আমার প্রিয় পোস্ট
- Karaoke প্লেয়ার আর ৭৫০+ Karaoke ফাইল : হয়ে যাক পার্টি
- ধ্রুব
- আমরা যা চাই তা ফ্রী তে চাই , কি দরকার রেজিস্ট্রশন করে সময় নষ্ট করার তাই না !!
- জটিল
- ৫০ জন যুদ্ধাপরাধীর তালিকা প্রকাশ করেছে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম - অণৃণ্য
- ওয়েস্টার্ন জাঁরের প্রতিমা - ৈতমুর েরজা
- প্রথম আলো ব্লগ কর্তৃপক্ষ :মডারেশনের মাধ্যমে লেখকের ভাষা নিয়ন্ত্রন... এটাই কি আপনাদের আসল চাওয়া - তারিক টুকু
- শাহরিয়ার হইতে সাবধান - তারিক টুকু
- ফরিদ উদ্দীন আত্তারের The Conference of the Birds - ইমন জুবায়ের
- জলশয্যা - সোহেল হাসান গালিব
- বছরের সেরা প্রেস রিলিজ
- শওকত হোসেন মাসুম
- বাংলাদেশে এক্টিভিস্ট হওয়া কি আদৌ সম্ভব (চার পর্ব একসঙ্গে) - ফাহমিদুল হক
- মিলগ্রামের পরীক্ষা - কোথায় রয়েছে আদেশ, আনুগত্য, বিবেক, আর নৈতিকতার সীমারেখা? - রাগিব
- ইমরান ব্লগ স্রষ্ট া - দেবরা
- ক্রিয়েটিভ কমনস্ বিষয়ে কিছু তথ্য.. - আশাবাদী!!
- লাইটহাউজ - তারিক টুকু
- অনিঃশেষ দেশভাগের কথকতা : সুধা কি সাদিয়ার কথা শুনছে - ফারুক ওয়াসিফ
- ফ্রি সিনেমা ডাউনলোড করতে চাই (হেল্প মি) - লেখাজোকা শামীম
- অর্ন্তজালের বাংলা ওয়েব সাইটগুলোর একটা তালিকা তৈরী করলাম। - একজন ব্লগার
- আপনার সাইটে কে এলো?কোথা থেকে এলো? - ব্রাইট
- কবিতা - আল-ইমরান সিদ্দিকী
- একটি রক্তাক্ত ভুখন্ডের লাল ইতিহাস - জাগারণ
- 'মানুষই মানুষের গা ঘেঁসিয়া বসিয়া থাকে' - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- পিনো দায়েনির পেইন্টিং - রানা
- সব ব্লগারের ইমেল এড্রেস সংকলন , আপডেটেড - তারকে
- Google AdSense ... ওয়েব থেকে আয়-উপার্জন (১) - ত্রিভুজ
- সিনেমা বিষয়ক ওয়েবসাইট তালিকা - ইশতিয়াক জিকো
- বাংলা গল্পের উত্তরাধিকার: প্রতিক্রিয়া পর্ব - ফজলুল কবিরী
- কেন সমাজতন্ত্র? - আলবার্ট আইনস্টাইন - স্বাক্ষর শতাব্দ
- অনলাইনে ফ্রী ল্যান্স কাজ - মদন
- প্যাস্টেল পেইন্টিংস..... - রানা
- বৈশ্বিক খাদ্যসংকট: ভুখা বাঙালির ভাতের কষ্ট বনাম শতাব্দীর বৃহত্তম জোচ্চুরির ইতিহাস - ফারুক ওয়াসিফ
- যে বই গুলো পড়া দরকার (সবগুলোর লিস্ট) - সপ্নীল
- আমার Google AdSense Account Disabled করা হয়েছে!!!!! - মনযূর মান্নান
- বাঁক - সফেদ ফরাজী......
