ভুল হয়ে থাকলে দুঃখিত।

৫. ২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:০১
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: এই স্কুলটাতে বা পড়লেও মোটামুটি চেনাজানা!
একবার আন্তস্কুল ক্রিকেট খেলতে গেছিলাম
জিতে আসছিলাম:)
আর শেষবার গেছিলাম একবন্ধু বিবিএতে ভর্তি হইছিলো কলেজে ওর সাথে
চমৎকার স্কুল

পুনর্মিলনী গুলা সব সময়ই দারুন হয় সব স্কুলেই!
২৮ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:০০

লেখক বলেছেন:
জিতে এসেছ ? :(
তবে ধন্যবাদ আমার চমৎকার স্কুলের ছবি দেখতে আসার জন্য।

২৮ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:৩৩

লেখক বলেছেন:
শুভেচ্ছা অনেক, স্বাগতম আপনাকে।

৭. ২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:০৬
মে ঘ দূ ত বলেছেন: আরে! রাখাইন ভাষা দেখি পুরা চাটঁগা ভাষার কপি। নাকি উল্টোটা!
২৮ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:৩৬

লেখক বলেছেন:
এটাই ছিল আমার যাদু, যা শিখানো হত সবার আগে আমি শিখে ফেলতাম, মনেও আছে সেজন্য।
একথাই আমি শেয়ার করেছিলাম ইমন জুবায়েরের পোস্টে।
এখানেই আমাদের সাথে ছিল নান্টু চাকমা।

৮. ২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:১২
আইরিন সুলতানা বলেছেন: শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যদি বিশাল হয়, সাথে বিশাল মাঠ ....তবে তা আসলেই যেন শিক্ষার মানকেও বিশাল করে...

ইশশশ...স্কুল জীবন ....নস্টালজিক....

বোঝা যাচ্ছে দারুণ একটা সময় কাটিয়েছো ....
২৮ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:৩৮

লেখক বলেছেন:
অসম্ভব সুন্দর সময় কাটিয়েছি আমি, বন্ধুরা এখনো আছে খুব কাছাকাছি।

২৮ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৭

লেখক বলেছেন:
পরিবেশ খুব ভাল ...

১০. ২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:২০
দূরন্ত বলেছেন: স্মৃতিময় লেখা। ভালো লাগলো
২৮ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:০১

লেখক বলেছেন:
শুভেচ্ছা রইল দুরন্ত ।

১১. ২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:২১
ইমন জুবায়ের বলেছেন: @ তারার হাসি ....ভালো লাগল রাখাইনর ভাষা। ধন্যবাদ।
২৮ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:০৪

লেখক বলেছেন:
শুভেচ্ছা অনেক।

২৮ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:১২

লেখক বলেছেন:
ইশকুলবেলা
ইশকুলবাড়ি ...
ভাবলেই মন খারাপ হয় অনেক।

১৩. ২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:৪২
লাভলুদা বলেছেন: কলেজ জীবন পার করেছি এখানে। :)
২৮ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:১৯

লেখক বলেছেন:
তাহলে আপনি হচ্ছেন গুড বয়।
কলেজ জীবন বলছেন কেন ? কলেজটাও ছিল স্কুল, দাঁড়িয়ে পড়া দেওয়া, পড়া না পারলে দাঁড়িয়ে থাকা... আর চুল/জুলফি লম্বা হলেই ফরিদ স্যারের ঝাড়ি।
ফরিদ স্যার ভাল আর্মি কাট দিতে পারেন। এখন আপনাকে দেখলে স্যারের চোখ কপালে উঠত ...
'১১ তে হবে ৫০ বছর পূর্তি, তখন চেষ্টা করবেন যেতে।

১৪. ২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:৫৩
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন: ক্যান্ট পাবলিকের আশপাশে অনেক যাওয়া হলেও ভিতরের ছবি দেখলাম এই প্রথম। ভালো লাগলো। (মাঝখান দিয়ে ফাও একটা রাখাইন ভাষাও শিখা হয়ে গেলো :))
২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:১৭

