একটি জোনাকফুল অন্ধকারে আলো ছড়িয়ে ইতিউতি উড়ছিল। হাত বাড়িয়ে ছুঁয়ে দিলাম একটু করে, ভেবেছিলাম ছোঁয়া পেয়েই উড়ে যাবে জোনাকটি। কিন্তু না, বসল অল্পের জন্য চুপটি করে এরপর চিহ্ন রেখে উড়ে গেল আয়েসী ভঙ্গীতে। জোনাকীর আলোর হলুদ আভা থেকে গেল আমার আঙ্গুলের ডগায়।
জীব জগতের সবাই মাঝে মাঝে এলোমেলো হয়ে অদ্ভুত আচরণ করে।
সেই বিকেলটায় হঠাৎ দেখলাম ফড়িংগুলি পাগল হয়ে গিয়েছে… ঝাঁকে ঝাঁকে শত শত ফড়িং এলোমেলো উড়ছিল। সেদিন রাতেও তেমন অদ্ভুত আরেক কান্ড হল। পুকুরের পাড়ে অনেক জোনাকি নেমে এলো। এত সুন্দর লাগছিল… .....পানি ছুঁয়ে ছুঁয়ে উড়ে বেড়াচ্ছিল, যেন মাছরাঙ্গা !!
আমরা সব আলো নিভিয়ে দিয়ে সবাই নীরব ভাবুক হয়ে গেলাম, চুপ এবং চাপ!
কেটে গেল সারা রাত। আলো ফুটতে লাগল জ়োনাক ফুলের মতই ধীরে ধীরে।
আকাশটাকে দেখা গেল মেঘের চাদরে মোড়ানো, বৃষ্টি সে তো কয়েকদিন ধরেই ঝরছে টিপ টুপ টাপ করে…
শুরু হল আরেকটি নতুন দিন, প্রতিদিনের মতই।
নতুন দিন ফুটো ছন্দে
বৃষ্টি আবেশিত করো আবেগে
কিরণ, ম্লান করো দুঃখের চিহ্ন যত
জ্যোৎস্না, আবৃত কর ভালবাসার চাদরে…
বিকেল তুমি নিস্তব্ধতায় পরিহাস করো না…
রাতগুলি ব্যস্ত রাখো নীল বেগুনী ভাবনায়
দুপুর বিষন্নতায় মেতো না উপেক্ষায়
কালোমেঘ সরে গিয়ে হেসে উঠো বিদায়ী সুরে.....
সমাপ্তির !!!
আমাদের বিশাল সমুদ্র আছে, আছে পাহাড়, আছে চন্দ্র, সূর্য, তারা। আমরা কথাচ্ছলে প্রায়ই একে অপরকে এসব উপহার দিয়ে দেই। যার পাহাড় পছন্দ তাকে পাহাড়, কাপ্তাই এর লেক, রাঙ্গামাটির ঝুলন্ত সেতু, বান্দরবনের সব ঝরণা, কাউকে কর্ণফুলি নদী বিলিয়ে দিই! যার রাজত্বে যাওয়া হয় সে সারাক্ষণ খাজনা চায়। একবার সত্যি সত্যি আমার ছোটবোন মিথ্যেমিথ্যি কান্না করে ইনানীর পাথরগুলির একটি হতে আরেকটিতে লাফিয়ে লাফিয়ে দূরে চলে যাওয়ার অনুমতির জন্য ট্যাক্স নিয়ে ফেলেছিল। আমি আকাশের তারাগুলি বিলাই মনে সুখে। একদিন নতুন চাঁদ ছিল আকাশে, চাইনীজ ব্রাশে একটানে এঁকে ফেলার মত চিকন সুন্দর মায়া মায়া চাঁদ। ছাদে হাঁটাহাটি করতে গিয়ে ঘোষণা দিলাম- আমাকে যে চা খাওয়াবে আমি তাকে চাঁদটা দিয়ে দিব। আমার আদরের ছোট ভাই বেশি স্মার্ট হয়ে ফোনে নিচে বলে দিল যেন চা পাঠানো হয় ছাদে। সেবার আমাকে চাঁদটা দিয়ে দিতে হয়েছিল। :-( আমার এই ভাইটা আমাদের থেকে দূরে থাকে, অথচ সে ভীষণ ঘর কুনো। সে এমন একজন ছেলে যে ঘর থেকে বের হয়ে আবারো ঘরে ফিরে মাকে আদর করে বের হয়নি অজুহাতে।
ছোটবেলার যে রাত গুলিতে বৃষ্টি হত খুব, বাতাসের সাথে কিংবা কালবৈশাখী………. আমরা ৬ ভাই-বোনের সবাই মেঝেতে করা লম্বা বিছানায় মা বাবার সাথে ঘুমাতাম………
ফিরে পেতে ইচ্ছে করে সব!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