- তুমি, তোমার সরাইখানা এবং হারানো মানুষ - মাসুদ খান
- জনপ্রিয় কিছু ওয়েব সাইট এর ঠিকানা.......... - গিফার
- ফ্রী ইবুক - শিমুল
- কার্টুন: ধান কাটা উৎসব - বহুরূপী মহাজন
- রেডিও সিরিজ - মৃদুল মাহবুব
- প্রেম নয়, প্রেমের সন্ধান করাটাই জীবন! - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- সতত জনম; মূল: মৃণাল সেন - ফাহমিদুল হক
- দি টর্চার অব তাসনিম খলিল - তারিক টুকু
- বাকশাল, বঙ্গবন্ধু ও আমার ব্যক্তিগত বিশ্লেষণ - বিবর্তনবাদী
- আপনার ফায়ারফক্সের স্পিড বাড়িয়ে তুলুন ১০ গুনঃ টিপস - আহমাদ মুজতবা
- এখনকার বাংলাদেশের কিছু লেখা নিয়ে আন্দাজ ০ দেবেশ রায় - মাহবুব মোর্শেদ
- নীল অশ্বারোহী (২) - তারিক টুকু
- কুড়িগ্রাম - মাসুদ খান
- কাছিমের গ্রাম - মৃদুল মাহবুব
সূর্যাস্ত মন্দির
০২ রা এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৪০
গাছ তার ছায়াতলে জ্যোৎস্না-সর চাপা দিয়ে রাখে
চাপা পড়ে তারকার অরব জীবন।
পুনর্জায়মান তারা-
রাত্রির আকাশ বয় তার স্মৃতির স্পন্দন।
এখন সন্ধ্যাবেলায় নীরবে সন্ত্রস্ত ওই দেবদারু
গোপনে বন্ধুর সাথে কথোপকথনে রত...
অনেক অনেকটুকু ব্যথা তাই দুয়ারে প্রস্তুত।
দুয়ারে প্রস্তুত আছে জুড়িগাড়ি, তাতে চেপে
মহাজরায়ুর পানে যেসব কলের গান আনমনে গেছে,
সিন্ধুর বেদনা গেছে- তাদেরও ভুলেছি।
পেয়েছি মূর্খের দেশ, নারীর অনন্ত কলরোল
আর স্বপ্নে এসে থেমেছে দানব সেই-
যার ধ্যান সমুদ্র শুষেছে।
সেখানে অঘোর মুক্তা, আকাশের নক্ষত্রবাগান
অস্থির তাবুর দিকে পরীদের ফেলে যাওয়া গান
আমি দেখেছি বা শুনেছিও!
শুনেছি যে, এই শূন্য চরাচরে
উল্কার প্রেতেরা নাকি বসবাস করে-
নীরব প্রস্তর হয়ে তাদের দেহটি পড়ে আছে
প্রকৃতির কূটাভাসে। যামিনী লণ্ঠন নিয়ে
তাদের সামনে এসে কখন দাঁড়ায়, কখন সামান্য বসে
নক্ষত্রের আরেকটু ভবিষ্যৎ শুনে যায়- জানতে পারিনি।
এখন আমার কাছে এই রাত্রি কেবলই বনপোড়া
প্রাণীদের মাংসকাবাবের কটুগন্ধ বয়ে আনে...
বাদুড়প্রাণের আলোড়ন, পতঙ্গের নৈশগুঞ্জন
যত স্থির কানে আসে, ততটাই খুলে যায়
তারা স্বপ্নের আয়নায়, আফিমে আফিমে ওড়ে
নগরদ্বারের মুখে ব্রোঞ্জ ও মুক্তার পাখি।
মস্তিস্কে অঙ্গার রেখে, উড়ে উড়ে, নিজেরই সঙ্গীর সাথে
নিরক্ত চুম্বন সেরে আসে।
এভাবেই চুম্বনসূত্রের কাছে ভালোবাসা ধীরে ধীরে অপসৃয়মান।
নগরের দ্বারে, ভোরে, ফিরে আসে যতবার সেই দুই পাখি
দেখি, আধারে উড়েছে বলে তাদের গায়ের রং আরেকটু বদলেছে যেন!
অজান্তেই বদলায় তাদের শোচনাসুর তাতে
দূরগ্রামে নির্ঘুম সঙ্গীনির হৃদয়বাষ্প আজ তাই
মূর্তিপাখিদের উড্ডীনতা চাপা দিয়ে রাখে!