লেখক বলেছেন:
আপনি তাহলে চট্টগ্রামের।
আমাদের জন্য রাখাইন ভাষা, একটি কেকের টুকরা।

১৫. ২৮ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:০৩
অদ্রোহ বলেছেন: ক্যান্টপাবলিক তো আমাদের ভাই বেরাদর স্কুল(আমি আবার ইস্পাহানীতে ছিলা কিনা :))।ওখানকার বন্ধুদের কল্যানে সুন্দর এই ক্যাম্পাসটিতে অনেকবারই যাওয়া হয়েছে।আর কদিন আগেই হওয়া পুনর্মিলনীটাও নাকি অসাধারণ হয়েছিল ।
২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:২৭

লেখক বলেছেন:
ঠিক বলেছেন, অসাধারণ প্রোগ্রাম হয়েছিল।
তাহলে আপনিও চট্টগ্রামের। :)
শুভেচ্ছা অনেক।

১৬. ২৮ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:০৬
কিসলু বলেছেন: স্কুলজীবনের দিনগুলি খুব আনন্দের । স্কুলজীবনে বন্ধুরা খুব কাছের হয়ে থাকে । । শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ ।
২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:৩০

লেখক বলেছেন:
এটাই আমি বলি, স্কুল জীবনের বন্ধুরা আপনার সবসময় আসল বন্ধু। তারা যখন বন্ধু হয় তখন আপনার টাকা বা কাপড়চোপর দেখে বন্ধু হয় না...
আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

১৭. ২৮ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:২৭
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন: ভাল লাগলো। স্মৃতি শুধু বেদনা নয় আনন্দ ও।
১৮. ২৮ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:২৭
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন: ভাল লাগলো। স্মৃতি শুধু বেদনা নয় আনন্দ ও।
২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:৩২

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনাকে।
স্মৃতিকে আপনি যেভাবে নিবেন তেমনই হবে।

১৯. ২৮ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:৩৭
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন: নষ্টালজিক হয়ে গেলাম লেখা পড়ে। স্কুল মনে হয় যে কারো জীবনে একটা অন্যরকম ব্যাপার, যার কোন তুলনা নেই।
২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ৩:০২

লেখক বলেছেন:
তুলনাহীন স্কুল জীবন, আমি এটা পোস্ট করতে গিয়ে খুব ভেবেছি। আমার স্কুলের কেউ নেই এই ব্লগে ... তারপরেও দিয়ে দিলাম আবেগে, ভালবাসায় ...
এখন দেখা যাচ্ছে "ইশকুল জীবন" হল ইশকুল জীবন। এর চেয়ে মজার আর মধুর আর কোন স্মৃতি হতেই পারেনা।

২০. ২৮ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:৪১
আকাশচুরি বলেছেন: আহারে ইশকুল!

অনেক কিছু মনে করিয়ে দিলেন:)

ভালো থেকেন, তারার হাসি
২৯ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:২৩

লেখক বলেছেন:
অনেক ভাল থাকার ম্যাজিক আমি জানি, তাই ভাল থাকি।
শুভেচ্ছা আকাশচুরি ।
:)

২১. ২৮ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:০১
সাইফুর বলেছেন: ছবিগুলো আর স্মৃতি সুন্দর
২৯ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:২৪

লেখক বলেছেন:
এত বদলাও কেন নিজেকে ? :)

২২. ২৮ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:০৭
মেঘ বলেছেন: ইশ.....এমন স্কুলে যদি পড়তে পারতাম!
+
২৯ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:২৭

লেখক বলেছেন:
ইশ !!
আমার অনেক ভাল লাগছে তোমাদের ভাল লাগায়।

২৩. ২৮ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:৪৩
আকাশ অম্বর বলেছেন:

কিছু কথা।

আমার খালাতো দুই ভাই-বোন এই স্কুলে পড়তো। ছোটবেলায় চিটাগাং বেড়াতে যেয়ে এই স্কুল দেখে রীতিমত হিংসা আর তারপর মন-খারাপ। পাহাড়ের পাশে, এত সুন্দর, ওদের রেজাল্ট তো এমনিই ভালো হবে! স্কুল পালানো তো দুরের কথা! ঘুমানোর পর তো কিছুদিন স্বপ্নও দেখতাম (যেটা হয় আর কি!)।

আপনিও এই স্কুলের জানার পর আপনাকেও হিংসা ! :)
__________________________________________