প্রতিটি শোচনাকথা এভাবেই দিন ও রাত্রির পারাপারে
বয়ে নেয় আমাদের আর করে তোলে হাস্যকর প্রতিটি সম্পর্ক,
বহু যতেœ গড়া মরূদ্যান।
সমস্ত কৃত্রিম ঘড়ি ছেড়ে কোনও বালিঘড়ির নিকটে
সামান্য সময় চেয়ে দেখেছি যে, সে মূলত সূর্যাস্তের গুনছে প্রহর ।
সূর্যাস্ত-মন্দির আর তটরেখা ঘিরে শামুকের প্রাণে
যতটা রচিত হলো নিরবতা,
বালি ও সময় মাঝে উদ্ভিন্ন সংকট কোণ
এসবই কি তার উপঢৌকন?
প্রতিটি শোচনাকথা এভাবে কি দ্বিখণ্ডিত করে যাবে আমাদের
গ্রহপ্রসারের পানে উন্মুখ তাকিয়ে রবে একভাগ
অন্যভাগ রয়ে যাবে পরাজিত শরীরপোশাকে
তা না হলে কে-ই বা ঘুরবে একা একা গোলাকার
স্পষ্ট হওয়া ব্যর্থতাকে ঘিরে!
মাটির ঘরের মত অভিমানী জীবন চেয়েছি
ভেবেছি, দূরবীনে দেখে নেব পতঙ্গের অহোরাত্রি,
বিষাদপ্রস্তর গ্রামে সর্ন্তপণে জ্বলে ওঠে কুঁপি,
কী-বা ভেবে বালকেরা সন্ধ্যাকালে আতাফল চুরিতে বেরয়।
হাওয়ার লাবণ্যমর্ম দমবন্ধ অভিসারে হৃদয়কথাকে আজ
আকাশে অস্পষ্ট কোনো চন্দ্রফসলের দিকে বয়ে নিয়ে যায় ...
সন্ধ্যার আকাশে যদি উড়ে আসে
ফুটফুটে তারার মতো জোনাকীর ঝাঁক-
বলো- নিকটের তারা, কোনদিকে যাবো আমি?
আমার বাহান্ন ডানা আজ কোন গুণ্ঠনে লুকাবো?
উজ্জ্বল পোশাক দিয়ে আমি কি সে পরিখা ভর্তি করে নেব!
নাকি সবকিছু ত্যাগের মুহূর্তে শুধু ঝোলায় উঠাব
অতিচেনা সেই বাস্তুসাপ?
আমি কি নিষেধ শুনবো, তরঙ্গের রাগ ?
শুনবো কি মাল্লারের কথা- ‘যেও না, যেও না।
কেননা সেসব দেশে মানুষেরা আপন হৃদয়-খন্ড হাতে নিয়ে হাঁটে’
প্রতিটি হৃদয়কথা গান্ধর্বের দেশে গিয়ে মুহ্যমান আজ।
প্রতিটি হৃদয়কথা শোচনাচুল্লীতে পৌঁছাতে চেয়ে
হয় যত নিমখুন, গড়ে যতো ভুলের প্রাসাদ
কাছ থেকে যাকে মিহিকাপড়ের মতো মনে হয়
তার ’পরে অলঙ্ঘ্য তন্দ্রায় আমি গড়িয়ে বুঝেছি,
বহু উঁচু থেকে যাকে অগ্নিপিণ্ড বলে মনে হয়, তা মূলত
পরিত্যক্ত হৃদপিণ্ড এক, নিজেরই বিক্ষিপ্তির ভার
জবার উদ্যানে তাকে আগুনের শিখা করে তোলে।
এভাবেই অপরিমেয় জবারক্তের কাছে হতভম্ব হতে হতে
আমার কেবল এক শীতভারাতুর সৈকতের কথা মনে পড়ে।
যেখানে একাই আমি নুড়ি পাথরের কাছে
ভিক্ষা করিÑ আমার ভেতরে যেন প্রবাল-সত্তা কিছু জাগরুক হয়
যাতে বিস্মৃতির অংশ হয়ে সমুদ্রে কিছুটা মেশে সবুজ সমুদ্র।
মহাশিকড়ের পানে ধমনীর কাজ শুধু তরঙ্গের রাশিমালা
সমুদ্রে মেশানোÑ যেখানে হৃদয় স্ফুট।
যেখানে প্রস্তুত চন্দ্রগিরির উপত্যকায়
যত কাফ্রি এসে তাবু ফেলে, আমার প্রার্থনা:
তাদের ঘোড়াটি যেন মেঘে মেঘে বিলুপ্ত তরঙ্গশিখর দেখে রাখে।
তাদের ঘোড়াটি যেন মুখ উঁচু করে আজ সারারাত
একটি হ্রেষাও না ছাড়ে; কেননা এ দৃশ্য শুধু নরকের।
সবুজ সমুদ্র আজ তাই এত উন্মাতাল।
শিকারের লোভে আজ যারা আবহাওয়া-বার্তা উপেক্ষা করেছে
তারাই তো গণিকার স্তব্ধ শিক্ষক।
কুঠি থেকে বের হয়ে পবিত্র øানের পরে তারাই তো
গণিকার স্বাস্থ্য নিয়ে সমুদ্রের সাথে কিছু করেছে আলাপ!
এইতো কারণ যাতে
গণিকার রক্তে সুপ্ত থাকে সমুদ্রের নাদ।
সেইবার মাতৃসম কোনো গনিকার রক্তের ভেতর
দেখা হয় খুঁজে ফেরা আবহমান পানপাত্রের সাথে,
গণিকাকে মৃত ভেবে সে নিশ্চিন্তে বলে-
যে কোন ভরাট পাত্র দুঃখ দেয় শেষকালে গিয়ে!
তার চেয়ে নাকি ভাল ঘুমন্ত পাথরখণ্ডে এতটুকু বসা-
খানিক নির্জন থাকা, অজান্তে গানের সুর ভজা
হঠাৎ ঝড়ের মাঝে পাথরখণ্ডকে ছুঁয়ে
আরেকটু নির্লিপ্তি শেখা।
কেননা, লালিমার দিকে যেতে যেতে সব পাখি
নিজ থেকে আগুনের ভাষা বুঝে ফেলে-
জ্যোছনায় উড়ন্ত যত খণ্ড খণ্ড পানপাত্র
রাত্রির আকাশে ক্রমে হয় দৃশ্যমান
আমাদের হৃদয়কথারা ততটাই ধীরে ধীরে, সেই পথে
চাঁদের পাহাড়ে গিয়ে গড়ে তোলে আরেকটু অদেখা ফাটল।
নক্ষত্রবাগান ক্রমে এভাবেই শোচনাকথায় ভরে ওঠে।
দূর থেকে অনন্ত বিষাদ নিয়ে তারাদের গ্রাম
প্রতিরাতে মোহশরীরের সাথে বলে কথা
যতভাবে অসফল আমরা নিজেরাই
গণিকার কম্পনগাথায় ভরে নিজেদের ডেকে তুলি
নিস্কৃতিপাহাড় থেকে,
হৃদয়কথারা যেন ততটাই নিজেদের ফাঁকি দিয়ে যায়।
কেবলই অন্ধের হামাগুড়ি
পাহাড়ে বনের মর্মে, তরঙ্গ-তাঁবুতে স্তব্ধ হতে হতে
অনেক অনেকটুকু ব্যথা আজ ভুলতে পেরেছে।
বিলয়ের চরাচরে উড়ে যেতে চাওয়া কোনো পাখি
তীব্র লাল আগুনের বল যার জন্যে অপেক্ষায় থাকে
তার পায়ে লেগে থাকা উত্তাল সমুদ্র-নাদ
রুপার করুণ কুচি, বিগতজন্মের ডায়েরি
বাস্তুসাপের প্রহরা, আগুনশিখার লোভে উড়ে আসা
পতঙ্গের ছাইরাশি,
প্রতিরাতে লেবুবাগানের তলে করুণার সহযোগে
আমাকেই চাপা দিয়ে রাখে।
ডোমের সঙ্গীতে সেইদিন বারবার কেঁপে ওঠে তারাদের গ্রাম।
সেই গানে, কোনো অন্তঃসত্ত্বা কুমারীর
সন্তর্পণ পদক্ষেপ হয়ে যদি ফিরে আসি,
সমুদ্র, তাহলে তুমি আমাকেও নিও!
দূরাকাশে তারার বিষাদ যত বহমান, তার চেয়ে
সমুদ্রগুল্মের দেহে লেগে থাকা আমার গন্ধক
কখনই ভারি নয়!