সুন্দর লেখা আর ছবি। এই রকম মুহূর্তগুলো কিছু সময় দরকার বোধকরি। হোক না ঝাপ্‌সা !
২৯ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৫২

লেখক বলেছেন:
স্বপ্নবিলাসী একজন ...
মাঝে মাঝে ইচ্ছা করে পেছনে ফিরে যেতে, স্মৃতিতে ভর করে।

২৯ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ২:১৪

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ অনেক, এমনভাবে সুন্দর বলার জন্য। :)

২৫. ২৮ শে জুন, ২০০৯ সকাল ১০:০১
পারভেজ বলেছেন: চমৎকার একটা স্কুল। স্কুল বাস যখন যেতে দেখতাম, বেশ খানিকটা ইর্ষাই হতো আমাদের- যারা শহরের স্কুলে ছিলাম।
২৯ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ২:১৭

লেখক বলেছেন:
স্কুল বাসটিকে আজো যখন দেখি হঠাৎ করে রাস্তায়, প্রাণপণে দেখতে চেষ্টা করি কোন কোন স্যার / ম্যাডাম আছে তা দেখতে। আর বাচ্চাগুলির মাঝে খুঁজে পাই সহপাঠিদের।

২৬. ২৮ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৩০
জীবিত বলেছেন: কদিন আগেই না একটা রিইউনিয়ন হলো? এটা কি তখনকার ছবি? যাইতে পারিনাই। খুব মিস করি। :(
২৯ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ২:৩৬

লেখক বলেছেন:
তার মানে আপনি আমার স্কুলের, আসেন নাই কেন ?
অনেক কচিছু মিস করেছেন, আপনার জন্য ছবি একটা ...

২৯ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৫

লেখক বলেছেন:
কিউট জেরীটা কেমন আছে?

২৮. ২৮ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ২:১৭
বুলবুল আহমেদ পান্না বলেছেন: চিকন জেডা অনেক আগে একবার বলিছিলেন- স্মৃতি তুমি বেদানা!!!



তয়, স্কুলের সামনে গর্বিত আপনের ফডু ডা ্ওইরাম ঘুলা ক্যা?
২৯ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৯

লেখক বলেছেন:
স্মৃতি সবসময় বেদনা নয়।

কি জানি, কিভাবে যেন হয়ে গেল !

২৯. ২৮ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:০১
আরিফ থেকে আনা বলেছেন: এইখানে পড়ার কথা ছিল, কিন্তু দুষ্টু সিনিয়রদের উপর যে নির্যাতন স্যাররা করতেন সেগুলো শুনে আর পা বাড়াই নি ;)
৩০ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:৫৬

লেখক বলেছেন:
মোটেও নির্যাতন করতেন না। স্যাররা যা করতেন তা ভালোর জন্যই করতেন। দুষ্ট যারা তারা ঠিকই দুষ্ট থেকে যেত মাঝখানে রেজাল্ট তাদের ভাল হত।
ভাল করেছেন। :P

৩০. ২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:২৪
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২ বলেছেন: টিপাইমুখবাঁধ নির্মাণ প্রতিরোধে দেশে-বিদেশে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলুন

Click This Link

এই তথ্যবহুল পোস্টটি স্টিকি করার জন্যে কর্তৃপক্ষের কাছে মেইল পাঠান
৩০ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:৫৭

লেখক বলেছেন:
আচ্ছা, যদিও এখনো দেখা হয়নি লিঙ্কটা।

৩১. ২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ৩:১৬
দ্রোহি বলেছেন: ছোট বেলায় বড় হতে চাইতাম না। আমার হিরো ছিলো পিটার প্যান। প্রথমত তার স্কুল ভাল লাগতোনা বলে, আর দ্বিতীয়ত: তার একটা পিচ্চি বাহিনী ছিল বলে। তবে তোমার এই স্কুলে যদি আমি পড়তাম, তবে চিরকালের আদু ভাই হয়ে থাকতে হলেও আনন্দের সাথেই থাকতাম।

কিন্ত কথা হল - এত সুন্দর যায়গায় স্কুল থাকতে হবে কেন??
৩০ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:০৫

লেখক বলেছেন:
পিটার প্যান আমারো খুব প্রিয়, এখনো পছন্দ করি ফ্যান্টাসী !
থাক আদু ভাই হয়ে, মানা করল কে ? :)
কেন থাকবে না, যেখানে আমি ১০টি বছর কাটাব ঠিক ছিল।
শুভেচ্ছা !

৩২. ৩০ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:১২
~~~~~নিশ্চুপ নিরবতা~~~~~~ বলেছেন: আপনি কত সালে এসএসসি দিয়েছেন????
৩০ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:১৬

লেখক বলেছেন:
আমি অনেক বছর আগে পাশ করেছি কিন্তু সাল বলতে ইচ্ছা করছে না। কে আর শখ করে বুড়ো হয়। :)
শুভেচ্ছা ।

৩৩. ৩০ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:২০
সাইফুর বলেছেন: খালি প্রোফাইল পিক চেন্জ করতে ইচ্ছা হয়
০১ লা জুলাই, ২০০৯ রাত ২:০৮

লেখক বলেছেন:
বাচ্চাদের আর কাজ কি ? :P

৩৪. ৩০ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৫:২৭
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

পাবলিকের চারপাশের প্রাকৃতিক পরিবেশ আসলেই মনোহর !

তারার হাসি, হয়তো কোন একসময় আমরা খুব কাছাকাছিই ছিলাম !
আহ...চট্টগ্রাম...!
০১ লা জুলাই, ২০০৯ রাত ২:১৪

লেখক বলেছেন:
অনেক অনেক মনোহর!
আমাদের এস,এস, সি পরীক্ষার আগে বাধ্যতামূলক মডেল টেস্ট হত বিকেলে। আমরা পরীক্ষা দিয়ে মাঠে বসে থাকতাম সন্ধ্যা পর্যন্ত, আসতে ইচ্ছা করত না সুন্দর বিকাল ফেলে।
হয়তো ......
আহ চট্টগ্রাম !

৩৫. ৩০ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৬:১০
অন্যরকম বলেছেন: চট্টগ্রামের সব স্কুল কলেজই ঘুরা হয়েছে কোন এক সময়। শুধু কেন্ট পাবলিকই বাকি ছিল! আপনার ব্লগের কল্যানে সেটাও হয়ে গেল! :)

আমি অবশ্য কলেজিয়েটের ছেলে! এর পর চিটাগাং কলেজ! :)
০১ লা জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৪৮

লেখক বলেছেন:
কলেজিয়েট ! :P :)

৩৬. ৩০ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩১
সমীরণ বলেছেন: এত সুন্দর একটা কলেজ, বাংলাদেশে আছে নাকি? আপনাকে হিংসাই করতে ইচ্ছা করছে!

চট্টগ্রাম আমার খুব পছন্দের শহর। ছোটবেলায় যতবার চট্টগ্রাম বেড়াতে গেছি, স্থানীয় ছেলেমেয়েদের খুব হিংসা হতো। ছুটি শেষ, আমাদের ফিরে যেতে হবে, ওদের ছুটি কখনও শেষ হবে না।
০১ লা জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৫১

লেখক বলেছেন:
চট্টগ্রাম শহরটাই যে এমন !
আছে সমুদ্র, নদী, লেক আর পাহাড়, প্রকৃতির প্রাচুর্যে ভরপুর।
আন্তরিক শুভেচ্ছা।

৩৭. ০১ লা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:০৬
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: চিটাগং যাই নাই কখনো :(
দু'বার কক্সবাজার গেছিলাম তখন চিটাগাঙ এর উপর দিয়ে গেছি :P

(উপর দিয়ে মানে কিন্তু আকাশ দিয়ে না .. রাস্তা দিয়ে গেছি)

তোমার ইশকুল তো মারাত্মক সুন্দর !! টিফিন দিতো না?
আমাদের ইশকুলে টিফিন দিতো । আমার ফেভারিট টিফিন ছিলো চপ-বন আর পরোটা ভাজি :D
০২ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৩৫

লেখক বলেছেন:
আমাদের টিফিন দেওয়া হত না...
আমি ভেবেছিলাম তুমি উড়ে উড়ে গিয়েছ পাখায় ভর দিয়ে। রাস্তা দিয়ে কি দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে গিয়েছ ?
সব ক্ষেত্রেই সুন্দর ইশকুলটা।

৩৮. ০১ লা জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:২৪
বায়লোজি বলে আমি নাকি ছেলে!! বলেছেন: য়েই স্কুল থেকে আমার কাকা পাশ করছে..খুব সম্ভবত বাবাও..
কাকা মেট্টিকে ফার্স্ট স্টেন্ড করছিল তোমাদের স্কুল থেকেই...