বিষাদগ্রামের মত সেই দেশে জ্বলবে না কুপি
কখনই জানাবো না, আমি জাগ্রত।
প্রকাশ করা হয়েছে: কবিতা বিভাগে ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।
বিপন্ন বিস্ময় বলেছেন:
[Link|http://www.somewhereinblog.net/blog/tariquetukublog/28777553|শূণ্যদশকীয় সেই অসাধারণ প্রবন্ধটি।]
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: বহুদিন পর সারওয়ার ভাই।
![]()
শাব্বির আহমদ বলেছেন:
এত বড় কাব্য। তালিয়া।
লেখক বলেছেন:
ভাই, কোন্ পাপে জানি একটা দীর্ঘকবিতা লেখা হয়ে গিয়েছিলো।![]()
কৃত্তিবাস বলেছেন:
আপনের কবিতা আর গদ্যই আপনেরে স্টার কবি বানাইছে। কিন্তু সেইটার সুযোগ নিয়া বড় বড় কথা কওয়া উচিত না। যেমন ধরেন: আমাদের কবিতা নামের প্রবন্ধখানা। কতগুলি অকবিরে আপনে প্রমোট করলেন। কতগুলি অকবিতা আপনে প্রমোট করলেন। এইগুলা ছাড়েন। লেখক বলেছেন: দারুন কথা!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
আমি যে স্টার, সে আমি জানতাম না, জানতে চাই ও না। কিন্তু আপনি এটা এখানে বললেন কেন সে আমি জানি। ব্লগে আমার যেসব বন্ধু আছেন আপনি খুব কৌশলে তাদের সাথে আমার ব্যবধান তৈরী করতে চাইছেন। আমার সব বন্ধুরাই স্টার। কিন্তু আমরা এখনও গলা ধরাধরি করে হাটতে পারি, একজনের বিপদে আরেকজন এগিয়ে আসতে পারি। মানে, আমরা সহজ হয়ে এখনও পাশাপাশি বসতে পারি। এখন পর্যন্ত যা অবস্থা, তাতে এই বন্ধুত্ব বাড়ছে। আপনার মতো ছুচো পাবলিকের হাজার চেস্টায় এটা নস্ট হবার নয়।
আমি যদি 'বড় বড় কথা' বলেই থাকি তাহলে সেই সব পোস্টে প্রতিবাদ করেন না কেন? অন্য টপিক আসলে আগের টপিকের কথা তোলেন। এখন থেকে যোগ্যতা থেকে থাকলে, যে সব পোস্টে আমি 'বড় বড় কথা' বলছি বলে মনে হয়, সে সব পোস্টে যোগ্যতা থাকলে কথা বলতে আসুন।
কতগুলি অকবিরে আপনে প্রমোট করলেন। কতগুলি অকবিতা আপনে প্রমোট করলেন। -- এই কমেন্ট আপনার। আমাদের কবিতা সম্পর্কে। এর উত্তর আমি লিখে দেব না, পাঠকদের উত্তর থেকে দেব। এর উত্তর হিশেবে আপনি আমাদের কবিতায় ভিজিটরদের কমেন্ট+ এই পোস্টে বিপন্ন বিস্ময় এর কমেন্ট দেখুন।
তারপর ও যদি আপনি আপনি প্রমান করতে পারেন, কোনো অকবি কে প্রমোট করেছি, তাহলে আমি লেখা ছেড়ে দেব।
এবার আপনি বলেন, আপনি প্রমান না করতে পারলে কী করবেন?
মৃদুল মাহবুব বলেছেন:
টুকু , এই কবিতা যে দিন প্রথম আমি শুনি সেদিনকার কথা বোধ হয় মনে নেই তোর। কিন্তু আমার স্পষ্ট মনে আছে। সেদিন মাসুদ ভাই কি যেনো একটা কাজে চলে গেল; আমি তুই আর মজনু ভাই রাত ৯/৩০ এর দিকে পিজির ভেতর বসে আধো আলো আর আধো অন্ধকারে এই কবিতাটা পড়েছিলাম। কত কবিতাই তো আমরা পড়েছি এখারে ওখানে বসে। তবে সেদিনের স্মৃতি আমার আজও মনে আছে। কারন আর কিছুই নয়। এই কবিতাটার জন্যই দিনটা স্পেশাল ভাবে মনে আছে। কেননা ভালো কবিতার স্বাদ, গন্ধ বহুদিন থাকে। আজও আছে। আবার পড়ে আরেক অনুভূতি হলো। যাক সে কথা।কবিতাটাকে আমি তিন ভাগ করে ফেলেছি। ১. ইমিটার ২. বেস ৩. কালেক্টর। এই তিন বৈশিষ্ট্য এক সাথে সাধারণত দীর্ঘ কবিতায় আনাটা অত সহজ নয়। তবে সেই কঠিন কাজটার দেখা মাঝে মাঝে পেয়েছি কিছু কিছু কবিতায়। আজ তোর এই দীর্ঘ কবিতাটা পড়তে গিয়ে আবার তার দেখা মিললো।
''এভাবেই চুম্বনসূত্রের কাছে ভালোবাসা ধীরে ধীরে অপসৃয়মান।'' এই লাইনটা বেস। আর এর উপরের .....
গাছ তার ছায়াতলে জ্যোৎস্না-সর চাপা দিয়ে রাখে
চাপা পড়ে তারকার অরব জীবন। ..................
................................................................
এখন আমার কাছে এই রাত্রি কেবলই বনপোড়া
প্রাণীদের মাংসকাবাবের কটুগন্ধ বয়ে আনে...
বাদুড়প্রাণের আলোড়ন, পতঙ্গের নৈশগুঞ্জন
যত স্থির কানে আসে, ততটাই খুলে যায়
তারা স্বপ্নের আয়নায়, আফিমে আফিমে ওড়ে
নগরদ্বারের মুখে ব্রোঞ্জ ও মুক্তার পাখি।
মস্তিস্কে অঙ্গার রেখে, উড়ে উড়ে, নিজেরই সঙ্গীর সাথে
নিরক্ত চুম্বন সেরে আসে।''
এই অংশটা ইমিটার।
আর পরের .......
''নগরের দ্বারে, ভোরে, ফিরে আসে যতবার সেই দুই পাখি
দেখি, আধারে উড়েছে বলে তাদের গায়ের রং আরেকটু বদলেছে যেন!
অজান্তেই বদলায় তাদের শোচনাসুর তাতে
দূরগ্রামে নির্ঘুম সঙ্গীনির হৃদয়বাষ্প আজ তাই
মূর্তিপাখিদের উড্ডীনতা চাপা দিয়ে রাখে!........
.................................................................
দূরাকাশে তারার বিষাদ যত বহমান, তার চেয়ে
সমুদ্রগুল্মের দেহে লেগে থাকা আমার গন্ধক
কখনই ভারি নয়!
বিষাদগ্রামের মত সেই দেশে জ্বলবে না কুপি
কখনই জানাবো না, আমি জাগ্রত।''
অংশটা কালেক্টর।
ফলে একটা সাধারণ আবহ দিয়ে শুরু হয় কবিতাটি এর ইমিটার অংশে। সে অংশ মূলত কিছুই বলে না। কিন্তু এটা যখন এর বেস পার হয়ে কালেক্টর এ প্রবেশ করে কখন ব্যাপক এক শক্তি নিয়ে তা অবমুক্ত হয়। ফলে কবিতাটি তার পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়। এই পূর্ণাঙ্গতাও আরেক শক্তি এই কবিতাটার। ফলে কবিতাটি পৌচ্ছে দেয় মেধাকে অনেক দূর। আর এই কবিতার ভেতর যারা বিচ্ছিন্নতার দেখা পাবে তারা আর একটু চোখ দিলে দেখতে পাবে সুর আসলে হাজারো বিচ্ছিন্ন টোনের সমন্নয়। বিচ্ছিন্ন টোন গুলোর কোলাজ, পারফেক্ট আরেঞ্জমেন্টটাই মূথ্য। এটা ঠিক রাখা শিল্পীর কর্তব্য। এই কোলাজটাও ঠিক মতে করে দিয়েছিস। আমি অভিভূত কবিতাটা পড়ে আবার।
লেখক বলেছেন:
তোর অবজার্ভেশন মনে রাখার মতো।
'সুর আসলে হাজারো বিচ্ছিন্ন টোনের সমন্নয়।'--এটা গুপ্তবিদ্যা, বইয়ে লেখা থাকে না। অভিজ্ঞতায় পেতে হয়। তোর এই কথাটা ভীষন দামি।
তোকে অশেষ ধন্যবাদ।
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন:
সেইবার মাতৃসম কোনো গনিকার রক্তের ভেতরদেখা হয় খুঁজে ফেরা আবহমান পানপাত্রের সাথে,
গণিকাকে মৃত ভেবে সে নিশ্চিন্তে বলে-
যে কোন ভরাট পাত্র দুঃখ দেয় শেষকালে গিয়ে!
তার চেয়ে নাকি ভাল ঘুমন্ত পাথরখণ্ডে এতটুকু বসা-
অথবা
জ্যোছনায় উড়ন্ত যত খণ্ড খণ্ড পানপাত্র
রাত্রির আকাশে ক্রমে হয় দৃশ্যমান......ইত্যাদি
বোধের প্রকৃস্টির সাথে শব্দের একটা গভীর সম্পর্ক আছে।
খুবই ভালো লাগলো।
অনেকদিন পর একটা ভালো লেখা পেলাম ব্লগে।
স্টার।
লেখক বলেছেন: মুয়ীয,আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
ত্রিভুজ বলেছেন:
হুমমমমমমম....
লেখক বলেছেন: হুম। কী রে এটা কার ছবি?
জেন সাধু বলেছেন:
উত্তম।
লেখক বলেছেন: উত্তম
সফেদ ফরাজী...... বলেছেন:
ভালো।
লেখক বলেছেন: ভালো
মুজিব মেহদী বলেছেন:
আমি মুগ্ধ এর উড়ে উড়ে ছড়িয়ে পড়ায়, মৃদুকম্পনসহ।
লেখক বলেছেন: ভালো লাগছে আপনি পড়েছেন বলে। আপনাকে ধন্যবাদ, মুজিব ভাই।
অ রণ্য বলেছেন:
মনে করেছিলাম আসবনাকিন্তু আপনার এই কবিতা আসতে বাধ্য করল
কিছু কিছু কবিতা আছে যেগুলো পাঠ করলে
সহস্র কবিতা লেখার চেয়েও বেশি তুপ্তি পাওয়া যায়
এটাকে সেসব কবিতার দলে ফেলাটা কোনভাবেই ভুল নয়
একটা ঠাস বুনটের কবিতা আর সেই সাথে দৃশ্য থেকে দৃশ্যর পরিগমণ
অভূতপূর্ব
অ রণ্য বলেছেন:
উপরের কমেন্টটা কোনভাবেই যথেষ্ট নয়কবিতাটির পরিপ্রেক্ষিতে
তবুও দ্বিতীয়বার ফিরে আসার হেতু এই যে
এই সুদীর্ঘ কবিতাতে আমি কখনই কবিতাটির মূল সূর থেকে বিচু্যত হননি
যা এত দীর্ঘ কবিতাতে সব সময় রাখা সম্ভব হয়ে ওঠেনা,হয়না
অনেক পরিপক্ক কবিরাও তা থেকে চু্যত হন
আমার বিশ্বাস কবিতাটি আপনার সর্বোত্তম যত্নের একটি ফসল
অনেক অনেক শুভকামনা কবির জন্য
ভালো থাকুন লিখুন
অ রণ্য বলেছেন:
আরেকটা কথা না বললেই নাকবিতাতে আমি নানাবিধ এলিমেন্টের যথেচ্ছ প্রয়োগ পছন্দ করি
হয়নি অতি আধুনিক সভ্যতার হাওয়ায় বিকৃত রুচির রেশ
আমাদের মননকেও ছুঁয়ে গেছে
তবে এটা মানি এলিমেনটস গুলোকে যদি মোলায়েম করা যায়
লাইনের মাঝে ভাবের ধালায় হারিয়ে দেয়া যায়
তবে সেটা চোখে(মনে) আসেনা
যা আপনার এই কবিতায় সর্বোতভাবেই করা হয়েছে
এত বেশি এলিমেন্টস আছে তবুও যেন যেন সেগুলো নেই
বরং সেগুলো কে ছাপিয়ে চিরন্তন এক বিষন্নতা লাইনের পর লাইন পাঠকের মনে তার ছাপ এঁকে এঁকে এগিয়ে যাচ্ছে........
তারিক টুকু বলেছেন:
অরণ্য, কেন আসবেন না? কী কারণ ? বুঝতে পারছি না। কারণ জানি য়ে আপনি মেইল করতে পারেন। আমরা মেইলে ঝগড়া করতে পারি
'তবে এটা মানি এলিমেনটস গুলোকে যদি মোলায়েম করা যায়
লাইনের মাঝে ভাবের ধালায় হারিয়ে দেয়া যায়
তবে সেটা চোখে(মনে) আসেনা'
আপনার এই কথাটা খুব মূল্যবান। কবিতা নিয়ে আপনার কমেন্ট ও খুব মূল্যবান। ধন্যবাদ দেব কি না বুঝতে পারছি না। কেননা, আপনি বোধহয় অভিমান করে আছেন।
কিন্তু, আমার ধারনা আত্মার মানুষদের সাথে অভিমান বেশিদিন টেকে না।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জুবেরী।
ত্রিভুজ বলেছেন:
http://aaronrashid.blogspot.com/
এটা দেখ...
বাবু ভাইয়ের খবর কি রে? অনেকদিন কোন খোঁজ খবর পাই না....
লেখক বলেছেন: ভাইয়া আসবে,এ মাসেই। তোর ভাগিনার ছবি দেখেই বুঝেছিলাম, কিন্তু তারপর পরও নিশ্চিত হলাম।
অ রণ্য বলেছেন:
আরে নাআপনার উপর রাগ না
আমার রাগ এই জাগায় শেকড় গাড়া আগাছাদের জন্য
আপনি হয়ত জানেন না
নোংরা / জঞ্জাল আমি একদম সহ্য করতে পারিনা
মনে হয় পালিয়ে বাঁচি
সবকিছূ থেকে
এই যা................
বাকি যা মূল কথা তা হল এই যে
এমন কবিতায় না এসে যে থাকা যায়না সেটাই বলতে চেয়েছিলুম
লেখক বলেছেন: ঠিক আছে।
মাজুল হাসান বলেছেন:
বলো- নিকটের তারা, কোনদিকে যাবো আমি?আমার বাহান্ন ডানা আজ কোন গুণ্ঠনে লুকাবো?
ভালো লাগলো ভীষ--ণ....
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মাজুল।
আপনার বাবা কেমন আছেন?
লেখক বলেছেন: বুঝলাম।
ইমরান খান ইমু বলেছেন:
টুকু দা...মন্তব্য নিস্প্রয়োজন...সব কবিরই কিছু প্রতিনিধিত্বশীল কবিতা থাকে...এই কবিতা তাই...
প্লাস দেয়ার ব্যাপারে কার্পণ্য করতে পারলাম না...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
অ রণ্য বলেছেন:
এই কবিতাটি সেদি প্রিয়তে রাখিনিএই জন্য রাখিনি যে
এরকম একটা সৃষ্টি কেবর এক ক্লিকেই নিজের তালিকায় আনা উচিত নয়
কবিতাটিকে তার যথা যোগ্য সম্মান যদি দিতে হয় তবে বলি
জীবদ্দশায় কখনও আমাকে যদি আমার পড়া ভাল কবিতাগুলোর একটিকে বলতে বলা হয় তবে
নিঃসন্দেহে বলব সূর্যাস্ত মন্দিরের নাম
এত বিশাল কবিতা অথচ বিন্দুমাত্র কবিতা থেকে বেরিয়ে যাবার উপায় নেই
এত অজস্র এলিমেন্টস অথচ কি দারুণ গেঁথে গেঁথে থাকছে মস্তিষ্কে
অনেক অনেক শুভ কামনা রইল
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক শুভকামনা।
ভাল থাকুন।
অ রণ্য বলেছেন:
আসলে কবিতাটি মাথা থেকে নামছেনা টুকু ভাইভাল জিনিস আমরা জীদদ্দশায় চিনতে পারিনা
কিংবা চাইনা
কি রকম মূর্খ আমরা ?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অরণ্য।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আন্দালীব।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ



















অসাধারণ।অসাধারণ,অসাধারণ।অসাধারণ।অসাধারণ,অসাধারণ।অসাধারণ।অসাধারণ,অসাধারণ।অসাধারণ।অসাধারণ,অসাধারণ।অসাধারণ।অসাধারণ,অসাধারণ।
আপনার প্রবন্ধের সাপেক্ষে শুন্য দশকের সকল প্রবণতাসম্পন্ন একটা কবিতা পড়লাম এতদিনে।
ভালো লাগলো,অনেক,অনেক।