তোমার দেখা নাই কেন??:(
কোথাও পাই না তোমাকে..
য়েখানেও না..ওখানেও না..:(
কুথাও নাই..
০২ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৩৯

লেখক বলেছেন:
আমিও নেই
তুমিও নেই
কেমন মজা হবে !
----------------------------
তাই ?
ইশ ! তুমিও যদি থাকতে !! বাচ্চাটাকে আমি পিচ্চিকাল থেকেই দেখতে পেতাম।

৩৯. ০১ লা জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:১৬
নুশেরা বলেছেন: তোমাদের স্কুলের পাশ দিয়ে আমরা শাটল ট্রেনে চড়ে ভার্সিটি যেতাম। অদ্ভুত সুন্দর পরিবেশে চমৎকার একটা স্কুল।

তুমি মনে হচ্ছে স্কুলপড়ুয়ার স্বাস্থ্যেই আছো এখনো; বোতল হাতে তোমার সেই সহপাঠী কিন্তু মুটিয়ে গেছেন :P
০২ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ১:১৩

লেখক বলেছেন:
ভার্সিটি এর পরিবেশ অনেক সুন্দর তবে উচিত অনেক অনেক গাছ লাগানো...
ওর কাজ হল বিরিয়ানী খাওয়া, একটু সুযোগ পেলেই ঢাকা দৌঁড় আর পুরোনো ঢাকার বিরিয়ানীতে ওর পেট ভর্তি। অথচ স্কুল জীবনে অর নিক ছিল "তালপাতার সেপাই" ...
শুভেচ্ছা অনেক।

৪০. ০১ লা জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৪
শ।মসীর বলেছেন: যাওয়া হয়নি কখনও। বন্ধু ছিল অনেক।ওরাও আসত আমাদের কলেজে।
০২ রা জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:২০

লেখক বলেছেন:
এখন তো যাওয়া হল ...
ভাল থাকবেন।

৪১. ০১ লা জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৪
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:

ক্যান্টূ হাফ পেন্টু...:) আমাদের ক্যান্ট দোস্তদের আমরা এই বলে খেপাতাম, কলেজিয়েটের বান্দরগুলা...
( কিছু মনে করবেন না  )
০২ রা জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:২৩

লেখক বলেছেন:
আর কলেজিয়েটের ছেলেরা কি ছিল, নিজেই বলেছেন কিন্তু ...
( কিছুই মনে করিনি)

আহারে আমাদের স্টুডেন্ট লাইফ !!!

৪২. ০২ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:১৮
অপ্‌সরা বলেছেন: খুব ভালো লাগলো পোস্ট টা আপুনি। আর ঝাপসা ঝাপসা তোমাকেও ।
০২ রা জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:২৬

লেখক বলেছেন:
ঝাপসা আমাকে ... :)
সবসময় অপসরা হয়েই থেকো !

৪৩. ০২ রা জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৩৬
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: আল্লাহ আমায় জ্ঞান দাও।
আবারও চট্রগ্রামের কথা মনে করিয়ে দিলে হাসি।
০২ রা জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:২৫

লেখক বলেছেন:
আল্লাহ আমায় জ্ঞান দাও - দেখতে দেখতে বড় হয়েছি এখন বলি, আল্লাহ আমায় শক্তি দাও, ধৈর্য দাও।
আমাদের চট্টগ্রাম।

৪৪. ০২ রা জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:০৩
চিকনমিয়া বলেছেন: ওরে!! আফাগোওও? আফনে কইগো? ভালানি?
আইকা বৃষ্টিত এমন ভিজা ভিজচি গো:)
০৩ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৫২

লেখক বলেছেন:
আমিও ... :)

৪৬. ০২ রা জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৫০
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: কলেজিয়েটের পুলাপাইন ছুডুবেলায় বান্দর থাকে, বুড়া হইলে সন্ন্যাসী অয়... আমার কমেন্টের উপ্রে নিচে দুইটা আছে :)
০৩ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৫৫

লেখক বলেছেন:
আপনাকে দেখে একটুও সন্ন্যাসী মনে হচ্ছে না, আয়েশী জীবন মনে হচ্ছে।
এটাও কলেজিয়েটের ছাত্রদের একটা ভাণ !! :)

৪৭. ০৪ ঠা জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:০৭
বায়লোজি বলে আমি নাকি ছেলে!! বলেছেন: আমি কিন্তু তোমারে দেখছি...য়েকটা জায়গায় কয়েকবার:):):):)
লাভ ইউ..বলছি তুমি শুনো নাই:(:(:(:(
০৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৪০

লেখক বলেছেন:
আমি শুনতে না পাওয়ার মত করে বলেছো, খুব খারাপ তুমি।

৪৮. ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৪৭
বায়লোজি বলে আমি নাকি ছেলে!! বলেছেন: মোটেই না অনেক জোরে বলেছি...:(কয়েকবার বলেছি...:(
তুমি চুপি চুপি চলে গেছো....:(:(::(


লাাাাাাাাাাাাভ ইঊঊঊঊঊঊঊঊঊঊঊঊঊঊঊঊঊঊ
০৭ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:২৮

লেখক বলেছেন:
লাভ ইউ বাচ্চা।

৪৯. ০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৪০
নাজনীন খলিল বলেছেন:
চমৎকার! চমৎকার! চমৎকার!
০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:০৯

লেখক বলেছেন:
ঠিক তোমার মতই চমৎকার !

৫০. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৫৪
মৃন্ময় আহমেদ বলেছেন: বেশ বেশ স্কুলের কথা মনে পড়ে গেলো। বিশাল ছিলো আমার স্কুলের এলাকা। তিনটা পুকুর ছিলো স্কুলের এরিয়াতে। কতো সাঁতার কেটেছি..
১২ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:০০

লেখক বলেছেন:
স্কুল এরিয়ায় এখন খেলার মাঠ সহজলভ্য নয়, পুকুর অনেক দূরের কিছু।
সুন্দর সময়, চমৎকার স্মৃতি আছে আমাদের।

১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:১৭

লেখক বলেছেন:
সুইটি ঋফায।

৫২. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৩০
নাঈম বলেছেন: আমিও এই কলেজের ছাত্র ছিলাম ..............:):):)


আহারে কত স্মৃতি মনে পড়ে গেল......:(:(:(
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪৭

লেখক বলেছেন:
ইচ্ছা করছে ধরে একটা পিটুনি দিই... যাও নাই কেন রি-ইউনিউনে ???
আমি জানলে ধরে নিয়ে যেতাম।

"ঝফক্সবযনব্লস্ন;নযন ব;ল্বনক্সমফজ্ঝযভ্লাভব " - এগুলি হচ্ছে ভয়ঙ্কর রকমের ঝারি !!!
(প্রচন্ড রকমের রাগের ইমো )

৫৩. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৮
নাঈম বলেছেন: যাইনাই দুইটা কারণে, প্রথমতঃ আমাদের ব্যাচের কারো সাথে এখন যোগাযোগ নাই, একা একা গিয়ে কোন লাভ হত না, দ্বিতীয়তঃ অফিস শেষে একটা দিন শুক্রবার ছুটি, শুক্রবার বাসায় বসে ঘুমানোটাই আমার কাছে বেশী ভাল লাগে....
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০৭

লেখক বলেছেন:
আমরা বন্ধুরা কেউ কাউকে ছাড়িনি, কত দূরে থাকে অনেকে... যোগাযোগ ঠিকই আছে।
এখনো আমরা একে অপরের আপডেট জানি।
ভাল এবং সুখী থাকাটাই আসল, যে যেভাবে থাকতে ভালবাসে।
সামনের বছর হয়তো জানুয়ারীতেই হবে ৫০ বছর পূর্তি।
অনেক শুভকামনা।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০০৭০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমার মাঝে লুকিয়ে থাকা এক অন্য আমি...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই